ফরাসি আমলে ৫৬ লাখ আলজেরিয়ান হত্যা

ফরাসি আমলে ৫৬ লাখ আলজেরিয়ান হত্যা

ফরাসি আমলে ৫৬ লাখ মানুষ নিহত হয় বলে জানায় আলজেরিয়া। ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ সম্প্রতি দাবি করেন, আলজেরিয়ায় ফরাসি শাসনামলে হতাহতদের নিয়ে দেশটির ইতিহাস সত্যের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত নয়। বরং ফ্রান্সের প্রতি বিদ্বেষের জায়গা থেকে আলজেরিয়ার ইতিহাস রচিত হয়েছে।

আলজেরিয়ায় ১৩২ বছরের ফরাসি ঔপনিবেশিক আমলে ৫৬ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

আলজেরিয়া ও ফ্রান্সের মধ্যে ভিসাসংক্রান্ত জটিলতাসহ অন্যান্য কূটনৈতিক জটিলতা চলছে। এমন পরিপ্রেক্ষিতে আলজেরিয়া সরকারের পক্ষ থেকে ফরাসি শাসনামলে নিহতের সংখ্যা ফের তুলে আনা হলো।

আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় শনিবার এক বিবৃতিতে জানায়, ১৮৩০ সাল থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত ১৩২ বছরের ফরাসি শাসনে ৫৬ লাখের বেশি মানুষ নিহত হয়।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ সম্প্রতি দাবি করেন, আলজেরিয়ায় ফরাসি শাসনামলে হতাহতদের নিয়ে দেশটির ইতিহাস সত্যের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত নয়। বরং ফ্রান্সের প্রতি বিদ্বেষের জায়গা থেকে আলজেরিয়ার ইতিহাস রচিত হয়েছে।

মাখোঁর ওই বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হন আলজেরিয়ার জনগণ। এর পরপরই দেশটির প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের পক্ষ থেকে বিবৃতিটি দেয়া হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাখোঁ আমাদের ৫৬ লাখ ৩০ হাজার শহীদকে অপমান করেছেন।

‘আলজেরিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ফ্রান্সের অযাচিত হস্তক্ষেপ আমরা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করছি।’

বিবৃতিতে উল্লেখিত ৫৬ লাখ ৩০ হাজার নিহতের মধ্যে ১৯৫৪ সাল থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত আলজেরিয়ার স্বাধীনতা সংগ্রামে শহীদ ১৫ লাখ মানুষ রয়েছেন।

এ ছাড়া রয়েছেন আলজেরিয়ার মরুভূমিতে ফ্রান্সের পারমাণবিক পরীক্ষার পর পরিত্যক্ত খনি ও তেজস্ক্রিয়তায় নিহত ব্যক্তিরা।

ইতিহাসবিদ মোহাম্মদ আল-আমিন দ্য নিউ আরবকে বলেন, ‘আলজেরিয়া সরকারের ধারণা, ১৩২ বছরের ফরাসি ঔপনিবেশিক আমলে ১ কোটির কাছাকাছি মানুষ নিহত হতে পারে।’

ফ্রান্সের ইতিহাসবিদদের ভাষ্য, আলজেরিয়ার আট বছরের স্বাধীনতা যুদ্ধে উভয়পক্ষ থেকে চার লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে আলজেরিয়ার বিশেষজ্ঞদের দাবি, ওই সময় প্রায় ১৫ লাখ আলজেরিয়ান নিহত হন।

আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ঔপনিবেশিক বাহিনী ও তাদের অপরাধ কেউ ক্ষমা করবে না।’

গত সপ্তাহে একসময় ফ্রান্সের দখলে থাকা আলজেরিয়া, মরক্কো ও তিউনিসিয়ায় ভিসা সংখ্যা কমানোর ঘোষণা দেয় ফরাসি সরকার।

ওই ঘোষণার পর ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠায় আলজেরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ইরাক যুদ্ধের বিতর্কিত চরিত্র কলিন পাওয়েলের মৃত্যু

ইরাক যুদ্ধের বিতর্কিত চরিত্র কলিন পাওয়েলের মৃত্যু

ভুল তথ্যের ভিত্তিতে ইরাক যুদ্ধের সূচনার জন্য বিতর্কিত কলিন পাওয়েল। ছবি: নিউইয়র্ক টাইমস

সাধারণ সেনা থেকে আশির দশকে তৎকালীন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের শাসনামলে হন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নিরাপত্তা উপদেষ্টা। এরপর নব্বইয়ের দশকের শুরুতে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ হার্বার্ট ওয়াকার বুশের শাসনামলে দেশের সর্বকনিষ্ঠ ও প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান হিসেবে দায়িত্ব নেন জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান হিসেবে।

মারা গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ পররাষ্ট্রমন্ত্রী কলিন লুথার পাওয়েল। করোনাভাইরাস পরবর্তী জটিলতায় সোমবার মৃত্যু হয় তার। তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কলিন পাওয়েলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে তার পরিবার।

বিবৃতিতে বলা হয়, করোনা প্রতিরোধী টিকার ডোজ সম্পন্ন করা ছিল পাওয়েলের। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের সামরিক হাসপাতাল ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিক্যাল সেন্টারে চিকিৎসা নিয়ে সেরেও উঠেছিলেন তিনি।

সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে জীবনের চারটি দশক ব্যয় করেছেন কলিন পাওয়েল। শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা, কূটনীতিক, প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

বিংশ শতাব্দীর শেষ ও একবিংশ শতাব্দীর শুরুর কয়েক বছরে রিপাবলিকান সরকারের আমেরিকান পররাষ্ট্রীয় নীতির কাঠামো সংস্কারের কৃতিত্ব দেয়া হয় তাকে।

তবে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপে ভূমিকার জন্যও বিতর্কিতও পাওয়েল। ২০০৩ সালে জাতিসংঘে তার ভাষণের মধ্য দিয়েই ইরাক যুদ্ধের পথ উন্মুক্ত হয়েছিল।

সেনাবাহিনীতে থাকাকালীন ৩৫ বছরে অনেক নতুন ধারণার উদ্ভব ঘটিয়েছিলেন পাওয়েল। পেশাজীবনের শুরুতেই যোগ দেন ভিয়েতনাম যুদ্ধে।

সাধারণ সেনা থেকে আশির দশকে তৎকালীন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের শাসনামলে হন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নিরাপত্তা উপদেষ্টা। এরপর নব্বইয়ের দশকের শুরুতে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ হার্বার্ট ওয়াকার বুশের শাসনামলে দেশের সর্বকনিষ্ঠ ও প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান হিসেবে দায়িত্ব নেন জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান হিসেবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের শীর্ষ সামরিক পদ এটি।

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন জোটের অভিযান সফল হওয়ার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে বীরোচিত ভূমিকায় অবতীর্ণ হন পাওয়েল। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে দেশের সম্ভাব্য প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়েও অন্যতম প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন তিনি।

পাওয়েলের ভাবমূর্তিতে প্রথম কলঙ্কের দাগ লাগে বিংশ শতাব্দীতে। সে সময় প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন তিনি। তার ইশারাতেই জাতিসংঘে ভুল গোয়েন্দা তথ্য উপস্থাপনের ভিত্তিতে শুরু হয় ইরাক যুদ্ধ।

প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে শেষ পর্যন্ত আর নাম লেখাননি পাওয়েল। তবে তার সময় পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পদধারী কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান ছিলেন তিনি; প্রেসিডেন্টের উত্তরসূরী হিসেবে ছিলেন চতুর্থ অবস্থানে।

শেয়ার করুন

ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় ‘ধর্মগুরু’ রাম রহিমের যাবজ্জীবন

ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় ‘ধর্মগুরু’ রাম রহিমের যাবজ্জীবন

ভারতের কথিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের বিরুদ্ধে হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত। ছবি: ডেরা সাচ্চা সওদা

প্রায় ২০ বছর আগে রঞ্জিত সিংকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ২০০২ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রাম রহিমের আশ্রমের ব্যবস্থাপক ও তার অনুসারী ছিলেন রঞ্জিত। রাম রহিম নিজের যৌন লালসা চরিতার্থ করতে কীভাবে নারীদের অসহায়ত্বের সুযোগ নেন, সে বর্ণনা সম্বলিত একটি বেনামী চিঠি ছড়িয়েছিল সে সময়। সিবিআইয়ের অভিযোগপত্রে বলা হয়, চিঠিটি রঞ্জিত লিখেছেন বলে সন্দেহের বশবর্তী হয়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন ও নির্দেশ দিয়েছিলেন রাম রহিম নিজেই।

হত্যা মামলায় ভারতের কথিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংসহ পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে হরিয়ানার একটি আদালত।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাম রহিমের আশ্রম ডেরা সাচ্চা সওদার ব্যবস্থাপক রঞ্জিত সিং হত্যার মামলায় সোমবার রায় দেয় আদালত। রায়ে সাজা দেয়া হয় ডেরার প্রধান রাম রহিম ও তার আরও চার সহযোগীকে।

দণ্ডপ্রাপ্ত বাকিরা হলেন কৃষাণ লাল, জসবীর সিং, অবতার সিং ও সাবদিল।

রাম রহিমকে ভারতীয় মুদ্রায় ৩১ লাখ রুপি জরিমানাও করেছে আদালত। সাজাপ্রাপ্ত বাকিদের মধ্যে সাবদিলকে দেড় লাখ, কৃষাণ ও জসবীরের প্রত্যেককে সোয়া এক লাখ করে এবং অবতারকে ৭৫ হাজার রুপি অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।

জরিমানা বাবদ আদায়কৃত অর্থের অর্ধেক পাবে নিহত রঞ্জিত সিংয়ের পরিবার।

প্রায় ২০ বছর আগে রঞ্জিত সিংকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ২০০২ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রাম রহিমের আশ্রমের ব্যবস্থাপক ও তার অনুসারী ছিলেন রঞ্জিত।

রাম রহিম নিজের যৌন লালসা চরিতার্থ করতে কীভাবে নারীদের অসহায়ত্বের সুযোগ নেন, সে বর্ণনা সম্বলিত একটি বেনামী চিঠি ছড়িয়েছিল সে সময়।

সিবিআইয়ের অভিযোগপত্রে বলা হয়, চিঠিটি রঞ্জিত লিখেছেন বলে সন্দেহের বশবর্তী হয়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন ও নির্দেশ দিয়েছিলেন রাম রহিম নিজেই।

চলতি মাসের শুরুতে হরিয়ানার পাঞ্চকুলায় কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরোর (সিবিআই) একটি বিশেষ আদালত অভিযুক্ত পাঁচজনের সবাইকে দোষী সাব্যস্ত করে। এ মামলায় অভিযুক্ত ষষ্ঠজনের গত বছর মৃত্যু হয়েছে।

হরিয়ানার রোহটাক জেলার সুনায়রা কারাগারে ২০১৭ সাল থেকে বন্দি আছেন ৫৪ বছর বয়সী রাম রহিম। দুই অনুসারীকে ধর্ষণের অপরাধে ২০ বছরের সাজা ভোগ করছেন তিনি। সোমবারের রায় শুনানিতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশ নেন তিনি; আদালতে উপস্থিত ছিলেন বাকি চার অপরাধী।

আদালতের রায় সামনে রেখে নাশকতার আশঙ্কায় পাঞ্চকুলা ও সির্সা জেলায় কঠোর নিরাপত্তা জারি করে পুলিশ। সির্সা জেলায় রাম রহিমের আশ্রম ডেরা সাচ্চা সওদার প্রধান কার্যালয় অবস্থিত বলে সেখানে তার সমর্থক ও ভক্তরা সহিংস হয়ে উঠতে পারে বলে শঙ্কা প্রশাসনের।

২০১৭ সালে রাম রহিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণার জেরে সহিংসতায় অচল হয়ে পড়েছিল হরিয়ানা ও পাঞ্জাব রাজ্য। হরিয়ানায় সংঘাতে নিহত হয়েছিল কমপক্ষে ৩৬ জনের, আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ১১৮ কোটি রুপি।

ধর্ষণের অপরাধে ২০ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি সাংবাদিক রাম চন্দ্র ছত্রপতি হত্যার ঘটনাতেও যাবজ্জীবন দেয়া হয়েছে রাম রহিমকে।

শেয়ার করুন

মিয়ানমারে ৫,৬৩৬ অভ্যুত্থানবিরোধীকে মুক্তি দেবে সেনাবাহিনী

মিয়ানমারে ৫,৬৩৬ অভ্যুত্থানবিরোধীকে মুক্তি দেবে সেনাবাহিনী

মিয়ানমারের সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং। ফাইল ছবি

এএপিপির তথ্য অনুযায়ী, এখনও মিয়ানমারের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি প্রায় সাড়ে সাত হাজার বিক্ষোভকারী। তাদের মধ্যে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এক সাংবাদিক ড্যানি ফেনস্টারও। ২৪ মে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।

মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করায় গ্রেপ্তার পাঁচ হাজার ৬৩৬ জনকে মুক্তি দেবে সেনাবাহিনী। ফেব্রুয়ারির ওই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয় দেশটির বেসামরিক সরকার।

টার্কিশ রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশনের (টিআরটি) প্রতিবেদনে বলা হয়, সামনেই মিয়ানমারের ঐতিহ্যবাহী থাডিংইয়ুৎ ফেস্টিভ্যাল বা আলোকোৎসব। দিবসটি সামনে রেখে এ বিপুলসংখ্যক বন্দিকে মুক্তি দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সামরিক শাসকদলের প্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং।

বার্মিজ চন্দ্র বর্ষপঞ্জিতে থাডিংইয়ুৎ মাসে পূর্ণিমার দিন আলোকোৎসব উদযাপন করে মিয়ানমার। এ বছর ২০ অক্টোবর, অর্থাৎ দুইদিন পরই হবে উৎসবটি।

বুধবারের উৎসব উপলক্ষে মুক্তি পেতে যাওয়া বন্দিদের কারা অগ্রাধিকার পাবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি মিয়ানমারের সেনাপ্রধান।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ান মিয়ানমারের সেনাপ্রধানকে বাদ দিয়েই শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর আসে মিন অং হ্লাইংয়ের এ ঘোষণা। দেশের রাজনীতিতে রক্তক্ষয়ী অচলাবস্থা নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থতার অভিযোগে জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেয় আঞ্চলিক জোটটি।

১ ফেব্রুয়ারির সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকেই অরাজক পরিস্থিতি চলছে মিয়ানমারে। গণতান্ত্রিক সরকারকে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতে হওয়া বিক্ষোভ দমনে শক্তি প্রয়োগ করে সেনাবাহিনী, যাতে নিহত হয় প্রায় এক হাজার ২০০ জন বেসামরিক মানুষ।

স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্সের (এএপিপি) তথ্য অনুযায়ী, সেনা অভ্যুত্থানের বিরোধিতা করায় ফেব্রুয়ারি থেকে নয় হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

চলতি বছরের জুলাইয়ে মিয়ানমারের বিভিন্ন কারাগার থেকে দুই হাজার বিক্ষোভকারীকে মুক্তি দেয়া হয়। মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে সামরিক সরকারের সমালোচক অনেক সংবাদকর্মীও ছিলেন।

এএপিপির তথ্য অনুযায়ী, এখনও মিয়ানমারের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি প্রায় সাড়ে সাত হাজার বিক্ষোভকারী। তাদের মধ্যে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এক সাংবাদিক ড্যানি ফেনস্টারও। ২৪ মে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।

শেয়ার করুন

যৌনবৃত্তি বন্ধের অঙ্গীকার স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর

যৌনবৃত্তি বন্ধের অঙ্গীকার স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর

দেশে যৌনবৃত্তি অবৈধ করতে চান স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। ছবি: এএফপি

স্পেনের ভ্যালেন্সিয়া শহরে রোববার নিজের দল স্প্যানিশ সোশ্যালিস্ট ওয়ার্কার্স পার্টির তিন দিনের কংগ্রেস শেষে সমর্থকদের উদ্দেশে দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ যৌনবৃত্তি বন্ধের অঙ্গীকার করেন।

যৌনবৃত্তিকে ‘অবৈধ’ হিসেবে ঘোষণা দেয়ার অঙ্গীকার করেছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। এ পেশা নারীদের দাসে পরিণত করে বলে মন্তব্য তার।

দেশটির ভ্যালেন্সিয়া শহরে স্থানীয় সময় রোববার নিজের দল স্প্যানিশ সোশ্যালিস্ট ওয়ার্কার্স পার্টির তিন দিনের কংগ্রেস শেষে সমর্থকদের উদ্দেশে সানচেজ এসব বার্তা দেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৯৫ সালে যৌনবৃত্তিকে বৈধতা দেয় স্পেন। ২০১৬ সালে জাতিসংঘ জানায়, দেশটির যৌনশিল্পের মূল্য ৪.২ বিলিয়র ডলার।

২০০৯ সালের এক জরিপে জানা যায়, প্রতি তিনজনের একজন স্প্যানিশ পুরুষ সহবাসের জন্য অর্থ দেন।

জাতিসংঘের ২০১১ সালের এক গবেষণা বলছে, যৌনবৃত্তির কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে স্পেন। প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে থাইল্যান্ড ও পুয়ের্তোরিকো।

স্পেনে এ মুহূর্তে অবাধ যৌনবৃত্তির চর্চা হচ্ছে। জনপরিসরে যৌনকাজ না করলে স্বেচ্ছায় এতে অংশ নেয়া নারীদের শাস্তির বিধান দেশটিতে নেই।

অবশ্য যৌনকর্মী ও সম্ভাব্য ক্লায়েন্টের মধ্যে দালালি করা স্পেনে অবৈধ।

১৯৯৫ সালে বৈধতা পাওয়ার পর স্পেনে যৌনশিল্পের ব্যাপক বিকাশ হয়। দেশটিতে প্রায় তিন লাখ নারী বর্তমানে এ পেশার সঙ্গে যুক্ত।

২০১৯ সালে নির্বাচনি মেনিফেস্টোতে যৌনবৃত্তি অবৈধ হিসেবে ঘোষণা দেয়ার অঙ্গীকার করেছিল সানচেজের দল। নারী ভোট বেশি পেতে দলটি ওই অঙ্গীকার করে বলে মনে করা হয়।

ওই সময় সানচেজের সোশ্যালিস্ট পার্টি তাদের নির্বাচনি মেনিফেস্টোতে বলেছিল, নারী ও পুরুষের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অসমতার অন্যতম নিষ্ঠুরতম দিক হচ্ছে যৌনবৃত্তি। এ ছাড়া এটি নারীর প্রতি সহিংসতার সবচেয়ে জঘন্য রূপ।

নির্বাচনে সানচেজের দল জিতেছে দুই বছর হলো। এখন পর্যন্ত যৌনবৃত্তি বন্ধের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি দেশটির নীতিনির্ধারকদের মধ্যে।

শেয়ার করুন

দিল্লিতে এক দশকে রেকর্ড বৃষ্টি

দিল্লিতে এক দশকে রেকর্ড বৃষ্টি

ভারী বৃষ্টিতে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস

রোববার থেকে সোমবার ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সফদারজংয়ে ৮৫ মিলিমিটার ও পালামে ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। এক দশকে এটাই সর্বোচ্চ। এর আগে ১৯৫৪ সালে দিল্লিতে ১৭২.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়।

ভারতের রাজধানী দিল্লি ও এর আশপাশের এলাকায় ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে। এক দশকে এত বেশি বৃষ্টি এর আগে দেখেনি রাজধানীবাসী। সোমবার আরও বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

রাতভর টানা কয়েক ঘণ্টার প্রবল বর্ষণে দিল্লির বেশ কয়েকটি অঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে সোমবার সকাল থেকে সড়কে যান চলাচলে ছিল ধীরগতি। কয়েকটি এলাকার রাস্তা বন্ধ করে দেয় ট্রাফিক পুলিশ।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

ভারতের বেসরকারি আবহাওয়া পূর্বাভাস সংস্থা স্কাইমেট ওয়েদার সার্ভিসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দিল্লির দক্ষিণাঞ্চলীয় সফদারজং এলাকায় ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে।

রোববার থেকে সোমবার ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সফদারজংয়ে ৮৫ মিলিমিটার ও পালামে ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। এক দশকে এটাই সর্বোচ্চ। এর আগে ১৯৫৪ সালে দিল্লিতে ১৭২.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়।

আগামী দুই ঘণ্টায় দিল্লি ছাড়াও নয়ডা, গাজিয়াবাদ, বৃহত্তর নয়ডা, বারাউত, আগ্রা, হাথরাস, সনিপাত, গানাউর, গোহানা, সোহানা, ঝুনঝুনু ও পিলানি শহরে অল্প বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি)।

দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, পুলপ্রহলাদপুর আন্ডারপাসে ভারি বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণে এমবি রোড বন্ধ করা হয়েছে।

রোববারের ভারি বৃষ্টিতেও দিল্লির বেশ কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতা ও যানজটের সৃষ্টি হয়।

ওই দিন দিল্লির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শেয়ার করুন

প্রাণের সন্ধানে মঙ্গলে ঠিক জায়গাতেই পারসিভারেন্স

প্রাণের সন্ধানে মঙ্গলে ঠিক জায়গাতেই পারসিভারেন্স

মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব সন্ধানে ভুল জায়গায় পারসিভারেন্স নামেনি বলে জানান বিজ্ঞানীরা। ছবি: নাসা

নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, কীভাবে নদীর পানি হ্রদে এসে মিলিত হলো, পানিপ্রবাহ হঠাৎ কেন ধীর হয়ে গেল, পলি জমে কীভাবে ডেল্টার গঠন হলো, এসব বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য পেয়েছে পারসিভারেন্স।

মঙ্গল গ্রহে অতীতে কোনো প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কি না, তা খুঁজতে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে গ্রহটিতে নামে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসার পারসিভারেন্স রোভার।

প্রাচীন প্রাণের দেখা মিলবে এমন জায়গায় পারসিভারেন্স নেমেছিল কি না, তা নিয়ে কিছুটা দ্বিধা ছিল বিজ্ঞানীদের। তবে সম্প্রতি নাসার বিজ্ঞানীরা জানান, সঠিক জায়গাতেই রয়েছে পারসিভারেন্স। এ বিষয়ে আর কোনো সন্দেহ নেই।

গবেষকদের ভাষ্য, মঙ্গল গ্রহে রোভারটি এমন এক জায়গায় পাঠানো হয়েছে, যেখান থেকে প্রাচীন প্রাণের অস্তিত্ব পাওয়ার সবচেয়ে ভালো সম্ভাবনা রয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেব্রুয়ারির ১৯ তারিখে মঙ্গলের জেজেরো ক্রেটার স্পর্শ করে পারসিভারেন্স। এর পর থেকে ওই অঞ্চলের হাজার হাজার ছবি নাসাকে পাঠাচ্ছে রোভারটি।

সাড়ে তিন বিলিয়ন বছরের বেশি সময় আগে লাল গ্রহ মঙ্গলের জলবায়ু অনেক বেশি প্রাণবান্ধব ছিল। সে সময়ে গ্রহটিতে বিশাল হ্রদ ছিল বলে ধারণা বিজ্ঞানীদের।

তাদের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে পারসিভারেন্স এমনই এক বিশাল হ্রদে অবতরণ করেছে বলে নিশ্চিত নাসার বিজ্ঞানীরা। পশ্চিম দিকের কোনো এক আঁকাবাঁকা নদী থেকে হ্রদটিতে পানি আসত বলেও মন্তব্য তাদের।

নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, কীভাবে নদীর পানি হ্রদে এসে মিলিত হলো, পানিপ্রবাহ হঠাৎ কেন ধীর হয়ে গেল, পলি জমে কীভাবে ডেল্টার গঠন হলো, এসব বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য পেয়েছে পারসিভারেন্স।

তাদের ভাষ্য, মঙ্গলে ওই সময় এমন এক আবহাওয়া বিরাজ করত, যেখানে অণুজীবরা বেঁচে থাকতে পারত। পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে তাদের অস্তিত্ব একেবারে বিলীন হয়ে যায়নি।

যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক সঞ্জীব গুপ্ত বলেন, “মানুষজন আমাকে জিজ্ঞাসা করে, ‘পারসিভারেন্স তো সঠিক জায়গাতেই নেমেছে। এতে নতুন কী আছে? জেজেরো ক্রেটারের ডেল্টা সম্পর্কে আমরা কি আগে থেকে জানতাম না'?”

তিনি বলেন, ‘আমি তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, 'আমরা এ বিষয়ে নিশ্চিত ছিলাম না। কক্ষপথ থেকে তোলা ছবি দেখে আমাদের অনুমান ছিল, জেজেরো ক্রেটারে একটি ডেল্টা রয়েছে। কিন্তু মঙ্গলে নামার আগ পর্যন্ত এ বিষয়ে কীভাবে নিশ্চিত হই?

‘পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার জন্য পারসিভারেন্সকে মঙ্গলে পাঠানো জরুরি ছিল।’

শেয়ার করুন

পাকিস্তানে বিয়ের পরও এনআইডিতে রাখা যাবে বাবার নাম

পাকিস্তানে বিয়ের পরও এনআইডিতে রাখা যাবে বাবার নাম

পাকিস্তানি নারীরা এখন বিয়ের পর জাতীয় পরিচয়পত্রে বাবার নাম রাখতে পারবেন। ছবি: নিউ কানাডিয়ান মিডিয়া

সম্মেলনে নাদরার চেয়ারপারসন তারিক মালিক বলেন, ‘স্বামীর নাম রাখার বাধ্যতামূলক অনানুষ্ঠানিক ওই নীতি আমরা বাতিল করছি। জাতীয় পরিচয়পত্রে বিয়ের পর নারীরা বাবার নাম রাখবেন নাকি স্বামীর নাম রাখবেন- এ সিদ্ধান্ত এখন তাদের।’

জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) বিয়ের পর বাবার নাম ফেলে দিয়ে স্বামীর নাম রাখার নারীদের যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেখান থেকে সরে আসছে পাকিস্তান। নারীরা চাইলে এখন বিয়ের পরও জাতীয় পরিচয়পত্রে তাদের বাবার নাম রাখতে পারবেন।

পাকিস্তানের ন্যাশনাল ডাটাবেজ অ্যান্ড রেজিস্ট্রেশন অথরিটির (নাদরা) চেয়ারপারসন তারিক মালিক শুক্রবার ১৪তম বার্ষিক গ্রামীণ নারী সম্মেলনের শেষ অধিবেশনে এ ঘোষণা দেন।

সম্মেলনে মালিক বলেন, ‘স্বামীর নাম রাখার বাধ্যতামূলক অনানুষ্ঠানিক এই নীতি আমরা বাতিল করছি। জাতীয় পরিচয়পত্রে বিয়ের পর নারীরা বাবার নাম রাখবেন নাকি স্বামীর নাম রাখবেন- এ সিদ্ধান্ত এখন তাদের।

‘এ সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে নারীর, তার স্বামীর নয়।’

নাদরার চেয়ারপারসন মালিক বলেন, ‘জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে বিয়ের পর বাবার নাম বাদ দিয়ে স্বামীর নাম রাখার সংস্কৃতি নীতি বাস্তবায়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা করেছেন।

‘বিয়ের পর পরিচয়পত্রে স্বামীর নাম রাখতেই হবে- এমন কোনো কিছু আইনে বলা নেই। স্বামীর অনুমতি নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র হালনাগাদ করতে নারীদের বাধ্য করার কথাও কেউ বলেনি। তবে অনানুষ্ঠানিক এ নিয়ম আমাদের দেশে চলে আসছে।’

মালিক বলেন, ‘জাতীয় পরিচয়পত্র প্লাস্টিকের কোনো টুকরা নয়। এটি ভোট দেয়া, মামলা করা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলাসহ সব ধরনের সরকারি সুবিধা দিতে সহায়তা করে। এটি নারী ক্ষমতায়নের অন্যতম উৎস।’

মালিক রোববার ডনকে বলেন, ‘আগের নীতি অনুযায়ী, বিয়ের পর নারীদের জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বামীর নাম যুক্ত করা বাধ্যতামূলক।

‘নতুন নীতিতে নারীরা বিয়ের পর বাবার নামই রাখবেন নাকি এর জায়গায় স্বামীর নাম বসাবেন, এটা এখন তাদের ওপর নির্ভর করছে।

‘এমনকি বিয়ের পর নারীরা চাইলে জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজের নামের সঙ্গে স্বামীর নাম যুক্ত করতে পারবেন। তবে সে ক্ষেত্রে তার নিচে বাধ্যতামূলকভাবে তাদের বাবার নামও রাখতে হবে।’

‘এটি যুগান্তকারী এক পরিবর্তন। এটি জাতীয় পরিচয়পত্রকে ঘিরে নারীদের তাদের মর্জিমাফিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।’

শেয়ার করুন