দামেস্কের কাছে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

দামেস্কের কাছে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের উপকণ্ঠে হামলার মুহূর্ত। ফাইল ছবি

গত শনিবারও দামেস্কের কাছাকাছি এলাকায় একাধিক মিসাইল ছুড়েছিল ইসরায়েল। যদিও লক্ষ্যে আঘাত হানার আগেই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সবগুলো ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে দিয়েছিল সিরিয়া।

সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের উপকণ্ঠে অবস্থিত একটি এলাকা লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, ছুড়েছে কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র।

সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে বুধবার সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে। জানায়, হামলায় সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হলেও কেউ হতাহত হয়নি।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানানো হয়নি ইসরায়েলের পক্ষ থেকে।

গত শনিবারও দামেস্কের কাছাকাছি এলাকায় একাধিক মিসাইল ছুড়েছিল ইসরায়েল। যদিও লক্ষ্যে আঘাত হানার আগেই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সবগুলো ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে দিয়েছিল সিরিয়া।

এর আগে গত ১৪ অক্টোবর সিরিয়ার মধ্যাঞ্চলে ইরানের ঘাঁটিতে হামলা চালায় ইসরায়েল। ওই হামলায় নিহত হয় ইরান সমর্থিত নয় যোদ্ধা।

সিরিয়ার দক্ষিণে ইসরায়েলি অভিযানের বিরুদ্ধে অভিযোগের মধ্যেই দামেস্কের উপকণ্ঠে হামলা শুরু করেছে তেলআবিব।

ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব ও সিরিয়ায় ইরানের সামরিক উপস্থিতি জোরদার হওয়া নিয়ে সতর্ক অবস্থানে আছে ইসরায়েল। বছরের পর বছর সিরিয়ায় শত শত অভিযান চালিয়েছে তেলআবিব। কিন্তু কোনো অভিযানের বিষয়েই স্বীকারোক্তি দেয়নি কিংবা এ নিয়ে আলোচনা করেনি।

সিরীয় ভূখণ্ডে ইসরায়েলের এসব হামলা সাধারণত রাতের আঁধারে হয়ে থাকে।

তবে সামরিক ঘাঁটি, অস্ত্রবাহী গাড়িবহর ও ইরান সমর্থিত যোদ্ধাদের স্থাপনা লক্ষ্য বলে স্বীকার করে ইসরায়েল।

ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিশেষ করে লেবাননের প্রভাবশালী রাজনৈতিক সংগঠন হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তৎপর তেলআবিব। হিজবুল্লাহর অস্ত্রের চালান বলে সন্দেহের ভিত্তিতেও একাধিক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বাহিনীকে গৃহযুদ্ধে জয়লাভে সাহায্য করছে হিজবুল্লাহ।

আরও পড়ুন:
দামেস্কে সামরিক বাসে বোমা হামলা, নিহত ১৪
চতুর্থবারের মতো শপথ নিলেন আসাদ
সিরিয়ায় গণকবরের সন্ধান, ৩৫ মরদেহ
সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা, নিহত ৫

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক উষ্ণ করছে আমিরাত

ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক উষ্ণ করছে আমিরাত

ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানির আমন্ত্রণে তেহরান সফরে যাচ্ছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা শেখ তাহনুন বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। তিনি আরব আমিরাতের কার্যত শাসক ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন জায়েদের ভাই।

সৌদি আরবের সঙ্গে টানাপড়েনের মাঝে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক উষ্ণ করার জোরালো বার্তা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এর অংশ হিসেবে নিরাপত্তা উপদেষ্টা শেখ তাহনুন বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে তেহরানে পাঠাচ্ছে আবুধাবি।

ইরানি গণমাধ্যমের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার আল নাহিয়ানের তেহরানে পৌঁছনোর কথা রয়েছে। তবে এই সফরের বিষয়ে আমিরাতের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।

ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানির আমন্ত্রণে এ সফরে যাচ্ছেন আরব আমিরাতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা। সফরে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাসহ শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনার কথা রয়েছে তার।

রয়টার্স লিখেছে, শেখ তাহনুনের এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন ঘটনাবলি নিয়ে আলোচনা করা। তিনি আরব আমিরাতের কার্যত শাসক ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন জায়েদের ভাই।

তাহনুনের এই সফরকে ইরানের সঙ্গে আরব আমিরাতের শীতল সম্পর্ক উষ্ণ করার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইয়েমেন যুদ্ধে হুতিদের একচেটিয়া সমর্থন ও মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগে তেহরানকে এত দিন দায়ী করে আসছিল আমিরাত। এ ছাড়া উপকূলে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জন্যও ইরানকে দুষে আসছিল আরব বিশ্বের প্রভাবশালী দেশটি।

হরমুজ প্রণালির আবু মুসা দ্বীপের মালিকানা নিয়েও দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে। ইরান দ্বীপটি দখল করে সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে।

কয়েক বছর ধরেই সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে অংশীদারত্ব আরব দুনিয়ার ভূ-রাজনীতির রূপরেখা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে এসেছে। এই জোটের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখতে কাজ করে যাচ্ছিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও আবুধাবির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন জায়েদ। তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কও দেশ দুটির সম্পর্কে ভূমিকা রাখছিল।

সম্প্রতি বিভিন্ন ইস্যুতে দেশ দুটির মধ্যে টানাপড়েন চলছে। সবশেষ সৌদি আরব ও রাশিয়া তেল উৎপাদনের মাত্রা কম রাখার মেয়াদ আরও আট মাস বাড়ানোর প্রস্তাব দিলে আরব আমিরাত তা প্রত্যাখ্যান করে। এর জেরে ওপেক নিয়ে সৌদি আরব ও আরব আমিরাত কূটনৈতিক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাস গত মাসে ঘোষণা করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা কমিয়ে আনতে কাজ করবেন তারা। সম্পর্ক উন্নয়নে ইরানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন:
দামেস্কে সামরিক বাসে বোমা হামলা, নিহত ১৪
চতুর্থবারের মতো শপথ নিলেন আসাদ
সিরিয়ায় গণকবরের সন্ধান, ৩৫ মরদেহ
সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা, নিহত ৫

শেয়ার করুন

ফোনালাপে কি নিরসন হবে সৌদি-লেবানন দ্বন্দ্ব

ফোনালাপে কি নিরসন হবে সৌদি-লেবানন দ্বন্দ্ব

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনালাপ করেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাজিব মিকাতি। ছবি: রয়টার্স

লেবাননের তথ্যমন্ত্রী কোরদাহি সৌদি জোটের সমালোচনা করলে সৌদিসহ দেশটির আরব মিত্র রাষ্ট্রগুলো গত মাসে লেবাননের রাজধানী বৈরুত থেকে তাদের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করে। লেবাননের ওপর প্রচণ্ড চাপও সৃষ্টি করে সৌদি সরকার। এমন বাস্তবতায় শুক্রবার কোরদাহি পদত্যাগ করেন।

ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের আগ্রাসন নিয়ে লেবাননের তথ্যমন্ত্রী জর্জ কোরদাহির একটি বক্তব্য ঘিরে দ্বন্দ্ব শুরু হয় দুই আরব দেশের।

কোরদাহি বিদ্রোহী হুতিবিরোধী জোটের সমালোচনা করলে সৌদিসহ দেশটির আরব মিত্র রাষ্ট্রগুলো গত মাসে লেবাননের রাজধানী বৈরুত থেকে তাদের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করে।

লেবাননের ওপর প্রচণ্ড চাপও সৃষ্টি করে সৌদি সরকার। এমন বাস্তবতায় শুক্রবার কোরদাহি পদত্যাগ করেন। যদিও চাপের মুখে নতি স্বীকার করবেন না বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

রিয়াদ-বৈরুত সম্পর্কের এমন তিক্ততার মধ্যে স্থানীয় সময় শনিবার সৌদির যুবরাজ ও কার্যত শাসক মোহাম্মদ বিন সালমান এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে ফোনালাপ করেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাজিব মিকাতি।

যৌথ এ ফোনালাপকে আরব দুই দেশের মধ্যে নজিরবিহীন সংকট সমাধানের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও কাতার সফর শেষে সৌদি আরবে পৌঁছান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। সৌদিতে তার সফর শুরুর দিনে ফোনকলটি দেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী।

ফোনালাপ শেষে বৈরুত-রিয়াদের মধ্যে কূটনৈতিক সংকট নিরসনে ফ্রান্স ও সৌদি আরব প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ।

সৌদি ছাড়ার আগে ফ্রান্সের সাবেক উপনিবেশ লেবানন নিয়ে মাখোঁ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা লেবাননের জনগণকে সমর্থন করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং দেশটি যাতে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমগুলো আবার চালু করতে পারে, তা নিশ্চিত করছি।

‘তাই আমরা চাই লেবানন সরকার একটি স্বাভাবিক উপায়ে কাজ করতে সক্ষম হোক এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিলিত হোক এবং দেশের অভ্যন্তরে কার্যকর সংস্কার নিয়ে আসুক।’

সরকারি দলের ব্যর্থতা ও ব্যাপক দুর্নীতির কারণে অর্থনৈতিক সংকটে থাকা লেবাননকে সহায়তা দেয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট।

তিনি বলেছেন, লেবাননকে প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা প্রদানে একসঙ্গে কাজ করবে ফ্রান্স ও সৌদি আরব।

বৈশ্বিক পরাশক্তি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের এ বক্তব্যে সৌদি-লেবানন সম্পর্কের বরফ গলার ইঙ্গিত মিলেছে, তবে এসব কথাবার্তা আশ্বাসই থেকে যাবে নাকি বাস্তবে রূপ নেবে, তা বোঝা যাবে সময় গড়ালেই।

কেন হুতিদের বিরুদ্ধে লড়ছে সৌদি

সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন আরব জোট ইয়েমেনে শিয়া হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করে আসছে।

হুতিদের বিদ্রোহকে ইরানের ছায়াযুদ্ধ এবং এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে সৌদি।

আরও পড়ুন:
দামেস্কে সামরিক বাসে বোমা হামলা, নিহত ১৪
চতুর্থবারের মতো শপথ নিলেন আসাদ
সিরিয়ায় গণকবরের সন্ধান, ৩৫ মরদেহ
সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা, নিহত ৫

শেয়ার করুন

ওমিক্রন: ১৪ দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সৌদি আরবের

ওমিক্রন: ১৪ দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সৌদি আরবের

সৌদি সরকার বলেছে, এই ১৪ দেশের কোনো প্রবাসী সৌদি আরবে প্রবেশও করতে পারবেন না, যেতেও পারবেন না। সম্প্রতি দেশগুলো থেকে যারা এসেছেন তাদের পিসিআর টেস্ট করা হবে।

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের আতঙ্কে ১৪ দেশের ওপর সব ধরনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সৌদি আরব। সব দেশই আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের।

স্থানীয় সময় রোববার সাতটি দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেয় সৌদি সরকার। দেশগুলো হলো মালাউই, মাদাগাস্কার, অ্যাঙ্গোলা, সিচেলিস, মরিশাস ও কমোরস।

এর আগে শুক্রবার আরও সাতটি দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল সৌদি আরব। ওই দেশগুলো হলো সাউথ আফ্রিকা, নামিবিয়া, বতসোয়ানা, জিম্বাবুয়ে, মোজাম্বিক, লেসোথো ও সোয়াজিল্যান্ড।

বলা হয়েছে, এই ১৪ দেশের কোনো প্রবাসী সৌদি আরবে প্রবেশও করতে পারবেন না, যেতেও পারবেন না।

এসব থেকে কোনো সৌদি নাগরিক বা প্রবাসী কোনো উপায়ে যদি চলেই আসেন তাহলে তাদের অবশ্যই পাঁচ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। এমনকি যাদের টিকা নেয়া আছে তাদেরও এই নির্দেশনা মানতে হবে।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা ১৪টি দেশ থেকে ভ্রমণ করে যারা ১ নভেম্বরে সৌদি আরবে প্রবেশ করেছেন, তাদের পিসিআর টেস্ট করানো হবে।

তবে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত তাদের দেশে ওমিক্রনে আক্রান্ত কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি।

ওমিক্রন থেকে নিরাপদে থাকতে বিভিন্ন দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে। করোনার এই ধরনটি নিয়ে উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ছে দেশে দেশে। সতর্ক অবস্থানে আছে বাংলাদেশও।

বতসোয়ানায় প্রথম শনাক্ত হওয়া এই ভ্যারিয়েন্টের শুরুতে নাম ছিল ‘বি.১.১.৫২৯’ তবে আলোচনায় সুবিধার জন্য শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর নাম দেয় ‘ওমিক্রন’।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্পাইক প্রোটিনে ৩০ বারের বেশি মিউটেশনের মধ্য দিয়ে সার্স কভ টু ভাইরাসের নতুন ধরনটি তৈরি হয়েছে। সামগ্রিকভাবে এই ধরনটির মিউটেশন হয়েছে ৫০ বারের বেশি।

অত্যন্ত সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের চেয়েও ওমিক্রনের মিউটেশন হয়েছে চার গুণ বেশি। ফলে এটি দ্রুত মানুষকে আক্রান্ত করতে সক্ষম বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

তবে ওমিক্রনের শঙ্কায় ঢালাওভাবে আফ্রিকার দেশগুলোর ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের সমালোচনা করেছেন সাউথ আফ্রিকার প্রধানমন্ত্রী সিরিল রামাফোসা। বলেছেন, এই নিষেধাজ্ঞা করোনার নতুন ধরন রোধে কার্যকর নাও হতে পারে। এটা কেবল অর্থনৈতিক ক্ষতিই ডেকে আনবে।

আরও পড়ুন:
দামেস্কে সামরিক বাসে বোমা হামলা, নিহত ১৪
চতুর্থবারের মতো শপথ নিলেন আসাদ
সিরিয়ায় গণকবরের সন্ধান, ৩৫ মরদেহ
সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা, নিহত ৫

শেয়ার করুন

তীব্র পানি সংকটে বিক্ষুব্ধ ইরানি শহর, দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন

তীব্র পানি সংকটে বিক্ষুব্ধ ইরানি শহর, দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন

শুকিয়ে যাওয়া জায়ান্দিরুদ নদীর বুকে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ। শুক্রবারের ছবি/এএফপি

ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় মালভূমির সবচেয়ে বড় নদী জায়ান্দিরুদের তীরে নদীটিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে ইসফাহান শহর। নদীটি শুকিয়ে যাওয়ায় বহুমুখী সংকটে রয়েছেন বাসিন্দারা। এমন পরিস্থিতিতে নদীটির বুকে বিক্ষোভে অংশ নেয় হাজারো মানুষ। শুক্রবারের বিক্ষোভ থেকে পুলিশের দিকে পাথর ছোড়া থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত।

সরকারবিরোধী আন্দোলনে উত্তপ্ত ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় ইসফাহান শহর। সহিংস বিক্ষোভের ঘটনায় ৬৭ জনকে গ্রেপ্তারের পর শহরজুড়ে দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করেছে প্রশাসন।

টার্কিশ রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশনের (টিআরটি) প্রতিবেদনে বলা হয়, পানির সংকট তীব্র রূপ নেয়ায় প্রায় তিন সপ্তাহ ধরেই আন্দোলন চলছে শহরটিতে। গত ৯ নভেম্বর আন্দোলন শুরুর পর শুক্রবার প্রথম সহিংস হয়ে ওঠেন বিক্ষোভকারীরা।

পরদিন শনিবার ইরান পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান কারামি জানান, নাশকতাকারী ও উসকানিদাতা হিসেবে ৬৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিক্ষোভকে ‘দাঙ্গা’ আখ্যা দিয়ে তিনি জানান, শুক্রবারের কর্মসূচিতে দুই থেকে তিন হাজার মানুষ অংশ নিয়েছিল।

ইরানের সংবাদ সংস্থা ফার্স ও আইএসএনএ জানিয়েছে, ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় মালভূমির সবচেয়ে বড় নদী জায়ান্দিরুদের তীরে নদীটিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে ইসফাহান শহর। নদীটি শুকিয়ে যাওয়ায় বহুমুখী সংকটে রয়েছেন বাসিন্দারা।

এমন পরিস্থিতিতে নদীটির বুকে বিক্ষোভে অংশ নেয় হাজারো মানুষ। শুক্রবারের বিক্ষোভ থেকে পুলিশের দিকে পাথর ছোড়া থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত। অনেক জায়গায় অগ্নিসংযোগও করে তারা।

সে সময় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।

তবে পরদিন শহরের পরিস্থিতি শান্ত ও রাস্তাঘাট থমথমে বলে জানান বাসিন্দারা। শহরের খাদজু সেতুতে মোতায়েন ছিল নিরাপত্তা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য।

ইরানের রাজধানী তেহরানের ৩৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত ইসফাহানে দেশটির অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন নগরী। শহরে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যকলার নিদর্শন বেশ কিছু মসজিদ ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা। এর মধ্যে অন্যতম হলো জায়ান্দিরুদ নদীর খাদজু সেতু।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বিক্ষোভের জেরে কৃষকদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার পানিবণ্টন চুক্তিতে পৌঁছেছে স্থানীয় প্রশাসন।

খরা ছাড়াও ইসফাহানে পানি সংকটের অন্যতম কারণ প্রতিবেশী ইয়াজদ্ প্রদেশে জায়ান্দিরুদ নদীর পানির গতিপথ ঘুরিয়ে দেয়া। ওই প্রদেশটিও তীব্র পানি সংকটে ভুগছে।

আরও পড়ুন:
দামেস্কে সামরিক বাসে বোমা হামলা, নিহত ১৪
চতুর্থবারের মতো শপথ নিলেন আসাদ
সিরিয়ায় গণকবরের সন্ধান, ৩৫ মরদেহ
সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা, নিহত ৫

শেয়ার করুন

ওমিক্রন আতঙ্কেও সব দেশের জন্য দুয়ার খুলছে সৌদি

ওমিক্রন আতঙ্কেও সব দেশের জন্য দুয়ার খুলছে সৌদি

সৌদিতে প্রবেশে করোনা প্রতিরোধী টিকার অন্তত এক ডোজ নেয়া থাকবে হবে। ফাইল ছবি

সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর অতিথিদের তিন দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে বলে জানিয়েছে রিয়াদ। বিবৃতিতে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে ফ্লাইট স্থগিত থাকা আফ্রিকার সাত দেশ থেকে আগতদের বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথা।

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন নিয়ে বিশ্বজুড়ে আতঙ্কের মধ্যেই মহামারিকালীন ভ্রমণ নীতিমালা আরও শিথিল করছে সৌদি আরব। ৪ ডিসেম্বর থেকে শর্ত সাপেক্ষে সব দেশের নাগরিকদের স্বাগত জানাবে সৌদি প্রশাসন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওমিক্রন শনাক্তের জেরে আফ্রিকার সাত দেশ থেকে ফ্লাইট স্থগিতের এক দিন পরই নতুন ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

রিয়াদের পক্ষ থেকে শনিবার জানানো হয়, করোনা প্রতিরোধী টিকার একটি ডোজ নেয়া থাকলেই যেকোনো দেশের নাগরিকরা সৌদি ভূখণ্ডে প্রবেশের অনুমতি পাবেন। আগামী শনিবার থেকে কার্যকর হবে এ নিয়ম।

তবে সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর অতিথিদের তিন দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে বলেও উল্লেখ করে দেয়া হয়েছে বিবৃতিতে। এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে ফ্লাইট স্থগিত থাকা আফ্রিকার সাত দেশ থেকে আগতদের বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথা।

ওমিক্রন ইস্যুতে সৌদি সরকার শুক্রবার সাউথ আফ্রিকা, নামিবিয়া, বতসোয়ানা, জিম্বাবুয়ে, মোজাম্বিক, লেসোথো ও ইসওয়াতিনি থেকে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করে।

একই কারণে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলীয় দেশগুলোর ওপর শুক্রবার ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কিছু দেশ। যুক্তরাজ্যে দুই ব্যক্তির দেহে ওমিক্রন শনাক্তের পর শনিবার অতিরিক্ত বিধিনিষেধ জারি করে ব্রিটিশ সরকারও। জার্মানি, ইতালি আর ইসরায়েলেও শনাক্ত হয়েছে করোনার নতুন ধরনটি।

সাউথ আফ্রিকায় গত সপ্তাহে প্রথম শনাক্ত হয় করোনার ওমিক্রন প্রজাতি। প্রাথমিক গবেষণায় এটি উহানে শনাক্ত কোভিড নাইনটিনের আদি রূপের তুলনায় একেবারেই ভিন্ন এবং করোনার অন্য ধরনগুলোর চেয়ে বেশি বিপজ্জনক বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নতুন ধরনটির টিকার কার্যকারিতাকে ফাঁকি দিতে কতটা সক্ষম এবং মানুষ থেকে মানুষে কতটা সহজে সংক্রমণযোগ্য- সেটাই খতিয়ে দেখছেন বিজ্ঞানীরা।

আরও পড়ুন:
দামেস্কে সামরিক বাসে বোমা হামলা, নিহত ১৪
চতুর্থবারের মতো শপথ নিলেন আসাদ
সিরিয়ায় গণকবরের সন্ধান, ৩৫ মরদেহ
সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা, নিহত ৫

শেয়ার করুন

কুয়েতে প্রধানমন্ত্রী পদে শেখ সাবাহ খালিদের পুনর্নিয়োগ

কুয়েতে প্রধানমন্ত্রী পদে শেখ সাবাহ খালিদের পুনর্নিয়োগ

কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ সাবাহ খালিদ আল-হামাদ আল-সাবাহ। ফাইল ছবি

গত ৮ নভেম্বর কুয়েতের আমির শেখ নওয়াফ আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেয় দেশটির সরকার। ১৪ নভেম্বর সে পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন আমির।

কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আবারও নিয়োগ দেয়া হয়েছে শেখ সাবাহ খালিদ আল-হামাদ আল-সাবাহকে।

কুয়েতের সংবাদ সংস্থা কুনার বরাত দিয়ে সৌদি গেজেটের প্রতিবেদনে জানানো হয়, শেখ সাবাহ খালিদকে দেশের সরকারপ্রধান হিসেবে পুনর্নিয়োগ দিতে কুয়েতের আমিরের পক্ষে মঙ্গলবার আদেশ জারি করেন যুবরাজ শেখ মিশাল আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহ।

আদেশে নতুন সরকার গঠনে এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের নামের তালিকা অনুমোদনের জন্য জমা দেয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়।

গত ৮ নভেম্বর কুয়েতের আমির শেখ নওয়াফ আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেয় দেশটির সরকার। ১৪ নভেম্বর সে পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন আমির।

বিরোধীদলীয় সাংসদদের সঙ্গে সংকট ও রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে পদত্যাগ করেছিল কুয়েত সরকার। বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ওই পদক্ষেপ নেয় মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ধনী দেশটির সরকার।

করোনা মহামারি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের দুর্নীতি ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ সাবাহ আল-খালিদকে পার্লামেন্টে প্রশ্ন করতে চেয়েছিল বিরোধীরা। প্রশ্নোত্তর এড়াতে পার্লামেন্ট অধিবেশনের আগেই পদত্যাগ করে সরকার।

পার্লামেন্টে অচলাবস্থার ফলে আটকে যায় করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত কুয়েতের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া।

চলতি বছর কুয়েতে সরকারের পদত্যাগের এটি ছিল দ্বিতীয় ঘটনা। গত জানুয়ারিতে দেশটির আগের সরকার ক্ষমতা থেকে সরে গেলে মার্চে শেখ সাবাহ আল-খালিদের নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হয়।

কুয়েতের মন্ত্রিসভাতেও রদবদল প্রায় নিয়মিত ঘটনা।

আরও পড়ুন:
দামেস্কে সামরিক বাসে বোমা হামলা, নিহত ১৪
চতুর্থবারের মতো শপথ নিলেন আসাদ
সিরিয়ায় গণকবরের সন্ধান, ৩৫ মরদেহ
সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা, নিহত ৫

শেয়ার করুন

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সাক্ষী সাবেক সহযোগী

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সাক্ষী সাবেক সহযোগী

আদালতে আইনজীবীদের মাঝখানে ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সোমবারের ছবি/এএফপি

তিনটি পৃথক মামলা চলছে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে। শুনানিতে অংশ নেয়া তার জন্য বাধ্যতামূলক নয়। তবে বেশ কয়েকবারই আদালতে উপস্থিত হয়েছেন তিনি। সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি নেতানিয়াহু।

ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় সাক্ষী হয়েছেন তারই একসময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী নির হেফেৎজ। নেতানিয়াহুর সাবেক মুখপাত্র হেফেৎজ।

টার্কিশ রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশনের (টিআরটি) প্রতিবেদনে বলা হয়, নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সোমবার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন হেফেৎজ। আদালতের কাছে নেতানিয়াহুকে তিনি আখ্যায়িত করেছেন ‘কর্তৃত্বপরায়ণ উন্মাদ’ হিসেবে।

পূর্ব জেরুজালেমের আদালতে দাঁড়িয়ে হেফেৎজ বলেন, ‘নিরাপত্তা ইস্যুতে নেতানিয়াহু যতটা না সময় দেন, ততটাই সময় কাটান সংবাদমাধ্যমের পেছনে। যেকোনো মানুষই অর্থহীন বলে মনে করবেন, এমন ইস্যুগুলোতেও প্রচুর সময় ব্যয় করেন তিনি।

‘জনগণের সামনে ভাবমূর্তি বজায় রাখার প্রশ্নে তিনি ভয়াবহ কর্তৃত্বপরায়ণ। সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগামাধ্যমসংক্রান্ত যেকোনো বিষয় তিনি এতটাই নিয়ন্ত্রণ করতে চান যে অন্য কোনো কিছু তার কাছে এত গুরুত্ব পায় না।’

টানা ১২ বছর ইসরায়েলের ক্ষমতায় থাকার পর চলতি বছরের জুনে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়েন ৭২ বছর বয়সী নেতানিয়াহু। ঘুষ, আস্থা লঙ্ঘন, প্রতারণাসহ তার বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতির সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন তিনি।

সংবাদমাধ্যমে নিজের বিষয়ে ইতিবাচক খবর প্রচারের জন্য নেতানিয়াহু ঘুষ দিতেন, ধনকুবের বন্ধুদের অবৈধভাবে বিভিন্ন সুবিধা দিতেন এবং শতকোটি ডলারের উপহার নিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

তিনটি পৃথক মামলা চলছে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে। শুনানিতে অংশ নেয়া তার জন্য বাধ্যতামূলক নয়। তবে সোমবারের শুনানিসহ বেশ কয়েক দিনই আদালতে উপস্থিত হয়েছেন তিনি।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি নেতানিয়াহু। আদালত প্রাঙ্গণে নেতানিয়াহুর সমর্থক ও বিরোধীরা পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ করেছে।

আরও পড়ুন:
দামেস্কে সামরিক বাসে বোমা হামলা, নিহত ১৪
চতুর্থবারের মতো শপথ নিলেন আসাদ
সিরিয়ায় গণকবরের সন্ধান, ৩৫ মরদেহ
সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা, নিহত ৫

শেয়ার করুন