বলসোনারোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠনে অনুমতি

বলসোনারোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠনে অনুমতি

করোনা ইস্যুতে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জায়ার বলসোনারের জনপ্রিয়তা তলানিতে ঠেকেছে। ফাইল ছবি

এক হাজার ৩০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটিতে বলসোনারো ছাড়াও আরও ৭৭ জন ব্যক্তি ও দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে প্রেসিডেন্টের প্রাপ্তবয়স্ক তিন ছেলেও আছে। মহামারি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা বা কথিত কোনো অপরাধেরই অভিযোগ স্বীকার করেননি বলসোনারো। তবে চলমান সংকটের জেরে তার জনসমর্থন তলানিতে ঠেকেছে।

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসোনারোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠনের অনুমতি দিয়েছে পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ। করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় ব্যর্থতা ও দেশজুড়ে বিপর্যয় ডেকে আনার মাধ্যমে তিনি ফৌজদারি অপরাধ করেছেন বলে মনে করেন আইনপ্রণেতারা।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, পার্লামেন্টে ভোটের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছান সিনেটররা। মানবতাবিরোধীসহ বলসোনারোর বিরুদ্ধে কয়েকটি অভিযোগ গঠনের আহ্বান জানানো একটি প্রতিবেদনে সমর্থন জানায় সিনেটের একটি প্যানেল।

তবে অন্যান্য ফৌজদারি অভিযোগের মতো বলসোনারোর বিরুদ্ধে গঠিত অভিযোগের বিচার হবে কি না, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা নেই। কারণ এর আগে প্রতিবেদনটিতে করা সুপারিশ খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত দেবেন ব্রাজিলের প্রসিকিউটর-জেনারেল অগাস্টো আরাস। তিনি প্রেসিডেন্টের স্বার্থরক্ষাই করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পর দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ব্রাজিলে করোনায় প্রাণহানি ছয় লাখ ছাড়িয়েছে চলতি মাসের শুরুতে। সংক্রমণের দিক থেকেও যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের পর তৃতীয় শীর্ষ অবস্থানে ব্রাজিল; দুই কোটির বেশি মানুষের দেহে শনাক্ত হয়েছে ভাইরাসটি।

এ অবস্থায় ফৌজদারি অভিযোগ গঠনের পর তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য প্রধান কৌঁসুলির কাছে পাঠানো হবে। ব্রাজিলের প্রধান কৌঁসুলিও প্রেসিডেন্ট বলসোনারোরই নিয়োগপ্রাপ্ত।

মহামারি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা বা কথিত কোনো অপরাধেরই অভিযোগ স্বীকার করেননি বলসোনারো। তবে চলমান সংকটের জেরে তার জনসমর্থন তলানিতে ঠেকেছে।

এক হাজার ৩০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটিতে বলসোনারো ছাড়াও আরও ৭৭ জন ব্যক্তি ও দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে প্রেসিডেন্টের প্রাপ্তবয়স্ক তিন ছেলেও আছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘মহামারির সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের যেসব ভুলত্রুটির বলি হয়েছে লাখো মানুষ, সেসবের পেছনে দায়ী প্রধান ব্যক্তি’টি হলেন বলসোনারো।

অভিযোগ করা হয়, টিকা ছাড়াই ‘হার্ড ইমিউনিটি’ অর্জনের আশায় বলসোনারো সরকারের মহামারিবিষয়ক নীতিমালায় কোনো কার্যকর পদক্ষেপ ছিল না। এর ফলে সারা দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছে।

যখন কোনো জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশের দেহে টিকা গ্রহণের মাধ্যমে বা প্রাকৃতিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়, তখন গোষ্ঠীটি হার্ড ইমিউনিটি অর্জন করেছে বলে মনে করা হয়। হার্ড ইমিউনিটি অর্জনের ফলে ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলেও সংক্রমণের হার শূন্যের কাছাকাছি থাকে।

প্রতিবেদনটির প্রধান লেখক মধ্যপন্থি সিনেটর রেনান ক্যালহেইরোজ। প্রেসিডেন্ট বলসোনারোর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ গঠন ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) জমা দিতে সিনেটের সংশ্লিষ্ট প্যানেলের প্রতি সুপারিশ করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
বলসোনারোর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল ব্রাজিল

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ভবনের বাইরে বন্দুকধারী, অবরুদ্ধ জাতিসংঘের সদর দপ্তর

ভবনের বাইরে বন্দুকধারী, অবরুদ্ধ জাতিসংঘের সদর দপ্তর

জাতিসংঘের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ওই বন্দুকধারীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছে নিউ ইয়র্ক পুলিশ। তিনি নিজের গলায় বন্দুক ঠেকিয়ে রেখেছেন।

নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক চলার সময়েই এক বন্দুকধারীর অবস্থানের কারণে অবরুদ্ধ করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘের সদর দপ্তর। পুলিশ জানিয়েছে, ওই বন্দুকধারী তার নিজের গলায় বন্দুক ঠেকিয়ে রেখেছেন।

জাতিসংঘের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ওই বন্দুকধারীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছে নিউ ইয়র্ক পুলিশ। তিনি জাতিসংঘের সঙ্গে যুক্ত নন।

বৃহস্পতিবার বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নিউ ইয়র্ক পুলিশের কর্মকর্তা হিউবার্ট রেয়েস জানান, জরুরি নম্বর ৯১১ এ ফোন আসে যে এক ব্যক্তি শটগান নিয়ে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের কাছে দাঁড়িয়ে আছেন। এর পরপরই এলাকাটি ঘিরে ফেলে পুলিশ।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুই জন সদস্য সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে জানিয়েছেন, ওই বন্দুকধারী নিজের সঙ্গে বিড়বিড় করে কথা বলছেন। তার সঙ্গে একটি ব্যাগও রয়েছে।

ইতোমধ্যে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে অবস্থান নিয়েছে।

জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেন, ‘পুলিশের কার্যক্রম চলায় আমরা ভবনের সব দরজা বন্ধ করে দিয়েছি। ভবনের সবাইকে নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে বলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
বলসোনারোর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল ব্রাজিল

শেয়ার করুন

ভারতে ওমিক্রন শনাক্ত

ভারতে ওমিক্রন শনাক্ত

বিভিন্ন সূত্রের ভিত্তিতে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬৬ বছরের ওই ব্যক্তি একজন বিদেশি; সম্প্রতি তিনি সাউথ আফ্রিকা ভ্রমণ করেছেন। অন্যজন বেঙ্গালুরু শহরের একটি হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মী।

এবার ভারতে শনাক্ত হলো করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন। দক্ষিণের রাজ্য কর্ণাটকের দুই ব্যক্তির শরীরে বৃহস্পতিবার ওমিক্রন মিলেছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ নিয়ে বিশ্বের ৩০ দেশে করোনার নতুন ধরনটি ছড়াল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ল্যাভ আগারওয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানিয়েছেন, শনাক্ত হওয়া দুজনেই পুরুষ। একজনের বয়স ৬৬, অন্যজন ৪৬ বছরের। ব্যক্তি গোপনীয়তার স্বার্থে তাদের বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করা হবে না।

‘শনাক্তদের উপসর্গ মৃদু। যারা তাদের সংস্পর্শে এসেছেন, তাদের চিহ্নিত করে পরীক্ষা হচ্ছে। আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। করোনার বিধিনিষেধগুলো মেনে চলতে হবে। সেই সঙ্গে জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে।’

বিভিন্ন সূত্রের ভিত্তিতে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬৬ বছরের ওই ব্যক্তি একজন বিদেশি; সম্প্রতি তিনি সাউথ আফ্রিকা ভ্রমণ করেছেন। অন্যজন বেঙ্গালুরু শহরের একটি হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মী।

ভারতের কোভিড-১৯ টাস্ক ফোর্সের প্রধান ভি কে পাল বলেন, ‘ এখনই আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু ঘটেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।’

করোনার এই নতুন ধরনটি আগের সবগুলোর চেয়ে বেশ সংক্রামক বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এটি প্রাণঘাতী কী না তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ল্যাভ আগারওয়াল বলেন, ‘ওমিক্রনের প্রভাব আগের সব ধরন থেকে বেশি কিংবা কম, তা নিয়ে মন্তব্য করার সময় এখনও আসেনি।’

ওমিক্রন সংক্রমণের আশঙ্কায় আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে পূর্ব ঘোষিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে ভারতের ডাইরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন (ডিজিসিএ)।

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন প্রথম শনাক্ত হয় আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে। এটির বিস্তার ঠেকাতে এরই মধ্যে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বিভিন্ন দেশ।

আরও পড়ুন:
বলসোনারোর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল ব্রাজিল

শেয়ার করুন

করোনা নিয়ে গুজব ছড়ানো অ্যাকাউন্ট মুছে দিল ফেসবুক

করোনা নিয়ে গুজব ছড়ানো অ্যাকাউন্ট মুছে দিল ফেসবুক

ভুয়া ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এমন পাঁচ শতাধিক অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলেছে ফেসবুক। বলা হচ্ছে, এসব অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণ করত চীনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র।    

অনলাইনে গুজব ছড়ানোর ক্ষেত্রে ফেসবুক ব্যবহার হচ্ছে- এমন অভিযোগ পুরোনো। ফেসবুকের এলগরিদম গুজব শনাক্তের ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয় বলেও দাবি করে আসছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।

সম্প্রতি বিষয়টিকে গুরুত্বসহকারে নিয়েছে ফেসবুক। ভুয়া ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এমন পাঁচ শতাধিক অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলেছে ফেসবুক। বলা হচ্ছে, এসব অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণ করত চীনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র।

ব্যবহারকারীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে ৫২৪টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, ২০টি পেজ, ৪টি গ্রুপ ও ৮৬টি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে ফেসবুক।

বিবিসির খবরে বলা হচ্ছে, উইলসন এডওয়ার্ডস নামে এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট থেকে প্রচার হয় করোনার উৎস খুঁজতে যে তদন্ত দল কাজ করছে তাদের ওপর হস্তক্ষেপ করছে যুক্তরাষ্ট্র। আর চীনের গণমাধ্যমগুলো সেটা ফলাও করে প্রচার করছে।

ওই প্রোফাইল ঘেঁটে জানা যায়, সুইজারল্যান্ডের নাগরিক এডওয়ার্ডস একজন জীববিজ্ঞানী। তবে সুইস সরকার বলছে, এ নামে তাদের দেশে কারও অস্তিত্ব নেই।

গত জুলাইয়ে উইলসন এডওয়ার্ডস নামের অ্যাকাউন্ট থেকে নিজেকে সুইস জীববিজ্ঞানী দাবি করে বলা হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যে দলটি করোনার উৎস খুঁজছে, তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র চাপ প্রয়োগ করছে, যেন দায় চীনের ওপর চাপানো হয়।

সিজিটিএন, সাংহাই ডেইলি, গ্লোবাল টাইমসসহ চীনের প্রায় সব সরকারি গণমাধ্যম ওই পোস্টটিকে গুরুত্বসহকারে প্রচার করে। যদিও ওই পোস্টের মাত্র দুই সপ্তাহ আগে অ্যাকাউন্টটি খোলা হয়েছিল।

ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা বলছে, এই অপপ্রচারগুলো চালানো হয়েছে চীনের সিচুয়ান সাইলেন্স ইনফরমেশন টেকনোলজি কোম্পানি থেকে।

সিচুয়ান সাইলেন্স ইনফরমেশন টেকনোলজি কোম্পানি লিমিটেড একটি তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তাবিষয়ক প্রতিষ্ঠান। চীনের জননিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রযুক্তিসংক্রান্ত বিষয়গুলোর দেখভাল করে তারা।

ফেসবুক বলছে, ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলোর উৎপত্তিস্থল আড়াল রাখতে চীনা প্রতিষ্ঠানটি ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) প্রযুক্তির সহায়তা নেয়। ভুয়া আইডির চরিত্রকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে তারা ব্যবহার করেছে ‘মেশিন লার্নিং’ প্রযুক্তি।

করোনার উৎস এখনও অজানা। বিজ্ঞানীরা জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন রহস্য উদ্ঘাটনের। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, চীনের উহান থেকেই ছড়িয়েছে করোনার নতুন গোত্রটি। এ নিয়ে টানাপড়েন চলছে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে।

আরও পড়ুন:
বলসোনারোর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল ব্রাজিল

শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ ছাড়ের অনুরোধ তালেবানের

যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ ছাড়ের অনুরোধ তালেবানের

আফগানিস্তানের তালেবান সরকার ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতিনিধিদের বৈঠক। ফাইল ছবি

সম্পর্কের দূরত্ব কমিয়ে আনতে কাতারের রাজধানী দোহায় দুই দিনের আলোচনায় মিলিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবান প্রতিনিধিদল। সম্মেলন শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জব্দকৃত অর্থ ফেরত চেয়েছে তালেবান।

আফগানিস্তানে তালেবানদের ক্ষমতা দখলের পর নতুন সরকারের সঙ্গে কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখেই চলছিল পশ্চিমা বিশ্ব। সেই দূরত্ব ঘুচিয়ে নেয়ার চেষ্টায় উভয় পক্ষই।

এর অংশ হিসেবে কাতারের রাজধানী দোহায় দুই দিনের আলোচনায় মিলিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবান প্রতিনিধিদল। সম্মেলন শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জব্দকৃত অর্থ ফেরত চেয়েছে তালেবান।

এ ছাড়া তালেবান নেতাদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারেরও আহ্ববান জানিয়েছে একসময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ করা সংগঠনটি।

সম্মেলনে তালেবান সরকারের প্রতিনিধি ছিলেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি ও আমেরিকার প্রতিনিধি ছিলেন আফগানবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত থমাস ওয়েস্ট।

আফগানিস্তানে আমেরিকান সেনাদের প্রত্যাহারের পর তালেবানদের সঙ্গে আমেরিকার এই নিয়ে দ্বিতীয় দফায় আলোচনা হলো।

পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে আনতে শুরু থেকেই দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি। দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম দেশ হিসেবে তিনি পাকিস্তান সফর করেন। ইরানের সঙ্গেও তিনি উষ্ণ সম্পর্ক বজায় রাখছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও শুরু থেকে আলোচনায় নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন মুত্তাকি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে টুইট করেছেন তালেবান সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল কাহার বালখি। তিনি জানান, দুই দেশের প্রতিনিধিদল রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, মানবিক, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নিরাপত্তাবিষয়ক আলোচনার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং এবং নগদ সুবিধা প্রদান নিয়ে আলোচনা করেছে।

বালখি বলেন, তালেবান প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপত্তার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জব্দকৃত অর্থ ফেরত, কালো তালিকা বাতিল ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্ববান জানানো হয়েছে। মানবিক বিষয়গুলোকে রাজনীতির বাইরে রাখতেও দাবি জানায় তালেবান প্রতিনিধিদল।

যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে যেসব তালেবান নেতার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, তার মধ্যে তালেবান সরকারের প্রধান মোল্লা হাসান আখুন্দও রয়েছেন।

আখুন্দ তালেবানের অন্যতম পুরাতন সদস্য। ১৯৯৬ সালে তালেবানরা যখন প্রথম আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তখন তিনি সেই সরকারের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পরবর্তী সময়ে উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তালেবানের প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা মোহাম্মদ উমরের সঙ্গেও তার ভালো সম্পর্ক ছিল।

আফগান সরকারের সঙ্গে সংঘাত (২০০১-২০২১) চলাকালীন আখুন্দ তালেবানের নীতিনির্ধারণী সর্বোচ্চ পর্ষদ শুরা কাউন্সিলের নেতৃত্বে ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার তালিকাতেও তিনি রয়েছেন।

দ্বিতীয়বারের মতো আগস্টে তালেবানরা আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে আফগান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৯৫০ কোটি ডলারের সম্পদ জব্দ করা হয়। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্বব্যাংক আফগানিস্তানে তাদের কার্যক্রম স্থগিত রেখেছে। ফলে আফগানিস্তানে চলমান উন্নয়ন প্রকল্প ও নগদ আর্থিক সহায়তা বন্ধ হয়ে যায়।

এমন পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনায় অস্থিরতা, সরকারি কর্মীদের বেতন না পাওয়া, অতিরিক্ত মুদ্রাস্ফীতির কারণে আফগানিস্তানে দারিদ্র্যের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, আফগানিস্তানের ২ কোটি ২০ লাখ মানুষ এই শীতেই চরম খাদ্যসংকটের মুখোমুখি হতে পারে।

এমন অবস্থায় তালেবান দোহার আলোচনাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে।

এই সম্মেলনের আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক শুরুর ঘোষণা দেয় তালেবান। গত অক্টোবরেও তালেবান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রথম দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলন শুরুর আগেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের প্রধান থমাস ওয়েস্ট জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন পেতে তালেবানকে কিছু শর্ত মেনে চলতে হবে। তালেবানকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠন করতে হবে। নারী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকারের প্রতি সম্মান জানাতে হবে। পাশাপাশি তাদের শিক্ষা ও কাজের সুযোগের ক্ষেত্রে সমতা নিশ্চিত করতে হবে।

এ ছাড়াও দোহায় তালেবান প্রতিনিধিদল জাপান ও জার্মান রাষ্ট্রদূতের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন।

আরও পড়ুন:
বলসোনারোর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল ব্রাজিল

শেয়ার করুন

এবার যুক্তরাষ্ট্রে ওমিক্রনের হানা

এবার যুক্তরাষ্ট্রে ওমিক্রনের হানা

ওমিক্রন আতঙ্কে আফ্রিকান দেশগুলোর ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: সংগৃহীত

হোয়াইট হাউসের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের প্রধান এন্থোনি ফাউসি জানান, ওমিক্রনে সংক্রমিত হওয়া ব্যক্তি বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। তার সংস্পর্শে আসা সবার করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত আর কারোর দেহে ওমিক্রন শনাক্ত হয়নি।

আফ্রিকা, ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকার পর এবার যুক্তরাষ্ট্রে শনাক্ত হলো করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাউথ আফ্রিকা ফেরত ক্যালিফোর্নিয়ার এক ব্যক্তির শরীরে করোনার নতুন ধরনটি শনাক্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (সিডিসি)।

হোয়াইট হাউসের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের প্রধান এন্থোনি ফাউসি জানান, ওমিক্রনে সংক্রমিত হওয়া ব্যক্তি বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। তার সংস্পর্শে আসা সবার করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত আর কারোর দেহে ওমিক্রন শনাক্ত হয়নি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাভাইরাসের নতুন এই ধরনকে খুবই উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ করেছে। এই ধরন এরই মধ্যে বিশ্বের ২৪টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

ফাউসি শুরু থেকেই আমেরিকানদের করোনাভাইরাসের নতুন ধরনের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করে আসছেন। সবাইকে টিকা নেয়ার পাশাপাশি মাস্ক পরা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

হোয়াইট হাউসের সংবাদ সম্মেলনে ফাউসি বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই জানতাম যেকোনো সময় যুক্তরাষ্ট্রে ওমিক্রন শনাক্ত হবে।’

বতসোয়ানায় প্রথম শনাক্ত হওয়া এই ভ্যারিয়েন্টের শুরুতে নাম ছিল ‘বি.১.১.৫২৯’ তবে আলোচনায় সুবিধার জন্য ২৬ নভেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর নাম দেয় ‘ওমিক্রন’।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্পাইক প্রোটিনে ৩০ বারের বেশি মিউটেশনের মধ্য দিয়ে সার্স কভ টু ভাইরাসের নতুন ধরনটি তৈরি হয়েছে। সামগ্রিকভাবে এই ধরনটির মিউটেশন হয়েছে ৫০ বারের বেশি।

অত্যন্ত সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের চেয়েও ওমিক্রনের মিউটেশন হয়েছে চার গুণ বেশি। ফলে এটি দ্রুত মানুষকে আক্রান্ত করতে সক্ষম বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

ওমিক্রন নিয়ে শুরু থেকেই সতর্ক অবস্থানে যায় পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো। তারা আফ্রিকান দেশগুলোর ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তাতে খুব একটা লাভ হচ্ছে না। ইতিমধ্যে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে। করোনার নতুন ধরনটি পাওয়া গেছে ইসরায়েল ও ব্রাজিলেও।

তবে ওমিক্রন আতঙ্কে ঢালাওভাবে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারির সমালোচনা করেছেন সাউথ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা ও জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্থোনিও গুতেরেস।

যদিও হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জেন সাকি বলেছেন, সাউথ আফ্রিকাকে শাস্তি দেয়ার জন্য নয়। আমেরিকার জনগণকে রক্ষা করার জন্যই এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বলসোনারোর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল ব্রাজিল

শেয়ার করুন

পশ্চিমবঙ্গে বাজির কারখানায় বিস্ফোরণে ৩ জনের মৃত্যু

পশ্চিমবঙ্গে বাজির কারখানায় বিস্ফোরণে ৩ জনের মৃত্যু

বিস্ফোরণে উড়ে যায় বাজির কারখানার কংক্রিকের ছাদ। ছবি: সংগৃহীত

জানা গেছে, পরপর তিনবার বিস্ফোরণ ঘটে । প্রচণ্ড শব্দে কারখানা সংলগ্ন এলাকা কেঁপে ওঠে। দুই কামরার ঘরের কংক্রিটের ছাদ উড়ে যায়। ভেঙে পড়ে জানালার কাঁচ। আগুন ধরে যায় পুরো বাড়িতে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নোদাখালিতে বাজি তৈরির কারখানায় বারুদে আগুন লেগে বিস্ফোরণে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার সকাল ৮টার দিকে বজবজ ২ নম্বর ব্লকের নস্করপুর পঞ্চায়েতের মোহনপুরে অসীম মণ্ডল নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে এই বিস্ফোরণ ঘটে । এখানে ঘন বসতিপূর্ণ এলাকায় বেআইনিভাবে বাজি তৈরির এই কারখানা চালানো হচ্ছিল।

জানা গেছে, বিস্ফোরণের সময় বাজি তৈরির কাজ চলছিল। সে সময় পরপর তিনবার বিস্ফোরণ ঘটে । বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিলো যে প্রচণ্ড শব্দে কারখানা সংলগ্ন এলাকা কেঁপে ওঠে। দুই কামরার ঘরের কংক্রিটের ছাদ উড়ে যায়। ভেঙে পড়ে জানালার কাঁচ। আগুন লেগে যায় পুরো বাড়িটিতে।

স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসেন। তারা দেখতে পান দাউ দাউ করে ওই বাজি কারখানায় আগুন জ্বলছে। মুহূর্তেই গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।

খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে নোদাখালি থানা পুলিশ ও দমকল বাহিনী উদ্ধার কাজ শুরু করে। তারা আগুনে দগ্ধ তিনটি মরদেহ উদ্ধার করে। তারা হলেন- অসীম মণ্ডল, অতিথি হালদার ‌ও কাকলি মিদ্যা। প্রত্যেকেই মোহনপুরের বাসিন্দা। কয়েকজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান সাতগাছিয়ার বিধায়ক মোহন চন্দ্র নস্কর।

স্থানীয় সূত্রে খবর, অসীম মণ্ডল প্রতিবেশীদের আপত্তি উপেক্ষা করে বেশ কয়েক বছর ধরে নিজের বাড়িতে বাজি কারখানা চালাচ্ছিলেন।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।’

আরও পড়ুন:
বলসোনারোর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল ব্রাজিল

শেয়ার করুন

এটি কিন্তু ব্লাউজ নয়

এটি কিন্তু ব্লাউজ নয়

ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

ইনস্টাগ্রামের ওই পোস্টে মিশ্র প্রক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে নতুন ফ্যাশনকে স্বাগত জানাচ্ছেন। আরও চমকের অপেক্ষায় থাকার কথা বলছেন কেউ; কেউ আবার বলছেন, সেলাইয়ের টাকা বাঁচানোর ফন্দি। অনেকে আবার বিষয়টিকে মাত্রাতিরিক্ত বলছেন।

মেহেদি কেবল হাতে পরার জন্য এ কথা কে বলেছে? ভারতের পাঞ্জাবে এক ডিজাইনার মেহেদির ব্যবহারকে নিয়ে গেছেন এমন এক পর্যায়ে, যা নিয়ে নেট দুনিয়ায় তোলপাড়।

মুম্বাইভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক দ্য ফ্রি প্রেস জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ওই ডিজাইনার হয়তো বলিউডের জনপ্রিয় ‘মেহেদি লাগাকে রাখ না’ গানটিকে একটু বেশিই গুরুত্বসহকারে নিয়েছেন। যার কারণে ‘মেহেদি ব্লাউজ’ ডিজাইন করে চমক সৃষ্টি করেছেন ফ্যাশন দুনিয়ায়।

ইনস্টাগ্রামে সম্প্রতি পোস্ট হওয়া একটি ভিডিও এই আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এতে দেখা গেছে, সাদা শাড়ির সঙ্গে এক নারী চিরাচরিত ব্লাউজের পরিবর্তে পরেছেন মেহেদি দিয়ে আঁকা ব্লাউজ। মানে শরীরে ব্লাউজের আদলে এঁকেছেন মেহেদির নকশা। এক ঝলক দেখে বোঝার উপায় নেই এটি মেহেদি দিয়ে আঁকা নকশা।

ইনস্টাগ্রামের ওই পোস্টে মিশ্র প্রক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে নতুন ফ্যাশনকে স্বাগত জানাচ্ছেন। আরও চমকের অপেক্ষায় থাকার কথা বলছেন কেউ; কেউ আবার বলছেন, সেলাইয়ের টাকা বাঁচানোর ফন্দি। অনেকে আবার বিষয়টিকে মাত্রাতিরিক্ত বলছেন।

ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, কয়েক বছর আগেও মেহেদি দিয়ে শুধু হাতে ও পায়ে নকশা করা হতো। তবে ভারতজুড়ে এই বিয়ের মৌসুমে অনেক কনেই এখন ব্লাউজ ছেড়ে মেহেদির নকশার দিকে ঝুঁকছেন।

আরও পড়ুন:
বলসোনারোর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল ব্রাজিল

শেয়ার করুন