জলবায়ু ইস্যুতে চমকে দেয়া মতৈক্য যুক্তরাষ্ট্র-চীনের

জলবায়ু ইস্যুতে চমকে দেয়া মতৈক্য যুক্তরাষ্ট্র-চীনের

গ্লাসগোতে চলমান ২৬তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনে বুধবার বক্তব্য দেন বিশ্বের শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি জন কেরি (বামে) ও চীনের প্রতিনিধি শিয়ে ঝেনহুয়া। ছবি: এএফপি

গত সেপ্টেম্বরে এক ঘোষণায় শি চিনপিং বলেন, ২০৬০ সাল নাগাদ কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামাতে চায় চীন। এর আগে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সর্বোচ্চ কার্বন নির্গমন করবে দেশটি। অন্যদিকে ২০৫০ সালের মধ্যে এ লক্ষ্য পূরণ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।

স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে চলমান ২৬তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনে ঐক্যের ঘোষণা দিয়ে বিশ্বকে বড় চমক উপহার দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় আগামী এক দশক যৌথভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশ দুটি।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে বিদ্যমান বৈশ্বিক প্রচেষ্টার গতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে চির বৈরী দুই দেশ।

বুধবার এক বিরল ঘোষণায় এ কথা জানান যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিনিধিরা।

যৌথ ঘোষণায় বলা হয়, ২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু চুক্তির শর্ত বাস্তবায়নে উভয় পক্ষই একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি এক দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে তারা।

লক্ষ্য পূরণে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে ইচ্ছা ও প্রচেষ্টার মধ্যে ‘উল্লেখযোগ্য ব্যবধান’, যা কাটিয়ে ওঠার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে বিশ্বসম্প্রদায়। কারণ বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।

বিজ্ঞানীদের ভাষ্য, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি এক দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসে আটকে রাখতে পারলে জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতম প্রভাব ঠেকানো ও মানবিক বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব। শিল্পবিপ্লব-পূর্ববর্তী যুগের তাপমাত্রার সঙ্গে তুলনামূলক হিসাবের ভিত্তিতে এমন ধারণা গবেষকদের।

২০১৫ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত ২১তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনে কার্বন নিঃসরণ কমানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন বিশ্বনেতারা। যৌথ অঙ্গীকারে তারা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির পরিমাণ দেড় থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

জলবায়ুবিষয়ক শীর্ষ চীনা আলোচক শিয়ে ঝেনহুয়া সাংবাদিকদের জানান, অন্য সব ইস্যুতে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র যতটাই বিপরীতমুখী, ‘জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে দেশ দুটি ততটাই ঐক্যবদ্ধ’।

আগামী সপ্তাহে ভার্চুয়াল বৈঠক করতে পারেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং। ২০ দিনের এ সম্মেলনে সশরীরে অংশ না নেয়ায় গত সপ্তাহে চিনপিংয়ের সমালোচনা করেছিলেন বাইডেন।

নিরাপত্তা, বাণিজ্যসহ নানা ইস্যুতে দেশ দুটিকে বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হয়।

এমন বাস্তবতায় জলবায়ু ইস্যুতে বিরল যৌথ ঘোষণায় জানানো হয়, মিথেন নিঃসরণ, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহার শুরু ও কার্বনবিহীন ব্যবস্থা গড়ে তোলাসহ বেশ কিছু বিষয়ে একমত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।

ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাসের অন্যতম উপাদান হিসেবে মিথেন নিঃসরণ কমাতে চলতি সপ্তাহে একটি যৌথ চুক্তিতে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানায় চীন। প্রায় এক শ দেশ চুক্তিটিতে সই করলেও মিথেন নিঃসরণ কমাতে চীন এককভাবে ‘জাতীয় পরিকল্পনা’ প্রণয়নের আশ্বাস দিয়েছে।

চীনের শিয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন জলবায়ুবিষয়ক দূত ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি।

তিনি বলেন, ‘চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মতপার্থক্যের কারণের সীমা-পরিসীমা নেই, কিন্তু জলবায়ু ইস্যুতে আসলে ঐক্যের বিকল্প নেই।

‘এই মুহূর্তে প্রতিটি পদক্ষেপ খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং আমাদের সামনে দীর্ঘ যাত্রা পড়ে আছে।’

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের যৌথ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন পরিবেশবাদী সংস্থা গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনালের নির্বাহী পরিচালক জেনিফার মরগ্যান, তবে জলবায়ু ইস্যুতে লক্ষ্য অর্জনে দেশ দুটিকে আরও অনেক অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসও যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের এ ঘোষণাকে ‘সঠিক পথে অগ্রসর হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

২০১৫ সালের পর চলমান জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হতে যাচ্ছে। প্রায় দুই শ দেশের কাছে ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা চাওয়া হয়েছে এ সম্মেলনে।

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রধান কারণ বলে মনে করা হয় গ্রিনহাউস গ্যাসকে। ক্ষতিকর গ্রিনহাউসের উপাদানগুলো হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড ইত্যাদি।

গত সেপ্টেম্বরে এক ঘোষণায় শি চিনপিং বলেন, ২০৬০ সাল নাগাদ কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামাতে চায় চীন। এর আগে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সর্বোচ্চ কার্বন নির্গমন করবে দেশটি।

অন্যদিকে ২০৫০ সালের মধ্যে এ লক্ষ্য পূরণ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।

আরও পড়ুন:
এলিসি প্রাসাদে শেখ হাসিনা
জলবায়ু সম্মেলন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
বন উজাড় বন্ধে সম্মত শতাধিক বিশ্বনেতা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প পেরুতে, বাড়িঘর বিধ্বস্ত

৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প পেরুতে, বাড়িঘর বিধ্বস্ত

পেরুতে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত একটি এলাকায় চলছে উদ্ধারকাজ। ছবি: এএফপি

পেরুর মধ্য ও উত্তরাঞ্চলজুড়ে কম্পন অনুভূত হয়েছে। পূর্বসতর্কতা হিসেবে বিভিন্ন শহরের বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বলে স্থানীয় বেতার ও টেলিভিশনগুলো জানিয়েছে।

পেরুর প্রত্যন্ত উত্তরাঞ্চলে আঘাত হেনেছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প। এতে কমপক্ষে ৭৫টি বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে, আহত হয়েছেন ১০ জন। প্রাণহানির কোনো খবর মেলেনি এখনও।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রত্যন্ত আমাজন অঞ্চলে স্থানীয় সময় রোববার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর তীব্রতা এত বেশি ছিল যে কম্পন অনুভূত হয়েছে সুদূর রাজধানী লিমা পর্যন্ত।

পেরুর ভূকম্পনবিষয়ক সংস্থা জিওফিজিক্যাল ইনস্টিটিউট অফ পেরু (আইজিপি) জানিয়েছে, কনডরক্যানক্যু প্রদেশের সান্তা মারিয়া ডি নিয়েভা শহর থেকে ৯৮ কিলোমিটার দূরে এবং ভূপৃষ্ঠের ১৩১ কিলোমিটার গভীরে ছিল কম্পনটির উৎসস্থল।

পেরুর মধ্য ও উত্তরাঞ্চলজুড়ে কম্পন অনুভূত হয়েছে। পূর্বসতর্কতা হিসেবে বিভিন্ন শহরের বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বলে স্থানীয় বেতার ও টেলিভিশনগুলো জানিয়েছে।

পেরুর জাতীয় বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ২২০টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ৮১টি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে এবং ৭৫টি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে সাতটি ধর্মীয় উপাসনালয় ও দুটি শপিং সেন্টার।

বেশ কয়েকটি অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর ফুটেজে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাটের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।

তবে আমাজন বনাঞ্চলের পেরুর অংশে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান পেট্রোপেরুর এক হাজার ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ তেলের পাইপলাইনের কোনো ক্ষতি হয়নি ভূমিকম্পে।

ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাটি পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নির্ধারণ ও ভুক্তভোগীদের সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছেন পেরুর প্রেসিডেন্ট পেদ্রো ক্যাসটিলো।

ভূমিকম্পের ফলে সুনামির ঝুঁকি সৃষ্টি হয়নি বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

আরও পড়ুন:
এলিসি প্রাসাদে শেখ হাসিনা
জলবায়ু সম্মেলন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
বন উজাড় বন্ধে সম্মত শতাধিক বিশ্বনেতা

শেয়ার করুন

শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি

শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি

ভোর ৬টায় শ্রীমঙ্গলের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ছবি: নিউজবাংলা

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, শ্রীমঙ্গলে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এখন থেকে তাপমাত্রা কমতে থাকবে।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রোববার ভোর ৬টায় শ্রীমঙ্গলের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শনিবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল শ্রীমঙ্গলেই।

তাপমাত্রা নিচে নামার কারণে বাড়ছে শীত। রোববার সকাল ও শনিবার রাতে ঘন কুয়াশায় ঢাকা ছিল পুরো জেলা।

আবহাওয়াবিদ আনিসুর রহমান জানান, শ্রীমঙ্গলে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এখন থেকে তাপমাত্রা কমতে থাকবে।

আরও পড়ুন:
এলিসি প্রাসাদে শেখ হাসিনা
জলবায়ু সম্মেলন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
বন উজাড় বন্ধে সম্মত শতাধিক বিশ্বনেতা

শেয়ার করুন

৫.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

৫.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

ইউএসজিএসের ভূমিকম্প মানচিত্র। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, উৎপত্তিস্থলে ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৬.১। ভূপৃষ্ঠ থেকে উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ৩২.৮ কিলোমিটার।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শুক্রবার ৫.৮ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ভোর ৫টা ৪৫ মিনিট ৪১ সেকেন্ডে ভূকম্পন অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নিয়ে পোস্টে বলা হয়, এটি ঢাকা থেকে ৩৪৭ কিলোমিটার দূরে।

এর আগে এক পোস্টে অধিদপ্তর জানিয়েছিল, ভূমিকম্পের মাত্রা ৬.১।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, উৎপত্তিস্থলে ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৬.১। ভূপৃষ্ঠ থেকে উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ৩২.৮ কিলোমিটার।

সংস্থাটি আরও জানায়, উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের হাখা থেকে ১৯ কিলোমিটার উত্তর-উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ভারত-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায়।’

তিনি বলেন, ‘উৎপত্তিস্থলে এর মাত্রা ছিল ৬.১, তবে আশপাশের এলাকায় ৫.৭ মাত্রায় অনুভূত হয়েছে।’

ভূমিকম্প সিলেটেও বড় ঝাকুনি দিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

ফেনী শহরে ভূমিকম্পের সময় লোকজনকে বাসাবাড়িতে শোরগোল করতে শোনা যায়। এতে শহরে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

শহরের বাসিন্দা ফারুকুর রহমান বলেন, ‘আমরা মসজিদে নামাজরত ছিলাম। মসজিদ শুধু দোলনার মতো দুলতেছে। আর তখনই টের পেয়েছি ভূমিকম্প হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
এলিসি প্রাসাদে শেখ হাসিনা
জলবায়ু সম্মেলন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
বন উজাড় বন্ধে সম্মত শতাধিক বিশ্বনেতা

শেয়ার করুন

মাথায় কনটেইনার আটকে মরতে বসেছিল হরিণটি

মাথায় কনটেইনার আটকে মরতে বসেছিল হরিণটি

যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস রাজ্যের পনি প্রেইরি পার্কে এই অবস্থায় হরিণটিকে দেখতে পায় স্থানীয়রা। ছবি: সংগৃহীত

উইচিটার শহরের পনি প্রেইরি পার্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, মাথায় কনটেইনার আটকে যাওয়া হরিণটিকে কয়েক দিন আগে দেখতে পান স্থানীয়রা। কিন্তু কেউ ওকে সাহায্য করতে পারছিল না। মানুষ দেখলেই পালিয়ে যেত সে।  

একবার ভেবে দেখুন তো, ক্ষুধা-তৃষ্ণায় কাতর আপনি। কিন্তু মুখ খুলতে না পারায় কিছুই মুখে তুলতে পারছেন না। কারও কাছে সাহায্য চাইবেন, সেই উপায়ও নেই। এমন পরিস্থিতিতে হয়তো পড়তে চাইবেন না কেউ।

যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস রাজ্যের একটি শহরে সম্প্রতি এমন অবস্থায় দেখা গেছে একটি হরিণকে। প্লাস্টিকের একটি কনটেইনার পুরো মাথায় আটকে গিয়েছিল হরিণটির। কয়েক দিনের চেষ্টায় গত মঙ্গলবার হরিণটিকে ধরতে সক্ষম হন স্থানীয়রা। খুলে নেয়া হয় কনটেইনারটি।

উইচিটার শহরের পনি প্রেইরি পার্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, মাথায় কনটেইনার আটকে যাওয়া হরিণটিকে কয়েক দিন আগে দেখতে পান স্থায়ীয়রা। কিন্তু কেউ ওকে সাহায্য করতে পারছিল না। মানুষ দেখলেই পালিয়ে যেত সে।

স্থানীয় বাসিন্দা জেসিকা নেভিল বলেন, ‘চার দিন ধরে হরিণটিকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি পুকুরে সে পানি পানের চেষ্টা করছিল। আমাদের দেখে পালিয়ে যায়। পরে রাতের আঁধারে একটি বাড়ির আঙিনার সামনে ওকে ধরতে পারি। জাপটে ধরে ওর মাথা থেকে কনটেইনারটি বের করি।’

আবর্জনা ফেলার ক্ষেত্রে জনগণকে আরও সচেতন হওয়ায় পরামর্শ দিয়েছেন উদ্ধারকারীরা।

আরও পড়ুন:
এলিসি প্রাসাদে শেখ হাসিনা
জলবায়ু সম্মেলন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
বন উজাড় বন্ধে সম্মত শতাধিক বিশ্বনেতা

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধুর কীর্তি না রাখতে নদী হত্যা: নৌপ্রতিমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর কীর্তি না রাখতে নদী হত্যা: নৌপ্রতিমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘বাংলাদেশের নদীর নাব্যতা ও পলি ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: নিউজবাংলা

প্রতিমন্ত্রী খালিদ বলেন, ‘দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্থ করতে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী গোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশ অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে; নদীগুলো দখল হয়ে গিয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর ভিশনারি নেতৃত্ব ও কীর্তি যাতে না থাকে সেজন্য নদীগুলোকে হত্যা করা হয়েছে।’

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তার কীর্তি না রাখতে দেশের নদীগুলো দখল হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে সারা দেশের নদী রক্ষায় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্থ করতে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী গোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশ অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে; নদীগুলো দখল হয়ে গিয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর ভিশনারি নেতৃত্ব ও কীর্তি যাতে না থাকে সেজন্য নদীগুলোকে হত্যা করা হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘বাংলাদেশের নদীর নাব্যতা ও পলি ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলনের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের ঢাকা মহানগর কমিটির উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু ঢাকার চারপাশের নদী নয়, সারা দেশের নদী রক্ষায় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। নদীগুলো একদিনে দখল হয়নি, এটি দীর্ঘদিনের জট। দ্রুত কোনো কিছু করা সম্ভব নয়। সেগুলো উদ্ধারে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে।’

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ নদী নিয়ে চিন্তা করছে-এটাই সাফল্য। নদী রক্ষায় সবাইকে সম্পৃক্ত করছি-সেটি সফলতা। বাংলাদেশকে রক্ষা করতে নদীগুলোকে রক্ষা করতে হবে। নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। নদী ব্যবস্থাপনায় হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ‘নদীগুলোর নাব্যতা কমে গেছে; নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে হবে।’ বঙ্গবন্ধু নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ওইসময় সাতটি ড্রেজার সংগ্রহ করেছিলেন। এরপর ২০০৮ সাল পর্যন্ত নদী খননের জন্য কোনো ড্রেজার সংগ্রহ করা হয়নি। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১২ বছরে ৩৮টি ড্রেজার সংগ্রহ করেছেন। এর সুফল আমরা পাচ্ছি।’

বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলন, ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি আনিসুর রহমান খানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মহসীনুল করিম লেবুর সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইফরমেশন সার্ভিসেসের (সিইজিআইএস) সিনিয়র অ্যাডভাইজার ড. মমিনুল হক সরকার।

সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অখিল কুমার বিশ্বাস, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান এবং সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ার সাদাত।

আরও পড়ুন:
এলিসি প্রাসাদে শেখ হাসিনা
জলবায়ু সম্মেলন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
বন উজাড় বন্ধে সম্মত শতাধিক বিশ্বনেতা

শেয়ার করুন

অ্যালবেট্রস দম্পতিদের বিচ্ছেদ কেন বাড়ছে

অ্যালবেট্রস দম্পতিদের বিচ্ছেদ কেন বাড়ছে

মানুষের মতো অ্যালবেট্রস পাখিরাও নানা কাঠ-খড় পুড়িয়ে একটি নতুন সম্পর্ক তৈরি করে। ছবি: বিবিসি

অ্যালবেট্রস নিয়ে সাম্প্রতিক একটি গবেষণা প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক ও লিসবন ইউনিভার্সিটির গবেষক ফ্রান্সিকো ভেনচুরা বলেন, ‘একগামীতা ও দীর্ঘস্থায়ী বন্ধন অ্যালবেট্রস সমাজে খুবই সাধারণ একটি ঘটনা।’

সঙ্গীর প্রতি বিশ্বস্ততায় অ্যালবেট্রস পাখিরা জগদ্বিখ্যাত। এর মানে এই নয় যে, তারা কখনও একে অপরকে ছেড়ে যায় না। তবে সেই সংখ্যাটি নগন্যই বলা চলে। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, এই পাখিদের মধ্যে বিচ্ছেদের হার বেড়ে গেছে বহুগুণে।

যুক্তরাজ্যের রয়্যাল সোসাইটি জার্নালে সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। গত ১৫ বছর ধরে ফকল্যান্ড আইল্যান্ডে সাড়ে ১৫ হাজার অ্যালবেট্রস যুগলের ওপর নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে এই প্রতিবেদনটি তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে বিবিসি জানিয়েছে, মানুষের মতো অ্যালবেট্রস পাখিরাও নানা কাঠ-খড় পুড়িয়ে একটি নতুন সম্পর্ক তৈরি করে। একবার তাদের মনের মিল হয়ে গেলে- সারাজীবনই তারা একে অপরকে সঙ্গ দিয়ে চলে। সাধারণ হিসেবে, খুব বেশি হলে এক শতাংশ অ্যালবেট্রস যুগলের মধ্যে বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে; যা মানুষের সমাজের চেয়ে অনেকাংশেই কম।

অ্যালবেট্রস নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদনটির অন্যতম লেখক ও লিসবন ইউনিভার্সিটির গবেষক ফ্রান্সিকো ভেনচুরা বলেন, ‘একগামীতা ও দীর্ঘস্থায়ী বন্ধন অ্যালবেট্রস সমাজে খুবই সাধারণ একটি ঘটনা।’

কিন্তু বিগত বছরগুলোর গবেষণায় দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পানির তাপমাত্রা যত বাড়ছে অ্যালবেট্রস যুগলদের মধ্যে বিচ্ছেদের হারও তত বাড়ছে। বর্তমানে এমন বিচ্ছেদ বেদনা সহ্য করতে হচ্ছে ৮ শতাংশেরও বেশি অ্যালবেট্রস যুগলকে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, সাধারণত কোনো অ্যালবেট্রস যুগল প্রজননে ব্যার্থ হলেই তাদের মধ্যে বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে। এক্ষেত্রে পরবর্তী প্রজনন মৌসুমের জন্য তারা নতুন সঙ্গীর খোঁজ করে। কিন্তু সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, একটি সফল প্রজনন মৌসুম কাটানোর পরও অ্যালবেট্রস যুগলদের মধ্যে বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটছে।

ফ্রান্সিসকো বলেন, অ্যালবেট্রসদের বিচ্ছেদ বাড়ার নেপথ্যে দুটি কারণ থাকতে পারে। প্রথমত, দীর্ঘস্থায়ী একটি সম্পর্ক মানিয়ে চলতে তারা হয়তো অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছে। দ্বিতীয়ত, পানির তাপমাত্রা বাড়তে থাকার কারণে অ্যালবেট্রস পাখিদের আরও দীর্ঘ সময় শিকার খুঁজে বেড়াতে হচ্ছে। শিকারের সন্ধানে তারা আগের চেয়েও দূর-দূরান্তে উড়ে যাচ্ছে। ফলে প্রজনন মৌসুমে তাদের অনেকেই সময়মতো নীড়ে ফিরতে ব্যর্থ হচ্ছে। আর এই ফাঁকে তাদের সঙ্গীরা নতুন কোনো সঙ্গীকে বেছে নিচ্ছে।

আবার এমনও হতে পারে, বিরূপ আবহাওয়া অ্যালবেট্রস পাখিদের হরমোনে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসছে। ফলে সঙ্গীর প্রতি বিশ্বস্ত থাকার বৈশিষ্ট্যগুলো তারা হারিয়ে ফেলছে।

ফ্রান্সিসকো বলেন, ‘প্রজনন শর্তগুলো কঠিন থেকে কঠিনতর হওয়া আর খাদ্যের অভাব অ্যালবেট্রস পাখিদের মধ্যে ক্লান্তি বাড়াচ্ছে। ফলে তারা একে অপরের সক্ষমতায় সন্তুষ্ট হতে পারছে না। যার ফল শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদেই গড়াচ্ছে।

এমন প্রবণতা অ্যালবেট্রসের সংখ্যার ওপরও প্রভাব ফেলছে। ২০১৭ সালের এক পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৮০-এর দশকের তুলনায় প্রজননক্ষম অ্যালবেট্রস যুগলের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

ফ্রান্সিকো মনে করেন, বৈশ্বিক ও সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা যত বাড়বে অ্যালবেট্রস পাখিদের সমাজে এমন বিচ্ছেদের গল্পও তত বাড়বে।

আরও পড়ুন:
এলিসি প্রাসাদে শেখ হাসিনা
জলবায়ু সম্মেলন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
বন উজাড় বন্ধে সম্মত শতাধিক বিশ্বনেতা

শেয়ার করুন

রিসোর্ট থেকে সাফারি পার্কে ৪ মায়া হরিণ

রিসোর্ট থেকে সাফারি পার্কে ৪ মায়া হরিণ

গাজীপুরের রিসোর্টে পাওয়া গেছে এই মায়া হরিণগুলো। ছবি: নিউজবাংলা

কর্মকর্তারা জানান, অভিযানের সময় রিসোর্টের মালিক ফকির মনিরুজ্জামান অঙ্গীকার করেন, ভবিষ্যতে তার এই অবকাশ কেন্দ্রটি বন্যপ্রাণী মুক্ত রাখা হবে। তাই তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

গাজীপুরের শ্রীপুরে গ্রিন ভিউ গলফ রিসোর্টে অভিযান চালিয়ে চারটি মায়া হরিণ উদ্ধার করেছে বন্যপ্রার্ণী অপরাধ দমন ইউনিট। কর্মকর্তারা জানান, সেখানে চিত্রা হরিণের ৫৬টি শিংও পাওয়া গেছে।

ঢাকা বন বিভাগের সহায়তায় মঙ্গলবার বিকেলে পৌর এলাকার ভাংনাহাটি গ্রামের ওই রিসোর্টে অভিযান চালায় বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট।

কর্মকর্তারা জানান, অভিযানের সময় রিসোর্টের মালিক ফকির মনিরুজ্জামান অঙ্গীকার করেন, ভবিষ্যতে তার এই অবকাশ কেন্দ্রটি বন্যপ্রাণী মুক্ত রাখা হবে। তাই তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

ইউনিটের পরিদর্শক নার্গিস সুলতানা বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অবকাশ কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে এসব বন্যপ্রাণী পাওয়া যায়। পরে কর্তৃপক্ষকে বন্যপ্রাণী আইন সম্পর্কে অবহিত করলে তারা এসব প্রাণী ও শিং স্বেচ্ছায় হস্তান্তর করেন।’

তিনি জানান, মায়া হরিণগুলো গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দেশের বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, হরিণ হত্যা, এর দেহের অংশ সংরক্ষণ, পরিবহন ও কেনাবেচা দণ্ডনীয় অপরাধ।

আরও পড়ুন:
এলিসি প্রাসাদে শেখ হাসিনা
জলবায়ু সম্মেলন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
বন উজাড় বন্ধে সম্মত শতাধিক বিশ্বনেতা

শেয়ার করুন