প্রথম সমকামী বিচারক পেতে পারে ভারত

প্রথম সমকামী বিচারক পেতে পারে ভারত

ভারতে আইন পেশায় সৌরভ কিরপাল রয়েছেন দুই দশকের বেশি সময় ধরে। ছবি: এনডিটিভি

লিঙ্গ পরিচয়ের কারণে বারবার আটকে গেছেন কিরপাল। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারায় সমকামিতাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয় বলে কিরপালের নিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান অনেক বিচারকের। আবার কিরপালের পেছনে ইউরোপীয় মিত্র ও সুইস দূতাবাসের সমর্থন থাকায় তার নিয়োগ আটকে রাখা নিয়ে সরকারের ভেতরেও উদ্বেগ ছিল।

ভারতের রাজধানী দিল্লির উচ্চ আদালতে বিচারক হিসেবে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৌরভ কিরপালের নাম সুপারিশ করা হয়েছে। তিনি নিয়োগ পেলে ভারতের ইতিহাসে প্রথম সমকামী আইনজীবী পাবে দিল্লি হাইকোর্ট।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেকদিন ধরেই দিল্লির উচ্চ আদালতের বিচারক হিসেবে কিরপালের নিয়োগ আটকে ছিল।

চলতি বছরের মার্চ মাসে তৎকালীন ভারতীয় প্রধান বিচারপতি এসএ বোবড়ে এ বিষয়ে একটি আদেশও জারি করেন। আদেশে কিরপালের বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করতে কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।

অবশেষে দীর্ঘ বিলম্বের পর কিরপালকে নিয়োগের সুপারিশ করেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্যানেল। সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যবিশিষ্ট কলেজিয়াম দিল্লি হাইকোর্টের বিচারক হতে সৌরভ কিরপালের বাধা নেই বলেও জানিয়েছেন।

ভারতের প্রধান বিচারপতি এনভি রমনা নেতৃত্বাধীন কলেজিয়ামটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলেজিয়াম।

কলেজিয়ামের বাকি দুই সদস্য হলেন বিচারপতি ইউইউ ললিত ও এএম খানউইলকার।

সরকারের মধ্যে মতবিরোধ থাকায় বেশ কয়েকবার সৌরভ কিরপালের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আটকে গিয়েছিল। মার্চে তৎকালীন প্রধান বিচারপতির আদেশ কিরপালের বিষয়ে চতুর্থ নির্দেশনা ছিল।

২০১৭ সালের অক্টোবরে প্রথমবার বিচারপতি গীতা মিত্তালের নেতৃত্বাধীন দিল্লি হাইকোর্টের একটি কলেজিয়াম প্রথমবার সৌরভ কৃপালের নাম সুপারিশ করেন।

পরে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম বিষয়টি কিছুদিন বিবেচনার জন্য সময় চান। পরে ২০১৯ সালের জানুয়ারি ও এপ্রিলে ফের সিদ্ধান্তটি পেছায়।

লিঙ্গ পরিচয়ের কারণে বারবার আটকে গেছেন কিরপাল। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারায় সমকামিতাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয় বলে কিরপালের নিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান অনেক বিচারকের।

আবার কিরপালের পেছনে ইউরোপীয় মিত্র ও সুইস দূতাবাসের সমর্থন থাকায় তার নিয়োগ আটকে রাখা নিয়ে সরকারের ভেতরেও উদ্বেগ ছিল।

সৌরভ কিরপালের বাবা বিচারপতি বিএন কৃপাল ২০০২ সালের মে থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত ভারতের ৩১তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

দিল্লির সেন্ট স্টিফেন্স থেকে রসায়নে স্নাতক সৌরভ কিরপাল অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে আইন নিয়ে পড়াশোনা করেন এবং ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি থেকে আইনে স্নাতকোত্তর হন।

ভারতে ফিরে আসার আগে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের সঙ্গে কাজ করেছেন সৌরভ কিরপাল। ভারতে আইন পেশায় তিনি রয়েছেন দুই দশকের বেশি সময় ধরে।

বেসামরিক, বাণিজ্যিক ও সাংবিধানিক আইনে বিশেষজ্ঞ সৌরভ কিরপাল ভারতীয় দণ্ডবিধি ৩৭৭ ধারার কয়েকটি আলোচিত মামলার আইনজীবী ছিলেন। ‘সেক্স অ্যান্ড দ্য সুপ্রিম কোর্ট’ নামে একটি বইও লিখেছেন তিনি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ইউপি মেম্বার হতে লড়ছেন ট্রান্সজেন্ডার সবুজা

ইউপি মেম্বার হতে লড়ছেন ট্রান্সজেন্ডার সবুজা

নেত্রকোণার গড়াডোবা ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী আসনে মেম্বার পদে প্রার্থী হয়েছেন ট্রান্সজেন্ডার সবুজ মিয়া। যিনি সবুজা নামে পরিচিত। ছবি: নিউজবাংলা

ট্রান্সজেন্ডার সুবজ মিয়া সবুজা নামে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী, স্ত্রী বা সন্তানসন্ততি নেই। তাই কোনো পিছুটানও নেই। এলাকার মানুষের সেবা করার মতো পর্যাপ্ত সময় এবং মনমানসিকতা আছে আমার। আর এ কারণেই প্রার্থী হয়েছি। আশা করি ভোটাররা আমাকে সহজভাবে গ্রহণ করবেন। আমি নিজেকে সব সময় দুর্নীতিমুক্ত রাখব।’

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী আসনে মেম্বার পদে প্রার্থী হয়েছেন ট্রান্সজেন্ডার সবুজ মিয়া।

আসল নাম সবুজ মিয়া হলেও সবুজা নামেই তিনি বেশি পরিচিত। প্রতীক বরাদ্দ না পেলেও এরই মধ্যে নির্বাচনি প্রচার শুরু করেছেন তিনি।

সবুজা রোববার বিকেলে গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছানোয়ার হোসেনের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এ সময় সবুজার সঙ্গে তার কয়েকজন কর্মী ও সমর্থক ছিলেন। সবুজা ওই ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

গড়াডোবা ইউনিয়নের বাশাটি গ্রামের আবুল কালাম ও মরিয়ম বেগম দম্পতির সন্তান সবুজা।

তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী, স্ত্রী বা সন্তানসন্ততি নেই। তাই কোনো পিছুটানও নেই। এলাকার মানুষের সেবা করার মতো পর্যাপ্ত সময় এবং মনমানসিকতা আছে আমার। আর এ কারণেই প্রার্থী হয়েছি। আশা করি, ভোটাররা আমাকে সহজভাবে গ্রহণ করবেন। আমি নিজেকে সব সময় দুর্নীতিমুক্ত রাখব।’

‘তফসিল ঘোষণার আগে থেকেই নিয়মিত ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছি’ বলেন সবুজা।

বাশাটি গ্রামের সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সবুজা খুব সহজ সরল মানুষ। এলাকার অনেকে তাকে সমর্থন দিয়েছেন। আশা করি তিনি জয়ী হবেন।’

উপজেলা শিক্ষা অফিসার ছানোয়ার হোসেন সবুজার মনোনয়নপত্র জমাদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সবুজার আগে এ উপজেলায় ট্রান্সজেন্ডার আর কেউ কখনও প্রার্থী হয়েছেন কি না আমার জানা নেই।’

পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৫ জানুয়ারি এ উপজেলার ইউপি নির্বাচনে ভোট হবে।

তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ত্রিলোচনপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীকে প্রায় দ্বিগুণ ব্যবধানে হারিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন ট্রান্সজেন্ডার নজরুল ইসলাম ঋতু।

দেশে তিনিই প্রথম ট্রান্সজেন্ডার, যিনি ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

শেয়ার করুন

জেন্ডার সহিংসতা প্রতিরোধে একযোগে কাজের আহ্বান

জেন্ডার সহিংসতা প্রতিরোধে একযোগে কাজের আহ্বান

ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির (ইউএসএআইডি) উদ্যোগে রোববার জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে ‘সাংবাদিকতায় নারীর সমৃদ্ধি’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

ক্যাথরিন স্টিভেনস বলেন, ‘আমরা ডব্লিউজেএনবির মতো বিভিন্ন সংগঠনকে জেন্ডার বৈষম্য প্রতিরোধে কাজ করতে দেখে আশাবাদী। সবাই একসঙ্গে কাজ করলেই আমাদের মা, বোন, মেয়েসহ প্রতিটি নারী ও মেয়ে শিশু সমান সুযোগ পেয়ে বেড়ে উঠবে এবং সমৃদ্ধ জীবন গড়তে পারবে।’

করোনা মহামারির সময়ে বিশ্বজুড়েই নারীর প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্য বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সবাইকে সহিংসতামুক্ত ও সমতার সমাজ গঠনে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

রোববার ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির (ইউএসএআইডি) উদ্যোগে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে ‘সাংবাদিকতায় নারীর সমৃদ্ধি’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপি এ কর্মশালায় উইমেন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের (ডব্লিউজেএনবি) সদস্যরা অংশ নেন।

আলোচনায় মিডিয়া ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃত্বে নারীর ক্ষমতায়ন, নারী সাংবাদিকদের চ্যালেঞ্জ ও সেটি উত্তরণে করণীয়সহ দক্ষতা বৃদ্ধি ও নেটওয়ার্কিংয়ের বিষয়ও উঠে আসে।

সমাপনী সেশনে ইউএসএআইডি মিশন ডিরেক্টর ক্যাথরিন স্টিভেনস বলেন, ‘আমরা ডব্লিউজেএনবির মতো বিভিন্ন সংগঠনকে জেন্ডার বৈষম্য প্রতিরোধে কাজ করতে দেখে আশাবাদী। সবাই একসঙ্গে কাজ করলেই আমাদের মা, বোন, মেয়েসহ প্রতিটি নারী ও মেয়ে শিশু সমান সুযোগ পেয়ে বেড়ে উঠবে এবং সমৃদ্ধ জীবন গড়তে পারবে।’

মহামারি বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘করোনার মহামারির সময় বিশ্বজুড়েই নারীর প্রতি সহিংসতা বেড়েছে। পাশাপাশি বেড়েছে বৈষম্যও। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ প্রয়োজন। এজন্য সবাইকে সহিংসতামুক্ত ও সমতার সমাজ গঠনে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

প্রশিক্ষণ সেশনে গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম নেটওয়ার্কের সম্পাদক মিরাজ আহমেদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক রোবায়েত ফেরদৌস ডিজিটাল নিরাপত্তা, তথ্য সুরক্ষা, ফ্যাক্ট চেকিং ও জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে মিডিয়ার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন।

শেয়ার করুন

মুরাদ এখনও কীভাবে প্রতিমন্ত্রী, প্রশ্ন নারীপক্ষের

মুরাদ এখনও কীভাবে প্রতিমন্ত্রী, প্রশ্ন নারীপক্ষের

তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান।

নারীপক্ষের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বর্তমান সরকার দাবি করে যে তারা নারীবান্ধব। নারীর প্রতি ন্যূনতম সম্মান রেখে কথা বলতে পারেন না সেই ব্যক্তি কী করে পদে বহাল থাকেন? আমরা এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করি।’

নারীর প্রতি অবমাননাকর শব্দ ব্যবহারের পরও কীভাবে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এখনও স্বপদে বহাল থাকেন, সেটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে নারীবাদী সংগঠন নারীপক্ষ। প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপও কামনা করেছে তারা।

রোববার সন্ধ্যায় এ কথা জানিয়ে গণমাধ্যমে ‘প্রতিবাদ বিবৃতি’ পাঠিয়েছে নারীপক্ষ।

এতে বলা হয়েছে, ‘বর্তমান সরকার দাবি করে যে তারা নারীবান্ধব। নারীর প্রতি ন্যূনতম সম্মান রেখে কথা বলতে পারেন না সেই ব্যক্তি কী করে পদে বহাল থাকেন? আমরা এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করি।’

দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক জিয়া এবং নাতনি জাইমা রহমানকে নিয়ে একটি অনলাইন সাক্ষাৎকারে দেয়া তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের মন্তব্যকে ‘অশ্রাব্য’ বলেও উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।

প্রতিবাদ বিৃবতিতে বলা হয়েছে, ‘বর্তমান সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে সাবেক বিরোধী দলের নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, তার ছেলে তারেক জিয়া এবং নাতনি জাইমা রহমান সম্পর্কে যে নোংরা গালাগালি করেছেন, এ জন্য তার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানা যায়নি।’

নারীপক্ষ তাদের বিবৃতিতে প্রশ্ন তুলেছে, ‘কোনো নারীকে লুইচ্ছা বলে গালি দেয়া এবং প্রতিরাতে কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষের সঙ্গে না শুইলে হয় না ধরনের নারীবিদ্বেষী ও বর্ণবাদী কথন কী করে একজন জনপ্রতিনিধি কেবল নয়, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যও বটে, উচ্চারণ করতে পারেন এবং এর জন্য আবার গর্ব প্রকাশ করেন?’

সাক্ষাৎকার নেয়া নাহিদ রেইনস প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য উপভোগ করছিলেন বলে দৃশ্যমান হয়েছে বলেও মনে করে নারীপক্ষ। তাদের দাবি, ‘তার অঙ্গভঙ্গি ও প্রশ্ন করার ধরন প্রতিমন্ত্রীকে এহেন বক্তব্য দিতে আরও উসকিয়ে দেয়।’

১ ডিসেম্বর রাতে ‘অসুস্থ খালেদা, বিকৃত বিএনপির নেতাকর্মী’ শিরোনামে এক ফেসবুকে লাইভে যুক্ত হন মুরাদ হাসান। লাইভটির সঞ্চালক ছিলেন নাহিদ রেইনস নামে এক ইউটিউবার ও ফেসবুকার।

লাইভে বিএনপির রাজনীতি সমালোচনার একপর্যায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ও দলটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে তিনি বিভিন্ন মন্তব্য করেন। এ ছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্ম ও পরিবার নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রীর এসব বক্তব্য ‘প্রচণ্ড আপত্তিকর’ উল্লেখ করে তীব্র সমালোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। আলোচিত লাইভটি শনিবার রাত পর্যন্ত প্রতিমন্ত্রীর ভেরিফায়েড পেজের টাইমলাইনে দেখা গেলেও রোববার আর দেখা যাচ্ছে না। তবে টাইমলাইন থেকে সরিয়ে নিলেও প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুক পেজের ভিডিও অংশে এটি দেখা গেছে।

শেয়ার করুন

ভাইয়ের যৌন কেলেঙ্কারিতে চাকরি গেল সিএনএন উপস্থাপকের

ভাইয়ের যৌন কেলেঙ্কারিতে চাকরি গেল সিএনএন উপস্থাপকের

সিএনএনের সংবাদ উপস্থাপক ও সংবাদদাতা ক্রিস কুওমো। ছবি: সংগৃহীত

ক্রিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করা নারীদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে নিজের অবস্থান এবং নিউজ মিডিয়া আউটলেটগুলো ব্যবহার করেছিলেন।

যৌন অসদাচরণের অভিযোগ মোকাবিলায় ভাই নিউ ইয়র্কের সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমোকে সহায়তা করায় বরখাস্ত হলেন সিএনএনের অভিজ্ঞ সংবাদ উপস্থাপক ও সংবাদদাতা ক্রিস কুওমো।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভাই অ্যান্ড্রু কুওমোর মামলায় ক্রিস কুওমোর জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছে সিএনএন কর্তৃপক্ষ।

ক্রিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করা নারীদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে নিজের অবস্থান এবং নিউজ মিডিয়া আউটলেটগুলো ব্যবহার করেছিলেন।

সিএনএন অধিকতর তদন্তের সুবিধার্থে গত সপ্তাহের শুরুতেই ৫১ বছর বয়সী ক্রিসকে তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়।

ক্রিস সিএনএনের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘প্রাইম টাইম নিউজ শো’ এর উপস্থাপক ছিলেন। আইন সংস্থার সহায়তা নিয়ে সিএনএন কর্তৃপক্ষ তাকে বরখাস্ত করেছে।

তবে ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।

ক্রিস আগেই স্বীকার করেছিলেন, ভাইকে জনসংযোগ দৃষ্টিকোণ থেকে অভিযোগগুলো পরিচালনার বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে সিএনএনের কিছু নিয়ম তিনি ভঙ্গ করেছেন।

সিএনএন থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর টুইটারে এক বিবৃতিতে হতাশা প্রকাশ করেছেন ক্রিস। তিনি বলেন, ‘আমি চাইনি যে, সিএনএনে এভাবে আমার সময় শেষ হোক। তবে আমি ইতিমধ্যে বলেছি কেন এবং কীভাবে আমি আমার ভাইকে সাহায্য করেছি।’

ক্রিসের ভাই নিউ ইয়র্কের সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমোর বিরুদ্ধে ২৯ অক্টোবর নিউ ইয়র্কের একটি আদালতে যৌন অপরাধের অভিযোগে মামলা করা হয়। রাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের তদন্তে অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে অধস্তন নারী কর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন অসদাচরণ এবং রাজ্যের আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এর জেরে ৬৩ বছর বয়সী অ্যান্ডু কুওমোকে গভর্নর পদ থেকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

অ্যান্ড্রু কুওমো একজন ডেমোক্রেট নেতা। চলমান মহামারি ইস্যুতে নিউ ইয়র্ক কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে সে সম্পর্কে তিনি ব্রিফ করতেন। প্রায়ই তার ভাইয়ের শোতে উপস্থিত হতেন।

তাদের বাবা প্রয়াত মারিও কুওমোও নিউ ইয়র্কের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

শেয়ার করুন

মরণোত্তর দেহ দান করবেন সোনাগাছির যৌনকর্মীরা

মরণোত্তর দেহ দান করবেন সোনাগাছির যৌনকর্মীরা

গণ দর্পণের যুগ্ম সম্পাদক শ্যামল চ্যাটার্জী বলেন, ‘৭৫ থেকে ১০০ জন অঙ্গীকারপত্রে সই করবেন আশা করেছিলাম। আবহাওয়া খারাপ থাকার জন্য অনেকে আসতে পারেননি। এখন পর্যন্ত ২৫ জন যৌনকর্মী অঙ্গীকারপত্রে সই করেছেন। ৩০ জনের বেশি ফর্ম নিয়ে গেছেন। শিবির চলছে। আশা করছি, আরও কিছু মানুষ মরণোত্তর দেহদানের অঙ্গীকারপত্রে সই করবেন।’

পশ্চিমবঙ্গে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য পর্যাপ্ত মরদেহ নেই। এ সমস্যা মেটাতে এবার মরণোত্তর দেহদানের অঙ্গীকারে এগিয়ে এলেন কলকাতার সোনাগাছির যৌনকর্মীরা।

শনিবার রাজ্যের মরণোত্তর দেহদানের পথিকৃত সংগঠন গণ দর্পণের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে যৌনকর্মীদের সংগঠন দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটি সোনাগাছিতে একটি মরণোত্তর দেহদানের শিবিরের আয়োজন করে। সেখানে ২৫ জন যৌনকর্মী লিখিতভাবে দেহদানের অঙ্গীকারপত্রে সম্মতি জানিয়েছেন।

গণ দর্পণের যুগ্ম সম্পাদক শ্যামল চ্যাটার্জী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘৭৫ থেকে ১০০ জন অঙ্গীকারপত্রে সই করবেন আশা করেছিলাম। আবহাওয়া খারাপ থাকার জন্য অনেকে আসতে পারেননি। এখন পর্যন্ত ২৫ জন যৌনকর্মী অঙ্গীকারপত্রে সই করেছেন। ৩০ জনের বেশি ফর্ম নিয়ে গেছেন। শিবির চলছে। আশা করছি, আরও কিছু মানুষ মরণোত্তর দেহদানের অঙ্গীকারপত্রে সই করবেন।’

দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির পক্ষে জানানো হয়, যৌনকর্মীদের এই মহৎ উদ্যোগে সামিল হতে তারা উৎসাহিত করছেন। আগামী দিনে দুর্বারের নিজস্ব ক্লিনিকে মরণোত্তর দেহ দানের ফর্ম পাওয়া যাবে।

শ্যামল চ্যাটার্জী বলেন, ‘আনন্দের কথা এ বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে। বহু মানুষ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মরণোত্তর দেহদানে এগিয়ে আসছেন। যৌনকর্মীদের মধ্যে এ ব্যাপারে উৎসাহ যোগাতে সোনাগাছিতে এই প্রথম মরণোত্তর দেহ দানের শিবির করা হলো। আগামী দিনে রাজ্যের প্রত্যেকটা যৌন পল্লীতে সচেতনতা প্রচার চালানো হবে। এলজিবিটিদের জন্যও মরণোত্তর দেহদানের উদ্যোগ নেয়া হবে।'

এদিনের অনুষ্ঠানে শারীরিক অসুস্থতার জন্য উপস্থিত থাকতে পারেননি শিল্পী নচিকেতা। তবে গান শুনিয়ে এই উদ্যোগকে উৎসাহিত করেছেন লোপামুদ্রা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

গণদর্পণ সারা বছর পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে মরণোত্তর দেহদানের জন্য শিবির করে। বছরে প্রায় ১০ হাজার মানুষ মরণোত্তর দেহদানের জন্য অঙ্গীকারপত্রে সই করেন। সেখান থেকে বছরে প্রায় ৬০০ অঙ্গীকার করা মরণোত্তর দানের দেহ পাওয়া যায়।

শেয়ার করুন

কর্মক্ষেত্রে নারীর ওপর নিষেধাজ্ঞা, আফগানিস্তানের ক্ষতি ১ বিলিয়ন ডলার

কর্মক্ষেত্রে নারীর ওপর নিষেধাজ্ঞা, আফগানিস্তানের ক্ষতি ১ বিলিয়ন ডলার

নিজ অফিসে কাজ করছেন আফগান নারী চিত্র পরিচালক রোয়া সাদাত। ছবি: এএফপি

ইউএনডিপির প্রধান আবদুল্লাহ আল দারদারি বলেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, নারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া আফগান অর্থনীতির পুনরুদ্ধার কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আমাদের প্রতিবেদন দেখিয়েছে একই স্তরের পড়াশোনা করা পুরুষের চেয়ে কর্মক্ষেত্রে আফগান নারীদের উৎপাদনশীলতা বেশি ছিল।’

কট্টর ইসলামপন্থি গোষ্ঠী তালেবান ক্ষমতায় আসার পর কর্মক্ষেত্রে নারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়ায় আফগানিস্তানের প্রায় এক বিলিয়ন ডলার অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)।

সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কর্মস্থলে নারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া আফগানিস্তানের বিপর্যয়কর অর্থনীতি পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়। কর্মক্ষেত্রে নারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়ায় আফগান অর্থনীতির এক বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে, যা মোট জিডিপির পাঁচ শতাংশ।

সম্প্রতি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইতোমধ্যে অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে বৈদেশিক সাহায্য খুঁজছে তালেবান সরকার।

জাতিসংঘের এই নতুন প্রতিবেদনে আফগান অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি ও দরপতনের বিপর্যয়কর চিত্রও উঠে এসেছে।

ভবিষ্যতে আরও বিপর্যয়কর পরিস্থিতি মোকাবিলায় তালেবানের প্রধানমন্ত্রী মোল্লা হাসান আখুন্দ বিদেশি অর্থনৈতিক সাহায্য কামনা করেছেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে শরিয়া আইনের মধ্যে থেকেই নারীর অধিকার নিশ্চিত করবে তালেবান।

মোল্লা হাসান আখুন্দ ছাড়াও আরও অনেক তালেবান নেতা এ ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে কীভাবে তারা নারীদের সহযোগিতা করবেন সেটি পরিষ্কার করতে পারেননি।

এ বছরের আগস্টে ক্ষমতা নেয়ার পরপরই সরকারি অফিসের নারীকর্মীদের কর্মক্ষেত্রে আসতে নিষেধ করে দেয় তালেবান। এ ছাড়াও সংগঠনটি মেয়েদের স্কুলে আসাও বন্ধ করে দেয়। স্বল্প সংখ্যক নারী, যারা নার্সিংয়ের মতো জরুরি সেবাখাতে কাজ করেন, তাদের কাজে যোগদানের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

তালেবান ক্ষমতায় আসার আগে আফগানিস্তানের কর্মক্ষেত্রের ২০ শতাংশ জুড়ে ছিলেন নারীরা।

ইউএনডিপির প্রধান আবদুল্লাহ আল দারদারি বলেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, নারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া আফগান অর্থনীতির পুনরুদ্ধার কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আমাদের প্রতিবেদন দেখিয়েছে একই স্তরের পড়াশোনা করা পুরুষের চেয়ে কর্মক্ষেত্রে আফগান নারীদের উৎপাদনশীলতা বেশি ছিল।’

সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগান জিডিপিতে বৈদেশিক সাহায্যের নির্ভরতা ছিল ৪০ শতাংশ। এটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশটি ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে পড়ে। এ ছাড়া আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নয় বিলিয়ন ডলার জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক।

যে কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তার আগে নারী ও সংখ্যালঘুদের প্রতি তালেবানের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাইছে পশ্চিমা দেশগুলো।

শেয়ার করুন

আফগান নারীরা শিগগিরই অধিকার ফিরে পাবেন: হামিদ কারজাই

আফগান নারীরা শিগগিরই অধিকার ফিরে পাবেন: হামিদ কারজাই

আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই। ছবি: বিবিসি

বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সাবেক আফগান প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘নারীরা শিগগিরই কর্মক্ষেত্রে ফিরতে পারবেন। মেয়েরাও স্কুল-কলেজে যাওয়ার অনুমতি পাবে। এ বিষয়ে তালেবানের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে।’

তালেবানকে নিজের ভাই বলে সম্বোধন করেছেন আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই। বিবিসিকে দেয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে বৃহস্পতিবার কারজাই জানান, নতুন তালেবান সরকারের সঙ্গে তার চমৎকার বোঝাপড়া। তাদের সঙ্গে বৈঠকে বিরোধপূর্ণ অনেক ইস্যু নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘তালেবানদের আমি ভাইয়ের মতো দেখি, যেমনটা আর সব আফগান নাগরিকের ভাবি। দেশের স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা এক দেশের নাগরিক, এক জাতি। আমরা এখন ধুঁকছি।’

২০০১ সালে তালেবান সরকারের পতনের পর আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট পদে দুই দফায় ছিলেন হামিদ কারজাই।

সাক্ষাৎকারে কারজাই বলেন, নারীরা শিগগিরই কর্মক্ষেত্রে ফিরতে পারবেন। মেয়েরাও স্কুল-কলেজে যাওয়ার অনুমতি পাবে। এ বিষয়ে তালেবানের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে।’

কবে কোথায় বৈঠক হয়েছিল, তা উল্লেখ করেননি সাবেক এই প্রেসিডেন্ট।

আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের মধ্যেই গত ১৫ আগস্ট রাজধানী কাবুল দখলে নেয় তালেবান। উদারনীতির প্রতিশ্রুতি দিলেও অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতায় দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান অনেক নাগরিক।

সাক্ষাৎকারে এসব নাগরিকের ফিরে দেশ গঠনে সহায়তা করার আহ্বান জানান হামিদ কারজাই।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে কোনো বার্তা দিতে চান কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে কারজাই বলেন, ‘এটা ভালো হবে যদি যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা আবার আফগানিস্তানে এসে জনগণকে সাহায্য করে। আফগানিস্তান পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের এগিয়ে আসা উচিত।’

শেয়ার করুন