× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
In the United States 6 people were trampled to death in a concert
google_news print-icon

যুক্তরাষ্ট্রে কনসার্টে পদদলিত হয়ে নিহত ৮

যুক্তরাষ্ট্রে-কনসার্টে-পদদলিত-হয়ে-নিহত-৮
হিউস্টন ফায়ারের প্রধান স্যামুয়েল পেনা সাংবাদিকদের বলেন, র‌্যাপার ট্র্যাভিস স্কট যখন পারফর্ম করছিলেন তখন মঞ্চের দিকে মানুষের প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয়। পদদলিত হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের হিউস্টনে একটি মিউজিক ফেস্টিভালে পদদলিত হয়ে অন্তত আটজনের প্রাণ গেছে। আহত হয়েছেন অনেকে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ৯টার পর পরই অ্যাস্ট্রোওয়ার্ল্ড ফেস্টিভালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান হিউস্টন ফায়ারের প্রধান স্যামুয়েল পেনা।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, র‌্যাপার ট্র্যাভিস স্কট যখন পারফর্ম করছিলেন তখন মঞ্চের দিকে মানুষের প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয়। পদদলিত হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

তিনি বলেন, ‘মানুষের ভিড়ের চাপ মঞ্চের সামনের দিকে আসতে থাকে। তখন আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। অনেকে আহত হতে থাকেন।লোকেরা ঢলে পড়তে শুরু করে, অনেকে অজ্ঞান হয়ে যান এবং এটি অতিরিক্ত আতঙ্কের সৃষ্টি করে।’

অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর ওই কর্মকর্তা জানান, চাপ ও পদদলিত হয়ে কয়েকজন আহত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কনসার্ট বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

কর্তকর্তারা জানান, ওই ঘটনায় আহত ১৭ জনকে হাসপাতালে নেয়া হয়। এর মধ্যে ১১ জনই হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এ ছাড়া, কনসার্টস্থল এনআরজি পার্কে ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করে অনেককে চিকিৎসা দেয়া হয়।

কনসার্টটিতে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের জমাগম হয়েছিল বলে জানান অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর কর্মকর্তা পেনা।

কনসার্টের রাতটিকে ‘ভয়াবহ রাত্রী’ বলে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় রাজনীতিবিদ হ্যারিস কাউন্টির বিচারক লিনা হিদালগো।

তিনি বলেন, ‘আমাদের হৃদয় ভেঙে গেছে। মানুষজন এসব অনুষ্ঠানে যান ভালো একটা সময় কাটাতে, হাফ ছেড়ে বাঁচতে এবং স্মৃতি জমাতে। এগুলো এমন কোনো অনুষ্ঠান নয়, যেখানে হতাহত আপনার প্রত্যাশায় থাকতে পারে।’

আরও পড়ুন:
তরুণ শিল্পীকে বাঁচাতে ঢাবিতে কনসার্ট
সৌদি আরবের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র
সৌদি আরবকে ৬৫ কোটি ডলারের অস্ত্র দেবে যুক্তরাষ্ট্র
১০ বছরে এক হাজার পারমাণবিক অস্ত্র মজুত করবে চীন
কিশোর অপরাধী থেকে নিউ ইয়র্কের মেয়র কৃষ্ণাঙ্গ অ্যাডামস

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Olis oath as Prime Minister of Nepal

নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ অলির

নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ অলির কাঠমান্ডুতে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় শীতল নিবাসে সোমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন কেপি শর্মা অলি (ডানে)। ছবি: রয়টার্স
অলি পার্লামেন্টের ১৬৬ আইনপ্রণেতার স্বাক্ষর সংগ্রহ করে তা জমা দেন। এ পদে তার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না।

নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন কেপি শর্মা অলি।

কাঠমান্ডু পোস্ট জানায়, কাঠমান্ডুতে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় শীতল নিবাসে সোমবার শপথ নেন নতুন প্রধানমন্ত্রী।

সংবাদমাধ্যমটির খবরে বলা হয়, অলিকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পাউদেল।

এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো দেশের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অলি।

গত শুক্রবার নেপাল পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি সভায় আস্থা ভোটে হেরে ক্ষমতাচ্যুত হন দেশটির প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল প্রচণ্ড। একই দিন সন্ধ্যায় সংবিধানের ৭৬ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নতুন সরকার গঠনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানান রাষ্ট্রপতি পাউদেল। একই সঙ্গে সরকার গঠনে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন তিনি।

রাষ্ট্রপতির আহ্বানের পরপরই জোটসঙ্গী নেপালি কংগ্রেস সভাপতি শের বাহাদুর দেউবাকে সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে যান ৭২ বছর বয়সী অলি। তিনি সেখানে প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব নেয়ার বিষয়ে আগ্রহের কথা জানান।

অলি পার্লামেন্টের ১৬৬ আইনপ্রণেতার স্বাক্ষর সংগ্রহ করে তা জমা দেন। এ পদে তার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না।

নেপালে সরকার গঠন করতে ২৭৫ সদস্যের প্রতিনিধি সভার কমপক্ষে ১৩৮ আইনপ্রণেতার সমর্থন দরকার।

আরও পড়ুন:
নেপালে ভূমিকম্পে প্রাণহানি ১২৮, আহত ১৪১
৬.১ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কাঠমান্ডু উপত্যকা
অলিম্পিকে হিজাব নিষিদ্ধ নয়: ফ্রান্সকে অলিম্পিক কমিটি
এভারেস্টে রেকর্ড গড়তে চাওয়া ভারতীয় পর্বতারোহীর মৃত্যু
পেট কেটে বের করা হলো আস্ত মদের বোতল

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
What effect will the attack on Daif have on the ceasefire talks?

দাইফের ওপর হামলা যুদ্ধবিরতি আলোচনায় কী প্রভাব ফেলবে

দাইফের ওপর হামলা যুদ্ধবিরতি আলোচনায় কী প্রভাব ফেলবে হামাসের সামরিক শাখার প্রধান দুর্ধর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ দাইফ। ছবি: সংগৃহীত
ওয়াশিংটনভিত্তিক মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের ফিলিস্তিন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষক খালেদ আল-গিন্দি বলেন, ‘খান ইউনিসে ইসরায়েলের শনিবারের হামলায় হামাসের সামরিক প্রধান মোহাম্মদ দাইফ নিহত হয়েছেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি নিহত হয়ে থাকলে তা ইসরায়েলিদের জন্য বিজয়ের আখ্যান হতে পারে। তবে তা হামাসের অবস্থানকেও শক্ত করবে। কেননা এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মেনে নেয়া হামাসের জন্য আত্মসমর্পণের শামিল বলে বিবেচিত হবে।’

হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দাইফকে লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করে শনিবার খান ইউনিসে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ওই হামলায় কমপক্ষে ৯০ জন নিহত এবং অন্তত ৩০০ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

নিহতদের মধ্যে দুর্ধর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ দাইফ ছিলেন কিনা তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দাবি, তিনি ও হামাসের দ্বিতীয় কমান্ডার রাফা সালামাকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়।

এক সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেন, ‘শুধু এই দুজন নয়, হামাসের সব নেতাকে হত্যা করাই ইসরায়েলের লক্ষ্য।’

কে এই মোহাম্মদ দাইফ

হামাসের সামরিক শাখা আল-ক্বাসাম ব্রিগেডের প্রধান মোহাম্মেদ দাইফকে দীর্ঘদিন ধরেই হন্যে হয়ে খুঁজছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী (এআইডি)। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ই‌সরায়েলের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় রয়েছেন তিনি।

দাইফকে টার্গেট করে বার বার হামলার ছক সাজিয়েছে তেলআবিব। ২০ বছর আগে ইসরায়েলের বিমান হামলায় কোনোক্রমে বেঁচে যান দায়েফ। সেই হামলায় এক চোখ, এক হাত ও দুই পা হারান তিনি। তারপর থেকে হুইলচেয়ারে বসেই হামাসের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই ফিলিস্তিনি গত বছর থেকে হামাসের সামরিক বাহিনীর প্রধানের দায়িত্বে রয়েছেন।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার পর নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেন এই দুর্ধর্ষ কমান্ডার। ওইদিন সকালে ‘আল আকসা বন্যা’ নামের ওই অভিযানের ঘোষণা দিয়ে দাইফের একটি ভয়েস রেকর্ড প্রকাশ করে হামাস।

হামলার ঠিক আগে রেডিওতে প্রকাশিত ৫৮ বছর বয়সী দাইফের ওই কমান্ড শুনে ইসরায়েলের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে হাজারো যোদ্ধা।

ষাটের দশকে গাজায় খান ইউনূস শরণার্থী শিবিরে জন্ম দাইফের। জন্মের সময় তার নাম ছিল মোহম্মদ দিয়াব ইব্রাহিম আল-মাসরি। সে সময় মিসরের দখলে ছিল গাজা। পরে দাইফ নামে পরিচিতি পান তিনি। গাজায় ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন তিনি। ১৯৬৭ সালের জুন মাসে গাজা দখল করে নেয় ইসরায়েল।

১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে ইসলামপন্থী ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস গঠনের পরপরই দাইফ তাতে যোগ দেন বলে ধারণা করা হয়।

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আত্মগোপনে রয়েছেন হামাসের এই শীর্ষস্থানীয় নেতা। এমনকি ইন্টারনেটেও তার খুব বেশি ছবি নেই।

১৯৮৯ সালে ফিলিস্তিনের প্রথম ইন্তিফাদা বা গণজাগরণের সময় ইসরায়েলি বাহিনী দাইফকে গ্রেপ্তার করে। অবশ্য পরে তাকে ছেড়েও দেয়।

২০০২ সালে ক্বাসাম ব্রিগেডের তৎকালীন প্রধান ইসরায়েলি হামলায় নিহত হলে তার স্থলাভিষিক্ত হন দাইফ। তিনি গাজাজুড়ে মাটির নিচ দিয়ে অসংখ্য সুড়ঙ্গ নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নায়ক ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। এছাড়া আত্মঘাতী বোমা হামলাসহ বহু ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিককে হত্যার পরিকল্পনার জন্য তাকে দায়ী করে ইসরায়েল।

ছাড়া পাওয়ার পর থেকে দাইফ একেবারে পর্দার আড়ালে চলে গেছেন। তার চেহারা, এমনকি তিনি সুস্থ আছেন কি না, তাও ফিলিস্তিনিদের বেশিরভাগের কাছেই অজানা।

কয়েকটি মিডিয়া রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের হামলায় আহত হওয়ার পর থেকে তিনি হুইল চেয়ার ব্যবহার করেন। আবার অনেকে বলেছেন, তিনি হাঁটতে পারেন।

আরবিতে তার নাম ‘দাইফ’ এর অর্থ ‘অতিথি’, যা তার ঘন ঘন স্থান পরিবর্তনের সমার্থক।

মে মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রধান কৌঁসুলি করিম খান ঘোষণা করেন, তিনি দাইফ, সিনওয়ার ও হামাসের নির্বাসিত সর্বোচ্চ নেতা ইসমাইল হানিয়ার গ্রেপ্তার চান। একইসঙ্গে সেসময় নেতানিয়াহু ও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গালান্টেরও গ্রেপ্তার চান তিনি।

দাইফের ওপর হামলা যুদ্ধবিরতি আলোচনায় কী প্রভাব ফেলবে

হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দাইফকে হত্যা করতে পারলে নিঃসন্দেহে ইসরায়েলের জন্য তা সর্বোচ্চ বিজয় হিসেবে চিহ্নিত হবে। অন্যদিকে হামাসের জন্য তা হবে ব্যাপক মানসিক পরাজয়। আর এই অবস্থান থেকে ইসরায়েলের ওপর আরও বেশি প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে উঠবে হামাস। আর তাতে নয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধে চলমান আলোচনা ভেস্তে যাবে। আরও বেশি রক্তপাতের ক্ষেত্র হয়ে উঠবে মধ্যপ্রাচ্যের এই জনপদ।

শনিবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেন, ‘হামাসের সব নেতাকে হত্যার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। নেতাদের হত্যা করে গোষ্ঠীটির ওপর চাপ বাড়ানো হলে তা যুদ্ধবিরতিতে সহায়ক হবে।’

তাই দাইফকে হত্যা করতে পারলে নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতি আলোচনায় আরও ইতিবাচক হতে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

নেতানিয়াহু এর আগেই বলেছেন, ইসরায়েল তার লক্ষ্য (হামাসের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা) অর্জন না করা পর্যন্ত তিনি যুদ্ধ শেষ করবেন না।

তবে দাইফকে ইসরায়েল যদি হত্যা করতে পারে তাহলে তা যুদ্ধবিরতি আলোচনা থেকে হামাসকে সরিয়ে দিতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ এই নেতার মৃত্যু তাদের যুদ্ধবিরতি আলোচনার পরিবর্তে প্রতিহিংসার দিকে ঠেলে দিতে পারে।

এ বিষয়ে ওয়াশিংটনভিত্তিক মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের ফিলিস্তিন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষক খালেদ আল-গিন্দি বলেন, ‘ইসরায়েলিদের জন্য এটি তাদের বিজয়ের আখ্যান হতে পারে, যা তারা গত নয় মাস ধরে মরিয়া হয়ে তাড়া করে চলেছে। তবে তা হামাসের অবস্থানকেও শক্ত করবে।

‘এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মেনে নেয়া হামাসের জন্য আত্মসমর্পণেরই শামিল বলে বিবেচিত হবে।’

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে হামাসের হামলায় দেশটির অন্তত ১ হাজার ২০০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়। সে সময় ২৫০ ইসরায়েলিকে জিম্মি করে নিয়ে যায় ফিলিস্তিনের সশস্ত্র শাসক গোষ্ঠী হামাস। ওই ঘটনার পর থেকে গাজায় ক্রমাগত হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

নয় মাসের বেশি সময় জুড়ে চলা ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৩০০-র বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হামাসের সামরিক প্রধানকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৭১

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Trumps attacker identified

ট্রাম্পের ওপর হামলাকারীর পরিচয় শনাক্ত

ট্রাম্পের ওপর হামলাকারীর পরিচয় শনাক্ত পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের বাটলারে শনিবার প্রচার সমাবেশে হামলার শিকার হন ডনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এনডিটিভি
২০ বছর বয়সী ওই হামলাকারীর নাম টমাস ম্যাথু ক্রুকস, যিনি নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের গুলিতে নিহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের বাটলারে শনিবার রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডনাল্ড ট্রাম্পের ওপর হামলাকারীকে শনাক্ত করেছে ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)।

এক বিবৃতিতে এফবিআই বিষয়টি জানিয়েছে বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০ বছর বয়সী ওই হামলাকারীর নাম টমাস ম্যাথু ক্রুকস, যিনি নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের গুলিতে নিহত হয়েছেন।

নির্বাচনি প্রচার সভায় ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে গুলি চালান ক্রুকস। গুলি কানে বিদ্ধ হয়ে রক্ত ছড়িয়ে পড়ে ৭৮ বছর বয়সী ট্রাম্পের মুখের বিভিন্ন জায়গায়।

পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ভোটার রেকর্ড অনুযায়ী, রিপাবলিকান হিসেবে নিবন্ধন করেন ক্রুকস।

এফবিআইয়ের বিবৃতি উদ্ধৃত করে এনবিসি ও সিবিএসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘পেনসিলভানিয়ার বাটলারে ১৩ জুলাই সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টায় জড়িত ব্যক্তি হিসেবে পেনসিলভানিয়ার বেথেল পার্কের ২০ বছর বয়সী টমাস ম্যাথু ক্রুকসকে শনাক্ত করেছে এফবিআই।’

এর আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, তারা প্রাথমিকভাবে বন্দুক হামলাকারীকে শনাক্ত করেছেন, তবে তার পরিচয় জনসমক্ষে প্রকাশ করতে প্রস্তুত নন তারা।

কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছিলেন, তারা হামলার উদ্দেশ্য জানতে পারেননি।

হামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা এফবিআই জানায়, বন্দুক হামলাকে ‘আত্মহত্যার চেষ্টা’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের দায়মুক্তি বিপজ্জনক নজির: বাইডেন
বাইডেনকে সরে দাঁড়াতে বলল নিউ ইয়র্ক টাইমস সম্পাদকীয় পরিষদ
বিতর্কে বাজে পারফরম্যান্স স্বীকার করে ট্রাম্পকে হারানোর প্রতিজ্ঞা বাইডেনের
বিতর্কে বাইডেনকে ‘খুব খারাপ ফিলিস্তিনি’ বললেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে এবারের প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্ক যে পাঁচ কারণে গুরুত্বপূর্ণ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Trump is safe Secret Service

ট্রাম্প নিরাপদ আছেন: সিক্রেট সার্ভিস

ট্রাম্প নিরাপদ আছেন: সিক্রেট সার্ভিস যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া পোস্টে সিক্রেট সার্ভিসের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘সাবেক প্রেসিডেন্ট (ট্রাম্প) নিরাপদ আছেন।’

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে শনিবার প্রচার সমাবেশে কানে গুলিবিদ্ধ সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প নিরাপদ আছেন বলে জানিয়েছে ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সিক্রেট সার্ভিস।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়, সমাবেশে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ডান কানে হাত দিতে দেখা যায় রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে। এর পরপরই তার মুখজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে রক্ত।

এ ঘটনার পরপরই মঞ্চে ছুটে এসে ট্রাম্পকে ঘিরে ধরেন সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা। তারা ট্রাম্পকে মঞ্চ থেকে নিরাপদে সরিয়ে নেন। এর মধ্যেই সমর্থকদের উদ্দেশে মুষ্টিবদ্ধ হাত উঁচিয়ে ধরেন সাবেক প্রেসিডেন্ট।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলোর খবর অনুযায়ী, সন্দেহভাজন হামলাকারী নিহত হয়েছেন। প্রাণ হারিয়েছেন সমাবেশে অংশগ্রহণকারী একজনও।

এমন বাস্তবতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া পোস্টে সিক্রেট সার্ভিসের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘সাবেক প্রেসিডেন্ট (ট্রাম্প) নিরাপদ আছেন।’

ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচার দল জানিয়েছে, রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী সুস্থ আছেন। একটা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

প্রচার দলের মুখপাত্র স্টিভেন চিউং এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ন্যক্কারজনক এ কাণ্ডের সময় দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রাথমিক সাড়া দেয়া ব্যক্তিদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি নিরাপদ আছেন এবং স্থানীয় একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
চাপ সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট পদে লড়াইয়ে থাকার প্রতিশ্রুতি বাইডেনের
সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের দায়মুক্তি বিপজ্জনক নজির: বাইডেন
বাইডেনকে সরে দাঁড়াতে বলল নিউ ইয়র্ক টাইমস সম্পাদকীয় পরিষদ
বিতর্কে বাজে পারফরম্যান্স স্বীকার করে ট্রাম্পকে হারানোর প্রতিজ্ঞা বাইডেনের
বিতর্কে বাইডেনকে ‘খুব খারাপ ফিলিস্তিনি’ বললেন ট্রাম্প

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Bidens call for unity condemns the attack on Trump

ট্রাম্পের ওপর হামলার নিন্দা, ঐক্যের ডাক বাইডেনের

ট্রাম্পের ওপর হামলার নিন্দা, ঐক্যের ডাক বাইডেনের যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। কোলাজ: নিউজবাংলা
বাইডেনের আশা, শিগগিরই ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রে চলতি বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডনাল্ড ট্রাম্পের ওপর শনিবার হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রচার সমাবেশে কানে গুলিবিদ্ধ হন ট্রাম্প। এ ঘটনায় সমাবেশে অংশগ্রহণকারী কমপক্ষে একজন নিহত হয়েছেন। প্রাণ হারিয়েছেন সন্দেহভাজন হামলাকারীও।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সিক্রেট সার্ভিস ট্রাম্পকে মঞ্চ থেকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার পরপরই এ ঘটনার নিন্দা জানান ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিকান পার্টির রাজনীতিকরা।

সাবেক প্রেসিডেন্টের ওপর হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়্যারের রিহোবোথ বিচ এলাকায় জরুরি ব্রিফিংয়ে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, ‘আমেরিকায় এ ধরনের সহিংসতার কোনো স্থান নেই। এটি ন্যক্কারজনক। এটি ন্যক্কারজনক। এটি অন্যতম কারণ, যার ফলে আমাদের দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে...আমরা এমনটা হতে পারি না, আমরা এটি গ্রহণ করতে পারি না।’

ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর আশা, শিগগিরই ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেন, ‘আমরা তার (ট্রাম্প), তার পরিবার এবং এই কাণ্ডজ্ঞানহীন বন্দুক হামলায় আহত ও আক্রান্ত সবার জন্য প্রার্থনা করছি।’

আরও পড়ুন:
বাইডেনকে নিয়ে ওবামার শঙ্কা
ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ বন্ধের সময় এসেছে: বাইডেন
চাপ সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট পদে লড়াইয়ে থাকার প্রতিশ্রুতি বাইডেনের
সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের দায়মুক্তি বিপজ্জনক নজির: বাইডেন
তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বাইডেনের কণ্ঠে জয়ের প্রত্যয়

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Attacker shot in Trumps ear at rally killed

সমাবেশে ট্রাম্পের কানে গুলি, হামলাকারী নিহত

সমাবেশে ট্রাম্পের কানে গুলি, হামলাকারী নিহত গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর কান থেকে রক্ত ছড়িয়ে পড়ে ট্রাম্পের মুখে। ওই সময় তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা লোকজন তাকে ঘিরে ধরেন। ছবি: এপি
গুলিবিদ্ধ অবস্থাতেই মুষ্টিবদ্ধ ট্রাম্পকে ‘লড়াই! লড়াই! লড়াই!’ বলতে শোনা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের বাটলারে শনিবার প্রচার সমাবেশে কানে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন চলতি বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডনাল্ড ট্রাম্প।

রয়টার্স জানায়, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর কান থেকে রক্ত ছড়িয়ে পড়ে ট্রাম্পের মুখে। ওই সময় তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা লোকজন তাকে ঘিরে ধরেন।

বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে জানানো হয়, গুলিবিদ্ধ অবস্থাতেই মুষ্টিবদ্ধ ট্রাম্পকে ‘লড়াই! লড়াই! লড়াই!’ বলতে শোনা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সিক্রেট সার্ভিস এক বিবৃতিতে জানায়, ট্রাম্পকে হামলা করা ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সাবেক প্রেসিডেন্টের সমাবেশে যোগ দেয়া একজন নিহত ও দুই দর্শক আহত হয়েছেন। ঘটনাটিকে হত্যাচেষ্টা হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের জানান, তারা প্রাথমিকভাবে সন্দেহভাজন হত্যাকারীকে শনাক্ত করেছেন, তবে বিষয়টি জনসমক্ষে এখনই প্রকাশ করতে প্রস্তুত নন।

কর্মকর্তারা আরও জানান, গুলির উদ্দেশ্য এখনও জানতে পারেননি তারা।

সমাবেশে ৭৮ বছর বয়সী ট্রাম্প বক্তব্য শুরুর পরপরই গুলির আওয়াজ পাওয়া যায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে ডান হাত দিয়ে ডান করে ধরেন সাবেক প্রেসিডেন্ট। ওই সময় দ্রুত তাকে ঘিরে ধরেন সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা।

তার প্রায় এক মিনিট পর ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায় ‘অপেক্ষা করেন, অপেক্ষা করেন।’

আরও পড়ুন:
চাপ সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট পদে লড়াইয়ে থাকার প্রতিশ্রুতি বাইডেনের
সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের দায়মুক্তি বিপজ্জনক নজির: বাইডেন
বাইডেনকে সরে দাঁড়াতে বলল নিউ ইয়র্ক টাইমস সম্পাদকীয় পরিষদ
বিতর্কে বাজে পারফরম্যান্স স্বীকার করে ট্রাম্পকে হারানোর প্রতিজ্ঞা বাইডেনের
বিতর্কে বাইডেনকে ‘খুব খারাপ ফিলিস্তিনি’ বললেন ট্রাম্প

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Israeli attack on mosque in refugee camp kills 15

শরণার্থী শিবিরের মসজিদে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫

শরণার্থী শিবিরের মসজিদে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫ ইসরায়েলের হামলায় ফিলিস্তিনে নিহতদের স্বজনের আহাজারি। ফাইল ছবি
ফিলিস্তিনের সরকারি বার্তা সংস্থা ওয়াফা এক প্রতিবেদনে জানায়, শনিবার গাজা শহরের পশ্চিমে আল-শাতি শরণার্থী শিবিরে এই হামলা চালায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। হামলায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছে।

উত্তর গাজার আরও একটি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের বিমান হামলায় অন্তত ১৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। শিবিরের একটি মসজিদ লক্ষ্য করে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে এই হামলা চালানো হয়।

ফিলিস্তিনের সরকারি বার্তা সংস্থা ওয়াফা এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

শনিবার গাজা শহরের পশ্চিমে আল-শাতি শরণার্থী শিবিরে এই হামলা চালায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। হামলায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছে।

এ ঘটনায় ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এর আগে তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গাজা উপত্যকাজুড়ে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, খান ইউনিসের মাওয়াসি এলাকার শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৭১ জন নিহত হয়েছে। ওই ঘটনায় আরও অন্তত ২৮৯ জন আহত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে হামাসের হামলায় দেশটির অন্তত এক হাজার ২০০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়। সে সময় ২৫০ ইসরায়েলিকে জিম্মি করে নিয়ে যায় ফিলিস্তিনের সশস্ত্র শাসক গোষ্ঠী হামাস। ওই ঘটনার পর থেকে গাজায় আগ্রাসন চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

আরও পড়ুন:
হামাসের সামরিক প্রধানকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৭১
ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ বন্ধের সময় এসেছে: বাইডেন
যুদ্ধবিরতির চেষ্টার মধ্যে গাজায় এক দিনে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৭৭
যুদ্ধবিরতির আলোচনার মধ্যে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭
ইসরায়েলের সেনা অবস্থানে ২০০ রকেট ছুড়েছে হিজবুল্লাহ

মন্তব্য

p
উপরে