ব্রিটিশ এমপি হত্যায় মুসলিম আটক

ব্রিটিশ এমপি হত্যায় মুসলিম আটক

ইংল্যান্ডের একটি গির্জায় স্থানীয়দের সঙ্গে বৈঠকের সময় ছুরির আঘাতে আহত হন ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা ডেভিড অ্যামেস। ফাইল ছবি

এসেক্সে আটকের দুইদিন পর সন্ত্রাসবাদ আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে আলিকে। বর্তমানে তাকে লন্ডন থানায় রাখা হয়েছে। আগামী শুক্রবার পর্যন্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ।

ইংল্যান্ডে ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা ডেভিড অ্যামেস হত্যাকাণ্ডে আটক মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ গঠন করেছে পুলিশ। গির্জার ভেতরে শুক্রবারের ওই হামলার পরই আটক হন ২৫ বছর বয়সী আলি হারবি আলি।

লন্ডন পুলিশ শুক্রবার জানায়, প্রাথমিক তদন্তে আলি ইসলামিক উগ্রবাদে আগ্রহী বলে প্রমাণ মিলেছে। তিনি সোমালি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কয়েক বছর আগে যুক্তরাজ্যের সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ কর্মসূচির আওতায় আলির নাম ছিল। কিন্তু ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিভাগ এমআইফাইভের আনুষ্ঠানিক সন্দেহভাজনের তালিকায় কখনও ছিলেন না তিনি।

উগ্রবাদ প্রতিরোধে পরিচালিত কর্মসূচিতে আলির নাম থাকলেও খুব বেশি দিন প্রশিক্ষণ নেননি তিনি।

কাদের এ প্রশিক্ষণ দেয়া যেতে পারে, সুনির্দিষ্টভাবে সেসব ব্যক্তির নামের তালিকা করেন শিক্ষক, সুশীল সমাজের সদস্য, যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এনএইচএসের কর্মকর্তা ও অন্যান্যরা। তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে কি না এবং কীভাবে তাদের জীবনে হস্তক্ষেপ করা হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন পুলিশের স্থানীয় প্যানেল, সমাজকর্মী ও অন্য বিশেষজ্ঞরা।

এ কর্মসূচিতে যোগ দেয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় হয়ে থাকে এবং এতে তালিকাভুক্তি কোনো অপরাধমূলক নিষেধাজ্ঞা বা বাধ্যবাধকতা নয়।

পুলিশ জানিয়েছে, এসেক্সে আটকের দুইদিন পর সন্ত্রাসবাদ আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে আলিকে। বর্তমানে তাকে লন্ডন থানায় রাখা হয়েছে। আগামী শুক্রবার পর্যন্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ।

নিহত ডেভিড অ্যামেস ১৯৮৩ সাল থেকে সাউথএন্ড ওয়েস্ট আসনের প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন। লেই-অন-সি এলাকার বেলফেয়ার্স মেথডিস্ট চার্চে নিজ আসনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত এক বৈঠকে হামলার শিকার হন তিনি।

ছুরি দিয়ে কয়েকবার অ্যামেসকে আঘাত করে হামলাকারী। এতে গুরুতর আহত ৬৯ বছর বয়সী নেতা মারা যান ঘটনাস্থলেই, যদিও তাকে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছিল।

ঘটনাস্থল থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ব্রিটিশ রাজনীতিবিদদের ওপর হামলার ঘটনা বিরল হলেও নজিরবিহীন নয়। গত পাঁচ বছরে হামলায় নিহত দ্বিতীয় ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা ডেভিড অ্যামেস। এর আগে ২০১৬ সালের জুনে লেবার পার্টির আইনপ্রণেতা কো কক্সকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এবং গুলি করে হত্যা করা হয়।

২০১০ সালে লেবার পার্টিরই আরেক আইনপ্রণেতা স্টিফেন টিমসের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা হলেও প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি।

ডেভিড অ্যামেসক হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাজ্যে আইনপ্রণেতাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ব্রিটিশ আইনপ্রণেতাদের অনেকেই নিয়মিত নিজ নিজ আসনে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করেন এবং এসব বৈঠকে যে কেউ অংশ নিতে পারে।

আরও পড়ুন:
গির্জায় ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা ছুরিকাঘাতে নিহত

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মিশরে ফের চালু ৩০০০ বছর আগের রাজপথ

মিশরে ফের চালু ৩০০০ বছর আগের রাজপথ

ফারাওদের সময়ে এই রাজপথ ধরে যে ধরনের শোভাযাত্রা বের হতো, উদ্বোধনীর দিনে সেই আদলে আয়োজন করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

‘অ্যাভিনিউ অফ স্ফিংস’ নামের এই রাজপথটি সম্প্রতি জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে খুলে দেয়া হয়েছে। ফারাও যুগের রাজকীয় রথ এবং শত শত শিল্পীরা যে পথটি ব্যবহার করতেন সেটি খুঁড়ে বের করতে সময় লেগেছে কয়েক দশক।

মিশরের লাক্সর শহরে তিন হাজার বছর আগের একটি রাজপথ আবারও চালু করা হয়েছে।

‘অ্যাভিনিউ অফ স্ফিংস’ নামের এই পথটি সম্প্রতি জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে খুলে দেয়া হয়েছে।

ফারাও যুগের রাজকীয় রথ এবং শত শত শিল্পীরা যে পথটি ব্যবহার করতেন সেটি খুঁড়ে বের করতে সময় লেগেছে কয়েক দশক।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফারাওদের সময়ে প্রতিবছর এই সড়ক ধরে যে ধরনের শোভাযাত্রা বের হতো, উদ্বোধনীর দিনে সেই আদলে আয়োজন করা হয়েছে।

এই অনুষ্ঠানে যে সংগীত ব্যবহার করা হয় এর কথা নেয়া হয়েছে মন্দিরের দেয়ালের হায়ারোগ্লিফিকসে লেখা নানা গল্প থেকে।

মিশরে এখন চলছে করোনা মহামারি এবং নানা ধরনের রাজনৈতিক গোলমাল।

কিন্তু সরকার আশা করছে, এই নতুন দর্শনীয় স্থান দেশের মুখ থুবড়ে পড়া পর্যটন শিল্পকে চাঙ্গা করতে সাহায্য করবে।

আরও পড়ুন:
গির্জায় ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা ছুরিকাঘাতে নিহত

শেয়ার করুন

পৌরসভা ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় ফিরহাদ

পৌরসভা ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় ফিরহাদ

পশ্চিমবঙ্গের পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। ছবি: ফেসবুক

বাবুল সুপ্রিয়কে কলকাতার মেয়র প্রার্থী করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের জল্পনা ছিল। তবে শুক্রবারের প্রকাশিত তৃণমূলের কলকাতা পৌরসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকায় বাবুলের নাম নেই। ফলে পরিবহন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের নাম আবারও মেয়র প্রার্থী হিসেবে উঠে এসেছে।

এক ব্যক্তি এক পদ নীতি মেনে তৃণমূল এবার কলকাতা পৌরসভা ভোটের প্রার্থী দেবে এমনটাই কথা ছিল। তবে সব কথা পেরিয়ে রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমসহ ছয়জন বিধায়ককে পৌরসভা ভোটে প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

মেয়র পদ প্রার্থী ছাড়াই তৃণমূল তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। সম্প্রতি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, গায়ক, রাজনীতিক বাবুল সুপ্রিয়।

তাকে কলকাতার মেয়র প্রার্থী করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের জল্পনা ছিল। তবে শুক্রবারের প্রকাশিত তৃণমূলের কলকাতা পৌরসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকায় বাবুলের নাম নেই। ফলে পরিবহন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের নাম আবারও মেয়র প্রার্থী হিসেবে উঠে এসেছে।

এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘ভোটের পর কাউন্সিলররা বসে সেই সিদ্ধান্ত নেবেন। এখন থেকে কিছু ঠিক করা হচ্ছে না।’

১৪৪টি কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে ঘোষণা করেন তৃণমূল নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। ৮৭ জন বিদায়ী কাউন্সিলরকে প্রার্থী করা হয়েছে। ৩৯ জনকে বাদ দেয়া হয়েছে। এবারের প্রার্থীদের মধ্যে ৮০ জন পুরুষ ও ৬৪ জন মহিলা রয়েছেন। অন্যান্য দলকে ছাড়া হয়েছে ১৮টি আসন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে ২৩ জনকে প্রার্থী করা হয়েছে।

শুক্রবার প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের অন্যান্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে বৈঠক করেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর।

দীর্ঘ বৈঠকের পর তালিকা প্রকাশ করা হয়। ফিরহাদ হাকিম ছাড়া বিধায়ক দেবাশীষ কুমার, অতীন ঘোষ, দেবব্রত মজুমদার এবং সাংসদ মালা রায়কে এবার প্রার্থী করা হয়েছে কলকাতা পৌরসভার ভোটে।

বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন ১৯ ডিসেম্বর কলকাতা পৌরসভার দিন ঘোষণা করেছে। শুক্রবার সকালে প্রথমে বামফ্রন্ট তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে। এরপর সন্ধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে। বিজেপি এখনও তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি।

আরও পড়ুন:
গির্জায় ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা ছুরিকাঘাতে নিহত

শেয়ার করুন

আফগানিস্তানে লিথিয়ামের খনি খুঁজছে চীন

আফগানিস্তানে লিথিয়ামের খনি খুঁজছে চীন

ছবি: দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

চীন-আরব অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রচার কমিটির পরিচালক ইয়ো মিংগুই জানিয়েছেন, আফগান খনি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমেই চীনা বিশেষজ্ঞদের একটি দল দেশটিতে পৌঁছেছে।

বর্তমান বিশ্বের অপরিহার্য উপাদান লিথিয়াম। কারণ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে বৈদ্যুতিক শক্তিকে কাজে লাগাতে চাইছে মানুষ। অর্থাৎ তেল-কয়লার বদলে ব্যাটারিচালিত প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে পৃথিবী। আর এই ব্যাটারি তৈরি করতেই প্রয়োজন লিথিয়াম ধাতুটি। বলা হচ্ছে, দুষ্প্রাপ্য এই ধাতু এখন সোনার চেয়েও দামি।

তবে ভৌগলিক অবস্থান ও ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে আফগানিস্তানের মাটিতে মহামূল্যবান এই ধাতুটির বিপুল খনি থাকার সম্ভাবনা দেখছে চীন। ধারণা করা হচ্ছে, দেশটিতে কম করে হলেও এক ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের লিথিয়ামের মজুদ রয়েছে।

গ্লোবাল টাইমসের বরাতে পাকিস্তানি গণমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, অন্তত পাঁচটি চীনা কোম্পানি আফগানিস্তানে লিথিয়ামের খনি অনুসন্ধান করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। সম্প্রতি এসব কোম্পানির প্রতিনিধিদের একটি দল বিশেষ ভিসা নিয়ে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত আফগানিস্তানের মাটিতে পা রেখেছেন। তারা দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়ে লিথিয়ামের খনি অনুসন্ধান করবেন।

তবে, আফগানিস্তানে বর্তমান তালেবান সরকার যখন ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তখন এ ধরনের অনুসন্ধান কার্যক্রমকে কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণও মানছে চীনা কোম্পানিগুলো।

চীন-আরব অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রচার কমিটির পরিচালক ইয়ো মিংগুই বলেছেন, ‘আফগান খনি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমেই বিশেষজ্ঞ দলটির বিশেষ ভিসা নিশ্চিত হয়েছে।’

মিংগুই জানান, নিরাপত্তার গ্যারান্টি নিয়েই চীনা বিশেষজ্ঞরা এখন আফগানিস্তানে খনির অনুসন্ধান শুরু করেছে।

তিনি বলেন, ‘কেউ কেউ বিশ্বাস করেন, চীন এবং আফগানিস্তানের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ফলেই চীনা কোম্পানিগুলো তাদের অপারেশন চালানোর অনুমোদন পেয়েছে।’

আরও পড়ুন:
গির্জায় ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা ছুরিকাঘাতে নিহত

শেয়ার করুন

ইতালির নাগরিকত্ব পেলেন শরবত গুলা

ইতালির নাগরিকত্ব পেলেন শরবত গুলা

শরবত গুলা।

‘আফগান গার্ল’ শিরোনামে ১০ বছর বয়সী শরবতের সেই বিখ্যাত ছবিটি ১৯৮৪ সালে তুলেছিলেন ফটোগ্রাফার স্টিভ ম্যাককারি। যুদ্ধ কবলিত আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে শরবত সে সময় পাকিস্তানের পেশোয়ারে একটি শরণার্থী শিবিরে অবস্থান করছিলেন।

১৯৮৫ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের প্রচ্ছদে ছাপা হয় শরবত গুলার ছবি। ১০ বছর বয়সী শরবতের সেই ছবিটি নিয়ে সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এর কারণ তার বিরল সবুজ চোখ। ‘আফগান গার্ল’ শিরোনামে সেই ছবিটি দীর্ঘস্থায়ী আফগান যুদ্ধের প্রতীক হয়ে ওঠে। আলোচিত সেই আফগান নারীকে এবার নাগরিত্ব প্রদান করেছে ইতালি।

শুক্রবার রয়টার্সের বরাতে দ্য ওয়্যার জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘির দপ্তর থেকে শরবত গুলাকে নাগরিকত্ব প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

ইতালিয়ান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত আগস্টে তালেবানরা আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর দেশ ছেড়ে পালিয়েছিলেন শরবতও। পরে তিনি ইতালির রোমে অবস্থান নেন। তবে ঠিক কবে তিনি ইতালিতে পা রেখেছেন সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

‘আফগান গার্ল’ শিরোনামে ১০ বছর বয়সী শরবতের সেই বিখ্যাত ছবিটি ১৯৮৪ সালে তুলেছিলেন ফটোগ্রাফার স্টিভ ম্যাককারি। যুদ্ধ কবলিত আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে শরবত সে সময় পাকিস্তানের পেশোয়ারে একটি শরণার্থী শিবিরে অবস্থান করছিলেন। তাঁবুতে পরিচালিত শরণার্থীদের এক স্কুলে পড়তেন তিনি।

ইতালির নাগরিকত্ব পেলেন শরবত গুলা
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের প্রচ্ছদে শরবতের বিখ্যাত সেই ছবি।

ছবিটিতে শরবতের চমকপ্রদ সবুজ চোখ দুটিতে একইসঙ্গে ভয় এবং দুরন্তপনার এক অদ্ভুত সম্মিলন ঘটেছিল। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের কল্যাণে সারা বিশ্বে এই ছবিটি ছড়িয়ে পড়লেও শরবত গুলার অবস্থান শনাক্ত হয় ২০০২ সালে। সে সময় ১৮ বছর আগে তোলা ছবির মেয়েটিকে খুঁজে বের করতে ফটোগ্রাফার স্টিভ ম্যাককারি আবারও পাকিস্তান সফর করেন। শরবতকে খুঁজে পেয়ে তিনি তার ছবিটির কথা বলেন। কিন্তু নিজের ছবি যে এত বিখ্যাত হয়ে গেছে সে সম্পর্কে তখন পর্যন্ত কিছুই জানতেন না শরবত।

শৈশবে আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে পাকিস্তানে আশ্রয় নিয়ে টানা ৩৫ বছর সেই দেশেই ছিলেন শরবত। পরে ২০১৬ সালে জাল পরিচয়পত্র বহনের অভিযোগে পাকিস্তানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনার সূত্র ধরে, আফগানিস্তানের তখনকার প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি শরবতকে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ নেন এবং কাবুলের একটি ফ্ল্যাটে বসবাসের সুযোগ দেন। স্বামী মারা যাওয়ায় ছেলে-মেয়েদের নিয়ে সেখানেই বসবাস করছিলেন শরবত। কিন্তু তালেবানরা ক্ষমতায় ফিরে আসলে আবারও দেশ থেকে পালিয়ে অনিশ্চিত যাত্রা শুরু হয় তার।

আরও পড়ুন:
গির্জায় ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা ছুরিকাঘাতে নিহত

শেয়ার করুন

করোনার নতুন ধরনে এশিয়া-ইউরোপে অস্থিরতা

করোনার নতুন ধরনে এশিয়া-ইউরোপে অস্থিরতা

ফাইল ছবি।

বৈশ্বিক মহামারির দেড় বছর পর চলতি মাসেই করোনাকালীন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে ভারত। নতুন করে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা না দিলেও সব রাজ্যকে সাউথ আফ্রিকা ও অন্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো থেকে আগত ভ্রমণকারীদের নিবিড় স্বাস্থ্যপরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সীমান্ত নীতিমালা কঠোর করছে সিঙ্গাপুর, জাপান। তাইওয়ানে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলীয় দেশগুলো থেকে আসা ব্যক্তিদের ১৪ দিন সরকার পরিচালিত কোয়ারেন্টিন সেন্টারে থাকতে হবে।

করোনাভাইরাসের রূপ পরিবর্তিত নতুন ধরনে উদ্বেগ বাড়তে থাকার মধ্যেই সীমান্ত নীতি কঠোর করেছে এশিয়ার কয়েকটি দেশ। ছোঁয়াচে ভাইরাসটির বিস্তার নিয়ন্ত্রণে শুক্রবার থেকে সীমান্তপথে আসা-যাওয়ায় বিধিনিষেধ কঠোর করেছে ভারত, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশ।

সাউথ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনার নতুন ধরনটি টিকাপ্রতিরোধী- এমন শঙ্কায় আগেই আফ্রিকার ছয় দেশকে লাল তালিকাভুক্ত করেছে নতুন ভ্রমণ নীতি আরোপ করে যুক্তরাজ্য।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি সপ্তাহের শুরুতে চিহ্নিত নতুন ধরনটির বিষয়ে এখনও খুব বেশি তথ্য জানতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। কিন্তু এর খবরেই শুক্রবার বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের পুঁজিবাজারে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

বিশেষ করে তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দরপতন হয়েছে এশিয়ার পুঁজিবাজারগুলোতে; তেলের দামেও ধস নেমেছে তিন শতাংশের বেশি।

সাউথ আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়ার পর বি.ওয়ান.ওয়ান.ফাইভটুনাইন ভাইরাসটি বতসোয়ানা আর হংকংয়েও শনাক্ত হয়েছে।

সবশেষ শুক্রবার সুদূর ইসরায়েলেও ভাইরাসটি পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। মালাউই থেকে ভ্রমণ করে দেশে ফেরা এক নাগরিকের দেহে শনাক্ত হয়েছে ভাইরাসটি। বিদেশফেরত আরও দুইজনকে কোয়ারেন্টিনে রেখেছে ইসরায়েল।

যুক্তরাজ্যে ভাইরাসটি শনাক্ত না হলেও পূর্বসতর্কতা হিসেবে আগেই দেশটি সাউথ আফ্রিকা, নামিবিয়া, বতসোয়ানা, জিম্বাবুয়ে, লেসোথো ও ইসওয়াতিনিতে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করেছে লন্ডন। নতুন করে জারি করেছে হোটেল কোয়ারেন্টিন নীতিমালা।

একই নীতি গ্রহণ করতে যাচ্ছে জার্মানি, সিঙ্গাপুর আর জাপানও। সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শুক্রবার জানিয়েছে, সাউথ আফ্রিকাসহ আশপাশের দেশগুলো থেকে সিঙ্গাপুরে ভ্রমণ স্থগিত রাখা হবে। জাপান সরকারও এমন পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

বৈশ্বিক মহামারির দেড় বছর পর চলতি মাসেই করোনাকালীন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে ভারত। নতুন করে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা না দিলেও সব রাজ্যকে সাউথ আফ্রিকা ও অন্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো থেকে আগত ভ্রমণকারীদের নিবিড় স্বাস্থ্যপরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

তাইওয়ানে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলীয় দেশগুলো থেকে আসা ব্যক্তিদের ১৪ দিন সরকার পরিচালিত কোয়ারেন্টিন সেন্টারে থাকতে হবে।

নতুন ভ্যারিয়েন্ট মোকাবিলায় প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আহডার্ন।

আরও পড়ুন:
গির্জায় ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা ছুরিকাঘাতে নিহত

শেয়ার করুন

বিজেপি ঠেকাতে মমতার বাড়িতে বৈঠক

বিজেপি ঠেকাতে মমতার বাড়িতে বৈঠক

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি

জাতীয় স্তরে কীভাবে দলীয় সংগঠন মজবুত করা হবে, রাজ্যে রাজ্যে কীভাবে দলের ব্যাপক জনপ্রিয়তা তৈরি হবে, পাশাপাশি সদ্য জাতীয় স্তরের যে সমস্ত নেতা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন, তাদের কী দায়িত্ব দেয়া হবে, তাও ঠিক করা হবে সোমবারের বৈঠকে। তাছাড়া আসন্ন সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে তৃণমূল সাংসদরা কী ভূমিকা নেবেন সেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে ওই বৈঠকে।

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা, জাতীয় স্তরে লড়াইয়ের রণকৌশল নির্ধারণের পাশাপাশি নিজেদের সংগঠন মজবুত করার লক্ষ্যে সোমবার তৃণমূলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক বসছে।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে বসছে ওয়ার্কিং কমিটির এই বৈঠক। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ ওয়ার্কিং কমিটির ২১ সদস্যই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।

জাতীয় স্তরে কীভাবে দলীয় সংগঠন মজবুত করা হবে, রাজ্যে রাজ্যে কীভাবে দলের ব্যাপক জনপ্রিয়তা তৈরি হবে, পাশাপাশি সদ্য জাতীয় স্তরের যে সমস্ত নেতা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন, তাদের কী দায়িত্ব দেয়া হবে, তাও ঠিক করা হবে সেদিনের বৈঠকে। তাছাড়া আসন্ন সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে তৃণমূল সাংসদরা কী ভূমিকা নেবেন সেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে ওই বৈঠকে ।

গত কয়েক মাসে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সর্ব ভারতীয় স্তরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা। এদের মধ্যে রয়েছেন হরিয়ানার সাবেক প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অশোক তানোয়ার। তাকে ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তৃণমূলের মুখপত্রে জানানো হয়েছে, দলের বাকি নেতাদের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেয়া হবে ।

তৃণমূলে যোগ দিয়ে ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য পদ পেয়েছেন অটল বিহারী বাজপেয়ী মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলেইরো, অসমের সাবেক কংগ্রেস সাংসদ সুস্মিতা দেব তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তাকে তৃণমূল রাজ্যসভার সাংসদ করেছে। ফেলেইরোকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির পদ ও ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য পদ দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি তৃণমূল নেত্রীর দিল্লি সফরকালে বিজেপি সাংসদ কীর্তি আজাদ এবং সাবেক জেডিইউ সাংসদ পবন বর্মা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। মেঘালয়ের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা, উত্তরপ্রদেশের রাজেশপতি এবং ললিতেশ পতি এসেছেন । তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন নাফিসা আলি, লিয়েন্ডার পেজের মতো ব্যক্তিত্বরা।

এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস সর্বভারতীয় দল হিসেবে নিজেদেরকে তুলে ধরতে রণকৌশল তৈরির পাশাপাশি সদ্য তৃণমূলে যোগ দেয়া কয়েকজন শীর্ষ স্থানীয় নেতাকে সাংগঠনিক সদস্য পদ বা আমন্ত্রিত সদস্য করার সিদ্ধান্ত ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে নেয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

এদিকে শুক্রবার, কলকাতায় এসেছেন তৃণমূলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর। কলকাতা পৌর ভোটের প্রার্থী তালিকা নিয়ে বৈঠক করবেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। সোমবারের তৃণমূলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে প্রশান্ত কিশোরও থাকতে পারেন।

আরও পড়ুন:
গির্জায় ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা ছুরিকাঘাতে নিহত

শেয়ার করুন

মেঘালয় কংগ্রেসের ১১ বিধায়ক নিয়ে তৃণমূলে মুকুল সাংমা

মেঘালয় কংগ্রেসের ১১ বিধায়ক নিয়ে তৃণমূলে মুকুল সাংমা

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মেঘালয়ের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা। ছবি: জি নিউজ

তৃণমূলে যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে পূর্ব গারো পাহাড়ের প্রভাবশালী নেতা মুকুল সাংমা বলেন, ‘বিরোধীদের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই পারেন বিজেপিকে পর্যুদস্ত করতে। দেশের গণতন্ত্র ভূলুন্ঠিত হচ্ছে। কিন্তু কংগ্রেস মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করে বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারছে না। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আমরা কাজ করব।’

ভারতের মেঘালয় কংগ্রেস ছেড়ে ১১ জন বিধায়ক নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা।

বৃহস্পতিবার রাতের এই ঘটনার মধ্য দিয়ে মেঘালয়ের বিধানসভায় প্রধান বিরোধী দল হতে যাচ্ছে তৃণমূল।

কংগ্রেস নয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে বলে মনে করছেন দল ত্যাগ করা নেতারা।

তাদের তৃণমূলে যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে পূর্ব গারো পাহাড়ের প্রভাবশালী নেতা মুকুল সাংমা বলেন, ‘বিরোধীদের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই পারেন বিজেপিকে পর্যুদস্ত করতে।

‘দেশের গণতন্ত্র ভূলুন্ঠিত হচ্ছে। কিন্তু কংগ্রেস মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করে বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারছে না। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আমরা কাজ করব।’

২০১০ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন মুকুল সাংমা। বর্তমানে তিনি কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা। কংগ্রেস মেঘালয়ে বিরোধী দলের ভূমিকা পালনে ব্যর্থ বলে মনে করেন এই নেতা। বলেন, ‘দিল্লিকে জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। যোগ্য নেতৃত্ব খুঁজছিলাম, তাই তৃণমূলে যোগ দিলাম।’

মুকুল সাংমা বলেন, ‘একমাত্র তৃণমূলই বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষমতা রাখে। তাই এ পরিবারের সদস্য হতে পেরে আমি আপ্লুত।’

৬০ আসন বিশিষ্ট ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়ের বিধানসভায় ৪০ জন বিধায়ক নিয়ে জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ)। আর কংগ্রেস ১৮ জন বিধায়ক নিয়ে মেঘালয় বিধানসভার বিরোধী দলের ভূমিকায় ছিল।

মুকুল সাংমাসহ ১২ জন বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দেয়ায় কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৬ জনে। অন্যদিকে তৃণমূল নতুন করে পেয়েছে ১২ জন বিধায়ক। আসন সংখ্যার ভিত্তিতে এখন মেঘালয় বিধানসভায় বিরোধীদল তৃণমূল।

২০১৮ সালে মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনে লড়াইটা ছিল ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টি ও কংগ্রেসের মধ্যে। কিন্তু ৬০ আসন বিশিষ্ট মেঘালয় বিধানসভায় ২১ টি আসনে জয়লাভ করে একক বৃহত্তম দল হয়েও সরকার গঠন করতে পারেনি কংগ্রেস।

এনপিপি (ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টি) বিজেপির ২টি আসন আর আঞ্চলিক দলের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করে এনডিএ। আর বিরোধী দলের আসনে বসে কংগ্রেস। পরে তিনজন কংগ্রেস বিধায়ক শাসক শিবিরে যোগ দিলে কংগ্রেসের বিধায়ক কমে দাড়ায় ১৮ জনে।

এদিকে সর্ব ভারতে ক্রমশ শক্তি বৃদ্ধি করে চলছে তৃণমূল। কংগ্রেসের অন্দরে ফাটল ধরিয়ে ত্রিপুরা, আসাম, গোয়া, হরিয়ানার পর মেঘালয় থেকে বিধায়করা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছে।

এ সম্পর্কে বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাগড়ে সাংবাদিকদের জানান, সোনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের বৈঠকে ঠিক করা হয়, পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় কৃষিজাত সামগ্রী বিক্রির বিষয়ে সংসদে প্রশ্ন তোলা হবে।

একই সঙ্গে, বিজেপি বিরোধিতায় তৃণমূলসহ সব বিরোধীদলের সঙ্গে জোট বাঁধার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
গির্জায় ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা ছুরিকাঘাতে নিহত

শেয়ার করুন