ত্রিপুরায় বিজেপির বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, জাল ভোটের অভিযোগ

ত্রিপুরায় বিজেপির বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, জাল ভোটের অভিযোগ

ত্রিপুরা পৌর নির্বাচনে ভোট দিতে আসেন এই বৃদ্ধা। ছবি: সংগৃহীত

তৃণমূলের রাজ্যসভার এমপি সুস্মিতা দেব বলেন, ‘আমাদের দলের কর্মীরা যেভাবে বিজেপির সন্ত্রাসের মুখে দাঁড়িয়ে লড়াই করেছে, সাহস দেখিয়েছে, তা সবার জন্য প্রেরণার। আমি বিশ্বাস করি, জনসাধারণ আমাদের পাশে আছেন। ২৮ তারিখ ফলাফল বের হবে। রেজাল্ট যাই হোক, একদিক থেকে দেখতে গেলে, আমরা জিতেছি, কারণ আমরা প্রার্থী দিয়েছি এবং লড়াই করেছি।’ তৃণমূল নেত্রী দোলা সেন বলেন, ‘সন্ত্রাস করে বিজেপি কিছু মানুষকে কিছুদিন আটকে রাখতে পারলেও সারাজীবন সন্ত্রাস করে সব মানুষকে আটকে রাখতে পারবে না।’

শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে ত্রিপুরা পৌর ভোট ঘিরে দিনভর দফায় দফায় হামলা ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএম। ভোট শান্তিপূর্ণ মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব দাবি করলেও শীর্ষ আদালতের নির্দেশে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ত্রিপুরায় ভোটে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আরও দুই কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়েছে।

পৌর ভোটের প্রচার থেকে বিজেপি তৃণমূল সংঘাতের আবহে বৃহস্পতিবার ত্রিপুরা পৌরসভার ভোটগ্রহণ শুরু হলে, বেলা যত গড়িয়েছে অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা তত বেড়েছে। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে অস্থিরতা ও অশান্তির জন্য বিরোধীরা শাসক দল বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছে।

পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে বিরোধী দলের প্রার্থী ও কর্মীদের মারধর, ভোট লুট, জাল ভোট ও ভোট কারচুপিসহ বিজেপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনেছে তৃণমূল কংগ্রেস এবং সিপিএম।

তৃণমূলের রাজ্যসভার এমপি সুস্মিতা দেব বলেন, ‘আমাদের দলের কর্মীরা যেভাবে বিজেপির সন্ত্রাসের মুখে দাঁড়িয়ে লড়াই করেছে, সাহস দেখিয়েছে, তা সবার জন্য প্রেরণার। আমি বিশ্বাস করি, জনসাধারণ আমাদের পাশে আছেন। ২৮ তারিখ ফলাফল বের হবে। রেজাল্ট যাই হোক, একদিক থেকে দেখতে গেলে, আমরা জিতেছি, কারণ আমরা প্রার্থী দিয়েছি এবং লড়াই করেছি।’

তৃণমূল নেত্রী দোলা সেন বলেন, ‘সন্ত্রাস করে বিজেপি কিছু মানুষকে কিছুদিন আটকে রাখতে পারলেও সারাজীবন সন্ত্রাস করে সব মানুষকে আটকে রাখতে পারবে না।’

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব বৃহস্পতিবার নিজের জন্মদিনে পরিবার নিয়ে ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে পূজা দিতে গিয়ে ত্রিপুরার পৌর ভোট নিয়ে বিরোধীদের তোলা অশান্তির অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিরোধীদের অভিযোগের কোনো সঠিক ভিত্তি নেই। ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে।’

এদিকে, ত্রিপুরার পৌরসভার ভোট চলাকালীন রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে তৃণমূলের করা মামলার রায়ে ভারতের শীর্ষ আদালত ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে করার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অতিরিক্ত দু’কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত পাঠানোর নির্দেশ দেয় বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় ও বিচারপতি বিক্রমনাথের বেঞ্চ।

ত্রিপুরা পৌরভোটে বিজেপির সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে থানা ঘেরাওয়ের এর পাশাপাশি সব ওয়ার্ডেই পুনঃনির্বাচনের দাবি তুলেছে সিপিএম।

অন্যদিকে, বিরোধী প্রার্থীদের ওপর হামলার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিজেপি বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মনও।

আরও পড়ুন:
বিজেপির বিরুদ্ধে ত্রিপুরায় তৃণমূলের পাশে সিপিএম
বিজেপির হামলার প্রতিবাদে তৃণমূলের মোমবাতি মিছিল
‘আগরতলার জন্য নবরত্ন’
পুরভোটে বিজেপি-তৃণমূলের লড়াই এবার ত্রিপুরায়

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সু চির চার বছরের কারাদণ্ড

সু চির চার বছরের কারাদণ্ড

আদালতের কাঠগড়ায় অং সান সু চি। ছবি: এএফপি

ড. সাসা বলেন, ‘তিনি (সু চি) ঠিক নেই। মিলিটারি জেনারেল তাকে ১০৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা তাকে কারাগারেই মেরে ফেলতে চান।’

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চির চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির জান্তা সরকার নিয়ন্ত্রণাধীন আদালত।

‘গণ অসন্তোষে’ উসকানি ও করোনাভাইরাসের আইন ভাঙার দায়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আইনে এ সাজা দেয়া হয়েছে তাকে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, সু চির সঙ্গে একই অভিযোগে সমান চার বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে দেশটির ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তকেও।

৭৬ বছর বয়সী সু চির বিরুদ্ধে দেশটির জান্তা সরকার বিভিন্ন অভিযোগে এক ডজনের বেশি মামলা করেছে। যদিও সু চি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

সু চির বিরুদ্ধে প্রায় ১০ মাসে ঔপনিবেশিক আমলের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘন, দুর্নীতি, প্রতারণা, করোনাভাইরাস মহামারিকালীন বিধিনিষেধ উপেক্ষা, অবৈধ ওয়াকিটকি আমদানিসহ কমপক্ষে ১২টি মামলা করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী।

সব শেষ তার বিরুদ্ধে হেলিকপ্টার কেনা ও ভাড়া দেয়ায় দুর্নীতির অভিযোগে একটি মামলা করে সেনা সরকার।

চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির সেনাবাহিনী; আটক করে শান্তিতে নোবেলজয়ী সু চি, প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তসহ অনেককে।

তখন থেকেই সু চিকে বন্দি করে রাখে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। তবে সু চিকে কবে, কখন এবং আদৌ কারাগারে নেয়া হবে কি না সে সম্পর্কে জানা যায়নি।

তাদের গ্রেপ্তারের পর থেকেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে নজিরবিহীন বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে মিয়ানমার। বিক্ষোভ দমনে কঠোর হয় সেনাবাহিনী।

নিজের বিরুদ্ধে আনা সামরিক সরকারের এসব মামলার বিরুদ্ধে সু চি লড়াই করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন নতুন গঠন করা ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্টের এক মুখপাত্র।

এই সরকারে রাখা হয়েছে গণতন্ত্রপন্থি নেতা ও সমর্থকদের। এ ছাড়া সমমনা আরও কিছু দলের নেতারাও এই সরকারের হয়ে কাজ করছে।

সে সরকারের মুখপাত্র ড. সাসা বলেন, ‘তিনি (সু চি) ঠিক নেই। মিলিটারি জেনারেল তাকে ১০৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা তাকে কারাগারেই মেরে ফেলতে চান।’

গত বছর নির্বাচনে এনএলডি ভূমিধ্বস জয় পাওয়ার পর সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ক্ষমতা কেড়ে নেয়।

এ পর্যন্ত দেশটিতে ১ হাজার ২০০ এর বেশি মানুষকে হত্যা এবং ১০ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স।

বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব সু চি। তাই দেশটিতে সামরিক শাসন অব্যাহত রাখতে সু চিকে সারা জীবনের জন্য রাজনীতি থেকে উৎখাত করতে চায় সেনাবাহিনী। ফলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই এসব মামলা দিয়ে শাস্তি দেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
বিজেপির বিরুদ্ধে ত্রিপুরায় তৃণমূলের পাশে সিপিএম
বিজেপির হামলার প্রতিবাদে তৃণমূলের মোমবাতি মিছিল
‘আগরতলার জন্য নবরত্ন’
পুরভোটে বিজেপি-তৃণমূলের লড়াই এবার ত্রিপুরায়

শেয়ার করুন

নাগাল্যান্ডের ঘটনায় অমিত শাহর পদত্যাগ চায় তৃণমূল

নাগাল্যান্ডের ঘটনায় অমিত শাহর পদত্যাগ চায় তৃণমূল

তৃণমূল নেত্রী সুস্মিতা দেব বলেন, 'একের পর এক নাগরিকের যখন হত্যা করা হচ্ছিল, তখন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করছিলেন? আমরা গোটা ঘটনার যথাযথ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চাই।'

ভারতের নাগাল্যান্ডে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে সাধারণ মানুষ নিহতের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পদত্যাগের দাবি তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

সোমবার তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেব এই দাবি তোলেন।

নাগাল্যান্ডে এখন থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে রাজ্যজুড়ে ১৪৪ ধারা জারির পাশাপাশি সব ধরনের গাড়ি চালানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নাগাল্যান্ডের নেইফি রিও প্রশাসন।

পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে তৃণমূল কংগ্রেস সোমবার মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে নাগাল্যান্ডে তাদের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করে কলকাতায় সংবাদ সম্মেলন করে।

সংবাদ সম্মেলনে নাগাল্যান্ড পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তৃণমূলের নাগাল্যান্ড যাওয়ার প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেব অভিযোগ করেন, 'নাগাল্যান্ডে সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চালানোর ঘটনা গণতন্ত্রে আঘাত। দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতা।’

তৃণমূল নেত্রী সুস্মিতা দেব বলেন, 'একের পর এক নাগরিকের যখন হত্যা করা হচ্ছিল, তখন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করছিলেন? আমরা গোটা ঘটনার যথাযথ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চাই।' এরপর ঘটনার জবাবদিহিতা চেয়ে অমিত শাহর পদত্যাগ দাবি করেন তিনি।

মিজোরামের সাবেক এজি তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ দেব বলেন, 'যারা প্রাণ হারিয়েছেন, সেসব পরিবার ও স্থানীয় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এই প্রতিনিধি দল যাচ্ছিল। নাগাল্যান্ড সরকার এবং কেন্দ্রের মোদি সরকার এই রাজ্যের সমস্যা মেটাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। সিট গঠন করে দায়িত্ব শেষ হয়ে যাবে না। এমনটা কেন হলো, তার কারণ আমরা জানতে চাই।'

এর আগে শনিবার রাতে নাগাল্যান্ডের মন জেলার ওটিংয়ে সন্ত্রাস দমন অভিযান চলার সময় সেনাদের স্পেশাল ফোর্সের গুলিতে ১৬ জন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইটে তীব্র নিন্দা করে দোষীদের শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হন এবং সোমবার নাগাল্যান্ডে মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে তৃণমূলের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল পাঠানোর কথা ঘোষণা করেন।

ওই প্রতিনিধি দলের অন্যতম সদস্য সুস্মিতা দেব দাবি করেন, 'বিজেপির শাসনকালে উত্তর-পূর্ব ভারত সবচেয়ে বেশি অশান্ত হয়েছে।’
নর্থ-ইস্টের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, 'জোর করে নয়, কথাবার্তার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করুন।’

এদিকে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোয় সেনাবাহিনীর জন্য বিশেষ আইন বা আফসপা বাতিলের দাবি তুলেছেন মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। তার দল এনপিপিও এই দাবিতে সরব। নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেইফি রিও-ও রয়েছেন সোচ্চার। বিজেপি সরকারের আমলে ওই বিতর্কিত আইন আরও বাড়িয়ে নেয়া হয়েছে। বিজেপির শাসনকালে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোয় একের পর এক সহিংসতার ঘটনা ঘটছে।

সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর এই বিশেষ ক্ষমতা প্রত্যাহারের দাবি তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেসও।

নাগাল্যান্ডের গণহত্যার ঘটনায় সোমবার লোকসভা ও রাজ্যসভা উত্তাল হয়ে ওঠে। বিরোধীরা দাবি করেন, নাগাল্যান্ড থেকে আফসপা প্রত্যাহার করতে হবে।

লোকসভা এবং রাজ্যসভায় ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিবৃতি দিয়ে বলেন, 'এই ঘটনায় অনুশোচনা রয়েছে ভারত সরকারের। মৃতদের জন্য শোক প্রকাশ করছি । তদন্তের জন্য বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। এক মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হলেও এখন নিয়ন্ত্রণে। সব কেন্দ্রীয় সংস্থাকে নিশ্চিত করতে হবে, ভবিষ্যতে যাতে আর এ ধরনের ঘটনা না ঘটে।'

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বক্তব্যের মধ্যে বিরোধীরা স্লোগান তোলেন, 'এসব চলবে না।' বিরোধী দলের সাংসদরা নাগাল্যান্ডের গণহত্যা এবং আফসপা প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনার দাবি তোলেন।

আরও পড়ুন:
বিজেপির বিরুদ্ধে ত্রিপুরায় তৃণমূলের পাশে সিপিএম
বিজেপির হামলার প্রতিবাদে তৃণমূলের মোমবাতি মিছিল
‘আগরতলার জন্য নবরত্ন’
পুরভোটে বিজেপি-তৃণমূলের লড়াই এবার ত্রিপুরায়

শেয়ার করুন

ব্লাউজ নিয়ে ঝগড়ায় স্ত্রীর ‘আত্মহত্যা’

ব্লাউজ নিয়ে ঝগড়ায় স্ত্রীর ‘আত্মহত্যা’

প্রতীকী ছবি

দর্জি স্বামী পছন্দের ব্লাউজ বানাতে না পারায় তার প্রতি বিরক্ত ছিলেন বিজয়ালক্ষ্মী নামে ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী। বিষয়টি নিয়ে ঝগড়া করার পর শয়নকক্ষে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার স্কুলগামী দুটি সন্তান রয়েছে।

স্বামী পেশায় দর্জি। অথচ স্ত্রীর জন্য মনমতো ব্লাউজ বানাতে পারেননি। এই নিয়ে ঝগড়া। এর জেরে ‘আত্মহত্যা’ করে বসেছেন ওই নারী।

এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ভারতের হায়দরাবাদে আম্বারপেট এলাকার গোলানকা থিরু মালা নগরে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, দর্জি স্বামী পছন্দের ব্লাউজ বানাতে না পারায় তার প্রতি বিরক্ত ছিলেন বিজয়ালক্ষ্মী নামের ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী। বিষয়টি নিয়ে ঝগড়া করার পর শয়নকক্ষে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার স্কুলগামী দুটি সন্তান রয়েছে।

জীবিকার প্রয়োজনে বিজয়ালক্ষ্মীর স্বামী বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে শাড়ি ও ব্লাউজ সেলাই করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের কাপড়ও সেলাই করেন তিনি। শনিবার বিজয়ালক্ষ্মীর জন্য একটি ব্লাউজ সেলাই করেছিলেন। ব্লাউজটি পছন্দ হয়নি স্ত্রীর।

শুরু হয় ঝগড়া। বিজয়লক্ষ্মী তার ব্লাউজটি পুনরায় সেলাই করে দিতে স্বামীকে অনুরোধ করেছিলেন, কিন্তু তিনি রাজি হননি। এতে আরও ক্ষুব্ধ বিজয়লক্ষ্মী। পরে শিশুরা স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে শয়নকক্ষের দরজা বন্ধ দেখতে পায়। তারা নক করতে থাকে, কিন্তু কোনো সাড়া মেলেনি।

বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত বাড়ি ফেরেন বিজয়লক্ষ্মীর স্বামী। দরজা ভেঙে স্ত্রীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান তিনি।

পরে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি পুলিশকে জানালে তারা এসে মরদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে, চলছে তদন্ত।

আরও পড়ুন:
বিজেপির বিরুদ্ধে ত্রিপুরায় তৃণমূলের পাশে সিপিএম
বিজেপির হামলার প্রতিবাদে তৃণমূলের মোমবাতি মিছিল
‘আগরতলার জন্য নবরত্ন’
পুরভোটে বিজেপি-তৃণমূলের লড়াই এবার ত্রিপুরায়

শেয়ার করুন

ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক উষ্ণ করছে আমিরাত

ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক উষ্ণ করছে আমিরাত

ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানির আমন্ত্রণে তেহরান সফরে যাচ্ছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা শেখ তাহনুন বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। তিনি আরব আমিরাতের কার্যত শাসক ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন জায়েদের ভাই।

সৌদি আরবের সঙ্গে টানাপড়েনের মাঝে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক উষ্ণ করার জোরালো বার্তা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এর অংশ হিসেবে নিরাপত্তা উপদেষ্টা শেখ তাহনুন বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে তেহরানে পাঠাচ্ছে আবুধাবি।

ইরানি গণমাধ্যমের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার আল নাহিয়ানের তেহরানে পৌঁছনোর কথা রয়েছে। তবে এই সফরের বিষয়ে আমিরাতের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।

ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানির আমন্ত্রণে এ সফরে যাচ্ছেন আরব আমিরাতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা। সফরে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাসহ শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনার কথা রয়েছে তার।

রয়টার্স লিখেছে, শেখ তাহনুনের এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন ঘটনাবলি নিয়ে আলোচনা করা। তিনি আরব আমিরাতের কার্যত শাসক ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন জায়েদের ভাই।

তাহনুনের এই সফরকে ইরানের সঙ্গে আরব আমিরাতের শীতল সম্পর্ক উষ্ণ করার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইয়েমেন যুদ্ধে হুতিদের একচেটিয়া সমর্থন ও মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগে তেহরানকে এত দিন দায়ী করে আসছিল আমিরাত। এ ছাড়া উপকূলে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জন্যও ইরানকে দুষে আসছিল আরব বিশ্বের প্রভাবশালী দেশটি।

হরমুজ প্রণালির আবু মুসা দ্বীপের মালিকানা নিয়েও দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে। ইরান দ্বীপটি দখল করে সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে।

কয়েক বছর ধরেই সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে অংশীদারত্ব আরব দুনিয়ার ভূ-রাজনীতির রূপরেখা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে এসেছে। এই জোটের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখতে কাজ করে যাচ্ছিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও আবুধাবির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন জায়েদ। তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কও দেশ দুটির সম্পর্কে ভূমিকা রাখছিল।

সম্প্রতি বিভিন্ন ইস্যুতে দেশ দুটির মধ্যে টানাপড়েন চলছে। সবশেষ সৌদি আরব ও রাশিয়া তেল উৎপাদনের মাত্রা কম রাখার মেয়াদ আরও আট মাস বাড়ানোর প্রস্তাব দিলে আরব আমিরাত তা প্রত্যাখ্যান করে। এর জেরে ওপেক নিয়ে সৌদি আরব ও আরব আমিরাত কূটনৈতিক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাস গত মাসে ঘোষণা করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা কমিয়ে আনতে কাজ করবেন তারা। সম্পর্ক উন্নয়নে ইরানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন:
বিজেপির বিরুদ্ধে ত্রিপুরায় তৃণমূলের পাশে সিপিএম
বিজেপির হামলার প্রতিবাদে তৃণমূলের মোমবাতি মিছিল
‘আগরতলার জন্য নবরত্ন’
পুরভোটে বিজেপি-তৃণমূলের লড়াই এবার ত্রিপুরায়

শেয়ার করুন

৫৭ বছরের ব্যবধান ঘুচিয়েছে প্রেম

৫৭ বছরের ব্যবধান ঘুচিয়েছে প্রেম

জো ও ডেভিড। ছবি: ডেইলি সান

জো বলেন, ‘কৌতুকময় কথা আর অভিব্যক্তি দিয়ে ডেভিড আমাকে দারুণ হাসাতে পারে। সারাক্ষণ শুধু তার কথাই মনে পড়ে।’

প্রেমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা নেই। তবু মিয়ানমারের তরুণী জো আর যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা ডেভিডের প্রেম খবরের শিরোনাম হয়েছে। কারণ তাদের বয়সের ব্যবধান প্রায় ৫৭ বছর। শিগগিরই তারা বিয়ে করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বর্তমানে এই জুটির মধ্যে প্রায় পাঁচ হাজার মাইলের দূরত্ব। কারণ ২০ বছর বয়সী জো এখনও মিয়ানমারে পড়াশোনা করছেন। আর তার ৭৭ বছরের প্রেমিক ডেভিড একজন সংগীত পরিচালক, থাকেন ইংল্যান্ডে। বয়সের কারণেই তিনি এখন পেনশনভোগী।

দ্য সান জানিয়েছে, আলোচিত এই প্রেমের শুরুটা হয়েছিল আরও ১৮ মাস আগে একটি অনলাইন ডেটিং অ্যাপে। ওই সাইটটিতে জো মূলত একজন পরামর্শকের খোঁজ করছিলেন; যিনি তাকে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে অর্থনৈতিক সহযোগিতা করবেন। আর নারীদের সঙ্গে একটু গালগল্প করার জন্যই ওই সাইটে প্রবেশ করেছিলেন ডেভিড।

এ প্রসঙ্গে ডেভিড বলেন, ‘আমি আসলে যুক্তরাজ্যে বাস করা কম বয়সী নারীদের খোঁজ করছিলাম। আমার মতো বয়সে এ ধরনের সাইটে কারও কাছ থেকে রিপ্লাই পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।’

এদিকে মিয়ানমারে বসবাস করলেও ওই ডেটিং সাইটটিতে নিজেকে যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা হিসেবেই উপস্থাপন করেছিলেন জো। তাই ডেভিড তাকে ‘টোকা’ দিয়েছিলেন। এতে সাড়া দেন জোও।

খুচরো কথাবার্তা দিয়েই দুজনের যোগাযোগ শুরু হয়েছিল। কিন্তু শিগগিরই তা সিরিয়াস প্রেমে মোড় নিয়েছে।

জো বলেন, ‘প্রায় সব ব্যাপার নিয়েই আমি ডেভিডকে বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলাম। আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলা শুরু করলাম। একসময় বুঝতে পারলাম আমি তার প্রেমে পড়েছি। কারণ তিনি খুব আবেগপ্রবণ আর যত্নশীল।’

জো আরও বলেন, ‘কৌতুকময় কথা আর অভিব্যক্তি দিয়ে ডেভিড আমাকে দারুণ হাসাতে পারে। সারাক্ষণ শুধু তার কথাই মনে পড়ে।’

ভিন্ন অবস্থানের কারণে দুজনের মধ্যে সময়ের ব্যবধান ৬ ঘণ্টারও বেশি। তবু প্রেমের উন্মাদনায় রাত-বিরাতে যখন তখন ডেভিডকে স্মরণ করেন জো। আর ছোকরা প্রেমিকের মতো সাড়া দেন ডেভিডও।

এর আগে ১৯৮০-এর দশকে ডেভিড আরেকটি বিয়ে করেছিলেন। তবে এক দশকের বেশি সময় ধরে তিনি এখন নিঃসঙ্গ।

ডেভিড বলেন, ‘জো আমার কাছে বিশেষ কিছু। কারণ তার হৃদয় খুব উষ্ণ আর স্নেহপূর্ণ।’

দুঃখজনক ব্যাপার হলো- দেড় বছর ধরে প্রেম করলেও তাদের মধ্যে এখনও দেখাই হয়নি। গোলযোগপূর্ণ মিয়ানমার ত্যাগ করে যুক্তরাজ্যে যাওয়া সহজ ব্যাপার নয়। তবু একে অন্যের সান্নিধ্য পেতে তারা এখন দিন গুনছেন। ইতিমধ্যেই পাসপোর্ট আর ভিসার জন্য জো আবেদনও করেছেন। নতুন জীবন শুরু করা সময়ের ব্যাপার মাত্র।

আরও পড়ুন:
বিজেপির বিরুদ্ধে ত্রিপুরায় তৃণমূলের পাশে সিপিএম
বিজেপির হামলার প্রতিবাদে তৃণমূলের মোমবাতি মিছিল
‘আগরতলার জন্য নবরত্ন’
পুরভোটে বিজেপি-তৃণমূলের লড়াই এবার ত্রিপুরায়

শেয়ার করুন

ওমিক্রনে ঝুঁকি দেখছেন না ফাউসি

ওমিক্রনে ঝুঁকি দেখছেন না ফাউসি

ওমিক্রন আতঙ্কে আফ্রিকান দেশগুলোর ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: সংগৃহীত

হোয়াইট হাউসের করোনা মহামারিবিষয়ক টাস্কফোর্সের অন্যতম সদস্য অ্যান্থনি ফাউসি বলেন, ‘এখন ওমিক্রন বিষয়ে বিবৃতি দিলে তা বেশ আগে দেয়া হয়ে যায়। তবুও নতুন ভ্যারিয়েন্টকে তীব্র কোনো ভ্যারিয়েন্ট মনে হচ্ছে না। তবে ডেল্টার তুলনায় এটির ক্ষতির মাত্রা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার আগ পর্যন্ত আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন নিয়ে এখন পর্যন্ত যেসব তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে, তাতে বড় ধরনের ঝুঁকি দেখছেন না হোয়াইট হাউসের করোনা মহামারি মোকাবিলাবিষয়ক টাস্কফোর্সের অন্যতম সদস্য অ্যান্থনি ফাউসি।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের তীব্রতার যে প্রাথমিক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে তা বেশ আশাব্যঞ্জক। তবে এখনও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রয়োজন।

সাউথ আফ্রিকাতেও লক্ষ করা গেছে, ওমিক্রন ধরনের আবিভার্বের পরেও দেশটিতে করোনা আক্রান্তদের হাসপাতালে নেয়ার হার বৃদ্ধি পায়নি। সারা বিশ্বে এখন পর্যন্ত ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

ফাউসি বলেন, ‘এখন ওমিক্রন বিষয়ে বিবৃতি দিলে তা বেশ আগে দেয়া হয়ে যায়। তবুও নতুন ভ্যারিয়েন্টকে তীব্র কোনো ভ্যারিয়েন্ট মনে হচ্ছে না। তবে ডেল্টার তুলনায় এটির ক্ষতির মাত্রা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার আগ পর্যন্ত আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের ১৫টি রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে ওমিক্রন। রয়টার্সের তথ্য মতে, ক্যালিফোর্নিয়া, কলোরাডো, নেবরাস্কা, নিউ জার্সি, নিউ ইয়র্ক, পেনসিলভানিয়া, উটাহ, ওয়াশিংটন ও উইসকনসিন রাজ্যে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে।

মেডিক্যাল বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, সামনের সপ্তাহগুলোতে এর তীব্রতা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং নতুন করে বিশ্বের অনেক দেশেই ছড়িয়ে পড়তে পারে। করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের বিস্তার ঠেকাতে বিশ্বের সব দেশকে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক পরিচালক তাকেশি কাসাই বলেন, ‘কয়েক দফা মিউটেশন হওয়ায় ওমিক্রন নিয়ে আমাদের ভাবতে হচ্ছে। এ ছাড়া প্রাথমিক তথ্য বলছে, এটি অন্য সব ধরন থেকে দ্রুত সংক্রমিত হচ্ছে। আমাদের বেশি বেশি পরীক্ষা এবং পর্যবেক্ষণ করা উচিত।’

আফ্রিকার দেশ বতসোয়ানায় ১১ নভেম্বর প্রথম ‘বি.১.১.৫২৯’ ভ্যারিয়েন্টটি শনাক্ত হয়, যাকে এখন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ওমিক্রন’ বলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও) । ‘বি.১.১.৫২৯’ ভ্যারিয়েন্টকে উদ্বেগজনক ধরন হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করে ডব্লিউএইচও।

আরও পড়ুন:
বিজেপির বিরুদ্ধে ত্রিপুরায় তৃণমূলের পাশে সিপিএম
বিজেপির হামলার প্রতিবাদে তৃণমূলের মোমবাতি মিছিল
‘আগরতলার জন্য নবরত্ন’
পুরভোটে বিজেপি-তৃণমূলের লড়াই এবার ত্রিপুরায়

শেয়ার করুন

নাগাল্যান্ডে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ১২ গ্রামবাসী নিহত

নাগাল্যান্ডে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ১২ গ্রামবাসী নিহত

নাগাল্যান্ডে জঙ্গি ভেবে ১২ সাধারণ মানুষকে গুলি করে হত্যা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছবি: বিবিসি

শনিবার রাতে নাগাল্যান্ডের মন জেলার তিরু-ওটিং রোডে সন্ত্রাস দমন অভিযান চালাচ্ছিল নিরাপত্তা বাহিনী। সে সময় একটি মিনি পিকআপ ভ্যানে করে বাড়ি ফিরছিল একদল সাধারণ মানুষ। অনুপ্রবেশকারী ভেবে তাদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালালে তাদের মধ্যে ১২ জন নিহত হয়।

সন্ত্রাস দমন অভিযানে বেরিয়ে ভুলবশত ‘অনুপ্রবেশকারী জঙ্গি’ ভেবে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালালে ১২ জন গ্রামবাসী নিহত হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারত-মিয়ানমার সীমান্তের কাছে নাগাল্যান্ডের মন জেলার ওটিং গ্রামে। এ ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নাগাল্যান্ড প্রশাসন।

নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেইফিও রিও এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে টুইট করেছেন।

তিনি লেখেন, ‘ওটিংয়ে গ্রামবাসীর মৃত্যুর ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক।’

মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন, উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী দোষীরা শাস্তি পাবে বলে জানান তিনি।

নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে অসম রাইফেলসের পক্ষ থেকে বিবৃতি দেয়া হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত হবে। দোষীদের আইন অনুযায়ী শাস্তি দেয়া হবে।’

স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার রাতে নাগাল্যান্ডের মন জেলার তিরু-ওটিং রোডে সন্ত্রাস দমন অভিযান চালাচ্ছিলেন নিরাপত্তা বাহিনী। সে সময় একটি মিনি পিকআপ ভ্যানে করে বাড়ি ফিরছিলেন একদল সাধারণ মানুষ। অনুপ্রবেশকারী ভেবে তাদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালালে তাদের মধ্যে ১২ জন নিহত হয়।

এদিকে গ্রামের লোকজন তাদের পরিজনদের ফিরে আসতে দেরি দেখে খুঁজতে বেরিয়ে দেখে মিনি পিকআপ ভ্যান ভর্তি লাশ। এ ঘটনায় বিক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দারা।

নিরাপত্তা বাহিনীকে ঘিরে ধরে গ্রামবাসী বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। বাহিনীর তিনটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।

এ সময় নিরাপত্তা বাহিনী আত্মরক্ষার্থে গুলি চালালে সাতজন স্থানীয় বাসিন্দা আহত হয়।

সেখানে একজন বিএসএফ জওয়ানেরও মৃত্যু হয়েছে বলে অসম রাইফেলসের বিবৃতিতে জানানো হয়।

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

রোববারের টুইটে তিনি বলেন, ‘ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হবে। নিহতদের পরিবার বিচার পাবে।’

আরও পড়ুন:
বিজেপির বিরুদ্ধে ত্রিপুরায় তৃণমূলের পাশে সিপিএম
বিজেপির হামলার প্রতিবাদে তৃণমূলের মোমবাতি মিছিল
‘আগরতলার জন্য নবরত্ন’
পুরভোটে বিজেপি-তৃণমূলের লড়াই এবার ত্রিপুরায়

শেয়ার করুন