পশ্চিমবঙ্গে বাসমালিকদের সঙ্গে বসছেন পরিবহনমন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গে বাসমালিকদের সঙ্গে বসছেন পরিবহনমন্ত্রী

প্রতীকী ছবি

টক টু কেএমসি অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ওদের নাভিশ্বাস উঠেছে। বাস কমে যাওয়ার কারণ জানতে ওদের চিঠি দেয়া হয়েছিল। সব সংগঠন চিঠি দিয়ে তাদের অবস্থান জানিয়েছে। বৈঠকে তাদের সমস্যার কথা শুনব।’

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও পশ্চিমবঙ্গে বাড়েনি বাস ভাড়া। এ সমস্যা সমাধানে বাসমালিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। আগামী ১৭ নভেম্বর সে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

করোনাভাইরাস মহামারিতে বিধিনিষেধ আর পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বেসরকারি বাসমালিক সংগঠনগুলো ভাড়া বাড়ানোর জোরালো দাবি তুলেছে। রাজ্য সরকার বাস ভাড়া না বাড়ানোয় ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে দাবি মালিকদের।

নেই ভাড়ার চার্ট

এ মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গে কোনো বেসরকারি বাস ভাড়ার চার্ট নেই। যেসব বাস সংগঠন কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন রুটে বাস চালাচ্ছে, তারা পুরোনো চার্টের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন স্ল্যাবে ৩ টাকা, ৫ টাকা, ১০ টাকা করে বাড়িয়ে নিয়েছে।

বর্তমানে পাবলিক বাস ও কলকাতার মিনি বাসে উঠলেই ভাড়া ১০ টাকা। পাবলিক বাস নিয়ে যাবে ৪ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত। একই ভাড়ায় মিনিবাস নিয়ে যাবে ৩ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত। পরের স্ল্যাব ১২ কিলোমিটার পর্যন্ত পাবলিক বাসে ১৬ টাকা এবং ৯ কিলোমিটার পর্যন্ত মিনিবাসে ২০ টাকা ভাড়া।

বিবাদ নিয়মিত

ভাড়ার নির্দিষ্ট চার্ট না থাকায় প্রতিদিন যাত্রী ও বাসকর্মীদের মধ্যে ভাড়া নিয়ে বিবাদ লেগে থাকে। কোনো কোনো যাত্রীর অবশ্য বর্ধিত ভাড়া দিতে আপত্তি নেই। তাদের একজন আরাধনা সেন।

বিজন সেতু থেকে তিনি উঠেছেন ৩সি/১ বাসে। যাবেন রুবি হাসপাতাল।

আরাধনা বলেন, ‘৫ টাকা, ১০ টাকা বেশি দিতে হলেও এই পরিস্থিতিতে পরিষেবা যে পাচ্ছি, সেটাই অনেক।’

বেসরকারি বাস পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত রঞ্জিত শিকারি বলেন, ‘বাস চালিয়ে কোনো লাভ নেই; উল্টো ক্ষতি। বাসমালিকরা সব বাস বিক্রি করে দিচ্ছেন।’

সম্প্রতি পেট্রোল এবং ডিজেলের ১০ টাকা শুল্ক কমিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাতেও সমস্যার সুরাহা হয়নি।

রাজ্য সরকার বাস ভাড়া কম রেখে ডিজেলের বদলে সিএনজিচালিত বাস ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছে।

শনিবার টক টু কেএমসি অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের উত্তরে পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ওদের নাভিশ্বাস উঠেছে। বাস কমে যাওয়ার কারণ জানতে ওদের চিঠি দেয়া হয়েছিল। সব সংগঠন চিঠি দিয়ে তাদের অবস্থান জানিয়েছে। বৈঠকে তাদের সমস্যার কথা শুনব।’

পরিবহন মন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের বাসমালিকরা যোগ দেবেন।

কলকাতায় রোববার লিটারপ্রতি পেট্রোলের দাম ছিল ১০৪ দশমিক ৬৭ টাকা। ওই দিন প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ছিল ৮৯ দশমিক ৭৯ টাকা।

আরও পড়ুন:
কুকুরের লেজে বাজির বিস্ফোরণ, লজ্জায় পশ্চিমবঙ্গ
ধর্ম নিয়ে বিদ্রূপের জবাব দিলেন পশ্চিমবঙ্গের রুমানা
পশ্চিমবঙ্গের ৪ বিধানসভা উপনির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোট
৫ মাস পর পশ্চিমবঙ্গে চালু হচ্ছে লোকাল ট্রেন
করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রুখতে পশ্চিমবঙ্গে ফের নির্দেশিকা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সু চির চার বছরের কারাদণ্ড

সু চির চার বছরের কারাদণ্ড

আদালতের কাঠগড়ায় অং সান সু চি। ছবি: এএফপি

ড. সাসা বলেন, ‘তিনি (সু চি) ঠিক নেই। মিলিটারি জেনারেল তাকে ১০৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা তাকে কারাগারেই মেরে ফেলতে চান।’

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চির চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির জান্তা সরকার নিয়ন্ত্রণাধীন আদালত।

‘গণ অসন্তোষে’ উসকানি ও করোনাভাইরাসের আইন ভাঙার দায়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আইনে এ সাজা দেয়া হয়েছে তাকে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, সু চির সঙ্গে একই অভিযোগে সমান চার বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে দেশটির ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তকেও।

৭৬ বছর বয়সী সু চির বিরুদ্ধে দেশটির জান্তা সরকার বিভিন্ন অভিযোগে এক ডজনের বেশি মামলা করেছে। যদিও সু চি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

সু চির বিরুদ্ধে প্রায় ১০ মাসে ঔপনিবেশিক আমলের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘন, দুর্নীতি, প্রতারণা, করোনাভাইরাস মহামারিকালীন বিধিনিষেধ উপেক্ষা, অবৈধ ওয়াকিটকি আমদানিসহ কমপক্ষে ১২টি মামলা করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী।

সব শেষ তার বিরুদ্ধে হেলিকপ্টার কেনা ও ভাড়া দেয়ায় দুর্নীতির অভিযোগে একটি মামলা করে সেনা সরকার।

চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির সেনাবাহিনী; আটক করে শান্তিতে নোবেলজয়ী সু চি, প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তসহ অনেককে।

তখন থেকেই সু চিকে বন্দি করে রাখে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। তবে সু চিকে কবে, কখন এবং আদৌ কারাগারে নেয়া হবে কি না সে সম্পর্কে জানা যায়নি।

তাদের গ্রেপ্তারের পর থেকেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে নজিরবিহীন বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে মিয়ানমার। বিক্ষোভ দমনে কঠোর হয় সেনাবাহিনী।

নিজের বিরুদ্ধে আনা সামরিক সরকারের এসব মামলার বিরুদ্ধে সু চি লড়াই করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন নতুন গঠন করা ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্টের এক মুখপাত্র।

এই সরকারে রাখা হয়েছে গণতন্ত্রপন্থি নেতা ও সমর্থকদের। এ ছাড়া সমমনা আরও কিছু দলের নেতারাও এই সরকারের হয়ে কাজ করছে।

সে সরকারের মুখপাত্র ড. সাসা বলেন, ‘তিনি (সু চি) ঠিক নেই। মিলিটারি জেনারেল তাকে ১০৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা তাকে কারাগারেই মেরে ফেলতে চান।’

গত বছর নির্বাচনে এনএলডি ভূমিধ্বস জয় পাওয়ার পর সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ক্ষমতা কেড়ে নেয়।

এ পর্যন্ত দেশটিতে ১ হাজার ২০০ এর বেশি মানুষকে হত্যা এবং ১০ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স।

বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব সু চি। তাই দেশটিতে সামরিক শাসন অব্যাহত রাখতে সু চিকে সারা জীবনের জন্য রাজনীতি থেকে উৎখাত করতে চায় সেনাবাহিনী। ফলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই এসব মামলা দিয়ে শাস্তি দেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
কুকুরের লেজে বাজির বিস্ফোরণ, লজ্জায় পশ্চিমবঙ্গ
ধর্ম নিয়ে বিদ্রূপের জবাব দিলেন পশ্চিমবঙ্গের রুমানা
পশ্চিমবঙ্গের ৪ বিধানসভা উপনির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোট
৫ মাস পর পশ্চিমবঙ্গে চালু হচ্ছে লোকাল ট্রেন
করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রুখতে পশ্চিমবঙ্গে ফের নির্দেশিকা

শেয়ার করুন

ব্লাউজ নিয়ে ঝগড়ায় স্ত্রীর ‘আত্মহত্যা’

ব্লাউজ নিয়ে ঝগড়ায় স্ত্রীর ‘আত্মহত্যা’

প্রতীকী ছবি

দর্জি স্বামী পছন্দের ব্লাউজ বানাতে না পারায় তার প্রতি বিরক্ত ছিলেন বিজয়ালক্ষ্মী নামে ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী। বিষয়টি নিয়ে ঝগড়া করার পর শয়নকক্ষে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার স্কুলগামী দুটি সন্তান রয়েছে।

স্বামী পেশায় দর্জি। অথচ স্ত্রীর জন্য মনমতো ব্লাউজ বানাতে পারেননি। এই নিয়ে ঝগড়া। এর জেরে ‘আত্মহত্যা’ করে বসেছেন ওই নারী।

এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ভারতের হায়দরাবাদে আম্বারপেট এলাকার গোলানকা থিরু মালা নগরে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, দর্জি স্বামী পছন্দের ব্লাউজ বানাতে না পারায় তার প্রতি বিরক্ত ছিলেন বিজয়ালক্ষ্মী নামের ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী। বিষয়টি নিয়ে ঝগড়া করার পর শয়নকক্ষে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার স্কুলগামী দুটি সন্তান রয়েছে।

জীবিকার প্রয়োজনে বিজয়ালক্ষ্মীর স্বামী বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে শাড়ি ও ব্লাউজ সেলাই করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের কাপড়ও সেলাই করেন তিনি। শনিবার বিজয়ালক্ষ্মীর জন্য একটি ব্লাউজ সেলাই করেছিলেন। ব্লাউজটি পছন্দ হয়নি স্ত্রীর।

শুরু হয় ঝগড়া। বিজয়লক্ষ্মী তার ব্লাউজটি পুনরায় সেলাই করে দিতে স্বামীকে অনুরোধ করেছিলেন, কিন্তু তিনি রাজি হননি। এতে আরও ক্ষুব্ধ বিজয়লক্ষ্মী। পরে শিশুরা স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে শয়নকক্ষের দরজা বন্ধ দেখতে পায়। তারা নক করতে থাকে, কিন্তু কোনো সাড়া মেলেনি।

বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত বাড়ি ফেরেন বিজয়লক্ষ্মীর স্বামী। দরজা ভেঙে স্ত্রীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান তিনি।

পরে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি পুলিশকে জানালে তারা এসে মরদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে, চলছে তদন্ত।

আরও পড়ুন:
কুকুরের লেজে বাজির বিস্ফোরণ, লজ্জায় পশ্চিমবঙ্গ
ধর্ম নিয়ে বিদ্রূপের জবাব দিলেন পশ্চিমবঙ্গের রুমানা
পশ্চিমবঙ্গের ৪ বিধানসভা উপনির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোট
৫ মাস পর পশ্চিমবঙ্গে চালু হচ্ছে লোকাল ট্রেন
করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রুখতে পশ্চিমবঙ্গে ফের নির্দেশিকা

শেয়ার করুন

নাগাল্যান্ডে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ১২ গ্রামবাসী নিহত

নাগাল্যান্ডে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ১২ গ্রামবাসী নিহত

নাগাল্যান্ডে জঙ্গি ভেবে ১২ সাধারণ মানুষকে গুলি করে হত্যা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছবি: বিবিসি

শনিবার রাতে নাগাল্যান্ডের মন জেলার তিরু-ওটিং রোডে সন্ত্রাস দমন অভিযান চালাচ্ছিল নিরাপত্তা বাহিনী। সে সময় একটি মিনি পিকআপ ভ্যানে করে বাড়ি ফিরছিল একদল সাধারণ মানুষ। অনুপ্রবেশকারী ভেবে তাদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালালে তাদের মধ্যে ১২ জন নিহত হয়।

সন্ত্রাস দমন অভিযানে বেরিয়ে ভুলবশত ‘অনুপ্রবেশকারী জঙ্গি’ ভেবে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালালে ১২ জন গ্রামবাসী নিহত হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারত-মিয়ানমার সীমান্তের কাছে নাগাল্যান্ডের মন জেলার ওটিং গ্রামে। এ ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নাগাল্যান্ড প্রশাসন।

নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেইফিও রিও এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে টুইট করেছেন।

তিনি লেখেন, ‘ওটিংয়ে গ্রামবাসীর মৃত্যুর ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক।’

মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন, উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী দোষীরা শাস্তি পাবে বলে জানান তিনি।

নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে অসম রাইফেলসের পক্ষ থেকে বিবৃতি দেয়া হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত হবে। দোষীদের আইন অনুযায়ী শাস্তি দেয়া হবে।’

স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার রাতে নাগাল্যান্ডের মন জেলার তিরু-ওটিং রোডে সন্ত্রাস দমন অভিযান চালাচ্ছিলেন নিরাপত্তা বাহিনী। সে সময় একটি মিনি পিকআপ ভ্যানে করে বাড়ি ফিরছিলেন একদল সাধারণ মানুষ। অনুপ্রবেশকারী ভেবে তাদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালালে তাদের মধ্যে ১২ জন নিহত হয়।

এদিকে গ্রামের লোকজন তাদের পরিজনদের ফিরে আসতে দেরি দেখে খুঁজতে বেরিয়ে দেখে মিনি পিকআপ ভ্যান ভর্তি লাশ। এ ঘটনায় বিক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দারা।

নিরাপত্তা বাহিনীকে ঘিরে ধরে গ্রামবাসী বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। বাহিনীর তিনটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।

এ সময় নিরাপত্তা বাহিনী আত্মরক্ষার্থে গুলি চালালে সাতজন স্থানীয় বাসিন্দা আহত হয়।

সেখানে একজন বিএসএফ জওয়ানেরও মৃত্যু হয়েছে বলে অসম রাইফেলসের বিবৃতিতে জানানো হয়।

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

রোববারের টুইটে তিনি বলেন, ‘ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হবে। নিহতদের পরিবার বিচার পাবে।’

আরও পড়ুন:
কুকুরের লেজে বাজির বিস্ফোরণ, লজ্জায় পশ্চিমবঙ্গ
ধর্ম নিয়ে বিদ্রূপের জবাব দিলেন পশ্চিমবঙ্গের রুমানা
পশ্চিমবঙ্গের ৪ বিধানসভা উপনির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোট
৫ মাস পর পশ্চিমবঙ্গে চালু হচ্ছে লোকাল ট্রেন
করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রুখতে পশ্চিমবঙ্গে ফের নির্দেশিকা

শেয়ার করুন

বাঘের থাবা থেকে সন্তান ছিনিয়ে আনলেন মা

বাঘের থাবা থেকে সন্তান ছিনিয়ে আনলেন মা

চিতাবাঘের মুখ থেকে বেঁচে আসা মা ও ছেলে। ছবি: সংগৃহীত

প্রায় এক কিলোমিটার ধাওয়ার পর বাঘটিও কিছুটা ঘাবড়ে যায়। নিজেকে আড়াল করতে একটি ঝোপের পেছনে লুকিয়ে পড়ে। খুব ঠান্ডা মাথায় বাঘের হাত থেকে সন্তানকে বাঁচানোর চেষ্টা শুরু করেন কিরন। সফলও হন।

চিতাবাঘের আক্রমণের মুখে সন্তানের প্রতি ভালোবাসার অনন্য প্রমাণ দিলেন এক মা। নিজের জীবন বাজি রেখে কোনো অস্ত্রশস্ত্র ছাড়াই বাঘের থাবা থেকে সন্তানকে ছিনিয়ে এনেছেন তিনি।

সস্প্রতি ভারতের মধ্যপ্রদেশের ঝিরিয়া গ্রামের ঘটনাটি ঘটে বলে ইন্ডিয়া টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ওই নারী একাই লড়াই করে বাঘের থাবা থেকে উদ্ধার করেন তার শিশু ছেলেকে। তার কাছে ছিল না কোনো অস্ত্র। এরপরও সন্তানকে বাঁচাতে কোনো কিছুর পরোয়া করেননি তিনি।

বাইগা সম্প্রদায়ের ওই নারীর নাম কিরন। তার ভাষ্য, ঘরের বাইরে তিন সন্তানকে নিয়ে আগুন পোহানোর সময় চিতাবাঘ হানা দেয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার আট বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে দৌড় দেয় বাঘটি। সঙ্গে সঙ্গে বাঘের ধাওয়া করেন তিনিও।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় এক কিলোমিটার ধাওয়ার পর বাঘটিও কিছুটা ঘাবড়ে যায়। নিজেকে আড়াল করতে একটি ঝোপের পেছনে লুকিয়ে পড়ে।

খুব ঠান্ডা মাথায় বাঘের হাত থেকে সন্তানকে বাঁচানোর চেষ্টা শুরু করেন কিরন। একটি লাঠি জোগাড় করে বাঘটিকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন। বাঘটি তখন ছেলেকে ছেড়ে দিয়ে মায়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। পাল্টা লাঠির আঘাতেই চিতাটি কিরণ ও তার ছেলেকে ছেড়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় মা ও ছেলে উভয়েই আহত হয়। পরে বনবিভাগের লোকজন তাদের স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের চিকিৎসা দেয়া হয়। এই ঘটনায় প্রশংসায় ভাসছেন কিরন।

আরও পড়ুন:
কুকুরের লেজে বাজির বিস্ফোরণ, লজ্জায় পশ্চিমবঙ্গ
ধর্ম নিয়ে বিদ্রূপের জবাব দিলেন পশ্চিমবঙ্গের রুমানা
পশ্চিমবঙ্গের ৪ বিধানসভা উপনির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোট
৫ মাস পর পশ্চিমবঙ্গে চালু হচ্ছে লোকাল ট্রেন
করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রুখতে পশ্চিমবঙ্গে ফের নির্দেশিকা

শেয়ার করুন

ভারতে যুদ্ধবিমানের চাকা চুরি

ভারতে যুদ্ধবিমানের চাকা চুরি

মিরেজ ২০০০ যুদ্ধ বিমান। ছবি: এএফপি

ফরাসি কোম্পানি ডাসাল্ট অ্যাভিয়েশনের নির্মিত মিরেজ ২০০০ যুদ্ধ অনেক দিন ধরে ব্যবহার করে আসছে ভারত। দেশটির বিমান বাহিনীতে এ ধরনের ৫০টি যুদ্ধবিমান সক্রিয় রয়েছে।

ভারতীয় বিমান বাহিনীর মিরেজ ২০০০ যুদ্ধবিমানের একটি চাকা পরিবহনের সময় তা চুরি হয়ে গেছে। এ ঘটনায় এফআইআর করেছে উত্তর প্রদেশ রাজ্য পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বিমানের যন্ত্রাংশ বহনকারী ট্রেলারের চালককে।

ফরাসি কোম্পানি ডাসাল্ট অ্যাভিয়েশনের নির্মিত মিরেজ ২০০০ যুদ্ধবিমান অনেক দিন ধরে ব্যবহার করে আসছে ভারত। দেশটির বিমান বাহিনীতে এ ধরনের ৫০টি যুদ্ধবিমান সক্রিয় রয়েছে।

সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি ভারতের উত্তর প্রদেশের শহর লখনৌতে চলন্ত ট্রেলার থেকে মিরেজ যুদ্ধবিমানের চাকা চুরি হয়ে যায়।

ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

পুলিশের এফআইআর থেকে জানা যায়, চালক হেম সিংহ রাওয়াতের বলেছেন, উত্তর প্রদেশে আশিয়ানা থানা এলাকায় শহীদ পথ হাইওয়েতে এসে গভীর রাতে যানজটে আটকে যায় যুদ্ধবিমানের চাকা বহনকারী ট্রেলারটি। এ সময় পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা একটি কালো রঙের স্করপিওন গাড়ি থেকে দুজন ব্যক্তি নেমে দড়ি কেটে একটি চাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। হেম সিংহ তাদের ধাওয়া করলেও যানজটের কারণে ধরতে সক্ষম হননি।

বিমান বাহিনী জানিয়েছে, লখনৌ বিমান বাহিনী স্টেশন থেকে মিরেজ যুদ্ধবিমানের পাঁচটি চাকা ট্রেলারের মাধ্যমে যোধপুর বিমান ঘাঁটি স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

সাধারণ কোনো কাজে মিরেজ যুদ্ধবিমানের চাকা ব্যবহারের সুযোগ নেই। তাই এ ঘটনার অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে কি না, তাও বিবেচনায় রেখেছে ভারতীয় বিমান বাহিনী।

বিমান বাহিনীর নিরাপত্তাকর্মীরাও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। বিমান স্টেশন থেকে শহীদ পথ হাইওয়ের ঘটনা সংগঠিত হওয়ার স্থান পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছে তারা।

মিরেজ ২০০০ চতুর্থ প্রজন্মের কমব্যাট, মাল্টিরোল, সুপারসনিক যুদ্ধবিমান। ভারতীয় বিমান বাহিনী ছাড়াও পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ অনেক দেশই এই যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে আসছে।

আরও পড়ুন:
কুকুরের লেজে বাজির বিস্ফোরণ, লজ্জায় পশ্চিমবঙ্গ
ধর্ম নিয়ে বিদ্রূপের জবাব দিলেন পশ্চিমবঙ্গের রুমানা
পশ্চিমবঙ্গের ৪ বিধানসভা উপনির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোট
৫ মাস পর পশ্চিমবঙ্গে চালু হচ্ছে লোকাল ট্রেন
করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রুখতে পশ্চিমবঙ্গে ফের নির্দেশিকা

শেয়ার করুন

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ মোকাবিলায় প্রস্তুত পশ্চিমবঙ্গ

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ মোকাবিলায় প্রস্তুত পশ্চিমবঙ্গ

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ মোকাবিলায় সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ছবি: সংগৃহীত

আগামী তিন দিন মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যারা সমুদ্রে গেছেন তাদের শুক্রবারের মধ্যে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রে নামতে নিষেধ করা হয়েছে।

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ মোকাবিলায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

ভারতীয় আবহাওয়া অফিস বলছে, ঘূর্ণিঝড়টি শনিবার সকালের দিকে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের কাছে দক্ষিণ ওড়িশার মধ্যে স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে।

জাওয়াদের প্রভাব বেশি পড়তে পারে পশ্চিমবঙ্গের দীঘাসহ পূর্ব মেদিনীপুর ও আশপাশ এলাকায়। তাই উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মাইকিং করে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।

সেই সঙ্গে আগামী তিন দিন মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যারা সমুদ্রে গেছেন তাদের শুক্রবারের মধ্যে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রে নামতে নিষেধ করা হয়েছে।

দীঘা, শঙ্করপুর, মন্দারমনি, তাজপুরের সমুদ্রতটগুলোতে বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওয়াচ টাওয়ার থেকেও নজরদারির ব্যবস্থা থাকছে।

জাওয়াদ মোকাবিলায় প্রশাসন প্রস্তুত বলে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা প্রশাসক পূর্ণেন্দু মাজি বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করতে সব রকম প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি।’

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় বৃহস্পতিবারই জেলা প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা বৈঠকে বসেন।

আলিপুর আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। আকাশে মেঘ থাকায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। কমতে পারে শীত। তবে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরে শনিবার থেকে বৃষ্টি হবে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ও দুই মেদিনীপুরে। সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া থাকবে। ক্রমশ বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। এ অবস্থা চলবে সোমবার পর্যন্ত।

রোববার ও সোমবার দুই মেদিনীপুর এবং দুই চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, ঝাড়গ্রামে অতি ভারী বৃষ্টির সর্তকতা দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বলা হয়েছে, কলকাতা, হুগলি নদীয়াতে ও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

ভারতীয় আবহাওয়া অফিস বলছে, দক্ষিণ থাইল্যান্ডে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ক্রমশ গতি বাড়িয়ে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ ও উড়িশা উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে।

আগাম সতর্কতা হিসেবে ভারতীয় রেলের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেলের একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

পূর্ব রেল সূত্রে জানা গেছে, ৯৫টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। রেল অফিসের টুইটারে জানানো হয়, আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ৩ থেকে ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ উড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে। তাই বিভিন্ন স্টেশন থেকে আপ ও ডাউন ট্রেনের ৯৫টি ট্রেন বাতিল করেছে রেল। সেই সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ২৭টি আপ ও ২২টি ডাউনের দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্ব রেলের জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, যাত্রীদের সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যেসব যাত্রীদের আগে থেকে আসন সংরক্ষণ করা ছিল তাদের ফোনে মেসেজ পাঠিয়ে দেয়া হবে। তারা টিকিটের টাকা ফেরত পাবেন।

আরও পড়ুন:
কুকুরের লেজে বাজির বিস্ফোরণ, লজ্জায় পশ্চিমবঙ্গ
ধর্ম নিয়ে বিদ্রূপের জবাব দিলেন পশ্চিমবঙ্গের রুমানা
পশ্চিমবঙ্গের ৪ বিধানসভা উপনির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোট
৫ মাস পর পশ্চিমবঙ্গে চালু হচ্ছে লোকাল ট্রেন
করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রুখতে পশ্চিমবঙ্গে ফের নির্দেশিকা

শেয়ার করুন

কংগ্রেস এখন ডিপ ফ্রিজে: তৃণমূল

কংগ্রেস এখন ডিপ ফ্রিজে: তৃণমূল

ভারতীয় কংগ্রেসের দলীয় পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

তৃণমূলের দলীয় মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’র সম্পাদকীয়তে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগে লেখা হয়েছে- কংগ্রেসের নেতারা টুইট-সর্বস্ব, কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক জোট (ইউপিএ) ভগ্ন। বিজেপি বিরোধীদের ভরসা এখন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আন্দোলনবিমুখ কংগ্রেস এখন ডিপ ফ্রিজে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলটি বলছে, বিজেপিবিরোধীরা এখন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে তাকিয়ে।

শুক্রবার প্রকাশিত তৃণমূলের দলীয় মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’র সম্পাদকীয়তে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগে আরও লেখা হয়েছে- কংগ্রেসের নেতারা টুইট-সর্বস্ব, কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক জোট (ইউপিএ) ভগ্ন। বিজেপিবিরোধীদের ভরসা এখন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

‘ডিপ ফ্রিজে কংগ্রেস’ শীর্ষক সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, ইউপিএ শেষ। বিরোধী জোট দরকার। দলীয় কোন্দল আর রক্তক্ষরণে কংগ্রেস এতটাই বিদীর্ণ যে, দল ধরে রাখাই সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। পাঞ্জাব থেকে গোয়া, ত্রিপুরা সে কথাই বুঝিয়ে দিচ্ছে। অথচ সাম্প্রদায়িক অগণতান্ত্রিক, জনবিরোধী, শ্রমিক-কৃষকবিরোধী বিজেপিকে হারানোর জন্য বিকল্প জোটের আশুপ্রয়োজন।

সম্পাকীয়তে আরও বলা হয়, সবচেয়ে বড় বিরোধী দল কংগ্রেস ডিপ ফ্রিজে পার্টিকে বন্দি করে রেখেছে। সামান্য লোক দেখানো আন্দোলন ছাড়া, নেতারা কার্যত ঘরবন্দি, টুইট-সর্বস্ব।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে তৃণমূলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর টুইটে কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেন, শেষ ১০ বছরে ৯০ শতাংশ নির্বাচনে হেরেছে কংগ্রেস। নেতৃত্ব দেয়া কংগ্রেস নেতৃত্বের কোনো ঈশ্বর-প্রদত্ত অধিকার নয়। গণতন্ত্র পদ্ধতিতে বিরোধী নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত নেয়া হোক।

কংগ্রেসের দুর্বলতা তুলে ধরে টুইট করেছেন খোদ দলটির শীর্ষ নেতা গুলাম নবী আজাদ। তিনি লিখেছেন, আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির মতো ৩০০ আসনে জিতে আসার ক্ষমতা কংগ্রেসের নেই। ক্ষমতা থেকে এখন ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছে কংগ্রেস।

সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যায়, তৃণমূল কংগ্রেস লাগাতার কংগ্রেস নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করে গেলেও কংগ্রেস সেভাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণে যাচ্ছে না। তৃণমূল নিয়ে কংগ্রেস নেতৃত্ব দ্বিধাবিভক্ত। তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেয়ার মতো সাহসও দেখাতে পারছে না কংগ্রেস।

তৃণমূলের তরফে ওই নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে, দেশে এই মুহূর্তে বিরোধী শক্তির জোটের দরকার। সেই দায়িত্ব বিরোধীরাই দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রীকে। কারণ তিনিই এখন সর্বজনগ্রাহ্য বিরোধী মুখ, জনপ্রিয় মুখ। তার দিকে তাকিয়ে বিরোধী শক্তি।

আরও পড়ুন:
কুকুরের লেজে বাজির বিস্ফোরণ, লজ্জায় পশ্চিমবঙ্গ
ধর্ম নিয়ে বিদ্রূপের জবাব দিলেন পশ্চিমবঙ্গের রুমানা
পশ্চিমবঙ্গের ৪ বিধানসভা উপনির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোট
৫ মাস পর পশ্চিমবঙ্গে চালু হচ্ছে লোকাল ট্রেন
করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রুখতে পশ্চিমবঙ্গে ফের নির্দেশিকা

শেয়ার করুন