শুধু নিজের ভোট পেলেন প্রার্থী

player
শুধু নিজের ভোট পেলেন প্রার্থী

সান্তোসের পরিবারেরই ১২ জন সদস্য রয়েছেন। কেউই তাকে ভোট দেননি।

গ্রামবাসী ও তার বন্ধুবান্ধব না হোক। সান্তোস ভেবেছিলেন তার পরিবারের সদস্যদের তিনি পাশে পাবেন।

নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকেই। কেউ হারে, কেউ জেতে। পরাজয়ের ভয়ে তো নির্বাচন থেকে দূরে থাকা যাবে না। কিন্তু নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে ভারতের গুজরাটের এক ব্যক্তির ক্ষেত্রে ঘটল দুঃখজনক ঘটনা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটিনের প্রতিবেদনে জানা যায়, জনপ্রতিনিধি হবেন ভেবেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন গুজরাটের বাপি জেলার সান্তোস। লক্ষ্য ছিল চারওয়ালা গ্রামের পঞ্চায়েত সভাপতি হওয়ার।

কিন্তু নির্বাচনি ফলাফল এতই অপ্রত্যাশিত ছিল যে তিনি ভোট গণনাকেন্দ্রের সামনেই হাউমাউ করে কেঁদে ফেলেন। কারণ ১০০ বা ২০০ ভোট নয়; তিনি ভোট পেয়েছেন মাত্র ১টি। অথচ তার পরিবারেরই ১২ জন সদস্য রয়েছেন। কেউই তাকে ভোট দেননি।

গ্রামবাসী ও তার বন্ধুবান্ধব না হোক। সান্তোস ভেবেছিলেন তার পরিবারের সদস্যদের তিনি পাশে পাবেন।

ইন্ডিয়া টুডেকে সান্তোস বলেন, গ্রামবাসী তাকে ভোট দেননি। তিনি তাতে মনে কষ্ট পাননি। কিন্তু তিনি নিশ্চিত ছিলেন তার পরিবারের সবাই তাকে ভোট দিবেন। পরিবারের ১২ সদস্যের কেউই তাকে ভোট দেননি। এই ঘটনা তার হৃদয় ভেঙে দিয়েছে।

মঙ্গলবার গুজরাটের রাজ্য নির্বাচন কমিশন ৬ হাজার ৪৮১টি গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্বাচনের ফল ঘোষণা করে। ফল যখন বেরোয় তখন সান্তোস দেখেন, মাত্র একটি ভোট পেয়েছেন এবং সেটা নিজেই দিয়েছেন। ভোটের ফল জানার পরই গণনাকেন্দ্রের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দুর্নীতিতে ভারত ৮৫তম

দুর্নীতিতে ভারত ৮৫তম

ছবি: সংগৃহীত

বিশেষজ্ঞ এবং শিল্প-বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের থেকে নেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৮০ দেশ ও অঞ্চলকে সূচক ০ থেকে ১০০-এর স্কেল ব্যবহার করে এই তালিকা তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে শূন্য বলতে বোঝানো হয় অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত। ১০০ অত্যন্ত স্বচ্ছ। এই হিসাবে ভারতের স্কোর ৪০।  

দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ২০২১ সালে এক ধাপ উন্নতি হয়েছে ভারতের। তালিকায় ৮৫ নম্বরে আছে নয়াদিল্লি। আন্তর্জাতিক দুর্নীতি দমন পর্যবেক্ষণ সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের নতুন প্রতিবেদনে এ তালিকা প্রকাশ হয়। যদিও সেখানে ভারতের গণতন্ত্র নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞ এবং শিল্প-বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের থেকে নেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৮০ দেশ ও অঞ্চলকে সূচক ০ থেকে ১০০-এর স্কেল ব্যবহার করে এই তালিকা তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে শূন্য বলতে বোঝানো হয় অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত। ১০০ অত্যন্ত স্বচ্ছ। এই হিসাবে ভারতের স্কোর ৪০।

দুর্নীতির প্রশ্নে সর্বোচ্চ স্কোর নিয়ে স্বচ্ছ তালিকার শীর্ষে আছে যথাক্রমে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও নরওয়ে।

এ ছাড়া ৪৫ নম্বরে চীন, ইন্দোনেশিয়া ৩৮, পাকিস্তান ২৮ এবং বাংলাদেশ ২৬ নম্বরে অবস্থান করছে।

সূচক অনুসারে, ভুটান বাদে ভারতের সব প্রতিবেশীই তাদের নিচে অবস্থান করছে। পাকিস্তান সূচকে ১৬ ধাপ নেমেছে, অবস্থান করছে তালিকার ১৪০ নম্বরে।

ভারতের ঘটনাকে বিশেষভাবে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দশকে দেশটির স্কোর স্থবির হয়ে পড়েছে। দুর্নীতি দমনে সাহায্য করতে পারে এমন কিছু ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে।

‘দেশের গণতান্ত্রিক মর্যাদা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। দেশটিতে মৌলিক স্বাধীনতা, প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ এবং ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

‘সাংবাদিক এবং সমাজকর্মীরা বিশেষভাবে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। পুলিশ, রাজনৈতিক জঙ্গি, অপরাধী চক্র এবং দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের আক্রমণের শিকার হয়েছে।’

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সুশীল সমাজের সংগঠনগুলো, যারা সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলে তাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। মানহানি, রাষ্ট্রদ্রোহ, হিংসাত্মক বক্তব্য, আদালত অবমাননার অভিযোগে, এমনকি বিদেশি তহবিলসংক্রান্ত মামলায় জড়াচ্ছে তারা।

শেয়ার করুন

বুদ্ধদেবের পদ্মভূষণ প্রত্যাখ্যান নিয়ে বিতর্ক

বুদ্ধদেবের পদ্মভূষণ প্রত্যাখ্যান নিয়ে বিতর্ক

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ছবি: সংগৃহীত

সম্মাননা প্রত্যাখ্যান করাকে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত জানিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘পুরস্কার গ্রহণ করা না করা ওনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। কিন্তু কমিউনিস্টরা বরাবরই দেশের পরম্পরা সংস্কৃতিকে অপমান করেন।’

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক খেতাব পদ্মভূষণ প্রত্যাখ্যান করা নিয়ে জোর বিতর্ক দেখা দিয়েছে জনসাধারণে।

মঙ্গলবার তাকে এই সম্মানে ভূষিত করে কেন্দ্রে আসীন বিজেপি সরকার। সামাজিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এদিন ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে বুদ্ধদেবের বাড়িতে ফোন করে সম্মাননার কথা জানানো হয় ।

খবর জানার পরপর তা প্রত্যাখ্যান করেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিক।

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বিবৃতিতে জানান, ‘পদ্মভূষণ পুরস্কার নিয়ে আমি কিছুই জানি না। আমাকে এ নিয়ে কেউ কিছু বলেনি। যদি আমাকে পদ্মভূষণ পুরস্কার দিয়ে থাকে তাহলে আমি তা প্রত্যাখ্যান করছি।’

বুদ্ধদেবের স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য জানান, বুদ্ধদেব শারীরিকভাবে দুর্বল হলেও, সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে আগের মতোই দৃঢ়চেতা এবং সবল। সেভাবেই তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক খেতাব পদ্মভূষণ সম্মাননা ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এ বিষয়ে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত করার মধ্য দিয়ে চমকের রাজনীতি করতে চাইছে কেন্দ্র সরকার।’

সম্মাননা প্রত্যাখ্যান করাকে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত জানিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘পুরস্কার গ্রহণ করা না করা ওনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। কিন্তু কমিউনিস্টরা বরাবরই দেশের পরম্পরা সংস্কৃতিকে অপমান করেন।’

জবাবে সিপিএম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, ‘দিলীপ বাবুরাই দেশের পরম্পরা সংস্কৃতি জানেন না। জানলে ব্রিটিশদের দালালি করতেন না। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতেন না। দিলীপ বাবু যে সরকারের হয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তারাই তো দেশে বিভাজনের চেষ্টা করছে। এটাই কি দেশের পরম্পরা?’

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের পদ্মভূষণ সম্মান প্রাপ্তির বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ বলেন, ‘সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের জমি-সন্ত্রাস করেছিলেন বুদ্ধবাবু। এই সম্মান দেয়ার অর্থ সন্ত্রাসে সিলমোহর দেয়া। এ ঘটনায় এটাই স্পষ্ট যে বিজেপি বামদের মদতপুষ্ট।’

তবে বুদ্ধদেবের পদ্মভূষণ প্রত্যাখ্যানকে স্বাগত জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। পদ্মভূষণ পাওয়া আরেক বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতাকে উদ্দেশ্য করে টুইটে তিনি লেখেন, সঠিক সিদ্ধান্ত। উনি গোলাম নয়, আজাদ থাকতে চান।

এর আগে ভারতের সর্বোচ্চ সম্মান ভারতরত্ন প্রত্যাখ্যান করেছিলেন কিংবদন্তি কমিউনিস্ট নেতা ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু।

শেয়ার করুন

প্রজাতন্ত্র দিবসে ৭১-এর সমরাস্ত্র দেখালো ভারত

প্রজাতন্ত্র দিবসে ৭১-এর সমরাস্ত্র দেখালো ভারত

মাইগভ নামের পোর্টালে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ভারতীয়রা সরাসরি প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান দেখতে পারবেন। ছবি: সংগৃহীত

শুধু পূর্ণ ডোজ দেয়া প্রাপ্তবয়স্ক ও ১৫ বছরের নিচে একটি ডোজ দেয়ারা প্যারেড অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবে। প্যান্ডেমিকের কারণে এবার বাইরের দেশের কোনো কন্টিনজেন্ট প্যারেডে অংশগ্রহণ করবে না।

আজ ভারতের ৭৩তম প্রজাতন্ত্র দিবস। সেই উপলক্ষে রামনাথ কোবিন্দ ২১টি তোপধ্বনির মধ্যে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন। রাজধানী দিল্লির রাজপথে হয়েছে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ।

এবারের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করছে ভারতীয় বিমানবাহিনীর ৭৫টি বিমান ও হেলিকপ্টার, দেশটির সেনাবাহিনীর রাজপূত রেজিমেন্ট, আসাম রেজিমেন্ট, জম্মু-কাশ্মীর লাইট রেজিমেন্ট, শিখ লাইট রেজিমেন্ট, আর্মি অর্ডন্যান্স কর্পস এবং প্যারাশুট রেজিমেন্ট ও নৌবাহিনীর চৌকস দল।

এছাড়াও এবারের কুচকাওয়াজে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্যবহার করা সেঞ্চুরিয়ান ট্যাঙ্ক, পিটি-৭৬ ট্যাঙ্ক, ৭৫/২৪ প্যাক হুইটজার এবং ওটি-৬২ টোপাজ সাঁজোয়া যান প্রদর্শন করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

বর্তমানে বিশ্বের একমাত্র সক্রিয় অশ্বারোহী ইউনিট ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৬১ অশ্বারোহী রেজিমেন্ট আজকের প্যারেডে প্রথম মার্চ করা দল।

এবার, করোনা মহামারী মোকাবেলার ফ্রন্টলাইনের কর্মী, অটোরিকশা চালক, নির্মাণ শ্রমিকরা এ কুচকাওয়াজের বিশেষ অতিথি ছিলেন।

এবারের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনেক কিছুই ছিল নতুন। প্রথমবারের মত ফ্লাইপাস্টে অংশ নেয় বিমানবাহিনীর ৭৫ টি যুদ্ধবিমান। এদিন আকাশে ওড়ে রাফালে যুদ্ধবিমানও।

রাফালে যুদ্ধবিমানের নারী পাইলট শিবাঙ্গী সিং প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ভারতীয় বিমান বাহিনীর ট্যাবলোতে অংশ নিয়েছেন। তিনি ইতিহাসে দ্বিতীয় নারী যুদ্ধবিমানের পাইলট হিসেবে ভারতীয় বিমানবাহিনীর ট্যাবলোতে অংশ নিয়েছেন।

‘বন্দে ভারতম’ নৃত্য প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্বাচিত ৪৮০ নৃত্যশিল্পীও নৃত্য পরিবেশন করবেন, এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে। ন্যাশনাল ক্যাডেট ক্রপসের অনুষ্ঠান ‘শহীদও কো সাত সাত সালাম’ উপভোগ করতে পারবে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ দেখতে আসা দর্শক।

শুধু পূর্ণ ডোজ দেয়া প্রাপ্তবয়স্করাই কেবল অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পেরেছে। করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে এবার বাইরের দেশের কোনো কন্টিনজেন্ট প্যারেডে অংশগ্রহণ করেনি এবং দেশের বাইরের কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তিও এবার উপস্থিত হননি।

এ ছাড়া মাইগভ নামের পোর্টালে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমেও ভারতীয়রা সরাসরি প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান দেখতে পেরেছে।

সাড়ে সাতটায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে দেশবাসীকে ৭৩ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট করেন।

শেয়ার করুন

‘পদ্মভূষণ’ প্রত্যাখ্যান করলেন বুদ্ধদেব

‘পদ্মভূষণ’ প্রত্যাখ্যান করলেন বুদ্ধদেব

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ছবি: সংগৃহীত

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এক বিবৃতিতে জানান, পদ্মভূষণ পুরস্কার নিয়ে আমি কিছুই জানি না। আমাকে এ নিয়ে কেউ কিছু বলেনি। যদি আমাকে পদ্মভূষণ পুরস্কার দিয়ে থাকে তাহলে আমি তা প্রত্যাখ্যান করছি।

ভারতে কেন্দ্রীয় সরকারের দেয়া পদ্মভূষণ সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তার পারিবারিক সূত্রের বরাতে মঙ্গলবার রাতে আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বুদ্ধদেবের স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য জানান, বুদ্ধদেব শারীরিকভাবে দুর্বল হলেও, সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে আগের মতোই দৃঢ়চেতা এবং সবল। সেভাবেই তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক খেতাব পদ্মভূষণ সম্মাননা ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

রাতে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এক বিবৃতিতে জানান, ‘পদ্মভূষণ পুরস্কার নিয়ে আমি কিছুই জানি না। আমাকে এ নিয়ে কেউ কিছু বলেনি। যদি আমাকে পদ্মভূষণ পুরস্কার দিয়ে থাকে তাহলে আমি তা প্রত্যাখ্যান করছি।’

পশ্চিমবঙ্গের শেষ কমিউনিস্ট মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারের দেয়া পদ্মভূষণ সম্মাননা গ্রহণ করবেন কি না তা নিয়ে বেশ আলোচনা চলছিল। অবশেষে বিবৃতিতে দিয়ে তিনি নিজেই সেই জল্পনার অবসান ঘটান।

মঙ্গলবার রাতে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বাড়িতে ফোন করা হয়েছিল।

এদিন দুপুরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিনিধি ফোনে জানান, বুদ্ধদেব পদ্মভূষণ পাচ্ছেন। এটুকু জানানোর পরই ফোনের লাইন কেটে যায়। রাতে বুদ্ধদেবের নাম পদ্মভূষণ সম্মাননার জন্য ঘোষণা করে দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তখনও বিষয়টি জানতেন না। পরে খবর পেয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।

শেয়ার করুন

উত্তর প্রদেশে নির্বাচন: গরু রক্ষার খেসারত গুনতে পারে যোগী সরকার

উত্তর প্রদেশে নির্বাচন: গরু রক্ষার খেসারত গুনতে পারে যোগী সরকার

বেওয়ারিশ গরুর উত্তর প্রদেশের শহর গ্রামে অহরহ দেখা মেলে। ছবি: বিবিসি

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ভারতের জনবহুল রাজ্য উত্তর প্রদেশে এমন ঘটনা সম্প্রতি বাড়ছে। রাজ্যটিতে গো-হত্যা নিষিদ্ধ করার পর বেওয়ারিশ গরুর সংখ্যা বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে। আর এটিই যোগী আদিত্যনাথ সরকারের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

ভারতের উত্তর প্রদেশে গত নভেম্বরের এক সকালে বাড়িতে বসে আয়েশ করে চা পান করছিলেন রাম রাজ। আচমকা বেওয়ারিশ এক গরু তাকে আক্রমণ করে বসে।

বিষয়টির এখানেই শেষ হয়নি। এর পরপর আক্রমণের শিকার হয় তার নাতি। এ ঘটনায় ৫৫ বছরের কৃষক রাম প্রাণ হারান। হাসপাতাল পর্যন্ত নেয়া যায়নি তাকে।

রামের পুত্রবধূ আনিতা কুমারী বলেন, ‘আমাদের জীবনের ভয়াবহ ঘটনা ছিল এটি। শোকে থেকে আমার শাশুড়ির খাওয়া-দাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।’

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ভারতের জনবহুল রাজ্য উত্তর প্রদেশে এমন ঘটনা সম্প্রতি বেড়েছে। রাজ্যটিতে গো-হত্যা নিষিদ্ধ করার পর বেওয়ারিশ গরুর সংখ্যা বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে। আর এটি যোগী আদিত্যনাথ সরকারের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হিন্দু মতে, গরু পবিত্র, পূজনীয়। তারপরও অনেক কৃষক তাদের বুড়ো হয়ে যাওয়া গরুগুলোকে কসাইখানায় বিক্রি করে দেয়।

উত্তর প্রদেশে নির্বাচন: গরু রক্ষার খেসারত গুনতে পারে যোগী সরকার
হিন্দু মতে গরু পবিত্র প্রাণী। ছবি: বিবিসি

কৃষক শিব পুজান বলেন, ‘গরু যখন দুধ দেয়া বন্ধ করে দেয় অথবা বৃদ্ধ হয়ে যায় (চাষাবাদের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে) তখন আমরা তা বিক্রি করে দিই।’

কিন্তু কেন্দ্রে আসীন ক্ষমতাসীন দল বিজেপি গো-হত্যার চরম বিরোধী। উত্তর প্রদেশসহ ১৮ রাজ্যে গো-হত্যা অবৈধ ঘোষণা করেছে মোদি সরকার।

কট্টর মতাদর্শের উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ২০১৭ সালে ক্ষমতায় এসেই কসাইখানা বন্ধ করে দেন; যদিও এটি রাজ্যের অন্যতম বড় খাত।

গরু ব্যবসায়ীরা বেশির ভাগ মুসলিম, আছে কিছু দলিত সম্প্রদায়ের লোক। রাজ্য সরকারের আদেশ অমান্যে তাদের অনেকের ওপর হামলা হয়েছে। খুন হয়েছেন অনেকেই। স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীরা অনেকটা প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েই এসব নিপীড়ন চালিয়েছে।

সংখ্যাগরিষ্ঠের চাপে অনেকেই ব্যবসা গুটিয়ে নেয়। খাবারের জোগান দিতে না পারায় বাধ্য হয়ে বুড়ো গরুগুলোকে পাশের জঙ্গলে ছেড়ে দিয়ে আসে তারা।

কৃষক পুজান বলেন, ‘এখানে গরুর কোনো ক্রেতা নেই। আমাদের বাধ্য করা হয়েছে বুড়ো গরুগুলোকে জঙ্গলে পাঠিয়ে দিতে।’

জঙ্গলে খাবার না পেয়ে এসব গরু ঢুকে পড়ে শহর কিংবা গ্রামের লোকালয়ে। ক্ষুধার যন্ত্রণায় কাতর গরুগুলো তখন হয়ে ওঠে বেপরোয়া।

পুজান বলেন, ‘এমন কোনো একটি গরু সেদিন রাম রাজের বাড়িতে খাবারের সন্ধানে ঢুকে পড়েছিল। তার পরিবার গরুটিকে দেখে চিৎকার চেঁচামেচি করলে আক্রমণ করে বসে গরুটি।

ক্ষেতের ফসল বাঁচাতে সম্প্রতি এমন দুটি গরুর আক্রমণের শিকার হয়েছিলেন পুজান নিজেও।

তিনি বলেন, ‘গরু দুটি আমাকে গুঁতো দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করছিল। কোনোরকমে দৌড়ে জীবন বাঁচাই। তারকাঁটার বেড়ায় হাত কেটে যায়। এখন ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরছি।’

পুজান নিজেও ধর্মভীরু। কিন্তু তাতেও সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছেন না তিনি। তার দাবি, বেওয়ারিশ এসব গরু ফসল নষ্ট করছে, সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা মানুষ হত্যা করছে।

উত্তর প্রদেশে নির্বাচন: গরু রক্ষার খেসারত গুনতে পারে যোগী সরকার
কৃষক পুজান গরুকে পবিত্র মানলেও বেওয়ারিশ গরুকে মানুষের জন্য হুমকি বলছেন। ছবি: বিবিসি

এসব বেওয়াশির গরুর কারণে জীবন পুরোপুরি এলোমেলো হয়ে গেছে পুনম বোল নামের এক বিধবার। গরুর আক্রমণে প্রাণ গেছে তার স্বামীর, সন্তান হয়ে গেছে শারীরিক প্রতিবন্ধী।

করোনার কারণে ২০২০ সালে চাকরি খুইয়েছিলেন ৩৬ বছরের যুবক ভূপেন্দ্র দুবে। গ্রামে ফেরার কিছুদিনের মাথায় গরুর আক্রমণে প্রাণ হারান তিনি। স্থানীয় বাজারে ছেলের জন্য মিষ্টি কিনতে গিয়েছিলেন ভূপেন্দ্র। সেখানেই বেওয়ারিশ এক গরু আক্রমণ করেছিল তাকে।

চার বছরের বেশি সময়ে এমন ঘটনার নজির অনেক। ২০১৯ সালে রাম খালি নামে ৮০ বছরের এক ব্যক্তি গরুর আক্রমণের শিকার হয়ে কোমায় চলে যান।

আগামী ২২ মার্চ উত্তর প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যের বেশির ভাগ বাসিন্দা কৃষক। ভোটার টানতে তাই এই ইস্যুটিকে সামনে তুলে আনছে বিরোধীরা।

বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। তাদের শীর্ষ নেতারা বলছেন, এই সংকট সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

রাজ্যে ক্ষমতাসীন বিজেপির মুখপাত্র সমির সিং বলেন, ‘হিন্দু রীতিতে বৃদ্ধ গরুকে জঙ্গলে পাঠানোর কোনো নিয়ম নেই। আমরা কখনও পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে এমন করি না। তবে গরুকে কীভাবে মরার জন্য রাস্তায় ছেড়ে আসা হয়?

‘এসব গরুর জন্য লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এমন হাজার হাজার আশ্রয়কেন্দ্রের খরচ জোগাতে মদের ওপর কর বাড়ানো হয়েছে।’

কিন্তু এই উদ্যোগ যে কার্যকরী না তার প্রমাণ পেয়েছে বিবিসি। অযোধ্যায় সরকার পরিচালিত একটি গরু আশ্রয়কেন্দ্র বিবিসি হিন্দির শত্রুঘ্ন তিওয়ারি সরেজমিনে ঘুরে দেখতে পান, কানায় কানায় ঠাসা প্রতিটি কেন্দ্র।

তিনি বলেন, ‘এখানে ২০০ গরু আছে। এটাই সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা। আরও ৭০০ থেকে ১০০০ গরু আশপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে।’

ফসল বাঁচাতে কেন্দ্রে আশ্রয় না পাওয়া এসব বেওয়ারিশ গরু নজরে রাখছে স্থানীয় কৃষকরা। ঠাণ্ডা আর সাপের ছোবল উপেক্ষা করে পালাক্রমে ২৪ ঘণ্টা পাহারা দিয়ে যাচ্ছে তারা।

উত্তর প্রদেশে নির্বাচন: গরু রক্ষার খেসারত গুনতে পারে যোগী সরকার
রাত জেগে ফসল পাহারা দিচ্ছেন এক নারী কৃষক। ছবি: বিবিসি

৬৪ বছরের কৃষক বিমলা কুমারী বলেন, ‘সকালে একদল এসে পাহারা দেয়, রাতে অন্য দল। এই বিষয়টা নিয়ে আমরা চরম বিরক্ত। ভাবছি নির্বাচন বয়কট করব।’

দিনা নাথ নামে আরেকজন বলেন, ‘কেন এমন নির্বাচনে ভোট দেব, যেখানে নির্বাচিতরা সাধারণের কষ্ট বুঝবে না।’

শেয়ার করুন

মহারাষ্ট্রে সেতু থেকে গাড়ি পড়ে মেডিক্যালের ৭ শিক্ষার্থী নিহত

মহারাষ্ট্রে সেতু থেকে গাড়ি পড়ে মেডিক্যালের ৭ শিক্ষার্থী নিহত

দুর্ঘটনায় দুমড়েমুচড়ে যায় গাড়িটি। ছবি: সংগৃহীত

পুলিশ বলছে, চালক গাড়িটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। নিহত সাতজন মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ভারতের মহারাষ্ট্রে সেতু থেকে গাড়ি গড়িয়ে পড়ে কংগ্রেসের এক আইনপ্রণেতার (এমএলএ) ছেলেসহ সাতজন নিহত হয়েছেন।

রাজ্যটির ওয়ার্দা জেলার সেলসুরা গ্রামের কাছে সোমবার রাত দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি

নিহত সাতজন সাওয়াঙ্গী মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। তারা দেওলি থেকে গাড়িতে ওয়ার্দা যাচ্ছিলেন।

নিহতদের মধ্যে গোন্ডিয়া জেলার তিরোরার বিজেপি বিধায়ক আবিষ্কার রাহাঙ্গদালের ছেলে বিজয়ও রয়েছেন।

ওয়ার্দার পুলিশ সুপার প্রশান্ত হল্কার জানান, চালক গাড়িটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের বরাত দিয়ে সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, গাড়িটি সেতু থেকে পড়ে যাওয়ায় ঘটনাস্থলেই সাতজন নিহত হন। গাড়ির গতি বেশি ছিল নাকি অন্য কোনও কারণে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে দু লাখ রূপি এবং আহতদের মাথাপিছু ৫০ হাজার রূপি দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

শেয়ার করুন

দুই টিকা না থাকলে পাকিস্তানে মসজিদে প্রবেশে মানা

দুই টিকা না থাকলে পাকিস্তানে মসজিদে প্রবেশে মানা

দেশটিতে ইতোমধ্যে ৩৫ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ মানুষ পূর্ণ ডোজ টিকার আওতায় এসেছে। ছবি: সংগৃহীত

এর আগেও গত বছরের নভেম্বরে দেশটির সিন্ধু প্রদেশ কর্তৃপক্ষ করোনাভাইরাস টিকা ও মাস্ক ছাড়া মসজিদে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছিল, সে সময় সিন্ধু প্রদেশের মসজিদগুলো থেকে কার্পেটগুলোও সরিয়ে নেয়া হয়েছিল।

পাকিস্তানে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের বিধিনিষেধ পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে। ন্যাশনাল কমান্ড অ্যান্ড অপারেশন সেন্টারের (এনসিওসি) দেয়া নতুন বিধিনিষেধে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার দুই ডোজ নেয়া ছাড়া মসজিদে ঢুকতে পারবেন না নামাজ আদায়কারীরা।

দেশটিতে ইতোমধ্যে ৩৫ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ মানুষ পূর্ণ ডোজ টিকার আওতায় এসেছে।

এনসিওসি এমন সময় এই সিদ্ধান্ত নিল, যখন পাকিস্তানে করোনাভাইরাস শনাক্তের সংখ্যা আগের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে দেশটিতে ১৩ লাখ ৭০ হাজার মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। প্রাণ হারিয়েছে ২৯ হাজার ১০৫ জন।

এর আগেও গত বছরের নভেম্বরে দেশটির সিন্ধু প্রদেশ কর্তৃপক্ষ করোনাভাইরাস টিকা ও মাস্ক ছাড়া মসজিদে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছিল, সে সময় সিন্ধু প্রদেশের মসজিদগুলো থেকে কার্পেটগুলোও সরিয়ে নেয়া হয়েছিল। মসজিদে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল।

শেয়ার করুন