× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
The Iranian army slapped the governor in public
google_news print-icon

জনসম্মুখে গভর্নরকে চড় দিলেন ইরানি সেনা

জনসম্মুখে-গভর্নরকে-চড়-দিলেন-ইরানি-সেনা
ভাষণ দেয়ার সময় গভর্নর জয়নুলআবেদিন খুররমকে মঞ্চে উঠে চড় দেয় এক ব্যক্তি। ছবি: আইআরআইবি।
পার্লামেন্টে ইস্ট আজারবাইজান প্রদেশের মারাঘেহ শহরের নীতিনির্ধারক আলি আলিজাদা বলেন, ‘হামলার উদ্দেশ্য যে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এর সঙ্গে গভর্নরের নিয়োগ বা তার বক্তব্যের কোনো সম্পর্ক নেই।’

ইরানে নবনিযুক্ত এক গভর্নরকে প্রকাশ্যে চড় মেরে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন একজন সেনাসদস্য। ঘটনাটি ঘটেছে ইস্ট আজারবাইজান প্রদেশের তাবরিজ শহরে।

সিএনএনের খবরে বলা হয়, উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহরটির ইমাম খোমেনি মসজিদে শনিবার ভাষণ দিচ্ছিলেন নতুন প্রাদেশিক গভর্নর জয়নুলআবেদিন খুররম। সে সময় মঞ্চে উঠে তার মুখে চপেটাঘাত করেন ওই সেনা।

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্সের প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, শান্ত ভঙ্গিতে মঞ্চে উঠে খুররমের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন এক ব্যক্তি। খুররমের কাছে পৌঁছে প্রথমে তার মুখে আঘাত করে ওই ব্যক্তি, তার ধাক্কা দিতে শুরু করে।

এ সময় দৌড়ে সেখানে গিয়ে আঘাতকারী ব্যক্তিকে মঞ্চ থেকে জোর করে নামায় নিরাপত্তারক্ষীরা।

ইরানে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিরাপত্তায় এ ধরনের বিঘ্ন বিরল ঘটনা। অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতিনিধি ও অন্য সরকারি কর্মকর্তারা।

ইরানের আধা-সরকারি আরেকটি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, গভর্নরকে চড় মারা ব্যক্তির নাম আয়ুব আলিজাদা। তিনি ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর একজন সদস্য।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে গভর্নর খুররম জানিয়েছেন, ওই সেনার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত পরিচয় নেই।

ব্যক্তিগত আক্রমণের উদ্দেশ্যও অস্পষ্ট।

খুররমের বরাত দিয়ে আইআরআইবি জানিয়েছে, চড় মারা ব্যক্তির স্ত্রী করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা নিতে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়েছিলেন। নারীর বদলে পুরুষ স্বাস্থ্যকর্মী স্ত্রীকে টিকা দেয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন স্বামী।

এই রাগ ঝাড়তে তিনি খুররমকে চড় মারেন বলে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছে ওই সেনা।

আরেকটি সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়, এ আক্রমণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল না।

পার্লামেন্টে ইস্ট আজারবাইজান প্রদেশের আরেকটি শহর মারাঘেহের নীতিনির্ধারক আলি আলিজাদা বলেন, ‘হামলার উদ্দেশ্য যে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এর সঙ্গে গভর্নরের নিয়োগ বা তার বক্তব্যের কোনো সম্পর্ক নেই।’

আরও পড়ুন:
স্ত্রীর চোখকে আরাম দিতে ঘুরন্ত বাড়ি তৈরি
স্ত্রীকে গোখরা সাপ দিয়ে হত্যার অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ড
ঘরের ছাদ ভেঙে বিছানায় উল্কাপিণ্ড!
পায়ুপথে ৪২ লাখ রুপির স্বর্ণের গুঁড়ো!
৩৬৭ ফুট গভীর ‘নরকের কুয়ায়’ জিন নেই, আছে সাপের গর্ত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
US and UK warplanes hit 18 Houthi sites in Yemen

এবার হুতিদের ১৮টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের

এবার হুতিদের ১৮টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের হুতিদের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য শনিবার প্রস্তুত করা যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্সের একটি টাইফুন বিমান। ছবি: রয়টার্স
সর্বশেষ হামলা নিয়ে পেন্টাগনের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ইয়েমেনের আটটি অবস্থানে হুতি সংশ্লিষ্ট ১৮টি লক্ষ্যবস্তুতে প্রয়োজনীয় ও আনুপাতিক হামলা চালানো হয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল হুতিদের ভূগর্ভস্থ অস্ত্র মজুত স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র মজুত স্থাপনা, ড্রোন, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও হেলিকপ্টার।

ইয়েমেনে সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের ১৮টি অবস্থান লক্ষ্য করে শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যুদ্ধবিমান হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকার প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর পেন্টাগন।

এ নিয়ে দুই দেশ চতুর্থবারের মতো হুতিদের ওপর যৌথ অভিযান চালিয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

যুক্তরাষ্ট্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটির খবরে বলা হয়, হুতিদের বিভিন্ন সরঞ্জাম মজুতের স্থাপনা, ড্রোন, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার ও হেলিকপ্টারকে লক্ষ্য করে গতকালের হামলাটি চালানো হয়েছে।

যুক্তরাজ্য বলেছে, হুতিদের সামর্থ্য আরও খর্ব করতে মিত্র দুই রাষ্ট্র অভিযান চালিয়েছে।

সামুদ্রিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পথ লোহিত সাগর দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বেশ কিছু হামলা চালিয়েছে হুতিরা।

ইয়েমেনের রাজধানী সানাসহ বিশাল অংশের দখল নেয়া গোষ্ঠীটির দাবি, গাজায় ইসরায়েলি হামলার জবাবে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানানোর অংশ হিসেবে তারা জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।

হুতিদের এসব হামলার জবাবে এর আগে তিনবার ইয়েমেনে বিমান হামলা চালায় পশ্চিমা বন্ধু দুই রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।

সর্বশেষ হামলা নিয়ে পেন্টাগনের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ইয়েমেনের আটটি অবস্থানে হুতি সংশ্লিষ্ট ১৮টি লক্ষ্যবস্তুতে প্রয়োজনীয় ও আনুপাতিক হামলা চালানো হয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল হুতিদের ভূগর্ভস্থ অস্ত্র মজুত স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র মজুত স্থাপনা, ড্রোন, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও হেলিকপ্টার।

আরও পড়ুন:
হ্যালির রাজ্যে ট্রাম্পের জয়
ঢাকার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে বসবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল
রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা
রাশিয়া সংশ্লিষ্ট ৫ শতাধিক লক্ষ্যবস্তুকে নিষেধাজ্ঞা দেবে যুক্তরাষ্ট্র
সরকার গঠন পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়: যুক্তরাষ্ট্র

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
29 thousand 410 killed in the Israeli attack in Gaza

ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহত বেড়ে ২৯ হাজার ৪১০

ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহত বেড়ে ২৯ হাজার ৪১০ গাজার রাফাহতে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা। ছবি: রয়টার্স
গাজায় ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গাজায় গত সাড়ে চার মাসে ইসরায়েলি হামলায় আহত হয় কমপক্ষে ৬৯ হাজার ৪৬৫ জন।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৯ হাজার ছাড়িয়েছে।

গাজায় ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানায় আল জাজিরা।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে জানানো হয়, গাজায় ইসরায়েলের হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ২৯ হাজার ৪১০।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গাজায় গত সাড়ে চার মাসে ইসরায়েলি হামলায় আহত হয় কমপক্ষে ৬৯ হাজার ৪৬৫ জন।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে হামলা চালায় গাজার শাসক দল হামাস, যাতে প্রাণ হারায় ১ হাজার ১৩৯ ইসরায়েলি। এর জবাবে গাজায় ওই দিন থেকেই বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল, যার সঙ্গে পরবর্তী সময়ে যোগ হয় স্থল অভিযানও।

ইসরায়েলের এসব হামলায় গাজা মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান টেডরোস আধানম গেব্রিয়েসুস।

তার ভাষ্য, উপত্যকায় স্বাস্থ্য ও মানবিক পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।

অন্যদিকে ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি গাজার খান ইউনিসের আল-আমল হাসপাতালে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে। হাসপাতালটি ৩০ দিন ধরে অবরুদ্ধ করে রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলি হামলা থেকে বাঁচতে চাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৮ হাজার ছুঁইছুঁই
যুদ্ধবিরতি নয়, গাজায় ‘জয়’ চান নেতানিয়াহু
গাজায় ১৩৫ দিনের যুদ্ধবিরতি, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তাব হামাসের
গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সাড়া হামাসের: কাতার

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Biden told us about Israels upcoming operation in Rafah

রাফাহতে ইসরায়েলের আসন্ন অভিযানকে ‘আমাদের’ বললেন বাইডেন

রাফাহতে ইসরায়েলের আসন্ন অভিযানকে ‘আমাদের’ বললেন বাইডেন হোয়াইট হাউসে স্থানীয় সময় সোমবার জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহর সঙ্গে বৈঠক করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ছবি: এএফপি
অনুলিপি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট শুরুতে বলেন, ‘রাফাহতে আমাদের সামরিক অভিযান।’ তারপর তিনি বলেন, ‘সেখানে (রাফাহ) আশ্রয় নেয়া ১০ লাখের বেশি মানুষের সুরক্ষা ও সহায়তার বিশ্বাসযোগ্য পরিকল্পনা নিশ্চিত না করে রাফাহতে তাদের (ইসরায়েল) বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানো উচিত হবে না।’

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহতে ইসরায়েলের আসন্ন সামরিক অভিযানকে মুখ ফসকে ‘আমাদের সামরিক অভিযান’ বলে ফেলেছেন কথায় তালগোল পাকানো নিয়ে সম্প্রতি আলোচনায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

স্থানীয় সময় সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউসে দেয়া এক বক্তব্যের সময় উল্লিখিত কথা বলেন তিনি।

আল জাজিরা মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানায়, বাইডেনের বক্তব্যের হোয়াইট হাউস প্রকাশিত অনুলিপিতে দেখা যায়, বাক্যের মাঝখানে দৃশ্যত শব্দ পরিবর্তন করছেন বাইডেন।

অনুলিপি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট শুরুতে বলেন, ‘রাফাহতে আমাদের সামরিক অভিযান।’ তারপর তিনি বলেন, ‘সেখানে (রাফাহ) আশ্রয় নেয়া ১০ লাখের বেশি মানুষের সুরক্ষা ও সহায়তার বিশ্বাসযোগ্য পরিকল্পনা নিশ্চিত না করে রাফাহতে তাদের (ইসরায়েল) বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানো উচিত হবে না।’

গাজার শাসক দল হামাসের সঙ্গে যুদ্ধরত ইসরায়েলকে শত শত কোটি ডলার সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি কূটনৈতিক ফোরামগুলোতেও ইসরায়েলকে সমর্থন দেয়, তবে ওয়াশিংটন জোর দিয়ে বলেছে, তারা গাজায় যুদ্ধে সরাসরি জড়িত নয়।

আরও পড়ুন:
গাজায় ১৩৫ দিনের যুদ্ধবিরতি, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তাব হামাসের
গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সাড়া হামাসের: কাতার
যুদ্ধে পরিবারহারা গাজার ১৭ হাজার শিশু: জাতিসংঘ
ইসরায়েলি ৪ বসতি স্থাপনকারীর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহত প্রায় ২৭ হাজার

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Demand to release 37 two prisoners killed in Israeli attack in Rafah

রাফাহতে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৩৭, দুই বন্দিকে মুক্ত করার দাবি

রাফাহতে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৩৭, দুই বন্দিকে মুক্ত করার দাবি মিসর সীমান্তবর্তী গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহতে খাবার তৈরি করছে বাস্তুচ্যুত আবু মুস্তাফা পরিবার। ছবি: রয়টার্স
ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ), দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত ও স্পেশাল পুলিশ ইউনিট রাফাহতে অভিযান চালিয়ে ৬০ বছর বয়সী ফার্নান্দো সিমন মারম্যান ও ৭০ বছরের লুইস হারেকে উদ্ধার করে।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার দক্ষিণে রাফাহ এলাকায় রোববার গভীর রাতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ৩৭ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

অঞ্চলটিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বন্দি দুই নাগরিককে মুক্ত করার দাবি করেছে ইসরায়েল।

ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ), দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত ও স্পেশাল পুলিশ ইউনিট রাফাহতে অভিযান চালিয়ে ৬০ বছর বয়সী ফার্নান্দো সিমন মারম্যান ও ৭০ বছরের লুইস হারেকে উদ্ধার করে।

দেশটির সেনাবাহিনী আরও জানায়, গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে হামাসের হামলার সময় নির আইজ্যাক কিব্বুৎজ (বসতি) থেকে দুজনকে অপহরণ করা হয়েছিল। স্থিতিশীল অবস্থায় থাকা এ দুই নাগরিককে তেল হাশোমের মেডিক্যাল কমপ্লেক্সে নেয়া হয়েছে।

‘এটি ছিল খুবই জটিল অভিযান। এ অভিযানের জন্য আমরা দীর্ঘসময় ধরে কাজ করেছি। আমরা সঠিক পরিস্থিতির অপেক্ষায় ছিলাম’, বলেন ইসরায়েল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিচার্ড হেচট।

এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সোমবার জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজায় সিরিজ হামলা চালানো হয়েছে, যা সমাপ্ত হয়েছে, তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি বাহিনীটি।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলি হামলা থেকে বাঁচতে চাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৮ হাজার ছুঁইছুঁই
যুদ্ধবিরতি নয়, গাজায় ‘জয়’ চান নেতানিয়াহু
গাজায় ১৩৫ দিনের যুদ্ধবিরতি, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তাব হামাসের
গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সাড়া হামাসের: কাতার

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The body of the child who tried to escape from the Israeli attack was recovered

ইসরায়েলি হামলা থেকে বাঁচতে চাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার

ইসরায়েলি হামলা থেকে বাঁচতে চাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার ছয় বছর বয়সী হিন্দ রাজাব। ছবি: রয়টার্স
পিআরসিএসের প্রকাশিত কলের রেকর্ডিংয়ে হিন্দকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাকে নিয়ে যাও। তোমরা কি আমাকে নিয়ে যাবে? আমি খুব ভয় পাচ্ছি, দয়া করে আমাকে নিয়ে যাও!’ এরপর দ্রুতই ফোনটি কেটে যায়।

গাজা সিটির দক্ষিণাঞ্চলীয় একটি শহর থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে তার স্বজনরা। শিশুটি ১২ দিন আগে ইসরায়েলি হামলায় আটকা পড়ে গাজার উদ্ধারকারীদের কাছে সাহায্য পাঠাতে অনুরোধ করেছিল।

তেল এল-হাওয়া শহরে শনিবার ছয় বছর বয়সী হিন্দ রাজাবের পরিবারের পাঁচ সদস্য ও দুইজন উদ্ধারকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় ফিলিস্তিনভিত্তিক সংবাদ সংস্থা ওয়াফা।

জানুয়ারির শেষে হিন্দ রাজাব পরিবারের কয়েকজন সদস্যসহ গাজা থেকে পালিয়ে তেল এল-হাওয়া যাচ্ছিল। পথে তাদের গাড়িটি ইসরায়েলের ট্যাংকের মুখে পড়লে গাড়িতে আগুন ধরে যায়। ওই সময় হিন্দ গাড়িতে বসেই ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির (পিআরসিএস) জরুরি নম্বরে ফোন দিয়ে তাকে বাঁচাতে বলে।

পিআরসিএসের প্রকাশিত কলের রেকর্ডিংয়ে হিন্দকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাকে নিয়ে যাও। তোমরা কি আমাকে নিয়ে যাবে? আমি খুব ভয় পাচ্ছি, দয়া করে আমাকে নিয়ে যাও!’ এরপর দ্রুতই ফোনটি কেটে যায়।

পিআরসিএসের সদস্যরা জানান, তখনও সেখানে অনেক গোলাগুলির শব্দ হচ্ছিল।

এরপরই অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির দুজন ক্রু তাদের উদ্ধার করতে যান, কিন্তু এরপর থেকে তাদেরও কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না।

ওই ঘটনার ১২ দিন পর শনিবার পিআরসিএস জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে হিন্দ ও তার পাঁচজন স্বজন এবং রেড ক্রিসেন্টের দুই ক্রুর মরদেহ পাওয়া গেছে। হিন্দের সঙ্গে তার চাচা-চাচি আর তিন চাচাত ভাই-বোনের মরদেহ গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়।

পিআরসিএসের দাবি, ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে হিন্দ রাজাবকে উদ্ধারের জন্য পাঠানো অ্যাম্বুলেন্সটিকে লক্ষ্যবস্তু করে আক্রমণ করেছে। যদিও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে এ ঘটনায় কোনো সাড়া দেয়নি।

ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্সটির একটি ছবি প্রকাশ করেছে। অ্যাম্বুলেন্সটি হিন্দদের গাড়ি থেকে মাত্র কয়েক ধাপ দূরে ছিল।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলি ৪ বসতি স্থাপনকারীর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহত প্রায় ২৭ হাজার
গাজার সুড়ঙ্গে সাগরের পানি দিচ্ছে ইসরায়েল
ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ চায় হামাস
এবার ফিলিস্তিনিদের জন্য অর্থ সহায়তা বন্ধ ইউরোপের ৬ দেশের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
28 thousand killed in Israeli attack in Gaza

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৮ হাজার ছুঁইছুঁই

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৮ হাজার ছুঁইছুঁই ফিলিস্তিনের গাজার খান ইউনিসে অভিযানে ইসরায়েলি এক সেনা। ছবি: এপি
গাজায় ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে শুক্রবার আল জাজিরা জানায়, ইসরায়েলি বোমা ও স্থল হামলায় উপত্যকায় প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৯৪৭ জনে।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় চার মাসের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলের হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা বেড়ে হয়েছে প্রায় ২৮ হাজার।

গাজায় ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে শুক্রবার আল জাজিরা জানায়, ইসরায়েলি বোমা ও স্থল হামলায় উপত্যকায় প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৯৪৭ জনে।

ইসরায়েলে ঢুকে গত বছরের ৭ অক্টোবর প্রাণঘাতী হামলা চালায় গাজার শাসক দল হামাস, যাতে নিহত হয় ১ হাজার ১৩৯ জন ইসরায়েলি।

হামাসের হামলার জবাবে ওই দিন থেকেই গাজায় ব্যাপক বোমাবর্ষণ শুরু করে ইসরায়েল। দেশটির হামলা থেকে রেহাই পায়নি স্কুল, হাসপাতাল, মসজিদ, গির্জার মতো বেসামরিক স্থাপনাও।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় আহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা কমপক্ষে ৬৭ হাজার ৪৫৯।

মন্ত্রণালয় শুক্রবার আরও জানায়, ২৪ ঘণ্টায় গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে ১০৭ জন নিহত ও ১৪২ জন আহত হয়।

এমন বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলের হামলাকে ‘মাত্রাতিরিক্ত’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, গাজায় দুই পক্ষের মধ্যে বড় পরিসরে যুদ্ধবিরতির জন্য নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহত প্রায় ২৭ হাজার
গাজার সুড়ঙ্গে সাগরের পানি দিচ্ছে ইসরায়েল
ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ চায় হামাস
এবার ফিলিস্তিনিদের জন্য অর্থ সহায়তা বন্ধ ইউরোপের ৬ দেশের
বাইডেনের নামে গাজায় ‘গণহত্যায় সহযোগিতা’ মামলার শুনানি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Netanyahu wants victory in Gaza not an end to the war

যুদ্ধবিরতি নয়, গাজায় ‘জয়’ চান নেতানিয়াহু

যুদ্ধবিরতি নয়, গাজায় ‘জয়’ চান নেতানিয়াহু ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত গাজার একটি এলাকা। ছবি: সংগৃহীত
হামাসের যুদ্ধবিরতির দাবি প্রত্যাখ্যান করে গাজার দক্ষিণে রাফাহ শহরে সৈন্যদের অগ্রসর হওয়ার প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেছেন, কয়েক মাসের মধ্যেই বিজয় আসন্ন।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার শাসক দল হামাসের পক্ষে যুদ্ধবিরতির যে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

বুধবার হামাসের যুদ্ধবিরতির দাবি প্রত্যাখ্যান করে গাজার দক্ষিণে রাফাহ শহরে সৈন্যদের অগ্রসর হওয়ার প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেছেন, কয়েক মাসের মধ্যেই বিজয় আসন্ন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে এক বৈঠকের পর নেতানিয়াহু এক প্রেস কনফারেন্সে এসব কথা বলেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

নেতানিয়াহু বলেন, আলোচনায় কিছু হচ্ছে না। তাদের (হামাস) শর্তগুলো উদ্ভট। সম্পূর্ণ এবং চূড়ান্ত বিজয় ছাড়া অন্য কোনো সমাধান নেই। হামাস যদি গাজায় টিকে থাকে, তবে পরবর্তী গণহত্যা সময়ের ব্যাপার মাত্র।

হামাসের সিনিয়র কর্মকর্তা সামি আবু জুহরি রয়টার্সকে বলেছেন, নেতানিয়াহুর মন্তব্য রাজনৈতিক সাহসিকতার একটি রূপ। এর মাধ্যমে বোঝা যায় তিনি এই অঞ্চলে সংঘাত চালিয়ে যেতে চান।

এর আগে গাজায় ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে বিরতি টানতে একটি প্রস্তাব দেয় হামাস, যাতে সংঘাত সাড়ে চার মাস বন্ধের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে।

ওই প্রস্তাবের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স বুধবার জানায়, যুদ্ধবিরতির সময়ে হামাসের হাতে বন্দি সব ইসরায়েলিকে পর্যায়ক্রমে মুক্তি দেয়া হবে। এর বিনিময়ে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে ইসরায়েল এবং যুদ্ধ বন্ধে উভয় পক্ষ একটি চুক্তিতে পৌঁছাবে।

গাজায় যুদ্ধ বন্ধে গত সপ্তাহে কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতাকারীদের দেয়া প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে হামাস তাদের পরিকল্পনার কথা জানায়, যা আশা ও স্বস্তির সঞ্চার করে উপত্যকায়।

ইসরায়েলে ঢুকে হামাস গত ৭ অক্টোবর আকস্মিক হামলা চালায়। ওই হামলার প্রতিক্রিয়ায় গাজায় টানা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। হামলা শুরুর পর ৯ অক্টোবর গাজায় সর্বাত্মক অবরোধের ঘোষণা দেয় দেশটি।

এ অবস্থায় গাজায় জিম্মি ব্যক্তিদের মুক্তি ও ইরসায়েলের কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তির বিনিময়ে ও গাজায় মানবিক সহায়তায় পাঠানোর শর্তে গত ২৪ নভেম্বর প্রথম দফার যুদ্ধবিরতি শুরু হয়।

এরপর এই যুদ্ধবিরতি চলে সাত দিন। এই সাত দিনে হামাস ১১০ জনকে এবং ইসরায়েল মুক্তি দিয়েছে ২৪০ জনকে। তবে আন্তর্জাতিক নানা মহলের চেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়েনি।

হামলার সময় প্রায় ২৫০ জনকে জিম্মি করা হয়েছিল। ইসরায়েল বলছে, গাজায় এখনো অনেক জিম্মি রয়েছে। এ ছাড়া ইসরায়েল নির্বিচারে বিমান হামলা ও স্থল অভিযান চালিয়ে গাজায় প্রায় ২৮ হাজার জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে। এদের প্রায় ৭০ শতাংশ নারী ও শিশু।

আরও পড়ুন:
গাজায় ১৩৫ দিনের যুদ্ধবিরতি, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তাব হামাসের
গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সাড়া হামাসের: কাতার
যুদ্ধে পরিবারহারা গাজার ১৭ হাজার শিশু: জাতিসংঘ

মন্তব্য

p
উপরে