ভারতে ওমিক্রন শনাক্ত

player
ভারতে ওমিক্রন শনাক্ত

বিভিন্ন সূত্রের ভিত্তিতে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬৬ বছরের ওই ব্যক্তি একজন বিদেশি; সম্প্রতি তিনি সাউথ আফ্রিকা ভ্রমণ করেছেন। অন্যজন বেঙ্গালুরু শহরের একটি হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মী।

এবার ভারতে শনাক্ত হলো করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন। দক্ষিণের রাজ্য কর্ণাটকের দুই ব্যক্তির শরীরে বৃহস্পতিবার ওমিক্রন মিলেছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ নিয়ে বিশ্বের ৩০ দেশে করোনার নতুন ধরনটি ছড়াল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ল্যাভ আগারওয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানিয়েছেন, শনাক্ত হওয়া দুজনেই পুরুষ। একজনের বয়স ৬৬, অন্যজন ৪৬ বছরের। ব্যক্তি গোপনীয়তার স্বার্থে তাদের বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করা হবে না।

‘শনাক্তদের উপসর্গ মৃদু। যারা তাদের সংস্পর্শে এসেছেন, তাদের চিহ্নিত করে পরীক্ষা হচ্ছে। আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। করোনার বিধিনিষেধগুলো মেনে চলতে হবে। সেই সঙ্গে জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে।’

বিভিন্ন সূত্রের ভিত্তিতে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬৬ বছরের ওই ব্যক্তি একজন বিদেশি; সম্প্রতি তিনি সাউথ আফ্রিকা ভ্রমণ করেছেন। অন্যজন বেঙ্গালুরু শহরের একটি হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মী।

ভারতের কোভিড-১৯ টাস্ক ফোর্সের প্রধান ভি কে পাল বলেন, ‘ এখনই আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু ঘটেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।’

করোনার এই নতুন ধরনটি আগের সবগুলোর চেয়ে বেশ সংক্রামক বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এটি প্রাণঘাতী কী না তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ল্যাভ আগারওয়াল বলেন, ‘ওমিক্রনের প্রভাব আগের সব ধরন থেকে বেশি কিংবা কম, তা নিয়ে মন্তব্য করার সময় এখনও আসেনি।’

ওমিক্রন সংক্রমণের আশঙ্কায় আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে পূর্ব ঘোষিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে ভারতের ডাইরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন (ডিজিসিএ)।

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন প্রথম শনাক্ত হয় আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে। এটির বিস্তার ঠেকাতে এরই মধ্যে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বিভিন্ন দেশ।

আরও পড়ুন:
আফ্রিকা ফেরতদের বোর্ডিং পাস নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ওমিক্রনে বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
এবার যুক্তরাষ্ট্রে ওমিক্রনের হানা
আফ্রিকা থেকে আসা যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ২৬

আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ২৬

আফগানিস্তানে ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ছবি: সংগৃহীত

দেশটির জরুরী বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোল্লা জানান সায়েক হতাহতের খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে অন্ততপক্ষে ৭০০ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বৈদেশিক সাহায্য বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ আটকে যাওয়া এবং আরও নানাবিধ কারণে আফগানিস্তান ইতিমধ্যে মানবিক বিপর্যয়ে রয়েছে। এর মাঝেই মঙ্গলবার দেশটিতে ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানা এ ভূমিকম্পে কমপক্ষে ২৬ জন প্রাণ হারিয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির বাঘদিস প্রদেশের মুখপাত্র বাজ মোহাম্মদ সারওয়ারি জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে কাদিস জেলায় বাড়ির ছাদ ধসে এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভের তথ্যমতে, রিখটারস্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৩। তবে প্রথম ভূমিকম্প আঘাত হানার দুঘন্টা পরই ৪.৯ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প প্রদেশটিতে আঘাত হানে।

ইউরোপীয় সিসমোলজিক্যাল সেণ্টারের তথ্যমতে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩০ কিলোমিটার নিচে।

সারওয়ারি জানিয়েছেন, নিহত ২৬ জনের মধ্যে ৫ জন নারী ও ৪ জন শিশু রয়েছে। এছাড়া হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। পুরো প্রদেশে কম্পন অনূভুত হয়েছে।

ভূমিকম্পের ফলে দেশটির মকর জেলাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে জেলাটিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও হতাহতের সংখ্যা এখনও জানা যায়নি।

আফগানিস্তানের জরুরী বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোল্লা জানান সায়েক হতাহতের খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে অন্ততপক্ষে ৭০০ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বাগদিস প্রদেশটি মূলত পাহাড়ি অঞ্চল। তূর্কমেনিস্তান সীমান্তের কাছের এই প্রদেশটি দেশটির সবচেয়ে পশ্চাৎপদ ও অনুন্নত এলাকা। তালেবানরা ক্ষমতায় আসার আগেও বৈদেশিক সাহায্যের খুব কমই এ প্রদেশে ব্যয় হয়েছে।

আফগানিস্তান একটি ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। প্রায়ই সেখানে ভূমিকম্প হচ্ছে। দেশটির অবস্থান হিন্দুকুশ পর্বতমালার কাছাকাছি হওয়ায় এমনটি হচ্ছে। কারণ পর্বতমালাটি ইউরেশিয়ান এবং ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলের কাছে অবস্থিত।

এর আগে ২০১৫ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্পে আফগানিস্তানে ২৮০ জন প্রাণ হারায়। রিখটারস্কেলে সেই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৫।

আরও পড়ুন:
আফ্রিকা ফেরতদের বোর্ডিং পাস নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ওমিক্রনে বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
এবার যুক্তরাষ্ট্রে ওমিক্রনের হানা
আফ্রিকা থেকে আসা যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

শেয়ার করুন

মেয়েদের জন্য স্কুল খুলে দিচ্ছে তালেবান

মেয়েদের জন্য স্কুল খুলে দিচ্ছে তালেবান

তালেবান মুখপাত্র জানিয়েছেন, মার্চের মধ্যেই পুরো আফগানিস্তানে মেয়েদের জন্য স্কুল খুলে দেয়া হবে। ছবি: সংগৃহীত

গত বছর আগস্টে তালেবান সরকার ক্ষমতায় আসার পর তারা নারীদের শিক্ষা বন্ধে কোনো ঘোষণা দেয়নি। যদিও দেশব্যাপী তালেবান যোদ্ধারা বিভিন্ন জায়গায় মেয়েদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।

আফগান নারীরা চাকরি ও পড়াশোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মেয়েদের জন্য বন্ধ দেশটির মাধ্যমিক স্কুলগুলো। বারবার অধিকার আদায়ে রাস্তায় নামতে হচ্ছে তাদের। এমন অবস্থায় মার্চের মধ্যে দেশটিতে নারীদের জন্য সব স্কুল খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে তালেবান সরকার।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালেবান সরকারের মুখপাত্র ও দেশটির সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাবিউল্লাহ মুজাহিদ অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের সঙ্গে আলাপকালে আশা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, মার্চের মধ্যেই পুরো আফগানিস্তানে মেয়েদের জন্য স্কুলগুলোকে খুলে দেয়া হবে।

মুজাহিদ আরও বলেন, ‘আমরা শিক্ষার বিরুদ্ধে নই। নারী শিক্ষার বিষয়টি আসলে সক্ষমতার সঙ্গে জড়িত। আমরা এই বছরই এগুলো সমাধানের চেষ্টা করছি। ফলে স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চালু করা সম্ভব হবে।

অনেক রাজ্যেই নারীদের জন্য স্কুল খোলা আবার অনেক স্থানেই নারীদের স্কুল বন্ধ। এর কারণ অর্থনৈতিক সংকট। যেসব এলাকায় অধিক মানুষের বাস। সেসব এলাকা নিয়ে কাজ করতে হবে। আমাদের নতুন পদ্ধতিও তৈরি করতে হবে।’

গত বছর আগস্টে তালেবান সরকার ক্ষমতায় আসার পর তারা নারীদের শিক্ষা বন্ধে কোনো ঘোষণা দেয়নি। যদিও দেশব্যাপী তালেবান যোদ্ধারা বিভিন্ন জায়গায় মেয়েদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।

এ ছাড়া তালেবান সরকার নারীদের দূরবর্তী স্থানে ভ্রমণের ক্ষেত্রেও পুরুষসঙ্গী বাধ্যতামূলক করেছে। নারীদের বোরকা পরতে উৎসাহিত করতে প্রচার চালিয়ে আসছে দেশটির পুণ্যের প্রচার ও পাপ প্রতিরোধ মন্ত্রণালয়।

এর আগে আফগানিস্তানে নারীশিক্ষায় তালেবানের পদক্ষেপ ‘খুবই হতাশাজনক’ ও ‘পশ্চাৎমুখী’ বলে মন্তব্য করেছিলেন কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান আল থানি।

কাতার যে প্রক্রিয়ায় ইসলামি শাসনব্যবস্থা কায়েম করেছে, সেদিকে নজর দিতেও তালেবান নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন:
আফ্রিকা ফেরতদের বোর্ডিং পাস নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ওমিক্রনে বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
এবার যুক্তরাষ্ট্রে ওমিক্রনের হানা
আফ্রিকা থেকে আসা যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

শেয়ার করুন

গাঁজা প্রতিরোধ করে করোনা সংক্রমণ, দাবি গবেষকদের

গাঁজা প্রতিরোধ করে করোনা সংক্রমণ, দাবি গবেষকদের

গাঁজা করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করবে বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। সংগৃহীত ছবি

গবেষকদের দাবি, গাঁজার দুটি যৌগ ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনের বিভিন্ন অংশকে দ্রুত বেঁধে ফেলতে সক্ষম। মানবকোষের ভেতর করোনাভাইরাস আর ঢুকতে পারবে না। ফলে সংক্রমণও হবে না।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণে গোটা বিশ্ব বিপর্যস্ত। করোনাকে রুখতে বিজ্ঞানীরা করে চলেছেন নানা গবেষণা। নতুন নতুন তথ্য তারা মানবজাতির সামনে আনছেন। এবার তারা দাবি করেছেন, গাঁজার ভেতরে থাকা দুটি রাসায়নিক যৌগ করোনা প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করতে পারে।

ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটি এবং ওরেগন হেলথ অ্যান্ড সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক এমন দাবি করেছেন।

আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘জার্নাল অফ ন্যাচারাল প্রডাক্টস’-এ এমন তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভাইস ডটকম।

গাঁজায় থাকা ওই দুটি রাসায়নিক যৌগ প্রকৃতপক্ষে দুটি অ্যাসিড। একটির নাম ক্যানাবিগেরোলিক অ্যাসিড (সিবিজিএ) ও অন্যটি ক্যানাবিডায়োলিক অ্যাসিড (সিবিডিএ)।

গবেষকদের দাবি, গাঁজার এ দুটি যৌগকে ব্যবহার করে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে নতুন ওষুধ আবিষ্কার করা যেতে পারে। এতে করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা।

গবেষকরা অনেক দিন থেকে এমন কিছু আবিষ্কারের কথা ভাবছিলেন, যা করোনাভাইরাসের বাইরের দিকে থাকা স্পাইক প্রোটিনকে মানবকোষে ঢুকে যাওয়ার আগেই অকার্যকর করে ফেলবে।

গবেষকদের দাবি, গাঁজার ওই দুটি যৌগ ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনের বিভিন্ন অংশকে দ্রুত বেঁধে ফেলতে সক্ষম। মানবকোষের ভেতর করোনাভাইরাস আর ঢুকতে পারবে না। ফলে সংক্রমণও হবে না।

গাঁজা অনেক সেবন করলেই যে করোনার সংক্রমণ রুখে দেয়া যাবে, তা কিন্তু নয়। গবেষকরা বলছেন, করোনার টিকার সঙ্গে সিবিজিএ ও সিবিডিএ যৌগ দুটি মিলিয়ে চিকিৎসা করা গেলে এটি বেশি কার্যকর হবে।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ওরেগন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ওই দলের গবেষক রিচার্ড ব্রিমেন বলেছেন, ‘গাঁজায় যে দুটি যৌগকে আমরা করোনা সংক্রমণ রুখে দিতে দেখেছি, দীর্ঘদিন ধরেই সেগুলো অন্য চিকিৎসায় কাজে লাগে। তবে এই দুটি যৌগ যে করোনার সংক্রমণও দ্রুত রুখে দিতে পারে, তা এই প্রথম জানা গেল।’

রিচার্ড ব্রিমেনের দাবি, করোনাভাইরাসের আলফা ও বিটা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে গাঁজার যৌগ দুটি সমানভাবে কার্যকর।

এই দুটি অ্যাসিডের মাধ্যমে করোনা প্রতিরোধে নতুন ওষুধ আবিষ্কার করা সম্ভব বলে জানান রিচার্ড ব্রিমেন। তবে এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

করোনার নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধেও গাঁজায় থাকা দুটি অ্যাসিড কার্যকর হবে বলে আশাবাদী এই গবেষক।

আরও পড়ুন:
আফ্রিকা ফেরতদের বোর্ডিং পাস নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ওমিক্রনে বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
এবার যুক্তরাষ্ট্রে ওমিক্রনের হানা
আফ্রিকা থেকে আসা যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

শেয়ার করুন

সীমান্তে ভারতের রাস্তা নিয়ে নেপালের ক্ষোভ

সীমান্তে ভারতের রাস্তা নিয়ে নেপালের ক্ষোভ

ভারত-নেপাল সীমান্তে টহল দিচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। ছবি: সংগৃহীত

নেপালের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই নির্মাণ অবৈধ। ভারতকে কালী নদী এলাকায় রাস্তার একতরফা নির্মাণ ও সম্প্রসারণ বন্ধ করতে হবে।

সীমান্তের কাছে রাস্তা নির্মাণের ঘোষণায় ভারতের ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছে নেপাল।

সম্প্রতি ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের লিপুলেখ এলাকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাস্তা সম্প্রসারণের ঘোষণা দেন।

ওই নির্মাণকাজ নিয়ে আপত্তি জানিয়ে রোববার নেপালের পক্ষে বলা হয়েছে, এই নির্মাণ অবৈধ। ভারতকে কালী নদী এলাকায় রাস্তার একতরফা নির্মাণ ও সম্প্রসারণ বন্ধ করতে হবে।

নেপাল ওই এলাকাকে নিজের বলে দাবি করে আসছে।

গত ৩০ ডিসেম্বর উত্তরাখণ্ডের হলদওয়ানিতে বিজেপি আয়োজিত একটি নির্বাচনি সমাবেশে মোদি ঘোষণা দেন, তার সরকার লিপুলেখে নির্মিত রাস্তাটিকে আরও প্রশস্ত করতে চলেছে।

নেপালের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার মুখপাত্র জ্ঞানেন্দ্র বাহাদুর কারকি বলেন, ‘লিম্পিয়াধুরা, লিপুলেখ, কালাপানিসহ কালী নদীর পূর্বের অঞ্চলগুলো নেপালের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং ভারতের উচিত কোনো রাস্তা নির্মাণ বা সম্প্রসারণ বন্ধ করা।’

তিনি বলেন, ‘নেপাল ও ভারতের মধ্যে সীমান্তে যেকোনো বিরোধ ঐতিহাসিক নথি, মানচিত্র এবং নথির ভিত্তিতে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের চেতনা অনুযায়ী সমাধান করা উচিত।’

এদিকে শনিবার ভারত-নেপাল সীমান্তের প্রশ্নে কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাসের মুখপাত্র বলেন, ‘ভারত-নেপাল সীমান্তে ভারত সরকারের অবস্থান সুপরিচিত, সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং স্পষ্ট। নেপাল সরকারকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।’

কয়েক বছর ধরে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বিরোধে জড়িয়েছে নেপাল। বিতর্কিত বক্তব্যও দেয়া হয়েছে বহুবার। নেপালের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবার আমলে সম্পর্কের উন্নতি হচ্ছে বলে মনে হলেও আবারও লিপুলেখে রাস্তা সম্প্রসারণের ঘোষণায় ক্ষুব্ধ নেপাল।

আরও পড়ুন:
আফ্রিকা ফেরতদের বোর্ডিং পাস নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ওমিক্রনে বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
এবার যুক্তরাষ্ট্রে ওমিক্রনের হানা
আফ্রিকা থেকে আসা যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

শেয়ার করুন

পেছাল কলকাতা বইমেলা

পেছাল কলকাতা বইমেলা

এবছর কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা পিছিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে। ফাইল ছবি

পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের সভাপতি সুধাংশু শেখর দে বলেন, ‘এবারেরও থিম বাংলাদেশ। বাংলাদেশের বিজয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শতবর্ষ উদযাপনে বইমেলায় বাংলাদেশের প্রকাশকদের জন্য আলাদা প্যাভেলিয়ন, প্রতিদিন বাংলাদেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য আলাদা মঞ্চ থাকবে।’

এক মাস পিছিয়ে ৩১ জানুয়ারির পরিবর্তে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের জন্য ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চারটি পৌরসভার ভোট ২২ জানুয়ারির পরিবর্তে পিছিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি করা হয়েছে। অন্যদিকে ৩১ জানুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্কে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা হওয়ার কথা ছিল। তবে বিধান নগর পৌর এলাকার মধ্যে মেলা প্রাঙ্গণ হওয়ায় সে সময় নির্বাচনী বিধি জারি থাকবে।

তাই কলকাতা পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড মেলা পিছিয়ে দেয়ার অনুরোধ জানিয়ে রাজ্য সরকারকে চিঠি দেয়। পরে বইমেলা পিছিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত আসে।

সোমবার কলকাতা বইমেলার আয়োজক সংস্থা পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘বইমেলা পিছিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে। বিধান নগর সেন্ট্রাল পার্কেই হবে মেলা।’

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত বছরও বইমেলা হয়নি। গত বছরের মতো এ বছরও কলকাতা বইমেলার থিম কান্ট্রি বাংলাদেশ।

পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের সভাপতি সুধাংশু শেখর দে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণের কথা বিবেচনা করে এবার ৬০০ বুক স্টল এবং লিটল ম্যাগাজিনের জন্য ২০০ স্টল রাখা হয়েছে। মেলায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে প্রতিটি স্টলের আয়তনও কমিয়ে দেয়া হয়েছে।

‘এবারেরও থিম বাংলাদেশ। প্রতিবেশি দেশকেও বলা হয়েছে প্রস্তুতি রাখতে। বাংলাদেশের বিজয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শতবর্ষ উদযাপনে কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশের প্রকাশকদের জন্য আলাদা প্যাভেলিয়ন, প্রতিদিন বাংলাদেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য আলাদা মঞ্চ থাকবে।’

আরও পড়ুন:
আফ্রিকা ফেরতদের বোর্ডিং পাস নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ওমিক্রনে বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
এবার যুক্তরাষ্ট্রে ওমিক্রনের হানা
আফ্রিকা থেকে আসা যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

শেয়ার করুন

বিটকয়েনের মতো কারেন্সি আনছে ওয়ালমার্ট

বিটকয়েনের মতো কারেন্সি আনছে ওয়ালমার্ট

বিটকয়েন ও ইথারিয়ামের মতো নিজস্ব ব্লকচেইনের ক্রিপ্টোকারেন্সি আনছে ওয়ালমার্ট। ছবি: সংগৃহীত

প্রতিষ্ঠানটি যেহেতু নিজেরাই ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে আসছে, তার মানে এটি খুব সম্ভব যে ওয়ালমার্ট তার স্টোরগুলোতে কেনাবেচার ক্ষেত্রে বিটকয়েন অনুমোদন দিতে পারে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় খুচরা পণ্য বেচাকেনার প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট সম্ভবত ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ননফাঞ্জিবল টোকেনে (এনএফটি) প্রবেশ করতে যাচ্ছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে কিছু ট্রেডমার্ক ডকুমেন্ট থেকে প্রাপ্ত তথ্যে এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে ব্লকচেইনের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন করছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি কোনো টোকেন নিয়ে আসবে না। সরাসরি বিটকয়েন ও ইথারিয়ামের মতো নিজস্ব ব্লকচেইনের ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে আসবে।

যদি সত্যিই ওয়ালমার্ট ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রচলন শুরু করে, তাহলে মূলধারার কোম্পানিগুলোতে ক্রিপ্টো এডোপটেশন অনেকটা চূড়া থেকেই শুরু হবে।

সিএনবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়ালমার্ট মোট ৭টি ট্রেডমার্ক নিয়েছে। এ ট্রেডমার্ক আবেদনপত্রগুলো দেখে বোঝা যাচ্ছে ক্রিপ্টোর পাশাপাশি খুব শিগগিরই প্রতিষ্ঠানটি ভার্চুয়াল পণ্য হিসেবে অনলাইনে ননফাঞ্জিবল টোকেন বেচাকেনা শুরু করবে। যা তাদের নিজস্ব ক্রিপ্টোকারেন্সিতে কিনতে হবে। এ ছাড়া ওয়ালমার্ট বিশ্বব্যাপী ক্রিপ্টোনির্ভর ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসও চালু করতে যাচ্ছে। যেখানে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ডিজিটাল টোকেন লেনদেন করা যাবে।

শুধু ক্রিপ্টো নয়, মেটাভার্সের জগতেও প্রবেশ করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। তারা অগমেন্টেড রিয়েলিটি ও ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জন্য ফিটনেস অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে আসছে।

যদিও এসব পরিকল্পনার বিস্তারিত কিছুই প্রকাশ করেনি ওয়ালমার্ট।

প্রতিষ্ঠানটি সব সময় নতুনত্বকে গ্রহণ করে আসছে। তাই বিকাশমান প্রযুক্তি হিসেবে ব্লকচেইনকে ব্যবহার করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটি যেহেতু নিজেরাই ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে আসছে, তার মানে এটি খুব সম্ভব যে ওয়ালমার্ট তার স্টোরগুলোতে কেনাবেচার ক্ষেত্রে বিটকয়েন অনুমোদন দিতে পারে।

শুধু ক্রিপ্টো নয়, কোম্পানিটি মেটাভার্সের জগতেও প্রবেশ করছে। তারা অগমেন্টেড রিয়েলিটি ও ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জন্য একটি ফিটনেস অ্যাপ নিয়ে আসছে।

আরও পড়ুন:
আফ্রিকা ফেরতদের বোর্ডিং পাস নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ওমিক্রনে বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
এবার যুক্তরাষ্ট্রে ওমিক্রনের হানা
আফ্রিকা থেকে আসা যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

শেয়ার করুন

চীনে তিন সন্তানের নীতিতেও বাড়ছে না জন্মহার

চীনে তিন সন্তানের নীতিতেও বাড়ছে না জন্মহার

নগর জীবন ব্যয়বহুল হওয়ার কারণে চীনা দম্পতিরা বেশি সন্তান নিতে আগ্রহী নন। ছবি: সংগৃহীত

জন্মহার বাড়াতে ২০১৬ সালে চীন ‘এক সন্তান নীতি’ থেকে বের হয়ে আসে। দেশটির সরকার ঘোষণা করেছিল এখন থেকে পরিবারগুলো চাইলে দুটি সন্তান নিতে পারবে। গত বছরে চীন পরিবারগুলোকে ৩ সন্তান নেয়ারও অনুমতি দেয়।

চীনে বেশি জনসংখ্যাকে একসময় সমস্যা হিসেবে দেখা হতো। এমনকি দেশটি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ১ সন্তান নীতি গ্রহণ করেছিল। কিন্তু চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি বদলাতে থাকে।

চীন এখন তার জনসংখ্যা বাড়াতে চায় কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে, চীনে আশঙ্কাজনক হারে কমছে জন্মহার।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালে চীনের জন্মহার ১ হাজারে মাত্র ৭.৫২।

দেশটি ১৯৪৯ সাল থেকে জন্মহার পরিমাপ করে আসছে। এ বছরই এ হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশ করা বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে এমনটাই জানা গেছে।

অথচ ২০২০ সালেও ১ হাজারে চীনে জন্মহার ছিল ৮.৫২ জন।

সংখ্যার দিক থেকে চীনে ২০২১ সালে জন্মেছে ১ কোটি ৬ লাখ ২০ হাজার শিশু। অথচ ২০২০ সালে সংখ্যাটি ছিল ১ কোটি ২০ লাখ।

এ ছাড়া ২০২১-এ চীনের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ০.০৩৪ শতাংশ। ১৯৬০-এর পর এ হার সর্বনিম্ন।

জন্মহার বাড়াতে ২০১৬ সালে চীন ‘এক সন্তান নীতি’ থেকে বের হয়ে আসে। দেশটির সরকার ঘোষণা করেছিল এখন থেকে পরিবারগুলো চাইলে দুটি সন্তান নিতে পারবে। গত বছরে চীন পরিবারগুলোকে ৩ সন্তান নেয়ারও অনুমতি দেয়।

তবে পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, চীনের নেয়া পদক্ষেপগুলোতে জন্মহার বাড়ছে না।

এর প্রধান কারণ হলো চীনের নগর জীবনে উচ্চ ব্যয়। নগর জীবন ব্যয়বহুল হওয়ার কারণে চীনা দম্পতিরা বেশি সন্তান নিতে আগ্রহী নন।

আরও পড়ুন:
আফ্রিকা ফেরতদের বোর্ডিং পাস নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ওমিক্রনে বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
এবার যুক্তরাষ্ট্রে ওমিক্রনের হানা
আফ্রিকা থেকে আসা যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

শেয়ার করুন