ভোপালে হাসপাতালে আগুন, ৪ নবজাতকের মৃত্যু

ভোপালে হাসপাতালে আগুন, ৪ নবজাতকের মৃত্যু

স্থানীয় সময় রাত প্রায় ৯টার দিকে কমলা নেহেরু চিলড্রেন হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। আগুনের সূত্রপাত হাসপাতালের তৃতীয় ফ্লোরে। সেখানে ছিল সদ্য জন্ম নেয়া স্পেশাল নিউবর্ন কেয়ার ইউনিট (এসএনসিইউ)।

ভারতের মধ্য প্রদেশের ভোপালে একটি সরকারি হাসপাতালে আগুনে সদ্য জন্ম নেয়া চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

ফাতেহগর ফায়ার স্টেশনের ইনচার্জ জুবের খান জানান, স্থানীয় সময় রাত প্রায় ৯টার দিকে কমলা নেহেরু চিলড্রেন হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। আগুনের সূত্রপাত হাসপাতালের তৃতীয় ফ্লোরে। সেখানে ছিল সদ্য জন্ম নেয়া স্পেশাল নিউবর্ন কেয়ার ইউনিট (এসএনসিইউ)।

রাজ্যের মেডিক্যাল এডুকেশন মন্ত্রী বিশ্বাস সারঙ্গ বলেন, ‘হাসপাতালটিতে সদ্য জন্ম নেয়া বিশেষ ইউনিটে আগুন ছড়িয়ে পড়লে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে, আগুনের সূত্রপাত সম্ভবত শর্ট সার্কিট থেকে।

‘অগ্নিকাণ্ডের তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অন্যদের সঙ্গে নিয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। ওয়ার্ডের ভেতরটায় ছিল কালো অন্ধকার। আমরা শিশুদের পার্শ্ববর্তী ওয়ার্ডে স্থানান্তর করেছি।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া হাসপাতালটির আগুনের বিভিন্ন ফুটেজে দেখা যায়, ওই ওয়ার্ডে উদ্ধারকাজ শুরুর পর জীবন বাঁচাতে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামছেন হতভম্ব অভিভাবকরা। আর সদ্য জন্ম বাকি শিশুদের অন্যান্য ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হচ্ছে।

হাসপাতালে আগুনে শিশুদের মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। এক টুইটে তিনি জানান, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতি পরিবারের জন্য ৪ লাখ রুপি করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
অপুষ্টিতে ভোগা শিশু বেশি মোদির রাজ্যে
চীন ইস্যুতে মোদির পদত্যাগ চাইল কংগ্রেস
ডিজেলের দাম কমাল ভারতের বিজেপিশাসিত ৯ রাজ্য
ভারতের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেল ভারতের কোভ্যাক্সিন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নাগাল্যান্ডে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ১২ গ্রামবাসী নিহত

নাগাল্যান্ডে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ১২ গ্রামবাসী নিহত

নাগাল্যান্ডে জঙ্গি ভেবে ১২ সাধারণ মানুষকে গুলি করে হত্যা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছবি: বিবিসি

শনিবার রাতে নাগাল্যান্ডের মন জেলার তিরু-ওটিং রোডে সন্ত্রাস দমন অভিযান চালাচ্ছিল নিরাপত্তা বাহিনী। সে সময় একটি মিনি পিকআপ ভ্যানে করে বাড়ি ফিরছিল একদল সাধারণ মানুষ। অনুপ্রবেশকারী ভেবে তাদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালালে তাদের মধ্যে ১২ জন নিহত হয়।

সন্ত্রাস দমন অভিযানে বেরিয়ে ভুলবশত ‘অনুপ্রবেশকারী জঙ্গি’ ভেবে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালালে ১২ জন গ্রামবাসী নিহত হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারত-মিয়ানমার সীমান্তের কাছে নাগাল্যান্ডের মন জেলার ওটিং গ্রামে। এ ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নাগাল্যান্ড প্রশাসন।

নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেইফিও রিও এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে টুইট করেছেন।

তিনি লেখেন, ‘ওটিংয়ে গ্রামবাসীর মৃত্যুর ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক।’

মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন, উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী দোষীরা শাস্তি পাবে বলে জানান তিনি।

নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে অসম রাইফেলসের পক্ষ থেকে বিবৃতি দেয়া হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত হবে। দোষীদের আইন অনুযায়ী শাস্তি দেয়া হবে।’

স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার রাতে নাগাল্যান্ডের মন জেলার তিরু-ওটিং রোডে সন্ত্রাস দমন অভিযান চালাচ্ছিলেন নিরাপত্তা বাহিনী। সে সময় একটি মিনি পিকআপ ভ্যানে করে বাড়ি ফিরছিলেন একদল সাধারণ মানুষ। অনুপ্রবেশকারী ভেবে তাদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালালে তাদের মধ্যে ১২ জন নিহত হয়।

এদিকে গ্রামের লোকজন তাদের পরিজনদের ফিরে আসতে দেরি দেখে খুঁজতে বেরিয়ে দেখে মিনি পিকআপ ভ্যান ভর্তি লাশ। এ ঘটনায় বিক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দারা।

নিরাপত্তা বাহিনীকে ঘিরে ধরে গ্রামবাসী বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। বাহিনীর তিনটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।

এ সময় নিরাপত্তা বাহিনী আত্মরক্ষার্থে গুলি চালালে সাতজন স্থানীয় বাসিন্দা আহত হয়।

সেখানে একজন বিএসএফ জওয়ানেরও মৃত্যু হয়েছে বলে অসম রাইফেলসের বিবৃতিতে জানানো হয়।

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

রোববারের টুইটে তিনি বলেন, ‘ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হবে। নিহতদের পরিবার বিচার পাবে।’

আরও পড়ুন:
অপুষ্টিতে ভোগা শিশু বেশি মোদির রাজ্যে
চীন ইস্যুতে মোদির পদত্যাগ চাইল কংগ্রেস
ডিজেলের দাম কমাল ভারতের বিজেপিশাসিত ৯ রাজ্য
ভারতের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেল ভারতের কোভ্যাক্সিন

শেয়ার করুন

বাঘের থাবা থেকে সন্তান ছিনিয়ে আনলেন মা

বাঘের থাবা থেকে সন্তান ছিনিয়ে আনলেন মা

চিতাবাঘের মুখ থেকে বেঁচে আসা মা ও ছেলে। ছবি: সংগৃহীত

প্রায় এক কিলোমিটার ধাওয়ার পর বাঘটিও কিছুটা ঘাবড়ে যায়। নিজেকে আড়াল করতে একটি ঝোপের পেছনে লুকিয়ে পড়ে। খুব ঠান্ডা মাথায় বাঘের হাত থেকে সন্তানকে বাঁচানোর চেষ্টা শুরু করেন কিরন। সফলও হন।

চিতাবাঘের আক্রমণের মুখে সন্তানের প্রতি ভালোবাসার অনন্য প্রমাণ দিলেন এক মা। নিজের জীবন বাজি রেখে কোনো অস্ত্রশস্ত্র ছাড়াই বাঘের থাবা থেকে সন্তানকে ছিনিয়ে এনেছেন তিনি।

সস্প্রতি ভারতের মধ্যপ্রদেশের ঝিরিয়া গ্রামের ঘটনাটি ঘটে বলে ইন্ডিয়া টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ওই নারী একাই লড়াই করে বাঘের থাবা থেকে উদ্ধার করেন তার শিশু ছেলেকে। তার কাছে ছিল না কোনো অস্ত্র। এরপরও সন্তানকে বাঁচাতে কোনো কিছুর পরোয়া করেননি তিনি।

বাইগা সম্প্রদায়ের ওই নারীর নাম কিরন। তার ভাষ্য, ঘরের বাইরে তিন সন্তানকে নিয়ে আগুন পোহানোর সময় চিতাবাঘ হানা দেয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার আট বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে দৌড় দেয় বাঘটি। সঙ্গে সঙ্গে বাঘের ধাওয়া করেন তিনিও।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় এক কিলোমিটার ধাওয়ার পর বাঘটিও কিছুটা ঘাবড়ে যায়। নিজেকে আড়াল করতে একটি ঝোপের পেছনে লুকিয়ে পড়ে।

খুব ঠান্ডা মাথায় বাঘের হাত থেকে সন্তানকে বাঁচানোর চেষ্টা শুরু করেন কিরন। একটি লাঠি জোগাড় করে বাঘটিকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন। বাঘটি তখন ছেলেকে ছেড়ে দিয়ে মায়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। পাল্টা লাঠির আঘাতেই চিতাটি কিরণ ও তার ছেলেকে ছেড়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় মা ও ছেলে উভয়েই আহত হয়। পরে বনবিভাগের লোকজন তাদের স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের চিকিৎসা দেয়া হয়। এই ঘটনায় প্রশংসায় ভাসছেন কিরন।

আরও পড়ুন:
অপুষ্টিতে ভোগা শিশু বেশি মোদির রাজ্যে
চীন ইস্যুতে মোদির পদত্যাগ চাইল কংগ্রেস
ডিজেলের দাম কমাল ভারতের বিজেপিশাসিত ৯ রাজ্য
ভারতের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেল ভারতের কোভ্যাক্সিন

শেয়ার করুন

ভারতে যুদ্ধবিমানের চাকা চুরি

ভারতে যুদ্ধবিমানের চাকা চুরি

মিরেজ ২০০০ যুদ্ধ বিমান। ছবি: এএফপি

ফরাসি কোম্পানি ডাসাল্ট অ্যাভিয়েশনের নির্মিত মিরেজ ২০০০ যুদ্ধ অনেক দিন ধরে ব্যবহার করে আসছে ভারত। দেশটির বিমান বাহিনীতে এ ধরনের ৫০টি যুদ্ধবিমান সক্রিয় রয়েছে।

ভারতীয় বিমান বাহিনীর মিরেজ ২০০০ যুদ্ধবিমানের একটি চাকা পরিবহনের সময় তা চুরি হয়ে গেছে। এ ঘটনায় এফআইআর করেছে উত্তর প্রদেশ রাজ্য পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বিমানের যন্ত্রাংশ বহনকারী ট্রেলারের চালককে।

ফরাসি কোম্পানি ডাসাল্ট অ্যাভিয়েশনের নির্মিত মিরেজ ২০০০ যুদ্ধবিমান অনেক দিন ধরে ব্যবহার করে আসছে ভারত। দেশটির বিমান বাহিনীতে এ ধরনের ৫০টি যুদ্ধবিমান সক্রিয় রয়েছে।

সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি ভারতের উত্তর প্রদেশের শহর লখনৌতে চলন্ত ট্রেলার থেকে মিরেজ যুদ্ধবিমানের চাকা চুরি হয়ে যায়।

ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

পুলিশের এফআইআর থেকে জানা যায়, চালক হেম সিংহ রাওয়াতের বলেছেন, উত্তর প্রদেশে আশিয়ানা থানা এলাকায় শহীদ পথ হাইওয়েতে এসে গভীর রাতে যানজটে আটকে যায় যুদ্ধবিমানের চাকা বহনকারী ট্রেলারটি। এ সময় পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা একটি কালো রঙের স্করপিওন গাড়ি থেকে দুজন ব্যক্তি নেমে দড়ি কেটে একটি চাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। হেম সিংহ তাদের ধাওয়া করলেও যানজটের কারণে ধরতে সক্ষম হননি।

বিমান বাহিনী জানিয়েছে, লখনৌ বিমান বাহিনী স্টেশন থেকে মিরেজ যুদ্ধবিমানের পাঁচটি চাকা ট্রেলারের মাধ্যমে যোধপুর বিমান ঘাঁটি স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

সাধারণ কোনো কাজে মিরেজ যুদ্ধবিমানের চাকা ব্যবহারের সুযোগ নেই। তাই এ ঘটনার অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে কি না, তাও বিবেচনায় রেখেছে ভারতীয় বিমান বাহিনী।

বিমান বাহিনীর নিরাপত্তাকর্মীরাও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। বিমান স্টেশন থেকে শহীদ পথ হাইওয়ের ঘটনা সংগঠিত হওয়ার স্থান পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছে তারা।

মিরেজ ২০০০ চতুর্থ প্রজন্মের কমব্যাট, মাল্টিরোল, সুপারসনিক যুদ্ধবিমান। ভারতীয় বিমান বাহিনী ছাড়াও পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ অনেক দেশই এই যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে আসছে।

আরও পড়ুন:
অপুষ্টিতে ভোগা শিশু বেশি মোদির রাজ্যে
চীন ইস্যুতে মোদির পদত্যাগ চাইল কংগ্রেস
ডিজেলের দাম কমাল ভারতের বিজেপিশাসিত ৯ রাজ্য
ভারতের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেল ভারতের কোভ্যাক্সিন

শেয়ার করুন

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ মোকাবিলায় প্রস্তুত পশ্চিমবঙ্গ

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ মোকাবিলায় প্রস্তুত পশ্চিমবঙ্গ

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ মোকাবিলায় সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ছবি: সংগৃহীত

আগামী তিন দিন মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যারা সমুদ্রে গেছেন তাদের শুক্রবারের মধ্যে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রে নামতে নিষেধ করা হয়েছে।

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ মোকাবিলায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

ভারতীয় আবহাওয়া অফিস বলছে, ঘূর্ণিঝড়টি শনিবার সকালের দিকে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের কাছে দক্ষিণ ওড়িশার মধ্যে স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে।

জাওয়াদের প্রভাব বেশি পড়তে পারে পশ্চিমবঙ্গের দীঘাসহ পূর্ব মেদিনীপুর ও আশপাশ এলাকায়। তাই উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মাইকিং করে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।

সেই সঙ্গে আগামী তিন দিন মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যারা সমুদ্রে গেছেন তাদের শুক্রবারের মধ্যে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রে নামতে নিষেধ করা হয়েছে।

দীঘা, শঙ্করপুর, মন্দারমনি, তাজপুরের সমুদ্রতটগুলোতে বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওয়াচ টাওয়ার থেকেও নজরদারির ব্যবস্থা থাকছে।

জাওয়াদ মোকাবিলায় প্রশাসন প্রস্তুত বলে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা প্রশাসক পূর্ণেন্দু মাজি বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করতে সব রকম প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি।’

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় বৃহস্পতিবারই জেলা প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা বৈঠকে বসেন।

আলিপুর আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। আকাশে মেঘ থাকায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। কমতে পারে শীত। তবে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরে শনিবার থেকে বৃষ্টি হবে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ও দুই মেদিনীপুরে। সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া থাকবে। ক্রমশ বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। এ অবস্থা চলবে সোমবার পর্যন্ত।

রোববার ও সোমবার দুই মেদিনীপুর এবং দুই চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, ঝাড়গ্রামে অতি ভারী বৃষ্টির সর্তকতা দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বলা হয়েছে, কলকাতা, হুগলি নদীয়াতে ও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

ভারতীয় আবহাওয়া অফিস বলছে, দক্ষিণ থাইল্যান্ডে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ক্রমশ গতি বাড়িয়ে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ ও উড়িশা উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে।

আগাম সতর্কতা হিসেবে ভারতীয় রেলের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেলের একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

পূর্ব রেল সূত্রে জানা গেছে, ৯৫টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। রেল অফিসের টুইটারে জানানো হয়, আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ৩ থেকে ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ উড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে। তাই বিভিন্ন স্টেশন থেকে আপ ও ডাউন ট্রেনের ৯৫টি ট্রেন বাতিল করেছে রেল। সেই সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ২৭টি আপ ও ২২টি ডাউনের দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্ব রেলের জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, যাত্রীদের সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যেসব যাত্রীদের আগে থেকে আসন সংরক্ষণ করা ছিল তাদের ফোনে মেসেজ পাঠিয়ে দেয়া হবে। তারা টিকিটের টাকা ফেরত পাবেন।

আরও পড়ুন:
অপুষ্টিতে ভোগা শিশু বেশি মোদির রাজ্যে
চীন ইস্যুতে মোদির পদত্যাগ চাইল কংগ্রেস
ডিজেলের দাম কমাল ভারতের বিজেপিশাসিত ৯ রাজ্য
ভারতের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেল ভারতের কোভ্যাক্সিন

শেয়ার করুন

কংগ্রেস এখন ডিপ ফ্রিজে: তৃণমূল

কংগ্রেস এখন ডিপ ফ্রিজে: তৃণমূল

ভারতীয় কংগ্রেসের দলীয় পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

তৃণমূলের দলীয় মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’র সম্পাদকীয়তে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগে লেখা হয়েছে- কংগ্রেসের নেতারা টুইট-সর্বস্ব, কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক জোট (ইউপিএ) ভগ্ন। বিজেপি বিরোধীদের ভরসা এখন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আন্দোলনবিমুখ কংগ্রেস এখন ডিপ ফ্রিজে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলটি বলছে, বিজেপিবিরোধীরা এখন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে তাকিয়ে।

শুক্রবার প্রকাশিত তৃণমূলের দলীয় মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’র সম্পাদকীয়তে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগে আরও লেখা হয়েছে- কংগ্রেসের নেতারা টুইট-সর্বস্ব, কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক জোট (ইউপিএ) ভগ্ন। বিজেপিবিরোধীদের ভরসা এখন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

‘ডিপ ফ্রিজে কংগ্রেস’ শীর্ষক সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, ইউপিএ শেষ। বিরোধী জোট দরকার। দলীয় কোন্দল আর রক্তক্ষরণে কংগ্রেস এতটাই বিদীর্ণ যে, দল ধরে রাখাই সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। পাঞ্জাব থেকে গোয়া, ত্রিপুরা সে কথাই বুঝিয়ে দিচ্ছে। অথচ সাম্প্রদায়িক অগণতান্ত্রিক, জনবিরোধী, শ্রমিক-কৃষকবিরোধী বিজেপিকে হারানোর জন্য বিকল্প জোটের আশুপ্রয়োজন।

সম্পাকীয়তে আরও বলা হয়, সবচেয়ে বড় বিরোধী দল কংগ্রেস ডিপ ফ্রিজে পার্টিকে বন্দি করে রেখেছে। সামান্য লোক দেখানো আন্দোলন ছাড়া, নেতারা কার্যত ঘরবন্দি, টুইট-সর্বস্ব।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে তৃণমূলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর টুইটে কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেন, শেষ ১০ বছরে ৯০ শতাংশ নির্বাচনে হেরেছে কংগ্রেস। নেতৃত্ব দেয়া কংগ্রেস নেতৃত্বের কোনো ঈশ্বর-প্রদত্ত অধিকার নয়। গণতন্ত্র পদ্ধতিতে বিরোধী নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত নেয়া হোক।

কংগ্রেসের দুর্বলতা তুলে ধরে টুইট করেছেন খোদ দলটির শীর্ষ নেতা গুলাম নবী আজাদ। তিনি লিখেছেন, আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির মতো ৩০০ আসনে জিতে আসার ক্ষমতা কংগ্রেসের নেই। ক্ষমতা থেকে এখন ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছে কংগ্রেস।

সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যায়, তৃণমূল কংগ্রেস লাগাতার কংগ্রেস নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করে গেলেও কংগ্রেস সেভাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণে যাচ্ছে না। তৃণমূল নিয়ে কংগ্রেস নেতৃত্ব দ্বিধাবিভক্ত। তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেয়ার মতো সাহসও দেখাতে পারছে না কংগ্রেস।

তৃণমূলের তরফে ওই নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে, দেশে এই মুহূর্তে বিরোধী শক্তির জোটের দরকার। সেই দায়িত্ব বিরোধীরাই দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রীকে। কারণ তিনিই এখন সর্বজনগ্রাহ্য বিরোধী মুখ, জনপ্রিয় মুখ। তার দিকে তাকিয়ে বিরোধী শক্তি।

আরও পড়ুন:
অপুষ্টিতে ভোগা শিশু বেশি মোদির রাজ্যে
চীন ইস্যুতে মোদির পদত্যাগ চাইল কংগ্রেস
ডিজেলের দাম কমাল ভারতের বিজেপিশাসিত ৯ রাজ্য
ভারতের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেল ভারতের কোভ্যাক্সিন

শেয়ার করুন

দিল্লির দূষণ নিয়ন্ত্রণে টাস্ক ফোর্স

দিল্লির দূষণ নিয়ন্ত্রণে টাস্ক ফোর্স

দিল্লি ও আশপাশ এলাকার বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে ভারত সরকার। ফাইল ছবি

রাজধানীতে দূষণের মাত্রা পরীক্ষা করতে ভারত সরকার এবং রাজ্যগুলোর অক্ষমতার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করার একদিন পর সরকার এই সিদ্ধান্তের কথা জানাল।

দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বায়ুর গুণমান ব্যবস্থাপনা কমিশন ক্রমবর্ধমান বায়ু দূষণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিতে একটি ‘এনফোর্সমেন্ট টাস্ক ফোর্স’ গঠন করেছে বলে সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে ভারত সরকার।

রাজধানীতে দূষণের মাত্রা পরীক্ষা করতে ভারত সরকার এবং রাজ্যগুলোর অক্ষমতার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করার একদিন পর শুক্রবার সরকার এই সিদ্ধান্তের কথা জানাল।

সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করা একটি হলফনামায় সরকার জানিয়েছে, পাঁচ সদস্যের টাস্কফোর্স দূষণ নিয়ন্ত্রণ লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।

পাঁচ সদস্যের কেন্দ্রীয় টাস্কফোর্সের অংশ হিসেবে আরও ১৭টি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। তারা সরাসরি মূল টাস্কফোর্সকে রিপোর্ট করবে।

এর আগে, কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ বায়ু দূষণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে নজরদারি করতো।

সরকার হলফনামায় জানিয়েছে, এই ফ্লাইং স্কোয়াডগুলো ২ ডিসেম্বর থেকে কাজ শুরু করেছে এবং ইতোমধ্যে ২৫টি জায়গায় অতর্কিত পরিদর্শন চালিয়েছে। সরকার আশ্বাস দিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই জাতীয় স্কোয়াডের সংখ্যা ৪০-এ উন্নীত করা হবে।

হলফনামায় বলা হয়েছে, দিল্লি ও সংলগ্ন অঞ্চলের সব স্কুল ও কলেজ পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। সিএনজি বা বিদ্যুতচালিত এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন ছাড়া ট্রাকের প্রবেশও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

দিল্লি ও সংলগ্ন অঞ্চলের শিল্প ইউনিটগুলো যেগুলো পিএনজি বা ক্লিনার জ্বালানিতে চলছে না তাদের সপ্তাহের দিনগুলোতে দিনে মাত্র ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করার অনুমতি দেয়া হবে এবং সপ্তাহান্তে বন্ধ থাকবে।

এছাড়া, দিল্লির ৩০০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত ১১টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে পাঁচটি আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চালু থাকবে।

আরও পড়ুন:
অপুষ্টিতে ভোগা শিশু বেশি মোদির রাজ্যে
চীন ইস্যুতে মোদির পদত্যাগ চাইল কংগ্রেস
ডিজেলের দাম কমাল ভারতের বিজেপিশাসিত ৯ রাজ্য
ভারতের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেল ভারতের কোভ্যাক্সিন

শেয়ার করুন

ভারতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংস্পর্শে পাঁচজনের করোনা

ভারতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংস্পর্শে পাঁচজনের করোনা

ভারতে একজন স্বাস্থ্যকর্মী সন্দেহভাজন করোনা আক্রান্তের নমুনা সংগ্রহ করছেন। ছবি-এএফপি

যে দুজনের শরীরে ওমিক্রনের উপস্থিতি ধরা পড়েছে, তাদের মধ্যে একজনের বয়স ৪৬। বেঙ্গালুরুর ওই চিকিৎসকের টিকার দুটি ডোজই নেয়া হয়ে গিয়েছে। তিনি সম্প্রতি বিদেশ যাত্রাও করেননি। গত মাসে তার জ্বর আসে ও গায়ে ব্যথা অনুভূত হয়।

ভারতে প্রবেশ করেছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন।

বৃহস্পতিবারই ভারত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কর্ণাটকে দুই করোনা আক্রান্তের নমুনায় মিলেছে ওমিক্রন।

সে ঘোষণার পরই কর্ণাটক সরকার জানায়, ওই দুজনের মধ্যে একজনের সংস্পর্শে আসা পাঁচজন আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। তাদের নমুনায় ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

যে দুজনের শরীরে ওমিক্রনের উপস্থিতি ধরা পড়েছে, তাদের মধ্যে একজনের বয়স ৪৬। বেঙ্গালুরুর ওই চিকিৎসকের টিকার দুটি ডোজই নেয়া হয়ে গিয়েছে। তিনি সম্প্রতি বিদেশ যাত্রাও করেননি। গত মাসে তার জ্বর আসে ও গায়ে ব্যথা অনুভূত হয়।

এরপর তিনি নমুনা পরীক্ষা করান। গত ২১ নভেম্বর তার নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ওই দিনই তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। তার নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিং- এর জন্য পাঠানো হয়। তিন দিন পরে তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়।

কারা কারা ওই চিকিৎসকের সংস্পর্শে এসেছেন, তা খতিয়ে দেখা হয় কর্ণাটকের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। ১৩ জনকে চিহ্নিত করা হয়, যারা সরাসরি সংস্পর্শে এসেছেন।

এ ছাড়া পরোক্ষভাবে সংস্পর্শে এসেছেন, এমন ২৫০ জনকে চিহ্নিত করা হয়। তবে দ্বিতীয় আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা ২৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েনি।

বেঙ্গালুরু মহানগর সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় ওমিক্রন আক্রান্ত ব্যক্তি ভারতের নাগরিক নন। চলতি মাসের ২০ তারিখ দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে করোনার নেগেটিভ রিপোর্ট নিয়ে বেঙ্গালুরুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন। তার করোনা টিকার দুটি ডোজই নেয়া ছিল।

পরেই তিনি একটি হোটেলে যান। তার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সরকারি চিকিৎসক হোটেলে গিয়ে ওই ব্যক্তিকে পরীক্ষা করেন। করোনার উপসর্গ থাকায় তাকে হোটেলের ঘরে কোয়ারেন্টিনের পরামর্শ দেন চিকিৎসক।

দক্ষিণ আফ্রিকাতেই যেহেতু ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের প্রথম হদিশ পাওয়া গিয়েছিল, তাই জিনোম সিকোয়েন্সিয়ের জন্য ২২ নভেম্বর পুনরায় তার নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়।

২৪ জন ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন, প্রত্যেকেরই করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।

পরোক্ষভাবে সংস্পর্শে আসা ২৪০ জন ব্যক্তিরও করোনা পরীক্ষা করে পুরসভা। তাদের সকলের পরীক্ষার ফলাফলও নেগেটিভ আসে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে ২৩ নভেম্বর ওই ব্যক্তি আরও একবার করোনা পরীক্ষা করিয়েছিলেন। সেই পরীক্ষায় করোনার নেগেটিভ রিপোর্ট ধরা পড়ে। এরপরই ২৭ নভেম্বর তিনি হোটেল ছেড়ে চলে যান। বিমানে দুবাইয়ের উদ্দেশে রওনা হন তিনি।

কিছুদিন আগেই করোনার ওই ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনকে উদ্বেগের কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মূলত দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম এই ভ্যারিয়েন্টের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

বিশ্বের যে সব দেশে এখনও পর্যন্ত ওমিক্রনের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, সে দেশগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে। এই ভ্যারিয়েন্টের অভিযোজন ক্ষমতা বেশি হওয়ার কারণে তার সংক্রমণ ক্ষমতাও অনেক।

আরও পড়ুন:
অপুষ্টিতে ভোগা শিশু বেশি মোদির রাজ্যে
চীন ইস্যুতে মোদির পদত্যাগ চাইল কংগ্রেস
ডিজেলের দাম কমাল ভারতের বিজেপিশাসিত ৯ রাজ্য
ভারতের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেল ভারতের কোভ্যাক্সিন

শেয়ার করুন