অ্যালবেট্রস দম্পতিদের বিচ্ছেদ কেন বাড়ছে

অ্যালবেট্রস দম্পতিদের বিচ্ছেদ কেন বাড়ছে

মানুষের মতো অ্যালবেট্রস পাখিরাও নানা কাঠ-খড় পুড়িয়ে একটি নতুন সম্পর্ক তৈরি করে। ছবি: বিবিসি

অ্যালবেট্রস নিয়ে সাম্প্রতিক একটি গবেষণা প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক ও লিসবন ইউনিভার্সিটির গবেষক ফ্রান্সিকো ভেনচুরা বলেন, ‘একগামীতা ও দীর্ঘস্থায়ী বন্ধন অ্যালবেট্রস সমাজে খুবই সাধারণ একটি ঘটনা।’

সঙ্গীর প্রতি বিশ্বস্ততায় অ্যালবেট্রস পাখিরা জগদ্বিখ্যাত। এর মানে এই নয় যে, তারা কখনও একে অপরকে ছেড়ে যায় না। তবে সেই সংখ্যাটি নগন্যই বলা চলে। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, এই পাখিদের মধ্যে বিচ্ছেদের হার বেড়ে গেছে বহুগুণে।

যুক্তরাজ্যের রয়্যাল সোসাইটি জার্নালে সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। গত ১৫ বছর ধরে ফকল্যান্ড আইল্যান্ডে সাড়ে ১৫ হাজার অ্যালবেট্রস যুগলের ওপর নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে এই প্রতিবেদনটি তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে বিবিসি জানিয়েছে, মানুষের মতো অ্যালবেট্রস পাখিরাও নানা কাঠ-খড় পুড়িয়ে একটি নতুন সম্পর্ক তৈরি করে। একবার তাদের মনের মিল হয়ে গেলে- সারাজীবনই তারা একে অপরকে সঙ্গ দিয়ে চলে। সাধারণ হিসেবে, খুব বেশি হলে এক শতাংশ অ্যালবেট্রস যুগলের মধ্যে বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে; যা মানুষের সমাজের চেয়ে অনেকাংশেই কম।

অ্যালবেট্রস নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদনটির অন্যতম লেখক ও লিসবন ইউনিভার্সিটির গবেষক ফ্রান্সিকো ভেনচুরা বলেন, ‘একগামীতা ও দীর্ঘস্থায়ী বন্ধন অ্যালবেট্রস সমাজে খুবই সাধারণ একটি ঘটনা।’

কিন্তু বিগত বছরগুলোর গবেষণায় দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পানির তাপমাত্রা যত বাড়ছে অ্যালবেট্রস যুগলদের মধ্যে বিচ্ছেদের হারও তত বাড়ছে। বর্তমানে এমন বিচ্ছেদ বেদনা সহ্য করতে হচ্ছে ৮ শতাংশেরও বেশি অ্যালবেট্রস যুগলকে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, সাধারণত কোনো অ্যালবেট্রস যুগল প্রজননে ব্যার্থ হলেই তাদের মধ্যে বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে। এক্ষেত্রে পরবর্তী প্রজনন মৌসুমের জন্য তারা নতুন সঙ্গীর খোঁজ করে। কিন্তু সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, একটি সফল প্রজনন মৌসুম কাটানোর পরও অ্যালবেট্রস যুগলদের মধ্যে বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটছে।

ফ্রান্সিসকো বলেন, অ্যালবেট্রসদের বিচ্ছেদ বাড়ার নেপথ্যে দুটি কারণ থাকতে পারে। প্রথমত, দীর্ঘস্থায়ী একটি সম্পর্ক মানিয়ে চলতে তারা হয়তো অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছে। দ্বিতীয়ত, পানির তাপমাত্রা বাড়তে থাকার কারণে অ্যালবেট্রস পাখিদের আরও দীর্ঘ সময় শিকার খুঁজে বেড়াতে হচ্ছে। শিকারের সন্ধানে তারা আগের চেয়েও দূর-দূরান্তে উড়ে যাচ্ছে। ফলে প্রজনন মৌসুমে তাদের অনেকেই সময়মতো নীড়ে ফিরতে ব্যর্থ হচ্ছে। আর এই ফাঁকে তাদের সঙ্গীরা নতুন কোনো সঙ্গীকে বেছে নিচ্ছে।

আবার এমনও হতে পারে, বিরূপ আবহাওয়া অ্যালবেট্রস পাখিদের হরমোনে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসছে। ফলে সঙ্গীর প্রতি বিশ্বস্ত থাকার বৈশিষ্ট্যগুলো তারা হারিয়ে ফেলছে।

ফ্রান্সিসকো বলেন, ‘প্রজনন শর্তগুলো কঠিন থেকে কঠিনতর হওয়া আর খাদ্যের অভাব অ্যালবেট্রস পাখিদের মধ্যে ক্লান্তি বাড়াচ্ছে। ফলে তারা একে অপরের সক্ষমতায় সন্তুষ্ট হতে পারছে না। যার ফল শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদেই গড়াচ্ছে।

এমন প্রবণতা অ্যালবেট্রসের সংখ্যার ওপরও প্রভাব ফেলছে। ২০১৭ সালের এক পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৮০-এর দশকের তুলনায় প্রজননক্ষম অ্যালবেট্রস যুগলের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

ফ্রান্সিকো মনে করেন, বৈশ্বিক ও সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা যত বাড়বে অ্যালবেট্রস পাখিদের সমাজে এমন বিচ্ছেদের গল্পও তত বাড়বে।

আরও পড়ুন:
বৈশ্বিক উষ্ণতা বাদ দিয়েই গ্লাসগো চুক্তি সই
একমত না হওয়ায় বাড়তি সময়ে জলবায়ু সম্মেলন
‘জলবায়ু অভিযোজনে প্রয়োজন প্রতিশ্রুত বরাদ্দ’
কপ-২৬, খসড়া নিয়ে টিআইবির উদ্বেগ
জলবায়ু ইস্যুতে চমকে দেয়া মতৈক্য যুক্তরাষ্ট্র-চীনের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

৫৭ বছরের ব্যবধান ঘুচিয়েছে প্রেম

৫৭ বছরের ব্যবধান ঘুচিয়েছে প্রেম

জো ও ডেভিড। ছবি: ডেইলি সান

জো বলেন, ‘কৌতুকময় কথা আর অভিব্যক্তি দিয়ে ডেভিড আমাকে দারুণ হাসাতে পারে। সারাক্ষণ শুধু তার কথাই মনে পড়ে।’

প্রেমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা নেই। তবু মিয়ানমারের তরুণী জো আর যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা ডেভিডের প্রেম খবরের শিরোনাম হয়েছে। কারণ তাদের বয়সের ব্যবধান প্রায় ৫৭ বছর। শিগগিরই তারা বিয়ে করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বর্তমানে এই জুটির মধ্যে প্রায় পাঁচ হাজার মাইলের দূরত্ব। কারণ ২০ বছর বয়সী জো এখনও মিয়ানমারে পড়াশোনা করছেন। আর তার ৭৭ বছরের প্রেমিক ডেভিড একজন সংগীত পরিচালক, থাকেন ইংল্যান্ডে। বয়সের কারণেই তিনি এখন পেনশনভোগী।

দ্য সান জানিয়েছে, আলোচিত এই প্রেমের শুরুটা হয়েছিল আরও ১৮ মাস আগে একটি অনলাইন ডেটিং অ্যাপে। ওই সাইটটিতে জো মূলত একজন পরামর্শকের খোঁজ করছিলেন; যিনি তাকে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে অর্থনৈতিক সহযোগিতা করবেন। আর নারীদের সঙ্গে একটু গালগল্প করার জন্যই ওই সাইটে প্রবেশ করেছিলেন ডেভিড।

এ প্রসঙ্গে ডেভিড বলেন, ‘আমি আসলে যুক্তরাজ্যে বাস করা কম বয়সী নারীদের খোঁজ করছিলাম। আমার মতো বয়সে এ ধরনের সাইটে কারও কাছ থেকে রিপ্লাই পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।’

এদিকে মিয়ানমারে বসবাস করলেও ওই ডেটিং সাইটটিতে নিজেকে যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা হিসেবেই উপস্থাপন করেছিলেন জো। তাই ডেভিড তাকে ‘টোকা’ দিয়েছিলেন। এতে সাড়া দেন জোও।

খুচরো কথাবার্তা দিয়েই দুজনের যোগাযোগ শুরু হয়েছিল। কিন্তু শিগগিরই তা সিরিয়াস প্রেমে মোড় নিয়েছে।

জো বলেন, ‘প্রায় সব ব্যাপার নিয়েই আমি ডেভিডকে বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলাম। আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলা শুরু করলাম। একসময় বুঝতে পারলাম আমি তার প্রেমে পড়েছি। কারণ তিনি খুব আবেগপ্রবণ আর যত্নশীল।’

জো আরও বলেন, ‘কৌতুকময় কথা আর অভিব্যক্তি দিয়ে ডেভিড আমাকে দারুণ হাসাতে পারে। সারাক্ষণ শুধু তার কথাই মনে পড়ে।’

ভিন্ন অবস্থানের কারণে দুজনের মধ্যে সময়ের ব্যবধান ৬ ঘণ্টারও বেশি। তবু প্রেমের উন্মাদনায় রাত-বিরাতে যখন তখন ডেভিডকে স্মরণ করেন জো। আর ছোকরা প্রেমিকের মতো সাড়া দেন ডেভিডও।

এর আগে ১৯৮০-এর দশকে ডেভিড আরেকটি বিয়ে করেছিলেন। তবে এক দশকের বেশি সময় ধরে তিনি এখন নিঃসঙ্গ।

ডেভিড বলেন, ‘জো আমার কাছে বিশেষ কিছু। কারণ তার হৃদয় খুব উষ্ণ আর স্নেহপূর্ণ।’

দুঃখজনক ব্যাপার হলো- দেড় বছর ধরে প্রেম করলেও তাদের মধ্যে এখনও দেখাই হয়নি। গোলযোগপূর্ণ মিয়ানমার ত্যাগ করে যুক্তরাজ্যে যাওয়া সহজ ব্যাপার নয়। তবু একে অন্যের সান্নিধ্য পেতে তারা এখন দিন গুনছেন। ইতিমধ্যেই পাসপোর্ট আর ভিসার জন্য জো আবেদনও করেছেন। নতুন জীবন শুরু করা সময়ের ব্যাপার মাত্র।

আরও পড়ুন:
বৈশ্বিক উষ্ণতা বাদ দিয়েই গ্লাসগো চুক্তি সই
একমত না হওয়ায় বাড়তি সময়ে জলবায়ু সম্মেলন
‘জলবায়ু অভিযোজনে প্রয়োজন প্রতিশ্রুত বরাদ্দ’
কপ-২৬, খসড়া নিয়ে টিআইবির উদ্বেগ
জলবায়ু ইস্যুতে চমকে দেয়া মতৈক্য যুক্তরাষ্ট্র-চীনের

শেয়ার করুন

ব্লাউজ নিয়ে ঝগড়ায় স্ত্রীর ‘আত্মহত্যা’

ব্লাউজ নিয়ে ঝগড়ায় স্ত্রীর ‘আত্মহত্যা’

প্রতীকী ছবি

দর্জি স্বামী পছন্দের ব্লাউজ বানাতে না পারায় তার প্রতি বিরক্ত ছিলেন বিজয়ালক্ষ্মী নামে ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী। বিষয়টি নিয়ে ঝগড়া করার পর শয়নকক্ষে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার স্কুলগামী দুটি সন্তান রয়েছে।

স্বামী পেশায় দর্জি। অথচ স্ত্রীর জন্য মনমতো ব্লাউজ বানাতে পারেননি। এই নিয়ে ঝগড়া। এর জেরে ‘আত্মহত্যা’ করে বসেছেন ওই নারী।

এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ভারতের হায়দরাবাদে আম্বারপেট এলাকার গোলানকা থিরু মালা নগরে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, দর্জি স্বামী পছন্দের ব্লাউজ বানাতে না পারায় তার প্রতি বিরক্ত ছিলেন বিজয়ালক্ষ্মী নামের ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী। বিষয়টি নিয়ে ঝগড়া করার পর শয়নকক্ষে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার স্কুলগামী দুটি সন্তান রয়েছে।

জীবিকার প্রয়োজনে বিজয়ালক্ষ্মীর স্বামী বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে শাড়ি ও ব্লাউজ সেলাই করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের কাপড়ও সেলাই করেন তিনি। শনিবার বিজয়ালক্ষ্মীর জন্য একটি ব্লাউজ সেলাই করেছিলেন। ব্লাউজটি পছন্দ হয়নি স্ত্রীর।

শুরু হয় ঝগড়া। বিজয়লক্ষ্মী তার ব্লাউজটি পুনরায় সেলাই করে দিতে স্বামীকে অনুরোধ করেছিলেন, কিন্তু তিনি রাজি হননি। এতে আরও ক্ষুব্ধ বিজয়লক্ষ্মী। পরে শিশুরা স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে শয়নকক্ষের দরজা বন্ধ দেখতে পায়। তারা নক করতে থাকে, কিন্তু কোনো সাড়া মেলেনি।

বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত বাড়ি ফেরেন বিজয়লক্ষ্মীর স্বামী। দরজা ভেঙে স্ত্রীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান তিনি।

পরে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি পুলিশকে জানালে তারা এসে মরদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে, চলছে তদন্ত।

আরও পড়ুন:
বৈশ্বিক উষ্ণতা বাদ দিয়েই গ্লাসগো চুক্তি সই
একমত না হওয়ায় বাড়তি সময়ে জলবায়ু সম্মেলন
‘জলবায়ু অভিযোজনে প্রয়োজন প্রতিশ্রুত বরাদ্দ’
কপ-২৬, খসড়া নিয়ে টিআইবির উদ্বেগ
জলবায়ু ইস্যুতে চমকে দেয়া মতৈক্য যুক্তরাষ্ট্র-চীনের

শেয়ার করুন

রোবট মাছে কেমো হবে নির্ভুল, থাকবে না পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

রোবট মাছে কেমো হবে নির্ভুল, 
থাকবে না পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

চীনা বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত রোবট মাছ। ছবি: ডেইলি মেইল

বর্তমানে ক্যানসার চিকিৎসায় কেমোর ওষুধ রক্তের মাধ্যমে শরীরে ছড়িয়ে ক্যানসার কোষের সঙ্গে যুদ্ধ করে। এই যুদ্ধে অসংখ্য সুস্থ কোষও মারা যায়। এর প্রভাবে রোগীর শরীরে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

অতি ক্ষুদ্র রোবটটি দেখতে ঠিক মাছের মতো। ক্যানসার প্রতিরোধে এবার এই রোবট মাছকেই কাজে লাগাতে চাইছেন বিজ্ঞানীরা। কেমোথেরাপির সঙ্গে এই বস্তুটিকে সরাসরি টিউমারে পাঠানো হবে। কেমোথেরাপিতে শরীরে যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়, এই পদ্ধতিতে তা থেকে মুক্তি পাবেন রোগীরা।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতি ক্ষুদ্র রোবট মাছগুলো আয়তনে এক মিলিমিটারের ১০০ ভাগের এক ভাগের সমান। বিশেষ থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে একটি জেল থেকে এগুলো সৃষ্টি করেছেন এক দল চীনা বিজ্ঞানী। ভিন্ন পিএইচ মাত্রায় গেলে এরা আকৃতি পরিবর্তন করে।

আবিষ্কারের পর রোবট মাছটিগুলোকে আয়রন অক্সাইড সল্যুশনে চুবিয়ে রেখে বিজ্ঞানীরা দেখতে পান, এগুলোর মধ্যে চৌম্বক শক্তির সৃষ্টি হয়েছে। কেমো চিকিৎসায় এই চৌম্বক শক্তিকেই কাজে লাগানো হবে।

ক্যানসার চিকিৎসায় এই মাছগুলোকে প্রথমে রক্তনালীতে ইনজেকশনের মাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হবে। পরে চৌম্বক শক্তি এদের নিয়ে যাবে টিউমারের কাছে।

ক্যানসার কোষগুলো টিউমারের চারপাশের রক্তরসে থাকা পিএইচ লেভেলকে আরও অম্লীয় করে তোলে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই কেমোর ওষুধ নিয়ে সেখানে হাজির হবে রোবট মাছ। পরে ভিন্ন পিএইচ মাত্রার সংস্পর্শে যাওয়ায় এগুলোর আকৃতির পরিবর্তন ঘটবে। এক পর্যায়ে এরা সঙ্গে নিয়ে যাওয়া কেমোর ওষুধ মুখ হা করে ছেড়ে দেবে।

প্রাথমিকভাবে মাছগুলোর এমন আচরণ কাচের পাত্রে পরীক্ষা করে দেখেছেন বিজ্ঞানীরা। চিকিৎসায় ব্যবহারের আগে এগুলোর আকৃতি আরও ছোট করার চিন্তা করা হচ্ছে।

বর্তমানে ক্যানসার চিকিৎসায় কেমোর ওষুধ রক্তের মাধ্যমে শরীরে ছড়িয়ে ক্যানসার কোষের সঙ্গে যুদ্ধ করে। এই যুদ্ধে অসংখ্য সুস্থ কোষও মারা যায়। এর প্রভাবে রোগীর শরীরে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়। শারীরিক অস্বস্তি ও চুল পড়ে যাওয়া এর অন্যতম।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, রোবট মাছ শুধু ক্যানসার কোষগুলোকেই নিশানা করবে, এতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত থাকবেন রোগীরা।

আরও পড়ুন:
বৈশ্বিক উষ্ণতা বাদ দিয়েই গ্লাসগো চুক্তি সই
একমত না হওয়ায় বাড়তি সময়ে জলবায়ু সম্মেলন
‘জলবায়ু অভিযোজনে প্রয়োজন প্রতিশ্রুত বরাদ্দ’
কপ-২৬, খসড়া নিয়ে টিআইবির উদ্বেগ
জলবায়ু ইস্যুতে চমকে দেয়া মতৈক্য যুক্তরাষ্ট্র-চীনের

শেয়ার করুন

ফল ও সবজির আর্ট

ফল ও সবজির আর্ট

প্রথমে তিনি গ্রোসারি দোকান থেকে বিভিন্ন ফলমূল এবং সবজি কিনে আনেন। তারপর সেগুলোতে খোদাই করে করে নানা রকম আকর্ষণীয় প্যাটার্ন তৈরি করেন। এর মধ্যে জ্যামিতিক ডিজাইন থেকে শুরু করে ঐতিহ্যবাহী মোফিট এবং পশুপাখির আকৃতিও থাকে।

উপকরণ শুধু একটি জাকটু ছুরি আর কিছু ফল-সবজি। জাপানের শিল্পী গাকু এই ছুরি দিয়েই ওই ফল ও সবজিতে খোদাই করে করে তৈরি করছেন অভূতপূর্ব সব ভাস্কর্য। যদিও ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু তৈরি করার পর ওই ফল বা সবজিগুলোর সৌন্দর্য দেখে আশ্চর্য না হয়ে উপায় নেই। অডিটি সেন্ট্রালের এক প্রতিবেদন জানাচ্ছে, গাকু জাপানের ঐতিহ্যবাহী খাদ্য-খোদাই আর্ট মুকিমোনো থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই এই কাজগুলো করতে আগ্রহী হয়েছিলেন।

প্রথমে তিনি গ্রোসারি দোকান থেকে বিভিন্ন ফলমূল এবং সবজি কিনে আনেন। তারপর সেগুলোতে খোদাই করে নানা রকম আকর্ষণীয় প্যাটার্ন তৈরি করেন। এর মধ্যে জ্যামিতিক ডিজাইন থেকে শুরু করে ঐতিহ্যবাহী মোফিট এবং পশুপাখির আকৃতিও থাকে। এসব করতে সবার প্রথমে দরকার হয় অসীম ধৈর্যক্ষমতা।

তবে গাকুর বিশেষত্ব হলো তার দ্রুতগতি। অসাধারণ দ্রুততার সঙ্গে তিনি এই কাজগুলো করতে পারেন। যেখানে একটু এদিক-ওদিক হলে সব নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে, সেখানে তিনি এত দ্রুত ও নিখুঁতভাবে কাজগুলো করেন যে, চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে থাকতে হয়। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই তিনি কাজ শেষ করে সেগুলোকে ছবি তোলার জন্য প্রস্তুত করে ফেলতে পারেন। এই দ্রুতগতি তাকে রপ্ত করতে হয়েছে কারণ, ফলমূল ও সবজিগুলো অল্প সময়ের মধ্যেই লালচে হয়ে যায়। লালচে হওয়ার আগেই দ্রুত কাজ শেষ করেন তিনি।

ফল ও সবজির আর্ট

ফল ও সবজির আর্ট

ফল ও সবজির আর্ট

আরও পড়ুন:
বৈশ্বিক উষ্ণতা বাদ দিয়েই গ্লাসগো চুক্তি সই
একমত না হওয়ায় বাড়তি সময়ে জলবায়ু সম্মেলন
‘জলবায়ু অভিযোজনে প্রয়োজন প্রতিশ্রুত বরাদ্দ’
কপ-২৬, খসড়া নিয়ে টিআইবির উদ্বেগ
জলবায়ু ইস্যুতে চমকে দেয়া মতৈক্য যুক্তরাষ্ট্র-চীনের

শেয়ার করুন

জনের মাথায় আস্ত গাড়ি

জনের মাথায় আস্ত গাড়ি

মাথায় গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে জন ইভান্স। ছবি: বিবিসি

জনের ইচ্ছা, আড়াই লাখ পাউন্ডের একটি চ্যারিটি প্রতিষ্ঠা করা। এভাবে জন সারা বিশ্ব ঘুরে তার প্রতিভা দেখিয়ে বা মাথার ভারসাম্য দেখিয়ে এই অর্থ জোগাড় করতে চান বলে জানান।

শক্তিশালী মানুষ হিসেবে পরিচিত জন ইভান্স। বয়স একেবারে কম নয়; সত্তর ছাড়িয়ে। একটি ভবনে শ্রমিকের কাজ করেন ৭৪ বছরের জন।

তবে তার অন্যতম প্রতিভা হচ্ছে, ভারসাম্য বা ব্যালেন্সিং। কাজ থেকে অবসরের আগে তিনি অন্তত ১০০টি রেকর্ড করতে চান। তার সেই রেকর্ডের মধ্যে রয়েছে আস্ত একটি গাড়ি মাথার ওপর নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা।

নিজের ইচ্ছাশক্তি আর চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়েই নিজের বাসনা পূরণ করতে চান জন।

বিবিসির খবরে বলা হয়, ইংল্যান্ডের ডার্বিশায়ারের বাসিন্দা জন। জনের বয়স যখন ১৫-১৭ বছর, তখন থেকে মাথায় এমন ভার নিয়ে ভারসাম্যের অনুশীলন শুরু।

এরপর তিনি কাজ শুরু করেন নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে। যেখানে তিনি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মাথায় করে ইট নিয়ে যেতেন। সেখান থেকেই নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় জনের।

জন তার মাথায় শুধু গাড়িই নয়, কী মাথার ওপর বসাননি তিনি। একসঙ্গে দুই-তিনজন মানুষ বসেছিলেন তার মাথায়। মাথায় নিয়েছেন ছোটোখাটো ঘর-বাড়ি, ইট, ডিম, পানীয়র বোতলসহ আরও অনেক কিছু।

তার ইচ্ছা, আড়াই লাখ পাউন্ডের একটি চ্যারিটি প্রতিষ্ঠা করা। এভাবে জন সারা বিশ্ব ঘুরে তার প্রতিভা দেখিয়ে বা মাথার ভারসাম্য দেখিয়ে এই অর্থ জোগাড় করতে চান বলে জানান।

জন জানান, এরই মধ্যে তিনি ৯৮টি বিশ্বরেকর্ড তৈরি করেছেন। যার মধ্যে ৫০টির স্বীকৃতি দিয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুক।

আরও পড়ুন:
বৈশ্বিক উষ্ণতা বাদ দিয়েই গ্লাসগো চুক্তি সই
একমত না হওয়ায় বাড়তি সময়ে জলবায়ু সম্মেলন
‘জলবায়ু অভিযোজনে প্রয়োজন প্রতিশ্রুত বরাদ্দ’
কপ-২৬, খসড়া নিয়ে টিআইবির উদ্বেগ
জলবায়ু ইস্যুতে চমকে দেয়া মতৈক্য যুক্তরাষ্ট্র-চীনের

শেয়ার করুন

মৃত বন্ধুকে নিয়ে ‘শেষ’ বাইক ভ্রমণ

মৃত বন্ধুকে নিয়ে ‘শেষ’ বাইক ভ্রমণ

মৃত বন্ধুকে এভাবেই কফিন থেকে বাইকে নিয়ে তোলা হয়। ছবিটি ভিডিও থেকে নেয়া।

একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, শেষযাত্রার জন্য প্রস্তুত একটি কাঠের কফিন থেকে এরিককে টেনে বের করে আনছেন তার বন্ধুরা। তারপর তারা তাকে একটি বাইকে নিয়ে তোলেন।

আততায়ীর গুলিতে খুন হয়েছে বন্ধু! ব্যাপারটিকে কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না একদল যুবক। বন্ধুকে হারিয়ে তারা পাগলপ্রায়। শেষকৃত্যানুষ্ঠানে নিয়ে যেতে তাই মৃত বন্ধুকেই তুলে নেয়া হলো মোটরসাইকেলে।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে ইকুয়েডরের মানাবি প্রদেশে।

শনিবার ডেইলি মেইল জানিয়েছে, মানাবির পর্তোভিজো শহরেই বন্ধুদের সঙ্গে হাসি-আনন্দে দিনগুলো কাটছিল ২১ বছর বয়সী এরিক শেডেনোর। কিন্তু এই হাসি-আনন্দ থেমে যায় গত সপ্তাহের শেষ দিনটিতে। সে সময় একটি শেষকৃত্যানুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু তার পথ আগলে দাঁড়ায় দুই আততায়ী। তাদের গুলিতেই অকালে প্রাণ হারান এরিক।

একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, শেষযাত্রার জন্য প্রস্তুত একটি কাঠের কফিন থেকে এরিককে টেনে বের করে আনছেন তার বন্ধুরা। তারপর তারা তাকে একটি বাইকে নিয়ে তোলেন। বাইকটি চালাচ্ছিলেন এক বন্ধু। আর মৃত এরিককে মাঝখানে বসিয়ে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলেন আরেক বন্ধু।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, বন্ধুকে কফিন থেকে বের করে বাইকে তোলার ঘটনাটি আশপাশে দাঁড়িয়ে দেখছিল অসংখ্য মানুষ। বাইকটি যাত্রা শুরু করার পর পেছনে দাঁড়ানো অন্য বন্ধুদের হাত উঁচিয়ে উল্লাস করতেও দেখা গেছে।

স্পেনিশ ভাষার পত্রিকা লা রিপাবলিকা জানিয়েছে, কবর দেয়ার সময় এরিকের কফিনে মদও ঢেলে দিয়েছেন তার বন্ধুরা। তারা দাবি করেছেন, এরিকের বাবা-মায়ের অনুমতি নিয়েই তাকে বাইকে চড়িয়ে শেষকৃত্যানুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ এ ঘটনাটিকে ‘বিকৃত’ বলে আখ্যা দিয়েছে। তবে শেষকৃত্যানুষ্ঠান ব্যক্তিগত বিষয় হওয়ায় এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার কিংবা কোনো তদন্ত হয়নি।

আরও পড়ুন:
বৈশ্বিক উষ্ণতা বাদ দিয়েই গ্লাসগো চুক্তি সই
একমত না হওয়ায় বাড়তি সময়ে জলবায়ু সম্মেলন
‘জলবায়ু অভিযোজনে প্রয়োজন প্রতিশ্রুত বরাদ্দ’
কপ-২৬, খসড়া নিয়ে টিআইবির উদ্বেগ
জলবায়ু ইস্যুতে চমকে দেয়া মতৈক্য যুক্তরাষ্ট্র-চীনের

শেয়ার করুন

পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা গাড়ি দি আমেরিকান ড্রিম

পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা গাড়ি দি আমেরিকান ড্রিম

গাড়িতে যাত্রী বসার সিটের পাশাপাশি মিনি গলফ কোর্স, জ্যাকুজ্জি বাথটাব, ফ্রিজ-টিভি, টেলিফোন, সুইমিংপুল এমনকি হেলিপ্যাড পর্যন্ত ছিল। এর বনেটটিকে হেলিপ্যাড হিসেবে ব্যবহার করা হতো।

‘দি আমেরিকান ড্রিম’- এই নামেই পরিচিত ছিল এই অতিকায় লিমুজিন গাড়িটি। ১৯৮৬ সালে পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা গাড়ি হিসেবে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডস রেকর্ডেও নাম উঠেছিল। একটি সাধারণ গাড়ির দৈর্ঘ্য যেখানে ১৪ থেকে ১৫ ফিট হয়, সেখানে এই গাড়িটির দৈর্ঘ্য ছিল- ১০০ ফিট! গঠন ও গড়নে গাড়ি না হলে, একে নির্ঘাত একটি ট্রেন বলে চালিয়ে দেয়া যেত।

হিন্দুস্থান টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আকার-আকৃতিতে দৈত্যাকার হওয়ার পাশাপাশি আরও অনেক অবাক করা বৈশিষ্ট্যের জন্য বিখ্যাত হয়ে উঠেছিল ‘দি আমেরিকান ড্রিম’।

পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা গাড়ি দি আমেরিকান ড্রিম

এতে যাত্রী বসার সিটের পাশাপাশি মিনি গলফ কোর্স, জ্যাকুজ্জি বাথটাব, ফ্রিজ-টিভি, টেলিফোন, সুইমিংপুল এমনকি হেলিপ্যাড পর্যন্ত ছিল। এর বনেটটিকে হেলিপ্যাড হিসেবে ব্যবহার করা হতো।

এককথায় আজকাল আমরা দামি বিলাসবহুল গাড়ি বলতে যা বুঝি তার চেয়েও অধিক ছিল ওয়ান্ডার কার দি আমেরিকান ড্রিম। অনায়াসে একসঙ্গে ৭০ জন মানুষ ভ্রমণ করতে পারত।

পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা গাড়ি দি আমেরিকান ড্রিম

এই গাড়িটি কোনো গাড়ি প্রস্তুতকারী কোম্পানি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ডিজাইন করেনি। জে ওরবার্গ নামের এক লোক এটি ডিজাইন করে সিনেমায় ব্যবহারের জন্য। ওরবার্গ সে সময়ে হলিউড সিনেমার গাড়ি ডিজাইনের জন্য বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। তিনি এই গাড়িটি ডিজাইন করেন ১৯৮০ সালে।

আমেরিকান ড্রিম মূলত ক্যাডিলাক এলডোরাডো লিমুজিন ১৯৭৬-এ নির্মিত। এটি বানাতে টানা ১২ বছর সময় লাগে। পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে গেলে ১৯৯২ সালে এই লিমুজিনটি প্রথমবারের মতো চালানোর জন্য রাস্তায় নামানো হয়। এতে ২৬টি চাকা ছিল এবং উভয় দিক থেকেই চালানো যেত। এটি চালাতে অনেক ৮ভি ইঞ্জিনের শক্তি লাগত। আরও মজার ব্যাপার হলো- এত লম্বা গাড়ি হওয়ার পরও গাড়িটিকে মাঝখান থেকে বাঁকা করে ডান-বামে ঘোরানো যেত।

বেশ কয়েকটি সিনেমায় দি আমেরিকান ড্রিমকে ব্যবহার করা হয়। এমনকি ধনী লোকেরা প্রমোদভ্রমণের জন্যও এটি ভাড়া নিত। যার জন্য সেই সময়ই ঘণ্টাপ্রতি তাদের গুনতে হতো প্রায় ১৬ হাজার টাকা। তবে দুঃখের বিষয় হলো- একসময় ধীরে ধীরে মানুষের মাঝে এর জনপ্রিয়তা কমে যেতে থাকে। সিনেমাগুলোতেও এত বড় গাড়ি ব্যবহারের আবেদন শেষ হয়ে যায়।

পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা গাড়ি দি আমেরিকান ড্রিম

ফলে এর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থ দরকার ছিল তা কুলিয়ে ওঠা সম্ভব হচ্ছিল না। তাই এত সুবিধা থাকা সত্ত্বেও গাড়িটি বেশিদিন টিকিয়ে রাখা যায়নি। ২০১২ সালে দি আমেরিকান ড্রিমের চাকা সম্পূর্ণভাবে থেমে যায়। কিছু অংশ বাদে গাড়িটি পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তবে খুশির কথা হলো- আমেরিকান ড্রিমকে আগের রূপে ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়েছে ২০১৯-এ। যদিও করোনা মহামারির কারণে কাজ থমকে গিয়েছিল। গাড়িপ্রেমীরা আশা করছেন, খুব দ্রুতই গাড়িটিকে আবারও রাস্তায় দৌড়াতে দেখা যাবে।

আরও পড়ুন:
বৈশ্বিক উষ্ণতা বাদ দিয়েই গ্লাসগো চুক্তি সই
একমত না হওয়ায় বাড়তি সময়ে জলবায়ু সম্মেলন
‘জলবায়ু অভিযোজনে প্রয়োজন প্রতিশ্রুত বরাদ্দ’
কপ-২৬, খসড়া নিয়ে টিআইবির উদ্বেগ
জলবায়ু ইস্যুতে চমকে দেয়া মতৈক্য যুক্তরাষ্ট্র-চীনের

শেয়ার করুন