টিকার ডোজ সম্পন্ন হলে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ ৮ নভেম্বর থেকে

টিকার ডোজ সম্পন্ন হলে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ ৮ নভেম্বর থেকে

ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (এফডিএ) অনুমোদিত এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) জরুরি ব্যবহারের তালিকাভুক্ত করোনার যে কোনো একটি টিকা গ্রহণ করলেই তাদের প্রবেশ করতে দেবে আমেরিকান প্রশাসন। নতুন নিয়মে ডব্লিউএইচও অনুমোদিত যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং চীনের সিনোভ্যাক ও সিনোফার্মের টিকা গ্রহণকারীরা নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন।

বিদেশি নাগরিকদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২০ মাসের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল হচ্ছে আগামী মাসে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার ডোজ সম্পন্ন করা ব্যক্তিদের জন্য ৮ নভেম্বর থেকে দরজা খুলছে দেশটি। ভ্রমণকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না। বিশ্বের ৩৩টি দেশের নাগরিকরা পাবেন এ সুবিধা।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সবশেষ হালনাগাদকৃত ভ্রমণ নীতিমালা প্রকাশ করে হোয়াইট হাউজ। এতে বলা হয়েছে যে, টিকা নেয়া থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আগের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ হতে হবে ভ্রমণেচ্ছু ব্যক্তিদের।

বৈশ্বিক মহামারি পরিস্থিতিতে করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে ২০২০ সালের মার্চে বিদেশি ভ্রমণকারীদের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। সবশেষ পদক্ষেপের ফলে সেসব নিষেধাজ্ঞার অবসান ঘটতে যাচ্ছে।

হোয়াইট হাউজের এক মুখপাত্র বলেন, ‘জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা মাথায় রেখেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এ নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলা হবে।’

করোনাকালীন বিদ্যমান বিধিনিষেধ অনুযায়ী কয়েকটি দেশে ভ্রমণের ১৪ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ নেই বিদেশি নাগরিকদের। এসব দেশের তালিকায় আছে যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশ, চীন, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইরান ও ব্রাজিল।

যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (এফডিএ) অনুমোদিত এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) জরুরি ব্যবহারের তালিকাভুক্ত করোনার যে কোনো একটি টিকা গ্রহণ করলেই তাদের প্রবেশ করতে দেবে আমেরিকান প্রশাসন।

নতুন নিয়মে ডব্লিউএইচও অনুমোদিত যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং চীনের সিনোভ্যাক ও সিনোফার্মের টিকা গ্রহণকারীরা নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন।

নতুন নিয়ম নিয়ে এরই মধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কারণ করোনার উচ্চ সংক্রমণে জর্জরিত ১৫০টি অন্য দেশের নাগরিকরা এখনও অবাধে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারছে।

বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় অনেক দেরিতে ভ্রমণ নীতিমালা শিথিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিষয়টি নিয়ে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক উত্তাপও দেখা দিয়েছিল ওয়াশিংটনের।

প্রতিবেশী কানাডা ও মেক্সিকোর ওপর থেকে মঙ্গলবার সীমান্তপথে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

তবে এ সিদ্ধান্ত কেবল পূর্ণ টিকা গ্রহণকারীদের ওপর প্রযোজ্য। টিকা না নেয়া ব্যক্তিদের ওপর সীমান্তপথে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

৪০০ টাকার খাবার কিনে পৌনে দুই লাখ টাকা বকশিশ

৪০০ টাকার খাবার কিনে পৌনে দুই লাখ টাকা বকশিশ

দ্য ওমাহা বেকারি। ছবি: ফেসবুক

বেলভিউ শহরের দ্য ওমাহা বেকারিতে কাজ করা প্রিস্টন রেইথ বলেন, ‘নিকোলাস নামের এক ব্যক্তি সম্প্রতি আমাদের এখানে আসেন। অর্ডার করেন দুটি টার্নওভার; যার মূল্য ৫ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪২৮ টাকা)। এই সেবার জন্য তিনি বকশিশ দেন ২০০০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৮৭ টাকা)।

রেস্টুরেন্টে খাবার খেয়ে বকশিশ দেয়ার প্রচলন বিশ্বের প্রায় সব জায়গায় রয়েছে। তবে সেই পরিমাণটা যদি হয় আকাশছোঁয়া, তবে অবাক না হয়ে উপায় নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন রাজ্যের একটি রেস্টুরেন্টে এমন ঘটনা ঘটেছে।

বেলভিউ শহরের দ্য ওমাহা বেকারিতে কাজ করা প্রিস্টন রেইথ বলেন, ‘নিকোলাস নামের এক ব্যক্তি সম্প্রতি আমাদের এখানে আসেন। অর্ডার করেন দুটি টার্নওভার; যার মূল্য ৫ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪২৮ টাকা)। এই সেবার জন্য তিনি বকশিশ দেন ২০০০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৮৭ টাকা)।

দ্য ওমাহা বেকারি কর্তৃপক্ষ ফেসবুকে ওই রসিদটি শেয়ার করে। বকশিশের পুরো টাকা সব কর্মচারীর মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে জানান বেকারির মালিক মিশেল কায়সার।

৪০০ টাকার খাবার কিনে পৌনে দুই লাখ টাকা বকশিশ

তিনি বলেন, ‘ওই ক্রেতা বুঝতে পেরেছেন, মহামারির মধ্যে কঠিন সময় পার করছি সবাই। সাধারণ মানুষ হিমশিম খাচ্ছে। এ ছাড়া তিনি খেয়াল করেছিলেন, আমাদের কর্মীরা খুব আন্তরিক ও পরিশ্রমী।’

শেয়ার করুন

সেন্ট মার্টিন যেতে প্রস্তুত বে ওয়ান জাহাজ

সেন্ট মার্টিন যেতে প্রস্তুত বে ওয়ান জাহাজ

গত ডিসেম্বরে কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেডের তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রাম-সেন্ট মার্টিন রুটে বে ওয়ান চালু হলেও করোনা মহামারির কারণে গত মার্চে অপারেশন বন্ধ রাখা হয়। এবার নতুন উদ্যমে চালু হলেও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ভাড়া ১৭ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

চট্টগ্রাম-সেন্ট মার্টিন রুটে পর্যটকবাহী বে ওয়ান জাহাজ আবারও চলাচল শুরু হচ্ছে।

পতেঙ্গার ১৫ নম্বর ঘাট থেকে বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় পর্যটক নিয়ে বে ওয়ান জাহাজটি ছেড়ে যাবে সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে। ফিরবে শনিবার।

এরপর ডিসেম্বর থেকে শুক্র, শনি ও রোববার নতুন সূচিতে পুরোদমে জাহাজটি চলাচল করবে।

বে ওয়ানের মালিক কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আবদুর রশিদ এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিভিন্ন কাউন্টার ছাড়াও টিকিট অনলাইনে পাওয়া যাবে। জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৪ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকায় চেয়ার, কেবিন ও ভিভিআইপি স্যুটে পর্যটকরা আকর্ষণীয় সব সেবা পাবেন। এক ট্রিপে ১ হাজার ৮০০ পর্যটক নেয়ার সক্ষমতা আছে বে ওয়ানের।

তিনি বলেন, ‘আমাদের কর্ণফুলী এক্সপ্রেস নিয়মিত সেন্ট মার্টিন রুটে যাতায়াত করছে। আমাদের বে ওয়ান জাপান, সিঙ্গাপুরসহ বিদেশেও যেতে পারবে। এটি আরও তিন বছর চলতে পারবে। তবে চলাচলের বিষয়টি জাহাজের কন্ডিশনের ওপর নির্ভর করে। নতুন জাহাজের মতো কন্ডিশন আমাদের বে ওয়ানের।’

গত ডিসেম্বরে কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেডের তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রাম-সেন্ট মার্টিন রুটে বে ওয়ান চালু হলেও করোনা মহামারির কারণে গত মার্চে অপারেশন বন্ধ রাখা হয়। এবার নতুন উদ্যমে চালু হলেও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ভাড়া ১৭ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

শেয়ার করুন

বেশি খাওয়ার অপরাধে নিষিদ্ধ

বেশি খাওয়ার অপরাধে নিষিদ্ধ

সে যখনই এখানে আসে, আমার অন্তত কয়েক শ ইউয়ান লস হয়। এমনকি সে এক বসাতে ২০ থেকে ৩০ বোতল সয়াদুধ খেয়ে ফেলে। আর যখন পর্ক ট্রটার্স খায়, মাংসভর্তি পুরো ট্রে একাই নিয়ে যায়। চিংড়ি খাওয়ার সময়ও এটা করে। মানুষ যেখানে দুই থেকে তিনটা তুলে নেয়, সেখানে পুরো ট্রে তার একারই লাগে।

চায়নার চাংশা শহরের হানদাদি রেস্টুরেন্টে ‘অল ইউ ক্যান ইট’ নামে একটি বুফে (নির্দিষ্ট টাকায় ইচ্ছামতো খাওয়ার ব্যবস্থা) চালু করা হয়। যেখানে ক্যাং নামক একজনকে সম্প্রতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কারণ তার অতিরিক্ত খাওয়ার ক্ষমতা।

অডিটি সেন্ট্রালের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ক্যাং মাত্রাতিরিক্ত শূকরের মাংস আর চিংড়ি মাছ খাওয়ার ফলে নাকি রেস্টুরেন্টটি প্রচুর টাকা লসের মুখে পড়েছে।

ক্যাং পেশাগতভাবে একজন ফুড ব্লগার। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রতিবেদকদের তিনি জানান- ‘আমাকে হানদাদি সি ফুড বার্বিকিউ বুফে থেকে ব্যান করা হয়েছে। কারণ আমি অন্য সাধারণ কাস্টমারদের থেকে বেশি খেতে পারি। আমি স্বীকার করছি, যখন প্রথম ওই রেস্টুরেন্টে যাই তখন দেড় কেজি পর্ক ট্রটার্স (শূকরের মাংস দিয়ে তৈরি এক ধরনের খাবার) এবং দ্বিতীয়বার প্রায় সাড়ে ৩ থেকে ৪ কেজি চিংড়ি খেয়েছিলাম। এর পরপরই ওরা আমাকে ব্যান করে দেয়। আমার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে।'

যদিও প্রথমে এই পুরো বক্তব্যটিই রেস্টুরেন্টের মালিক অস্বীকার করেন।

এ ছাড়া টিভিতে দেয়া এক ইন্টারভিউতে ক্যাং খুবই মন খারাপ করে বলেন- ‘আমি অনেক খেতে পারি- এটা কি অপরাধ? আমি তো কখনও কোনো খাবার নষ্ট করিনি, শুধু বেশি খেয়েছি।'

পরবর্তীকালে স্থানীয় গণমাধ্যমের মুখোমুখি হওয়ার পর রেস্টুরেন্টের মালিক অবশ্য স্বীকার করেছেন- ‘হানদাদি সি ফুড বার্বিকিউ থেকে অতিরিক্ত খাওয়ার জন্য তাকে ব্যান করা হয়।'

তিনি আরও বলেন- ‘সে যখনই এখানে আসে, আমার অন্তত কয়েক শ ইউয়ান লস হয়। এমনকি সে এক বসাতে ২০ থেকে ৩০ বোতল সয়াদুধ খেয়ে ফেলে। আর যখন পর্ক ট্রটার্স খায়, মাংসভর্তি পুরো ট্রে একাই নিয়ে যায়। চিংড়ি খাওয়ার সময়ও এটা করে। মানুষ যেখানে দুই থেকে তিনটা তুলে নেয়, সেখানে পুরো ট্রে তার একারই লাগে।'

ক্যাং মূলত একজন মুকবাং স্ট্রিমার (যারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খাওয়াদাওয়ার ভিডিও প্রকাশ করে)। তিনি দর্শকদের প্রচুর খাবার খাওয়ার দক্ষতা দেখিয়ে বিনোদিত করে থাকেন।

ক্যাংয়ের ঘটনার পর অল ইউ ক্যান বুফের মালিক সমস্ত ফুড স্ট্রিমারকেই তার রেস্টুরেন্ট থেকে ব্যান করে দেন।

চায়নায় গত সপ্তাহে ক্যাংয়ের এই গল্প ভাইরাল হয়ে যায়। চায়নিজ মাইক্রো ব্লগিং সাইট উইবোতে ঘটনাটির প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ভিউ হয়। বেশির ভাগ ভিউয়ারই ক্যাংয়ের পক্ষে থাকেন। তাদের মত হলো- যদি খাওয়াতেই না পারবে তাহলে রেস্টুরেন্টটি এ রকম আয়োজন করল কেন? তাদের এখনই অল ইউ ক্যান ইট বুফে বন্ধ করা উচিত।

শেয়ার করুন

১১ মার্চ থেকে ৮ ঘণ্টা করে বন্ধ শাহজালালের রানওয়ে

১১ মার্চ থেকে ৮ ঘণ্টা করে বন্ধ শাহজালালের রানওয়ে

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে। ফাইল ছবি

বিমানবন্দরের নতুন হাই স্পিড ট্যাক্সিওয়ে নির্মাণকাজের জন্য দিনে ৮ ঘণ্টা করে ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ থাকবে।

১১ মার্চ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ ওঠানামা বন্ধ থাকবে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের এক নির্দেশে এ তথ্য জানানো হয়।

বিমানবন্দরে নতুন হাই স্পিড ট্যাক্সিওয়ে নির্মাণকাজের জন্য এ সময় ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে আদেশে।

বেবিচকের পূর্ববর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী, এ বছরের ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত তিন মাস শাহজালালের রাতের ফ্লাইটগুলো বন্ধ রাখা হয়।

ওই সময়সীমায় রাত ১২টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত রানওয়েতে সব ধরনের ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছিল বেবিচক।

নতুন করে আরও তিন মাসের জন্য নির্দেশনা জারি হওয়ায় কার্যত ১০ ডিসেম্বর থেকে ১০ জুন পর্যন্ত সময়সীমায় দিনের একটি বড় অংশই বন্ধ থাকবে দেশের প্রধান বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা।

এ সময় বিকল্প বিমানবন্দর হিসেবে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে কোনো ফ্লাইট ওসমানী বিমানবন্দরে অবতরণ করতে পারবে।

শেয়ার করুন

ওজন কমানোর ম্যাজিক ‘৫:২ ডায়েট’

ওজন কমানোর ম্যাজিক ‘৫:২ ডায়েট’

‘৫:২ ডায়েট’-এ সপ্তাহে পাঁচ দিন যে কোনো খাবার খেতে বাধা নেই। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

‘৫:২ ডায়েট’ হলো সময়সীমা বেঁধে দিয়ে প্রায় স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া চালিয়ে যাওয়ার একটি পদ্ধতি। এটি মেনে চললে সপ্তাহে পাঁচ দিন যা মন চায় তা-ই খাওয়া যাবে, তবে পরিমাণ মাত্রাছাড়া হওয়া চলবে না। আর সপ্তাহের বাকি দুদিন ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ হবে একেবারেই কম, মোটামুটিভাবে দিনে ৫০০ থেকে ৬০০ ক্যালরি।

দেহের ওজন কমাতে খাওয়া-দাওয়া বলতে গেলে ছেড়েই দিয়েছেন, এমন মানুষ আশপাশে অসংখ্য। তবে এতে লিকলিকে শরীর পেলেও স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেক, সেই সঙ্গে কম খাওয়ার অভ্যাসও ক্লান্তির।

যারা খাবার এবং ক্ষীণ-তনু দুটিই ভালোবাসেন, তাদের জন্য ভালো বন্দোবস্ত হতে পারে ‘৫:২ ডায়েট’।

গত দশকে বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই ‘৫:২ ডায়েট’। হাজার হাজার মানুষ অনুসরণ করছেন এই কৌশল।

‘৫:২ ডায়েট’ হলো সময়সীমা বেঁধে দিয়ে প্রায় স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া চালিয়ে যাওয়ার একটি পদ্ধতি। এটি মেনে চললে সপ্তাহে পাঁচ দিন যা মন চায় তা-ই খাওয়া যাবে, তবে পরিমাণ মাত্রাছাড়া হওয়া চলবে না। আর সপ্তাহের বাকি দুদিন ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ হবে একেবারেই কম, মোটামুটিভাবে দিনে ৫০০ থেকে ৬০০ ক্যালরি।

না খেয়ে ওজন কমানোর প্রচলিত কৌশলের চেয়ে এই ৫:২ ডায়েটে স্বাস্থ্যগত সুবিধা অনেক বেশি বলে দাবি করা হয়েছে বিভিন্ন গবেষণায়।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডনের গবেষকেরাও দাবি করেছেন, অন্য যেকোনো পদ্ধতির চেয়ে ৫:২ ডায়েট বেশি সহজ ও আকর্ষণীয়।

বিষয়টি পর্যবেক্ষণের জন্য দৈবচয়নের ভিত্তিতে স্থূলদেহী ৩০০ স্বেচ্ছাসেবককে বেছে নিয়েছিলেন কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডনের গবেষকেরা। এই ৩০০ জনকে তিনটি গ্রুপে ভাগ করে পুরো এক বছর পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

এর মধ্যে প্রথম ১০০ জনের জন্য এক দিনের একটি কর্মশালা পরিচালনা করা হয়, যেখানে দেহের ওজন কমানোর প্রচলিত পদ্ধতি নিয়ে পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এই ১০০ জনকে খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, ডায়েরিতে নিয়মিত খাবারের হিসাব লিখে রাখা, অপ্রয়োজনীয় স্ন্যাকস এড়ানোসহ বিভিন্ন টিপস দেয়া হয়।

অন্য ১০০ জনের দলটির নাম দেয়া হয়েছিল ‘স্ব-সহায়ক গ্রুপ’ বা সেলফ-হেল্প গ্রুপ। এই ১০০ জনকে আনা হয় ‘৫:২ ডায়েট’-এর আওতায়। তবে তাদের কেবল বিভিন্ন খাবারের পুষ্টিমানসহ বিভিন্ন বিবরণের পুস্তিকা এবং সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু অনলাইন লিংক দিয়েছিলেন গবেষকেরা। গ্রুপের সদস্যরা বিশেষ আর কোনো সহায়তা পাননি গবেষণার সময়সীমায়।

শেষ ১০০ জনও ৫:২ ডায়েট সম্পর্কে পরামর্শ ও বিভিন্ন নথি পেয়েছিলেন, তবে তাদের জন্য বাড়তি বরাদ্দ ছিল ছয় সপ্তাহের একটি বিশেষ সহায়তা সেশন। ওই সেশনে তারা গ্রুপের অন্য সদস্যদের সঙ্গে ডায়েট সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা এবং বিশেষজ্ঞদের বিভিন্ন প্রশ্ন করার সুযোগ পেয়েছিলেন।

এক বছর পর দেখা গেছে, ৩০০ স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে তৈরি তিনটি গ্রুপই কিছু না কিছু ওজন হারিয়েছে। তবে প্রচলিত ডায়েট অনুসরণ করা গ্রুপের ১৫ শতাংশ সদস্য শরীরের ওজন কমপক্ষে পাঁচ ভাগ হারান। ‘৫:২ ডায়েট’ অনুসরণ করা বাকি দুটি গ্রুপে কমপক্ষে পাঁচ ভাগ ওজন হারানো সদস্যদের হার ছিল এর চেয়ে বেশি।

‘স্ব-সহায়ক গ্রুপের’ ১৮ শতাংশ সদস্য এবং বিশেষ সেশনের সুবিধা পাওয়া গ্রুপের ২৮ ভাগ সদস্য এক বছরে হারিয়েছেন শরীরের পাঁচ ভাগ ওজন।

গবেষণায় দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারীরা শেষ পর্যন্ত ৫:২ ডায়েটকেই বেশি পছন্দ করেছেন এবং গবেষণা শেষেও নিজেদের জীবনে এই ডায়েট অনুসরণে আগ্রহ দেখিয়েছেন।

কুইন মেরি ইউনিভার্সিটির স্বাস্থ্য মনোবিজ্ঞানী কেটি মায়ার্স স্মিথ বলেন, ‘গবেষণাটির মাধ্যমে আমরা বাস্তবজীবনে সহজে মেনে চলার উপযোগী ৫:২ ডায়েটের কার্যকারিতা সম্পর্কে একটি ফলাফল উপস্থাপন করতে পেরেছি।

‘আমরা দেখেছি, ৫:২ ডায়েট ওজন কমানোর ক্ষেত্রে প্রথাগত পদ্ধতির বিশাল বড় কিছু না হলেও অনুসরণকারীরা এই কৌশলটিকে বেশি পছন্দ করেছেন। এর কারণ পদ্ধতিটি সহজ এবং বেশ আকর্ষণীয়।’

৫:২ ডায়েটিং প্রচলিত ওজন কমানোর বিভিন্ন পদ্ধতির তুলনায় চমকে ওঠার মতো ফল দিতে না পারলেও গবেষকেরা বলছেন, এটি মানুষের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য। আর তাই ওজন কমানোর যুদ্ধে নেমে যারা জীবনকে বিপন্ন করে তুলছেন, তাদের জন্য এটি স্বস্তি বয়ে আনতে পারে।

কুইন মেরি ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা তাদের নিবন্ধের উপসংহারে লিখেছেন, ‘দেহের ওজন ব্যবস্থাপনার পরামর্শ দানকারী চিকিত্সকেরা ৫:২ ডায়েট সুপারিশ করার কথা বিবেচনায় নিতে পারেন। কৌশলটি প্রচলিত পদ্ধতির চেয়ে অতি উচ্চতর না হলেও এটি অনেক সহজ এবং আকর্ষণীয়।’

শেয়ার করুন

‘ওয়ানগালা’ হলো গারো পাহাড়ে

‘ওয়ানগালা’ হলো গারো পাহাড়ে

ওয়ানগালা উৎসবে গারো সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এবার গারো পাহাড় এলাকার ঝিনাইগাতী উপজেলার মরিয়মনগর ও নালিতাবাড়ীর বারোমারী ধর্ম পল্লীতে উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। থক্কা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হয় এই উৎসব।

নবান্ন বা ওয়ানগালা উৎসব উদযাপন করেছেন গারো সম্প্রদায়ের মানুষ। এটি তাদের সাংস্কৃতিক ও কৃষ্টির অন্যতম প্রধান উৎসব।

রোববার শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড় এলাকায় ওয়ানগালা উৎসব সকালে শুরু হয়ে সারাদিন চলেছে।

এক সময় গারো পাহাড় এলাকার জুম চাষ বা নতুন ধান ঘরে উঠানোর সময় শস্য দেবতা ‘মিসি সালজং’কে উৎসর্গ করে ওয়ানগালা উৎসবের আয়োজন করা হতো। এই সম্প্রদায় বিশ্বাস করতো, তাদের শস্য দেবতা এক সময় তাদের পূর্বপুরুষদের হাতে কিছু শস্য দিয়ে বলেছিলেন, ‘তোমরা এটা রোপন করো, তাতে তোমাদের আহারের সংস্থান হবে এবং তোমরা যে শস্য পাবে তা থেকে সামান্য কিছু শস্য আমার নামে উৎসর্গ করবে।’

তবে বর্তমানে গারোরা খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত হওয়ায় তারা নতুন ফসল কেটে এখন যিশু খ্রিস্ট বা ঈশ্বরকে উৎসর্গ করে ওয়ানগালা পালন করেন।

এবার গারো পাহাড় এলাকার ঝিনাইগাতী উপজেলার মরিয়মনগর ও নালিতাবাড়ীর বারোমারী ধর্ম পল্লীতে উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। থক্কা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হয় এই উৎসব। এরপর প্রার্থনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে নাচ গানে মেতে ওঠেন উপস্থিত গারোরা। মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো জনপদ।

উৎসবে অনেকেই যোগ দেন তাদের ফসলের কিছু অংশ প্রভুর নামে উৎসর্গ করতে। আবার কেউ এসেছেন প্রভুর কাছে দয়া চাইতে।

উৎসবে উপস্থিত গারো শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তারা ভলো ফলাফলের আশায় প্রভুর কাছে এসেছেন। তাদের বিশ্বাস প্রভু আশির্বাদ করলে সবকিছুই ভালো হবে।

স্কুলছাত্রী অনন্যা ম্রং বলেন, ‘আমরা এসেছি ইশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে সামনের পরীক্ষায় যেন ভালো ফল করতে পারি।’

রাইছা নকরেক বলেন, ‘প্রভু আমাদের সবকিছুই দেন। তাই তার কাছে আমাদের ফসল উৎসর্গ করার জন্য ওয়ানগালা উৎসব করছি।’

দিওন ম্রং বলেন, ‘আমরা অনেক আনন্দ করছি। প্রভুর প্রতি আমরা খুব খুশি। উনি আমাদের ফসল দেন, খাবার দেন, পরিবারের সঙ্গে সবসময় থাকেন।’

শেরপুরের ঝিনাইগাতী মরিয়মনগর ধর্ম পল্লীর সাধারণ সম্পাদক অসিম ম্রং জানান, ওই ধর্মপল্লীতে ১৯৮৫ সাল থেকে ওয়ানগালা উৎসব পালন শুরু হয়।

শেরপুরের জেলা প্রশাসক মো. মোমিনুর রশীদ বলেন, ‘আমরা ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর যে কোনো কর্মকাণ্ডে সব ধরনের সহযোগিতা করে আসছি।’

শেয়ার করুন

মালদ্বীপে ডানা মেলল ইউএস-বাংলা

মালদ্বীপে ডানা মেলল ইউএস-বাংলা

ইউএস-বাংলার ঢাকা-মালে ফ্লাইটের উদ্বোধন উপলক্ষে শুক্রবার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। ছবি: নিউজবাংলা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল ভবনে ইউএস-বাংলার ঢাকা-মালে ফ্লাইট শুরুর আগে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী।

নিজেদের দশম আন্তর্জাতিক গন্তব্য মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে সরাসরি ফ্লাইট চালু করল ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।

১২৯ যাত্রী নিয়ে শুক্রবার সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে মালের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ে তাদের উড়োজাহাজ।

মালেতে যাত্রা শুরুর মধ্য দিয়ে প্রতি মাসে ১০ কোটি ইউএস ডলার আয় হবে বলে জানিয়েছে ইউএস-বাংলা।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল ভবনে ঢাকা-মালে ফ্লাইট শুরুর আগে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্লাইটের উদ্বোধন হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী।

এতে সভাপতিত্ব করেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন।

ওই সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিরুজিমাথ সামির ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (পরিচালন ও পরিকল্পনা) এয়ার কমোডর সাদিকুর রহমান চৌধুরী।

মালদ্বীপে ডানা মেলল ইউএস-বাংলা

ফ্লাইট চালুর বিষয়ে ইউএস-বাংলার এমডি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘দেশের যাত্রীদের সময় ও খরচকে প্রাধান্য দিয়ে ইউএস-বাংলা প্রতি মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বেলা ১১টা ১০ মিনিটে মালদ্বীপের রাজধানী মালের উদ্দেশে উড্ডয়ন করবে এবং স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে মালেতে অবতরণ করবে।

‘একই দিন বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে মালে থেকে উড্ডয়ন করে রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রতি শুক্রবার ঢাকা থেকে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে (ফ্লাইট) মালের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে এবং স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে মালেতে অবতরণ করবে। একই দিন বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে মালে থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসবে এবং রাত ৮টা ১৫ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করবে।

‘এ ছাড়া প্রতি রোববার ঢাকা থেকে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে মালের উদ্দেশে উড্ডয়ন করবে এবং স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে মালেতে অবতরণ করবে। একই দিন দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে মালে থেকে উড্ডয়ন করে সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বলেন, ‘মালদ্বীপে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে ইউএস-বাংলা আকাশপথে নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে। তাদের এই ফ্লাইটের মাধ্যমে বন্ধুপ্রতিম দুই দেশে শ্রমিকরা সহজে যাতায়াত করতে পারবে।

‘দুই দেশের সব যাত্রীর যাত্রা হবে সহজ ও আরামদায়ক। দুই দেশের পর্যটন শিল্পের প্রসারে এই ফ্লাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস আর থেমে থাকেনি। অভ্যন্তরীণ রুটের পাশাপাশি তারা নতুন নতুন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে উড়ছে।

‘আশা করছি সংস্থাটি তাদের সক্ষমতার মাধ্যমে দেশের এভিয়েশন মার্কেটের একটি বড় অংশ (যাত্রী) বহন করে দেশীয় এয়ারলাইন্স শিল্পের প্রবৃদ্ধি ঘটাবে।’

ভাড়া

প্রাথমিকভাবে ঢাকা-মালে রুটে সব ধরনের ট্যাক্স ও সারচার্জসহ ওয়ান ওয়ের ন্যূনতম ভাড়া ২৯ হাজার ৫০৮ টাকা। ফিরতি ভাড়া ৪৫ হাজার ৫৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

১৬৪ আসনের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ঢাকা থেকে মালেতে ফ্লাইট শুরু হবে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিমান বহরে ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ও ৭টি ব্র্যান্ড নিউ এটিআর ৭২-৬০০সহ ১৪টি আকাশযান আছে।

শেয়ার করুন