ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতে প্রাণহানি, এলাকা ছাড়ছে মানুষ

player
ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতে প্রাণহানি, এলাকা ছাড়ছে মানুষ

জাভা দ্বীপে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পর ছড়িয়ে পড়েছে ছাই। ছবি: এএফপি

অগ্ন্যুৎপাতে আগ্নেয়গিরির ঘন ছাইয়ে সূর্য আড়ালে পড়েছে। এলাকার বাসিন্দারা বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। তাদের পেছনে উড়ছে অগ্ন্যুৎপাতের ছাই। এমন কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। 

ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভা দ্বীপে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে একজনের প্রাণহানির পাশাপাশি অর্ধশত মানুষ আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মাউন্ট সেমেরুতে এ ঘটনা ঘটে।

শনিবার সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অগ্ন্যুৎপাতের ঘন ছাইয়ে সূর্য অনেকটাই আড়ালে পড়েছে। ধোঁয়ায় ছেয়ে যাওয়া এলাকার বাসিন্দারা বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। তাদের পেছনে উড়ছে অগ্ন্যুৎপাতের ছাই। এমন কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

আগ্নেয়গিরির ছাই ১৫ হাজার মিটার ওপরে ওঠায় সে বিষয়ে এয়ারলাইন্সকে সতর্ক করা হয়েছে। এলাকায় জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আশপাশের গ্রামগুলো ধ্বংসাবশেষে ঢেকে গেছে। ঘন ধোঁয়া সূর্যকে ঢেকে ফেলছে। পুরো এলাকা অন্ধকারে ছেয়ে গেছে।

স্থানীয় কর্মকর্তা তরিকুল হক বলেন, ‘ওই এলাকা থেকে মালাং শহরের একটি সড়ক ও ব্রিজ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অগ্ন্যুৎপাতের কারণে জরুরি অবস্থা তৈরি হয়েছে।’

সমুদ্র থেকে মাউন্ট সেমেরুর উচ্চতা ৩ হাজার ৬৭৬ মিটার। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে এই আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনায় কয়েক হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়।

আরও পড়ুন:
রাইস কুকারকে ‘বিয়ে’
ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে আগুন, ৪১ মৃত্যু
সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ক জোরদারের আশা
জেগে উঠেছে জাভার মেরাপি আগ্নেয়গিরি
হিজাব পরে স্ত্রী পরিচয়ে বিমান ভ্রমণ, পরে আটক

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘তিস্তা ইস্যুতে চাই হাইড্রোলজিক্যাল মূল্যায়ন’

‘তিস্তা ইস্যুতে চাই হাইড্রোলজিক্যাল মূল্যায়ন’

উন্নয়ন সংস্থা অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের আয়োজনে বৃহস্পতিবার সপ্তম আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলন ২০২২-এ ভার্চুয়ালি অংশ নেন বিশেষজ্ঞ অতিথিরা।

আইনুন নিশাত বলেন, ‘ভারত একতরফাভাবে তিস্তা নদীর পানি প্রত্যাহার করছে। এটা নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো আন্তর্জাতিক আইন, এমনকি ভারতীয় আইনেও তা অগ্রহণযোগ্য। আন্তঃসীমান্ত বা আন্তঃরাষ্ট্রীয় পানির ব্যবহার সম্পর্কিত ১৯৫৮ সালের আইনও এ ধরনের পানি প্রত্যাহার সমর্থন করে না।’

তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ ও ভারতকে বার্ষিক হাইড্রোলজিক্যাল মূল্যায়নে বসতে হবে। নদীটির অববাহিকা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ হওয়ায় এই সমস্যা সমাধানে দু’দেশকেই এগিয়ে আসতে হবে।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ এনভায়রনমেন্ট রিসার্চ-এর পরামর্শক প্রফেসর ইমেরিটাস ড. আইনুন নিশাত এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

উন্নয়ন সংস্থা অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের আয়োজনে বৃহস্পতিবার সপ্তম আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলন ২০২২-এ ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

‘তিস্তা নদী অববাহিকা: সংকট উত্তরণ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক তিনদিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি চলবে শনিবার পর্যন্ত।

‘তিস্তা ইস্যুতে চাই হাইড্রোলজিক্যাল মূল্যায়ন’

সভাপতির বক্তব্যে আইনুন নিশাত বলেন, ‘ভারত একতরফাভাবে তিস্তা নদীর পানি প্রত্যাহার করছে। এটা নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো আন্তর্জাতিক আইন, এমনকি ভারতীয় আইনেও তা অগ্রহণযোগ্য। আন্তঃসীমান্ত বা আন্তঃরাষ্ট্রীয় পানির ব্যবহার সম্পর্কিত ১৯৫৮ সালের আইনও এ ধরনের পানি প্রত্যাহারকে সমর্থন করে না।’

সম্মেলনের প্রথম দিন বিষয়ভিত্তিক প্রসঙ্গ, ইতিহাস, আকৃতি এবং তিস্তা ও এর পার্শ্ববর্তী নদীর স্থানিক পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে আলোচনা হয়।

তিস্তার রূপতত্ত্ব, নৃতাত্ত্বিক বিষয় এবং আঞ্চলিক বিরোধের ওপর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও আলোচনা-পর্যালোচনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও জাতীয় পর্যায়ের নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সমস্যার সমাধান করা এবারের সম্মেলনের উদ্দেশ্য।

তিনদিনের সম্মেলনটি সরকারি-বেসরকারি কর্তৃপক্ষ, এনজিও, দাতা সংস্থা, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা, সুশীল সমাজ, শিক্ষাবিদ, পানি বিশেষজ্ঞ, পরিবেশবিদ এবং তৃণমূল পর্যায়ের জনগণের তিস্তা নিয়ে সম্মিলিত আলোচনার বড় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

স্বাগত বক্তব্যে অ্যাকশন এইড বাংলাদেশে কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির বলেন, ‘তিস্তা কৃষি, মৎস্য ও খাদ্য ব্যবস্থার জন্য পানির একটি প্রধান উৎস। পানি ও নদী শাসন, আঞ্চলিক বিরোধ ও জলবায়ু পরিবর্তন ধারাবাহিকভাবে জনগণের অধিকারকে প্রভাবিত করছে। তাই টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের মাধ্যমে নদীকে রক্ষা করা জরুরি।’

সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক অশোক সোয়াইন মনে করেন, তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে একসঙ্গে বসতে দু’দেশের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা ও মানসিকতার অভাব রয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের শক্তিশালী নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান রেখে তিনি বলেন, ‘সমস্যাটি সমাধানে একটি চুক্তি সম্পাদন জরুরি।’

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিসের নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার মনজুর হাসান বলেন, ‘তিস্তা নদীর পানি বণ্টন একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয়। পানি কারও নিজস্ব সম্পত্তি নয়। পানির ব্যবস্থা মানবাধিকারের মৌলিক বিষয়। পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য পানি অপরিহার্য।’

তিস্তা নদীর পানি বরাদ্দ ইস্যুতে একটি সমাধানে আসার আহ্বান জানান জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, ‘উত্তরবঙ্গে তিস্তা বাঁচাও আন্দোলন চলছে। এমনকি ভারতীয় জনগণও বর্ষা ও শুষ্ক মৌসুমে পানির দুর্ভোগে পড়ে।’

পানি ব্যবস্থাপনায় রাজনৈতিক চিন্তা-ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে বলেও মনে করেন ইনু।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘নদী আর নদী নেই। মানুষ এখন শুষ্ক মৌসুমে হেঁটে নদী পার হতে পারে। ভারতের স্থানীয় জনগণের মতে, তিস্তার ওপর বাঁধ জীববৈচিত্র্য এবং হাজার হাজার মানুষের জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। ভূমিতে আদিবাসীদের অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে।’

সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক অশোক সোয়াইন মনে করেন, তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে একসঙ্গে বসতে দু’দেশের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা ও মানসিকতার অভাব রয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের শক্তিশালী নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান রেখে তিনি বলেন, ‘সমস্যাটি সমাধানে একটি চুক্তি সম্পাদন জরুরি।’

ব্রুনাইয়ের দারুসসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ইফতেখার ইকবাল বলেন, ‘তিস্তা নদী নিয়ে সরকারের দুশ’ থেকে তিনশ’ বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন, যা নদী তীরের মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করতে পারে।’

২০১৬ সাল থেকে আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলন আয়োজন করে আসছে অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ। তারই ধারাবাহিকতায় এ বছর তিস্তা নদীর অববাহিকায় বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন:
রাইস কুকারকে ‘বিয়ে’
ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে আগুন, ৪১ মৃত্যু
সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ক জোরদারের আশা
জেগে উঠেছে জাভার মেরাপি আগ্নেয়গিরি
হিজাব পরে স্ত্রী পরিচয়ে বিমান ভ্রমণ, পরে আটক

শেয়ার করুন

নদী রক্ষায় ডিসিদের জোরাল ভূমিকা চায় সরকার

নদী রক্ষায় ডিসিদের জোরাল ভূমিকা চায় সরকার

নদী দূষণ রোধে জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে আরও জোরালো ভূমিকা চেয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

ডিসি সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নদীগুলোতে যেন নাব্যতা থাকে, নদী দূষণ এবং দখলের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য জেলা প্রশাসকদের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। কারণ আমাদের নদী রক্ষার যে জেলা কমিটি, সেটার সভাপতি জেলা প্রশাসক। তারা ইতোমধ্যে অনেক ভূমিকা রাখছেন এবং এগুলো আরও জোরদার করার জন্য বলা হয়েছে।’

দেশের নদীগুলোর নাব্যতা রক্ষা, দূষণ ও দখল রোধেও জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) জোরাল ভূমিকা প্রত্যাশা করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। সেই সঙ্গে দেশের স্থলবন্দরগুলোতে অনৈতিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়ানোতেও ডিসিদের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘নদীগুলোতে যেন নাব্যতা থাকে, নদী দূষণ এবং দখলের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য জেলা প্রশাসকদের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। কারণ আমাদের নদী রক্ষার যে জেলা কমিটি, সেটার সভাপতি জেলা প্রশাসক। তারা ইতোমধ্যে অনেক ভূমিকা রাখছেন এবং এগুলো আরও জোরদার করার জন্য বলা হয়েছে।’

‘অবৈধ বালু উত্তোলনের মধ্য দিয়ে নদীর নাব্যতা নষ্ট হয়ে যায় এবং আমাদের নৌপথগুলোতে বিঘ্নতা তৈরি হয়। এগুলো সঠিকভাবে মনিটরিং করার জন্য জেলা প্রশাসকদের বলা হয়েছে।’

স্থলবন্দরগুলোতে অনৈতিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নজরদারি আরও জোরদার করার জন্যও ডিসিদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানান খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের স্থলবন্দর যেগুলো আছে, যেহেতু সেখানে পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়, সে জায়গায় কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড যাতে না হয়, সেজন্য জেলা প্রশাসনের নজরদারি আছে, তারা রাখছেন। তারপরেও এটা জোরদার করার জন্য আমরা বলেছি।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সার্বিকভাবে আমাদের যে পদক্ষেপগুলো নেয়া হয়েছে, মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থাগুলোর মাধ্যমে, এগুলো তাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে কোনো প্রস্তাব ছিল কি না, জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উপকূলীয় যে মানুষগুলো আছে, যেমন হাতিয়া, ভোলা, এসব নদী বন্দরগুলোর আরও উন্নয়ন করা এবং যাত্রীবান্ধব করা। সেগুলোর ব্যাপারে আমরা ইতোমধ্যে প্রকল্প গ্রহণ করেছি।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নৌ সেক্টরে দীর্ঘদিন ধরে একটা অচলায়তন, অনিয়ম হয়ে আসছে। এটা এত বড় একটা সেক্টর, একবারেই পরিবর্তন সম্ভব নয়।

‘যেমন আমরা যে লঞ্চে যাতায়াত করি, আমি প্রথম থেকেই বলে আসছি, এটির নকশায় পরিবর্তন করা দরকার। শুধু কোভিড পরিস্থিতির কারণে নয়, বর্তমান এ আধুনিক যুগে এটি চলে না। এ জায়গাটায় আমরা নজর দিচ্ছি।’

এ বিষয়ে কাজ চলছে বলেও জানান নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে এ সেক্টরকে নিরাপদ করা।’

আরও পড়ুন:
রাইস কুকারকে ‘বিয়ে’
ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে আগুন, ৪১ মৃত্যু
সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ক জোরদারের আশা
জেগে উঠেছে জাভার মেরাপি আগ্নেয়গিরি
হিজাব পরে স্ত্রী পরিচয়ে বিমান ভ্রমণ, পরে আটক

শেয়ার করুন

নতুন প্রজাতির মাকড়সা খুঁজে পেলেন থাই ইউটিউবার

নতুন প্রজাতির মাকড়সা খুঁজে পেলেন থাই ইউটিউবার

থাই ইউটিউবার খুঁজে পেলেন নতুন প্রজাতির মাকড়শা

বন্যজীবন নিয়ে আগ্রহী ইউটিউবার জোচো সিপ্পায়াত, যার কি না ২.৫ মিলিয়ন ফলোয়ার রয়েছে ইউটিউবে। দেশটির উত্তর-পশ্চিমের তাক প্রদেশের মুয়েআং তাক জেলায় তার বসবাস।

আগে দেখা যায়নি এমন এক মাকড়সা পাওয়া গেছে থাইল্যান্ডে। তবে কোনো প্রাণীবিদ বা বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ নন, এই মাকড়সা খুঁজে পেয়েছেন দেশটির একজন ইউটিউবার।

খন কায়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্টোমলজি ও প্ল্যান্ট প্যাথোলজি বিভাগের গবেষক চমফুফুয়াং বলেন, এই মাকড়সাগুলো সত্যিই অসাধারণ, এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া সব মাকড়সার মধ্যে এটাই প্রথম যে তার বাস্তুসংস্থান বাঁশনির্ভর।

বন্যজীবন নিয়ে আগ্রহী ইউটিউবার জোচো সিপ্পায়াত, যার কি না ২.৫ মিলিয়ন ফলোয়ার রয়েছে ইউটিউবে। দেশটির উত্তর-পশ্চিমের তাক প্রদেশের মুয়েআং তাক জেলায় তার বসবাস।

সেখানেই এক জঙ্গলে ভ্রমণের সময় তিনি এই মাকড়সাটি দেখতে পান। তখনই তার সন্দেহ হয় এটি নতুন প্রজাতির মাকড়শা। কারণ এ ধরনের মাকড়সা তিনি আগে দেখেননি।

জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য প্রজাতিগুলো ও তাদের বাসস্থান সম্পর্কে মানুষকে ধারণা দিতে হবে। এরপরে বনাঞ্চলগুলো অবশ্যই বন্যপ্রাণীর জন্য রক্ষা করতে হবে।

তৎক্ষণাৎ সিপ্পায়াত কায়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক চমফুফুয়াংকে ই-মেইলে মাকড়সার ছবি পাঠান। মাকড়সার ছবি পেয়েই চমফুফুয়াং বুঝতে পারেন মাকড়সাটি নতুন কোনো প্রজাতির কিন্তু তা নিশ্চিতের জন্য মাঠপর্যায়ে বিষয়টি অনুসন্ধানের দরকার ছিল।

পরবর্তীতে গবেষক চমফুফুয়াং এই বিরল মাকড়সার বিষয়ে নিশ্চিত হন। এর বৈজ্ঞানিক নাম রাখা হয় taksin bambus । অষ্টাদশ শতকের বিখ্যাত থাই রাজা তাকসিনের নামানুসারে এর নামকরণ।

সাধারণত মাকড়সাদের জঙ্গলের নিচে বা গাছে বাস। এই প্রথম কোনো মাকড়সা পাওয়া গেল যে বাঁশের মাঝখানের ফাপা স্থানে বসবাস করে। তবে গবেষকদের মতে, বাঁশের ভেতরের আর্দ্রতার জন্য এটি এই ধরনের মাকড়সার বসবাসের জন্য সুবিধাজনক।

তবে এই মাকড়সার পক্ষে বাঁশ ফুটো করে ফাপা স্থানে প্রবেশ করা সম্ভব হয় না। সে ক্ষেত্রে তাকে প্রকৃতির অন্যান্য বিষয়ের ওপর নির্ভর করতে হয়। বাঁশগাছ কোনো কারণে রোগাক্রান্ত হয়ে ফাটল ধরলে কিংবা অন্য কোনো প্রাণী দ্বারা বাঁশে কোনো ফাটল সৃষ্টি হলে সে সেখানে প্রবেশ করে থাকা শুরু করে।

তবে এই মাকড়সা খুঁজে পাওয়ার ঘটনাতেই স্পষ্ট হয়, থাইল্যান্ডের জঙ্গলে আরও কত অজানা প্রাণী বসবাস করছে।

চমফুফুয়াং বলেন, ‘জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য প্রজাতিগুলো ও তাদের বাসস্থান সম্পর্কে মানুষকে ধারণা দিতে হবে। এরপরে বনাঞ্চলগুলো অবশ্যই বন্যপ্রাণীর জন্য রক্ষা করতে হবে।’

তাকসিনাস ব্যামবোস নামের মাকড়সাকে নিয়ে করা গবেষণাপত্র জানুয়ারির ৪ তারিখে যুকেইসে প্রকাশিত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
রাইস কুকারকে ‘বিয়ে’
ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে আগুন, ৪১ মৃত্যু
সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ক জোরদারের আশা
জেগে উঠেছে জাভার মেরাপি আগ্নেয়গিরি
হিজাব পরে স্ত্রী পরিচয়ে বিমান ভ্রমণ, পরে আটক

শেয়ার করুন

পুকুর থেকে সুন্দরবনে ফিরল অজগর

পুকুর থেকে সুন্দরবনে ফিরল অজগর

পুকুর থেকে উদ্ধারের পর অজগরটি। ছবি: নিউজবাংলা

কোনো কারণে সুন্দরবন থেকে লোকালয়ে চলে এসেছিল অজগরটি। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তির পুকুরে অবস্থান নেয় সাপটি।

বাগেরহাটের শরণখোলার একটি পুকুর থেকে একটি অজগর সাপ উদ্ধার করে বনে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ অফিস এলাকার বনে ছাড়া হয় অজগরটি।

এর আগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে শরণখোলা উপজেলার সুন্দরবনসংলগ্ন উত্তর তাফালবাড়ী গ্রামের জিতেন গাইনের বাড়ির পুকুর থেকে সাপটিকে উদ্ধার করেন ওয়াইল্ড টিম ও ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিমের সদস্যরা।

উদ্ধারকারী দলের সদস্য ও ওয়াইল্ড টিমের মাঠ কর্মকর্তা মো. আলম হাওলাদার জানান, মোবাইল ফোনে খবর পেয়ে জিতেন গাইনের বাড়িতে যান তারা। এ সময় পুকুরে অজগরটিকে ভাসতে দেখা যায়। পরে এটিকে ধরে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান জানান, ৮ ফুট লম্বা এবং প্রায় ১০ কেজি ওজনের অজরগরটিকে রেঞ্জ অফিসসংলগ্ন বনে রাত সাড়ে ৮টার দিকে অবমুক্ত করা হয়।

আরও পড়ুন:
রাইস কুকারকে ‘বিয়ে’
ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে আগুন, ৪১ মৃত্যু
সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ক জোরদারের আশা
জেগে উঠেছে জাভার মেরাপি আগ্নেয়গিরি
হিজাব পরে স্ত্রী পরিচয়ে বিমান ভ্রমণ, পরে আটক

শেয়ার করুন

‘সিআরবি অবরুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র মানবে না চট্টগ্রামবাসী’

‘সিআরবি অবরুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র মানবে না চট্টগ্রামবাসী’

সিআরবি এলাকায় প্রবেশের তিন পথে গেট নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে রেলওয়ে। ছবি: নিউজবাংলা

সিআরবি রক্ষায় আন্দোলনকারী সংগঠন নাগরিক সমাজের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামবাসীর মতামত উপেক্ষা করে রেলওয়ের এই ধরনের কর্মকাণ্ডে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এমন জনপ্রিয় উন্মুক্ত স্থানে জনসাধারণের প্রবেশাধিকার সংকুচিত করে অবরুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র চট্টগ্রামবাসী কোনোভাবেই মেনে নেবে না।

তিন পথে গেট নির্মাণ করে সিআরবি অবরুদ্ধ করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ জানিয়েছে চট্টগ্রামের নাগরিক সমাজ।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে সিআরবি রক্ষায় আন্দোলনকারী সংগঠনটি এ প্রতিবাদ জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সিআরবিতে শতবর্ষী গাছ ও প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস করে বেসরকারি হাসপাতাল নির্মাণের চেষ্টা চলছে। এর মধ্যে এখন তিনটি প্রবেশপথে গেট নির্মাণ করে সিআরবি এলাকায় যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচল বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করেছে রেলওয়ে।

সিআরবি রক্ষায় আন্দোলনকারী সংগঠন নাগরিক সমাজের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সিআরবিতে বেসরকারি হাসপাতাল নির্মাণচেষ্টার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন চট্টগ্রামের সংস্কৃতিকর্মী, পরিবেশবিদ, রাজনীতিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

চট্টগ্রামবাসীর মতামত উপেক্ষা করে রেলওয়ের এই ধরনের কর্মকাণ্ডে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এমন জনপ্রিয় উন্মুক্ত স্থানে জনসাধারণের প্রবেশাধিকার সংকুচিত করে অবরুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র চট্টগ্রামবাসী কোনোভাবেই মেনে নেবে না।

জনস্বার্থবিরোধী যেকোনো অপতৎপরতা চট্টগ্রামবাসী শান্তিপূর্ণভাবে রুখে দেবে বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
রাইস কুকারকে ‘বিয়ে’
ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে আগুন, ৪১ মৃত্যু
সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ক জোরদারের আশা
জেগে উঠেছে জাভার মেরাপি আগ্নেয়গিরি
হিজাব পরে স্ত্রী পরিচয়ে বিমান ভ্রমণ, পরে আটক

শেয়ার করুন

দেড় শ বছরে ষষ্ঠ উষ্ণতম ২০২১: নোয়া

দেড় শ বছরে ষষ্ঠ উষ্ণতম ২০২১: নোয়া

সংগৃহীত ছবি

ন্যাশনাল ওশিয়ানিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের পরিসংখ্যান বলছে, গত বছর বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বিংশ শতাব্দীর গড় তাপমাত্রার চেয়ে ০.৮৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।

দেড় শ বছরে পৃথিবীর ষষ্ঠ উষ্ণতম ছিল ২০২১ সাল। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা- নাসা ও দেশটির ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-নোয়া বৃহস্পতিবার তাদের বৈশ্বিক তাপমাত্রা গণনার রিপোর্টে এ তথ্য জানিয়েছে।

নোয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, উষ্ণতম বছরের তালিকায় ২০১৬ ও ২০২০ সালের পরই ২০২১ সালের অবস্থান।

সংস্থা দুটির বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, উষ্ণায়ন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপসহ পুরো বিশ্বেই গত দশক ধরে উষ্ণতা বেড়েছে। এ বছরগুলোর মধ্যে উষ্ণতম ছিল ২০১৬ ও ২০২০ সাল। তবে উষ্ণতার নিরিখে এর পরই ছিল ২০২১।

২০১৫ সালে প্যারিসে ১৯০টি দেশের নেতারা বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে সীমিত রাখার কথা বলেন। কিন্তু গত বছরই ইউরোপে গ্রীষ্মকালে সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চল ও কানাডায় তাপমাত্রা রেকর্ড ছাড়িয়েছে। আগস্টে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বেশিরভাগ এলাকা দাবানলে পুড়েছে। প্রাণ গেছে শত শত মানুষের।

নোয়ার পরিসংখ্যান বলছে, গত বছর বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বিংশ শতাব্দীর গড় তাপমাত্রার চেয়ে ০.৮৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ১.৫১ ডিগ্রি ফারেনহাইট বেশি ছিল।

আন্তর্জাতিকভাবে সব দেশের বার্ষিক গড় তাপমাত্রার হিসাব রাখা শুরু হয় ১৮৮০ সালে। এই হিসাব অনুযায়ী নাসা জানায়, গত ১৪১ বছরের ইতিহাসে ২০২১ ও ২০১৮ সাল ছিল উষ্ণতার দিক থেকে ষষ্ঠ।

জলবায়ু গবেষণা সংস্থা বার্কলে আর্থ বৃহস্পতিবার তাদের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সে প্রতিবেদনেও বলা হয় ২০১৮ ও ২০১৫ সালের সঙ্গে ষষ্ঠ উষ্ণতম বছর ছিল ২০২১।

তবে নোয়ার দাবি, উষ্ণতার দিক থেকে এককভাবে ২০২১ সাল ষষ্ঠ স্থানটির দাবিদার।

এদিকে ইউরোপীয় কমিশনের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সংস্থা দ্য কোপারনিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস জানায়, গত সাত বছর ছিল বিশ্বের উষ্ণতম বছর। এ তালিকায় পঞ্চম অবস্থানে ছিল ২০২১ সাল।

নাসা ও নোয়া জানায়, উষ্ণায়নের জন্য গত এক বা দুই দশকে উদ্বেগজনকভাবে শুধুই ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেড়েছে তা নয়, সে সঙ্গে বেড়েছে মহাসাগরগুলোর পানির উপরিতলের তাপমাত্রাও। ফলে অ্যান্টার্কটিকা ও গ্রিনল্যান্ডের বরফ আরও দ্রুত গলছে। সমুদ্রের পানির স্তরও উপরে উঠে আসছে আশঙ্কাজনকভাবে।

নাসার গডার্ড ইনস্টিটিউট ফর স্পেস স্টাডিজের পরিচালক ও এজেন্সির প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী দলের নেতৃত্বে ছিলেন বিজ্ঞানী গ্যাভিন স্মিথ। তিনি বলেন, গত আট বছরই ছিল বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণ।

নোয়ার জলবায়ু বিশেষজ্ঞ রাসেল হোস বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘২০২২ সালটির দশম উষ্ণতম বছর হয়ে ওঠার আশঙ্কা ৯৯ শতাংশ। আর গত দেড় শ বছরের ইতিহাসে এ বছর সবচেয়ে উষ্ণ হয়ে ওঠার আশঙ্কা ১০ শতাংশ।’

আরও পড়ুন:
রাইস কুকারকে ‘বিয়ে’
ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে আগুন, ৪১ মৃত্যু
সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ক জোরদারের আশা
জেগে উঠেছে জাভার মেরাপি আগ্নেয়গিরি
হিজাব পরে স্ত্রী পরিচয়ে বিমান ভ্রমণ, পরে আটক

শেয়ার করুন

রাতে শীত আরও বাড়বে

রাতে শীত আরও বাড়বে

উত্তরাঞ্চলে শীতের প্রকোপ বাড়ায় খড়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টায় শিশুরা। ফাইল ছবি

আবহাওয়াবিদ শাহিনুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সারা দেশে দিনের আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। তবে রাতে তাপমাত্রা নিম্নগামী হয়ে শীতের তীব্রতা বাড়াবে। রাতে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমে আসবে।’

সারা দেশে রাতের আবহাওয়া ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আগামী ৩ দিন এমন শীত অব্যাহত থাকবে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে বলেও আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ শাহিনুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সারা দেশে দিনের আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। তবে রাতে তাপমাত্রা নিম্নগামী হয়ে শীতের তীব্রতা বাড়াবে। রাতে দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমে আসবে।’

তিনি বলেন, ‘রোববার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়া উপজেলায় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়ে। তবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বিকেল ৩টার পর জানানো যাবে। তাপমাত্রা কমে আসায় দেশের বিভিন্ন স্থানে শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে। আজও কয়েকটি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ ছিল। রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কমবে। রোববার সকালে রংপুর, রাজশাহীসহ এই বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ দেখা যায়।’

এই আবহাওয়াবিদ বলেন, ‘চলতি মাসেই সারা দেশে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে, যার মধ্যে একটি তীব্র (৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিতে পারে। এ মাসে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কম থাকতে পারে।’

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসেও বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় সারা দেশে‌ বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা পূর্বাভাসে বলা হয়- রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ থাকবে। এর প্রভাবে সারা দেশেই রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

আরও পড়ুন:
রাইস কুকারকে ‘বিয়ে’
ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে আগুন, ৪১ মৃত্যু
সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ক জোরদারের আশা
জেগে উঠেছে জাভার মেরাপি আগ্নেয়গিরি
হিজাব পরে স্ত্রী পরিচয়ে বিমান ভ্রমণ, পরে আটক

শেয়ার করুন