কাবুলে বিদ্যুৎ লাইনে বিস্ফোরণের দায় নিল আইএস

কাবুলে বিদ্যুৎ লাইনে বিস্ফোরণের দায় নিল আইএস

বৃহস্পতিবার কাবুলে বৈদ্যুতিক লাইনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় আইএস-কে। ছবি: এএফপি

আইএস-কে তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানায়, ‘কাবুলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ক্ষতিগ্রস্ত করতে খেলাফতের যোদ্ধারা সেখানে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়।’

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুরো শহরকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করার দায় নিয়েছে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের [(আইএস) আফগান শাখা আইএস-খোরাসান (আইএস-কে)]।

সশস্ত্র সংগঠনটি শুক্রবার বিস্ফোরণের দায় নেয় বলে বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

আইএস-কে তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানায়, ‘কাবুলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ক্ষতিগ্রস্ত করতে খেলাফতের যোদ্ধারা সেখানে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়।’

ওই বিস্ফোরণ উচ্চ-ভোল্টেজের একটি বিদ্যুৎ লাইনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। কাবুলসহ আফগানিস্তানের অন্য কয়েকটি প্রদেশে আমদানি করা বিদ্যুৎ সরবরাহ করে ওই লাইন।

আফগানিস্তানের বিদ্যুৎব্যবস্থা অনেকাংশে নির্ভরশীল আমদানি করা বিদ্যুতের ওপর।

মূলত উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিবেশী দেশ তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করে দেশটি। এ কারণে মাঠে-ঘাটের বিদ্যুৎ লাইনে সহজে হামলা চালাতে পারে সন্ত্রাসীরা।

রাজধানী কাবুলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়া দেশকে স্থিতিশীল রাখার তালেবানের প্রচেষ্টার ওপর আরও একটি আঘাত।

আন্তর্জাতিক সহায়তা ও স্বীকৃতি পেতে ক্ষমতা দখলের পর দুই মাসের বেশি সময় ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কট্টর ইসলামপন্থি গোষ্ঠীটি।

১৫ আগস্ট কাবুল পতনের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তালেবান। এরপর থেকে আফগানিস্তানজুড়ে বেশ কয়েকটি সহিংস হামলা চালিয়ে তালেবানকে উদ্বেগে ফেলেছে আইএস-কে।

গত শুক্রবার জুমার নামাজের সময় আফগানিস্তানের কান্দাহার শহরে এক শিয়া মসজিদে আইএস-কের বোমা হামলায় ৬০ জনের মৃত্যু হয়।

এর আগের শুক্রবার ৮ অক্টোবর দেশটির কুন্দুজ শহরে আরেক শিয়া মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের ওপর আত্মঘাতী বোমা হামলা চালায় আইএস-কে। ওই ঘটনায় অন্তত ৫০ মুসল্লির মৃত্যু ঘটে।

আরও পড়ুন:
কঠিন সময়েও সেবাতেই নজর আফগান মিডওয়াইফদের
জাতিসংঘে তালেবান রাষ্ট্রদূত চায় না আফগান নারীরা
সাংবাদিকদের ফের মারধর তালেবানের
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গচ্ছিত ৯০০ কোটি ডলার পাবে না তালেবান
আত্মঘাতী হামলাকারীদের পরিবারকে পুরস্কৃত করছে তালেবান

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ভারতের প্রতিরক্ষাপ্রধান সস্ত্রীক নিহত

ভারতের প্রতিরক্ষাপ্রধান সস্ত্রীক নিহত

ভারতের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত প্রাণ হারিয়েছেন হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায়। ছবি: এনডিটিভি

ভারতীয় বিমান বাহিনীর এক টুইটে বলা হয়, জেনারেল বিপিন রাওয়াত, তার স্ত্রী মধুলিকা রাওয়াত এবং হেলিকপ্টারের আরও ১১ আরোহী দুর্ভাগ্যজনক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। হেলিকপ্টারের ১৪ আরোহীর মধ্যে কেবল একজন জীবিত আছেন, তবে তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ভারতের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বা প্রতিরক্ষাপ্রধান বিপিন রাওয়াত নিহত হয়েছেন। তার স্ত্রীসহ আরও ১২ আরোহীও প্রাণ হারিয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষের বরাতে নিশ্চিত করেছে এনডিটিভি।

বিধ্বস্ত সামরিক হেলিকপ্টারটিতে বিপিন রাওয়াতের স্ত্রী, সামরিক কর্মকর্তা ও ক্রুসহ মোট ১৪ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে ১৩ জনেরই মৃত্যু নিশ্চিত করে ভারতীয় বিমান বাহিনী।

নিহতদের মধ্যে বিপিন রাওয়াতের স্ত্রী মধুলিকা রাওয়াতও আছেন। এ ঘটনায় বেঁচে থাকা একজন এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

ভারতীয় বিমান সংস্থার বরাতে জানানো হয়েছে, বুধবার তামিলনাড়ুর কুন্নুরে নীলগিরি জঙ্গলে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। পরে অগ্নিদগ্ধ, গুরুতর আহত অবস্থায় ভারতীয় প্রতিরক্ষাপ্রধানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ভারতীয় প্রতিরক্ষাপ্রধানকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি বুধবার দিল্লি থেকে তামিলনাড়ুর সুলুরে যাচ্ছিল।

এমআই-১৭ভি৫ মডেলের হেলিকপ্টারটি রাশিয়ার তৈরি। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এর আগে সেনা সূত্র জানায়, হেলিকপ্টারে ৯ যাত্রী ও ৫ ক্রু ছিলেন। যাত্রীরা হলেন- বিপিন রাওয়াত, তার স্ত্রী মধুলিকা রাওয়াত, ব্রিগেডিয়ার এলএস লিড্ডের, লেফটেন্যান্ট কর্নেল হারজিন্দার সিং, নায়েক গুরসেবক সিং, নায়েক জিতেন্দ্র কুমার, ল্যান্সনায়েক বিবেক কুমার, ল্যান্সনায়েক বি সাই তেজা, হাবিলদার সাত পাল।

ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, পাহাড়ের ঢালে হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। ধোঁয়া ও আগুনের মধ্যে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।

২০১৯ সালের জানুয়ারিতে ভারতের প্রথম চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব নেন ৬৩ বছর বয়সী জেনারেল বিপিন রাওয়াত। ভারত সরকারের সেনা সম্পর্কিত নতুন বিভাগের প্রধান হিসেবেও নিয়োগ দেয়া হয় তাকে।

আরও পড়ুন:
কঠিন সময়েও সেবাতেই নজর আফগান মিডওয়াইফদের
জাতিসংঘে তালেবান রাষ্ট্রদূত চায় না আফগান নারীরা
সাংবাদিকদের ফের মারধর তালেবানের
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গচ্ছিত ৯০০ কোটি ডলার পাবে না তালেবান
আত্মঘাতী হামলাকারীদের পরিবারকে পুরস্কৃত করছে তালেবান

শেয়ার করুন

ভারতের প্রতিরক্ষাপ্রধানের হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে নিহত ১৩

ভারতের প্রতিরক্ষাপ্রধানের হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে নিহত ১৩

ভারতের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াতকে বহনকারী হেলিকপ্টার। ছবি: সংগৃহীত

সূত্রের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই বুধবার বিকেলে এ তথ্য জানিয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি এক টুইটে জানায়, তামিলনাডুতে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। নিহত ১৩ জনের আলাদাভাবে পরিচয় নিশ্চিতে ডিএনএ টেস্টের প্রয়োজন।

ভারতের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বা প্রতিরক্ষাপ্রধান বিপিন রাওয়াতকে বহনকারী হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে ১৪ আরোহীর ১৩ জনই মারা গেছেন। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে তিনি বিপিন কি না তা প্রকাশ করা হয়নি।

সূত্রের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই বুধবার বিকেলে এ তথ্য জানিয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি এক টুইটে জানায়, তামিলনাডুতে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। নিহত ১৩ জনের আলাদাভাবে পরিচয় নিশ্চিতে ডিএনএ টেস্টের প্রয়োজন।

ভারতের বিমান বাহিনীর এক টুইটবার্তায় জানানো হয়, চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি বুধবার দিল্লি থেকে তামিলনাড়ুর সুলুরে যাচ্ছিল।

এমআই-১৭ভি৫ মডেলের হেলিকপ্টারটি রাশিয়ার তৈরি। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সেনা সূত্রে জানা যায়, হেলিকপ্টারে ৯ যাত্রী ও ৫ ক্রু ছিলেন। হেলিকপ্টারটি বুধবার দুপুরেই সুলুর সেনাঘাঁটি থেকে ওয়েলিংটন সেনাঘাঁটিতে যাচ্ছিল।

৯ যাত্রীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। তারা হলেন বিপিন রাওয়াত, তার স্ত্রী মাধুলিকা রাওয়াত, ব্রিগেডিয়ার এলএস লিড্ডের, লেফটেন্যান্ট কর্নেল হারজিন্দার সিং, নায়েক গুরসেবক সিং, নায়েক জিতেন্দ্র কুমার, ল্যান্সনায়েক বিবেক কুমার, ল্যান্সনায়েক বি সাই তেজা, হাবিলদার সাত পাল।

ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, পাহাড়ের ঢালে হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। ধোঁয়া ও আগুনের মধ্যে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।

২০১৯ সালের জানুয়ারিতে ভারতের প্রথম চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব নেন ৬৩ বছর বয়সী জেনারেল বিপিন রাওয়াত। ভারত সরকারের সেনা সম্পর্কিত নতুন বিভাগের প্রধান হিসেবেও নিয়োগ দেয়া হয় তাকে।

আরও পড়ুন:
কঠিন সময়েও সেবাতেই নজর আফগান মিডওয়াইফদের
জাতিসংঘে তালেবান রাষ্ট্রদূত চায় না আফগান নারীরা
সাংবাদিকদের ফের মারধর তালেবানের
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গচ্ছিত ৯০০ কোটি ডলার পাবে না তালেবান
আত্মঘাতী হামলাকারীদের পরিবারকে পুরস্কৃত করছে তালেবান

শেয়ার করুন

ভারতের প্রতিরক্ষাপ্রধানের হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

ভারতের প্রতিরক্ষাপ্রধানের হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের পর উদ্ধার তৎপরতা। ছবি: সংগৃহীত

হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় পাঁচজনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। গুরুতর আহত দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াতের অবস্থা জানা যায়নি।

ভারতের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ তথা প্রতিরক্ষাপ্রধান বিপিন রাওয়াতকে বহনকারী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে বিপিনের স্ত্রীসহ আরও ১৩ যাত্রী ছিলেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ঘটনায় পাঁচজনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। গুরুতর আহত দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি।

ভারতের বিমানবাহিনীর এক টুইটবার্তায় জানানো হয়, চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি বুধবার দিল্লি থেকে তামিলনাড়ুর সুলুরে যাচ্ছিল।

এমআই-১৭ভি৫ মডেলের হেলিকপ্টারটি রাশিয়ার তৈরি। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সেনা সূত্রে জানা যায়, হেলিকপ্টারে ৯ যাত্রী ও ৫ ক্রু ছিলেন। এদের মধ্যে তিনজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

বিপিনের অবস্থা কী, তা জানা যায়নি। হেলিকপ্টারটি বুধবার দুপুরেই সুলুর সেনাঘাঁটি থেকে ওয়েলিংটন সেনাঘাঁটিতে যাচ্ছিল।

৯ যাত্রীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। তারা হলেন বিপিন রাও, তার স্ত্রী মাধুলিকা রাওয়াত, ব্রিগেডিয়ার এলএস লিড্ডের, লেফটেন্যান্ট কর্নেল হারজিন্দার সিং, নায়েক গুরসেবক সিং, নায়েক জিতেন্দ্র কুমার, ল্যান্সনায়েক বিবেক কুমার, ল্যান্সনায়েক বি সাই তেজা, হাবিলদার সাত পাল।

ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, পাহাড়ের ঢালে হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। ধোঁয়া ও আগুনের মধ্যে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।

২০১৯ সালের জানুয়ারিতে ভারতের প্রথম চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব নেন ৬৩ বছর বয়সী জেনারেল বিপিন রাওয়াত। ভারত সরকারের সেনা সম্পর্কিত নতুন বিভাগের প্রধান হিসেবেও নিয়োগ দেয়া হয় তাকে।

আরও পড়ুন:
কঠিন সময়েও সেবাতেই নজর আফগান মিডওয়াইফদের
জাতিসংঘে তালেবান রাষ্ট্রদূত চায় না আফগান নারীরা
সাংবাদিকদের ফের মারধর তালেবানের
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গচ্ছিত ৯০০ কোটি ডলার পাবে না তালেবান
আত্মঘাতী হামলাকারীদের পরিবারকে পুরস্কৃত করছে তালেবান

শেয়ার করুন

সু চির কারাদণ্ড কমাল জান্তা

সু চির কারাদণ্ড কমাল জান্তা

অং সান সু চি। ছবি: বিবিসি

সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি ‘এনএলডি’ দলের অন্যতম নেতা ও ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টকেও একই অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি করা হয় এবং তাকেও একই সাজা দেয়া হয়। তাদের বর্তমানে কোথায় রাখা হয়েছে তা জানা যায়নি।

‘গণ অসন্তোষে উসকানি’ এবং ‘কোভিডবিধি ভাঙার’ অভিযোগে মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চিকে দেয়া চার বছরের কারাদণ্ড কমিয়ে দুই বছর করা হয়েছে।

সোমবার মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানানো হয়, দেশটির সামরিক বাহিনী দ্বারা নিযুক্ত সরকার প্রধানের আংশিক ক্ষমার ভিত্তিতে সু চির কারাদণ্ড কমানো হয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে বন্দি সু চির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, সরকারি গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনসহ ১১টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম মামলায় দুই অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি ‘এনএলডি’ দলের অন্যতম নেতা ও ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টকেও একই অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি করা হয় এবং তাকেও একই সাজা দেয়া হয়। তাদের বর্তমানে কোথায় রাখা হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে যেখানে আছেন, সেখানেই তারা সাজা ভোগ করবেন। তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হবে না বলে জানানো হয়েছে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সু চির নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। সেদিনই সু চি ও তার দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সু চিকে তখন থেকেই গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কঠিন সময়েও সেবাতেই নজর আফগান মিডওয়াইফদের
জাতিসংঘে তালেবান রাষ্ট্রদূত চায় না আফগান নারীরা
সাংবাদিকদের ফের মারধর তালেবানের
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গচ্ছিত ৯০০ কোটি ডলার পাবে না তালেবান
আত্মঘাতী হামলাকারীদের পরিবারকে পুরস্কৃত করছে তালেবান

শেয়ার করুন

ঝটিকা সফরে দিল্লিতে পুতিন

ঝটিকা সফরে দিল্লিতে পুতিন

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরে পুতিন বলেন, ‘আমরা ভারতকে একটি মহান শক্তি ও এক বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে দেখি। সময়ে সময়ে ভারত তার বন্ধুত্বের প্রমাণ দিয়েছে। আমাদের দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক বাড়ছে এবং আমি ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছি।’

ভারত-চীন সম্পর্কে টানাপোড়েনের মাঝে ঝটিকা সফরে দিল্লি এসেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যায় ভারতে পৌঁছান পুতিন। দিল্লিতে পা রেখেই সোজা হায়দরাবাদ হাউসে চলে যান তিনি। সেখানে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। একাধিক দ্বিপক্ষীয় ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয় দুই নেতার।

প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সত্যিই আন্তরাষ্ট্রীয় বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে এক অনন্য এবং নির্ভরযোগ্য মডেল।’

পুতিন দিল্লি পৌঁছানোর আগেই ভারতের রাজধানীতে পৌঁছে গিয়েছিলেন রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোয়গু। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বসে সের্গেই ৫ হাজার কোটি টাকার একটি সামরিক চুক্তিও করেন তিনি।

দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সময় পুতিনকে মোদি বলেন, ‘কোভিডের কারণে যে প্রতিকূলতা তৈরি হয়েছে, তারপরও ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের বিকাশের গতিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমাদের বিশেষ এবং দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে।’

মোদি বলেন, গত কয়েক দশকে বিশ্ব অনেক মৌলিক পরিবর্তনের সাক্ষী থেকেছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে, কিন্তু ভারত ও রাশিয়ার বন্ধুত্ব একই রকম রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে উদ্যোগী রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও।

ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরে পুতিন বলেন, ‘আমরা ভারতকে একটি মহান শক্তি ও এক বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে দেখি। সময়ে সময়ে ভারত তার বন্ধুত্বের প্রমাণ দিয়েছে। আমাদের দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক বাড়ছে এবং আমি ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছি।’

নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘বর্তমানে, দুই দেশের পারস্পরিক বিনিয়োগ প্রায় ৩৮ বিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার দিক থেকে কিছুটা বেশি বিনিয়োগ আসছে। সামরিক ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে আমরা ভারতের সঙ্গে সহযোগিতার চুক্তিতে আবদ্ধ। আমরা ভারতে উৎপাদনের পাশাপাশি উচ্চ প্রযুক্তি তৈরি করি।’

সন্ত্রাসবাদ ও আফগান ইস্যু নিয়েও দুই দেশের রাষ্ট্রনেতাদের মধ্যে আলোচনা হয়। পুতিন বলেন, ‘স্বভাবতই, আমরা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত সবকিছু নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই, মাদক পাচার এবং সংগঠিত অপরাধের বিরুদ্ধেও লড়াইসহ সব কিছু নিয়েই আমরা উদ্বিগ্ন। সেদিক দিয়ে আমরা আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়েও যথেষ্ট উদ্বিগ্ন।’

খুব দ্রুতই ভারতীয় সেনার হাতে আসবে অত্যাধুনিক ক্ষমতাসম্পন্ন একে-২০৩ রাইফেল। সোমবার সকালে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে প্রথমবারের টু প্লাস টু বৈঠকে এ বিষয়ে চুক্তি সই হয়েছে। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোয়গুর এই সাক্ষাতে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

৫০০০ কোটি টাকার এই চুক্তিতে মোটামুটি ৬ লাখ একে-২০৩ রাইফেল তৈরি হবে উত্তর প্রদেশের আমেথিতে। একই সঙ্গে এদিনের বৈঠকে আগামী ১০ বছরের জন্য অর্থাৎ ২০২১ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত ভারত ও রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সামরিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক চুক্তিপত্রেও সই করেন।

রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোয়গুর সঙ্গে বৈঠকে রাজনাথ সিং বলেন, ‘ভারত মহামারি, প্রতিবেশী অঞ্চলে অসাধারণ সামরিকীকরণ এবং অস্ত্র সম্প্রসারণ, ২০২০ সালের গ্রীষ্ম থেকে আমাদের উত্তর সীমান্তে কোনো উসকানি ছাড়াই আগ্রাসনের মতো অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।’

বৈঠকের পরই রাজনাথ সিং টুইটারে লেখেন, ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ এক বৈঠক হলো।’

একে-২০৩ রাইফেল ৭.৬২ X ৩৯ এমএম ক্যালিবারের সেই রাইফেল, যা পুরোনো রাইফেলের তুলনায় অনেক বেশি আধুনিক। এই রাইফেলের রেঞ্জ মোটামুটি ৩০০ মিটার। ওজনে খুবই হালকা অথচ অত্যন্ত মজবুত।

আরও পড়ুন:
কঠিন সময়েও সেবাতেই নজর আফগান মিডওয়াইফদের
জাতিসংঘে তালেবান রাষ্ট্রদূত চায় না আফগান নারীরা
সাংবাদিকদের ফের মারধর তালেবানের
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গচ্ছিত ৯০০ কোটি ডলার পাবে না তালেবান
আত্মঘাতী হামলাকারীদের পরিবারকে পুরস্কৃত করছে তালেবান

শেয়ার করুন

সু চির চার বছরের কারাদণ্ড

সু চির চার বছরের কারাদণ্ড

আদালতের কাঠগড়ায় অং সান সু চি। ছবি: এএফপি

ড. সাসা বলেন, ‘তিনি (সু চি) ঠিক নেই। মিলিটারি জেনারেল তাকে ১০৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা তাকে কারাগারেই মেরে ফেলতে চান।’

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চির চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির জান্তা সরকার নিয়ন্ত্রণাধীন আদালত।

‘গণ অসন্তোষে’ উসকানি ও করোনাভাইরাসের আইন ভাঙার দায়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আইনে এ সাজা দেয়া হয়েছে তাকে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, সু চির সঙ্গে একই অভিযোগে সমান চার বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে দেশটির ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তকেও।

৭৬ বছর বয়সী সু চির বিরুদ্ধে দেশটির জান্তা সরকার বিভিন্ন অভিযোগে এক ডজনের বেশি মামলা করেছে। যদিও সু চি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

সু চির বিরুদ্ধে প্রায় ১০ মাসে ঔপনিবেশিক আমলের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘন, দুর্নীতি, প্রতারণা, করোনাভাইরাস মহামারিকালীন বিধিনিষেধ উপেক্ষা, অবৈধ ওয়াকিটকি আমদানিসহ কমপক্ষে ১২টি মামলা করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী।

সব শেষ তার বিরুদ্ধে হেলিকপ্টার কেনা ও ভাড়া দেয়ায় দুর্নীতির অভিযোগে একটি মামলা করে সেনা সরকার।

চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির সেনাবাহিনী; আটক করে শান্তিতে নোবেলজয়ী সু চি, প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তসহ অনেককে।

তখন থেকেই সু চিকে বন্দি করে রাখে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। তবে সু চিকে কবে, কখন এবং আদৌ কারাগারে নেয়া হবে কি না সে সম্পর্কে জানা যায়নি।

তাদের গ্রেপ্তারের পর থেকেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে নজিরবিহীন বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে মিয়ানমার। বিক্ষোভ দমনে কঠোর হয় সেনাবাহিনী।

নিজের বিরুদ্ধে আনা সামরিক সরকারের এসব মামলার বিরুদ্ধে সু চি লড়াই করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন নতুন গঠন করা ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্টের এক মুখপাত্র।

এই সরকারে রাখা হয়েছে গণতন্ত্রপন্থি নেতা ও সমর্থকদের। এ ছাড়া সমমনা আরও কিছু দলের নেতারাও এই সরকারের হয়ে কাজ করছে।

সে সরকারের মুখপাত্র ড. সাসা বলেন, ‘তিনি (সু চি) ঠিক নেই। মিলিটারি জেনারেল তাকে ১০৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা তাকে কারাগারেই মেরে ফেলতে চান।’

গত বছর নির্বাচনে এনএলডি ভূমিধ্বস জয় পাওয়ার পর সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ক্ষমতা কেড়ে নেয়।

এ পর্যন্ত দেশটিতে ১ হাজার ২০০ এর বেশি মানুষকে হত্যা এবং ১০ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স।

বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব সু চি। তাই দেশটিতে সামরিক শাসন অব্যাহত রাখতে সু চিকে সারা জীবনের জন্য রাজনীতি থেকে উৎখাত করতে চায় সেনাবাহিনী। ফলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই এসব মামলা দিয়ে শাস্তি দেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
কঠিন সময়েও সেবাতেই নজর আফগান মিডওয়াইফদের
জাতিসংঘে তালেবান রাষ্ট্রদূত চায় না আফগান নারীরা
সাংবাদিকদের ফের মারধর তালেবানের
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গচ্ছিত ৯০০ কোটি ডলার পাবে না তালেবান
আত্মঘাতী হামলাকারীদের পরিবারকে পুরস্কৃত করছে তালেবান

শেয়ার করুন

ব্লাউজ নিয়ে ঝগড়ায় স্ত্রীর ‘আত্মহত্যা’

ব্লাউজ নিয়ে ঝগড়ায় স্ত্রীর ‘আত্মহত্যা’

প্রতীকী ছবি

দর্জি স্বামী পছন্দের ব্লাউজ বানাতে না পারায় তার প্রতি বিরক্ত ছিলেন বিজয়ালক্ষ্মী নামে ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী। বিষয়টি নিয়ে ঝগড়া করার পর শয়নকক্ষে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার স্কুলগামী দুটি সন্তান রয়েছে।

স্বামী পেশায় দর্জি। অথচ স্ত্রীর জন্য মনমতো ব্লাউজ বানাতে পারেননি। এই নিয়ে ঝগড়া। এর জেরে ‘আত্মহত্যা’ করে বসেছেন ওই নারী।

এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ভারতের হায়দরাবাদে আম্বারপেট এলাকার গোলানকা থিরু মালা নগরে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, দর্জি স্বামী পছন্দের ব্লাউজ বানাতে না পারায় তার প্রতি বিরক্ত ছিলেন বিজয়ালক্ষ্মী নামের ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী। বিষয়টি নিয়ে ঝগড়া করার পর শয়নকক্ষে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার স্কুলগামী দুটি সন্তান রয়েছে।

জীবিকার প্রয়োজনে বিজয়ালক্ষ্মীর স্বামী বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে শাড়ি ও ব্লাউজ সেলাই করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের কাপড়ও সেলাই করেন তিনি। শনিবার বিজয়ালক্ষ্মীর জন্য একটি ব্লাউজ সেলাই করেছিলেন। ব্লাউজটি পছন্দ হয়নি স্ত্রীর।

শুরু হয় ঝগড়া। বিজয়লক্ষ্মী তার ব্লাউজটি পুনরায় সেলাই করে দিতে স্বামীকে অনুরোধ করেছিলেন, কিন্তু তিনি রাজি হননি। এতে আরও ক্ষুব্ধ বিজয়লক্ষ্মী। পরে শিশুরা স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে শয়নকক্ষের দরজা বন্ধ দেখতে পায়। তারা নক করতে থাকে, কিন্তু কোনো সাড়া মেলেনি।

বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত বাড়ি ফেরেন বিজয়লক্ষ্মীর স্বামী। দরজা ভেঙে স্ত্রীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান তিনি।

পরে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি পুলিশকে জানালে তারা এসে মরদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে, চলছে তদন্ত।

আরও পড়ুন:
কঠিন সময়েও সেবাতেই নজর আফগান মিডওয়াইফদের
জাতিসংঘে তালেবান রাষ্ট্রদূত চায় না আফগান নারীরা
সাংবাদিকদের ফের মারধর তালেবানের
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গচ্ছিত ৯০০ কোটি ডলার পাবে না তালেবান
আত্মঘাতী হামলাকারীদের পরিবারকে পুরস্কৃত করছে তালেবান

শেয়ার করুন