ইতালির নাগরিকত্ব পেলেন শরবত গুলা

player
ইতালির নাগরিকত্ব পেলেন শরবত গুলা

শরবত গুলা।

‘আফগান গার্ল’ শিরোনামে ১০ বছর বয়সী শরবতের সেই বিখ্যাত ছবিটি ১৯৮৪ সালে তুলেছিলেন ফটোগ্রাফার স্টিভ ম্যাককারি। যুদ্ধ কবলিত আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে শরবত সে সময় পাকিস্তানের পেশোয়ারে একটি শরণার্থী শিবিরে অবস্থান করছিলেন।

১৯৮৫ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের প্রচ্ছদে ছাপা হয় শরবত গুলার ছবি। ১০ বছর বয়সী শরবতের সেই ছবিটি নিয়ে সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এর কারণ তার বিরল সবুজ চোখ। ‘আফগান গার্ল’ শিরোনামে সেই ছবিটি দীর্ঘস্থায়ী আফগান যুদ্ধের প্রতীক হয়ে ওঠে। আলোচিত সেই আফগান নারীকে এবার নাগরিত্ব প্রদান করেছে ইতালি।

শুক্রবার রয়টার্সের বরাতে দ্য ওয়্যার জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘির দপ্তর থেকে শরবত গুলাকে নাগরিকত্ব প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

ইতালিয়ান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত আগস্টে তালেবানরা আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর দেশ ছেড়ে পালিয়েছিলেন শরবতও। পরে তিনি ইতালির রোমে অবস্থান নেন। তবে ঠিক কবে তিনি ইতালিতে পা রেখেছেন সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

‘আফগান গার্ল’ শিরোনামে ১০ বছর বয়সী শরবতের সেই বিখ্যাত ছবিটি ১৯৮৪ সালে তুলেছিলেন ফটোগ্রাফার স্টিভ ম্যাককারি। যুদ্ধ কবলিত আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে শরবত সে সময় পাকিস্তানের পেশোয়ারে একটি শরণার্থী শিবিরে অবস্থান করছিলেন। তাঁবুতে পরিচালিত শরণার্থীদের এক স্কুলে পড়তেন তিনি।

ইতালির নাগরিকত্ব পেলেন শরবত গুলা
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের প্রচ্ছদে শরবতের বিখ্যাত সেই ছবি।

ছবিটিতে শরবতের চমকপ্রদ সবুজ চোখ দুটিতে একইসঙ্গে ভয় এবং দুরন্তপনার এক অদ্ভুত সম্মিলন ঘটেছিল। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের কল্যাণে সারা বিশ্বে এই ছবিটি ছড়িয়ে পড়লেও শরবত গুলার অবস্থান শনাক্ত হয় ২০০২ সালে। সে সময় ১৮ বছর আগে তোলা ছবির মেয়েটিকে খুঁজে বের করতে ফটোগ্রাফার স্টিভ ম্যাককারি আবারও পাকিস্তান সফর করেন। শরবতকে খুঁজে পেয়ে তিনি তার ছবিটির কথা বলেন। কিন্তু নিজের ছবি যে এত বিখ্যাত হয়ে গেছে সে সম্পর্কে তখন পর্যন্ত কিছুই জানতেন না শরবত।

শৈশবে আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে পাকিস্তানে আশ্রয় নিয়ে টানা ৩৫ বছর সেই দেশেই ছিলেন শরবত। পরে ২০১৬ সালে জাল পরিচয়পত্র বহনের অভিযোগে পাকিস্তানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনার সূত্র ধরে, আফগানিস্তানের তখনকার প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি শরবতকে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ নেন এবং কাবুলের একটি ফ্ল্যাটে বসবাসের সুযোগ দেন। স্বামী মারা যাওয়ায় ছেলে-মেয়েদের নিয়ে সেখানেই বসবাস করছিলেন শরবত। কিন্তু তালেবানরা ক্ষমতায় ফিরে আসলে আবারও দেশ থেকে পালিয়ে অনিশ্চিত যাত্রা শুরু হয় তার।

আরও পড়ুন:
আফগান নারীরা ক্রিকেট চালিয়ে যাবে: এসিবি
তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র
আফগানিস্তানে টিভি নাটকে নারীদের অভিনয়ে মানা
আফগানিস্তানে ৩ মাস পর বেতন-ভাতা পাচ্ছেন সরকারি কর্মীরা
বিপর্যস্ত আফগানিস্তানের পাশে ইরান

শেয়ার করুন

মন্তব্য

গাঁজা প্রতিরোধ করে করোনা সংক্রমণ, দাবি গবেষকদের

গাঁজা প্রতিরোধ করে করোনা সংক্রমণ, দাবি গবেষকদের

গাঁজা করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করবে বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। সংগৃহীত ছবি

গবেষকদের দাবি, গাঁজার দুটি যৌগ ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনের বিভিন্ন অংশকে দ্রুত বেঁধে ফেলতে সক্ষম। মানবকোষের ভেতর করোনাভাইরাস আর ঢুকতে পারবে না। ফলে সংক্রমণও হবে না।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণে গোটা বিশ্ব বিপর্যস্ত। করোনাকে রুখতে বিজ্ঞানীরা করে চলেছেন নানা গবেষণা। নতুন নতুন তথ্য তারা মানবজাতির সামনে আনছেন। এবার তারা দাবি করেছেন, গাঁজার ভেতরে থাকা দুটি রাসায়নিক যৌগ করোনা প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করতে পারে।

ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটি এবং ওরেগন হেলথ অ্যান্ড সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক এমন দাবি করেছেন।

আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘জার্নাল অফ ন্যাচারাল প্রডাক্টস’-এ এমন তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভাইস ডটকম।

গাঁজায় থাকা ওই দুটি রাসায়নিক যৌগ প্রকৃতপক্ষে দুটি অ্যাসিড। একটির নাম ক্যানাবিগেরোলিক অ্যাসিড (সিবিজিএ) ও অন্যটি ক্যানাবিডায়োলিক অ্যাসিড (সিবিডিএ)।

গবেষকদের দাবি, গাঁজার এ দুটি যৌগকে ব্যবহার করে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে নতুন ওষুধ আবিষ্কার করা যেতে পারে। এতে করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা।

গবেষকরা অনেক দিন থেকে এমন কিছু আবিষ্কারের কথা ভাবছিলেন, যা করোনাভাইরাসের বাইরের দিকে থাকা স্পাইক প্রোটিনকে মানবকোষে ঢুকে যাওয়ার আগেই অকার্যকর করে ফেলবে।

গবেষকদের দাবি, গাঁজার ওই দুটি যৌগ ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনের বিভিন্ন অংশকে দ্রুত বেঁধে ফেলতে সক্ষম। মানবকোষের ভেতর করোনাভাইরাস আর ঢুকতে পারবে না। ফলে সংক্রমণও হবে না।

গাঁজা অনেক সেবন করলেই যে করোনার সংক্রমণ রুখে দেয়া যাবে, তা কিন্তু নয়। গবেষকরা বলছেন, করোনার টিকার সঙ্গে সিবিজিএ ও সিবিডিএ যৌগ দুটি মিলিয়ে চিকিৎসা করা গেলে এটি বেশি কার্যকর হবে।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ওরেগন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ওই দলের গবেষক রিচার্ড ব্রিমেন বলেছেন, ‘গাঁজায় যে দুটি যৌগকে আমরা করোনা সংক্রমণ রুখে দিতে দেখেছি, দীর্ঘদিন ধরেই সেগুলো অন্য চিকিৎসায় কাজে লাগে। তবে এই দুটি যৌগ যে করোনার সংক্রমণও দ্রুত রুখে দিতে পারে, তা এই প্রথম জানা গেল।’

রিচার্ড ব্রিমেনের দাবি, করোনাভাইরাসের আলফা ও বিটা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে গাঁজার যৌগ দুটি সমানভাবে কার্যকর।

এই দুটি অ্যাসিডের মাধ্যমে করোনা প্রতিরোধে নতুন ওষুধ আবিষ্কার করা সম্ভব বলে জানান রিচার্ড ব্রিমেন। তবে এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

করোনার নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধেও গাঁজায় থাকা দুটি অ্যাসিড কার্যকর হবে বলে আশাবাদী এই গবেষক।

আরও পড়ুন:
আফগান নারীরা ক্রিকেট চালিয়ে যাবে: এসিবি
তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র
আফগানিস্তানে টিভি নাটকে নারীদের অভিনয়ে মানা
আফগানিস্তানে ৩ মাস পর বেতন-ভাতা পাচ্ছেন সরকারি কর্মীরা
বিপর্যস্ত আফগানিস্তানের পাশে ইরান

শেয়ার করুন

সীমান্তে ভারতের রাস্তা নিয়ে নেপালের ক্ষোভ

সীমান্তে ভারতের রাস্তা নিয়ে নেপালের ক্ষোভ

ভারত-নেপাল সীমান্তে টহল দিচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। ছবি: সংগৃহীত

নেপালের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই নির্মাণ অবৈধ। ভারতকে কালী নদী এলাকায় রাস্তার একতরফা নির্মাণ ও সম্প্রসারণ বন্ধ করতে হবে।

সীমান্তের কাছে রাস্তা নির্মাণের ঘোষণায় ভারতের ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছে নেপাল।

সম্প্রতি ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের লিপুলেখ এলাকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাস্তা সম্প্রসারণের ঘোষণা দেন।

ওই নির্মাণকাজ নিয়ে আপত্তি জানিয়ে রোববার নেপালের পক্ষে বলা হয়েছে, এই নির্মাণ অবৈধ। ভারতকে কালী নদী এলাকায় রাস্তার একতরফা নির্মাণ ও সম্প্রসারণ বন্ধ করতে হবে।

নেপাল ওই এলাকাকে নিজের বলে দাবি করে আসছে।

গত ৩০ ডিসেম্বর উত্তরাখণ্ডের হলদওয়ানিতে বিজেপি আয়োজিত একটি নির্বাচনি সমাবেশে মোদি ঘোষণা দেন, তার সরকার লিপুলেখে নির্মিত রাস্তাটিকে আরও প্রশস্ত করতে চলেছে।

নেপালের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার মুখপাত্র জ্ঞানেন্দ্র বাহাদুর কারকি বলেন, ‘লিম্পিয়াধুরা, লিপুলেখ, কালাপানিসহ কালী নদীর পূর্বের অঞ্চলগুলো নেপালের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং ভারতের উচিত কোনো রাস্তা নির্মাণ বা সম্প্রসারণ বন্ধ করা।’

তিনি বলেন, ‘নেপাল ও ভারতের মধ্যে সীমান্তে যেকোনো বিরোধ ঐতিহাসিক নথি, মানচিত্র এবং নথির ভিত্তিতে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের চেতনা অনুযায়ী সমাধান করা উচিত।’

এদিকে শনিবার ভারত-নেপাল সীমান্তের প্রশ্নে কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাসের মুখপাত্র বলেন, ‘ভারত-নেপাল সীমান্তে ভারত সরকারের অবস্থান সুপরিচিত, সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং স্পষ্ট। নেপাল সরকারকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।’

কয়েক বছর ধরে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বিরোধে জড়িয়েছে নেপাল। বিতর্কিত বক্তব্যও দেয়া হয়েছে বহুবার। নেপালের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবার আমলে সম্পর্কের উন্নতি হচ্ছে বলে মনে হলেও আবারও লিপুলেখে রাস্তা সম্প্রসারণের ঘোষণায় ক্ষুব্ধ নেপাল।

আরও পড়ুন:
আফগান নারীরা ক্রিকেট চালিয়ে যাবে: এসিবি
তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র
আফগানিস্তানে টিভি নাটকে নারীদের অভিনয়ে মানা
আফগানিস্তানে ৩ মাস পর বেতন-ভাতা পাচ্ছেন সরকারি কর্মীরা
বিপর্যস্ত আফগানিস্তানের পাশে ইরান

শেয়ার করুন

পেছাল কলকাতা বইমেলা

পেছাল কলকাতা বইমেলা

এবছর কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা পিছিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে। ফাইল ছবি

পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের সভাপতি সুধাংশু শেখর দে বলেন, ‘এবারেরও থিম বাংলাদেশ। বাংলাদেশের বিজয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শতবর্ষ উদযাপনে বইমেলায় বাংলাদেশের প্রকাশকদের জন্য আলাদা প্যাভেলিয়ন, প্রতিদিন বাংলাদেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য আলাদা মঞ্চ থাকবে।’

এক মাস পিছিয়ে ৩১ জানুয়ারির পরিবর্তে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের জন্য ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চারটি পৌরসভার ভোট ২২ জানুয়ারির পরিবর্তে পিছিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি করা হয়েছে। অন্যদিকে ৩১ জানুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্কে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা হওয়ার কথা ছিল। তবে বিধান নগর পৌর এলাকার মধ্যে মেলা প্রাঙ্গণ হওয়ায় সে সময় নির্বাচনী বিধি জারি থাকবে।

তাই কলকাতা পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড মেলা পিছিয়ে দেয়ার অনুরোধ জানিয়ে রাজ্য সরকারকে চিঠি দেয়। পরে বইমেলা পিছিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত আসে।

সোমবার কলকাতা বইমেলার আয়োজক সংস্থা পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘বইমেলা পিছিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে। বিধান নগর সেন্ট্রাল পার্কেই হবে মেলা।’

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত বছরও বইমেলা হয়নি। গত বছরের মতো এ বছরও কলকাতা বইমেলার থিম কান্ট্রি বাংলাদেশ।

পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের সভাপতি সুধাংশু শেখর দে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণের কথা বিবেচনা করে এবার ৬০০ বুক স্টল এবং লিটল ম্যাগাজিনের জন্য ২০০ স্টল রাখা হয়েছে। মেলায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে প্রতিটি স্টলের আয়তনও কমিয়ে দেয়া হয়েছে।

‘এবারেরও থিম বাংলাদেশ। প্রতিবেশি দেশকেও বলা হয়েছে প্রস্তুতি রাখতে। বাংলাদেশের বিজয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শতবর্ষ উদযাপনে কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশের প্রকাশকদের জন্য আলাদা প্যাভেলিয়ন, প্রতিদিন বাংলাদেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য আলাদা মঞ্চ থাকবে।’

আরও পড়ুন:
আফগান নারীরা ক্রিকেট চালিয়ে যাবে: এসিবি
তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র
আফগানিস্তানে টিভি নাটকে নারীদের অভিনয়ে মানা
আফগানিস্তানে ৩ মাস পর বেতন-ভাতা পাচ্ছেন সরকারি কর্মীরা
বিপর্যস্ত আফগানিস্তানের পাশে ইরান

শেয়ার করুন

বিটকয়েনের মতো কারেন্সি আনছে ওয়ালমার্ট

বিটকয়েনের মতো কারেন্সি আনছে ওয়ালমার্ট

বিটকয়েন ও ইথারিয়ামের মতো নিজস্ব ব্লকচেইনের ক্রিপ্টোকারেন্সি আনছে ওয়ালমার্ট। ছবি: সংগৃহীত

প্রতিষ্ঠানটি যেহেতু নিজেরাই ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে আসছে, তার মানে এটি খুব সম্ভব যে ওয়ালমার্ট তার স্টোরগুলোতে কেনাবেচার ক্ষেত্রে বিটকয়েন অনুমোদন দিতে পারে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় খুচরা পণ্য বেচাকেনার প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট সম্ভবত ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ননফাঞ্জিবল টোকেনে (এনএফটি) প্রবেশ করতে যাচ্ছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে কিছু ট্রেডমার্ক ডকুমেন্ট থেকে প্রাপ্ত তথ্যে এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে ব্লকচেইনের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন করছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি কোনো টোকেন নিয়ে আসবে না। সরাসরি বিটকয়েন ও ইথারিয়ামের মতো নিজস্ব ব্লকচেইনের ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে আসবে।

যদি সত্যিই ওয়ালমার্ট ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রচলন শুরু করে, তাহলে মূলধারার কোম্পানিগুলোতে ক্রিপ্টো এডোপটেশন অনেকটা চূড়া থেকেই শুরু হবে।

সিএনবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়ালমার্ট মোট ৭টি ট্রেডমার্ক নিয়েছে। এ ট্রেডমার্ক আবেদনপত্রগুলো দেখে বোঝা যাচ্ছে ক্রিপ্টোর পাশাপাশি খুব শিগগিরই প্রতিষ্ঠানটি ভার্চুয়াল পণ্য হিসেবে অনলাইনে ননফাঞ্জিবল টোকেন বেচাকেনা শুরু করবে। যা তাদের নিজস্ব ক্রিপ্টোকারেন্সিতে কিনতে হবে। এ ছাড়া ওয়ালমার্ট বিশ্বব্যাপী ক্রিপ্টোনির্ভর ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসও চালু করতে যাচ্ছে। যেখানে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ডিজিটাল টোকেন লেনদেন করা যাবে।

শুধু ক্রিপ্টো নয়, মেটাভার্সের জগতেও প্রবেশ করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। তারা অগমেন্টেড রিয়েলিটি ও ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জন্য ফিটনেস অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে আসছে।

যদিও এসব পরিকল্পনার বিস্তারিত কিছুই প্রকাশ করেনি ওয়ালমার্ট।

প্রতিষ্ঠানটি সব সময় নতুনত্বকে গ্রহণ করে আসছে। তাই বিকাশমান প্রযুক্তি হিসেবে ব্লকচেইনকে ব্যবহার করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটি যেহেতু নিজেরাই ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে আসছে, তার মানে এটি খুব সম্ভব যে ওয়ালমার্ট তার স্টোরগুলোতে কেনাবেচার ক্ষেত্রে বিটকয়েন অনুমোদন দিতে পারে।

শুধু ক্রিপ্টো নয়, কোম্পানিটি মেটাভার্সের জগতেও প্রবেশ করছে। তারা অগমেন্টেড রিয়েলিটি ও ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জন্য একটি ফিটনেস অ্যাপ নিয়ে আসছে।

আরও পড়ুন:
আফগান নারীরা ক্রিকেট চালিয়ে যাবে: এসিবি
তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র
আফগানিস্তানে টিভি নাটকে নারীদের অভিনয়ে মানা
আফগানিস্তানে ৩ মাস পর বেতন-ভাতা পাচ্ছেন সরকারি কর্মীরা
বিপর্যস্ত আফগানিস্তানের পাশে ইরান

শেয়ার করুন

চীনে তিন সন্তানের নীতিতেও বাড়ছে না জন্মহার

চীনে তিন সন্তানের নীতিতেও বাড়ছে না জন্মহার

নগর জীবন ব্যয়বহুল হওয়ার কারণে চীনা দম্পতিরা বেশি সন্তান নিতে আগ্রহী নন। ছবি: সংগৃহীত

জন্মহার বাড়াতে ২০১৬ সালে চীন ‘এক সন্তান নীতি’ থেকে বের হয়ে আসে। দেশটির সরকার ঘোষণা করেছিল এখন থেকে পরিবারগুলো চাইলে দুটি সন্তান নিতে পারবে। গত বছরে চীন পরিবারগুলোকে ৩ সন্তান নেয়ারও অনুমতি দেয়।

চীনে বেশি জনসংখ্যাকে একসময় সমস্যা হিসেবে দেখা হতো। এমনকি দেশটি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ১ সন্তান নীতি গ্রহণ করেছিল। কিন্তু চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি বদলাতে থাকে।

চীন এখন তার জনসংখ্যা বাড়াতে চায় কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে, চীনে আশঙ্কাজনক হারে কমছে জন্মহার।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালে চীনের জন্মহার ১ হাজারে মাত্র ৭.৫২।

দেশটি ১৯৪৯ সাল থেকে জন্মহার পরিমাপ করে আসছে। এ বছরই এ হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশ করা বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে এমনটাই জানা গেছে।

অথচ ২০২০ সালেও ১ হাজারে চীনে জন্মহার ছিল ৮.৫২ জন।

সংখ্যার দিক থেকে চীনে ২০২১ সালে জন্মেছে ১ কোটি ৬ লাখ ২০ হাজার শিশু। অথচ ২০২০ সালে সংখ্যাটি ছিল ১ কোটি ২০ লাখ।

এ ছাড়া ২০২১-এ চীনের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ০.০৩৪ শতাংশ। ১৯৬০-এর পর এ হার সর্বনিম্ন।

জন্মহার বাড়াতে ২০১৬ সালে চীন ‘এক সন্তান নীতি’ থেকে বের হয়ে আসে। দেশটির সরকার ঘোষণা করেছিল এখন থেকে পরিবারগুলো চাইলে দুটি সন্তান নিতে পারবে। গত বছরে চীন পরিবারগুলোকে ৩ সন্তান নেয়ারও অনুমতি দেয়।

তবে পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, চীনের নেয়া পদক্ষেপগুলোতে জন্মহার বাড়ছে না।

এর প্রধান কারণ হলো চীনের নগর জীবনে উচ্চ ব্যয়। নগর জীবন ব্যয়বহুল হওয়ার কারণে চীনা দম্পতিরা বেশি সন্তান নিতে আগ্রহী নন।

আরও পড়ুন:
আফগান নারীরা ক্রিকেট চালিয়ে যাবে: এসিবি
তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র
আফগানিস্তানে টিভি নাটকে নারীদের অভিনয়ে মানা
আফগানিস্তানে ৩ মাস পর বেতন-ভাতা পাচ্ছেন সরকারি কর্মীরা
বিপর্যস্ত আফগানিস্তানের পাশে ইরান

শেয়ার করুন

টেক্সাসে জিম্মি ঘটনায় যুক্তরাজ্যে দুই অপ্রাপ্ত বয়স্ক গ্রেপ্তার

টেক্সাসে জিম্মি ঘটনায় যুক্তরাজ্যে দুই অপ্রাপ্ত বয়স্ক গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ জানিয়েছে, জিম্মিকারী আকরাম দুই সপ্তাহ আগে জন এফ কেনেডি এয়ারপোর্ট দিয়ে নিউ ইয়র্কে আসেন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ জানিয়েছে, জিম্মিকারী আকরাম দুই সপ্তাহ আগে জন এফ কেনেডি এয়ারপোর্ট দিয়ে নিউ ইয়র্কে আসেন।

যুক্তরাজ্যের টেক্সাসে ইহুদি উপাসনালয়ে (সিনাগগ) জিম্মি ঘটনায় নিহত হয়েছেন জিম্মিকারী ব্রিটিশ নাগরিক। তদন্তের ধারাবাহিকতায় এবার সেই ঘটনায় যুক্তরাজ্যে আটক হলো দুই অপ্রাপ্ত বয়স্ক।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিম্মি ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে ৪৪ বছর বয়সী ব্রিটিশ নাগরিক মালিক ফয়সাল আকরাম পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার পর যুক্তরাজ্য পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই অপ্রাপ্ত বয়স্ক আটকের ঘটনা জানাল।

তবে ম্যানচেস্টারে আটক হওয়া দুই অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে নাকি মেয়ে এবং তাদের বয়সও প্রকাশ করা হয়নি।

এর আগে ম্যানচেস্টারের মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, জিম্মি ঘটনায় ব্রিটিশ নাগরিক মৃত্যুর পর তাদের সন্ত্রাসবিরোধী বিভাগের কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ ও এফবিআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।

ব্রিটিশ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় পুলিশ যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তে সহায়তা করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ জানিয়েছে, জিম্মিকারী আকরাম দুই সপ্তাহ আগে জন এফ কেনেডি এয়ারপোর্ট দিয়ে নিউ ইয়র্কে আসেন।

পুলিশের গুলিতে মৃত্যুর আগে আকরাম টেক্সাসের একটি সিনাগগে ৪ জনকে জিম্মি করেন। এর মাঝে একজন ইহুদি ধর্মগুরুও (রাবাই) ছিলেন।

আরও পড়ুন:
আফগান নারীরা ক্রিকেট চালিয়ে যাবে: এসিবি
তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র
আফগানিস্তানে টিভি নাটকে নারীদের অভিনয়ে মানা
আফগানিস্তানে ৩ মাস পর বেতন-ভাতা পাচ্ছেন সরকারি কর্মীরা
বিপর্যস্ত আফগানিস্তানের পাশে ইরান

শেয়ার করুন

সাগরতলে ১০ লাখ আগ্নেয়গিরি

সাগরতলে ১০ লাখ আগ্নেয়গিরি

সমুদ্রতলের আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পর কী পরিস্থিতি হয়, তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মাঝেই বিতর্ক আছে। ছবি: সংগৃহীত

গ্লোবাল ফাউন্ডেশন ফর ওশানিক এক্সপ্লোরেশন গ্রুপের মতে, আগ্নেয়গিরিসংক্রান্ত ঘটনাগুলোর চার ভাগের তিন ভাগই ঘটে সমুদ্রের তলদেশে।

হুঙ্গা-টোঙ্গা-হুঙ্গা-হা’আপায় আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র টোঙ্গাতে সুনামি আঘাত হেনেছে। এমনকি জাপানের শিকোকু দ্বীপের দক্ষিণ উপকূলের কোচি প্রশাসনিক অঞ্চলে আঘাত হেনেছে মৃদু সুনামি, কিন্তু ঠিক কী কারণে সাগরতলের হুঙ্গা-টোঙ্গা-হুঙ্গা-হা’আপায়ের অগ্ন্যুৎপাতে সুনামির সৃষ্টি হলো?

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানুয়ারির ১৫ তারিখে হওয়া হুঙ্গা-টোঙ্গা-হুঙ্গা-হা’আপায়ের অগ্ন্যুৎপাত ঠিক কী কারণে সুনামির জন্ম দিল তা স্পষ্ট নয়।

আগ্নেয়গিরি বিশারদ ও বিজ্ঞানবিষয়ক সাংবাদিক রবিন জর্জ এন্ড্রুসের মতে, এটি কি অগ্ন্যুৎপাতে সৃষ্ট বিস্ফোরণের কারণে হয়েছে নাকি আগ্নেয়গিরির কোনো ধসে পানির স্থানচ্যুতি হয়েছে অথবা দুটির কারণেই হয়েছে। তা এখনও স্পষ্ট নয়।

তবে এন্ড্রুর মতে, হা’আপায়ে এ ধরনের বিস্ফোরণ হাজার বছরে একবারই হয়।

আসলে সমুদ্রতলের আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পর কী পরিস্থিতি হয়, তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মাঝেই বিতর্ক আছে।

হুঙ্গা-টোঙ্গা-হুঙ্গা-হা’আপায়ের মতো সাগরতলে প্রায় ১০ লাখ আগ্নেয়গিরি আছে।

এসব আগ্নেয়গিরি শুধু লাভাই উদগিরণ করে না, ব্যাপক পরিমাণে আগ্নেয়গিরির ছাইও তৈরি করে।

গ্লোবাল ফাউন্ডেশন ফর ওশানিক এক্সপ্লোরেশন গ্রুপের মতে, আগ্নেয়গিরিসংক্রান্ত ঘটনাগুলোর চার ভাগের তিন ভাগই ঘটে সমুদ্রের তলদেশে।

পানির নিচের আগ্নেয়গিরির কারণে সমুদ্র পর্বতও তৈরি হয়।

এদিকে হুঙ্গা-টোঙ্গা-হুঙ্গা হা’আপাই আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে বিভিন্ন দেশে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। উপকূলীয় এলাকা থেকে জনগণকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড।

তবে বড় আকারের সুনামি শুধু টোঙ্গাতেই আঘাত হেনেছে। এতে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও জানা সম্ভব হচ্ছে না।

আরও পড়ুন:
আফগান নারীরা ক্রিকেট চালিয়ে যাবে: এসিবি
তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র
আফগানিস্তানে টিভি নাটকে নারীদের অভিনয়ে মানা
আফগানিস্তানে ৩ মাস পর বেতন-ভাতা পাচ্ছেন সরকারি কর্মীরা
বিপর্যস্ত আফগানিস্তানের পাশে ইরান

শেয়ার করুন