মধ্যপ্রাচ্যে মাদকের রাজধানী এখন সৌদি আরব

player
মধ্যপ্রাচ্যে মাদকের রাজধানী এখন সৌদি আরব

সৌদি আরবে বাজেয়াপ্ত করা মাদকের একটি চালান। ছবি: ফরেন পলিসি

মাদকের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে সৌদি আরবে। মাদকসেবীরা ধরা পড়লে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হয় দেশটিতে। তার পরও সাম্প্রতিক বছরগুলোয় মাদকের রাজধানী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ধনী এ দেশটি।

গত এক মাসে তিনটি বড় চালান আটকের মধ্য দিয়ে সৌদি আরবে মাদক সমস্যার আসল চিত্রটি ফুটে উঠেছে।

এর মধ্যে প্রথম চালানে সিরিয়ান সরকারের বিরল সহযোগিতায় ক্যাপটাগন নামে ৫০০ কেজিরও বেশি অ্যামফেটামাইনের একটি চালান বাজেয়াপ্ত করা হয়। একটি পাস্তার চালানে লুকিয়ে এই মাদক সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের উদ্দেশ্যে পাঠানো হচ্ছিল।

পরে আমদানি করা এলাচের একটি চালান থেকে উদ্ধার করা হয় আরও তিন কোটি নেশার ট্যাবলেট। সবশেষ ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে জর্ডান থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে পাচারের সময় ক্যাপটাগন মাদকের ৪০ লাখ পিল আটক করেছে লেবাননের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী। এই পিল একটি কফির চালানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

ক্যাপটাগনের মতো ভয়ঙ্কর মাদক উদ্ধারের ঘটনা সৌদি আরবে এখন একটি নিয়মিত ঘটনা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব পিল আকারে অনেক ছোট এবং তৈরি করাও সহজ। সৌদি আরবে এই পিলের বিপুল চাহিদা থাকায় সিরিয়া ও লেবাননে এগুলো তৈরি করা হচ্ছে।

ফরেন পলিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাদক পাচারকারীদের কাছে সৌদি আরব এখন অনেক বড় একটি বাজার। বর্তমানে দেশটি মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে মাদকের রাজধানী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

আরবের সবচেয়ে ধনী এই রাষ্ট্রটিতে ক্যাপটাগন পিল এখন এক নতুন উন্মাদনা। মন ফুরফুরে করার জন্য মাদকসেবীরা এটি গ্রহণ করেন। মূলত এটি আমাদের দেশের বহুল পরিচিত ইয়াবারই আরেকটি রূপ। এই পিল গ্রহণ করলে সহজে ঘুম আসে না এবং মানুষের মাঝে উন্মাদনারও সৃষ্টি করে। সবশেষে এটি স্বাস্থ্যেরও বড় ক্ষতি করে।

জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিভাগের তথ্যমতে, ২০১৫ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যত ক্যাপটাগন পিল উদ্ধার হয়েছে তার অর্ধেকেরও বেশি হয়েছে সৌদি আরব থেকে।

সিরিয়ার সংকট শুরু হলে মধ্যপ্রাচ্যে ক্যাপটাগন খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। মূলত বিভিন্ন পক্ষে যুদ্ধরত সৈন্যরাই এই পিল গ্রহণ করতে শুরু করেন, যেন দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ করা যায়।

পরে সিরিয়ার বাশার আল-আসাদের সরকার ও তার পক্ষের বিভিন্ন গোষ্ঠীর ওপর জাতিসংঘ বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও ক্যাপটাগন মাদকের ব্যবসা তার নিজস্ব ছায়া অর্থনীতি তৈরি করে নিয়েছে।

অভিযোগ আছে, এই মাদক পাচারের সঙ্গে সিরিয়ার সরকারের গভীর সংযোগ রয়েছে। মোটা অঙ্কের অর্থ পেয়ে থাকে বলেই সিরিয়ার সরকার এই ব্যবসা দেখেও না দেখার ভান করে থাকে।

সিরিয়া ছাড়াও লেবাননের যেসব অঞ্চল ইরানপন্থি হিজবুল্লাহ গেরিলাদের নিয়ন্ত্রণে, সেসব এলাকায়ই ক্যাপটাগন পিল ব্যাপক পরিসরে উৎপাদন করা হয়।

গত বছর সিরিয়ায় উৎপন্ন হওয়া যত ক্যাপটাগন পিল উদ্ধার করা হয়েছে, তার মূল্য অন্তত ৩ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার। ২০১৯ সালেও সিরিয়া ও লেবানন থেকে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলারের পিল পাচার করা হয়েছে।

চিত্তবিনোদনের যথেষ্ট ক্ষেত্র না থাকা সৌদি আরবে ক্যাপটাগনের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। তবে এই মাদকের ব্যবহার বাড়লেও দেশটিতে তা কোনোভাবেই গাঁজা ও খাট মাদকের চাহিদা কমাতে পারেনি।

সৌদি আরবে গাঁজা প্রবেশ করার বেশ কয়েকটি পথ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত পথটি হলো আফগানিস্তান থেকে প্রথমে ইরানে প্রবেশ করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা। পরে এই গাঁজা ইরাক হয়ে সৌদি আরবে প্রবেশ করে। এ ছাড়া লেবানন, সিরিয়া ও জর্ডান হয়েও গাঁজা প্রবেশ করানো হয় দেশটিতে।

অতি সাম্প্রতিককালে ইয়েমেন হয়েও সৌদি আরবে গাঁজা প্রবেশ করছে। আর খাট নামের মাদকের প্রায় সব চালানই ইয়েমেন থেকে সৌদি আরবে প্রবেশ করে। চতুর্দশ শতকে এই মাদকটি সুফি-সাধকরা গ্রহণ করতেন বলে ইয়েমেনে এর একটি সামাজিক স্বীকৃতিও রয়েছে।

সৌদি সরকার আশঙ্কা করছে, এসব মাদক থেকে সুবিধা পাচ্ছে এই রাজতন্ত্রের বিরোধী সামারিক শক্তি ও সংগঠনগুলো। বলা হচ্ছে, দেশটিতে সব ধরনের মাদক পাচারের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করছে ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহ গেরিলারা।

এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সৌদি আরবে ১২ থেকে ২২ বছর বয়সীদের মধ্যে মাদকের ব্যবহার বাড়ছে। আর দেশটিতে যারা মাদক সেবন করেন, তাদের ৪০ শতাংশই ক্যাপটাগন পিল গ্রহণ করেন।

মাদকের চালান ঠেকাতে সৌদি আরব এখন কূটনৈতিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া লেবানন থেকে কৃষিপণ্য আমদানি বন্ধ করা ছাড়াও সিরিয়ার আসাদ সরকারকেও নিয়মিত হুমকিধমকি দিচ্ছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা এখন সৌদি আরবেই, যেখানে এখন বিপুলসংখ্যক মাদকসেবী অবস্থান করছে।

আরও পড়ুন:
তাবলিগ নিষিদ্ধ সৌদি আরবে
ওমিক্রন: ১৪ দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সৌদি আরবের
বিবারকে সৌদি না যেতে বললেন খাসোগির প্রেমিকা
রিয়াদ-জেদ্দাসহ সৌদির কয়েকটি শহরে হুতিদের হামলা
ভবিষ্যতের শহর গড়ছে সৌদি আরব

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আবার আইএসের সশস্ত্র হামলা, নিহত ১২০

আবার আইএসের সশস্ত্র হামলা, নিহত ১২০

সিরিয়ায় ঘোয়রান কারাগারে কুর্দি বাহিনী-আইএসের চলমান সহিংসতায় নিহত হয়েছে অন্তত ১২০ জন। ছবি: এপি

সিরিয়ার হাসাকেহ শহরে কুর্দি পরিচালিত ঘোয়রান কারাগারের ভেতর ও বাইরে চলা সহিংসতায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। পর্যবেক্ষণকারী এই সংগঠন জানিয়েছে, আইএসের সশস্ত্র জঙ্গিরা ঘোয়রান কারাগারে তাদের বন্দি সদস্যদের মুক্ত করার পাশাপাশি কারাগারের নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রথমে কারা ফটকে গাড়িবোমা হামলা চালায়। এ সময় অনেক আইএস বন্দি সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে জঙ্গিরা কারাগারের অস্ত্রাগারও দখলের চেষ্টা করে।

প্রায় তিন বছর পর ফের সিরিয়ায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সদস্যরা। কারাগারে আইএসের হামলাকে কেন্দ্র করে জঙ্গিদের সঙ্গে কুর্দি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর তুমুল সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় হাসাকেহ শহরে।

কুর্দি বাহিনী-আইএসের চলমান সহিংসতায় নিহত হয়েছে অন্তত ১২০ জন।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক যুদ্ধ ও সংঘাত পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত ৭৭ আইএস সদস্য ও ৩৯ কুর্দি যোদ্ধা রয়েছে। সাত বেসামরিক নাগরিক ছাড়াও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, কারারক্ষীরাও রয়েছেন নিহত ব্যক্তিদের তালিকায়।
দেশটির হাসাকেহ শহরে কুর্দি পরিচালিত ঘোয়রান কারাগারের ভেতর ও বাইরে চলা সহিংসতায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

পর্যবেক্ষণকারী এই সংগঠন জানিয়েছে, আইএসের সশস্ত্র জঙ্গিরা ঘোয়রান কারাগারে তাদের বন্দি সদস্যদের মুক্ত করার পাশাপাশি কারাগারের নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রথমে কারা ফটকে গাড়িবোমা হামলা চালায়। এ সময় অনেক আইএস বন্দি সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে জঙ্গিরা কারাগারের অস্ত্রাগারও দখলের চেষ্টা করে।

কারাগারে শতাধিক আইএস সদস্যের বিদ্রোহের মধ্য দিয়ে এ সংঘর্ষ শুরু হয়।

যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত কুর্দি বাহিনী (এসডিএফ) জানায়, পালিয়ে যাওয়ার সময় অন্তত ১০৪ বন্দিকে আটক করা হয়েছে।

কুর্দি ও আইএসের মধ্যে সংঘর্ষ থেমে থেমে চলছে।

কারাগারের ওপর নিয়ন্ত্রণ ও আশপাশের এলাকায় লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের হটানোর চেষ্টা করছে কুর্দি বাহিনী।

আইএসের মুখপত্র হিসেবে পরিচিত সংবাদমাধ্যম আমাক জানিয়েছে, আইএস সদস্যরা ঘোয়রান কারাগারের একটি অস্ত্রাগার দখলের পর দুটি আত্মঘাতী বোমা হামলার মধ্য দিয়ে ওই অভিযান শুরু করে। এই সফল অভিযানে তারা তাদের কয়েক শ সদস্যকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে পেরেছে।

আরও পড়ুন:
তাবলিগ নিষিদ্ধ সৌদি আরবে
ওমিক্রন: ১৪ দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সৌদি আরবের
বিবারকে সৌদি না যেতে বললেন খাসোগির প্রেমিকা
রিয়াদ-জেদ্দাসহ সৌদির কয়েকটি শহরে হুতিদের হামলা
ভবিষ্যতের শহর গড়ছে সৌদি আরব

শেয়ার করুন

সৌদি জোটের হামলায় ইয়েমেনে নিহত কমপক্ষে ৭০

সৌদি জোটের হামলায় ইয়েমেনে নিহত কমপক্ষে ৭০

ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ) বার্তা সংস্থা এএফপিকে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবার হুতিদের প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে, উদ্ধারকর্মীরা উত্তর ইয়েমেনের সা’দাহতে একটি অস্থায়ী আটক কেন্দ্রে বিমান হামলার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ বের করে আনছেন।

দীর্ঘদিন ধরেই ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াই চলে আসছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের। সৌদি সামরিক জোটের হামলার জবাবে প্রায়ই সৌদির বিভিন্ন শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে হুতিরা। সর্বশেষ সংযুক্ত আরব আমিরাতেও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালে দেশটিতে ৩ জন নিহত হয়।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবার সৌদি জোটের বিমান হামলায় ইয়েমেনের একটি কারাগারে কমপক্ষে ৭০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ) বার্তা সংস্থা এএফপিকে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটির মুখপাত্র বলেন, স্থানীয় হাসপাতাল থেকেই তথ্যগুলো এসেছে।

সেইভ দ্য চিলড্রেনও জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে তিনজন শিশুও রয়েছে।

শুক্রবার হুতিদের প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে, উদ্ধারকর্মীরা উত্তর ইয়েমেনের সা’দাহতে একটি অস্থায়ী আটক কেন্দ্রে বিমান হামলার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ বের করে আনছেন।

এদিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

বিবৃতিতে জাতিসংঘ জানিয়েছে, অ্যান্তোনিও গুতেরেস সব পক্ষকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে বেসামরিক নাগরিক এবং বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন।

আরও পড়ুন:
তাবলিগ নিষিদ্ধ সৌদি আরবে
ওমিক্রন: ১৪ দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সৌদি আরবের
বিবারকে সৌদি না যেতে বললেন খাসোগির প্রেমিকা
রিয়াদ-জেদ্দাসহ সৌদির কয়েকটি শহরে হুতিদের হামলা
ভবিষ্যতের শহর গড়ছে সৌদি আরব

শেয়ার করুন

নাচকে না করলেন মিসরীয় সেই শিক্ষিকা

নাচকে না করলেন মিসরীয় সেই শিক্ষিকা

আরব বিশ্বে জনপ্রিয় বেলি ড্যান্স। প্রতীকী ছবি

ইজিপ্ট ইনডিপেনডেন্টের খবরে বলা হয়েছে, কায়রোর পাশের মনসুরা শহরের একটি স্কুলের আরবি শিক্ষক আয়া ইউসুফ। সেদিন স্কুলের একটি প্রোগ্রাম ছিল। সহকর্মীদের সঙ্গে নীল নদে প্রমোদতরীতে উদযাপনের একপর্যায়ে বেলি ড্যান্স শুরু করেন আয়া। ভিডিওটি ভাইরাল হলে চাকরি হারান তিনি। তালাক দেন স্বামী।

নাচের একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন মিসরের কায়রোর স্কুলশিক্ষিকা আয়া ইউসুফ। নীল নদে একটি প্রমোদতরীতে সহকর্মীদের সঙ্গে বেলি ড্যান্স করার সময় কেউ একজন গোপনে ডিভিও করে অনলাইনে ছেড়ে দেন। আর এর পর পরই ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসে আয়ার ওপর।

চলে যায় স্কুলের চাকরিটা। অনুমতি না নিয়ে ড্যান্স করায় স্বামী তাকে তালাক দেন।

খবরটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে সমালোচনার মুখে চাকরি ফিরিয়ে দেয় মিসরের শিক্ষা বোর্ড।

ইজিপ্ট ইনডিপেনডেন্টের খবরে বলা হয়েছে, কায়রোর পাশের মনসুরা শহরের একটি স্কুলের আরবি শিক্ষক আয়া ইউসুফ। সেদিন স্কুলের একটি প্রোগ্রাম ছিল। সহকর্মীদের সঙ্গে নীল নদে প্রমোদতরীতে উদযাপনের একপর্যায়ে বেলি ড্যান্স শুরু করেন আয়া। আশপাশে তখন পুরুষ সহকর্মীদের দেখা গেছে। স্কার্ফ ও লম্বা হাতার পোশাকে মাতিয়ে তুলেছিলেন মহল।

আয়া ভেবেছিলেন ঘটনাটিতে নিজেদের মধ্যেই থাকবে। কিন্তু এক সহকর্মী গোপনে নাচের ভিডিও করেন। এতেই ক্ষান্ত থাকেননি, অনলাইনে সেটি আপলোডও করে দেন।

আরব নেট মাধ্যমে গত সপ্তাহে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে মিসরীয় রক্ষণশীলদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়। অনেকে বলছেন, এই আচরণ অত্যন্ত লজ্জাজনক; অনেকে আবার বলছেন, মিসরে শিক্ষা নিম্নমানের হয়ে গেছে।

এর পর পরই আয়াকে দাকাহলিয়া গভর্নরেটের প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বরখাস্ত করা হয়। সেখানে কয়েক বছর ধরে শিক্ষকতা করেছিলেন তিনি।

চাকরি ফিরে পাওয়ার পর আয়া বলেন, ‘এ ঘটনার পর সারা জীবন নাচ না করার প্রতিজ্ঞা করেছি। একবার তো আত্মহত্যার কথা ভেবেছিলাম।

‘এই একটি ভিডিও আমার জীবন তছনছ করে দিয়েছিল। সেদিন কেউ একজন আমাকে অপদস্ত করতে ডিভিওটি এমনভাবে দৃশ্যায়ন করেন, যেখানে আমাকে খুব বাজেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

আমি আসলেই ভুল করেছিলাম। সেদিন অনেক উৎফুল্ল, মিশেছিলাম কিছু অসাধু মানুষের সঙ্গে। তারা আমাকে অপমানিত করেছে। চাকরি হারিয়েছিলাম, নিজের বাড়ি ছাড়তে হয়েছে। আমার অসুস্থ মা আছেন, তার চিকিৎসায় চাকরিটা খুব প্রয়োজন ছিল। এ ছাড়া আমার তিন সন্তান আছে।’

আয়া আরও বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত আমাকে নতুন করে বাঁচার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। আশা করছি সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’

মিসরে নারী অধিকার কর্মীরা বলছেন, কোনো ভুল করেননি আয়া, সমাজের গোঁড়ামির শিকার হয়েছিলেন তিনি।

ফারাওদের যুগে প্রথম বেলি ড্যান্স দেখা যেত। যদিও জনসমক্ষে বেলি ডান্সের সময় নারীদের তাচ্ছিল্যের চোখে দেখার অভ্যাসটা রয়ে গেছে অনেকেরই।

আরও পড়ুন:
তাবলিগ নিষিদ্ধ সৌদি আরবে
ওমিক্রন: ১৪ দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সৌদি আরবের
বিবারকে সৌদি না যেতে বললেন খাসোগির প্রেমিকা
রিয়াদ-জেদ্দাসহ সৌদির কয়েকটি শহরে হুতিদের হামলা
ভবিষ্যতের শহর গড়ছে সৌদি আরব

শেয়ার করুন

সৌদি নারীরা চালাবেন ট্যাক্সি

সৌদি নারীরা চালাবেন ট্যাক্সি

গাড়ি চালাচ্ছেন এক সৌদি নারী। ছবি: এএফপি

আগ্রহীকে অবশ্যই ১৮ বছরের বেশি বয়স্ক হতে হবে। উবার বা কেয়ারিম-এর মতো রাইড অ্যাপগুলোতেও তারা চালক হিসেবে যোগ দিতে পারবেন।

সৌদি আরবে গাড়ি চালানোর সুযোগ মেলার চার বছরের মাথায় এবার ট্যাক্সি চালানোর অনুমতি পেলেন নারীরা।

রিয়াদ, জেদ্দা, জাজান, আসির, নাজরান, জৌফ, হাইলি এবং তায়িফসহ রাজ্যের ১৮ শহরের ড্রাইভিং স্কুলে আগ্রহীরা লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে রাজকীয় ডিক্রি জারির মাধ্যমে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ প্রথমবারের মতো নারীদের সাধারণ গাড়ির পাশাপাশি বিমান, ট্রেন এমনকি রেসিং কার চালানোর অনুমতি দেন। দুই বছর পর ২০১৯ সালের ২৪ জুন থেকে কার্যকর হয় সিদ্ধান্ত।

সৌদি জেনারেল ডিরেক্টরেট অফ ট্রাফিকের বরাতে গলফ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, লাইসেন্সের আবেদন করতে ২০০ সৌদি রিয়াল (৫৩ ডলার) লাগবে।

আগ্রহীকে অবশ্যই ১৮ বছরের বেশি বয়স্ক হতে হবে। উবার বা কেয়ারিম-এর মতো রাইড অ্যাপগুলোতেও তারা চালক হিসেবে যোগ দিতে পারবেন।

এর আগে, স্টেডিয়ামে গিয়ে খেলার দেখার অনুমতি দেয়া হয় নারীদের। মূলত সৌদি সিংহাসনের উত্তরসূরি মোহাম্মদ বিন সালমানের সংস্কার উদ্যোগের অংশ হিসেবে কট্টর অবস্থান কাটিয়ে ওঠার চেষ্টায় আছে রিয়াদ।

আরও পড়ুন:
তাবলিগ নিষিদ্ধ সৌদি আরবে
ওমিক্রন: ১৪ দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সৌদি আরবের
বিবারকে সৌদি না যেতে বললেন খাসোগির প্রেমিকা
রিয়াদ-জেদ্দাসহ সৌদির কয়েকটি শহরে হুতিদের হামলা
ভবিষ্যতের শহর গড়ছে সৌদি আরব

শেয়ার করুন

বিনা দোষে তিন বছর কারাবাসের পর মুক্ত সৌদি রাজকন্যা

বিনা দোষে তিন বছর কারাবাসের পর মুক্ত সৌদি রাজকন্যা

সৌদি রাজকন্যা বাসমা বিনতে সৌদ। ছবি: এএফপি

অনেকেই ধারণা করেন, বাসমা বিনতে সৌদ মানবিকতা এবং সংবিধান সংস্কারে সমর্থন জানিয়ে নানা সময়ে জোরালো আওয়াজ তুলেছেন। সে কারণেও তাকে কারাবরণ করতে হতে পারে বলে ধারণা।

তিন বছর জেল খাটার পর মেয়েসহ মুক্ত হয়েছেন সৌদি আরবের এক রাজকন্যা। দেশটির উচ্চ-নিরাপত্তার এক কারাগার থেকে তিনি শনিবার মুক্তি পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, সৌদি রাজকন্যা বাসমা বিনতে সৌদকে ২০১৯ সালের মার্চ থেকে কারাগারে বন্দি রাখা হয়। তিনি এখন চিকিৎসার জন্য সুইজারল্যান্ড যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

কেন তাকে কারাবন্দি করা হয়েছিল, কিংবা তার এবং তার মেয়ের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা কোনো অপরাধের সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তা জানা যায়নি।

তবে অনেকেই ধারণা করেন, বাসমা বিনতে সৌদ মানবিকতা এবং সংবিধান সংস্কারে সমর্থন জানিয়ে নানা সময়ে জোরালো আওয়াজ তুলেছেন। সে কারণেও তাকে কারাবরণ করতে হতে পারে বলে ধারণা।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, তার পরিবার ২০২০ সালে জাতিসংঘের কাছে একটি লিখিত বিবৃতিতে জানায়, এটি সম্ভবত ‘অপরাধের স্পষ্টবাদী সমালোচক হওয়ায় অপব্যবহার’ করা হয়েছে।

অন্য সমর্থকরা মনে করেন, তাকে কারাবন্দি করার অন্যতম কারণ ছিল সাবেক ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন নাইফের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা। নাইফকে গৃহবন্দি করা রাখা হয়েছে।

৫৭ বছর বয়সী রাজকন্যা বাসমা তার মুক্তির জন্য সৌদি রাজা সালমান এবং ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের কাছে গত বছরের এপ্রিলে আবেদন করেন। আবেদনে জানান, তিনি কোনো ভুল কাজ করেননি এবং তার স্বাস্থ্য খুব খারাপ।

অবশ্য ২০১৯ সালে আটকের সময়ও তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর উল্লেখ করা হলেও কী ধরনের অসুস্থার জন্য বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাবেন সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।

টুইটারে তার মুক্তির খবর জানিয়ে একটি মানবাধিকার সংগঠন জানায়, রাজকন্যা বাসমার শারীরিক অবস্থা গুরুতর এবং তার চিকিৎসার প্রয়োজন। তাকে কারাগারে আটকে রাখা অবস্থায় জীবন হুমকিপূর্ণ হয়ে পড়ে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ায়।

বাসমা সৌদির সাবেক রাজা সৌদের সর্বকনিষ্ঠ মেয়ে। সৌদ ১৯৫৩ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সৌদি আরবের রাজা হিসেবে দেশটির শাসনভার পরিচালনা করেছেন।

আরও পড়ুন:
তাবলিগ নিষিদ্ধ সৌদি আরবে
ওমিক্রন: ১৪ দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সৌদি আরবের
বিবারকে সৌদি না যেতে বললেন খাসোগির প্রেমিকা
রিয়াদ-জেদ্দাসহ সৌদির কয়েকটি শহরে হুতিদের হামলা
ভবিষ্যতের শহর গড়ছে সৌদি আরব

শেয়ার করুন

কাতারের ‘ব্যতিক্রমী লাল’ তালিকায় বাংলাদেশ

কাতারের ‘ব্যতিক্রমী লাল’ তালিকায় বাংলাদেশ

পূর্ণ ডোজ টিকাগ্রহণ করেননি এমন কোনও পর্যটক ‘ব্যতিক্রমী লাল’ তালিকায় স্থান পাওয়া দেশ থেকে কাতারে আসতে পারবেন না। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশসহ নেপাল, মিসর, বোতসোয়ানা, লেসোথো, নামিবিয়া, পাকিস্তান, ভারত ও জিম্বাবুয়েকে এই তালিকায় রাখা হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণ দ্রুত বিস্তারের মাঝেই ভ্রমণ ও প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্রে নতুন বিধি-নিষেধ দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার। দেশটি এক্ষেত্রে ভ্রমণকারীদের জন্য আরোপিত বিধিনিষেধে ‘ব্যতিক্রমী লাল’ নামে নতুন একটি ধারা যুক্ত করেছে। যাতে বাংলাদেশের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তারের ওপর ভিত্তি করে বাইরের দেশগুলোকে এতোদিন লাল ও সবুজ তালিকার অন্তর্ভুক্ত করে আসছে কাতার। এবার এ দুটির সঙ্গে ‘ব্যতিক্রমী লাল’ নামে আরেকটি তালিকা যুক্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশসহ নেপাল, মিসর, বোতসোয়ানা, লেসোথো, নামিবিয়া, পাকিস্তান, ভারত ও জিম্বাবুয়েকে এই তালিকায় রাখা হয়েছে।

এই নয় দেশ থেকে কেউ কাতারে এলে তার টিকা নেয়া না থাকলে সাতদিন হোম কোয়ারান্টিনে থাকতে হবে। এছাড়াও দেশটিতে পৌঁছানোর ৭২ ঘণ্টা আগে পিসিআর টেস্ট করাতে হবে। হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা অবস্থায় ষষ্ঠ দিনে আবারও পিসিআর টেস্ট করাতে হবে। সেই পিসিআর টেস্টের ফল নেগেটিভ এলে তিনি হোম কোয়ারেন্টিন থেকে বের হতে পারবেন।

আর যারা পূর্ণ ডোজ টিকা নিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রেও কাতারে আসার ৭২ ঘণ্টা আগে পিসিআর টেস্ট বাধ্যতামূলক। কাতারে এসেও দু’দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। দেশটিতে পৌঁছানোর ৩৬ ঘণ্টা পর পুনরায় পিসিআর টেস্ট করাতে হবে।

তবে পূর্ণ ডোজ টিকাগ্রহণ করেননি এমন কোনও পর্যটক ‘ব্যতিক্রমী লাল’ তালিকায় স্থান পাওয়া দেশ থেকে কাতারে আসতে পারবেন না।

কাতার নতুন তালিকা করার পাশাপাশি বিদ্যমান লাল তালিকায়ও নতুন দেশের নাম যুক্ত করেছে। সর্বশেষ তুরস্ক, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রকে সবুজ তালিকা থেকে সরিয়ে লাল তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ফলে লাল তালিকায় স্থান পাওয়া দেশের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭টি।

আরও পড়ুন:
তাবলিগ নিষিদ্ধ সৌদি আরবে
ওমিক্রন: ১৪ দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সৌদি আরবের
বিবারকে সৌদি না যেতে বললেন খাসোগির প্রেমিকা
রিয়াদ-জেদ্দাসহ সৌদির কয়েকটি শহরে হুতিদের হামলা
ভবিষ্যতের শহর গড়ছে সৌদি আরব

শেয়ার করুন

দুই ওমরাহর মধ্যে ব্যবধান ১০ দিন

দুই ওমরাহর মধ্যে ব্যবধান ১০ দিন

প্রথম ওমরাহ পালনের ১০ দিন পর ইতমারনা বা তাওয়াক্কালনা অ্যাপের মাধ্যমে কেউ দ্বিতীয় ওমরাহর অনুমতি নিতে পারবেন। ছবি: সৌদি গ্যাজেট

চলতি বছর থেকে টিকা নেয়া ১২ বা তার বেশি বয়সী দেশি-বিদেশি হজযাত্রীরা অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করে হজ ও ওমরাহ পালন করতে পারবে। নিবন্ধনে সুরক্ষিত প্রমাণ হলেই মিলবে হজ ও ওমরাহর সুযোগ।

ওমরাহ পালনের নতুন নিয়ম করেছে সৌদি সরকার। দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন থেকে দুটি ওমরাহর মধ্যে ১০ দিনের ব্যবধান থাকতে হবে। সব বয়সী হজযাত্রীর জন্য এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

সৌদি গেজেটের খবরে বলা হয়, প্রথম ওমরাহ পালনের ১০ দিন পর ইতমারনা বা তাওয়াক্কালনা অ্যাপের (Eatmarna/Tawakkalna) মাধ্যমে দ্বিতীয় ওমরাহর জন্য অনুমতি নেয়া যাবে।

টুইটার অ্যাকাউন্টে এই সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়েছে হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়।

সেখানে বলা হয়, চলতি বছর থেকে টিকা নেয়া ১২ বা তার বেশি বয়সী দেশি-বিদেশি হজযাত্রীরা অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করে হজ ও ওমরাহ পালন করতে পারবে। অ্যাপে সুরক্ষিত প্রমাণ হলেই মিলবে হজ ও ওমরাহর সুযোগ।

করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সতর্ক অবস্থানে সৌদি আরব। নানা ধরনের সতর্কতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে দেশটি।

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ঠেকাতে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দুটি পবিত্র মসজিদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে নিশ্চিতভাবে।

এর আগে দুটি ওমরাহর মধ্যে ১৫ দিনের ব্যবধান রাখার নির্দেশ দিয়েছিল সৌদি সরকার। গত বছরের অক্টোবরে তা প্রত্যাহার করা হয়।

করোনার ধাক্কা কিছুটা সামলে গত বছরের ১৭ অক্টোবর থেকে মহানবীর (সা.) রওজা শরিফ পরিদর্শনের অনুমতি মেলে। ওই দিন থেকে মসজিদ আল-হারাম ও মসজিদে নববীতে নামাজ আদায় শুরু হয়।

আরও পড়ুন:
তাবলিগ নিষিদ্ধ সৌদি আরবে
ওমিক্রন: ১৪ দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সৌদি আরবের
বিবারকে সৌদি না যেতে বললেন খাসোগির প্রেমিকা
রিয়াদ-জেদ্দাসহ সৌদির কয়েকটি শহরে হুতিদের হামলা
ভবিষ্যতের শহর গড়ছে সৌদি আরব

শেয়ার করুন