× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Saudi Crown Prince Mentally Insane Former Detective
google_news print-icon

সৌদি যুবরাজ ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’: সাবেক গোয়েন্দা

সৌদি-যুবরাজ-মানসিক-বিকারগ্রস্ত-সাবেক-গোয়েন্দা
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ফাইল ছবি
অভিযোগকারী সাদ আলজাবেরি সাবেক সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন নায়েফের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা ছিলেন। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের পূর্বসূরী ও চাচাতো ভাই মোহাম্মদ বিন নায়েফ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও ছিলেন। ২০১৭ সালে তাকে সরিয়ে মোহাম্মদ বিন সালমানকে যুবরাজ ঘোষণা করেন বাদশাহ সালমান। বর্তমানে সৌদি আরবে বন্দি জীবনযাপন করছেন মোহাম্মদ বিন নায়েফ। সৌদি রাজনীতিতে তিনিই যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী বলে মনে করা হয়। আলজাবেরি বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম, আমার মৃত্যু অবধারিত। কারণ আমাকে মৃত না দেখা পর্যন্ত এই ব্যক্তি (বর্তমান যুবরাজ) থামবে না।’

সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’, ‘তার মধ্যে সহমর্মিতার বোধ বলে কিছু নেই’। সৌদি আরবের এক সাবেক জ্যেষ্ঠ গোয়েন্দা কর্মকর্তার দাবি এটি। তার মতে, সৌদি যুবরাজ ‘বেপরোয়া ও বিশ্বাসঘাতক’।

সাদ আলজাবেরি নামের ওই সাবেক গোয়েন্দা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিবিএসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন এমন কথা। তিনি বলেন, ‘যুবরাজের মধ্যে আবেগ বলে কোনোকিছুর অস্তিত্ব নেই। তিনি পূর্ব-অভিজ্ঞতা থেকে কোনো শিক্ষা নেন না।’

সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগজি হত্যাকাণ্ডের পর আলজাবেরি নিজেই ঘাতকদের পরবর্তী লক্ষ্য বলে দাবি করেন।

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালের মে মাসে সৌদি আরব থেকে পালিয়ে যান সাদ আলজাবেরি। বর্তমানে কানাডায় নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন তিনি।

সিবিএসের সিক্সটি মিনিটস অনুষ্ঠানে আলজাবেরি জানান, ২০১৮ সালে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে খাশোগজিকে হত্যার পর একটি ঘাতক দল কানাডার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। সে সময় এক সহযোগীর মাধ্যমে আলজাবেরি জানতে পারেন যে ওই দলটি তাকে হত্যা করতে যাচ্ছে।

আলজাবেরি জানান যে তাকে সতর্ক করে ওই সহযোগী বলেছিলেন, ‘কানাডায় কোনো সৌদি কূটনৈতিক মিশনের ধারেকাছে যাবেন না। কনস্যুলেটে যাবেন না, দূতাবাসেও যাবেন না।’

কেন জানতে চাইলে আলজাবেরিকে বলা হয়, ‘ওরা খাশোগজিকে টুকরো টুকরো করেছে, মেরে ফেলেছে। পরবর্তী লক্ষ্য হিসেবে তালিকার শীর্ষে এখন আপনি আছেন।’

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় মামলার অভিযোগপত্রের কল্যাণে কথিত সেই হত্যা পরিকল্পনার কিছু অংশের বিস্তারিত সামনে এসেছে আগেই। সিক্সটি মিনিটস অনুষ্ঠানে দেয়া আলজাবেরি মূলত তুলে ধরেছেন যুবরাজ মোহাম্মদের সঙ্গে তার সম্পর্কচ্ছেদের আদ্যপান্ত।

নিজের সন্তানদের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে আলজাবেরির আকুতিও উঠে আসে সাক্ষাৎকারে। সন্তানদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট দুই ভাইবোন সারাহ ও ওমর সৌদি আরবে কারাবন্দি। প্রাপ্তবয়স্ক এই দুই সন্তানকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি গত বছর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে। অভিযোগ আছে, বাবা আলজাবেরিকে দেশে ফিরতে বাধ্য করার কৌশল হিসেবে সারাহ ও ওমরকে আটকে রেখেছে সৌদি রাজপরিবার।

সৌদি যুবরাজ ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’: সাবেক গোয়েন্দা
কানাডায় নির্বাসিত সাবেক সৌদি গোয়েন্দা কর্মকর্তা সাদ আল-জাবেরি। ছবি: এএফপি

তিনি বলেন, ‘আমাকে কথা বলতে হবে। আমেরিকান জনগণ আর আমেরিকান প্রশাসনকে অনুরোধ করছি, আমাকে সাহায্য করুন। আমার সন্তানদের মুক্ত করতে ও তাদের স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দিতে আপনাদের সহযোগিতা আমার দরকার।’

আলজাবেরির অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত মুখ খোলেনি সৌদি প্রশাসন। তবে একটি বিবৃতিতে দাবি করেছে, ‘আলজাবেরি একজন নিন্দিত সাবেক সরকারি কর্মকর্তা। তথ্য অতিরঞ্জিত করার দীর্ঘ ইতিহাস আছে তার। নিজের আর্থিক অপরাধ ধামাচাপা দেয়ার লক্ষ্যে নজর ঘোরাতে এসব কৌশল অবলম্বন করেন তিনি।’

অভিযোগকারী সাদ আলজাবেরি সাবেক সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন নায়েফের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা ছিলেন। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের পূর্বসূরী ও চাচাতো ভাই মোহাম্মদ বিন নায়েফ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও ছিলেন। ২০১৭ সালে তাকে সরিয়ে মোহাম্মদ বিন সালমানকে যুবরাজ ঘোষণা করেন বাদশাহ সালমান।

বর্তমানে সৌদি আরবে বন্দি জীবনযাপন করছেন মোহাম্মদ বিন নায়েফ। সৌদি রাজনীতিতে তিনিই যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী বলে মনে করা হয়।

আলজাবেরি বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম, আমার মৃত্যু অবধারিত। কারণ আমাকে মৃত না দেখা পর্যন্ত এই ব্যক্তি (বর্তমান যুবরাজ) থামবে না।’

আলজাবেরির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের জোরালো সমর্থন রয়েছে।

২০০১ সালে ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে টুইন টাওয়ারসহ বিভিন্ন জায়গায় একযোগে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হয়। হামলা পরবর্তী সময়ে আমেরিকান ও সৌদি নাগরিকদের প্রাণ বাঁচাতে সহযোগিতার জন্য তৎকালীন সৌদি সরকারকে কৃতিত্ব দেয় সাবেক আমেরিকান গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। সে সময় সৌদি যুবরাজ ছিলেন মোহাম্মদ বিন নায়েফ, যার সহযোগী আলজাবেরি।

সিক্সটি মিনিটসে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মাইক মোরেল বলেন, ‘আলজাবেরি মর্যাদার যোগ্য ব্যক্তি।’

মোরেলের মতে, আলজাবেরির দেয়া গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই ২০১০ সালে নিষিদ্ধঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়েদার বোমা হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছিল। পণ্যবাহী দুটি বিমানে থাকা মালামালের মধ্যে দুটি ডেস্কটপ প্রিন্টারে বোমা লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

মোরেল জানান, আরও অনেকবারই আমেরিকানদের প্রাণ বাঁচিয়েছেন আলজাবেরি। কিন্তু সেসব ঘটনা এখনও গোপন তথ্য হিসেবে শ্রেণিভুক্ত।

কানাডায় আলজাবেরিকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আগে প্রত্যাখ্যান করেছে সৌদি আরব। খাশোগজি হত্যাকাণ্ডেও সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ স্বীকার করেনি দেশটি।

কিন্তু চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন পোস্টের কলাম লেখক খাশোগজিকে হত্যায় অনুমোদন দিয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান নিজে।

এর আগে সাদ আলজাবেরি দাবি করেছিলেন যে বাদশাহ আবদুল্লাহ বিন আব্দুলআজিজ ক্ষমতায় থাকাকালীন তাকেও হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন মোহাম্মদ বিন সালমান।

আলজাবেরির মতে, চাচা বাদশাহ আবদুল্লাহকে হত্যা করে বাবা সালমান বিন আব্দুলআজিজকে সিংহাসনে বসাতে চেয়েছিলেন মোহাম্মদ।

ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় ৯০ বছর বয়সে ২০১৫ সালে মৃত্যু হয় বাদশাহ আবদুল্লাহর। তার উত্তরসূরী হিসেবে সৌদি আরবের পরবর্তী বাদশাহ হন আবদুল্লাহর সৎ ভাই সালমান বিন আব্দুলআজিজ। তাদের পিতা প্রয়াত বাদশাহ আব্দুলআজিজ বিন আব্দুল রহমান।

বর্তমান বাদশাহ সালমানের উত্তরসূরী ও সৌদি আরবের পরবর্তী সম্ভাব্য শাসক তার অষ্টম সন্তান মোহাম্মদ বিন সালমান। কথিত আছে ৮৫ বছর বয়সী বাদশাহ সালমানের ওপর যুবরাজ মোহাম্মদের কর্তৃত্ব আছে এবং সালমান প্রশাসনের সিদ্ধান্তের প্রায় সবটাই যুবরাজের নিয়ন্ত্রণে।

আরও পড়ুন:
সৌদি আরবে ড্রোন হামলায় আহত ৩ বাংলাদেশি
সৌদির মসজিদে ‘উগ্রবাদী বই’ নিষিদ্ধ
সৌদি কারাগারে বন্দি ৬০০ বাংলাদেশি, ফেরানোর উদ্যোগ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Israeli attack on Rafah after Isis order to stop the aggression

আগ্রাসন বন্ধে আইসিজের নির্দেশের পর রাফাহতে ইসরায়েলের হামলা

আগ্রাসন বন্ধে আইসিজের নির্দেশের পর রাফাহতে ইসরায়েলের হামলা আইসিজের নির্দেশনার কয়েক মিনিট পর রাফাতে শুক্রবার বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। ছবি: বিবিস
অবিলম্বে দক্ষিণ গাজার শহর রাফায় সামরিক অভিযান বন্ধ করতে শুক্রবার ইসরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)।

দক্ষিণ গাজার শহর রাফাহতে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের দেয়া নির্দেশের পর পরই রাফাহ শহরের হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

আইসিজের রায় ঘোষণার কয়েক মিনিটের মধ্যে রাফা শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত শাবউরা ক্যাম্পে ইসরায়েলের সামরিক বিমান দফায় দফায় হামলা চালায় বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকা কুয়েত হাসপাতালের একজন স্থানীয় কর্মী বিবিসিকে বলেছেন, ‘হামলার তীব্রতার কারণে উদ্ধারকর্মীরা অভিযানস্থলে পৌঁছতে পারেনি।’

ইসরায়েল প্রায় তিন সপ্তাহ আগে রাফাতে একটি দীর্ঘ-প্রত্যাশিত হামলা শুরু করে। তারা সেখানে বাকি হামাস যোদ্ধাদের ধ্বংস করার প্রতিশ্রুতি দেয়।

তাদের দাবি, ইসরায়েলি জিম্মিদেরও এ শহরে রাখা হয়েছে।

অবিলম্বে দক্ষিণ গাজার শহর রাফায় সামরিক অভিযান বন্ধ করতে শুক্রবার ইসরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)।

দক্ষিণ আফ্রিকার করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এক জরুরি রায়ে শুক্রবার এ নির্দেশ দেয় জাতিসংঘের শীর্ষ এ আদালত।

ইসরায়েলের ওপর আদালতের এই রায় কার্যকরের কোনো উপায় না থাকলেও এ রায়টি বিশ্ব থেকে দেশটিকে বিচ্ছিন্ন করার একটি বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হবে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

রায়ে সামরিক অভিযান বন্ধের পাশাপাশি রাফায় ত্রাণ প্রবেশের জন্য মিশর সীমান্ত খুলে দেয়া এবং তদন্তের স্বার্থে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনকে গাজায় প্রবেশের অনুমতি দেয়ার মতো নির্দেশও দেয়া হয়েছে।

এসব আদেশ পালনের অগ্রগতি জানিয়ে এক মাসের মধ্যে ইসরায়েলকে আইসিজেতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

জাতিসংঘ বলছে, গাজায় ইসরায়েলি অভিযান শুরুর পর থেকে ৮ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনি রাফাহ থেকে পালিয়েছে।

এদিকে আইসিজের শুক্রবারের রায় প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল।

ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, ‘হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার আনা গণহত্যার অভিযোগ মিথ্যা, আপত্তিকর এবং নৈতিকভাবে বিরোধী।’

বিবৃতিটি বলা হয়, ‘৭ অক্টোবর ইসরায়েলের নাগরিকদের ওপর ভয়াবহ হামলার পর ইসরায়েল হামাসকে নির্মূল করতে এবং আমাদের জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে একটি প্রতিরক্ষামূলক এবং ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ শুরু করেছে।’

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে গাজার শাসক গোষ্ঠী হামাসের হামলার জবাবে উপত্যকায় ভয়াবহ আগ্রাসন শুরু করে ইসরায়েল।

দেশটির হামলায় গাজায় প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে ৩৫ হাজার ৮০০ মানুষ। উপত্যকায় আহত হয়েছে ৮০ হাজার ২০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি।

এ ছাড়া ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে গাজায় কমপক্ষে সাত হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছে যারা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফিলিস্তিনি ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ভাষ্য, গাজায় হতাহত ফিলিস্তিনিদের বেশিরভাগ নারী ও শিশু।

আরও পড়ুন:
গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রে আমন্ত্রণ পাচ্ছেন নেতানিয়াহু
ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতির তারিখ ঘোষণা করবে স্পেন
যুদ্ধাপরাধে নেতানিয়াহু-হানিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন
ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুর সঙ্গে ইসরায়েল জড়িত নয়: কর্মকর্তা
নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভা ছাড়ার হুমকি সাবেক জেনারেল গানৎজের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
South Africas appeal to stop the attack on Rafah is awaiting a verdict

রাফাহতে হামলা বন্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার আবেদন, রায়ের অপেক্ষা

রাফাহতে হামলা বন্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার আবেদন, রায়ের অপেক্ষা কোর্ট অফ জাস্টিসের (আইসিজে) ভেতরে একটি দৃশ্য। ছবি: রয়টার্স
দক্ষিণ আফ্রিকা গত বছর আন্তর্জাতিক এ আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে মামলা করে। সেই বৃহত্তর মামলার অংশ হিসাবেই দেশটি পরে রাফাহতে অভিযান বন্ধে এ জরুরি ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন করে।

গাজার রাফাহতে ইসরায়েলের অভিযান বন্ধের আদেশ দেয়ার জন্য আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতের (আইসিজে) কাছে দক্ষিণ আফ্রিকার আবেদনের প্রেক্ষিতে শুক্রবার রায় দেবে আদালত।

ফিলিস্তিনি জনগণের বেঁচে থাকা নিশ্চিত করতে গতসপ্তাহে আফ্রিকার আইনজীবীরা দক্ষিণ গাজা শহরে (বিশেষ করে রাফাহ) ইসরায়েলের আক্রমণ বন্ধের জন্য আইসিজের কাছে জরুরি ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন করেন বলে জানায় রয়টার্স।

সংবাদ সংস্থাটির শুক্রবারের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েল বারবার গণহত্যার অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে আসছে। দেশটি আদালতে যুক্তি দিয়েছে, গাজায় অভিযানগুলো আত্মরক্ষার জন্য এবং ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলাকারী হামাসের লক্ষ্যবস্তু।

ইসরায়েলি সরকারের এক মুখপাত্র বৃহস্পতিবার বলেন, ‘পৃথিবীর কোনো শক্তি ইসরায়েলকে তার নাগরিকদের রক্ষা করা এবং গাজায় হামাসের পেছনে যেতে বাধা দেবে না।’

একজন ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র জানান, সেনাবাহিনী রাফাহতে সতর্কতার সঙ্গে এবং সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা গত বছর আন্তর্জাতিক এ আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে মামলা করে। সেই বৃহত্তর মামলার অংশ হিসাবেই দেশটি পরে রাফাহতে অভিযান বন্ধে এ জরুরি ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন করে।

এর আগে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং হামাসের প্রধান নির্বাহী ইসমাইল হানিয়াসহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে আবেদন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান কৌঁসুলি করিম খান।

আল-জাজিরার সোমবারের খবরে বলা হয়, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট এবং হামাসের অপর দুই শীর্ষ নেতা আল কাসেম ব্রিগেডের নেতা মোহাম্মদ দিয়াব ইব্রাহিম আল-মাসরি এবং ইয়াহিয়া সিনওয়ারের বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চেয়েছেন ওই কৌসুঁলি।

নেতানিয়াহু ও গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির জন্য হেগভিত্তিক আদালতের প্রি-ট্রায়াল চেম্বার-১ এ আবেদন করা হয় বলে জানান তিনি।

ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজার শাসক দল হামাসের হামলার জবাবে উপত্যকায় ভয়াবহ হামলা শুরু করে ইসরায়েল।

দেশটির হামলায় গাজায় প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে ৩৫ হাজার ৮০০ মানুষ। উপত্যকায় আহত হয়েছে ৮০ হাজার ২০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি।

এ ছাড়া ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে গাজায় কমপক্ষে সাত হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছে, যারা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
যুদ্ধাপরাধে নেতানিয়াহু-হানিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন
ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুর সঙ্গে ইসরায়েল জড়িত নয়: কর্মকর্তা
ইরানের সঙ্গে ‘পূর্ণ সংহতি’ হামাসের
নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভা ছাড়ার হুমকি সাবেক জেনারেল গানৎজের
গাজায় হামাসপ্রধান সিনওয়ারের খোঁজে যুক্তরাষ্ট্র

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
12 killed in Israeli attack in central Gaza

মধ্য গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১২

মধ্য গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১২ গাজার একটি স্থানে ইসরায়েলি হামলার পর ক্ষয়ক্ষতি দেখার পাশাপাশি হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধারে ব্যস্ত ফিলিস্তিনিরা। ছবি: ওয়াফা
ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার খবরে বলা হয়, মানবিক সহায়তাসামগ্রীর একটি গুদামে হামলা চালায় ইসরায়েল। এর ফলে নারী, শিশুসহ ১২ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি অনেকে আহত হয়।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার মধ্যাঞ্চলীয় দেইর আল-বালাহতে বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান ও ট্যাংক দিয়ে চালানো হামলায় কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছে বরে জানিয়েছে ওয়াফা।

ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থাটির খবরে বলা হয়, মানবিক সহায়তাসামগ্রীর একটি গুদামে হামলা চালায় ইসরায়েল। এর ফলে নারী, শিশুসহ ১২ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি অনেকে আহত হয়।

ওয়াফা জানায়, ইসরায়েলের জঙ্গিবিমান গাজা সিটির উত্তরে শেখ রাদওয়ান এলাকায় একটি বাড়িতে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে। এতে আরও কয়েকজন হতাহত হয়।

ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজার শাসক দল হামাসের হামলার জবাবে উপত্যকায় ভয়াবহ হামলা শুরু করে ইসরায়েল।

দেশটির হামলায় গাজায় প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে ৩৫ হাজার ৮০০ মানুষ। উপত্যকায় আহত হয়েছে ৮০ হাজার ২০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি।

এ ছাড়া ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে গাজায় কমপক্ষে সাত হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছে, যারা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফিলিস্তিনি ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ভাষ্য, গাজায় হতাহত ফিলিস্তিনিদের বেশির ভাগ নারী ও শিশু।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলের প্রতি আইসিসির নিষেধাজ্ঞা সমর্থনের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের
ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড ও স্পেন
গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রে আমন্ত্রণ পাচ্ছেন নেতানিয়াহু
ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতির তারিখ ঘোষণা করবে স্পেন
যুদ্ধাপরাধে নেতানিয়াহু-হানিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Norway Ireland and Spain will recognize the state of Palestine

ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড ও স্পেন

ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড ও স্পেন প্যালেস্টাইন কমিটির উদ্যোগে ২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর গাজা ও ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে নরওয়ের অসলোতে বিক্ষোভ হয়। ছবি: রয়টার্স
নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু ও আহত হওয়ার মধ্যে আমাদের একটি বিষয়কে অবশ্যই বাঁচিয়ে রাখতে হবে, যা ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের নিরাপদ ঘর দিতে পারে: দুটি রাষ্ট্র, পারস্পরিক শান্তিপূর্ণভাবে থাকতে পারে।’

শান্তি প্রতিষ্ঠার আশায় স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে নরওয়ে স্বীকৃতি দেবে বলে বুধবার জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার।

নরওয়ের মতো ইউরোপের অপর দুই দেশ আয়ারল্যান্ড ও স্পেন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেবে বলে সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে রয়টার্স।

বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যভুক্ত অপর দুই রাষ্ট্র স্লোভেনিয়া, মাল্টাও সম্প্রতি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। দেশগুলোর মতে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যাবশ্যক দুই রাষ্ট্র সমাধান।

নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু ও আহত হওয়ার মধ্যে আমাদের একটি বিষয়কে অবশ্যই বাঁচিয়ে রাখতে হবে, যা ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের নিরাপদ ঘর দিতে পারে: দুটি রাষ্ট্র, যেগুলো একে অপরের সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করতে পারে।’

নরওয়ের ঘোষণার আগে জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১৪৩টি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

ইউরোপের দেশগুলো এ ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে। সুইডেন এক দশক আগে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে। অন্যদিকে ফ্রান্স এ ধরনের পরিকল্পনা করছে না। দেশটির ভাষ্য, স্বীকৃতি শান্তির পথে কার্যকর হাতিয়ার হওয়ার আগে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেবে না তারা।

আরও পড়ুন:
গাজায় হামাসপ্রধান সিনওয়ারের খোঁজে যুক্তরাষ্ট্র
ইসরায়েলের সঙ্গে দীর্ঘ যুদ্ধে প্রস্তুত হামাস: মুখপাত্র
হামাসের সুড়ঙ্গ থেকে ৩ জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা নিয়ে ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার বিরোধ প্রকাশ্যে
‘যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত ঘাট দিয়ে গাজায় ত্রাণ ঢুকছে’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Spain will announce the date of recognition of Palestine

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতির তারিখ ঘোষণা করবে স্পেন

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতির তারিখ ঘোষণা করবে স্পেন ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের রামাল্লায় ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর এক বিক্ষোভে পতাকা হাতে ফিলিস্তিনিরা। ছবি: মাজদি মোহাম্মেদ/এপি
ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার পরিকল্পনা আজ পেশ করার কথা রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্যভুক্ত আরেক দেশ আয়ারল্যান্ডের। এর বাইরে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছে মাল্টা ও স্লোভেনিয়া।

ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতির তারিখ ঘোষণা করবে স্পেন।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বুধবার এ তারিখ ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে জানানো হয়, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার পরিকল্পনা আজ পেশ করার কথা রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্যভুক্ত আরেক দেশ আয়ারল্যান্ডের। এর বাইরে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছে মাল্টা ও স্লোভেনিয়া।

এদিকে ইসরায়েল বলেছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে ইউরোপীয় দেশগুলোর স্বীকৃতি চরমপন্থা ও অস্থিতিশীলতায় রসদ জোগাবে। একই সঙ্গে গাজার শাসক দল হামাস একে গুটি হিসেবে ব্যবহার করবে।

চলতি বছরের মে পর্যন্ত ফিলিস্তিনকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য রাষ্ট্রের ১৪৩টি।

আরও পড়ুন:
হামাসের সুড়ঙ্গ থেকে ৩ জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা নিয়ে ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার বিরোধ প্রকাশ্যে
‘যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত ঘাট দিয়ে গাজায় ত্রাণ ঢুকছে’
নিজেদের হামলায় ৫ ইসরায়েলি সেনা নিহত
অবস্থান পাল্টাল বাইডেন প্রশাসন, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রেই গাজায় হামলা চালাবে ইসরায়েল

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Former General Gantz threatens to leave Netanyahus cabinet

নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভা ছাড়ার হুমকি সাবেক জেনারেল গানৎজের

নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভা ছাড়ার হুমকি সাবেক জেনারেল গানৎজের ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার সদস্য বেনি গানৎজ। ছবি: রয়টার্স
সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী গানৎজ জানান, দাবি পূরণ না হলে গাজায় যুদ্ধের বিষয়টি তদারকির জন্য গত বছর হওয়া জরুরি ঐক্যের সরকার থেকে বেরিয়ে আসবে তার দল।

ফিলিস্তিনের গাজার জন্য যুদ্ধ পরবর্তী পরিকল্পনা পেশ করতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে আগামী ৮ জুন পর্যন্ত সময় দিয়েছেন দেশটির যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার সদস্য বেনি গানৎজ।

ওই সময়ের মধ্যে নেতানিয়াহু পরিকল্পনা উপস্থাপনে ব্যর্থ হলে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক এ জেনারেল।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে গানৎজ এ হুমকি দেন।

তিনি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভাকে ছয় দফা পরিকল্পনায় সম্মত হওয়ার আহ্বান জানান। ওই ছয় দফায় গাজায় যুদ্ধ শেষে উপত্যকার শাসনের সম্ভাব্য পরিকল্পনা রয়েছে।

সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী গানৎজ জানান, দাবি পূরণ না হলে গাজায় যুদ্ধের বিষয়টি তদারকির জন্য গত বছর হওয়া জরুরি ঐক্যের সরকার থেকে বেরিয়ে আসবে তার দল।

ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর প্রধান রাজনৈতিক বিরোধী হিসেবে মনে করা হয় গানৎজকে। যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভায় যোগ দেয়ার আগে বিরোধী দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি ছিলেন তিনি।

গানৎজের এ আলটিমেটাম ইসরায়েল সরকারে ফাটল আরও বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে এটি গাজায় নেতানিয়াহুর নীতির বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক অব্যাহত চাপে রসদ জুগিয়েছে।

আরও পড়ুন:
নিজেদের হামলায় ৫ ইসরায়েলি সেনা নিহত
অবস্থান পাল্টাল বাইডেন প্রশাসন, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রেই গাজায় হামলা চালাবে ইসরায়েল
রাফায় হামলা চালিয়ে হামাসকে নির্মূল করা যাবে না: ব্লিংকেন
গাজায় বোলতার কামড়ে হাসপাতালে ইসরায়েলের ১২ সেনা
বাইডেন ইসরায়েলে সব সহায়তা বন্ধ করতে চান: ট্রাম্প

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
US seeks Hamas chief Sinwar in Gaza

গাজায় হামাসপ্রধান সিনওয়ারের খোঁজে যুক্তরাষ্ট্র

গাজায় হামাসপ্রধান সিনওয়ারের খোঁজে যুক্তরাষ্ট্র গাজা সিটিতে ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর মুখোশ পরা এক যোদ্ধার সঙ্গে করমর্দন করেন হামাসের গাজা উপত্যকার প্রধান ইয়াহইয়া সিনওয়ার। ছবি: মোহাম্মেদ আবেদ/এএফপি
যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা মিডল ইস্ট আইকে বলেন, হামাসের গাজা উপত্যকার প্রধান সিনওয়ার পালিয়ে প্রথমে মিসরের সিনাই উপদ্বীপ এবং পরবর্তী সময়ে লেবানন কিংবা সিরিয়ায় গেছেন কি না, সে সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র।  

ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান যুদ্ধে ইসরায়েলের ‘সম্পূর্ণ বিজয়’ অর্জনে সহায়তার অংশ হিসেবে উপত্যকায় হামাসের প্রধান ইয়াহইয়া সিনওয়ারের অবস্থান শনাক্তের ওপর যুক্তরাষ্ট্র মূল দৃষ্টি রেখেছে বলে জানিয়েছে মিডল ইস্ট আই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটি।

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও সাবেক এসব কর্মকর্তা মিডল ইস্ট আইকে জানান, ৬১ বছর বয়সী সিনওয়ার গাজার গভীরে টানেলগুলোতে লুকিয়ে আছেন বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এর ভিত্তিতে দেশটি এ অঞ্চলে তল্লাশি জোরদার করেছে।

দেশটির এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, হামাসের গাজা উপত্যকার প্রধান সিনওয়ার পালিয়ে প্রথমে মিসরের সিনাই উপদ্বীপ এবং পরবর্তী সময়ে লেবানন কিংবা সিরিয়ায় গেছেন কি না, সে সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভানের বক্তব্য জানতে চায় মিডল ইস্ট আই, তবে সিনওয়ার সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্যের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না বলে জানান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তারা সুনির্দিষ্ট কোনো গোপন তথ্যের কথা জানাননি। তাদের ভাষ্য, একটি বিষয়কে ঘিরে বির্তক এগোচ্ছে। আর তা হলো সিনওয়ারের সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে তথ্যের ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্র।

ওই কর্মকর্তাদের মতে, সিনওয়ারের সর্বশেষ অবস্থান শনাক্তে মোটাদাগে এক মাসের মতো পিছিয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, গাজায় ছিলেন হামাসের শীর্ষস্থানীয় এ নেতা।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলের সঙ্গে দীর্ঘ যুদ্ধে প্রস্তুত হামাস: মুখপাত্র
হামাসের সুড়ঙ্গ থেকে ৩ জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা নিয়ে ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার বিরোধ প্রকাশ্যে
‘যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত ঘাট দিয়ে গাজায় ত্রাণ ঢুকছে’
নিজেদের হামলায় ৫ ইসরায়েলি সেনা নিহত

মন্তব্য

p
উপরে