সৌদি আরবে ড্রোন হামলায় আহত ৩ বাংলাদেশি

সৌদি আরবে ড্রোন হামলায় আহত ৩ বাংলাদেশি

সৌদি আরবে বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশিসহ ১০ জন আহত হন। ছবি: আরব নিউজ

ইয়েমেন সীমান্তের কাছে সৌদির জাজান শহরে স্থানীয় সময় শুক্রবার শেষ রাতে ওই ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে মোট ১০ জন আহত হয়েছেন। বাকিদের মধ্যে ছয়জন সৌদির নাগরিক এবং একজন সুদানের নাগরিক।

সৌদি আরবের কিং আব্দুল্লাহ বিমানবন্দরে বিস্ফোরকবাহী ড্রোন হামলায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে আছেন তিন বাংলাদেশি।

ইয়েমেন সীমান্তের কাছে সৌদির জাজান শহরে স্থানীয় সময় শুক্রবার শেষ রাতে ওই ড্রোন হামলা চালানো হয়।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ড্রোন হামলায় আহতের মধ্যে সৌদির ছয় যাত্রী ও বিমানবন্দর কর্মী, বাংলাদেশের তিন এবং সুদানের এক শ্রমিক রয়েছেন।

আহত পাঁচজনের আঘাত গুরুতর নয়। বাকিদের অবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ওই হামলায় বিমানবন্দরেরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এসপিএ জানায়, সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে প্রথম হামলার পরের দিন শনিবার ভোরে আরেকটি ড্রোন হামলা চালানো হয়। দ্বিতীয় ড্রোন হামলা রুখে দেয়া হয়।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি বলেন, ইয়েমেন থেকে ছোড়া দুটি ড্রোন সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী গুলি করে বিধ্বস্ত করে।

তিনি বলেন, বিধ্বস্ত ড্রোন থেকে পড়া ধ্বংসাবশেষ যাত্রীসহ বিমানবন্দর কর্মীদের আহত করে। তবে তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।

হামলার দায় এখন পর্যন্ত কেউ স্বীকার করেনি। তবে সৌদি আরবে সাম্প্রতিক হামলায় ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের দায়ী করা হয়।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিরুদ্ধে লড়াই করছে হুতি বিদ্রোহীরা। ক্ষমতাচ্যুত সরকারকে ফের ক্ষমতায় বসাতে চাইছে সৌদি জোট।

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের হয়ে ২০১৫ সালে ইয়েমেন যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে সৌদি আরব।

আরও পড়ুন:
সৌদির মসজিদে ‘উগ্রবাদী বই’ নিষিদ্ধ
সৌদি কারাগারে বন্দি ৬০০ বাংলাদেশি, ফেরানোর উদ্যোগ
১৮ মাস পর বিদেশিদের ওমরাহর পথ খুলছে সৌদি
সৌদিতে গৃহকর্মী ভিসার আবেদন রোববার থেকে
সৌদি নারীদের হাতের মুঠোয় আকাশ জয়ের স্বপ্ন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বেঁচে থাকলে আর্মি অফিসার হতো রাসেল: প্রধানমন্ত্রী

বেঁচে থাকলে আর্মি অফিসার হতো রাসেল: প্রধানমন্ত্রী

শেখ রাসেল। ছবি: সংগৃহীত

শেখ হাসিনা বলেন, ‘কেউ যদি জিজ্ঞেস করতো তুমি (রাসেল) কি হবে? বলতো, আমি আর্মি হব। আর্মি অফিসার হবে এটাই তার জীবনের স্বপ্ন ছিল। কামালও মুক্তিযুদ্ধ করে ট্রেনিং নেয়। সেনা সদস্য ছিল, পড়ে রিজাইন করে। যেহেতু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতো, পড়াশোনা শেষ করতে সে চলে আসে। জামাল সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়। রাসেলেরও সেই আকাঙ্ক্ষা ছিল। তার সে স্বপ্ন কিন্তু আর পূরণ হয়নি।’

বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে রাসেলের আকাঙ্ক্ষা ছিল সেনা অফিসার হবে, কিন্তু ঘাতকের নির্মম বুলেটের আঘাতে তার সেই স্বপ্ন ভঙ্গ হয়। প্রথম শেখ রাসেল দিবসে ছোট ভাইয়ের আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হতে না পারার আক্ষেপ ঝড়ল শেখ হাসিনার কণ্ঠে।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সোমবার শেখ রাসেল দিবস ২০২১-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘কেউ যদি জিজ্ঞেস করতো তুমি (রাসেল) কি হবে? বলতো, আমি আর্মি হব। আর্মি অফিসার হবে এটাই তার জীবনের স্বপ্ন ছিল। কামালও মুক্তিযুদ্ধ করে ট্রেনিং নেয়। সেনা সদস্য ছিল, পড়ে রিজাইন করে। যেহেতু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতো, পড়াশোনা শেষ করতে সে চলে আসে। জামাল সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়।

‘রাসেলেরও সেই আকাঙ্ক্ষা ছিল। তার সে স্বপ্ন কিন্তু আর পূরণ হয়নি। আজকে হয়তো বেঁচে থাকলে সেনাবাহিনীর একজন অফিসার হতে পারত, কিন্তু সেটা আর হতে পারল না।’

১০ বছরের রাসেলকে কেন হত্যা করা হলো তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কারো জীবনে যেন এমন ঘটনা আর না ঘটে। একজন শিশুকে হত্যা মানে লাখো শিশুর জীবনে আশঙ্কা এসে যায়। আমার একটাই প্রশ্ন আসে, কেন? এই শিশুটির কি অপরাধ ছিল? আমার বাবার কি অপরাধ ছিল? বাংলাদেশ স্বাধীন করেছে এজন্য?

‘১৫ আগস্ট, আমার বাবাকে ক্ষমতার লোভে হত্যা করল। একই সাথে আমার মা, আমার ভাই কামাল-জামাল। তাদের স্ত্রী সুলতানা, রোজি। সবচেয়ে কষ্ট হলো রাসেল। বাবা মা ভাই সকলকে হত্যার পর সবারর শেষে রাসেলকে…। রাসেল মায়ের কাছে যাব বলে কান্নাকাটি করছিল। সেই রাসেলকে ভাই চাচা বাবা সকলের লাশ ডিঙিয়ে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।’

বক্তব্যে শেখ রাসেলকে নিয়ে নানা স্মৃতি বর্ণনা করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘একটা ছোট্ট শিশু, তার জীবনে তো অনেক স্বপ্ন থাকে। জীবনটাকে সে উপভোগ করতে চায়। জন্মের সময় থেকেই রাসেল আমাদের সকলের এত আদরের ছিল।

‘আমরা চারটি ভাইবোন, রাসেল আসার পরে পাঁচ ভাইবোন। আমরা রাসেলের জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করেছিলাম। আমাদের একটি ছোট্ট সোনামণি আসবে তাকে নিয়ে আমরা খেলব, তাকে বড় করব। রাসেলের যেদিন জন্ম হলো সেদিন থেকেই সে আমাদের সকলের চোখের মনি।’

তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে কষ্ট হয় যে রাসেল আসলে বাবার স্নেহ ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ৬৪ সালের অক্টোবরে রাসেলের জন্ম আমার বাবা বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছেন, বারবার তাকে কারাবরণ করতে হয়েছে। আমরা ছোটবেলা থেকেই বাবা কিছুদিন ঘরে তারপর জেলে। রাসেলের জন্মের পর ৬৬ সালে বাবা যখন ছয় দফা দিলেন তারপর তিনি সারা বাংলাদেশ ছুটে বেড়িয়েছেন।

‘ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি ছয় দফা দিলেন অল্প সময়ের মধ্যে মে মাসে তাকে গ্রেপ্তার করা হলো। সে সময় বাবাকে রাসেল খুব একটা কাছে পায়নি। তবুও যতটুকু সময় পেতেন আমার বাবা শিশুদের খুবই পছন্দ করতেন, আদর করতেন। রাসেলকে তিনি কোলেই রাখতেন, নিজের হাতে দুধ খাওয়াতেন শিশি ভরে। সেটা খুব অল্প সময়ের জন্য। এরপর তাকে গ্রেপ্তার করা হলো।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কারাগারে যেদিন দেখা করে আসতো রাসেল তখন কথা বলতে পারতো না, কিন্তু তার ভেতরের যে অস্থিরতা, মনের যে কষ্ট সেটা আমরা বুঝতে পারতাম। সে যখন কান্নাকাটি করতো আমাদের সব ভাইবোনকে ডাকতো আমরা সবাই তার সঙ্গে বসতাম। এভাবেই তার কষ্টটা সে চেপে রাখতো। রাসেল এভাবেই বড় হলো।

‘১৯৬৯ সালে যখন বাবা মুক্তি পেলেন তখন রাসেল কিছুতেই তার কাছছাড়া হতো চাইতো না। কিছুক্ষণ পরপরই আব্বাকে দেখে আসতো যে তিনি আছেন কি না।’

আরও পড়ুন:
সৌদির মসজিদে ‘উগ্রবাদী বই’ নিষিদ্ধ
সৌদি কারাগারে বন্দি ৬০০ বাংলাদেশি, ফেরানোর উদ্যোগ
১৮ মাস পর বিদেশিদের ওমরাহর পথ খুলছে সৌদি
সৌদিতে গৃহকর্মী ভিসার আবেদন রোববার থেকে
সৌদি নারীদের হাতের মুঠোয় আকাশ জয়ের স্বপ্ন

শেয়ার করুন

মণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগে অবরোধ

মণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগে অবরোধ

বিভিন্ন জেলার পূজামণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগ মোড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবরোধ। ছবি: নিউজবাংলা

অবরোধে যোগ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল শাহ বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গা নই, আমরা বাংলাদেশি। আমরা আমাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের অধিকার রাখি। আমাদের এই অধিকারে যারা হাত দিয়েছে, তাদের হাত আমরা ভেঙে দেব। আমরা এভাবে রাস্তা অবরোধ করতে চাইনি, কিন্তু আমাদের বাধ্য করা হয়েছে। যারা আমাদের কারণে যানজটে পড়ে আছে, তাদের কাছে আমরা ক্ষমা চাই।’

কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার পূজামণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবিসহ ৭ দফা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

রোববার সকাল ১০টা থেকে শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে শাহবাগ থেকে পল্টন, সায়েন্স ল্যাব, বাংলামোটর ও টিএসসি অভিমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলসহ বিভিন্ন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা টিএসসি এলাকায় জড়ো হন। সেখান থেকে তারা মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে আসেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গতকাল রাতে রংপুরের ঘটনার প্রতিবাদে শাহবাগ মোড়ে জগন্নাথ হলের ছাত্ররা অবস্থান নিয়েছে। যান চলাচল বেশ কিছুক্ষণ ধরে বন্ধ আছে। হলের প্রভোস্ট স্যারও আছেন।’

অবরোধে যোগ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল শাহ বলেন, ‘আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ। সকলের শরীরে একই রক্ত প্রবাহিত হয়। তাহলে এ ধর্মীয় উন্মাদনা কেন? সরকারের প্রতি আমাদের দাবি, এই সাম্প্রদায়িক হামলা বন্ধ করতে হবে। দ্রুত হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

‘আমরা রোহিঙ্গা নই, আমরা বাংলাদেশি। আমরা আমাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের অধিকার রাখি। আমাদের এই অধিকারে যারা হাত দিয়েছে, তাদের হাত আমরা ভেঙে দেব। আমরা এভাবে রাস্তা অবরোধ করতে চাইনি, কিন্তু আমাদের বাধ্য করা হয়েছে। যারা আমাদের কারণে যানজটে পড়ে আছে, তাদের কাছে আমরা ক্ষমা চাই।’

আরও পড়ুন:
সৌদির মসজিদে ‘উগ্রবাদী বই’ নিষিদ্ধ
সৌদি কারাগারে বন্দি ৬০০ বাংলাদেশি, ফেরানোর উদ্যোগ
১৮ মাস পর বিদেশিদের ওমরাহর পথ খুলছে সৌদি
সৌদিতে গৃহকর্মী ভিসার আবেদন রোববার থেকে
সৌদি নারীদের হাতের মুঠোয় আকাশ জয়ের স্বপ্ন

শেয়ার করুন

রংপুর, ফেনীর পুলিশ সুপারকে বদলি

রংপুর, ফেনীর পুলিশ সুপারকে বদলি

পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার সরকার ও খোন্দকার নুরুন্নবী। ছবি:সংগৃহীত

আদেশে রংপুরের পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার সরকারকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে বদলি করা হয়েছে। তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে পুলিশ অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক ফেরদৌস আলী চৌধুরীকে। এদিকে ফেনীর পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবীকে পুলিশ অধিদপ্তরে আর পুলিশ অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ফেনীর পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

রংপুর ও ফেনীর পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন ইউনিটের সাত কর্মকর্তাকে বদলির আদেশ জারি হয়েছে।

সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ দেয়া হয়েছে।

আদেশে রংপুরের পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার সরকারকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে বদলি করা হয়েছে। তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে পুলিশ অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক ফেরদৌস আলী চৌধুরীকে।

এদিকে ফেনীর পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবীকে পুলিশ অধিদপ্তরে আর পুলিশ অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ফেনীর পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

পাশাপাশি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার বিজয় বসাককে সিআইডির পুলিশ সুপার, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশার সঞ্জয় সরকারকে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে পুলিশ সুপার ও পুলিশ অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক সোহেল রানাকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।

সম্প্রতি রংপুর ও কুমিল্লা জেলায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা বেশি ঘটেছে। ফেসবুকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে রোববার রাতে রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকটি বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এর আগে কুমিল্লা শহরের একটি পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়ার ঘটনার পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় এসব সংঘর্ষ ঘটছে।

আরও পড়ুন:
সৌদির মসজিদে ‘উগ্রবাদী বই’ নিষিদ্ধ
সৌদি কারাগারে বন্দি ৬০০ বাংলাদেশি, ফেরানোর উদ্যোগ
১৮ মাস পর বিদেশিদের ওমরাহর পথ খুলছে সৌদি
সৌদিতে গৃহকর্মী ভিসার আবেদন রোববার থেকে
সৌদি নারীদের হাতের মুঠোয় আকাশ জয়ের স্বপ্ন

শেয়ার করুন

সরকারি সফরে দক্ষিণ কোরিয়ায় সেনাপ্রধান

সরকারি সফরে দক্ষিণ কোরিয়ায় সেনাপ্রধান

সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের চিফ অব স্টাফ জেনারেল ন্যাম ইয়ং শিনের আমন্ত্রণে সিউলে অনুষ্ঠেয় ইন্টারন্যাশনাল এরোস্পেস অ্যান্ড ডিফেন্স এক্সিবিশন-২০২১-এ অংশগ্রহণ করবেন সেনাপ্রধান।

সরকারি সফরে দক্ষিণ কোরিয়া গেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

দেশটির উদ্দেশে তিনি রোববার রাতে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের চিফ অব স্টাফ জেনারেল ন্যাম ইয়ং শিনের আমন্ত্রণে সিউলে অনুষ্ঠেয় ইন্টারন্যাশনাল এরোস্পেস অ্যান্ড ডিফেন্স এক্সিবিশন-২০২১-এ অংশগ্রহণ করবেন সেনাপ্রধান।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ০৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন সেনাপ্রধান জেনারেল শফিউদ্দিন আহমেদ। সফরকালে দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী, জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ, সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনী প্রধান এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

সাক্ষাৎকালে তিনি দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করবেন। সফর শেষে আগামী ২৩ অক্টোবর সেনাপ্রধান দেশে ফিরবেন।

আরও পড়ুন:
সৌদির মসজিদে ‘উগ্রবাদী বই’ নিষিদ্ধ
সৌদি কারাগারে বন্দি ৬০০ বাংলাদেশি, ফেরানোর উদ্যোগ
১৮ মাস পর বিদেশিদের ওমরাহর পথ খুলছে সৌদি
সৌদিতে গৃহকর্মী ভিসার আবেদন রোববার থেকে
সৌদি নারীদের হাতের মুঠোয় আকাশ জয়ের স্বপ্ন

শেয়ার করুন

শেখ রাসেলকে নিয়ে সংকলিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

শেখ রাসেলকে নিয়ে সংকলিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

‘শেখ রাসেল: শৈশবে ঝরে যাওয়া ফুল’ বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বইটি সম্পদনা করেছেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: টিভি ফুটেজ থেকে নেয়া

‘শেখ রাসেল: শৈশবে ঝরে যাওয়া ফুল’ বইয়ের সম্পাদক ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত লিখেছেন, ‘খুবই সংক্ষিপ্ত জীবন ছিল শেখ রাসেলের। তাকে নিয়ে তেমন কোনো লেখা বা তার জীবনযাপনের বিষয় নিয়ে কোনো তথ্যভিত্তিক বিশদ বর্ণনা পাওয়া যায় না। ছোট ভাই রাসেলকে নিয়ে সবচেয়ে তথ্যবহুল লেখাটি লিখেছেন তার বড় বোন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাসেলকে নিয়ে সেই স্মৃতিমধুর লেখায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হৃদয় খুঁড়ে খুঁটিনাটি বহু প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন।’

বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেলকে নিয়ে সংকলিত দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রথম শেখ রাসেল দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ‘শেখ রাসেল: শৈশবে ঝরে যাওয়া ফুল’ ও ‘শেখ রাসেল: দীপ্ত জয়োল্লাস, অদম্য আত্মবিশ্বাস’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের যৌথ এ আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক।

বিশেষ অতিথি ছিলেন শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান মো. রকিবুর রহমান, সংগঠনের উপদেষ্টা ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, তরফদার মো. রুহুল আমিন ও মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লা।

‘শেখ রাসেল: শৈশবে ঝরে যাওয়া ফুল’ বইটির প্রধান উপদেষ্টা যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল। বইটি সম্পাদনা করেছেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। আর বইটির উপদেষ্টা সম্পাদক বাংলাদেশ রোলার স্কেটিং ফেডারেশনের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ।

জয়ীতা প্রকাশনী থেকে বের হওয়া বই দুটির প্রকাশক ইয়াসিন কবীর জয়। প্রচ্ছদ ও গ্রন্থ পরিকল্পনা করেছেন শাহরিয়ার খান বর্ণ।

‘শেখ রাসেল: শৈশবে ঝরে যাওয়া ফুল’ বইয়ের সম্পাদক ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত লিখেছেন, ‘খুবই সংক্ষিপ্ত জীবন ছিল শেখ রাসেলের। তাকে নিয়ে তেমন কোনো লেখা বা তার জীবনযাপনের বিষয় নিয়ে কোনো তথ্যভিত্তিক বিশদ বর্ণনা পাওয়া যায় না। ছোট ভাই রাসেলকে নিয়ে সবচেয়ে তথ্যবহুল লেখাটি লিখেছেন তার বড় বোন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাসেলকে নিয়ে সেই স্মৃতিমধুর লেখায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হৃদয় খুঁড়ে খুঁটিনাটি বহু প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন।’

চৌধুরী নাফিজ সরাফাত আরও লিখেছেন, ‘শেখ রাসেলকে নিয়ে আরও একটি নিবিড় মমতামাখা রচনা থাকছে বোন শেখ রেহানার। শেখ রেহানা সে সময় বড় বোনের সঙ্গে জার্মানিতে ছিলেন। রাসেলেরও জার্মানিতে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সে সময় তার অসুখ করায় মা যেতে দিতে রাজি হননি। আহা, সে যদি সেদিন চলে যেত বোনদের সঙ্গে।’

বইটিতে শেখ রাসেলকে নিয়ে বিশিষ্ট কথাশিল্পী, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের কয়েকটি লেখাও সংকলিত হয়েছে বলে সম্পাদকীয়তে লিখেছেন ড. নাফিজ সরাফাত। তিনি লিখেছেন, ‘এই লেখাগুলোতে শিশু হত্যার বেদনা ও ঘাতকদের প্রতি ঘৃণাই প্রকাশিত হয়েছে। আর আছে সেই আক্ষেপ, আজ তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো দেশ, জাতি ও সমগ্র মানবসমাজের জন্যই অনেক তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখতে পারতেন।’

শেখ রাসেলকে নিয়ে সংকলিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

‘শেখ রাসেল: দীপ্ত জয়োল্লাস, অদম্য আত্মবিশ্বাস’ বইটির সম্পাদনা করেছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক। বইটির উপদেষ্টা সম্পাদক কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

১৯৬৪ সালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে জন্ম নেন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেল। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় ছোট শিশুটিকেও। ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল ও কলেজের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র রাসেলের বয়স তখন ছিল মাত্র ১০ বছর।

নির্মম সেই হত্যাকাণ্ডের ৪৬ বছর পর চলতি বছরের ২৩ আগস্ট মন্ত্রিসভা বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে শেখ রাসেলের জন্মদিনকে জাতীয় দিবসের স্বীকৃতি দেয়া হয়। মন্ত্রিসভা বৈঠকে ১৮ অক্টোবর শেখ রাসেলের জন্মদিনটি ‘শেখ রাসেল দিবস’ হিসেবে জাতীয়ভাবে পালনের অনুমোদন পায়।

দিনটি ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত করে জাতীয়ভাবে পালন করার নির্দেশ দেয়া হয় মন্ত্রিসভা থেকে। দিবসটি জাতীয়ভাবে পালনের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক।

সে হিসেবে এবারই প্রথম দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
সৌদির মসজিদে ‘উগ্রবাদী বই’ নিষিদ্ধ
সৌদি কারাগারে বন্দি ৬০০ বাংলাদেশি, ফেরানোর উদ্যোগ
১৮ মাস পর বিদেশিদের ওমরাহর পথ খুলছে সৌদি
সৌদিতে গৃহকর্মী ভিসার আবেদন রোববার থেকে
সৌদি নারীদের হাতের মুঠোয় আকাশ জয়ের স্বপ্ন

শেয়ার করুন

সারা দেশের স্কুলশিক্ষার্থীদের তথ্য চেয়েছে মাউশি

সারা দেশের স্কুলশিক্ষার্থীদের তথ্য চেয়েছে মাউশি

দেশে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা করোনা টিকার আওতায় আসবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে জানা যায়, ঢাকা মহানগরীর ৭৮৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬ লাখ ১৫ হাজার। আর সারা দেশে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থী আছে ১ কোটি ২৫ লাখ ২ হাজার ১২৬ জন।

করোনার টিকা দিতে ঢাকা মহানগর ব্যতীত সারা দেশের মাধ্যমিক স্কুলে অধ্যয়নরত ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের তথ্য চেয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

টিকা নিতে ২৭ অক্টোবরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের তথ্য মাউশির ই-মেইলে পাঠাতে হবে।

রোববার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ-সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, টিকা দেয়ার জন্য মাউশির আওতাধীন ঢাকা মহানগর ব্যতীত সব প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের তথ্য ছক আকারে আগামী ২৩ অক্টোবরের মধ্যে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ই-মেইলে পাঠাতে হবে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ২৫ অক্টোবরের মধ্যে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার ই-মেইল পাঠাবেন। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আগামী ২৭ অক্টোবরের মধ্যে মাউশির ই-মেইলে [email protected] পাঠাবেন।

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর এক নির্দেশনায় ঢাকা মহানগরের শিক্ষার্থীদের তথ্য চায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। ১৯ অক্টোবরের মধ্যে তাদের তথ্য মাউশির ই-মেইলে [email protected] পাঠাতে বলা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের ১৭ ডিজিটের জন্মনিবন্ধন নম্বর, নাম, লৈঙ্গিক পরিচয়, প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন, প্রতিষ্ঠানের নাম, জন্মতারিখ এবং অভিভাবকের ফোন নম্বর দিয়ে ইংরেজিতে এক্সেল শিট পূরণ করে ই-মেইলে তথ্য পাঠাতে হবে।

গত ১৪ অক্টোবর মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী ১০০ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষামূলকভাবে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমাদের দেশে ১ কোটির বেশি ছেলেমেয়ে আছে, যাদের আমরা টিকা দেব। প্রথম পর্যায়ে ৩০ লাখ শিক্ষার্থীকে টিকা দেব এবং পর্যায়ক্রমে বাকিদের দেয়া হবে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ফাইজারের টিকা ভালো ও নিরাপদ। এই টিকা আমেরিকা, ইউরোপসহ অন্যান্য দেশে দেয়া হচ্ছে। এ কারণে এই টিকা আমরা ছাত্রছাত্রীদের দিচ্ছি। আমরা চাই আমাদের শিশুরা নিরাপদে থাকুক।’

১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীর সংখ্যা কত

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, ঢাকা মহানগরীর ৭৮৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬ লাখ ১৫ হাজার। আর সারা দেশে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থী আছে ১ কোটি ২৫ লাখ ২ হাজার ১২৬ জন।

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। এর প্রায় দেড় বছর পর গত ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল-কলেজে ক্লাস শুরু হয়। তবে প্রতিদিন সব শ্রেণিতে ক্লাস হচ্ছে না।

শুধু চলতি বছর ও আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ক্লাস নেয়া হচ্ছে। বাকি শ্রেণিগুলোর মধ্যে তৃতীয়, চতুর্থ, অষ্টম, নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের দুই দিন এবং অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এক দিন ক্লাসে আসতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সৌদির মসজিদে ‘উগ্রবাদী বই’ নিষিদ্ধ
সৌদি কারাগারে বন্দি ৬০০ বাংলাদেশি, ফেরানোর উদ্যোগ
১৮ মাস পর বিদেশিদের ওমরাহর পথ খুলছে সৌদি
সৌদিতে গৃহকর্মী ভিসার আবেদন রোববার থেকে
সৌদি নারীদের হাতের মুঠোয় আকাশ জয়ের স্বপ্ন

শেয়ার করুন

শেখ রাসেল দিবসে মোড়ক উন্মোচন হচ্ছে দুটি বইয়ের

শেখ রাসেল দিবসে মোড়ক উন্মোচন হচ্ছে দুটি বইয়ের

‘শেখ রাসেল: দীপ্ত জয়োল্লাস, অদম্য আত্মবিশ্বাস’ বইটির সম্পাদনা করেছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়ে দ আহমেদ পলক। বইটির উপদেষ্টা সম্পাদক কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ‘শেখ রাসেল: শৈশবে ঝরে যাওয়া ফুল’ বইটির প্রধান উপদেষ্টা যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল। বইটি সম্পাদনা করেছেন ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। বইটির উপদেষ্টা সম্পাদক বাংলাদেশ রোলার স্কেটিং ফেডারেশনের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ।

প্রথম শেখ রাসেল দিবসে তাকে নিয়ে সংকলিত দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সোমবার শেখ রাসেল দিবস ২০২১-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘শেখ রাসেল: দীপ্ত জয়োল্লাস, অদম্য আত্মবিশ্বাস’ এবং ‘শেখ রাসেল: শৈশবে ঝরে যাওয়া ফুল’ নামের বই দুটির মোড়ক উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ এবং শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের যৌথ এ আয়োজনে সভাপতিত্ব করবেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বিশেষ অতিথি থাকবেন শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান মো. রকিবুর রহমান, সংগঠনের উপদেষ্টা ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, তরফদার মো. রুহুল আমিন এবং মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লা।

‘শেখ রাসেল: দীপ্ত জয়োল্লাস, অদম্য আত্মবিশ্বাস’ বইটির সম্পাদনা করেছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বইটির উপদেষ্টা সম্পাদক কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

‘শেখ রাসেল: শৈশবে ঝরে যাওয়া ফুল’ বইটির প্রধান উপদেষ্টা যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল। বইটি সম্পাদনা করেছেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। আর বইটির উপদেষ্টা সম্পাদক বাংলাদেশ রোলার স্কেটিং ফেডারেশনের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ।

জয়ীতা প্রকাশনী থেকে বের হওয়া বই দুটির প্রকাশক ইয়াসিন কবীর জয়। প্রচ্ছদ ও গ্রন্থ পরিকল্পনা করেছেন শাহরিয়ার খান বর্ণ।

‘শেখ রাসেল: শৈশবে ঝরে যাওয়া ফুল’ বইয়ের সম্পাদক ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত লিখেছেন, ‘খুবই সংক্ষিপ্ত জীবন ছিল শেখ রাসেলের। তাকে নিয়ে তেমন কোনো লেখা বা তার জীবনযাপনের বিষয় নিয়ে কোনো তথ্যভিত্তিক বিশদ বর্ণনা পাওয়া যায় না। ছোট ভাই রাসেলকে নিয়ে সবচেয়ে তথ্যবহুল লেখাটি লিখেছেন তার বড় বোন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাসেলকে নিয়ে সেই স্মৃতিমেদুর লেখায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হৃদয় খুঁড়ে খুঁটিনাটি বহু প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন।’

চৌধুরী নাফিজ সরাফাত আরও লিখেছেন, ‘শেখ রাসেলকে নিয়ে আরও একটি নিবিড় মমতামাখা রচনা থাকছে বোন শেখ রেহানার। শেখ রেহানা সে সময় বড় বোনের সঙ্গে জার্মানিতে ছিলেন। রাসেলেরও জার্মানিতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে সময় তার অসুখ করায় মা যেতে দিতে রাজি হননি। আহা, সে যদি সেদিন চলে যেত বোনদের সঙ্গে।’

বইটিতে শেখ রাসেলকে নিয়ে বিশিষ্ট কথাশিল্পী, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের কয়েকটি লেখাও সংকলিত হয়েছে বলে সম্পাদকীয়তে লিখেছেন ড. নাফিজ সরাফাত। তিনি লিখেছেন, ‘এই লেখাগুলোতে শিশু হত্যার বেদনা ও ঘাতকদের প্রতি ঘৃণাই প্রকাশিত হয়েছে। আর আছে সেই আক্ষেপ, আজ বেঁচে থাকলে হয়তো দেশ, জাতি ও সমগ্র মানবসমাজের জন্যই অনেক তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখতে পারত।’

১৯৬৪ সালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে জন্ম নেন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেল। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় ছোট শিশুটিকেও। ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল ও কলেজের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র রাসেলের বয়স তখন ছিল মাত্র ১০ বছর।

নির্মম সেই হত্যাকাণ্ডের ৪৬ বছর পর চলতি বছরের ২৩ আগস্ট মন্ত্রিসভা বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে শেখ রাসেলের জন্মদিনকে জাতীয় দিবসের স্বীকৃতি দেয়া হয়। মন্ত্রিসভা বৈঠকে ১৮ অক্টোবর শেখ রাসেলের জন্মদিনটি ‘শেখ রাসেল দিবস’ হিসেবে জাতীয়ভাবে পালনের অনুমোদন পায়।

দিনটি ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত করে জাতীয়ভাবে পালন করার নির্দেশ দেয়া হয় মন্ত্রিসভা থেকে। দিবসটি জাতীয়ভাবে পালনের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সে হিসেবে এবারই প্রথম দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
সৌদির মসজিদে ‘উগ্রবাদী বই’ নিষিদ্ধ
সৌদি কারাগারে বন্দি ৬০০ বাংলাদেশি, ফেরানোর উদ্যোগ
১৮ মাস পর বিদেশিদের ওমরাহর পথ খুলছে সৌদি
সৌদিতে গৃহকর্মী ভিসার আবেদন রোববার থেকে
সৌদি নারীদের হাতের মুঠোয় আকাশ জয়ের স্বপ্ন

শেয়ার করুন