কবিতা লিখে কৃষকদের সংগ্রামী অভিনন্দন মমতার

কবিতা লিখে কৃষকদের সংগ্রামী অভিনন্দন মমতার

কৃষকদের সংগ্রামী অভিনন্দন জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত

চাপের মুখে শুক্রবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের ঘোষণাকে কৃষকদের প্রতি নৃশংস বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলনের জয় বলে সকালে টুইট করে কৃষকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন মমতা।

কেন্দ্রের বিতর্কিত কৃষি আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত কৃষকদের আন্দোলনের জয়। কবিতা লিখে দেশের অন্নদাতাদের সংগ্রামী অভিনন্দন জানালেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

চাপের মুখে শুক্রবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের ঘোষণাকে কৃষকদের প্রতি নৃশংস বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলনের জয় বলে সকালে টুইট করে কৃষকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন মমতা।

এবার কবিতা লিখে কৃষকদের সংগ্রামী অভিনন্দন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করতেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের লেখা সেই কবিতা-

অন্নদাতাদের অন্নর অধিকার/ ফিরিয়ে দিতে হবেই/ মাঠ-মাটিতে-জমি প্রান্তরে/ কৃষি ক্ষেত্র জাগবেই/ দীর্ঘদিনের আন্দোলনের ফসল/ তোমাদের জীবন স্বপ্ন / কেড়ে নিতে চাইলেও ব্যর্থ হবে না/ঔদ্ধত্য- অহংকার ভগ্ন/ রৌদ্র-বৃষ্টি-ঝড়ঝঞ্জায়/ কতো রাত গেছে পেরিয়ে/ অস্ত্র ঝংকার কেড়ে নিলো প্রাণ / মৃতদেহ লাশকাঁটায় জড়িয়ে।।

তবু তো থামোনি, থামোনি তোমরা/ লড়ে গেছো আপন গৌরবে / তাইতো আজ জয়ী হলে তোমরা/ অভিনন্দন সংগ্রামী সৌরভে।

বিতর্কিত কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশজুড়ে আন্দোলন করছেন কৃষকরা। কংগ্রেস-তৃণমূল কৃষি আইনের বিরোধিতা করে সরব হয়েছে। কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে দিল্লিতেও প্রতিনিধি পাঠিয়েছে তৃণমূল।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগে এনআরসি, সিএএ ইস্যুতেও কলমকে হাতিয়ার করে কবিতা লিখেছেন। এবার বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহারের ঐতিহাসিক ঘটনায় কৃষকদের সংগ্রামী অভিনন্দন জানিয়ে কবিতা লিখেন তৃণমূল নেত্রী।

আরও পড়ুন:
পাওনা আদায়ে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা
সবজির দাম কমানোর আহ্বান মমতার
অর্থ নিজের হাতেই রাখলেন মমতা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতে প্রাণহানি, এলাকা ছাড়ছে মানুষ

ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতে প্রাণহানি, এলাকা ছাড়ছে মানুষ

জাভা দ্বীপে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পর ছড়িয়ে পড়েছে ছাই। ছবি: এএফপি

অগ্ন্যুৎপাতে আগ্নেয়গিরির ঘন ছাইয়ে সূর্য আড়ালে পড়েছে। এলাকার বাসিন্দারা বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। তাদের পেছনে উড়ছে অগ্ন্যুৎপাতের ছাই। এমন কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। 

ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভা দ্বীপে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে একজনের প্রাণহানির পাশাপাশি অর্ধশত মানুষ আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মাউন্ট সেমেরুতে এ ঘটনা ঘটে।

শনিবার সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অগ্ন্যুৎপাতের ঘন ছাইয়ে সূর্য অনেকটাই আড়ালে পড়েছে। ধোঁয়ায় ছেয়ে যাওয়া এলাকার বাসিন্দারা বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। তাদের পেছনে উড়ছে অগ্ন্যুৎপাতের ছাই। এমন কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

আগ্নেয়গিরির ছাই ১৫ হাজার মিটার ওপরে ওঠায় সে বিষয়ে এয়ারলাইন্সকে সতর্ক করা হয়েছে। এলাকায় জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আশপাশের গ্রামগুলো ধ্বংসাবশেষে ঢেকে গেছে। ঘন ধোঁয়া সূর্যকে ঢেকে ফেলছে। পুরো এলাকা অন্ধকারে ছেয়ে গেছে।

স্থানীয় কর্মকর্তা তরিকুল হক বলেন, ‘ওই এলাকা থেকে মালাং শহরের একটি সড়ক ও ব্রিজ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অগ্ন্যুৎপাতের কারণে জরুরি অবস্থা তৈরি হয়েছে।’

সমুদ্র থেকে মাউন্ট সেমেরুর উচ্চতা ৩ হাজার ৬৭৬ মিটার। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে এই আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনায় কয়েক হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়।

আরও পড়ুন:
পাওনা আদায়ে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা
সবজির দাম কমানোর আহ্বান মমতার
অর্থ নিজের হাতেই রাখলেন মমতা

শেয়ার করুন

নারীর জোরপূর্বক বিয়েতে তালেবানের নিষেধাজ্ঞা

নারীর জোরপূর্বক বিয়েতে তালেবানের নিষেধাজ্ঞা

আফগান নারী। ফাইল ছবি

ডিক্রিতে তালেবান আরও জানিয়েছে, এখন থেকে বিধবা আফগানরা স্বামীর মৃত্যুর ১৭ সপ্তাহ পর নিজের পছন্দের কাউকে বিয়ে করতে পারবেন।

নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় আফগানিস্তানে জোরপূর্বক বিয়ে নিষিদ্ধ করেছে তালেবান প্রশাসন।

গত ৩ ডিসেম্বর এক ডিক্রি জারি করে তারা বলেছে, নারীদের ‘সম্পত্তি’ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। আর বিয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই তাদের সম্মতি থাকতে হবে।

শুধু তা-ই নয়, নির্দিষ্ট সময় পর বিধবাদের পছন্দের পাত্রকে বিয়ে করারও অনুমতি দিয়েছে আফগান প্রশাসন।

আল-জাজিরার খবর, ডিক্রিতে তালেবান প্রধান হাইবাতুল্লাহ আখুনজাদা ঘোষণা করেছেন, নারী-পুরুষ উভয়ের সমান হওয়া উচিত। আফগানিস্তানে কেউ নারীদের জোর খাটিয়ে বা চাপ প্রয়োগ করে বিয়ে করতে পারবে না।

তবে, তালেবানের নতুন নির্দেশনায় নারীদের বিয়ের ন্যূনতম বয়সসীমা উল্লেখ করা হয়নি। যদিও ইতোপূর্বে এই বয়সসীমা ১৬ বছর নির্ধারণ করা হয়েছিল।

ডিক্রিতে তালেবান আরও জানিয়েছে, এখন থেকে বিধবা আফগানরা স্বামীর মৃত্যুর ১৭ সপ্তাহ পর নিজের পছন্দের কাউকে বিয়ে করতে পারবেন।

আফগানিস্তানে দীর্ঘদিনের উপজাতীয় প্রথা অনুসারে, বিধবাকে তার প্রয়াত স্বামীর ভাই অথবা অন্য কোনো আত্মীয়কে বিয়ে করা বাধ্যতামূলক ছিল। তালেবান নেতৃত্ব ঘোষণা দিয়েছে, তারা আফগান আদালতকে নারীদের সঙ্গে ন্যায়সঙ্গত আচরণের নির্দেশ দিয়েছে, বিশেষ করে বিধবাদের সঙ্গে।

গত আগস্টে ক্ষমতায় আসা গোষ্ঠীটি আরও বলেছে, তারা জনগণের মধ্যে নারী অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে মন্ত্রীদের নির্দেশ দিয়েছে। তালেবানের এ ধরনের ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই সন্তুষ্ট নারী অধিকার কর্মী ও সংগঠনগুলো।

আরও পড়ুন:
পাওনা আদায়ে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা
সবজির দাম কমানোর আহ্বান মমতার
অর্থ নিজের হাতেই রাখলেন মমতা

শেয়ার করুন

‘ওমিক্রন আতঙ্কে’ স্ত্রী-সন্তানকে খুন চিকিৎসকের

‘ওমিক্রন আতঙ্কে’ স্ত্রী-সন্তানকে খুন চিকিৎসকের

প্রতীকী ছবি। আনন্দবাজার

ভারতের কানপুরে চিকিৎসকের এমন কাণ্ডে শিউরে উঠেছেন অনেকেই। পুলিশ বলছে, স্ত্রী-সন্তানদের হত্যার পর বিষয়টি হোয়াটসঅ্যাপে তার ভাইকে জানিয়েছিলেন ওই চিকিৎসক।

করোনা সংক্রমণ থেকে ‘বাঁচাতে’ নিজের স্ত্রী-সন্তানদের খুন করলেন এক ভারতীয় চিকিৎসক। বলা হচ্ছে, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন নিয়ে আতঙ্কগ্রস্ত ছিলেন তিনি।

শনিবার ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, খুনের সময় হোয়াটসঅ্যাপে একটি বার্তা দিয়েছিলেন ওই চিকিৎসক। তিনি লিখেছিলেন, ‘লাশ গুনতে গুনতে আমি ক্লান্ত। ওমিক্রনের সংক্রমণ থেকে কেউ রেহাই পাবে না। এমন পরিস্থিতির যাতে শিকার না হতে হয়, তাই ওদের মুক্তি দিচ্ছি।’

উত্তরপ্রদশের কানপুরে চিকিৎসকের এমন কাণ্ডে শিউরে উঠেছেন অনেকেই। পুলিশ জানিয়েছে, স্ত্রী-সন্তানদের খুন করার পরই ভাইকে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তাটি পাঠিয়েছিলেন ওই চিকিৎসক। পরে বার্তা পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান তার ভাই। গিয়ে দেখেন, একটি ঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন তার বৌদি। অন্য ঘরে ভাইপো-ভাইঝি। এর পরই তিনি পুলিশে খবর দেন।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে এবং দুই সন্তানকে হাতুড়ি দিয়ে মাথার খুলি ফাটিয়ে খুন করেছেন চিকিৎসক।

এদিকে চিকিৎসকের ভাই দাবি করেছেন, তার দাদা মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন।

এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, খুনের ঘটনাটি কি ওমিক্রন আতঙ্কেই নাকি এর পেছনে অন্য কোনও রহস্য আছে। ঘটনার পর থেকেই চিকিৎসক পলাতক থাকায় তা এখনও অজনাই রয়ে গেছে।

তদন্তকারীরা চিকিৎসকের ঘর থেকে একটি ডায়েরি উদ্ধার করেছেন। সেখানে তিনি খুন এবং ওমিক্রন প্রসঙ্গেও লিখেছেন।

তদন্তকারীদের দাবি, ডায়েরিতেও লেখা আছে- ‘এখন থেকে আর লাশ গুনতে হবে না। করোনা সবাইকে মারবে।’

আরও পড়ুন:
পাওনা আদায়ে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা
সবজির দাম কমানোর আহ্বান মমতার
অর্থ নিজের হাতেই রাখলেন মমতা

শেয়ার করুন

মৃত বন্ধুকে নিয়ে ‘শেষ’ বাইক ভ্রমণ

মৃত বন্ধুকে নিয়ে ‘শেষ’ বাইক ভ্রমণ

মৃত বন্ধুকে এভাবেই কফিন থেকে বাইকে নিয়ে তোলা হয়। ছবিটি ভিডিও থেকে নেয়া।

একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, শেষযাত্রার জন্য প্রস্তুত একটি কাঠের কফিন থেকে এরিককে টেনে বের করে আনছেন তার বন্ধুরা। তারপর তারা তাকে একটি বাইকে নিয়ে তোলেন।

আততায়ীর গুলিতে খুন হয়েছে বন্ধু! ব্যাপারটিকে কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না একদল যুবক। বন্ধুকে হারিয়ে তারা পাগলপ্রায়। শেষকৃত্যানুষ্ঠানে নিয়ে যেতে তাই মৃত বন্ধুকেই তুলে নেয়া হলো মোটরসাইকেলে।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে ইকুয়েডরের মানাবি প্রদেশে।

শনিবার ডেইলি মেইল জানিয়েছে, মানাবির পর্তোভিজো শহরেই বন্ধুদের সঙ্গে হাসি-আনন্দে দিনগুলো কাটছিল ২১ বছর বয়সী এরিক শেডেনোর। কিন্তু এই হাসি-আনন্দ থেমে যায় গত সপ্তাহের শেষ দিনটিতে। সে সময় একটি শেষকৃত্যানুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু তার পথ আগলে দাঁড়ায় দুই আততায়ী। তাদের গুলিতেই অকালে প্রাণ হারান এরিক।

একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, শেষযাত্রার জন্য প্রস্তুত একটি কাঠের কফিন থেকে এরিককে টেনে বের করে আনছেন তার বন্ধুরা। তারপর তারা তাকে একটি বাইকে নিয়ে তোলেন। বাইকটি চালাচ্ছিলেন এক বন্ধু। আর মৃত এরিককে মাঝখানে বসিয়ে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলেন আরেক বন্ধু।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, বন্ধুকে কফিন থেকে বের করে বাইকে তোলার ঘটনাটি আশপাশে দাঁড়িয়ে দেখছিল অসংখ্য মানুষ। বাইকটি যাত্রা শুরু করার পর পেছনে দাঁড়ানো অন্য বন্ধুদের হাত উঁচিয়ে উল্লাস করতেও দেখা গেছে।

স্পেনিশ ভাষার পত্রিকা লা রিপাবলিকা জানিয়েছে, কবর দেয়ার সময় এরিকের কফিনে মদও ঢেলে দিয়েছেন তার বন্ধুরা। তারা দাবি করেছেন, এরিকের বাবা-মায়ের অনুমতি নিয়েই তাকে বাইকে চড়িয়ে শেষকৃত্যানুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ এ ঘটনাটিকে ‘বিকৃত’ বলে আখ্যা দিয়েছে। তবে শেষকৃত্যানুষ্ঠান ব্যক্তিগত বিষয় হওয়ায় এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার কিংবা কোনো তদন্ত হয়নি।

আরও পড়ুন:
পাওনা আদায়ে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা
সবজির দাম কমানোর আহ্বান মমতার
অর্থ নিজের হাতেই রাখলেন মমতা

শেয়ার করুন

জাদুঘরে নাম খোদাই করতে চায় বামেরা, কটাক্ষ তৃণমূলের

জাদুঘরে নাম খোদাই করতে চায় বামেরা, কটাক্ষ তৃণমূলের

তৃণমূলের দলীয় মুখপত্রের সম্পাদকীয় নিবন্ধে লেখা হয়েছে, ‘কলকাতা ধর্মতলা চত্বরে প্রায় শতাব্দী প্রাচীন বহু বাড়ি রয়েছে। এদের মধ্যে একটি সাদা বাড়ি, যাকে কলকাতার মানুষ জাদুঘর হিসেবেই জানেন। ওই জাদুঘরে নিজেদের নাম খোদাই করে রাখার জন্য চ্যালেঞ্জ নিয়েছে সিপিএম।’

কংগ্রেসের দুর্বলতা, নেতৃত্বহীনতা এবং আন্দোলন বিমুখতা নিয়ে লাগাতার আক্রমণ চলছে। এবার কলকাতা পৌর ভোটের আগে সিপিএমকে বেনজির আক্রমণ করে তৃণমূলের কটাক্ষ, জাদুঘরের নাম খোদাই করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছে বামেরা।

৩৪ বছর ধরে ক্ষমতায় ছিল সিপিএম। এবারের বিধানসভায় তাদের একটি আসনও নেই।

শনিবার তৃণমূলের দলীয় মুখপত্রের সম্পাদকীয় নিবন্ধে লেখা হয়েছে, ‘কলকাতা ধর্মতলা চত্বরে প্রায় শতাব্দী প্রাচীন বহু বাড়ি রয়েছে। এদের মধ্যে একটি সাদা বাড়ি, যাকে কলকাতার মানুষ জাদুঘর হিসেবেই জানেন। ওই জাদুঘরে নিজেদের নাম খোদাই করে রাখার জন্য চ্যালেঞ্জ নিয়েছে সিপিএম।’

এতে লেখা হয়েছে, ‘২৩৬ আসন থেকে এখন তারা আক্ষরিক অর্থেই শূন্য। বিধানসভায় শূন্য। কলকাতা পৌর নির্বাচন শেষ হলে সেখানেও বিগ জিরো নিশ্চিত। পঞ্চায়েতে ঘটনা পুনরাবৃত্তি। এর পর সাংবাদিকদের ডেকে বলা হবে, আমরা মানুষের মানসিকতা ধরতে পারিনি। কেন এমন হলো ভেবে দেখব।’

কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বাঁধা নিয়ে সিপিএমকে খোঁচা দিয়ে ‘জাদুঘরে সিপিএম’ শীর্ষক নিবন্ধে লেখা হয়েছে, ‘কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে ভরাডুবির পরেও সিপিএম নেতাদের চেতনায় এতোটুকু পরিবর্তন হয়নি। শরিকদের হুমকি উপেক্ষা করে কংগ্রেসের জন্য বেসরকারিভাবে আসন ছেড়ে নিজেদের জেদ বজায় রেখেছে। জেদের রেজাল্ট আলিমুদ্দিনও জানে, জানে বিধান ভবন।’

কলকাতা পৌরভোটে একক লড়াইয়ের বার্তা দিয়েও বেশ কিছু আসন কংগ্রেসের জন্য ছেড়ে রেখে জোটের রাস্তা খুলে রেখেছে বামেরা। তবে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে তাদের কোনো লাভ তো হয়নি, উল্টো এ রাজ্যে সর্ব অর্থে শূন্য হয়ে গেছে বামেরা। সে কথাই মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে তৃণমূলের মুখপত্র জাগো বাংলায়।

আরও পড়ুন:
পাওনা আদায়ে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা
সবজির দাম কমানোর আহ্বান মমতার
অর্থ নিজের হাতেই রাখলেন মমতা

শেয়ার করুন

নকল বাহুতে টিকা নিতে গিয়ে ধরা

নকল বাহুতে টিকা নিতে গিয়ে ধরা

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা দেয়া হচ্ছে। ছবি: শাটার স্টক

প্রাথমিকভাবে টিকাদানকারী স্বাস্থ্যকর্মীর কোনো কিছু সন্দেহ হয়নি, কারণ প্রস্থেটিক বাহুটি প্রায় স্বাভাবিক মানুষের হাতের মতই ছিল। তবে স্পর্শের পর তিনি বুঝতে পারেন এটা সত্যিকারের না।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার হাত থেকে বাঁচতে নকল বাহু পরিধান করায় ৫০ বছর বয়সী এক টিকাবিরোধী ইতালিয়ানকে প্রতারণার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ইউরোপের অনেক দেশেই যখন নাগরিকরা টিকাবিরোধী আন্দোলন করছেন, এর মধ্যেই এমন ঘটনা ঘটল।

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি চেয়েছিলেন টিকা না দিয়েও সনদ পেতে। তাই তিনি একটি নকল বাহু লাগিয়ে আসেন। এ ধরনের সিলিকন প্রস্থেটিকের নকল বাহুর জন্য তিনি কয়েক শ ইউরো খরচ করেছেন।

ইতালি যখন ঘোষণা করে, যারা করোনার টিকা নেবেন না, তারা সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও খেলাধুলার মতো ইভেন্টে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হবেন। এমন ঘোষণার পরই উত্তর পিএডমন্ট এলাকায়, তুরিনের কাছাকাছি বিয়েলা শহরের টিকাকেন্দ্রে এই অদ্ভুত প্রতারণা চেষ্টার ঘটনাটি ঘটে।

পরে তিনি চিকিৎসকের উপস্থিতিতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন যে, স্বাস্থ্যকর্মীকে ধোকা দিতে তিনি প্রস্থেটিক বাহু ব্যবহার করেছেন।

প্রাথমিকভাবে টিকাদানকারী স্বাস্থ্যকর্মীর কোনো কিছু সন্দেহ হয়নি, কারণ প্রস্থেটিক বাহুটি প্রায় স্বাভাবিক মানুষের হাতের মতই ছিল। তবে স্পর্শের পর তিনি বুঝতে পারেন এটা সত্যিকারের না।

লা রিপাবলিকাকে স্বাস্থ্যকর্মী ফিলিপা বুয়া বলেন, ‘আমি একজন পেশাদার হিসেবে ক্ষুব্ধ ছিলাম। আমার দেখেই সন্দেহ হয়েছিল, তখন আমি বিপরীত বাহুটিও উন্মুক্ত করতে বলি। প্রস্থেটিক হাতটি খুব সুন্দরভাবে বানানো ছিল, কিন্তু দুই বাহুর রং এক ছিল না।’

এরপর তার শার্ট খুলতে বলেন। ধরা পড়ে যাওয়ার পর তিনি সে স্বাস্থ্যকর্মীকে প্ররোচিত করার চেষ্টা করেন, যাতে ঘটনাটি দেখেও না দেখার ভান করে থাকেন।

তুরিন শহরের একটি স্থানীয় পত্রিকা লা তামপাকে তিনি বলেন, ‘শুরুতে আমি ভেবেছিলাম হয়তো আমারই কোনো ভুল হচ্ছে। হয়তো তিনি কোনো প্রস্থেটিক হাতধারী রোগী।’

তবে এখনো জানা যায়নি তিনি কী হাতের উপর কোনো সিলিকন আস্তরণ পরেছিলেন, নাকি সম্পূর্ণ বাহুটিই প্রস্থেটিক দিয়ে বানানো ছিল।

পিএডমন্ট শহরের প্রধান আলবার্তো সিরিও এবং আঞ্চলিক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা লুইজি ইকার্দি বলেন, ‘স্বাস্থ্যকর্মীর পেশাদারী দক্ষতার কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ধরা পড়তে হয়েছে, তাকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।’

তারা আরও বলেন, ‘করোনা মহামারি চলাকালে আমরা যেখানে পুরো কমিউনিটি আত্মত্যাগ করছি, সেখানে এমন ঘটনা মেনে নেয়া যায় না।’

ইতালিতে ‘সুপার গ্রিন পাস’ পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। যেখানে সিনেমা হলে, থিয়েটারে, জিমে, নাইট ক্লাবে, স্টেডিয়ামে যেতে ৬ তারিখ থেকে টিকা দেয়া অথবা করোনা থেকে সেরে উঠেছেন এমন প্রমাণ দিতে হবে।

তাই দেশটিতে প্রথমবার টিকা দিতে তালিকায় নাম লেখানোদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

আরও পড়ুন:
পাওনা আদায়ে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা
সবজির দাম কমানোর আহ্বান মমতার
অর্থ নিজের হাতেই রাখলেন মমতা

শেয়ার করুন

বাঘের থাবা থেকে সন্তান ছিনিয়ে আনলেন মা

বাঘের থাবা থেকে সন্তান ছিনিয়ে আনলেন মা

চিতাবাঘের মুখ থেকে বেঁচে আসা মা ও ছেলে। ছবি: সংগৃহীত

প্রায় এক কিলোমিটার ধাওয়ার পর বাঘটিও কিছুটা ঘাবড়ে যায়। নিজেকে আড়াল করতে একটি ঝোপের পেছনে লুকিয়ে পড়ে। খুব ঠান্ডা মাথায় বাঘের হাত থেকে সন্তানকে বাঁচানোর চেষ্টা শুরু করেন কিরন। সফলও হন।

চিতাবাঘের আক্রমণের মুখে সন্তানের প্রতি ভালোবাসার অনন্য প্রমাণ দিলেন এক মা। নিজের জীবন বাজি রেখে কোনো অস্ত্রশস্ত্র ছাড়াই বাঘের থাবা থেকে সন্তানকে ছিনিয়ে এনেছেন তিনি।

সস্প্রতি ভারতের মধ্যপ্রদেশের ঝিরিয়া গ্রামের ঘটনাটি ঘটে বলে ইন্ডিয়া টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ওই নারী একাই লড়াই করে বাঘের থাবা থেকে উদ্ধার করেন তার শিশু ছেলেকে। তার কাছে ছিল না কোনো অস্ত্র। এরপরও সন্তানকে বাঁচাতে কোনো কিছুর পরোয়া করেননি তিনি।

বাইগা সম্প্রদায়ের ওই নারীর নাম কিরন। তার ভাষ্য, ঘরের বাইরে তিন সন্তানকে নিয়ে আগুন পোহানোর সময় চিতাবাঘ হানা দেয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার আট বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে দৌড় দেয় বাঘটি। সঙ্গে সঙ্গে বাঘের ধাওয়া করেন তিনিও।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় এক কিলোমিটার ধাওয়ার পর বাঘটিও কিছুটা ঘাবড়ে যায়। নিজেকে আড়াল করতে একটি ঝোপের পেছনে লুকিয়ে পড়ে।

খুব ঠান্ডা মাথায় বাঘের হাত থেকে সন্তানকে বাঁচানোর চেষ্টা শুরু করেন কিরন। একটি লাঠি জোগাড় করে বাঘটিকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন। বাঘটি তখন ছেলেকে ছেড়ে দিয়ে মায়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। পাল্টা লাঠির আঘাতেই চিতাটি কিরণ ও তার ছেলেকে ছেড়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় মা ও ছেলে উভয়েই আহত হয়। পরে বনবিভাগের লোকজন তাদের স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের চিকিৎসা দেয়া হয়। এই ঘটনায় প্রশংসায় ভাসছেন কিরন।

আরও পড়ুন:
পাওনা আদায়ে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা
সবজির দাম কমানোর আহ্বান মমতার
অর্থ নিজের হাতেই রাখলেন মমতা

শেয়ার করুন