কেএফসির বক্সে মুরগির অপরিষ্কার মাথা

player
কেএফসির বক্সে মুরগির অপরিষ্কার মাথা

গ্যাব্রিয়েল নামের এক নারী যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ফাস্টফুড চেইন কেন্টাকি ফ্রায়েড চিকেনের (কেএফসি) হট উইংসের বাকেটে মুরগির আস্ত মাথা পেয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের এক নারী বিখ্যাত ফাস্টফুড চেইন কেএফসির হট উইংসের বাকেটে মুরগির আস্ত মাথা পেয়েছেন। সেই মাথা আবার ভেজে দেয়া হয়েছে পালক, চোখ সব সহই।

চিকেন ফ্রাই পছন্দ করেন না এমন মানুষ পাওয়াই যায় না। যে কোনো উৎসবে, বন্ধুবান্ধবের জন্মদিনে কিংবা হালকা নাশতাতেও চিকেন ফ্রাই তো থাকবেই। সেই চিকেন ফ্রাই খেতে গিয়েই বিড়ম্বনায় পড়েন যুক্তরাজ্যের এক নারী।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটিনের প্রতিবেদনে জানা যায়, গ্যাব্রিয়েল নামের এক নারী বিখ্যাত ফাস্টফুড চেইন কেন্টাকি ফ্রায়েড চিকেনের (কেএফসি) হট উইংসের বাকেটে মুরগির আস্ত মাথা পেয়েছেন।

সেই মাথা আবার ভেজে দেয়া হয়েছে পালক-চোখ সব সহই। এসব দেখে আর খেতে পারেননি গ্যাব্রিয়েল। পুরো খাবারটাই ফেলে দিতে হয়েছে তাকে।

মুরগির মাথার সেই ছবি ‘টেকস ওয়ে ট্রমা’ নামের ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেয়া হলে মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। ফলে কেএফসির বিপক্ষে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে।

সমালোচনার জেরে কেএফসি জানায়, এমন ঘটনা পুনরায় যাতে না ঘটে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকবে তারা।

গ্যাব্রিয়েলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে কেএফসি। সে যাতে পুনরায় কেএফসির ওপর আস্থা পায়, তাই তার পরিবারসহ তাকে কেএফসিতে তাদের কাজ দেখার দাওয়াত দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
করোনা ইস্যুতে জনগণকে সতর্ক করলেন বরিস জনসন
পণ্যের দাম বাড়াতে যুক্তরাজ্যের প্রতি বিজিএমইএর আহ্বান
ব্রেক্সিট: অচলাবস্থা নিরসনে বসছেন জনসন-লায়েন
যুক্তরাজ্যে বন্ধ হচ্ছে লকড ফোন বিক্রি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দুর্নীতিতে ভারত ৮৫তম

দুর্নীতিতে ভারত ৮৫তম

ছবি: সংগৃহীত

বিশেষজ্ঞ এবং শিল্প-বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের থেকে নেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৮০ দেশ ও অঞ্চলকে সূচক ০ থেকে ১০০-এর স্কেল ব্যবহার করে এই তালিকা তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে শূন্য বলতে বোঝানো হয় অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত। ১০০ অত্যন্ত স্বচ্ছ। এই হিসাবে ভারতের স্কোর ৪০।  

দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ২০২১ সালে এক ধাপ উন্নতি হয়েছে ভারতের। তালিকায় ৮৫ নম্বরে আছে নয়াদিল্লি। আন্তর্জাতিক দুর্নীতি দমন পর্যবেক্ষণ সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের নতুন প্রতিবেদনে এ তালিকা প্রকাশ হয়। যদিও সেখানে ভারতের গণতন্ত্র নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞ এবং শিল্প-বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের থেকে নেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৮০ দেশ ও অঞ্চলকে সূচক ০ থেকে ১০০-এর স্কেল ব্যবহার করে এই তালিকা তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে শূন্য বলতে বোঝানো হয় অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত। ১০০ অত্যন্ত স্বচ্ছ। এই হিসাবে ভারতের স্কোর ৪০।

দুর্নীতির প্রশ্নে সর্বোচ্চ স্কোর নিয়ে স্বচ্ছ তালিকার শীর্ষে আছে যথাক্রমে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও নরওয়ে।

এ ছাড়া ৪৫ নম্বরে চীন, ইন্দোনেশিয়া ৩৮, পাকিস্তান ২৮ এবং বাংলাদেশ ২৬ নম্বরে অবস্থান করছে।

সূচক অনুসারে, ভুটান বাদে ভারতের সব প্রতিবেশীই তাদের নিচে অবস্থান করছে। পাকিস্তান সূচকে ১৬ ধাপ নেমেছে, অবস্থান করছে তালিকার ১৪০ নম্বরে।

ভারতের ঘটনাকে বিশেষভাবে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দশকে দেশটির স্কোর স্থবির হয়ে পড়েছে। দুর্নীতি দমনে সাহায্য করতে পারে এমন কিছু ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে।

‘দেশের গণতান্ত্রিক মর্যাদা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। দেশটিতে মৌলিক স্বাধীনতা, প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ এবং ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

‘সাংবাদিক এবং সমাজকর্মীরা বিশেষভাবে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। পুলিশ, রাজনৈতিক জঙ্গি, অপরাধী চক্র এবং দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের আক্রমণের শিকার হয়েছে।’

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সুশীল সমাজের সংগঠনগুলো, যারা সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলে তাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। মানহানি, রাষ্ট্রদ্রোহ, হিংসাত্মক বক্তব্য, আদালত অবমাননার অভিযোগে, এমনকি বিদেশি তহবিলসংক্রান্ত মামলায় জড়াচ্ছে তারা।

আরও পড়ুন:
করোনা ইস্যুতে জনগণকে সতর্ক করলেন বরিস জনসন
পণ্যের দাম বাড়াতে যুক্তরাজ্যের প্রতি বিজিএমইএর আহ্বান
ব্রেক্সিট: অচলাবস্থা নিরসনে বসছেন জনসন-লায়েন
যুক্তরাজ্যে বন্ধ হচ্ছে লকড ফোন বিক্রি

শেয়ার করুন

বুদ্ধদেবের পদ্মভূষণ প্রত্যাখ্যান নিয়ে বিতর্ক

বুদ্ধদেবের পদ্মভূষণ প্রত্যাখ্যান নিয়ে বিতর্ক

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ছবি: সংগৃহীত

সম্মাননা প্রত্যাখ্যান করাকে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত জানিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘পুরস্কার গ্রহণ করা না করা ওনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। কিন্তু কমিউনিস্টরা বরাবরই দেশের পরম্পরা সংস্কৃতিকে অপমান করেন।’

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক খেতাব পদ্মভূষণ প্রত্যাখ্যান করা নিয়ে জোর বিতর্ক দেখা দিয়েছে জনসাধারণে।

মঙ্গলবার তাকে এই সম্মানে ভূষিত করে কেন্দ্রে আসীন বিজেপি সরকার। সামাজিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এদিন ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে বুদ্ধদেবের বাড়িতে ফোন করে সম্মাননার কথা জানানো হয় ।

খবর জানার পরপর তা প্রত্যাখ্যান করেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিক।

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বিবৃতিতে জানান, ‘পদ্মভূষণ পুরস্কার নিয়ে আমি কিছুই জানি না। আমাকে এ নিয়ে কেউ কিছু বলেনি। যদি আমাকে পদ্মভূষণ পুরস্কার দিয়ে থাকে তাহলে আমি তা প্রত্যাখ্যান করছি।’

বুদ্ধদেবের স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য জানান, বুদ্ধদেব শারীরিকভাবে দুর্বল হলেও, সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে আগের মতোই দৃঢ়চেতা এবং সবল। সেভাবেই তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক খেতাব পদ্মভূষণ সম্মাননা ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এ বিষয়ে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত করার মধ্য দিয়ে চমকের রাজনীতি করতে চাইছে কেন্দ্র সরকার।’

সম্মাননা প্রত্যাখ্যান করাকে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত জানিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘পুরস্কার গ্রহণ করা না করা ওনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। কিন্তু কমিউনিস্টরা বরাবরই দেশের পরম্পরা সংস্কৃতিকে অপমান করেন।’

জবাবে সিপিএম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, ‘দিলীপ বাবুরাই দেশের পরম্পরা সংস্কৃতি জানেন না। জানলে ব্রিটিশদের দালালি করতেন না। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতেন না। দিলীপ বাবু যে সরকারের হয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তারাই তো দেশে বিভাজনের চেষ্টা করছে। এটাই কি দেশের পরম্পরা?’

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের পদ্মভূষণ সম্মান প্রাপ্তির বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ বলেন, ‘সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের জমি-সন্ত্রাস করেছিলেন বুদ্ধবাবু। এই সম্মান দেয়ার অর্থ সন্ত্রাসে সিলমোহর দেয়া। এ ঘটনায় এটাই স্পষ্ট যে বিজেপি বামদের মদতপুষ্ট।’

তবে বুদ্ধদেবের পদ্মভূষণ প্রত্যাখ্যানকে স্বাগত জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। পদ্মভূষণ পাওয়া আরেক বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতাকে উদ্দেশ্য করে টুইটে তিনি লেখেন, সঠিক সিদ্ধান্ত। উনি গোলাম নয়, আজাদ থাকতে চান।

এর আগে ভারতের সর্বোচ্চ সম্মান ভারতরত্ন প্রত্যাখ্যান করেছিলেন কিংবদন্তি কমিউনিস্ট নেতা ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু।

আরও পড়ুন:
করোনা ইস্যুতে জনগণকে সতর্ক করলেন বরিস জনসন
পণ্যের দাম বাড়াতে যুক্তরাজ্যের প্রতি বিজিএমইএর আহ্বান
ব্রেক্সিট: অচলাবস্থা নিরসনে বসছেন জনসন-লায়েন
যুক্তরাজ্যে বন্ধ হচ্ছে লকড ফোন বিক্রি

শেয়ার করুন

রেলের নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে বিক্ষোভ, বিহারে ট্রেনে আগুন

রেলের নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে বিক্ষোভ, বিহারে ট্রেনে আগুন

গয়াতে যাত্রীবাহী ট্রেনে চাকরিপ্রার্থীরা আগুন দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ছবি: সংগৃহীত

পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এসময় ট্রেনে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। ট্রেনটি তখন খালি ছিল। এই ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

রেলওয়েতে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে ভারতের বিহারে যাত্রীবাহী ট্রেনে আগুন দেয়া হয়েছে।

বুধবার বিহারের গয়াতে ট্রেনে চাকরিপ্রার্থীরা আগুন দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেইসঙ্গে আরও একটি ট্রেনে ভাংচুর করা হয় বলে জানা গেছে।

গত কয়েকদিন ধরে বিহারে রেলওয়েতে কর্মচারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে বিক্ষোভ চলছে।

গয়াতে বুধবার পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এসময় ট্রেনে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। ট্রেনটি তখন খালি ছিল। এই ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে মঙ্গলবার আরায় ট্রেনে আগুন দেয়া হয়। পাটনার বিভিন্ন জায়গাতেও বিক্ষোভ চলছে।

পাটনার সিনিয়র পুলিশ সুপার মানবজিৎ সিং ধিলোন বলেছেন, ‘ছয়টি কোচিং ইনস্টিটিউট ও ১৫০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমরা আটজনক গ্রেপ্তার করেছি।’

পাটনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট চন্দ্রশেখর সিং বলেছেন, ‘আমরা কিছু কোচিং সেন্টার চিহ্নিত করেছি। এখান থেকেই ছাত্রদের প্রতিবাদ করতে প্ররোচিত করা হয়েছে। আমরা এরকম আরও কিছু কোচিং সেন্টারের উপর নজর রাখছি।’

শুধু পাটনা বা গয়া নয়, পুরো বিহার জুড়েই বিক্ষোভ চলছে।

জেহানাবাদে বিক্ষোভকারীরা রেললাইন অবরোধ করেছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে সীতামারি রেলস্টেশন থেকে বিক্ষোভকারীদের সরাতে ফাঁকা গুলি চালিয়েছে পুলিশ। নাওয়াদা, মুজাফ্ফরপুর, বক্সার ও ভোজপুর জেলাতেও বিক্ষোভ চলছে।

বিক্ষোভের কারণে দেশটির রেল মন্ত্রণালয় নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করেছে। এ বিষয়ে তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
করোনা ইস্যুতে জনগণকে সতর্ক করলেন বরিস জনসন
পণ্যের দাম বাড়াতে যুক্তরাজ্যের প্রতি বিজিএমইএর আহ্বান
ব্রেক্সিট: অচলাবস্থা নিরসনে বসছেন জনসন-লায়েন
যুক্তরাজ্যে বন্ধ হচ্ছে লকড ফোন বিক্রি

শেয়ার করুন

থাইল্যান্ডে বাড়িতেও করা যাবে গাঁজার চাষ

থাইল্যান্ডে বাড়িতেও করা যাবে গাঁজার চাষ

স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে বাড়িতে গাঁজা উৎপাদন করলে স্থানীয় মুদ্রায় ২০ হাজার বাথ (৬০৫ ডলার) জরিমানা করা হবে।

থাইল্যান্ডের নাগরিকরা স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে বাড়িতেই গাঁজার চাষ করতে পারবেন। উৎপাদিত গাঁজায় নিজের প্রয়োজন মেটানো যাবে, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বাড়িতে উৎপাদিত গাঁজা ব্যবহার করা যাবে না।

থাইল্যান্ডের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ড গাঁজাকে মাদকের তালিকা থেকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে দেশটির নাগরিকরা বাড়িতেও গাঁজার চাষ করতে পারবেন। থাইল্যান্ডই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে ২০১৮ সালে ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের জন্য গাঁজার বৈধতা দেয়।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবার থাইল্যান্ডের নাগরিকরা স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে বাড়িতেই গাঁজার চাষ করতে পারবেন। উৎপাদিত গাঁজায় নিজের প্রয়োজন মেটানো যাবে, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বাড়িতে উৎপাদিত গাঁজা ব্যবহার করা যাবে না।

তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে বাড়িতে গাঁজা উৎপাদন করলে স্থানীয় মুদ্রায় ২০ হাজার বাথ (৬০৫ ডলার) জরিমানা করা হবে।

দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল জানিয়েছেন, বাণিজ্যিকভাবে গাঁজা চাষ করতে অবশ্যই লাইসেন্স নিতে হবে।

এর আগে দেশটির পার্লামেন্টে গাঁজার বৈধ ব্যবহার, উৎপাদন ও বাণিজ্যিক নীতিমালাসংক্রান্ত বিল উত্থাপন করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
করোনা ইস্যুতে জনগণকে সতর্ক করলেন বরিস জনসন
পণ্যের দাম বাড়াতে যুক্তরাজ্যের প্রতি বিজিএমইএর আহ্বান
ব্রেক্সিট: অচলাবস্থা নিরসনে বসছেন জনসন-লায়েন
যুক্তরাজ্যে বন্ধ হচ্ছে লকড ফোন বিক্রি

শেয়ার করুন

চীনের আগেই বিমান উদ্ধার করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

চীনের আগেই বিমান উদ্ধার করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

দুর্ঘটনা ঘটার সময় এফ-৩৫সি লাইটিং টু যুদ্ধবিমানটি রুটিন ফ্লাইট পরিচালনা করছিল। ছবি: এএফপি

বিধ্বস্ত বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের লকহিড মার্টিনের তৈরি পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান এফ-থ্রি ফাইভ সি লাইটিং টু। এই বিমানের প্রযুক্তি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। যুক্তরাষ্ট্র চায় না এ ধরনের প্রযুক্তি চীনের হস্তগত হোক।

যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক কমান্ডের অধীন পারমাণু শক্তিচালিত ইউএসএস কার্ল ভিনসনে অবতরণ করতে গিয়ে বিধ্বস্ত হয় যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান। এ ঘটনায় পাইলট সফলতার সঙ্গে বিমান থেকে বের হয়ে গেলেও বিমানটি সমুদ্রে পতিত হয়।

এবার সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগরে পতিত হওয়া বিধ্বস্ত বিমানটি চীনের হস্তগত হওয়ার আগেই উদ্ধার করতে চায় যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী।

বিধ্বস্ত বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের লকহিড মার্টিনের তৈরি পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান এফ-থ্রি ফাইভ সি লাইটিং টু। এই বিমানের প্রযুক্তি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। যুক্তরাষ্ট্র চায় না এ ধরনের প্রযুক্তি চীনের হস্তগত হোক।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সপ্তম নৌবহরের মুখপাত্র নিকোলাস লিংগো বলেছেন, কার্ল ভিনসনে দুর্ঘটনার শিকার হওয়া এফ-থ্রি ফাইভ সি উদ্ধার অভিযানের কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী।

দক্ষিণ চীন সাগরের ঠিক কোথায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে তা জানায়নি যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। তবে চীনের নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ড সব সময়ই দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থান করে।

ইউএস প্যাসিফিক কমান্ডের অধীন পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস কার্ল ভিনসন দক্ষিণ চীন সাগরে মোতায়েন রয়েছে।

২৫ জানুয়ারি দুর্ঘটনা ঘটার সময় এফ-থ্রি ফাইভ সি লাইটিং টু যুদ্ধবিমানটি রুটিন ফ্লাইট পরিচালনা করছিল।

এ ঘটনায় ৭ জন নাবিক আহত হয়। তাদের মধ্যে ৩ জনকে ম্যানিলার মেডিক্যাল ফ্যাসিলিটিজে সরিয়ে নেয়া হয়। তবে ঠিক কী কারণে তাদের ম্যানিলায় সরানো হলো তা জানানো হয়নি। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে।

বাকি ৪ জন ইউএসএস কার্ল ভিনসনেই চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ৩ জনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তবে যিনি চিকিৎসাধীন আছেন, বিবৃতিতে তার অবস্থা জানানো হয়নি।

আরও পড়ুন:
করোনা ইস্যুতে জনগণকে সতর্ক করলেন বরিস জনসন
পণ্যের দাম বাড়াতে যুক্তরাজ্যের প্রতি বিজিএমইএর আহ্বান
ব্রেক্সিট: অচলাবস্থা নিরসনে বসছেন জনসন-লায়েন
যুক্তরাজ্যে বন্ধ হচ্ছে লকড ফোন বিক্রি

শেয়ার করুন

প্রজাতন্ত্র দিবসে ৭১-এর সমরাস্ত্র দেখালো ভারত

প্রজাতন্ত্র দিবসে ৭১-এর সমরাস্ত্র দেখালো ভারত

মাইগভ নামের পোর্টালে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ভারতীয়রা সরাসরি প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান দেখতে পারবেন। ছবি: সংগৃহীত

শুধু পূর্ণ ডোজ দেয়া প্রাপ্তবয়স্ক ও ১৫ বছরের নিচে একটি ডোজ দেয়ারা প্যারেড অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবে। প্যান্ডেমিকের কারণে এবার বাইরের দেশের কোনো কন্টিনজেন্ট প্যারেডে অংশগ্রহণ করবে না।

আজ ভারতের ৭৩তম প্রজাতন্ত্র দিবস। সেই উপলক্ষে রামনাথ কোবিন্দ ২১টি তোপধ্বনির মধ্যে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন। রাজধানী দিল্লির রাজপথে হয়েছে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ।

এবারের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করছে ভারতীয় বিমানবাহিনীর ৭৫টি বিমান ও হেলিকপ্টার, দেশটির সেনাবাহিনীর রাজপূত রেজিমেন্ট, আসাম রেজিমেন্ট, জম্মু-কাশ্মীর লাইট রেজিমেন্ট, শিখ লাইট রেজিমেন্ট, আর্মি অর্ডন্যান্স কর্পস এবং প্যারাশুট রেজিমেন্ট ও নৌবাহিনীর চৌকস দল।

এছাড়াও এবারের কুচকাওয়াজে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্যবহার করা সেঞ্চুরিয়ান ট্যাঙ্ক, পিটি-৭৬ ট্যাঙ্ক, ৭৫/২৪ প্যাক হুইটজার এবং ওটি-৬২ টোপাজ সাঁজোয়া যান প্রদর্শন করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

বর্তমানে বিশ্বের একমাত্র সক্রিয় অশ্বারোহী ইউনিট ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৬১ অশ্বারোহী রেজিমেন্ট আজকের প্যারেডে প্রথম মার্চ করা দল।

এবার, করোনা মহামারী মোকাবেলার ফ্রন্টলাইনের কর্মী, অটোরিকশা চালক, নির্মাণ শ্রমিকরা এ কুচকাওয়াজের বিশেষ অতিথি ছিলেন।

এবারের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনেক কিছুই ছিল নতুন। প্রথমবারের মত ফ্লাইপাস্টে অংশ নেয় বিমানবাহিনীর ৭৫ টি যুদ্ধবিমান। এদিন আকাশে ওড়ে রাফালে যুদ্ধবিমানও।

রাফালে যুদ্ধবিমানের নারী পাইলট শিবাঙ্গী সিং প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ভারতীয় বিমান বাহিনীর ট্যাবলোতে অংশ নিয়েছেন। তিনি ইতিহাসে দ্বিতীয় নারী যুদ্ধবিমানের পাইলট হিসেবে ভারতীয় বিমানবাহিনীর ট্যাবলোতে অংশ নিয়েছেন।

‘বন্দে ভারতম’ নৃত্য প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্বাচিত ৪৮০ নৃত্যশিল্পীও নৃত্য পরিবেশন করবেন, এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে। ন্যাশনাল ক্যাডেট ক্রপসের অনুষ্ঠান ‘শহীদও কো সাত সাত সালাম’ উপভোগ করতে পারবে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ দেখতে আসা দর্শক।

শুধু পূর্ণ ডোজ দেয়া প্রাপ্তবয়স্করাই কেবল অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পেরেছে। করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে এবার বাইরের দেশের কোনো কন্টিনজেন্ট প্যারেডে অংশগ্রহণ করেনি এবং দেশের বাইরের কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তিও এবার উপস্থিত হননি।

এ ছাড়া মাইগভ নামের পোর্টালে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমেও ভারতীয়রা সরাসরি প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান দেখতে পেরেছে।

সাড়ে সাতটায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে দেশবাসীকে ৭৩ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট করেন।

আরও পড়ুন:
করোনা ইস্যুতে জনগণকে সতর্ক করলেন বরিস জনসন
পণ্যের দাম বাড়াতে যুক্তরাজ্যের প্রতি বিজিএমইএর আহ্বান
ব্রেক্সিট: অচলাবস্থা নিরসনে বসছেন জনসন-লায়েন
যুক্তরাজ্যে বন্ধ হচ্ছে লকড ফোন বিক্রি

শেয়ার করুন

আরও কবর খুঁজে পেলেন কানাডার আদিবাসীরা

আরও কবর খুঁজে পেলেন কানাডার আদিবাসীরা

ক্যাথলিক স্কুলপ্রাঙ্গণে খুঁজে পাওয়া কবরের মাঝে ৩ বছরের শিশুর কবরও রয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

কানাডা ১ লাখ ৫০ হাজার আদিবাসী শিশুকে ১৮০০ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত জোরপূর্বক আবাসিক স্কুলে যোগদানে বাধ্য করেছিল। সেখানে শিশুদের থেকে তাদের ভাষা ও সংস্কৃতি ছিনিয়ে নেয়া হয়েছিল, ভাই-বোন থেকেও আলাদা করা হয়েছিল এবং এসব শিশু মানসিক, শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকারও হয়েছিল।

অনেক উন্নত দেশেরই ঝলমলে বর্তমানের পেছনে রয়েছে গাঢ় অন্ধকার। অনেক দেশই অতীতে এলাকার দখল নিতে সেখানকার আদিবাসীদের উচ্ছেদ করেছে কিংবা আফ্রিকা থেকে নিয়ে এসেছে ক্রীতদাস। কানাডাও এর বাইরে নয়। দেশটি একসময় সেখানকার আদিবাসী যারা প্রায় ৬ হাজার ৫০০ বছর আগে থেকে বসবাস করছিল, তাদের শিশুদের সভ্য করার নামে আবাসিক স্কুলে নিয়ে আসতো। জোরপূর্বক কেড়ে নেয়া হতো ভাষা ও সংস্কৃতি।

এই আবাসিক স্কুলের চাপ সহ্য করতে না পেরেই প্রাণ হারিয়েছে হাজার হাজার শিশু। গত বছরেও নামবিহীন প্রায় ২১৫টি কবরের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আবার নতুন করে নাম-পরিচয়হীন আরও অনেকগুলো কবরের সন্ধান পেয়েছে কানাডার আদিবাসী সম্প্রদায়।

উইলিয়াম লেক ফার্স্ট নেশন সোমবার জানিয়েছে, ভূতাত্ত্বিক অনুসন্ধানে এখন পর্যন্ত ৯৩টি কবরের সন্ধান পাওয়া গেছে।

কানাডার পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্য ব্রিটিশ কলম্বিয়ার প্রাক্তন কামলপস ইন্ডিয়ান আবাসিক স্কুল বা সেন্ট জোসেফ আবাসিক স্কুলের এলাকায় এই কবরগুলো পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, এই কবরগুলো সেন্ট জোসেফ আবাসিক স্কুলের ছাত্রদেরই।

প্রায় হাজার হাজার উইলিয়াম লেক ফার্স্ট নেশন ও অন্যান্য আদিবাসী শিশুদের জোরপূর্বক সেন্ট জোসেফ স্কুলে রাখা হয়েছিল। এই স্কুলটি ১৮৮১-১৯৮১ সাল পর্যন্ত চালু ছিল।

গত বছর মে মাসেও এই আবাসিক স্কুলের আশপাশে প্রায় ২১৫টি নামবিহীন কবরের সন্ধান পাওয়া গেছে।

কানাডা ১ লাখ ৫০ হাজার আদিবাসী শিশুকে ১৮০০ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত জোরপূর্বক আবাসিক স্কুলে যোগদানে বাধ্য করেছিল।

সেখানে শিশুদের থেকে তাদের ভাষা ও সংস্কৃতি ছিনিয়ে নেয়া হয়েছিল, ভাই-বোন থেকেও আলাদা করা হয়েছিল এবং এসব শিশু মানসিক, শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকারও হয়েছিল।

হাজার হাজার শিশু মারা গিয়েছিল এমন পরিস্থিতি সহ্য করতে না পেরে।

বিভিন্ন গীর্জা বিশেষ করে রোমান ক্যাথলিক চার্চ এই স্কুলগুলো পরিচালনা করতেন।

২০১৫ সালে দেশটির ফেডারেল কমিশনও তদন্তের পর এ ঘটনার সত্যতা পায়। তারা কানাডার আবাসিক স্কুল পদ্ধতিকে ‘সাংস্কৃতিক গণহত্যা’ চালানোর দায়ে অভিযুক্ত করেছে।

এই মাসের শুরুর দিকে কানাডার ফেডারেল সরকার উইলিয়াম লেক ফার্স্ট নেশনের জন্য ১.৯ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার তহবিল ঘোষণা করে, যাতে তারা প্রাক্তন আবাসিক স্কুলগুলোর সঙ্গে যুক্ত সমাধিগুলো নিয়ে তদন্ত করতে পারে।

সর্বোপরি নতুন এই কবরগুলো খুঁজে পাওয়ায়, জোরপূর্বক-আত্মীকরণ প্রতিষ্ঠানের শিকার হওয়া এবং বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের জন্য ন্যায়বিচার দাবি আরও জোরালো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
করোনা ইস্যুতে জনগণকে সতর্ক করলেন বরিস জনসন
পণ্যের দাম বাড়াতে যুক্তরাজ্যের প্রতি বিজিএমইএর আহ্বান
ব্রেক্সিট: অচলাবস্থা নিরসনে বসছেন জনসন-লায়েন
যুক্তরাজ্যে বন্ধ হচ্ছে লকড ফোন বিক্রি

শেয়ার করুন