সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রল বন্ধে কঠোর আইনের পথে অস্ট্রেলিয়া

player
সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রল বন্ধে কঠোর আইনের পথে অস্ট্রেলিয়া

প্রতীকী ছবি

নতুন আইনে মানহানিকর কোনো পোস্ট সরিয়ে নেয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে অনুরোধ করা যাবে। তারা তা না সরালে পোস্টকারী ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করতে হবে এবং সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও করা যাবে।

অনলাইনে বেনামে ট্রল ও মানহানিকর পোস্ট দেয়া ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে বাধ্য করতে নতুন আইন করছে অস্ট্রেলিয়া।

এক বিবৃতিতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন জানিয়েছেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো প্রায়ই কাপুরুষদের প্রাসাদে রূপ নেয়, যেখানে নাম প্রকাশ না করে, কোনো পরিণাম ভোগ না করে অন্যকে হুমকি, হয়রানি এমনকি ধ্বংসও করে দেয়া যায়।’

নতুন আইনে মানহানিকর কোনো পোস্ট সরিয়ে নেয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে অনুরোধ করা যাবে। তারা তা না সরালে পোস্টকারী ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করতে হবে এবং সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও করা যাবে।

মরিসন বলেছেন, ‘নতুন আইনে সোশ্যাল মিডিয়াকে প্রকাশক ধরে নিয়ে সেই প্রকাশনার দায়িত্ব তাদের নেয়ার কথা বলা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলছেন, ‘এই জায়গাটি তারা (সোশ্যাল মিডিয়া) তৈরি করেছে। এটিকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব তাদেরই নিতে হবে। তারা তা না নিলে আমরাই সে দায়িত্ব নেব।’

আইনটি এখনও পাস হয়নি। এখনও প্রস্তাব আকারে রয়েছে। পাশ করার আগে এটি জনগণের মতের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
সোশ্যাল মিডিয়ার হতাশা কাটানোর উপায়
ফেসবুক-গুগলকে ডেকেছে ভারতের পার্লামেন্ট
পিপিই পরে ঘেমে একাকার, ছবি ভাইরাল চিকিৎসকের
মুখে মাস্কের ছবি এঁকে ধোঁকা: ফাঁসলেন রুশ তরুণী
সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়তায় ফের সেরা রবি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

প্রেমিকার মাকে কিডনি দিয়েও টিকল না সম্পর্ক

প্রেমিকার মাকে কিডনি দিয়েও টিকল না সম্পর্ক

উজেইল মার্টিনেজ। ছবি: সংগৃহীত

টিকটকে কয়েকটি ভিডিও আপলোড করে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন মার্টিনেজ। বলেন, ‘সম্পর্কে আমার মতো ভুল যেন কেউ না করেন। মানুষের দুইটা কিডনি থাকে, আমার এখন একটা। বিষয়টা সব সময় অনুভব করি।’

প্রচণ্ড ভালোবাসতেন প্রেমিকাকে। তার কষ্ট মেনে নিতে পারতেন না মেক্সিকোর বাজা ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা উজেইল মার্টিনেজ। আবেগি মার্টিনেজ একদিন জানতে পারেন প্রেমিকার মা ভুগছেন কিডনি জটিলতায়।

সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করেননি পেশায় শিক্ষক মার্টিনেজ। নিজের একটি কিডনি দান করেন প্রেমিকার মাকে। জীবন ফিরে পান ওই নারী।

কিন্তু এত সব করেও প্রেমিকার মন ধরে রাখতে পারেননি তিনি। কিডনি দানের এক মাসের মধ্যে ব্রেকআপ হয়ে যায় তাদের।

মার্টিনেজের দাবি, সিদ্ধান্তটা তিনি নন, নিয়েছিলেন তার প্রেমিকা। এর কিছুদিনের মধ্যে আরেক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন মার্টিনেজের সাবেক প্রেমিকা।

দ্য ফ্রি প্রেস জার্নালের খবরে বলা হয়েছে, টিকটকে কয়েকটি ভিডিও আপলোড করে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন মার্টিনেজ।

তিনি বলেন, 'সম্পর্কে আমার মতো ভুল যেন কেউ না করেন। মানুষের দুইটা কিডনি থাকে, আমার এখন একটা। বিষয়টা সব সময় অনুভব করি।’

মার্টিনেজের ভিডিওগুলো ভাইরাল হয়েছে। এরই মধ্যে দেখা হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখের বেশি। সেখানে সহমর্মিতা জানিয়েছেন অনেকেই। পরামর্শ দিয়েছেন, উপযুক্ত কাউকে বেছে নিয়ে জীবনকে এগিয়ে নিতে।

মেক্সিকোর স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতেও ফলাও করে ছাপা হয়েছে মার্টিনেজের গল্প।

আরও পড়ুন:
সোশ্যাল মিডিয়ার হতাশা কাটানোর উপায়
ফেসবুক-গুগলকে ডেকেছে ভারতের পার্লামেন্ট
পিপিই পরে ঘেমে একাকার, ছবি ভাইরাল চিকিৎসকের
মুখে মাস্কের ছবি এঁকে ধোঁকা: ফাঁসলেন রুশ তরুণী
সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়তায় ফের সেরা রবি

শেয়ার করুন

ফেসবুকে তসলিমা ‘মৃত’, টুইটারে ক্ষোভ

ফেসবুকে তসলিমা ‘মৃত’, টুইটারে ক্ষোভ

মঙ্গলবার তসলিমার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে রিমেমবারিং দেখাচ্ছে।

ফেসবুকে একটি অপশন রয়েছে যার মাধ্যমে অ্যাকাউন্টের মালিক একজনকে দায়িত্ব দিয়ে যেতে পারবেন, যাতে তিনি মারা গেলে সেটা ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে জানানো যায়। আর তার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েই ফেসবুক ‘রিমেমবারিং’ অপশনটি চালু করে দেয়। যাতে ফ্রেন্ডলিস্ট ও ফলোয়ারে থাকা সবাই তার মৃত্যু সম্পর্কে জানতে পারে।

আলোচিত লেখক তসলিমা নাসরিনের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট জানাচ্ছে তিনি মারা গেছেন। তার আইডিতে ‘রিমেম্বারিং’ লিখে দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি। কারও মৃত্যু হলে এই ব্যবস্থা নেয় তারা।

বিষয়টি সামাজিকমাধ্যমে ঝড় তোলার মধ্যেই তসলিমা সামাজিক যোগাযোগের আরেক মাধ্যম টুইটারে বক্তব্য দিয়ে তসলিমা জানান, তিনি বেঁচে আছেন বেশ ভালোভাবেই।

মঙ্গলবার তসলিমা নাসরিনের অফিশিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্টের টাইমলাইনে যেতে দেখা যায়, রিমেমবারিং দেখাচ্ছে। এর অর্থ হলো, ওই অ্যাকাউন্টের মালিক মারা গেছেন।

ফেসবুকে একটি অপশন রয়েছে যার মাধ্যমে অ্যাকাউন্টের মালিক একজনকে দায়িত্ব দিয়ে যেতে পারবেন, যাতে তিনি মারা গেলে সেটা ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে জানানো যায়। আর তার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েই ফেসবুক ‘রিমেমবারিং’ অপশনটি চালু করে দেয়। যাতে ফ্রেন্ডলিস্ট ও ফলোয়ারে থাকা সবাই তার মৃত্যু সম্পর্কে জানতে পারে।

তবে তার অফিশিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে গিয়ে অবশ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে, তিনি বেঁচে আছেন। বরং ফেসবুককাণ্ডে ক্ষোভ ঝেরেছেন।

বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টার দিকে একটি টুইটে তিনি লিখেন, ‘@Meta @fbsecurity @facebookapp @MetaNewsroom @Facebook আমি বেঁচে বর্তে আছি। কিন্তু তুমি আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্টকে স্মরণীয় করে ফেলেছ। কী এক বিষাদময় খবর! কীভাবে তুমি এটা করতে পারলে? দয়া করে, আমার অ্যাকাউন্ট আমাকে ফিরিয়ে দাও।’

ফেসবুকে তসলিমা ‘মৃত’, টুইটারে ক্ষোভ
ফেসবুকের সমালোচনা করে তসলিমার টুইট

এর এক ঘণ্টা আগে ফেসবুকের এমন আচরণের প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে আরও একটি টুইট করেন তসলিমা। সেখানে তিনি লেখেন, ‘#ফেসবুক আমাকে হত্যা করেছে। আমি জীবিত। এমনকি আমি অসুস্থও না, শয্যাশায়ীও না, হাসপাতালেও ভর্তি হইনি। কিন্তু আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট মেমোরিয়ালাইজড করে ফেলেছে ফেসবুক।’

নারী অধিকার ও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য ও বই লিখে আলোচিত তসলিমা নিজের দেশ থেকে বহু দূরে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে সামাজিকমাধ্যমের সুবাদে তার নানা বক্তব্য ও অবস্থান গোপন থাকছে না মোটেও।

তসলিমার বিষয়ে তার বিরোধীরাও তুমুল আগ্রহ বোধ করেন। তিনি কোনো বক্তব্য দিলেই সেটি নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়।

আগের দিন রাতে তসলিমা এক স্ট্যাটাসে তার মৃত্যু নিয়ে কথা বলেছিলেন। জানিয়ে রাখেন, মৃত্যুর পর তার দেহ ব্যবহার হবে বৈজ্ঞানিক গবেষণায়।

মৃত্যু নিয়ে আগের দিনের স্ট্যাটাস

তসলিমার আইডি রিমেমবারিংয়ে দেয়ার পর তার মৃত্যুর গুঞ্জন আরও ছড়িয়ে যাওয়ার কারণ আগের দিন ফেসবুকে তার দেয়া একটি স্ট্যাটাস।

সেদিন তিনি লেখেন, ‘আমি চাই আমার মৃত্যুর খবর প্রচার হোক চারদিকে। প্রচার হোক যে আমি আমার মরণোত্তর দেহ দান করেছি হাসপাতালে, বিজ্ঞান গবেষণার কাজে। কিছু অঙ্গ প্রতিস্থাপনে কারও জীবন বাঁচুক। কারও চোখ আলো পাক। প্রচার হোক, কিছু মানুষও যেন প্রেরণা পায় মরণোত্তর দেহ দানে।

‘অনেকে কবর হোক চান, পুড়ে যাক চান, কেউ কেউ চান তাঁদের শরীর পোড়া ছাই প্রিয় কোনো জায়গায় যেন ছড়িয়ে দেয়া হয়। কেউ কেউ আশা করেন, তাদের দেহ মমি করে রাখা হোক। কেউ আবার বরফে ডুবিয়ে রাখতে চান, যদি ভবিষ্যতে প্রাণ দেওয়ার পদ্ধতি আবিষ্কার হয়!’

ফেসবুকে তসলিমা ‘মৃত’, টুইটারে ক্ষোভ
আগের দিন তসলিমা তার সম্ভাব্য মৃত্যু নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন

তসলিমা জানান, অসুখ-বিসুখে তিনি আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের ওপর নির্ভর করেন এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত করবেন।

তিনি লেখেন, ‘কোনো প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতিতে তার বিন্দুমাত্র বিশ্বাস নেই। ঠিক যেমন বিশ্বাস নেই কোনো কুসংস্কারে।’

জীবনের একটি মুহূর্তের মূল্যও তসলিমার কাছে অনেক জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘তাই কোনো মুহূর্তই হেলায় হারাতে চাই না।’

পরকাল বলে কিছু নেই উল্লেখ করেন তসলিমা। বলেন, ‘মরার পর আমরা কিন্তু কোথাও যাই না। পুনর্জন্ম বলে কিছু নেই। মৃত্যুতেই জীবনের সমাপ্তি। আমার জীবন আমি সারা জীবন অর্থপূর্ণ করতে চেয়েছি। মৃত্যুটাও চাই অর্থপূর্ণ হোক।’

আরও পড়ুন:
সোশ্যাল মিডিয়ার হতাশা কাটানোর উপায়
ফেসবুক-গুগলকে ডেকেছে ভারতের পার্লামেন্ট
পিপিই পরে ঘেমে একাকার, ছবি ভাইরাল চিকিৎসকের
মুখে মাস্কের ছবি এঁকে ধোঁকা: ফাঁসলেন রুশ তরুণী
সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়তায় ফের সেরা রবি

শেয়ার করুন

আইসক্রিম খেলা এখন ঢাকায়

আইসক্রিম খেলা এখন ঢাকায়

বনানীর এই আইসক্রিম পার্লার ইতোমধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

টার্কুইশ বাংলাদেশের চিফ অপারেটিং অফিসার আশিক কায়সার নিউজবাংলাকে বলেন, আমরা শুধু আইসক্রিম বিক্রি করি না, আমরা চাই ক্রেতার মুখে হাসি ফুটুক। তাই বিক্রির আগে একটু খেলা করি।’

দোকানে গিয়ে আইসক্রিম চেয়েছেন ক্রেতা। বিক্রেতাও হাসিমুখে এগিয়ে দিয়েছেন আইসক্রিম। কিন্তু নানা বাহানা আর চালাকিতে ক্রেতাকে ধরতে দিচ্ছেন না সেই আইসক্রিম।

আইসক্রিম নিয়ে এই খেলার উদ্ভাবন তুরস্কে। সেখানকার আইসক্রিম বিক্রেতা ও ক্রেতাদের প্রথম এমন খেলায় দেখা যায়। জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর এটি এখন বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে।

ইউটিউব-ফেসবুকে এমন ভিডিও এখন ব্যাপকভাবে আলোচনায়। জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতায় সেই আইসক্রিম খেলা এখন ঢাকায়। রাজধানীর বনানীতে চালু হয়েছে টার্কুইশ আইসক্রিম পার্লার। সেখানে তুরস্কের ট্র্যাডিশনাল আইসক্রিমের সঙ্গে ক্রেতারা উপভোগ করতে পারছেন খেলাও।

পার্লারে সরবরাহ করা আইসক্রিমের ধরনও স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক আইসক্রিমের চেয়ে আলাদা বলে জানালেন টার্কুইশ বাংলাদেশের চিফ অপারেটিং অফিসার আশিক কায়সার।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে যে আইসক্রিম দিচ্ছি সেটাতে কোনো পাউডার ও কেমিক্যাল নেই। তুরস্কের তিনজন নাগরিক আমাদের এখানে কাজ করেন। তারাই মূলত আইসক্রিম বানানো এবং বিক্রির কাজটা করেন।

আইসক্রিম খেলা এখন ঢাকায়
টার্কুইশ বাংলাদেশের চিফ অপারেটিং অফিসার আশিক কায়সার। ছবি: নিউজবাংলা

‘তাদের মধ্যে শাহিন অজতুর্ক আইসক্রিম বানানো ও বিক্রির মাস্টার। তিনি বেশ পরিচিত এই অঙ্গনে। শাহিন হলিউডের সিনেমায় অভিনয়ও করেছেন। তার সহযোগী অনুর বায়েজিত ও আলী রিজা।’

আশিক আরো বলেন, ‘আমরা এখানে শুধু আইসক্রিম বিক্রি করি না। একইসঙ্গে আমাদের চাওয়া- ক্রেতার মুখে হাসি ফুটুক। তাই আমরা আইসক্রিম বিক্রির আগে একটু খেলা করি। এই আইসক্রিম শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়।’

আইসক্রিম পার্লারটি চালু হয়েছে ১ জানুয়ারি। বিভিন্ন বয়সের ক্রেতারা এখানে আসছেন এবং আইসক্রিম কেনার ফাঁকে একটু খেলায়ও অংশ নিচ্ছেন। আর সঙ্গে কেউ থাকলে খেলার অংশটি ভিডিও করে নিচ্ছেন মোবাইল সেটে।

আরও পড়ুন:
সোশ্যাল মিডিয়ার হতাশা কাটানোর উপায়
ফেসবুক-গুগলকে ডেকেছে ভারতের পার্লামেন্ট
পিপিই পরে ঘেমে একাকার, ছবি ভাইরাল চিকিৎসকের
মুখে মাস্কের ছবি এঁকে ধোঁকা: ফাঁসলেন রুশ তরুণী
সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়তায় ফের সেরা রবি

শেয়ার করুন

আমার আইন, আমার অধিকার: অর্থনৈতিক উন্নয়নে কর্পোরেট আইন

আমার আইন, আমার অধিকার: অর্থনৈতিক উন্নয়নে কর্পোরেট আইন

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

সব ধরনের আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিতে নিউজবাংলার নিয়মিত আয়োজন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবারের বিষয়: ‘অর্থনৈতিক উন্নয়নে কর্পোরেট আইন’। প্রচারিত হবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

রাবিয়া ফিরোজের সঞ্চালনায় শনিবার এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার হবে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

আলোচনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার মিতি সানজানা ও আইনজীবী ওমর এইচ খান। অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করা হবে শাহ্‌ সিমেন্টের সৌজন্যে।

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, আইন জানা নাগরিকের জন্য একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী- এই শব্দগুলো নিয়ে একধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, নাগরিকের আইনি অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি সহজভাবে জানাতে কাজ করবে ‘আমার আইন, আমার অধিকার’। দেয়া হবে পরামর্শ। প্রয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরাসরি আইনি সহায়তাও দেয়া হবে।

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

অনুষ্ঠান চলাকালে ফোন করুন ০২৫৫০৫৫২৮৯ নম্বরে। এ ছাড়া সমস্যা জানাতে ০১৯৫৮০৫৬৬৬৮ নম্বরে ফোন করুন যেকোনো সময়। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন ভিডিও করেও পাঠাতে পারেন একই নম্বরে।

নিউজবাংলার ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/nwsbn24 এবং ই-মেইল [email protected]-এ মেসেজ পাঠানোরও সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
সোশ্যাল মিডিয়ার হতাশা কাটানোর উপায়
ফেসবুক-গুগলকে ডেকেছে ভারতের পার্লামেন্ট
পিপিই পরে ঘেমে একাকার, ছবি ভাইরাল চিকিৎসকের
মুখে মাস্কের ছবি এঁকে ধোঁকা: ফাঁসলেন রুশ তরুণী
সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়তায় ফের সেরা রবি

শেয়ার করুন

‘স্বামীর অবাধ্য হয়ে ধ্বংস ডেকে আনা’ নারীটি কে?

‘স্বামীর অবাধ্য হয়ে ধ্বংস ডেকে আনা’ নারীটি কে?

এমন পোস্ট ছড়িয়েছে ফেসবুকে। ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুকে গত মাসে অনেকে পোস্ট করেছেন এই দুটি ছবি। আলোচিত নারীর নাম-পরিচয় এসব পোস্টে নেই। তবে পোস্টের ভাষ্য অনুযায়ী, এই নারী তার স্বামীর ‘অবাধ্য’ হয়ে নিজের ভয়ংকর পরিণতি ডেকে এনেছেন।

বিছানায় হাঁটু ভাঁজ করে গুটিশুটি ভঙ্গিতে শুয়ে থাকা এক নারী। পেছন দিক থেকে তোলা ছবিতে বোঝা যায় চরম নিঃসঙ্গ এই নারী। দেহে প্রাণ আছে কি না, সেটি অবশ্য বোঝার উপায় নেই।

দ্বিতীয় ছবিতে ওই নারীর পুড়ে ক্ষত-বিক্ষত দেহ, যেন গলে পড়ছে হাড়-মাংস।

ফেসবুকে গত মাসে অনেকে পোস্ট করেছেন এই দুটি ছবি। আলোচিত নারীর নাম-পরিচয় এসব পোস্টে নেই। তবে পোস্টের ভাষ্য অনুযায়ী, এই নারী তার স্বামীর ‘অবাধ্য’ হয়ে নিজের ভয়ংকর পরিণতি ডেকে এনেছেন।

ছবি দুটি একসঙ্গে জুড়ে দিয়ে শিরোনামে বলা হয়েছে ‘একটি নারী ধ্বংসের মূল ৩টি কারণ’।

আর সেই কারণগুলো হলো:

১. যে নারী স্বামীর সাথে যেদ (জেদ) করে

২. যে নারী স্বামীর সাথে মুখে মুখে ত্বর্ক (তর্ক) করে

৩. যে নারী তার মা-বোনের কু-পরামর্শ (কুপরামর্শ) শুনে স্বামীর বাড়িতে অশান্তি সৃষ্টি করে।’

‘স্বামীর অবাধ্য হয়ে ধ্বংস ডেকে আনা’ নারীটি কে?
এসব পোস্ট ছড়াচ্ছে ফেসবুকে

‘স্বামীর অবাধ্য হয়ে নিজের ধ্বংস’ ডেকে আনা ওই নারীর পরিচয় খুঁজেছে নিউজবাংলা। আর তাতে দেখা গেছে, একটি ইনস্টলেশন আর্ট থেকে দুটি ছবি তুলে নারীর প্রতি চরম অমর্যাদাকর ভাষায় ফেসবুকে পোস্টটি দেয়া হয়। এরপর সেটি শেয়ার করেন বাংলাভাষী অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী।

ছবিটির উৎপত্তি যেভাবে

২০১১ সালের ঘটনা। হাসপাতালের বিছানায় ঘুমিয়ে আছেন এক নারী। বিমর্ষ দেখাচ্ছে খুব। চুলগুলো এলোমেলো। কিন্তু তার পরনে বেলজিয়ামের বিখ্যাত ফ্যাশন হাউস আ. এফ. ফান্ডেফর্স্ট-এর ডিজাইন করা পোশাক।

‘স্বামীর অবাধ্য হয়ে ধ্বংস ডেকে আনা’ নারীটি কে?
নেদারল্যান্ডসের আর্নহেম শহরে ২০১১ সালে হয় এই শিল্পকর্মের প্রদর্শনী

মোম দিয়ে তৈরি নারীর অবয়বজুড়ে বসানো বেশ কিছু সলতে। সবকটি জ্বলছে একসঙ্গে। ধীরে পুড়ে যায় মোমের গোটা অবয়ব।

হাসপাতালের বেডে ঘুমন্ত সেই নারীর দেহটি ছাড়াও যে ম্যাট্রেসের ওপর তিনি শুয়ে ছিলেন সেটিও মোমের তৈরি। এমনকি মাথার নিচে রাখা বালিশটিও ছিল মোমের।

পুরো দেহটি মোমবাতির মতো জ্বালাতে শরীরজুড়ে তৈরি করা খোপে বসানো হয় সুতো। তাতে আগুন দেয়ার পর দেহটি পুড়তে থাকে, আর গলতে থাকে মোমের শরীর।

‘স্বামীর অবাধ্য হয়ে ধ্বংস ডেকে আনা’ নারীটি কে?
মোম বাতি জ্বালানোর সময় শিল্পকর্মটি

চারুকলার ভাষায় এটি ইনস্টলেশন আর্ট। প্রদর্শনীর সময় উৎসুক দর্শকেরা দেখতে পান, পুড়তে থাকা নারীর শরীরেও আ. এফ. ফান্ডেফর্স্ট-এর পোশাক। ফলে শিল্পকর্মের পাশাপাশি নিজস্ব পণ্যের বিজ্ঞাপনও প্রচার করা গেছে ওই প্রদর্শনীতে।

নেদারল্যান্ডসের পূর্বাঞ্চলীয় শহর আর্নহেমে ২০১১ সালে ‘আর্নহেম মোড বিনালে’ শিরোনামের পোশাক প্রদর্শনীতে তুলে ধরা হয় শিল্পকর্মটি। এটি তৈরি করেন আ. এফ. ফান্ডেফর্স্ট-এর ডিজাইনার।

‘স্বামীর অবাধ্য হয়ে ধ্বংস ডেকে আনা’ নারীটি কে?
আগুনে গলতে শুরু করার মুহূর্তে সেই মোমের নারীদেহ

১০ বছর পর অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী সেই ইনস্টলেশন আর্টের ছবিতে ‘নারীর প্রতি বিদ্বেষমূলক বার্তা’ ছড়ানো শুরু করেছেন।

আশিক রহমান নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী ছবিটি পোস্ট দিয়েছেন নিজের ফেসবুক ওয়ালে। আর ওই পোস্টে জান্নাতের মুসাফির নিক নেইমের একজন কমেন্ট করেছেন, ‘ইউ আর রাইট’। তবে ওয়াজিহা আবিয়াত মিহা নামের একজন লিখেছেন, ‘ইউ আর রং’।

‘স্বামীর অবাধ্য হয়ে ধ্বংস ডেকে আনা’ নারীটি কে?
মোম দিয়ে তৈরি সেই নারী অবয়ব আগুনে গলে যাওয়ার পরের ছবি

মন্তব্য করা দুজনকে একই উত্তর দিয়েছেন আশিক রহমান। রোমান হরফে বাংলায় লেখা কথাটি হলো: ‘সাধারণত যেসব ফ্যামিলিতে ওয়াইফদের এই কু-গুণগুলো আছে তাদের সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে। যার কারণে এখানে ধ্বংসের কথা বলা হয়েছে। ওকে…।’

আরও পড়ুন:
সোশ্যাল মিডিয়ার হতাশা কাটানোর উপায়
ফেসবুক-গুগলকে ডেকেছে ভারতের পার্লামেন্ট
পিপিই পরে ঘেমে একাকার, ছবি ভাইরাল চিকিৎসকের
মুখে মাস্কের ছবি এঁকে ধোঁকা: ফাঁসলেন রুশ তরুণী
সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়তায় ফের সেরা রবি

শেয়ার করুন

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া’

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া’

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

সব ধরনের আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিতে নিউজবাংলার নিয়মিত আয়োজন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবারের বিষয় ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া’। প্রচারিত হবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

ইশতিয়াক আব্দুল্লাহর সঞ্চালনায় শনিবার এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার হবে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

আলোচনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার মিতি সানজানা ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের আইন বিভাগের প্রভাষক মেহেরবা সাবরীন। অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করা হবে শাহ্‌ সিমেন্টের সৌজন্যে।

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, আইন জানা নাগরিকের জন্য একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী- এই শব্দগুলো নিয়ে একধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, নাগরিকের আইনি অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি সহজভাবে জানাতে কাজ করবে ‘আমার আইন, আমার অধিকার’। দেয়া হবে পরামর্শ। প্রয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরাসরি আইনি সহায়তাও দেয়া হবে।

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

অনুষ্ঠান চলাকালে ফোন করুন ০২৫৫০৫৫২৮৯ নম্বরে। এ ছাড়া সমস্যা জানাতে ০১৯৫৮০৫৬৬৬৮ নম্বরে ফোন করুন যেকোনো সময়। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন ভিডিও করেও পাঠাতে পারেন একই নম্বরে।

নিউজবাংলার ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/nwsbn24 এবং ই-মেইল [email protected]এ মেসেজ পাঠানোরও সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
সোশ্যাল মিডিয়ার হতাশা কাটানোর উপায়
ফেসবুক-গুগলকে ডেকেছে ভারতের পার্লামেন্ট
পিপিই পরে ঘেমে একাকার, ছবি ভাইরাল চিকিৎসকের
মুখে মাস্কের ছবি এঁকে ধোঁকা: ফাঁসলেন রুশ তরুণী
সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়তায় ফের সেরা রবি

শেয়ার করুন

ভোটারদের শাসালেন যুবলীগ নেতা

ভোটারদের শাসালেন যুবলীগ নেতা

ভোটারদের শাসাচ্ছেন ডৌহাখলা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আজিজ চৌধুরী। ছবি: নিউজবাংলা

আওয়ামী লীগ প্রার্থী শহীদুল হক সরকার বলেন, ‘যুবলীগ নেতার কাছ থেকে আমরা এমন বক্তব্য আশা করিনি। আমাদের ইউনিয়নে নৌকার জয়জয়কার। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমেই বিজয় সুনিশ্চিত।’

নৌকায় ভোট না দিলে ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে নিষেধ করেছেন ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আজিজ চৌধুরী।

বুধবার বিকেলে ফেসবুক তার বক্তব্যের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

কলতাপাড়া প্রাইমারি স্কুল মাঠে গত ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় পথসভা চলছিল। ডৌহাখলা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শহীদুল হক সরকারের পথসভায় তিনি ওই বক্তব্য রাখেন। তখন নৌকার প্রার্থী ছাড়াও গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিনসহ উপজেলা ও ইউনিয়নের নেতারা ছিলেন।

ভিডিওতে আজিজ চৌধুরীকে বলতে দেখা যায়, ‘নৌকার বিজয় কীভাবে আনতে হয় আমরা কিন্তু ভালো করে জানি। আমাদের অন্য পথে চলতে চেষ্টা করাবেন না। আমরা কিন্তু শান্ত আছি। যারা হাটবাজারে বিভিন্ন মশকরা করেন নৌকা প্রতীক নিয়ে, তাদের আমি সাবধান করে দিলাম।’

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘২৬ তারিখ ভোটকেন্দ্রে যাবেন না। আর যদি যেতে হয়, তাহলে নৌকায় ভোট দেয়ার জন্য যাবেন। আমরা জানি, কীভাবে আপনার ভোট নিতে হবে। আমি ধৈর্যের সঙ্গে বলছি। অভদ্রতার পরিচয় দিতে চাই না। আমরা এখন শান্ত। আওয়ামী লীগ শান্ত, যুবলীগ শান্ত, ছাত্রলীগ শান্ত। অশান্ত করার চেষ্টা করবেন না। তাহলে ফল হবে ভয়াবহ।’

জনসম্মুখে এমন বক্তব্য দেয়ার কারণ জানতে যুবলীগ নেতা আজিজ চৌধুরীর মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। নিউজবাংলার পরিচয় দিয়ে এসএমএস দিলেও সাড়া দেননি তিনি।

তবে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শহীদুল হক সরকার বলেন, ‘যুবলীগ নেতার কাছ থেকে আমরা এমন বক্তব্য আশা করিনি। আমাদের ইউনিয়নে নৌকার জয়জয়কার। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমেই বিজয় সুনিশ্চিত।

‘যুবলীগ নেতার এ বক্তব্য আমরা প্রত্যাহার করেছি। পরবর্তী কোনো সভায় তাকে আর বক্তব্য দেয়ার সুযোগ দেয়া হবে না।’

ওই পথসভায় থাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. হেলাল উদ্দিন আহাম্মদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি একটু দেরি করে যাওয়ায়, বক্তব্যের সময় ছিলাম না। আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের কাছে এমন বক্তব্য কখনই সমর্থন করি না।

‘জনগণ যাকে ভোট দেবেন, তিনিই বিজয়ী হবেন। তার বক্তব্যগুলো খতিয়ে দেখে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এই ইউনিয়নে আগামী ২৬ ডিসেম্বর ভোট। নৌকার প্রার্থী ছাড়াও নির্বাচনে মোটরসাইকেল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হাসিম ছাত্তার মন্ডল এবং ঘোড়া প্রতীকে এমএ কাইয়ুম।

আরও পড়ুন:
সোশ্যাল মিডিয়ার হতাশা কাটানোর উপায়
ফেসবুক-গুগলকে ডেকেছে ভারতের পার্লামেন্ট
পিপিই পরে ঘেমে একাকার, ছবি ভাইরাল চিকিৎসকের
মুখে মাস্কের ছবি এঁকে ধোঁকা: ফাঁসলেন রুশ তরুণী
সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়তায় ফের সেরা রবি

শেয়ার করুন