× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Italy has the lowest birth rate in 180 years
hear-news
player
google_news print-icon

ইতালিতে ১৬০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন জন্মহার

ইতালিতে-১৬০-বছরের-মধ্যে-সর্বনিম্ন-জন্মহার
ছবি: রয়টার্স
২০২০ সালে ইতালিয়ান মায়েদের প্রথম সন্তান জন্ম দেয়ার গড় বয়স বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২.৭ বছরে। আর একই বছরে ৩৫.৮ শতাংশ শিশুর জন্ম হয়েছে কোনো বিয়ের সম্পর্ক ছাড়াই।

১৮৬১ সালে একীভূত হয় ইতালি। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত গত বছরটিতে দেশটির জন্মহার ছিল সবচেয়ে কম।

ইতালির জাতীয় পরিসংখ্যান অফিসের বরাতে মঙ্গলবার এই খবর জানিয়েছে রয়টার্স।

পরিসংখ্যান বলছে, টানা ১২ বছর ধরে দেশটিতে ক্রমাগত জন্মহার কমা অব্যাহত আছে।

২০২০ সালে ইতালিতে ৪ লাখ ৪ হাজার ৮৯২ শিশুর জন্ম হয়েছে। এই হিসেবে আগের বছরের তুলনায় ২০২০ সালে ১৫ হাজার ১৯২ শিশু কম জন্মেছে।

এদিকে, ২০২০ সালে দেশটিতে মারা গেছেন ৭ লাখ ৪৬ হাজার ১৪৬ জন। জন্মের চেয়ে মৃত্যু বেশি হওয়ায় দেশটির জনসংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৯৩ লাখে।

গত জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরিসংখ্যান বলছে, দেশটির লোকসংখ্যা কমার প্রবণতা চলতি বছরও অব্যাহত আছে। শুধু তাই নয়, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার অন্তত সাড়ে ১২ হাজার জন্ম কম হয়েছে।

দেশটির পরিসংখ্যান অফিস বলছে, ক্রমাগত জনসংখ্যা কমার ক্ষেত্রে করোনা মহামারি এবার একটি বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে।

এক হিসেবে দেখা গেছে, ২০২০ সালে ইতালিতে বসবাস করছেন এমন মা প্রতি শিশুর গড় সংখ্যা ১.২৪-এ নেমে এসেছে। এ ছাড়া ইতালিয়ান মায়েদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা আরও কমে হয়েছে ১.১৭। এই হিসেবে বিশ্বে বর্তমানে ইতালিয়ান মায়েদেরই শিশু জন্ম দেয়ার হারই সবচেয়ে কম।

এদিকে আরেকটি জরিপে দেখা গেছে, উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চল ভেদে ইতালিয়ান মায়েদের সন্তান জন্ম দেয়ার হারে তারতম্য রয়েছে। অস্ট্রিয়ার সীমান্ত সংলগ্ন ইতালির উত্তরের অপেক্ষাকৃত ধনী অঞ্চলে মা প্রতি সন্তান জন্ম দেয়ার হার প্রায় ১.৭১। আর গরীব অধ্যুষিত দক্ষিণাঞ্চলের সার্দিনিয়া দ্বীপের মায়েদের সন্তান জন্ম দেয়ার হার দেখা গেছে মাত্র ০.৯৭।

২০২০ সালে ইতালিয়ান মায়েদের প্রথম সন্তান জন্ম দেয়ার গড় বয়স বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২.৭ বছরে। আর একই বছরে ৩৫.৮ শতাংশ শিশুর জন্ম হয়েছে কোনো বিয়ের সম্পর্ক ছাড়াই। ২০০৮ সালে বিয়ে বহির্ভূত সন্তান ছিল প্রায় ১৯.৬ শতাংশ। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে দেশটিতে ক্যাথলিক চার্চের প্রভাব ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে আসছে।

আরও পড়ুন:
বাহুতে টিকা সনদের কিউআর কোড
ইতালিতে ভবনের ওপর বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৮
বাংলাদেশিদের জন্য খুলল ইতালির দরজা
ইতালির সেই করোনা হটস্পটে ৯ মাস পরেও অ্যান্টিবডি
বাসচালকের ত্বরিত সিদ্ধান্তে প্রাণে বাঁচল ২৫ শিশু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Iran protests killed 150 schoolchildren on the streets

ইরান বিক্ষোভে ১৫০ ছাড়াল মৃত্যু, স্কুলছাত্রীরাও রাস্তায়

ইরান বিক্ষোভে ১৫০ ছাড়াল মৃত্যু, স্কুলছাত্রীরাও রাস্তায় ইরানের নেতাদের প্রতি ক্ষোভ জানাচ্ছে একদল স্কুলছাত্রী। ছবি: টুইটার
ইরানে মঙ্গলবার পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ১৫৪ জন। এর মধ্যে সিস্তান-বেলুচিস্তান প্রদেশের জাহেদান শহরে সবচেয়ে বেশি ৬৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের পর ইরানের স্কুলছাত্রীরাও যোগ দিয়েছে প্রতিবাদে।

ইরানে চলমান বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। পুলিশি হেফাজতে কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুর সঙ্গে এক পুলিশ কর্মকর্তার হাতে বালুচ কিশোরীর ধর্ষণের ঘটনা ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

মাহসার মৃত্যুর পর ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভে নিহত হয়েছেন অন্তত ১৫৪ জন। তাদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা অন্তত ৯, প্রতিবাদে অংশ নেয়া বেশ কয়েকজন নারীও প্রাণ হারিয়েছেন।

প্রতিবাদকারীদের দমনে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগের পথ বেছে নিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ব্লকসহ ইন্টারনেটে ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তবে এর পরও থামছে না বিক্ষোভ-সহিংসতা।

নারীর পোশাকের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার দাবিতে এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে দেশজুড়ে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের পর ইরানের স্কুলছাত্রীরাও যোগ দিয়েছে প্রতিবাদে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বেশ কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায় স্কুলের ভেতরে ছাত্রীরা মাথার হিজাব খুলে ‘স্বৈরাচারের মৃত্যু চাই’ স্লোগান দিচ্ছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির ছবি পদদলিত করতেও দেখা গেছে। রাস্তার বিক্ষোভেও যোগ দিয়েছে স্কুলছাত্রীরা।


চলমান বিক্ষোভে অংশ নেয়া দুই কিশোরীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ইরানের নৈতিকতা পুলিশের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে ১৬ বছর বয়সী সারিনা ইসমাইলজাদেহর মাথায় লাঠির (ব্যাটন) মাথায় আঘাত করা হয়।

ইরান বিক্ষোভে ১৫০ ছাড়াল মৃত্যু, স্কুলছাত্রীরাও রাস্তায়
ইরানি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এ ধরনের প্রতিবাদী গ্রাফিক ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে

অসলোভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটসের (আইএইচআর) সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার পর্যন্ত ইরান বিক্ষোভে নিহত হয়েছেন অন্তত ১৫৪ জন। এর মধ্যে সিস্তান-বেলুচিস্তান প্রদেশের জাহেদান শহরে সবচেয়ে বেশি ৬৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

সিস্তান-বেলুচিস্তান প্রদেশের চাবাহার শহরের পুলিশ প্রধানের হাতে এক কিশোরী ধর্ষণের প্রতিবাদ জানাতে জাহেদানে ৩০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার জুমার নামাজের পর শুরু হয় বিক্ষোভ। এতে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালালে বহু মানুষ হতাহত হন। বেলুচ অ্যাক্টিভিস্ট ক্যাম্পেইন সেদিন নিহত ৪১ জনের নাম প্রকাশ করে। তবে পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৩-তে পৌঁছায় বলে জানিয়েছে আইএইচআর।

জাহেদানে বিক্ষোভের সময় সিস্তান-বেলুচিস্তানে ইসলামী বিপ্লবি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) গোয়েন্দা প্রধান আলী মুসাভিও গুলিবিদ্ধ হন। পরে হাসপাতালে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

ইরান বিক্ষোভে ১৫০ ছাড়াল মৃত্যু, স্কুলছাত্রীরাও রাস্তায়
হিজাব খুলে ইরানি স্কুলছাত্রীদের প্রতিবাদ

আইএইচআর বলছে, গত সোমবার নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে ওই প্রদেশে আরও চারজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেলেও এখনও স্বাধীনভাবে এর সত্যতা যাচাই করা যায়নি।

এসব ঘটনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন আইএইচআরের পরিচালক মাহমুদ আমিরি-মোগাদ্দাম। তিনি বলেন, ‘ইরানে, বিশেষ করে জাহেদানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা একটি মানবতাবিরোধী অপরাধের সমান। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত এটিসহ ইরানের সম্প্রতি অন্য অপরাধগুলোর তদন্ত করা।’

অসলোভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থাটি বলছে, ইরানের ১৭টি প্রদেশে এখন পর্যন্ত প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে ১৮ বছরের কম বয়সী রয়েছে অন্তত ৯ জন।

চলমান বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের ‘ইসরায়েলের সেনা’ হিসেবে অভিহিত করছে সরকার ও হিজাবপন্থিরা। এরই মধ্যে তারাও বিক্ষোভ করেছে এবং সেই বিক্ষোভ সরাসরি সম্প্রচার করা হয় ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে।

ইরান বিক্ষোভে ১৫০ ছাড়াল মৃত্যু, স্কুলছাত্রীরাও রাস্তায়
বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের বিভিন্ন প্রদেশে

কুর্দি নারী মাহসা আমিনিকে গত ১৩ সেপ্টেম্বর তেহরানের ‘নৈতিকতা পুলিশ’ গ্রেপ্তার করে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চল থেকে তেহরানে ঘুরতে আসা মাহসাকে একটি মেট্রো স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি সঠিকভাবে হিজাব করেননি।

পুলিশ হেফাজতে থাকার সময়েই মাহসা অসুস্থ হয়ে পড়েন, এরপর তিনি কোমায় চলে যান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৬ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু হয়। পুলিশ মাহসাকে হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরিবারের অভিযোগ গ্রেপ্তারের পর তাকে পেটানো হয়।

ইরান বিক্ষোভে ১৫০ ছাড়াল মৃত্যু, স্কুলছাত্রীরাও রাস্তায়
পুলিশি হেফাজতে মারা যাওয়া মাহসা আমিনি

মাহসার মৃত্যুর পর রাস্তায় বিক্ষোভের পাশাপাশি ফেসবুক ও টুইটারে #mahsaamini এবং #Mahsa_Amini হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে চলছে প্রতিবাদ।

ইরানে ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পরই নারীদের জন্য হিজাব বাধ্যতামূলক করা হয়। দেশটির ধর্মীয় শাসকদের কাছে নারীদের জন্য এটি ‘অতিক্রম-অযোগ্য সীমারেখা’। বাধ্যতামূলক এই পোশাকবিধি মুসলিম নারীসহ ইরানের সব জাতিগোষ্ঠী ও ধর্মের নারীদের জন্য প্রযোজ্য।

হিজাব আইন আরও কঠোরভাবে প্রয়োগের জন্য চলতি বছরের ৫ জুলাই ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি একটি আদেশ জারি করেন। এর মাধ্যমে ‘সঠিক নিয়মে’ পোশাকবিধি অনুসরণ না করা নারীদের সরকারি সব অফিস, ব্যাংক এবং গণপরিবহনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় গত জুলাইয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে #no2hijab হ্যাশট্যাগ দিয়ে শুরু হয় প্রতিবাদ। দেশটির নারী অধিকারকর্মীরা ১২ জুলাই সরকারঘোষিত জাতীয় হিজাব ও সতীত্ব দিবসে প্রকাশ্যে তাদের বোরকা ও হিজাব সরানোর ভিডিও পোস্ট করেন।

আরও পড়ুন:
ইরানে বিক্ষোভের ঘটনায় বিদেশিদেরও গ্রেপ্তার
ইরানে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ চায় অ্যামনেস্টি
নরওয়েতে ইরানবিরোধী বিক্ষোভে টিয়ার শেল, আটক ৯০
ইরান সরকারের রোষানলে সাংবাদিকরাও
ইরান বিক্ষোভে সংহতি জানাতে আফগান নারীরাও রাস্তায়

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Mamata congratulated the people of the state on Vijaya

রাজ্যবাসীকে বিজয়ার শুভেচ্ছা মমতার

রাজ্যবাসীকে বিজয়ার শুভেচ্ছা মমতার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
রাজ্যবাসীকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন, ‘আপনাদের সবাইকে জানাই শুভ বিজয়া, দশেরা। বিশেষ করে মাতৃ পূজার আরাধনা। আপনাদের নিশ্চয়ই মন খারাপ হয়। কিন্তু মা আবার আসবেন বলে আমরা উৎসাহিত হই। এটা মার চলে যাওয়া নয়, মা আমাদের হৃদয়ের মধ্যে থাকেন। তাই মিষ্টি মুখে একটাই চাওয়া সবাই যেন ভালো থাকে। অনেক অনেক শুভেচ্ছা সবাইকে।’

দুর্গাপূজার আজ দশমী। দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনের দিন। দেবী দুর্গার অসুর নিধন পর্বের শেষে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী একে অপরকে বিজয়ার শুভেচ্ছা জানান মানুষ। এ দিন রাজ্যবাসীকে বিজয়ার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বুধবার এক ভিডিও বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের সবাইকে জানাই শুভ বিজয়া, দশেরা। বিশেষ করে মাতৃ পূজার আরাধনা। আপনাদের নিশ্চয়ই মন খারাপ হয়। কিন্তু মা আবার আসবেন বলে, আমরা উৎসাহিত হই। এটা মার চলে যাওয়া নয়, মা আমাদের হৃদয়ের মধ্যে থাকেন। তাই মিষ্টি মুখে একটাই চাওয়া সবাই যেন ভালো থাকে। অনেক অনেক শুভেচ্ছা সবাইকে।’

শাস্ত্রমতে দেবী দুর্গার নিরঞ্জন হয় দর্পণে। এরপর শুরু হয় শুভেচ্ছা বিনিময়। সিঁদুর খেলা। গঙ্গার জলে দুর্গা প্রতিমার আনুষ্ঠানিক বিসর্জনের পর শুরু হয় কোলাকুলি। মিষ্টিমুখ।

আজ থেকে আগামী ৪ দিন দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন চলবে কলকাতা পৌরসভা ও পুলিশের নির্দিষ্ট করে দেয়া ১৬টি গঙ্গার ঘাটে। কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক পুলিশ প্রশাসন। প্রত্যেকটি বিসর্জন ঘটে থাকবে অতিরিক্ত পুলিশ। হাজির থাকছে, দুর্ঘটনা মোকাবিলার দল। জলপথ, স্থলপথে চলবে পুলিশি নজরদারি। থাকছে, ৭টি ওয়াচ টাওয়ার। সিসিটিভি ক্যামেরা।

গত বছরের মতো এবছরও নাচ, হুল্লোর, ডিজে চালানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কলকাতার ২৩৮টি জায়গায় পুলিশ পিকেট বসেছে। ভিড় এড়াতে প্রতিমা বিসর্জন দেখার জন্য নিমতলা ঘাট এবং বাজা কদমতলা ঘাটে জায়ান্ট স্ক্রিন বসানো হয়েছে।

বৃষ্টির বাধা অতিক্রম করে রাজ্যের মানুষ শারদ উৎসবে মেতে ওঠেন। কলকাতার গলি থেকে রাজপথ দর্শনার্থীদের দখলে চলে যায়। মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড় উপচে পড়ে।

শাস্ত্র মতে, আজ প্রতিমা নিরঞ্জন হলেও বহু পূজা মণ্ডপে আগামী কয়েক দিন প্রতিমা থাকবে। কলকাতায় দুর্গা প্রতিমা দর্শন চলবে আরও কয়েকদিন। ৮ অক্টোবর কলকাতায় দুর্গাপূজার কার্নিভাল।

আরও পড়ুন:
উমার বিদায়বেলা
দুর্গা আসেননি মণ্ডপে, ঝুলছে কালো পতাকা
বরাবরই ব্যতিক্রম টাইগার সংঘের পূজা
দুর্গার প্রতিমা গড়ে আলোচনায় ১৩ বছরের কিশোর
দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানালেন লিটন-সৌম্য

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The girl recovered the stolen phone alone

ছিনতাই হওয়া ফোন একাই উদ্ধার করলেন তরুণী

ছিনতাই হওয়া ফোন একাই উদ্ধার করলেন তরুণী হারিয়ানা রাজ্যের পালাম বিহারে চেইনশপে বাজার করার পর কার্ডে বিল পরিশোধের সময় তরুণীর মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে দৌড় দেন এক যুবক। ছবি: সংগৃহীত
ভারতীয় তরুণী পল্লবী কৌশিকের মাথায় একটি আইডিয়া আসে। ছিনতাই হওয়া মোবাইলটির অবস্থান শনাক্ত করতে চালু করেন তার সঙ্গে থাকা বিশেষ ধরনের ‘স্টপওয়াচটি’। এ সময় মোবাইল ফোনের সঙ্গে সংযুক্ত বিশেষ ডিভাইসটি থেকে সংকেত আসতে থাকে যে ফোনটি এই এলাকায়ই রয়েছে।

ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোন একার চেষ্টায় উদ্ধার করেন ভারতীয় তরুণী পল্লবী কৌশিক।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার পুলিশ জানিয়েছে, ছিনতাইয়ের ঘটনায় হরিয়ানা রাজ্যের পালাম বিহার থানায় সোমবার একটি এফআইআর করা হয়েছে। এখনই গ্রেপ্তার করা যায়নি ছিনতাইকারীকে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে একটি চেইনশপে বাজার করার পর কার্ডে বিল পরিশোধের সময় ওই নারীর মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে দৌড় দেন এক যুবক। এ সময় তিনি সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে অ্যালার্ম বাজালেও আশপাশের কেউই এগিয়ে আসেননি।

হতাশ না হয়ে একাই ক্ষিপ্তগতিতে ওই যুবককে ধাওয়া করেন ২৮ বছরের ওই তরুণী। প্রায় ২০০ মিটার দৌড়ান তিনি। তবে ধরতে পারেননি ছিনতাইকারীকে।

এ সময় পল্লবীর মাথায় একটি আইডিয়া আসে। ছিনিয়ে নেয়া মোবাইলটির অবস্থান শনাক্ত করতে চালু করেন তার সঙ্গে থাকা বিশেষ ধরনের ‘স্টপওয়াচটি’।

এ সময় মোবাইল ফোনের সঙ্গে সংযুক্ত বিশেষ ডিভাইসটি থেকে সংকেত আসতে থাকে যে ছিনতাই হওয়া ফোনটি এই এলাকায়ই রয়েছে।

তিনি প্রায় তিন ঘণ্টা পালাম বিহারের সেক্টর-২৩-সংলগ্ন বিভিন্ন লেনে একাই খোঁজাখুঁজি চালাতে থাকেন।

রাত সোয়া ৯টার দিকে তিনি দেখতে পান একটি থামা মোটরসাইকেলের ওপর হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে তার মোবাইলটি চালাচ্ছিলেন সেই ছিনতাইকারী।

এ সময় পল্লবী খুব সাবধানে ও লুকিয়ে ওই ব্যক্তির কাছে যান এবং সজোরে তার মাথায় আঘাত করেন। এতে মোবাইল ফোনটি তার হাত থেকে ছিটকে পড়ে। ছিনতাইকারী ঘুরে দাঁড়ানোর আগেই তাকে আরও কয়েকবার সজোরে আঘাত করেন তরুণী। এতে দিগ্বিদিক হয়ে দৌড়ে পালান যুবক।

তরুণী বলেন, ‘ছিনতাইকারী পালিয়ে গেলে সড়কের ওপর পড়ে থাকা আমার ফোনটি নিয়ে বাসায় ফিরে আসি আমি। পরের দিন পালাম বিহার থানায় এফআইআর করি আমি।’

ওদৌগ বিভারের সহকারী পুলিশ কমিশনার মনোজ কুমার বলেন, ‘তিন ঘণ্টা ধরে পল্লবী কৌশিক যখন তার ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোনটি খুঁজছিলেন তখন ওই ছিনতাইকারী ইউপিআই পিন নম্বর ব্যবহার করে ওই তরুণীর মোবাইল ব্যাংকিং থেকে ৫০ হাজার ৮৬৫ রুপি কয়েকটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুযায়ী, পল্লবী কৌশিকের সোমবার রাতের এফআইআরে বিধি-৩৭৯ (চুরি), ৩৭৯-এ (ছিনতাই) এবং ৪২০ (প্রতারণা) ধারা উল্লেখ করা হয়েছে।’

পুলিশকে পল্লবী বলেন, ‘মোবাইলটিতে আমার সহকর্মীরাসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ফোন নম্বর ছিল। কর্মস্থলের গুরুত্বপূর্ণ ও গোপনীয় তথ্যও ছিল সেটিতে। মোবাইল ব্যাংকি সেবা ইউপিআইতে জমা ছিল অনেক রুপি।’

পুলিশ এরই মধ্যে ওই সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে। সেই সঙ্গে ওই ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তারে ব্যাপক তল্লাশি শুরু করেছে।

এর আগে গত ৪ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লির বদরপুরে এক তরুণী তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা ব্যর্থ করে দেন। মোবাইল ছাড়াই সেই ছিনতাইকারী পালিয়ে যেতে বাধ্য হন।

ওই এলাকার একটি গোপন ক্যামেরায় (সিসিটিভি) রেকর্ড হয়ে যায় ঘটনাটি। মোবাইল রক্ষায় তরুণীর সাহসিকতার এই ভিডিও এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

আরও পড়ুন:
ছিনতাইকারীকে যেভাবে রুখে দিলেন তরুণী

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
4 students of Nehru Mountaineering Institute dead in crevasse

ভারতে হিমবাহ ধসে ৪ পর্বতারোহীর মৃত্যু, আটকা ২৯

ভারতে হিমবাহ ধসে ৪ পর্বতারোহীর মৃত্যু, আটকা ২৯ প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন পর্বতারোহীরা। ছবি: সংগৃহীত
ভারতীয় হিমালয়ে তুষারধসের ঘটনায় নেহেরু মাউন্টেনারিং ইনস্টিটিউটের ৪ জন মারা গেছেন। এখনো হিমবাহের ফাটলে আটকা পড়ে আছেন অনেকে। কর্তৃপক্ষ বলেছে, এখন পর্যন্ত ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়েছে।

ভারতীয় হিমালয়ে তুষারধসে অন্তত চার পর্বতারোহী মারা গেছেন এবং আরো অনেকে হিমবাহের ফাটলে আটকা পড়েছেন।

মঙ্গলবার ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের ভারতীয় হিমালয়ের অংশের ৫ হাজার ৬৭০ মিটার উচ্চতায় (১৬ হাজার ফুট) মাউন্ট দ্রৌপদী কা ডান্ডা-২-এ সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে হওয়া তুষারধসে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

যদিও স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, এখন পর্যন্ত ১০ জন মারা গেছেন এবং সেখানে প্রায় ৪০ জন ছিলেন।

তবে নেহেরু ইনস্টিটিউট অফ মাউন্টেনারিং কর্তৃপক্ষ সেখানে ৪১ জনের দলে থাকার বিষয়টি জানিয়েছেন। দলের মধ্যে ৩৪ জন ছিলেন তাদের ইনস্টিটিউটের মাউন্টেনারিং কোর্সের প্রশিক্ষণার্থী ও ৭ জন প্রশিক্ষক।

রাজ্যের দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া বাহিনীর রিধিম আগরওয়াল বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আটকে থাকা ৩৩ জনের মধ্যে চারজনের মৃত্যুর কথা আমরা নিশ্চিত করেছি। আটজনকে এরই মধ্যেই উদ্ধার করা হয়েছে এবং বাকিরা একটি হিমবাহের ফাটলে আটকা পড়েছেন।’

পর্বতারোহণ ইনস্টিটিউটের রেজিস্ট্রার বিশাল রঞ্জন চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং বলেছেন যে সেখানে ভারি বৃষ্টিপাত এবং তুষারপাতের কারণে উদ্ধার অভিযান আপাতত বন্ধ করা হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দেবেন্দ্র সিং পাটওয়াল এএফপিকে বলেন, ‘আমরা এই অঞ্চলে দুটি বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার পাঠিয়েছি এবং তৃতীয়টি সেখানে খারাপ আবহাওয়ার কারণে আপাতত স্ট্যান্ডবাইতে রয়েছে।’

এই অঞ্চলের আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে সংযোগ ব্যাহত হওয়ার কারণে আপাতত হেলিকপ্টারগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পাটওয়াল।

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এই তুষারধসে হতাহতের ঘটনায় এক টুইটবার্তায় গভীর শোক জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
২৬ বার এভারেস্টের চূড়ায়, ভাঙলেন নিজের রেকর্ড
পাহাড়ের ডাক ফিরিয়ে দেয়া অসম্ভব: নিশাত মজুমদার
এবার লোবুচে শৃঙ্গ জিতলেন নিশাত
সিনাই পর্বত সৌদি আরবে, দাবি গবেষকদের
ইতিহাস গড়লেন নেপালি পর্বতারোহীরা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The last publicized relationship was with Bill Gates Melinda

শেষ দিকে লোকদেখানো সম্পর্ক ছিল বিল গেটসের সঙ্গে: মেলিন্ডা

শেষ দিকে লোকদেখানো সম্পর্ক ছিল বিল গেটসের সঙ্গে: মেলিন্ডা আনন্দঘন এক মুহূর্তে বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটস। ছবি: সংগৃহীত
মেলিন্ডা বলেন, ‘যার কাছ থেকে দূরে চলে যাব, তার সঙ্গে আমি কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলাম, লোকদেখানো এটা আমাকে প্রতিদিন করতে হচ্ছিল। প্রতিটা দিন আমার সেরাটা দেখাতে হচ্ছিল।’

শেষ দিকে সম্পর্কটা এতই বিষিয়ে গিয়েছিল যে, ব্যাপারটা হয়ে ওঠে ভয়াবহ। প্রতিটা মুহূর্ত কাটছিল বিষণ্নতায়। ‘লোকদেখানো’ এই কাগুজে বিয়ে তাই একপর্যায়ে ভেঙে দেন মাইক্রোসফট করপোরেশনের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ও মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটস।

প্রায় ৩০ বছর ধরে স্বামী-স্ত্রী থাকার পর গত বছরের আগস্টে হওয়া বিচ্ছেদ নিয়ে সম্প্রতি ফরচুন ম্যাগাজিনের সঙ্গে কথা বলেছেন মেলিন্ডা। সেখানে বৈবাহিক জীবনের শেষদিকের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন তিনি।

মেলিন্ডা বলেন, ‘যার কাছ থেকে দূরে চলে যাব, তার সঙ্গে আমি কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলাম, লোকদেখানো এটা আমাকে প্রতিদিন করতে হচ্ছিল। প্রতিটা দিন আমার সেরাটা দেখাতে হচ্ছিল।’

তিনি বলেন, ‘এমনও হয়েছে যে, আমি সকাল ৯টায় কাঁদছি; তারপর যাকে ছেড়ে যাব তার সঙ্গে আমাকে ১০টায় একটা ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিতে হচ্ছে। আমাকে আমার সেরাটা দেখাতে হচ্ছে তখনও।’

গত বছরের ৩ মে বিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন ৬৬ বছরের বিল ও ৫৮ বছরের মেলিন্ডা। পরে আগস্টে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন তারা।

শেষ দিকে লোকদেখানো সম্পর্ক ছিল বিল গেটসের সঙ্গে: মেলিন্ডা

মেলিন্ডা সাক্ষাৎকারে বিয়ে বিচ্ছেদের ঘটনাকে ‘অবিশ্বাস্য বেদনাদায়ক’ বলে আখ্যা দেন। বলেন, ‘কিছু কারণ ছিল। আমি আর এই বিয়ের সম্পর্কে থাকতে পারছিলাম না।

‘করোনা মহামারি আমার যা করা দরকার ছিল তা করার গোপনীয়তার সময়টুকু দেয়। এটি নানাভাবে ছিল অবিশ্বাস্যভাবে বেদনাদায়ক।’

১৯৯৪ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন বিল গেটস ও মেলিন্ডা। তাদের তিন সন্তান রয়েছে।

এর আগে সানডে টাইমসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বিল গেটস বিচ্ছেদের আগে শেষ দুই বছরকে ‘বেশ নাটকীয়’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। আর কাউকে বিয়ে করতে চান না বলেও জানান তিনি।

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী বিল গেটস ও মাইক্রোসফটের সাবেক ব্যবস্থাপক মেলিন্ডার বিচ্ছেদ তুমুল আলোচিত একটি ঘটনা।

গত বছর বিচ্ছেদের ঘোষণা দেয়ার পর তারা জানান, বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিলেও নিজেদের জনহিতৈষীমূলক কর্মকাণ্ডে এর কোনো প্রভাব পড়বে না।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ব্যক্তিগত দাতব্য সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের কাজ আগের মতোই একসঙ্গে করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তারা।

বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর যৌথ এক বিবৃতিতে বিল ও মেলিন্ডা বলেছিলেন, ‘অনেক ভেবে-চিন্তে এবং সম্পর্কের অনেক খুঁটিনাটি বিষয় খতিয়ে দেখে আমরা বৈবাহিক জীবনের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

গেটস দম্পতির বিচ্ছেদ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ধনীদের বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানার দ্বিতীয় ঘটনা। জেফ বেজোস ও ম্যাকেঞ্জি স্কট ২০১৯ সালে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন:
বিল গেটসের ৪৮ বছর আগের জীবনবৃত্তান্ত প্রকাশ্যে
ঘর ভাঙছে বিশ্বের ষষ্ঠ ধনী ব্রিনের
এপস্টেইনের সঙ্গে মিটিং ছিল ‘বড় ভুল’: গেটস

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Iranian schoolgirls also in the movement for freedom of dress

পোশাকের স্বাধীনতার আন্দোলনে ইরানের স্কুলছাত্রীরাও

পোশাকের স্বাধীনতার আন্দোলনে ইরানের স্কুলছাত্রীরাও হিজাব খুলে ইরানি ছাত্রীদের প্রতিবাদ। ছবি: টুইটার
ইরানে চলমান বিক্ষোভে শামিল রয়েছে দেশটির স্কুলের ছাত্রীরাও। কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ‘স্বৈরাচারের মৃত্যু চাই’ দেয়ার পাশাপাশি বাধ্যতামূলক হিজাবের নিয়ম তুলে দেয়ার দাবি জানাচ্ছে তারা। তবে বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থানে দেশটির প্রশাসন। আন্দোলনরত কিশোরীদেরও ছাড় দিচ্ছে না তারা। এরই মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দুই কিশোরীকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।

ইরানের নৈতিকতা পুলিশের হেফাজতে কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলমান পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে হওয়া সহিংস বিক্ষোভে ইরানের হাই স্কুলপড়ুয়া মেয়েরাও অংশগ্রহণ করছে।

টেলিগ্রাফে প্রকাশিত এক ভিডিও প্রতিবেদনে দেখা গেছে, স্কুল হলের ভেতরেই ছাত্রীরা মাথার হিজাব খুলে হাতে নিয়ে ঘুরাচ্ছে। ‘স্বৈরাচারের মৃত্যু চাই’ স্লোগান দিচ্ছে।

স্কুলের বাইরেও মেয়েদের স্লোগান দিতে দেখা গেছে। ছাত্রীরা বাধ্যতামূলক হিজাবের নিয়ম উঠিয়ে দেয়ার দাবিসংবলিত পোস্টার হাতে নিয়ে বিক্ষোভ করতেও দেখা গেছে।

এদিকে ইরানের নৈতিকতা পুলিশ সদস্যরা বিক্ষোভে অংশ নেয়া দুই কিশোরীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

এর মধ্যে ১৬ বছর বয়সী সারিনা ইসমাইলজাদেহকে লাঠি (ব্যাটন) দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়েছিল। গত সপ্তাহে বিক্ষোভ চলাকালীন নৈতিকতা পুলিশের অফিসাররাই তাকে আঘাত করেন।

আঘাতে তার মাথার খুলি চূর্ণ হয়ে যায় এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই সে মারা যায়।

পোশাকের স্বাধীনতার আন্দোলনে ইরানের স্কুলছাত্রীরাও
ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত দুই কিশোরী

আরেক ১৭ বছর বয়সী কিশোরী বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেয়া নিকা শাকরামি নিখোঁজ ছিলেন। শুরুতে তাকে ফিরিয়ে দেয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করে পুলিশ।

পরে তার মৃতদেহ ফিরিয়ে দিলে দেখা যায় তার নাক কেটে ফেলা হয়েছিল এবং মাথায় ২৯টি আঘাতের চিহ্ন।

এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় অ্যামনেস্টি বলেছে, ‘ইরানি কর্তৃপক্ষ জেনেশুনে এমন মানুষদের ক্ষতি বা হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যারা কয়েক দশকের দমন ও অবিচারের বিরুদ্ধে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে রাস্তায় নেমেছে।’

তবে মাহসার মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট আন্দোলনকে ইরানি কর্তৃপক্ষ ইসরায়েল ও আমেরিকার চক্রান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে।

ইরানে ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পরই নারীদের জন্য হিজাব বাধ্যতামূলক করা হয়। বাধ্যতামূলক এই পোশাকবিধি মুসলিম নারীসহ ইরানের সব জাতিগোষ্ঠী ও ধর্মের নারীদের জন্য প্রযোজ্য।

একেবারে শুরু থেকেই বিভিন্ন সময়ে পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলন করছেন ইরানি নারীরা।

হিজাব আইন আরও কঠোরভাবে প্রয়োগের জন্য চলতি বছরের ৫ জুলাই ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি একটি আদেশ জারি করেন। এর মাধ্যমে ‘সঠিক নিয়মে’ পোশাকবিধি অনুসরণ না করা নারীদের সরকারি সব অফিস, ব্যাংক এবং গণপরিবহনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ইরানে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ চায় অ্যামনেস্টি
নরওয়েতে ইরানবিরোধী বিক্ষোভে টিয়ার শেল, আটক ৯০
ইরান সরকারের রোষানলে সাংবাদিকরাও
ইরান বিক্ষোভে সংহতি জানাতে আফগান নারীরাও রাস্তায়
বিক্ষোভে ‘উসকানি’: ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্টের মেয়ে গ্রেপ্তার

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
32 killed in marriage ceremony bus crash in Uttarakhand

উত্তরাখণ্ডে বিয়ের অনুষ্ঠানের বাস খাদে, নিহত ৩২

উত্তরাখণ্ডে বিয়ের অনুষ্ঠানের বাস খাদে, নিহত ৩২ ভারতের উত্তরাখণ্ডের পৌরির ধুমকোট থানাধীন সিমদি গ্রামের কাছে গভীর খাদে পড়ে যায় বাসটি। ছবি: এএনআই
পঞ্চাশোর্ধ্ব যাত্রী নিয়ে বাসটি রাজ্যের হরিদ্বার জেলার লালধং থেকে পৌরির বীরখাল ব্লকে যাচ্ছিল। পথে পৌরির ধুমকোট থানাধীন সিমদি গ্রামের কাছে এটি দুর্ঘটনার শিকার হয়।

ভারতের উত্তরাখণ্ডের পৌরি জেলায় বিয়ের অনুষ্ঠানের বাস ৫০০ মিটার গভীর খাদে পড়ে কমপক্ষে ৩২ জন নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবারের এ ঘটনায় ২০ জনের মতো যাত্রী আহত হয়েছেন।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে জানানো হয়, দুর্ঘটনার পর উদ্ধার তৎপরতা চালান স্টেট ডিজ্যাস্টার রেসপন্স ফোর্স (এসডিআরএফ) ও ন্যাশনাল ডিজ্যাস্টার রেসপন্স ফোর্সের (এনডিআরএফ) সদস্যরা। আহত যাত্রীদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পঞ্চাশোর্ধ্ব যাত্রী নিয়ে বাসটি রাজ্যের হরিদ্বার জেলার লালধং থেকে পৌরির বীরখাল ব্লকে যাচ্ছিল। পথে পৌরির ধুমকোট থানাধীন সিমদি গ্রামের কাছে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে এটি খাদে পড়ে যায়।

খবর পাওয়ার পরপরই দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে যান ধুমকোট থানার কর্মকর্তারা। উত্তরাখণ্ডের ‍মুখ্যমন্ত্রী পুশকার সিং ধামিও দ্রুত স্টেট ডিজ্যাস্টার ম্যানেজমেন্ট সেন্টারে পৌঁছান।

বাস দুর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানির খবরে শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

তিনি টুইটারে লেখেন, ‘উত্তরাখণ্ডের পৌরি জেলায় বাস দুর্ঘটনাটি হৃদয়বিদারক। এ ঘটনায় স্বজন হারানো মানুষদের প্রতি শোক প্রকাশ করছি।

‘ঈশ্বর যেন তাদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সইবার শক্তি দেন। এ দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।’

আরও পড়ুন:
নাচতে নাচতে যুবকের মৃত্যু, শোকে বাবাও পরপারে
ইরানি ফ্লাইটে বোমা আতঙ্ক, যুদ্ধবিমান পাঠাল ভারত 
উত্তর প্রদেশে সড়কে গেল ৩১ প্রাণ
প্রতারককে ব্যাংকের তথ্য জানিয়ে অর্থ খোয়ালেন অন্নু
‘খেলা হবে’ দিবসের সেই এমপি এবার নেচে ভাইরাল

মন্তব্য

p
উপরে