× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Skilled expatriates will get Saudi citizenship
google_news print-icon

দক্ষ প্রবাসীরা পাবেন সৌদি নাগরিকত্ব

দক্ষ-প্রবাসীরা-পাবেন-সৌদি-নাগরিকত্ব-
রাজকীয় আদেশে প্রবাসী পেশাজীবীদের নাগরিকত্ব দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। ছবি: সংগৃহীত
প্রযুক্তি, ফরেনসিক ও চিকিৎসাবিজ্ঞান, কৃষি, পারমাণবিক ও নবায়নযোগ্য শক্তি জ্বালানি ও গ্যাস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এমন সব বিষয়ে যেসব প্রবাসীদের উচ্চ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা রয়েছে তাদের সৌদি নাগরিকত্ব দেয়া হবে। এর আগে, মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসীদের নাগরিকত্ব দেয়ার ঘোষণা দেয়।

উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন প্রবাসী পেশাজীবীদের নাগরিকত্ব দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব।

প্রবাসী ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি করার লক্ষ্যে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সৌদি বাদশাহের পক্ষে রাজকীয় আদেশ ঘোষণা করা হয়।

সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রযুক্তি, ফরেনসিক ও চিকিৎসাবিজ্ঞান, কৃষি, পারমাণবিক ও নবায়নযোগ্য শক্তি জ্বালানি ও গ্যাস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এমন সব বিষয়ে যেসব প্রবাসীদের উচ্চ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা রয়েছে তাদের সৌদি নাগরিকত্ব দেয়া হবে। এ ছাড়াও সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়ার মতো বিশেষায়িত পেশায় উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন প্রবাসীদেরও দেয়া হবে নাগরিকত্ব।

এর আগে, মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) প্রবাসীদের নাগরিকত্ব দেয়ার ঘোষণা দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ও দক্ষ প্রবাসীদের জাতীয় অর্থনীতিতে আরও গভীরভাবে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রবাসীদের নাগরিকত্ব দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল আরব আমিরাত।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ভিশন-২০৩০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের দ্বিতীয় দেশ হিসেবে সৌদি আরব এমন ঘোষণা দেয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

আরব দেশটির এই পদক্ষেপের লক্ষ্য, বিভিন্ন দেশের পেশাদারদের জন্য একটি আকর্ষণীয় উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসাসুলভ পরিবেশ নিশ্চিত করা।

তবে ঠিক কবে থেকে এ রাজকীয় ঘোষণা কার্যকর করা হচ্ছে সে বিষয়ে এখনই কিছু জানায়নি সৌদি সরকার।

এর আগে ২০১৯ সালে এই প্রবাসীদের নাগরিকত্ব দেয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল সৌদি রাজতন্ত্র। কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল, এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন প্রবাসী এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দেশটির উন্নয়নের গভীর শিকড়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা।

সৌদি সরকার জানিয়েছে, দেশটিতে বসবাসরত বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানী, বুদ্ধিজীবী ও উদ্ভাবকদের আকৃষ্ট করার লক্ষ্য হলো, সৌদি আরবকে বৈচিত্র্যময় ও উন্নত দেশে পরিণত করা যাতে আরব বিশ্ব আরও গৌরবময় হবে।

রিয়াদের দেয়া নতুন ঘোষণাটি সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কর্মরত পেশাদারদের ওপর কেন্দ্র করে হলেও, দেশটিতে অবস্থানরত আরও কিছু প্রবাসী এবং উপজাতিভুক্তদেরও এই নাগরিকত্ব দেয়া হবে।

সৌদি আরবের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ প্রবাসী। তবে স্থায়ীভাবে বসবাসের বৈধতা বা নাগরিকত্ব দেয়ার নিয়ম না থাকায় দেশটিতে প্রবাসীদের জীবন ছিল চরমভাবে অনিশ্চিত।

আরও পড়ুন:
সৌদি আরবের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র
সৌদি যুবরাজ ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’: সাবেক গোয়েন্দা
মক্কা-মদিনায় উঠল করোনার বিধিনিষেধ, পরতে হবে মাস্ক
উবারে বেড়েছে সৌদি নারী চালক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
22 killed in fire at gaming zone in Gujarat

গুজরাটে গেমিং জোনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২২

গুজরাটে গেমিং জোনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২২ ছবি: সংগৃহীত
রাজকোটের পুলিশ কমিশনার রাজু ভারগভ বলেছেন, ‘আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে।

ভারতের গুজরাটে একটি গেমিং জোনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২২জন প্রাণ হারিয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় রাজ্যটির রাজকোটে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

সেখানে এখনও উদ্ধার অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

রাজকোটের পুলিশ কমিশনার রাজু ভারগভ বলেছেন, ‘আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে।

‘আমরা ঘটনাস্থল থেকে যত দ্রুত সম্ভব মরদেহগুলো বের করে আনার চেষ্টা করছি। এখন পর্যন্ত ২০টি মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। সেগুলো হাসপাতালে পাঠনো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি নামে এক ব্যক্তি ওই গেমিং জোনের মালিক। আমরা অবহেলার দায়ে মৃত্যুর অভিযোগে একটি মামলা করেছি।’

আরও পড়ুন:
ভারতে রাসায়নিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯
কালিয়াকৈরে কলোনিতে আগুন, পুড়ল শতাধিক ঘর
উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনে পুড়ল অর্ধশত ঘর
নেশার টাকা না পেয়ে বাড়িতে আগুন দিল ছেলে
পাচার হওয়া তিন বাংলাদেশিকে তিন বছর পর ফেরাল ভারত

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Preliminary investigations indicate that Rices helicopter crash was not sabotage

প্রাথমিক তদন্তে রাইসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা নাশকতা নয়

প্রাথমিক তদন্তে রাইসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা নাশকতা নয় গত রোববার হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের পর সোমবার উদ্ধার তৎপরতা চালায় উদ্ধারকারী দল। ছবি: সংগৃহীত
প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন বলছে, হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় কোনো অপরাধমূলক কার্যকলাপের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। তবে তদন্ত এখনও শেষ হয়নি বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে।

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট, পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ মোট আটজন নিহত হওয়ার ঘটনায় কোনো অপরাধমূলক কার্যকলাপের প্রমাণ মেলেনি।

দেশটির সেনাবাহিনীর প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনের বরাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরএনএ একথা জানিয়েছে।

গত রোববার ইরানের উত্তরাঞ্চলে আজারবাইজানের সীমান্তের কাছে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার মধ্যে রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি একটি পার্বত্য এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। ওই ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট নিহত হন। তার সঙ্গে একই হেলিকপ্টারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দোল্লাহিয়ান ও ক্রুসহ আরও ছয় আরোহী ছিলেন। দুর্ঘটনায় সবার মৃত্যু হয়।

রাইসিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরসূরী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। ফলে তার এমন অস্বাভাবিক মৃত্যুর হিসাব অনেকের কাছে মিলছে না।

তবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের প্রকাশ করা তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি উঁচু স্থানে আঘাত লেগে হেলিকপ্টারটিতে আগুন ধরে যায়। হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষে কোথাও গুলির গর্তের চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রোববার হেলিপ্টারটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে সেটি পূর্বনির্ধারিত রুটেই উড়ছিল। হেলিকপ্টারটি নির্ধারিত রুট ছেড়ে বাইরে যায়নি। ওয়াচ টাওয়ার ও ফ্লাইট ক্রুদের মধ্যে যোগাযোগের সময় কোনো সন্দেহজনক বিষয়ও পরিলক্ষিত হয়নি। হেলিকপ্টারটি দুর্ঘটনায় পড়ার দেড় মিনিট আগে সঙ্গে থাকা আরও দুটি হেলিকপ্টারের সঙ্গে এটির যোগাযোগ হয়।

তদন্ত আরও এগিয়ে যাওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে বলে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অনুসন্ধান শেষ করতে আরও সময় প্রয়োজন।

মৃত্যুর চারদিন পর বৃহস্পতিবার রাইসিকে শিয়া মুসলিমদের পবিত্র শহর মাশহাদে কবর দেয়া হয়।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের বিমান বহরের বেশ কয়েকটি আকাশযানই ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘদিন ধরে তারা পশ্চিমা দেশগুলো থেকে কোনো নতুন আকাশযান বা খুচরা যন্ত্রাংশ কিনতে পারছে না, ফলে বহরের আধুনিকায়নও করা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন:
রাইসির জানাজায় জনসমুদ্র
রাইসির মৃত্যুতে যেভাবে অস্থির হয়ে উঠতে পারে ইরান
রাইসির দাফন হবে জন্ম-শহর মাশহাদে
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় রসদ যোগাতে পারে রাইসির মৃত্যু
ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The bodies of three more Israeli hostages were recovered

আরও তিন ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ উদ্ধার

আরও তিন ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ উদ্ধার হানান ইয়াবলোঙ্কা, মিশেল নিসেনবাউম ও ওরিয়ন হার্নান্দেজ। ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা ভূখণ্ড থেকে আরও তিন ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। বলা হয়েছে, ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যৌথ অভিযানের সময় উত্তরাঞ্চলীয় জাবালিয়া শহর থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

ইসরায়েলি যেসব জিম্মির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তারা হলেন- হানান ইয়াবলোঙ্কা, মিশেল নিসেনবাউম ও ওরিয়ন হার্নান্দেজ। তাদের মধ্যে হানান ইয়াবলোঙ্কা ও ওরিয়ন হার্নান্দেজ নোভা মিউজিক ফেস্টিভ্যালের স্থান থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর নিহত হন।

গাজায় এখনও হামাসের কাছে প্রায় ১৩০ জন বন্দি রয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল।

‌ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘জিম্মিদের গাজা থেকে জীবিত উদ্ধার কারা আমাদের জাতীয় ও নৈতিক দায়িত্ব। সে সঙ্গে মৃতদেরও দেশে আনতে সবকিছু করবে ইসরায়েল। আমরা তা-ই করছি।’

হামাস পুনরায় সংগঠিত হয়েছে দাবি করে ইসরায়েল দুই সপ্তাহ আগে জাবালিয়ায় পুনরায় অভিযান শুরু করে।

হামাসের ৭ অক্টোবরের আক্রমণের পর থেকে গাজা উপত্যকা জুড়ে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল। তাদের নির্বিচার হামলায় গত সাত মাসে ৩৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

আরও পড়ুন:
আগ্রাসন বন্ধে আইসিজের নির্দেশের পর রাফাহতে ইসরায়েলের হামলা
রাফায় আগ্রাসন বন্ধ করতে ইসরায়েলকে আইসিজের নির্দেশ
রাফাহতে হামলা বন্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার আবেদন, রায়ের অপেক্ষা
মধ্য গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১২
ইসরায়েলের প্রতি আইসিসির নিষেধাজ্ঞা সমর্থনের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Israeli attack on Rafah after Isis order to stop the aggression

আগ্রাসন বন্ধে আইসিজের নির্দেশের পর রাফাহতে ইসরায়েলের হামলা

আগ্রাসন বন্ধে আইসিজের নির্দেশের পর রাফাহতে ইসরায়েলের হামলা আইসিজের নির্দেশনার কয়েক মিনিট পর রাফাতে শুক্রবার বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। ছবি: বিবিস
অবিলম্বে দক্ষিণ গাজার শহর রাফায় সামরিক অভিযান বন্ধ করতে শুক্রবার ইসরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)।

দক্ষিণ গাজার শহর রাফাহতে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের দেয়া নির্দেশের পর পরই রাফাহ শহরের হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

আইসিজের রায় ঘোষণার কয়েক মিনিটের মধ্যে রাফা শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত শাবউরা ক্যাম্পে ইসরায়েলের সামরিক বিমান দফায় দফায় হামলা চালায় বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকা কুয়েত হাসপাতালের একজন স্থানীয় কর্মী বিবিসিকে বলেছেন, ‘হামলার তীব্রতার কারণে উদ্ধারকর্মীরা অভিযানস্থলে পৌঁছতে পারেনি।’

ইসরায়েল প্রায় তিন সপ্তাহ আগে রাফাতে একটি দীর্ঘ-প্রত্যাশিত হামলা শুরু করে। তারা সেখানে বাকি হামাস যোদ্ধাদের ধ্বংস করার প্রতিশ্রুতি দেয়।

তাদের দাবি, ইসরায়েলি জিম্মিদেরও এ শহরে রাখা হয়েছে।

অবিলম্বে দক্ষিণ গাজার শহর রাফায় সামরিক অভিযান বন্ধ করতে শুক্রবার ইসরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)।

দক্ষিণ আফ্রিকার করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এক জরুরি রায়ে শুক্রবার এ নির্দেশ দেয় জাতিসংঘের শীর্ষ এ আদালত।

ইসরায়েলের ওপর আদালতের এই রায় কার্যকরের কোনো উপায় না থাকলেও এ রায়টি বিশ্ব থেকে দেশটিকে বিচ্ছিন্ন করার একটি বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হবে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

রায়ে সামরিক অভিযান বন্ধের পাশাপাশি রাফায় ত্রাণ প্রবেশের জন্য মিশর সীমান্ত খুলে দেয়া এবং তদন্তের স্বার্থে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনকে গাজায় প্রবেশের অনুমতি দেয়ার মতো নির্দেশও দেয়া হয়েছে।

এসব আদেশ পালনের অগ্রগতি জানিয়ে এক মাসের মধ্যে ইসরায়েলকে আইসিজেতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

জাতিসংঘ বলছে, গাজায় ইসরায়েলি অভিযান শুরুর পর থেকে ৮ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনি রাফাহ থেকে পালিয়েছে।

এদিকে আইসিজের শুক্রবারের রায় প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল।

ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, ‘হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার আনা গণহত্যার অভিযোগ মিথ্যা, আপত্তিকর এবং নৈতিকভাবে বিরোধী।’

বিবৃতিটি বলা হয়, ‘৭ অক্টোবর ইসরায়েলের নাগরিকদের ওপর ভয়াবহ হামলার পর ইসরায়েল হামাসকে নির্মূল করতে এবং আমাদের জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে একটি প্রতিরক্ষামূলক এবং ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ শুরু করেছে।’

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে গাজার শাসক গোষ্ঠী হামাসের হামলার জবাবে উপত্যকায় ভয়াবহ আগ্রাসন শুরু করে ইসরায়েল।

দেশটির হামলায় গাজায় প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে ৩৫ হাজার ৮০০ মানুষ। উপত্যকায় আহত হয়েছে ৮০ হাজার ২০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি।

এ ছাড়া ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে গাজায় কমপক্ষে সাত হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছে যারা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফিলিস্তিনি ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ভাষ্য, গাজায় হতাহত ফিলিস্তিনিদের বেশিরভাগ নারী ও শিশু।

আরও পড়ুন:
গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রে আমন্ত্রণ পাচ্ছেন নেতানিয়াহু
ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতির তারিখ ঘোষণা করবে স্পেন
যুদ্ধাপরাধে নেতানিয়াহু-হানিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন
ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুর সঙ্গে ইসরায়েল জড়িত নয়: কর্মকর্তা
নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভা ছাড়ার হুমকি সাবেক জেনারেল গানৎজের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Hundreds killed in Papua New Guinea landslide

পাপুয়া নিউগিনিতে ভূমিধসে নিহত শতাধিক

পাপুয়া নিউগিনিতে ভূমিধসে নিহত শতাধিক
মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পাপুয়া নিউগিনির উত্তরাঞ্চলের একটি প্রত্যন্ত এলাকায় বড় ধরনের ভূমিধসে শতাধিক মানুষ মারা গেছেন।

শুক্রবার এই তথ্য জানিয়েছে অস্টেলিয়া ব্রডকাস্টিং করপোরেশন।

এনগা প্রদেশের কাওকালাম গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। গ্রামটি রাজধানী পোর্ট মোর্সবি থেকে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাত ৩টার দিকে যখন ভূমিধস শুরু হয়, তখন গ্রামের বেশিরভাগ বাসিন্দা ঘুমে ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী জেমস মারাপে এক বিবৃতিতে জানান, তিনি এখনো পরিস্থিতি নিয়ে নির্ভরযোগ্য ব্রিফিং পাননি। তবে তিনি আশ্বস্ত করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই দুর্যোগের মোকাবিলায় কাজ করছে।

তিনি বলেন, আমরা এনগার প্রাদেশিক ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ত্রাণ, মরদেহ উদ্ধার ও অবকাঠামো পুননির্মাণের উদ্যোগ সমন্বয় করার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, প্রতিরক্ষা বাহিনী, সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তাদের পাঠাচ্ছি।

অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (এবিসি) ও অন্যান্য স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে ১০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমে বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ফটো ও ভিডিওতে ধ্বংসের মাত্রা দেখা যায়। এলাকাবাসীরা বড় বড় পাথর সরানোর চেষ্টা করছেন। অসংখ্য গাছ উপড়ে গেছে এবং ভেঙে পড়া ভবনের ধ্বংসাবশেষের নিচে অনেকেই চাপা পড়েছেন।

কয়েকটি ছবিতে পাথরে নিচ থেকে মানুষকে বের করে আনার দৃশ্য দেখা গেছে।

পুলিশ এই ব্যাপারে কোন ধরনের মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
9 killed in chemical factory fire in India

ভারতে রাসায়নিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯

ভারতে রাসায়নিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ শুক্রবার মহারাষ্ট্র রাজ্যের থানে জেলার একটি কারখানায় এই আগুন লাগে। ছবি: সংগৃহীত
শুক্রবার মহারাষ্ট্র রাজ্যের থানে জেলার একটি কারখানায় এই আগুন লাগে। নিখোঁজদের উদ্ধারে ধ্বংসাবশেষের মধ্যে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে জরুরি উদ্ধারকর্মীরা।

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে একটি রাসায়নিক কারখানায় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত আরও ৬৪ জন।

শুক্রবার মহারাষ্ট্র রাজ্যের থানে জেলার একটি কারখানায় এই আগুন লাগে। নিখোঁজদের উদ্ধারে ধ্বংসাবশেষের মধ্যে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে জরুরি উদ্ধারকর্মীরা। খবর ইউএনবি

প্রশাসনিক কর্মকর্তা শচীন শেজাল জানান, বৃহস্পতিবার কারখানার বয়লারে বিস্ফোরণের ফলে মহারাষ্ট্র রাজ্যের থানে জেলায় কারখানার বয়লার বিস্ফোরণে আশপাশের কারখানা ও বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সেজাল বলেন, আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়েছে এবং উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আরও দুটি মৃতদেহ খুঁজে পেতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। যদিও ধ্বংসাবশেষের পরিমাণ অতিরিক্ত হওয়ার কারণে অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

সেজাল বলেন, এখন পর্যন্ত দুটি লাশ শনাক্ত করা গেছে এবং সাতটি বেশি পুড়ে যাওয়ার কারণে তাদের চেনা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, 'আমরা নিহতদের পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ নমুনা জমা দিতে বলেছি। যা লাশগুলো শনাক্তে আমাদের সহায়তা করতে পারে।’

বিস্ফোরণের পর ওই এলাকায় ধূসর ধোঁয়ার কুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়ার কারণ ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান এই প্রশাসনিক কর্মকর্তা।

ভারতের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স জানিয়েছে, কারখানাটিতে খাবারের রং উৎপাদন করা হতো। এতে খুবই প্রতিক্রিয়াশীল রাসায়নিক ব্যবহার করার কারণে বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে।

সেজাল বলেন, বৃহস্পতিবারের বিস্ফোরণে তীব্র কম্পনের কারণে আশপাশের কারখানাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আশপাশের বাড়ির কাচের জানালা ভেঙে গেছে।

এদিকে দিল্লির কার্নিভাল রিসোর্টে আরেকটি আগুনের ঘটনা ঘটেছে।

বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং আগুন নেভানোর চেষ্টা চলছে।

শুক্রবার দিল্লির আলিপুর এলাকায় কার্নিভাল রিসোর্টে এই ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দমকল কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
ভারতে চলন্ত বাসে আগুনে ৯ জনের মৃত্যু

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
ICZ orders Israel to stop aggression in Rafah

রাফায় আগ্রাসন বন্ধ করতে ইসরায়েলকে আইসিজের নির্দেশ

রাফায় আগ্রাসন বন্ধ করতে ইসরায়েলকে আইসিজের নির্দেশ শুক্রবার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার করা মামলার শুনানিতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত। ছবি: রয়টার্স
ইসরায়েলের ওপর আদালতের এই রায় কার্যকরের কোনো উপায় না থাকলেও এ রায়টি বিশ্ব থেকে দেশটিকে বিচ্ছিন্ন করার একটি বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হবে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

অবিলম্বে দক্ষিণ গাজার শহর রাফায় সামরিক অভিযান বন্ধ করতে ইসরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)।

দক্ষিণ আফ্রিকার করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এক জরুরি রায়ে শুক্রবার এ নির্দেশ দেয় জাতিসংঘের শীর্ষ এ আদালত।

ইসরায়েলের ওপর আদালতের এই রায় কার্যকরের কোনো উপায় না থাকলেও এ রায়টি বিশ্ব থেকে দেশটিকে বিচ্ছিন্ন করার একটি বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হবে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

রায়ে সামরিক অভিযান বন্ধের পাশাপাশি রাফায় ত্রাণ প্রবেশের জন্য মিশর সীমান্ত খুলে দেয়া এবং তদন্তের স্বার্থে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনকে গাজায় প্রবেশের অনুমতি দেয়ার মতো নির্দেশও দেয়া হয়েছে।

এসব আদেশ পালনের অগ্রগতি জানিয়ে এক মাসের মধ্যে ইসরায়েলকে আইসিজেতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে গাজার শাসক গোষ্ঠী হামাসের হামলার জবাবে উপত্যকায় ভয়াবহ আগ্রাসন শুরু করে ইসরায়েল।

দেশটির হামলায় গাজায় প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে ৩৫ হাজার ৮০০ মানুষ। উপত্যকায় আহত হয়েছে ৮০ হাজার ২০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি।

এছাড়া ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে গাজায় কমপক্ষে সাত হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছে যারা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফিলিস্তিনি ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ভাষ্য, গাজায় হতাহত ফিলিস্তিনিদের বেশিরভাগ নারী ও শিশু।

ফিলিস্তিনি জনগণের বেঁচে থাকা নিশ্চিত করতে গত সপ্তাহে দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজীবীরা রাফায় ইসরায়েলের হামলা বন্ধের জন্য আইসিজের কাছে জরুরি ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন করেন। সেই মামলায় এ আদেশ দিল জাতিসংঘের শীর্ষ আদালত।

তবে ইসরায়েল আইসিজের সদস্য না হওয়ায় তাদের এ রায় মানার বাধ্যবাধকতা নেই। কিন্তু ফিলিস্তিন সদস্য হওয়ায় ইসরায়েলের ওপর এই আদালতের এখতিয়ার রয়েছে।

আরও পড়ুন:
রাফাহতে হামলা বন্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার আবেদন, রায়ের অপেক্ষা
ইসরায়েলের প্রতি আইসিসির নিষেধাজ্ঞা সমর্থনের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের
ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড ও স্পেন

মন্তব্য

p
উপরে