এটি কিন্তু ব্লাউজ নয়

player
এটি কিন্তু ব্লাউজ নয়

ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

ইনস্টাগ্রামের ওই পোস্টে মিশ্র প্রক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে নতুন ফ্যাশনকে স্বাগত জানাচ্ছেন। আরও চমকের অপেক্ষায় থাকার কথা বলছেন কেউ; কেউ আবার বলছেন, সেলাইয়ের টাকা বাঁচানোর ফন্দি। অনেকে আবার বিষয়টিকে মাত্রাতিরিক্ত বলছেন।

মেহেদি কেবল হাতে পরার জন্য এ কথা কে বলেছে? ভারতের পাঞ্জাবে এক ডিজাইনার মেহেদির ব্যবহারকে নিয়ে গেছেন এমন এক পর্যায়ে, যা নিয়ে নেট দুনিয়ায় তোলপাড়।

মুম্বাইভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক দ্য ফ্রি প্রেস জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ওই ডিজাইনার হয়তো বলিউডের জনপ্রিয় ‘মেহেদি লাগাকে রাখ না’ গানটিকে একটু বেশিই গুরুত্বসহকারে নিয়েছেন। যার কারণে ‘মেহেদি ব্লাউজ’ ডিজাইন করে চমক সৃষ্টি করেছেন ফ্যাশন দুনিয়ায়।

ইনস্টাগ্রামে সম্প্রতি পোস্ট হওয়া একটি ভিডিও এই আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এতে দেখা গেছে, সাদা শাড়ির সঙ্গে এক নারী চিরাচরিত ব্লাউজের পরিবর্তে পরেছেন মেহেদি দিয়ে আঁকা ব্লাউজ। মানে শরীরে ব্লাউজের আদলে এঁকেছেন মেহেদির নকশা। এক ঝলক দেখে বোঝার উপায় নেই এটি মেহেদি দিয়ে আঁকা নকশা।

ইনস্টাগ্রামের ওই পোস্টে মিশ্র প্রক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে নতুন ফ্যাশনকে স্বাগত জানাচ্ছেন। আরও চমকের অপেক্ষায় থাকার কথা বলছেন কেউ; কেউ আবার বলছেন, সেলাইয়ের টাকা বাঁচানোর ফন্দি। অনেকে আবার বিষয়টিকে মাত্রাতিরিক্ত বলছেন।

ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, কয়েক বছর আগেও মেহেদি দিয়ে শুধু হাতে ও পায়ে নকশা করা হতো। তবে ভারতজুড়ে এই বিয়ের মৌসুমে অনেক কনেই এখন ব্লাউজ ছেড়ে মেহেদির নকশার দিকে ঝুঁকছেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

২ লাখ ডলারে চেহারা ও কণ্ঠ বিক্রি করার সুযোগ

২ লাখ ডলারে চেহারা ও কণ্ঠ বিক্রি করার সুযোগ

পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে প্রোমোবট একটি আবেদনপত্র তৈরি করেছে। যেখানে বলা আছে, ২৫ বছর বয়সের ওপর যে কোনো লিঙ্গের মানুষ নিজেদের গলার আওয়াজ আর চেহারা বিক্রির জন্য আবেদন করতে পারবে।

সম্প্রতি রাশিয়ান রোবোটিক কোম্পানি প্রোমোবট মানুষের চেহারা ও কণ্ঠ কিনে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। সেখানে একজন মানুষের চেহারা আর কণ্ঠের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ মার্কিন ডলার।

অডিটি সেন্ট্রালের এক প্রতিবেদনে জানা যায়- মানুষের মতো দেখতে, অতি-বাস্তববাদী রোবট বানানোর জন্য প্রোমোবট একটি নতুন প্রজেক্ট চালু করেছে। যেখানে এমন সব রোবট তৈরি করা হবে, যেগুলো হোটেল, ‘শপিংমলসহ অন্যান্য জনবহুল জায়গায় অনেকটা মানুষের মতোই কাজ করবে।’

এর জন্য কোম্পানিটি ‘কাইন্ড অ্যান্ড ফ্রেন্ডলি’ রোবট বানাতে চাচ্ছে। অর্থাৎ অচিরেই মানুষের বৈশিষ্ট্য আছে এমন রোবটের সেবা নেয়ার অভিজ্ঞতা লাভ করবে সবাই।

স্মার্ট রোবট বানানোর এ প্রজেক্টটি চালু হওয়ার পর পরই প্রতিষ্ঠানটি এমন ঘোষণা দেয়। ঘোষণায় বলা হয়, কেউ যদি তার চেহারা এবং গলার আওয়াজের স্বত্ব বিক্রি করতে রাজি হয়, তা হলে তাকে এর বিনিময়ে ২ লাখ ডলার দেয়া হবে। এই টাকা নেয়ার পর ওই ব্যক্তি ভবিষ্যতে নিজের চেহারা আর গলার আওয়াজ ব্যবহারের জন্য কোনো রকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারবে না।

পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে প্রোমোবট একটি আবেদনপত্র তৈরি করেছে। যেখানে বলা আছে, ২৫ বছর বয়সের ওপর যে কোনো লিঙ্গের মানুষ নিজেদের গলার আওয়াজ আর চেহারা বিক্রির জন্য আবেদন করতে পারবে।

২ লাখ ডলারে চেহারা ও কণ্ঠ বিক্রি করার সুযোগ

সম্প্রতি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কোম্পানিটির প্রতিনিধিরা বলেন, ‘আমাদের কোম্পানি বিভিন্ন রোবটিক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। এই প্রজেক্টে তৈরি রোবটগুলোর বিভিন্ন অসাধারণ ক্ষমতার মধ্যে অন্যতম হলো- নিজস্ব ক্ষমতায় চলাচল ও স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারার পাশাপাশি উচ্চ ফেশিয়াল রিকগনিশন এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স।’

সেখানে আরও জানানো হয়- ‘২০১৯ সাল থেকেই আমরা নিয়মিত মানুষের মতো ক্ষমতাসম্পন্ন রোবট বাজারজাত করে আসছি। আমাদের নতুন ক্লায়েন্টরা আরও বড় বড় প্রজেক্ট চাচ্ছে। তবে সে জন্য যাতে কোনো রকম আইনি বিড়ম্বনার মুখোমুখি না পড়তে হয়, সেদিকে তাদের বিশেষ নজর। ফলে ব্যবসায়ের স্বার্থে বর্তমানে আমাদের লিগ্যাল লাইসেন্স দরকার।’

মজার ব্যাপার হলো, প্রোমোবটকে ইতিমধ্যে একবার আইনি বিড়ম্বনার মুখোমুখি হতে হয়েছে। আর সেটি তৈরি করেছিলেন টার্মিনেটরখ্যাত বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার। অনুমতি ছাড়াই তার গলার আওয়াজ ব্যবহার করায় তিনি কোম্পানিটির বিরুদ্ধে ১০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের ক্ষতিপূরণ মামলা করেন। তাই তারা মনে করছে, এ রকম ঝামেলায় পড়ার চাইতে এর থেকে অল্প টাকা খরচ করে স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবসা করাই ভালো।

কোনো চেহারা প্রোমোবট এবং এর ক্লায়েন্টদের দ্বারা নির্বাচিত হওয়ার পর তারা ওই ব্যক্তির চেহারার একটি থ্রিডি মডেল তৈরি করে নেয়, যা পরবর্তী সময়ে রোবটের এক্সটার্নাল ফিচারগুলোয় ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে গলার আওয়াজের জন্য প্রতিটি ব্যক্তিকে কমপক্ষে ১০০ ঘণ্টা ব্যয় করতে হয় আওয়াজের বিভিন্ন পরীক্ষা-নীরিক্ষার জন্য; যা দিয়ে পরে রোবটের গলায় আওয়াজ দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, অনেকের মতেই আজীবনের জন্য নিজের চেহারা আর গলার আওয়াজের স্বত্ব বিক্রি করে দেয়া একটি ভীতিকর ব্যাপার। তবে এমন অনেকেই আছে, যারা ২ লাখ ডলারের লোভনীয় প্রস্তাবে গলার আওয়াজ ও চেহারার মতো নিজের দুটি স্বতন্ত্র পরিচয় বিক্রি করতে দুবার ভাবেনি। কেননা দেখা গেছে, ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত এত পরিমাণ আবেদন পড়েছে যে, গত সোমবার থেকে প্রোমোবটকে নতুন আবেদন গ্রহণ বন্ধ করে দিতে হয়েছে।

নিজেদের ওয়েবসাইটে কোম্পানিটি জানায়- ‘যারা স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের গলার আওয়াজ আর চেহারার স্বত্ব বিক্রি করতে চায়, তাদের কাছ থেকে আজ আমরা প্রায় ২০ হাজার আবেদন পেয়েছি। আমাদের অফিশিয়ালরা আপাতত আর আবেদন চাচ্ছেন না। ফলে এ সুযোগটি আপাতত আমাদের বন্ধ করে দিতে হয়েছে।’

শেয়ার করুন

‘শ্যাকেট’ আবার কোনটি

‘শ্যাকেট’ আবার কোনটি

এই ঠান্ডা এই গরম আবহাওয়ায় শ্যাকেট বেশ আরামদায়ক।

শীতের ঠান্ডা ও গরম মাথায় রেখেই হালের ফ্যাশনে যোগ হয়েছে নতুন পোশাক ‘শ্যাকেট’। শার্ট ও জ্যাকেটের মাঝামাঝি এক ধরনের পোশাক হলো শ্যাকেট। অর্থাৎ, না শার্ট, না জ্যাকেট, বরং এই দুই পোশাক মিলেই তৈরি হয় শ্যাকেট। বর্তমান সময়ে এ পোশাক ফ্যাশন অনুসারীদের অন্যতম চাহিদা।

ফ্যাশনে নতুনত্ব আসাটাই স্বাভাবিক। সময়ের তালে তালে বদলে যায় পোশাকের ধরন ও নকশা। কখনও আবার পুরোনো পোশাকই ফিরে আসে নতুন রূপে। ফ্যাশনের জগতে সেটিও একটি শক্ত অবস্থান গড়ে।

দরজায় উঁকি দিচ্ছে শীতকাল। তবে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের বিভিন্ন জায়গাতেই। এখনও শীতের ভারী বা মোটা কাপড়ের পোশাক পরার সময় আসেনি, তবে হালকা শীতকেও তো উপেক্ষা করা যায় না।

এই দিকটি মাথায় রেখেই হালের ফ্যাশনে যোগ হয়েছে নতুন পোশাক ‘শ্যাকেট’। শুনে অনেকেরই মনে হতে পারে শ্যাকেট আবার কী?

শার্ট ও জ্যাকেটের মাঝামাঝি এক ধরনের পোশাক হলো শ্যাকেট। অর্থাৎ, না শার্ট, না জ্যাকেট, বরং এই দুই পোশাক মিলেই তৈরি হয় শ্যাকেট। বর্তমান সময়ে এ পোশাক আবার ফ্যাশন অনুসারীদের অন্যতম চাহিদা।

এর সুবিধাও আবার কম না। প্রকৃতিতে এখন এই ঠান্ডা, এই গরম আবহাওয়া। তাই শুধু শার্ট পরে যেমন স্বস্তি লাগে না, তেমনি আবার জ্যাকেট পরেও হতে পারে গরম লাগার চরম অস্বস্তি। এ পরিস্থিতিতে ‘শ্যাকেট’ই যে ভরসা।

চামড়াজাত লেদার, পাতলা উল ও ডেনিম ফেব্রিকের মতো উপকরণ দিয়ে তৈরি শ্যাকেট হালকা শীতে যথাযথ বলা চলে। এ ধরনের পোশাকের ওজনও বেশ হালকা।

শ্যাকেটেরও রয়েছে নানা ধরন। লং শ্যাকেট, শর্ট শ্যাকেট, বেল্ট বা ফিতা দেয়া শ্যাকেট ইত্যাদি। এগুলোর একেকটাতে থাকে আবার একেক ধরনের প্রিন্ট। কোনোটা আবার হয় এক রঙের।

শর্ট শ্যাকেট

‘শ্যাকেট’ আবার কোনটি

যেকোনো ধরনের টপস, টি শার্ট বা স্কার্টের সঙ্গে পরা যায় শর্ট শ্যাকেট। দেখতেও লাগে বেশ। তারকারাও তাদের ফ্যাশনে জুড়ে নিয়েছেন নতুন এ পোশাককে।

লং শ্যাকেট

‘শ্যাকেট’ আবার কোনটি

পাতলা টি শার্ট বা টপসের ওপর জড়িয়ে নিতে পারেন লম্বা শ্যাকেট। জিনস বা বিভিন্ন প্যান্টের সঙ্গেও বেশ মানানসই লম্বা শ্যাকেট। শীত বা গরমে বিমানবন্দরগুলোতে তারকাদের প্রায়ই দেখা যায় লং শ্যাকেটে।

বেল্ট বা ফিতা দেয়া শ্যাকেট

‘শ্যাকেট’ আবার কোনটি

শ্যাকেটে মোটা ফিতা ব্যবহার করে সহজেই যুক্ত হতে পারে হাল ফ্যাশনে। বন্ধ গলার টপ, চাপা জিনস বা কিছুটা ঢোলা ট্রাউজারের সঙ্গে ফিতা দেয়া শ্যাকেট পরা যায় রাতের অনুষ্ঠানেও। এতে ফ্যাশন আর প্রয়োজন মেটে একসঙ্গে।

শেয়ার করুন

গোঁফের স্যুট

গোঁফের স্যুট

সমালোচকরা ব্যাপারটি ভালোভাবে নেননি। অনেকেই স্যুটটিকে ‘জঘন্য’ বলেছেন। কেউ কেউ বলেছেন, গোঁফের চুল দিয়ে বানানো স্যুট তারা পরবেন না।

অস্ট্রেলিয়ার ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট পামেলা ক্লিম্যান পাস্যি গোঁফের চুল দিয়ে ব্যতিক্রমধর্মী একটি স্যুট বানিয়েছেন। মো-হেয়ার নামের এই স্যুটটি তৈরিতে সাহায্য করেছে পুরুষদের পোষাক তৈরির ব্রান্ড পলিটিক্স। অডিটি সেন্ট্রালের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে পুরো বিষয়টি।

পৃথিবীর অনেক দেশেই নভেম্বর মাসে ‘মভেম্বর’ নামে একটি সচেতনতামূলক আন্দোলন চলে। এ সময় পুরুষদের কঠিন রোগ, বিশেষ করে প্রস্টেট ও অন্ডকোষের ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির জন্য কাজ করা হয়। মো-হেয়ার নামের স্যুটটিও একই আন্দোলনকে সমর্থন দেবার জন্য তৈরি করেছে ফ্যাশন ব্রান্ড পলিটিক্স।

ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট পামেলা ক্লিম্যান পাস্যি বাস করেন অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে। স্যুট বানানোর জন্য গোঁফের চুলগুলো তিনি সংগ্রহ করেছেন সেলুন থেকে।

গোঁফের স্যুট

তিনি বলেন, ‘২০১৬ সালে আমার স্বামী প্রস্টেট এবং কোলোরেক্টাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। সে কারণে যখন আমি পুরুষদের ক্যান্সার সচেতনতার জন্য এই উদ্যোগটির কথা জানতে পারি, তখন আর না করিনি। দ্রুতই কাজটিকে সফল করার দিকে এগিয়ে গেছি।’

স্যুটটি বানানোর জন্য প্রথমে পর্যাপ্ত গোঁফের চুল সংগ্রহ করা হয়। তারপর সেটা দিয়ে বানানো হয় কাপড়। এটা করতে গিয়ে সাধারণ কাপড়ও ব্যবহার করতে হয়েছে।

কাপড় বানানো শেষে পলিটিক্স ব্রান্ডের ডিজাইন ম্যানেজার পল বার্ডেন সেটিকে স্যুটের আকারে কেটে দেন। এটি পড়লে যেন শরীরে না চুলকায় সেজন্য ভেতরের দিকটা কাপড় দিয়ে সেলাই করে দেয়া হয়।

গোঁফের স্যুট

তবে সমস্যা হচ্ছে, সমালোচকরা ব্যাপারটি ভালোভাবে নেননি। অনেকেই স্যুটটিকে ‘জঘন্য’ বলেছেন। কেউ কেউ বলেছেন, গোঁফের চুল দিয়ে বানানো স্যুট তারা পরবেন না।

অবশ্য পলিটিক্স জানিয়েছে, এটা ১ কপিই বানানো হয়েছে এবং এটা বিক্রির জন্য নয়। তাই আপাতত কেউ চাইলেও গোঁফের চুলের স্যুট গায়ে চাপাতে পারবেন না।

শেয়ার করুন

কাপড় নয়, ডিজিটাল পোশাকই কি ভবিষ্যৎ?

কাপড় নয়, ডিজিটাল পোশাকই কি ভবিষ্যৎ?

ডিজিটাল পোশাক দেখতে আসল জামা-কাপড়ের মতোই। ছবি: ড্রেসএক্স

সুতা কিংবা কাপড়ের পরিবর্তে পিক্সেল ও প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে তৈরি হয় ডিজিটাল ক্লথ বা ডিজিটাল পোশাক। বাস্তবের শার্ট, প্যান্ট, টপস, টুপি, জুতাসহ সব ধরনের পরিধেয় বানানো যায় এ প্ল্যাটফর্মে। গ্রাহকরা অগমেন্টেড রিয়েলিটি (এআর) কিংবা রূপ পরিবর্তিত ছবির মাধ্যমে এ পোশাক পরে থাকেন।

বর্ণিল পোশাকে ভবন বা স্থাপনের সামনে দাঁড়িয়ে বা বসে আছেন বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ। দেখে মনে হতে পারে কোনো ব্র্যান্ডের মডেল তারা, কিন্তু আদতে তা নয়। তাদের সবার গায়ে ডিজিটাল পোশাক।

এটি এমন এক পোশাক যাকে ধরা বা ছোঁয়া যায় না। দেখতে হুবহু বাস্তবের জামা-কাপড়ের মতো। এর মাধ্যমে কল্পনার রঙে মনকে রাঙানো যায়; কল্পিত সাজে নিজেকে সাজানো যায়।

ভাইস নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সুতা কিংবা কাপড়ের পরিবর্তে পিক্সেল ও প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে তৈরি হয় ডিজিটাল ক্লথ বা ডিজিটাল পোশাক। বাস্তবের শার্ট, প্যান্ট, টপস, টুপি, জুতাসহ সব ধরনের পরিধেয় বানানো যায় এ প্ল্যাটফর্মে। গ্রাহকরা অগমেন্টেড রিয়েলিটি (এআর) কিংবা রূপ পরিবর্তিত ছবির মাধ্যমে এ পোশাক পরে থাকেন।

গত কয়েক বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্মগুলোর মাধ্যমে লোকজন গায়ে চড়াচ্ছেন ডিজিটাল পোশাক। ধারণা করা হচ্ছে, বিলিয়ন ডলারের শিল্প হতে যাচ্ছে এই গেমিং স্কিন মার্কেট (যেখান থেকে ফোর্টনাইটের মতো গেমের খেলোয়াড়রা কোনো চরিত্রের আদলে নিজেদের পোশাক বা অবয়ব কেনেন)।

এতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে মেটাভার্স (ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট, এআর চশমা, স্মার্টফোন, ব্যক্তিগত কম্পিউটারের মতো ডিভাইস দিয়ে কল্পিত থ্রিডি ভার্চুয়াল পরিবেশ) নিয়ে ফেসবুকের পরিকল্পনার সাম্প্রতিক ঘোষণা।

কিছুটা অদ্ভুত ও দূরের বিষয় মনে হলেও বর্তমানে ডিজিটালের সঙ্গে বাস্তব মিলেমিশে এক হয়ে যাচ্ছে। আর এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাস্তবের মতো অনুভূতি দেয়া অনেক ধরনের ডিজিটাল পোশাক বানাতে মনোযোগী হচ্ছেন ডিজাইনাররা। ফলে আগের চেয়ে বেশি বাস্তব হয়ে উঠছে ডিজিটাল ফ্যাশন।

কাপড় নয়, ডিজিটাল পোশাকই কি ভবিষ্যৎ?

ডিজিটাল পোশাক কেনায় আগ্রহ কেন

যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোভিত্তিক ২২ বছর বয়সী প্রোডাক্ট ম্যানেজার দানুশ শেঠি বলেন, শুরুতে ডিজিটাল পোশাক কেনার বিষয়টি অদ্ভুতুড়ে মনে হতে পারে, তবে এটি পরা সহজ; দামও কম। এ ছাড়া বাস্তবে জামা-কাপড় পরার ক্ষেত্রে সমাজ আরোপিত যে নীতি-নৈতিকতার বিষয় আছে, এ পোশাকে তা নেই।

তিনি বলেন, সাধারণত কোনো জামা কিনতে গেলে সেটি শরীরের সঙ্গে খাপ খাবে কি না, ছবিতে কেমন দেখাবে বা এ ধরনের পোশাক কেনা কতটা নৈতিক হবে, এমন অনেক দিক নিয়ে ভাবতে হয়। তবে ডিজিটাল পোশাকের ক্ষেত্রে এ ধরনের সমস্যা নেই।

কাপড় নয়, ডিজিটাল পোশাকই কি ভবিষ্যৎ?

দানুশ জানান, তিনি প্রথম কিছু ডিজিটাল পরিধেয় কিনেছেন ড্রেসএক্স নামের কোম্পানি থেকে। গত বছরের আগস্টে যাত্রা শুরু করা এই কোম্পানি নিজস্ব ডিজাইনের পাশাপাশি অন্যদের তৈরি ডিজিটাল পোশাকও বিক্রি করছে।

এআরের মাধ্যমে ড্রেসএক্সের গ্রাহকরা ডিজিটাল পোশাক পরতে পারেন। এ ধরনের পোশাক কিনতে চাইলে গ্রাহক শুরুতে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট বা অ্যাপে গিয়ে নিজেদের ছবি আপলোড করেন। এরপর ডিজিটাল পোশাক পরিয়ে দেহের মাপ মতো এডিট করে সে ছবি এক থেকে দুই দিনের মধ্যে গ্রাহকের কাছে পাঠানো হয়। ডিজিটাল পোশাকের ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দেয়ার উপযোগী করা থাকে।

ড্রেসএক্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা নাটালিয়া মডেনোভা বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য প্রত্যেককে তাদের ডিজিটাল পোশাক সম্ভার দেয়া।’

নাটালিয়া ও ডারিয়া শাপোভালোভা যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসভিত্তিক উদ্যোক্তা। এর আগে তারা প্রচলিত পোশাক শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

কাপড় নয়, ডিজিটাল পোশাকই কি ভবিষ্যৎ?

জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের অধীন ইউনাইটেড নেশনস ইকোনোমিক কমিশন ফর ইউরোপের মতে, পোশাক শিল্প পরিবেশগত ও সামাজিক জরুরি অবস্থায় আছে।

কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, বৈশ্বিক বর্জ্যপূর্ণ পানির ২০ শতাংশ আসে পোশাক শিল্প থেকে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক কার্বন নির্গমনের ১০ শতাংশও হয় এ শিল্পের মাধ্যমে।

সমুদ্রে প্লাস্টিক বর্জ্যের অন্যতম জোগানদাতা মনে করা হয় বস্ত্র শিল্পকে। জনপ্রিয় পোশাক তৈরির কারখানাগুলোতে বাজে কর্মপরিবেশ নিয়েও আছে নানা সমালোচনা।

ডিজিটাল পোশাকে সে ধরনের ঝামেলা থাকবে কি না, তা জানতে চাওয়া হয় মোডেনোভা ও শাপোভালোভার কাছে। তারা দাবি করেন, ডিজিটাল ফ্যাশনের মাধ্যমে বস্ত্র বা পোশাক শিল্পের অনেক সংকটের সমাধান সম্ভব।

কাপড় নয়, ডিজিটাল পোশাকই কি ভবিষ্যৎ?

এ দুই উদ্যোক্তা জানান, ডিজিটাল জগতে লোকজন চাইলেই পছন্দের কোনো পোশাক পরতে পারবে, কিন্তু সে পোশাকগুলো বাস্তবে তৈরি করতে হবে না।

শাপোভালোভা মনে করছেন, ভবিষ্যতে প্রত্যেকেরই ডিজিটাল পরিধেয় থাকবে, যা তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, স্থির ছবি, ভিডিও কলের সময়, অনলাইন কনফারেন্স কিংবা গেমিং ও অন্য মাল্টিভার্সে পরতে পারবে।

তার মতে, ডিজিটাল পোশাকের আরেকটি উপকারিতা হলো এগুলো তৈরির উদ্যোগ নিতে বাস্তব জামা-কাপড়ের মতো খুব বেশি বিনিয়োগ লাগে না। ফলে অনেক ডিজাইনারই এ খাতে অপেক্ষাকৃত কম অর্থ খাটিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন।

শেয়ার করুন

কল্লোলের ফ্যাশন ডিজাইনে স্টাইলিশ হিজাব

কল্লোলের ফ্যাশন ডিজাইনে স্টাইলিশ হিজাব

হিজাবকে বিশ্বের সামনে ভিন্নভাবে তুলে ধরছেন ভারতীয় ডিজাইনার কল্লোল দত্ত। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে কল্লোলকে ‘উসকানিদাতা’, ‘প্রতিবন্ধী শিশু‘ থেকে শুরু করে ফ্যাশনের ‘বিদ্রোহী’ ও ‘লেডি গাগা’ হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে। তবে এসবে পাত্তা দেন না কল্লোল। নিজেকে ‘ডিজাইনারের’ চেয়ে ‘পোশাক প্রস্তুতকারী’ হিসেবে পরিচয় দিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

ভারতীয় ডিজাইনার কল্লোল দত্ত তার ফ্যাশনভাবনায় যোগ করেছেন অনন্য বৈচিত্র্য। ভারতে হিজাব বা বোরকা ঘিরে বিদ্বেষমূলক দৃষ্টিভঙ্গি চ্যালেঞ্জ করে এটিকেই কাজের ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে তিনি। কল্লোলের ডিজাইন করা পোশাকে রয়েছে ঢেউয়ের খেলা, স্তরে স্তরে ভাঁজে অনুসৃত হয়েছে হিজাবের বৈশিষ্ট্য।

মধ্যপ্রাচ্যে বড় হওয়া কল্লোল মনে করেন, ধর্মীয় কারণেই একমাত্র পর্দা করা হয় এমনটি ভাবার কারণ নেই। কারণ মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর সময়কালের আগেও আরবে পর্দাপ্রথা ছিল।

২০১৯ সালে ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, ‘কারা বিভিন্ন জায়গায় আগুন লাগাচ্ছে, তা তাদের পোশাক দেখে চিহ্নিত করা হবে।’

দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু মুসলমানদের প্রতি মোদির ওই উক্তিতে পরিষ্কার, পোশাক শুধু পোশাকই নয়, এটি রাজনীতিরও অংশ।

এ বিষয়ে কল্লোল দত্ত ভাইসকে বলেন, ‘ক্ষমতার শীর্ষে বসা ব্যক্তিরা বিশেষ কোনো সম্প্রদায়কে যখন তাদের পোশাক দিয়ে মূল্যায়ন করেন, তখন ফ্যাশন রাজনৈতিক হয়ে যায়।’

দীর্ঘদিন ধরে ভারতে কল্লোলকে ‘উসকানিদাতা’, ‘প্রতিবন্ধী শিশু‘ থেকে শুরু করে ভারতীয় ফ্যাশনের ‘বিদ্রোহী’ ও ‘লেডি গাগা’ হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।

তবে এসবে পাত্তা দেন না কল্লোল। নিজেকে ‘ডিজাইনারের’ চেয়ে ‘পোশাক প্রস্তুতকারী’ হিসেবে পরিচয় দিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

আন্তর্জাতিক জামিল পুরস্কারের জন্য কল্লোলকে সম্প্রতি সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ইসলামি ঐতিহ্যের অনুপ্রেরণায় তৈরি করা সমসাময়িক আর্ট ও ডিজাইনের জন্য এ পুরস্কার দেয়া হয়ে থাকে।

লন্ডনের ভিক্টোরিয়া ও অ্যালবার্ট জাদুঘরে চলছে কল্লোলের ডিজাইন করা পোশাকের প্রদর্শন, সেখানে পুরুষ এক মডেলকেও হিজাব পরতে দেখা গেছে।

তবে ভারতের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত ফ্যাশন শোর বিষয়ে দেশটির সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের কোনো আগ্রহ নেই। কল্লোল বলেন, ‘আমি সাধারণত ইসলামি ঘরানার পোশাক বেশি পরি। বন্ধুরা সতর্ক করে বলে, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আমাকে একবার নয়, দুবার পরীক্ষা করবে। আসলেই তা হয়।’

কল্লোলের ফ্যাশন ডিজাইনে স্টাইলিশ হিজাব

কল্লোল মনে করছেন, ভারতে পোশাক ডিজাইনে ‘জাতীয়তাবাদ’ ভয়ানক ও উদ্বেগজনক।

তিনি বলেন, ‘প্রায় দুই হাজার বছর আগে মধ্য অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যেও পর্দাপ্রথা ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।

‘অ্যাসিরীয় আইনের ৪০ অনুচ্ছেদে কে পর্দা করবে আর কে করবে না, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিবাহিত নারী, বিধবা ও অ্যাসিরীয় নারীরা রাস্তায় বের হলে তাদের মাথা অবশ্যই অনাবৃত রাখা যাবে না বলে ওই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।’

কল্লোলের ফ্যাশন ডিজাইনে স্টাইলিশ হিজাব

পর্দাপ্রথার সঙ্গে একমাত্র ইসলামকে যুক্ত করার মানসিকতাকে তাই ‘অজ্ঞতা’ হিসেবে দেখেন কল্লোল।

তিনি বলেন, ‘অনেক ভারতীয়ই জানেন না, ১৯২৪ সাল পর্যন্ত ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে বসবাসরত নিম্নবর্ণ ও অস্পৃশ্য হিন্দু নারীরা প্রকাশ্যে বুক ঢাকতে চাইলে তাদের স্তন-কর দিতে হতো।

‘এমনকি সাম্প্রতিক সময়েও কোরিয়া ও জাপানে ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে পর্দাপ্রথার চল রয়েছে।

‘মুসলিম নারীরাও বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক পরেন। তাদের সবার পোশাক এক নয়, এতে বৈচিত্র্য রয়েছে।‘

শেয়ার করুন

নিজে কাঁদা আর প্রিয়াকে কাঁদানোর দিন আজ

নিজে কাঁদা আর প্রিয়াকে কাঁদানোর দিন আজ

প্রতীকী ছবি

জীবনের প্রথম প্রেমে সফল হওয়ার নিদর্শন একেবারেই হাতেগোনা। এই প্রেমে প্রাপ্তির চেয়ে বিরহ বেশি, যার রেশ থাকে আজীবন। আজ প্রথম সেই প্রেমকে উদযাপন করার দিন। 

জীবনে প্রেম আসেনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। সে প্রেম যে কেবল একবারই আসে, তা নয়।

প্রেম জীবনে আসতে পারে অনেকবার, অনেক রূপে। তবে প্রথম প্রেমের অনুভূতির সঙ্গে অন্যগুলোর তুলনা হয় না।

জীবনের প্রথম প্রেমে সফল হওয়ার নিদর্শন অবশ্য একেবারেই হাতেগোনা। তাই প্রথম প্রেমে প্রাপ্তির চেয়ে বিরহ বেশি, যার রেশ থাকে আজীবন।

প্রণব রায়ের লেখা, আর জগন্ময় মিত্রের কণ্ঠে ‘তুমি আজ কত দূরে’ গানে রয়েছে সেই ‘বিরহ-মধুর’ প্রথম প্রেমের মন ছুঁয়ে যাওয়া কথা-

প্রথম প্রেমের এই রীতি হায়

নিজে কাঁদে আর প্রিয়েরে কাঁদায়

দূরে যেতে তাই মন নাহি চায়গো, কাছে কাছে মরে ঘুরে

তুমি আজ কত দূরে?

আজীবন আবেশ ছড়িয়ে রাখা সেই প্রথম প্রেম উদযাপনের দিন আজ।

‘প্রথম প্রেম দিবস’ কীভাবে শুরু হলো তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায় না। বলা হয়ে থাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকেই শুরু হয় এ দিন উদযাপন।

২০১৫ সাল থেকে প্রতি বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালন হচ্ছে দিনটি।

প্রথম প্রেম নিয়ে গান-কবিতা কম লেখা হয়নি। অঞ্জন দত্তের রঞ্জনা কিংবা নচিকেতার নীলাঞ্জনার মতো প্রত্যেকের জীবনেই ছাপ রেখেছে প্রথম প্রেম। শুরুর প্রেম এ কারণে গুরুত্বপূর্ণ যে, এটিই প্রথম মানুষের মনে বিপরীত লিঙ্গের কারও প্রতি ভালোলাগার অনুভূতির দোলা ছড়িয়ে দেয়।

প্রথম প্রেমের স্মৃতি-বিস্মৃতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সক্রিয় হয়েছেন অনেকেই। নানা শুভেচ্ছাবার্তার পাশাপাশি প্রথম প্রেমের স্মৃতিচারণও করতে দেখা গেছে তাদের।

ওয়াহিদ হাসান নামের একজন নিজের ফেসবুক ওয়ালে লিখেন, ‘আজ নাকি প্রথম প্রেম দিবস। আমার প্রথম যে কী ছিল, নিজেই কনফিউজড।’

সোনিয়া আলিম নুর নামে একজন লিখেন, ‘উন্মাদনায় মেতে প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয়বার প্রেম হয়, তবে শেষ প্রেমই জীবনের সব মানে বুঝিয়ে দিয়ে যায়।

‘এরপর আর উন্মাদনায় মাতামাতি হয় না। জীবনের প্রতি ক্ষণে, হৃদয় মন শরীর নিজের ভালো থাকা নিয়ে ভাবে।’

লিমন কবির লিখেন, ‘প্রথম প্রেমের স্মৃতি, ক্যামন করে ভুলি।’

ওমর ফারুক নামের একজন লিখেন, ‘প্রথম প্রেমিকার এখন দুই ছেলে, এক মেয়ে। সুখী সংসার।’

মেহবুবা আফসানা নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেন, ‘প্রথম প্রেম বলতে কিছু নাই। মানুষ যখনই প্রেমে পড়ে, ওইটাই তখন প্রথম প্রেম।’

কামরুল হাসান নামের একজন লিখেন, ‘প্রথম প্রেমে পড়ছিলাম ক্লাস টুতে। তাকে সে কথা বলার মতো সাহস তখন ছিল না।

‘কয়েক বছর পর যখন ক্লাস ফাইভে পড়ি, আশ্চর্যজনকভাবে তার বিয়ে হয়ে গেল।’

শেয়ার করুন