সৌদি আরবের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র

player
সৌদি আরবের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের লক্ষ্য করে মিসাইল ছুড়ছে সৌদি আরব। ছবি: এএফপি

এক বিবৃতিতে পেন্টাগনের মুখপাত্র বলেছেন, ‘ইয়েমেনে সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকারের সঙ্গে এই অনুমোদন পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলা থেকে নিজেদের বাঁচানোর অধিকার রয়েছে সৌদি আরবের।’

ইয়েমেন যুদ্ধে সৌদি আরব মানবিক সংকট তৈরি করেছে, এমন অভিযোগের মধ্যেই দেশটির কাছে ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শাসনামলে প্রথমবারের মতো এই অস্ত্র বিক্রিতে অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ।

শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পেন্টাগন জানিয়েছে, সৌদি আরবের কাছে ৬৫ কোটি ডলার দামের ২৮০টি ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার কংগ্রেসের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করেছে সংস্থাটি।

যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতারা মনে করেন, ইয়েমেন যুদ্ধে সৌদি আরবের ভূমিকার কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। ইয়েমেনের সাধারণ মানুষকে হত্যার কাজে ব্যবহৃত হবে না, এমন নিশ্চয়তা ছাড়া সৌদি আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রির বিরোধিতা করছেন তারা।

২৬ অক্টোবর প্রতিরক্ষা বিভাগের অনুমোদনের পর একজন মুখপাত্র বলেছেন, গত বছর সৌদি আরবের ওপর সীমান্ত পেরিয়ে হামলার ঘটনা বাড়ায় ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির এই অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ‘ইয়েমেনে সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকারের সঙ্গে এই অনুমোদন পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলা থেকে নিজেদের বাঁচানোর অধিকার রয়েছে সৌদি আরবের।’

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সৌদি আরবের শাসক গোষ্ঠীর সুসম্পর্ক ছিল। তবে ক্ষমতায় আসার পর দেশটির সঙ্গে সম্পর্কে সতর্ক অবস্থান নেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অনেক অভিযোগ থাকলেও ইরানবিরোধী জোটে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র।

রয়টার্স জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির বিষয়টি প্রতিরক্ষা বিভাগের অনুমোদন পেলেও চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
১০ বছরে এক হাজার পারমাণবিক অস্ত্র মজুত করবে চীন
সৌদি যুবরাজ ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’: সাবেক গোয়েন্দা
যুক্তরাষ্ট্রসহ ১০ দেশের রাষ্ট্রদূতকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা এরদোয়ানের
মক্কা-মদিনায় উঠল করোনার বিধিনিষেধ, পরতে হবে মাস্ক
উবারে বেড়েছে সৌদি নারী চালক

শেয়ার করুন

মন্তব্য

গাড়ি চালনায় অবিশ্বাস্য দক্ষতা

গাড়ি চালনায় অবিশ্বাস্য দক্ষতা

খাদের কিনারে পাহাড়ির রাস্তায় ঘুরছে গাড়ি। ভিডিও থেকে নেয়া ছবি।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, সর্বোচ্চ পাঁচ ফুটের একটি পাহাড়ি রাস্তা। রাস্তার ধারের রেলিং নেই বললেই চলে। এবড়ো-খেবড়ো, ভাঙাচোরা। এমনই রাস্তায় দক্ষতার সঙ্গে গাড়ির মুখ উল্টো দিকে ঘুরিয়ে ফেললেন এক চালক।

পাহাড়ের ওপর ছোট্ট একটু রাস্তা। পাশেই বড় খাদ। মানুষ হাঁটলেও যেকোনো সময় পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়ে যায়। সেখানে কি না একটি বড় গাড়ি ঘুরিয়ে ফেলা হলো!

সম্প্রতি এমনই একটি ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে ভাইরাল হয়েছে বলে আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, সর্বোচ্চ পাঁচ ফুটের একটি পাহাড়ি রাস্তা। রাস্তার ধারের রেলিং নেই বললেই চলে। এবড়ো-খেবড়ো, ভাঙাচোরা। এমনই রাস্তায় দক্ষতার সঙ্গে গাড়ির মুখ উল্টো দিকে ঘুরিয়ে ফেললেন এক চালক।

ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে তা নিয়ে অবশ্য বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। এক টুইটার ব্যবহারকারী এটি শেয়ারের পর তা ভাইরাল হয়েছে।

দক্ষ চালক না হলে পাহাড়ি রাস্তায় গাড়ি চালানো যে কতটা কঠিন, তা বহু চালক হাড়ে হাড়ে টের পান। সাহস তো বটেই, তার সঙ্গে দক্ষতা জুড়ে গেলে অনেক কঠিন চড়াই-উতরাইও সহজ মনে হয়।

ভিডিও ছড়িয়ে পড়া এই চালককেও তা মনে করে প্রশংসা করছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা।

টুইটারে অনেকেই বলেছেন, একটু ভুল হলেই জীবন শেষ হয়ে যেতে পারত চালকের। একদিকে পাহাড়ের ঢাল, অন্যদিকে কয়েক শ ফুট গভীর খাদ। তার মাঝে পাঁচ ফুটের একটি রাস্তা। আর সেই রাস্তায় যেভাবে গাড়ি ঘোরালেন চালক, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য।

আরও পড়ুন:
১০ বছরে এক হাজার পারমাণবিক অস্ত্র মজুত করবে চীন
সৌদি যুবরাজ ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’: সাবেক গোয়েন্দা
যুক্তরাষ্ট্রসহ ১০ দেশের রাষ্ট্রদূতকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা এরদোয়ানের
মক্কা-মদিনায় উঠল করোনার বিধিনিষেধ, পরতে হবে মাস্ক
উবারে বেড়েছে সৌদি নারী চালক

শেয়ার করুন

আবার আইএসের সশস্ত্র হামলা, নিহত ১২০

আবার আইএসের সশস্ত্র হামলা, নিহত ১২০

সিরিয়ায় ঘোয়রান কারাগারে কুর্দি বাহিনী-আইএসের চলমান সহিংসতায় নিহত হয়েছে অন্তত ১২০ জন। ছবি: এপি

সিরিয়ার হাসাকেহ শহরে কুর্দি পরিচালিত ঘোয়রান কারাগারের ভেতর ও বাইরে চলা সহিংসতায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। পর্যবেক্ষণকারী এই সংগঠন জানিয়েছে, আইএসের সশস্ত্র জঙ্গিরা ঘোয়রান কারাগারে তাদের বন্দি সদস্যদের মুক্ত করার পাশাপাশি কারাগারের নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রথমে কারা ফটকে গাড়িবোমা হামলা চালায়। এ সময় অনেক আইএস বন্দি সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে জঙ্গিরা কারাগারের অস্ত্রাগারও দখলের চেষ্টা করে।

প্রায় তিন বছর পর ফের সিরিয়ায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সদস্যরা। কারাগারে আইএসের হামলাকে কেন্দ্র করে জঙ্গিদের সঙ্গে কুর্দি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর তুমুল সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় হাসাকেহ শহরে।

কুর্দি বাহিনী-আইএসের চলমান সহিংসতায় নিহত হয়েছে অন্তত ১২০ জন।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক যুদ্ধ ও সংঘাত পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত ৭৭ আইএস সদস্য ও ৩৯ কুর্দি যোদ্ধা রয়েছে। সাত বেসামরিক নাগরিক ছাড়াও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, কারারক্ষীরাও রয়েছেন নিহত ব্যক্তিদের তালিকায়।
দেশটির হাসাকেহ শহরে কুর্দি পরিচালিত ঘোয়রান কারাগারের ভেতর ও বাইরে চলা সহিংসতায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

পর্যবেক্ষণকারী এই সংগঠন জানিয়েছে, আইএসের সশস্ত্র জঙ্গিরা ঘোয়রান কারাগারে তাদের বন্দি সদস্যদের মুক্ত করার পাশাপাশি কারাগারের নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রথমে কারা ফটকে গাড়িবোমা হামলা চালায়। এ সময় অনেক আইএস বন্দি সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে জঙ্গিরা কারাগারের অস্ত্রাগারও দখলের চেষ্টা করে।

কারাগারে শতাধিক আইএস সদস্যের বিদ্রোহের মধ্য দিয়ে এ সংঘর্ষ শুরু হয়।

যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত কুর্দি বাহিনী (এসডিএফ) জানায়, পালিয়ে যাওয়ার সময় অন্তত ১০৪ বন্দিকে আটক করা হয়েছে।

কুর্দি ও আইএসের মধ্যে সংঘর্ষ থেমে থেমে চলছে।

কারাগারের ওপর নিয়ন্ত্রণ ও আশপাশের এলাকায় লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের হটানোর চেষ্টা করছে কুর্দি বাহিনী।

আইএসের মুখপত্র হিসেবে পরিচিত সংবাদমাধ্যম আমাক জানিয়েছে, আইএস সদস্যরা ঘোয়রান কারাগারের একটি অস্ত্রাগার দখলের পর দুটি আত্মঘাতী বোমা হামলার মধ্য দিয়ে ওই অভিযান শুরু করে। এই সফল অভিযানে তারা তাদের কয়েক শ সদস্যকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে পেরেছে।

আরও পড়ুন:
১০ বছরে এক হাজার পারমাণবিক অস্ত্র মজুত করবে চীন
সৌদি যুবরাজ ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’: সাবেক গোয়েন্দা
যুক্তরাষ্ট্রসহ ১০ দেশের রাষ্ট্রদূতকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা এরদোয়ানের
মক্কা-মদিনায় উঠল করোনার বিধিনিষেধ, পরতে হবে মাস্ক
উবারে বেড়েছে সৌদি নারী চালক

শেয়ার করুন

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর বিয়ে আটকালো করোনা

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর বিয়ে আটকালো করোনা

জেসিন্ডা আরডার্ন। ছবি: সংগৃহীত

জেসিন্ডা বলেন, ‘আমার বিয়েও হবে না। এ ধরনের অভিজ্ঞতা যাদের হয়েছে, আমিও তাদের দলে যোগ দিলাম। আমি খুবই দুঃখিত।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে নিজের বিয়ে বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন।

স্থানীয় সময় রোববার সাংবাদিকদের আরডার্ন এ কথা জানান বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স

দেশজুড়ে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এমন অবস্থায় নিজের বিয়ে নিয়ে কথা বলেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী।

জেসিন্ডা বলেন, ‘আমার বিয়েও হবে না। এ ধরনের অভিজ্ঞতা যাদের হয়েছে, আমিও তাদের দলে যোগ দিলাম। আমি খুবই দুঃখিত।’

দীর্ঘদিনের সঙ্গী টেলিভিশন উপস্থাপক ক্লার্ক গেফোর্ডের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন জেসিন্ডা আরডার্ন। তবে বিয়ের তারিখ বা এ নিয়ে বিস্তারিত কিছু এখনও জানা যায়নি।

ধারণা করা হচ্ছিল, শিগগিরই আনুষ্ঠানিকতা সারবেন তারা। তবে এর মধ্যেই নতুন বিধিনিষেধে পিছিয়ে গেল জেসিন্ডা-গেফোর্ডের বিয়ে।

সঙ্গীর সঙ্গে বিয়ে বাতিলের ঘোষণায় কেমন অনুভব করছেন, জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা বলেন, ‘জীবন এমনই।’

তিনি বলেন, ‘আমাকে সাহস করে বলতে হচ্ছে, নিউজিল্যান্ডের হাজার হাজার বাসিন্দা যাদের জীবনে মহামারি মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে তাদের থেকে আমি আলাদা নই। এই প্রভাবের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হলো, কেউ যখন গুরুতর অসুস্থ হন, তখন প্রিয়জনের সাথে থাকতে পারেন না।’

প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা বলেন, ‘এর বেদনা আমার অন্য যেকোনো দুঃখজনক ঘটনাকে ছাড়িয়ে যাবে।’

ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাবের পর পুরো নিউজিল্যান্ডে সর্বোচ্চ স্তরের বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে সম্প্রতি। এর মধ্যে রয়েছে যেকোনো অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি মানুষের উপস্থিতি না থাকা এবং দোকান ও গণপরিবহনে মাস্ক পরা।

২০২০ সালের মার্চ থেকে নিউজিল্যান্ড অন্য দেশের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ রেখেছে। মহামারি শুরুর পর এ পর্যন্ত দেশটিতে ১৫ হাজার ১০৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৫২ জনের।

আরও পড়ুন:
১০ বছরে এক হাজার পারমাণবিক অস্ত্র মজুত করবে চীন
সৌদি যুবরাজ ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’: সাবেক গোয়েন্দা
যুক্তরাষ্ট্রসহ ১০ দেশের রাষ্ট্রদূতকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা এরদোয়ানের
মক্কা-মদিনায় উঠল করোনার বিধিনিষেধ, পরতে হবে মাস্ক
উবারে বেড়েছে সৌদি নারী চালক

শেয়ার করুন

সারোগেসি: তসলিমার একের পর এক মন্তব্যের লক্ষ্য প্রিয়াঙ্কা?

সারোগেসি: তসলিমার একের পর এক মন্তব্যের লক্ষ্য প্রিয়াঙ্কা?

ধারণা করা হচ্ছে, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও নিক জোনাস দম্পতির সারোগেট শিশু নেয়ার কারণে কঠোর সমালোচনা করে দীর্ঘ লেখা লিখেছেন তসলিমা নাসরিন।

গৃহহীন স্বজনহীন কোনো শিশুকে দত্তক নেয়ার চেয়ে সারোগেসির মাধ্যমে ধনী এবং ব্যস্ত সেলিব্রিটিরা নিজের জিনসমেত একখানা রেডিমেড শিশু চায়। মানুষের ভেতরে এই সেলফিস জিনটি, এই নার্সিসিস্টিক ইগোটি বেশ আছে। এসবের ঊর্ধ্বে উঠতে কেউ যে পারে না তা নয়, অনেকে গর্ভবতী হতে, সন্তান জন্ম দিতে সক্ষম হলেও সন্তান জন্ম না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।’

গর্ভ ভাড়া নিয়ে সন্তানের জন্ম বা সারোগেসি নিয়ে এক উক্তি করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন আলোচিত লেখক তসলিমা নাসরিন। এই সমালোচনার জবাবে তিনি আবার বলেছেন, তিনি পদ্ধতি নয় প্রথার বিরুদ্ধে।

সারোগেসির বিজ্ঞানের চমৎকার একটি আবিষ্কার উল্লেখ করে এই প্রথার কঠোর সমালোচনা করেছিলেন তসলিমা। নিজের ফেসবুক পেজে তিনি লেখেন, ‘এই প্রথার (সারোগেসি) মাধ্যমে সন্তানদানের প্রক্রিয়া ততদিন টিকে থাকবে, যতদিন সমাজে দারিদ্র্য টিকে থাকবে।’

শনিবার রাতে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ মন্তব্য করেন এ লেখিকা।

ধারণা করা হচ্ছে, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও নিক জোনাস দম্পতির সারোগেট শিশু নেয়ার কারণে এই দীর্ঘ লেখা লিখেছেন তসলিমা।

তাদের নাম উল্লেখ না করলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় জল্পনা শুরু তারকা দম্পতিকে উদ্দেশ করেই এমন মন্তব্য তসলিমার।

তসলিমা লেখেন, ‘দারিদ্র্য নেই তো সারোগেসি নেই। দরিদ্র মেয়েদের জরায়ু টাকার বিনিময়ে নয় মাসের জন্য ভাড়া নেয় ধনীরা। ধনী মেয়েরা কিন্তু তাদের জরায়ু কাউকে ভাড়া দেবে না। কারণ, গর্ভাবস্থায় জীবনের নানা ঝুঁকি থাকে, শিশুর জন্মের সময়ও থাকে ঝুঁকি। দরিদ্র না হলে কেউ এই ঝুঁকি নেয় না।’

ধনী ও ব্যস্ত সেলিব্রেটিদের কঠোর সমালোচনা করে তিনি লেখেন, ‘গৃহহীন স্বজনহীন কোনো শিশুকে দত্তক নেয়ার চেয়ে সারোগেসির মাধ্যমে ধনী এবং ব্যস্ত সেলিব্রিটিরা নিজের জিনসমেত একখানা রেডিমেড শিশু চায়। মানুষের ভেতরে এই সেলফিস জিনটি, এই নার্সিসিস্টিক ইগোটি বেশ আছে। এসবের ঊর্ধ্বে উঠতে কেউ যে পারে না তা নয়, অনেকে গর্ভবতী হতে, সন্তান জন্ম দিতে সক্ষম হলেও সন্তান জন্ম না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।’

টাকার বিনিময়ে নয়, ভালোবেসে যখন সারোগেট মা হবেন তখন এই পদ্ধতিকে সমর্থন করবেন উল্লেখ করে তসলিমা লেখেন, ‘সারোগেসিকে তখন মেনে নেব যখন শুধু দরিদ্র নয়, ধনী মেয়েরাও সারোগেট মা হবে, টাকার বিনিময়ে নয়, সারোগেসিকে ভালোবেসে হবে। ঠিক যেমন বোরখাকে মেনে নেব, যখন পুরুষেরা ভালোবেসে বোরখা পরবে। মেয়েদের পতিতালয়কে মেনে নেব, যখন পুরুষেরা নিজেদের পতিত-আলয় গড়ে তুলবে, মুখে মেকআপ করে রাস্তায় ত্রিভঙ্গ দাঁড়িয়ে কুড়ি-পঁচিশ টাকা পেতে নারী-খদ্দেরের জন্য অপেক্ষা করবে।

‘তা না হলে সারোগেসি, বোরখা, পতিতাবৃত্তি রয়ে যাবে নারী এবং দরিদ্রকে এক্সপ্লয়টেশানের প্রতীক হিসেবে।’

সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের নানা প্রতিক্রিয়ার পর তসলিমা আবার টুইট করেন বিষয়টি নিয়ে।

এক টুইটে তিনি লেখেন, ‘সারোগেসির মাধ্যমে তাদের রেডিমেড বাচ্চা পেলে সেই মায়েরা কেমন অনুভব করেন? যে মায়েরা বাচ্চাদের জন্ম দেয় তাদের প্রতি কি তাদের একই অনুভূতি আছে?’

পরে আবার তিনি লেখেন, ‘আমার সারোগেসি সংক্রান্ত টুইটগুলো সারোগেসি সম্পর্কে আমার বিভিন্ন মতামত। এর সঙ্গে প্রিয়াঙ্কা-নিকের কোনো সম্পর্ক নেই। আমি এই জুটিকে ভালোবাসি।’

আরও পড়ুন:
১০ বছরে এক হাজার পারমাণবিক অস্ত্র মজুত করবে চীন
সৌদি যুবরাজ ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’: সাবেক গোয়েন্দা
যুক্তরাষ্ট্রসহ ১০ দেশের রাষ্ট্রদূতকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা এরদোয়ানের
মক্কা-মদিনায় উঠল করোনার বিধিনিষেধ, পরতে হবে মাস্ক
উবারে বেড়েছে সৌদি নারী চালক

শেয়ার করুন

ওমিক্রনের ‘সাব ভ্যারিয়েন্ট’ ভারতে

ওমিক্রনের ‘সাব ভ্যারিয়েন্ট’ ভারতে

ভারতে বেড়েছে করোনার সংক্রমণ। ঝুঁকি বাড়িয়েছে ভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন।

ভারতে ওমিক্রনের কমিউনিটি সংক্রমণ হচ্ছে। একাধিক বড় শহরে প্রভাব ফেলছে এই ধরন। এরই মধ্যে শনাক্ত হয়েছে ওমিক্রনের সাব ভ্যারিয়েন্ট বিএ.২।

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন (ভ্যারিয়েন্ট) ওমিক্রনে বিপর্যস্ত ভারত; এমন অবস্থাতেই দেশটিতে এবার শনাক্ত হলো ওমিক্রনের একটি উপধরন (সাব ভ্যারিয়েন্ট)।

‘ইন্ডিয়ান সার্স-কভ-২ জেনেটিকস কনসোর্টিয়াম’ (আইএনএসএসিওজি) )-এর সর্বশেষ বুলেটিনে রোববার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বুলেটিনে বলা হয়েছে, ভারতে ওমিক্রনের কমিউনিটি সংক্রমণ হচ্ছে। একাধিক বড় শহরে প্রভাব ফেলছে এই ধরন। এরই মধ্যে শনাক্ত হয়েছে ওমিক্রনের উপধরন বিএ.২।

কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে ওমিক্রনের এই উপধরন, তা জানার চেষ্টা করছেন গবেষকরা।

আইএনএসএসিওজি প্রকাশিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, ভারতের বিভিন্ন এলাকায় বিএ.২ ধরনটি শনাক্ত হয়েছে। ওমিক্রনে আক্রান্তদের বেশির ভাগেরই এখনও পর্যন্ত লক্ষণ নেই বা মৃদু লক্ষণ রয়েছে। তবে হাসপাতালে ভর্তি এবং আইসিইউতে রাখার মতো পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।

ইনফ্লুয়েঞ্জা ও করোনা সংক্রমণের জিনোম সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহকারী সংস্থাটি জানিয়েছ, বর্তমানে বিশ্বের ৪০টি দেশে মোট ৮ হাজার ৪০টি ওমিক্রনের বিএ.২ রূপ ধরা পড়েছে। প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে ফিলিপাইনে। ডেনমার্কেও ৬৪১১ জিনোম সিকোয়েন্সের মধ্যে অধিকাংশই বিএ.২ উপ-ধরন বলে জানা গেছে।

ভারতেও ৫৩০টি নমুনায় ওমিক্রনের এই উপ-ধরন ধরা পড়েছে। এরপরই রয়েছে সুইডেন, সেখানে ১৮১টি নমুনায় এই নতুন উপ-ধরন ধরা পড়েছে। সিঙ্গাপুরে ১২৭টি নমুনায় ওমিক্রন বিএ.২ ধরা পড়েছে।

আরও পড়ুন:
১০ বছরে এক হাজার পারমাণবিক অস্ত্র মজুত করবে চীন
সৌদি যুবরাজ ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’: সাবেক গোয়েন্দা
যুক্তরাষ্ট্রসহ ১০ দেশের রাষ্ট্রদূতকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা এরদোয়ানের
মক্কা-মদিনায় উঠল করোনার বিধিনিষেধ, পরতে হবে মাস্ক
উবারে বেড়েছে সৌদি নারী চালক

শেয়ার করুন

দিল্লিতে ৩২ বছর পর জানুয়ারিতে সর্বোচ্চ বৃষ্টি

দিল্লিতে ৩২ বছর পর জানুয়ারিতে সর্বোচ্চ বৃষ্টি

দিল্লিতে ৩২ বছর পর জানুয়ারিতে সর্বোচ্চ বৃষ্টির দিনে পথচারীরা। ছবি: এএফপি

শনিবার বৃষ্টিপাতের ফলে দিল্লিতে ঠান্ডা বেড়ে যায় প্রচণ্ডহারে। এ দিন সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এই সময়ের গড় তাপমাত্রার চেয়ে ৭ ডিগ্রি কম। এটি চলতি শীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে শনিবার ৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর। শীতকালে অর্থাৎ জানুয়ারি মাসে এত বৃষ্টিপাত গত ৩২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, শনিবার রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সারা দিনে দিল্লিতে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৬৯ দশমিক ৮ মিলিমিটার।

১৯৮৯ সালে দিল্লিতে জানুয়ারি মাসে ৭৯ দশমিক ৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, শনিবার বৃষ্টিপাতের ফলে দিল্লিতে ঠান্ডা বেড়ে যায় প্রচণ্ডহারে। এ দিন সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এই সময়ের গড় তাপমাত্রার চেয়ে ৭ ডিগ্রি কম। এটি চলতি শীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

সফদরজং পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র বলছে, তারা সকাল ৮টার আগে মাত্র ৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করেছিল।

দেশটির আবহাওয়া অফিস জানায়, দিল্লির মতো পাঞ্জাব, হরিয়ানা, পূর্ব উত্তর প্রদেশ এবং উত্তর রাজস্থানেও রোববার পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে।

এমন অবস্থার মধ্যেও দিল্লির বাতাসের মান খুব খারাপ বলে জানানো হয়েছে। বাতাসের সূচকে শনিবার দিল্লির স্কোর ৩১৬, যা ‘ভেরি পুওর’ ক্যাটাগরির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।

আরও পড়ুন:
১০ বছরে এক হাজার পারমাণবিক অস্ত্র মজুত করবে চীন
সৌদি যুবরাজ ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’: সাবেক গোয়েন্দা
যুক্তরাষ্ট্রসহ ১০ দেশের রাষ্ট্রদূতকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা এরদোয়ানের
মক্কা-মদিনায় উঠল করোনার বিধিনিষেধ, পরতে হবে মাস্ক
উবারে বেড়েছে সৌদি নারী চালক

শেয়ার করুন

রাশিয়াকে ঠেকাতে ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

রাশিয়াকে ঠেকাতে ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

ইউক্রেনে পাঠানো অস্ত্রের প্রথম চালান পৌঁছানোর এই ছবি প্রকাশ করেছে কিয়ভে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস।

কিয়ভে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস বলছে, ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিশ্রুত সহায়তা এটি। তাদের ফেসবুক পেজে বলা হয়েছে, রাশিয়ার আগ্রাসন মোকাবিলায় ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করতে এ ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।  

ইউক্রেন ইস্যুতে দুই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার উত্তেজনা বাড়ছে। সীমান্তে রুশ সেনা জমায়াতের জবাবে এবার হুঁশিয়ারি নয়, সরাসরি ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, প্রথম চালানে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়ভে প্রায় ৯০টন সামরিক সহায়তা পাঠানো হয়েছে। এসবের মধ্যে আছে সম্মুখসারির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্টনি ব্লিনকেনের কিয়ভে সফরের পর এই সহযোগিতা পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র। সফরে ব্লিনকেন জানিয়েছিলেন, কিয়ভ আক্রান্ত হলে শক্ত জবাব দেবে ওয়াশিংটন।

ইউক্রেন সংকট নিরসনে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আলোচনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই চালান পৌঁছায় কিয়ভে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত বছরের ডিসেম্বরে ইউক্রেনে ২০০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তার প্যাকেজ অনুমোদন করেছিলেন। এরই অংশ হিসেবে প্রথম চালানটি ইউক্রেনে পৌঁছাল।

কিয়ভে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস বলছে, ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিশ্রুত সহায়তা এটি। তাদের ফেসবুক পেজে বলা হয়েছে, রাশিয়ার আগ্রাসন মোকাবিলায় ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করতে এ ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

বিবৃতিতে সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওলেক্সি রেজনিকভ।

২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রিমিয়ান উপত্যকা দখলে দেয় রাশিয়া। শুরু হয় ইউক্রেন সেনাবাহিনীর সঙ্গে মস্কো মদদপুষ্ট ইউক্রেনিয়ান বিদ্রোহীদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। এতে কমপক্ষে ১৪ হাজার মানুষ নিহত হন। দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান অন্তত ২০ লাখ নাগরিক।

২০১৫ সালে সরকারের সঙ্গে বিদ্রোহীদের সঙ্গে শান্তিচুক্তি কার্যকর হলে, পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেন সীমান্তে সেনা জড় করা শুরু করে রাশিয়া। উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট ন্যাটো বলছে, সীমান্তে এখন এক লাখ রুশ সেনা অবস্থান করছে। তাদের উপস্থিতি ইউরোপে সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ন্যাটো।

জবাবে মস্কো বলছে, কোনো ধরনের আগ্রাসন চালানোর পরিকল্পনা নেই তাদের। যদিও ন্যাটোতে ইউক্রেনের যোগদানের বিষয়টিকে রাশিয়ার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর সামরিক মহড়া ও অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ চাইছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
১০ বছরে এক হাজার পারমাণবিক অস্ত্র মজুত করবে চীন
সৌদি যুবরাজ ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’: সাবেক গোয়েন্দা
যুক্তরাষ্ট্রসহ ১০ দেশের রাষ্ট্রদূতকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা এরদোয়ানের
মক্কা-মদিনায় উঠল করোনার বিধিনিষেধ, পরতে হবে মাস্ক
উবারে বেড়েছে সৌদি নারী চালক

শেয়ার করুন