× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Married to Rice Cooker
google_news print-icon

রাইস কুকারকে ‘বিয়ে’

রাইস-কুকারকে-বিয়ে
রাইস কুকারকে গত সপ্তাহে ‘বিয়ে’ করেন ইন্দোনেশিয়ার খয়রুল আনাম। ছবি: সংগৃহীত
বিয়ের পোস্টের শিরোনামে খয়রুল জানান, বাধ্য, ভদ্র, স্নেহশীল ও রান্নাবান্না ভালো করায় রাইস কুকারটিকে ‘বিয়ে’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

ইন্দোনেশিয়ার এক ব্যক্তি সম্প্রতি ‘বিয়ে’ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছেন।

প্রশ্ন উঠতে পারে, একজনের বিয়েতে এত আলোড়নের কী আছে? তিনি তো বিশ্বখ্যাত কেউ নন। চলচ্চিত্রের কোনো সুপারস্টারও নন। তা সত্ত্বেও সামাজিক মাধ্যমে তাকে ঘিরে এত আলাপ-আলোচনা কেন?

কারণ আর কিছুই নয়। খয়রুল আনাম নামের ওই ব্যক্তি কোনো নারীকে নয়, একটি রাইস কুকারকে ‘বিয়ে’ করেছেন।

ভাইস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০ সেপ্টেম্বর রাইস কুকারকে ‘বিয়ে’ করার পর এর ছবি নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেন খয়রুল।

এক ছবিতে দেখা যায়, গলায় ফুলের মালা এবং মাথায় টুপি ও ‘বিয়ের’ পোশাক পরিহিত ‘বর’ খয়রুলের পাশে বসা মাথায় সাদা রঙের ঘোমটা দেয়া ‘কনে’ রাইস কুকার।

আরেক ছবিতে রাইস কুকারকে চুমু দেন খয়রুল।

এ ছাড়া পোস্ট করা অন্য দুই ছবিতে দেখা যায়, এক ব্যক্তির মুখোমুখি বসে আছেন খয়রুল। সামনে নিচু টেবিলে কাগজপত্র ছড়ানো। পাশে সেই রাইস কুকার। অন্য পাশে এক কিশোর বসা। আরেক ছবিতে খয়রুল কাগজে সই করছেন।

ছবিগুলো দেখে যা বোঝা যাচ্ছে তা হলো, খয়রুলের পাশে বসা ওই ব্যক্তি ‘বিয়ের রেজিস্ট্রার’। ওই কিশোর ‘বিয়ের সাক্ষী’। আর খয়রুল ‘আনুষ্ঠানিকতার’ একপর্যায়ে ‘বিয়ের’ কাগজপত্রে সই করেন।

ফেসবুকে ছবিগুলোর শিরোনামে খয়রুল জানান, বাধ্য, ভদ্র, স্নেহশীল ও রান্নাবান্না ভালো করায় রাইস কুকারটিকে ‘বিয়ে’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

খয়রুলের ‘বিয়ের’ ছবি ও বক্তব্য ব্যাপক বিনোদন দেয় ফেসবুক ব্যবহারকারীদের। তার ‘বিয়ের’ পোস্টে প্রায় আট হাজার মানুষ লাইক বা অট্টহাসির প্রতিক্রিয়া দেন। ১ হাজার ৩০০ মানুষ কমেন্ট করেন। আর পোস্টটি শেয়ার হয় প্রায় ১০ হাজারবার।

রাইস কুকারকে ‘বিয়ে’

ফেসবুকে মানুষকে বিনোদন দিতে রাইস কুকারকে ‘বিয়ে’ করে মজা করেন খয়রুল।

অবশ্য ‘বিয়ের’ পর আরেকবার মানুষকে বিনোদন দেন তিনি। রাইস কুকার ‘বউকে বিয়ের’ চার দিনের মাথায় তালাক দেন তিনি।

খয়রুরেল অভিযোগ, এটি কেবল ভাত রান্না করতে পারে, আর কিছু রাঁধতে পারে না।

খয়রুরেল তালাকের কারণ শুনে ফের অট্টহাসিতে ফেটে পড়েন নেটিজেনরা।

ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, উদ্ভট ঠাট্টার মাধ্যমে বিনোদন দেয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ পরিচিত খয়রুল। তার ফলোয়ার সংখ্যাও কম নয়।

এবারও খয়রুলের ‘বিয়ে’ ও ‘তালাকের’ খবরে ব্যাপক মজা পান ফেসবুক ব্যবহারকারীরা।

আরও পড়ুন:
ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে আগুন, ৪১ মৃত্যু
সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ক জোরদারের আশা
জেগে উঠেছে জাভার মেরাপি আগ্নেয়গিরি
হিজাব পরে স্ত্রী পরিচয়ে বিমান ভ্রমণ, পরে আটক
ইন্দোনেশিয়ায় করোনায় টিকা নেয়া ১৪ চিকিৎসকের মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Rescue of rare species of Madantak in Natore

নাটোরে বিরল প্রজাতির মদনটাক উদ্ধার

নাটোরে বিরল প্রজাতির মদনটাক উদ্ধার ছবি: নিউজবাংলা
চলনবিলের দুর্গম এলাকা একদিলতোলা গ্রামে ধানখেতে এসে কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়ে পাখিটি। বিষয়টি বুঝতে পেরে পাখিটিকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান স্থানীয় কৃষক শান্তি ইসলাম। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা খাতুন ও চলনবিল জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সদস্যরা পাখিটিকে কৃষকের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেন।

নাটোরের সিংড়া অধ্যুষিত চলনবিল থেকে তিন ফুট উচ্চতার একটি বিরল ও বিপন্ন প্রজাতির মদনটাক পাখি উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে উপজেলার একদিলতোলা গ্রাম থেকে পাখিটিকে উদ্ধার করা হয়।

চলনবিল জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জানান, চলনবিলের দুর্গম এলাকা একদিলতোলা গ্রামে ধানখেতে এসে কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়ে পাখিটি। বিষয়টি বুঝতে পেরে পাখিটিকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান স্থানীয় কৃষক শান্তি ইসলাম। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা খাতুন ও চলনবিল জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সদস্যরা পাখিটিকে কৃষকের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেন।

এ সময় পাখি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হয়। পরে পাখিটিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন স্থানীয় পরিবেশকর্মীরা। বিপন্ন প্রজাতির পাখিটিকে রাজশাহী বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান সাইফুল ইসলাম।

নাটোরে বিরল প্রজাতির মদনটাক উদ্ধার

সিংড়ার ইউএনও মাহমুদা খাতুন বলেন, ‘চলনবিল জীববৈচিত্র্যের অফুরন্ত এক ভান্ডার। এই বিলে শীতকালে পাখ-পাখালির মেলা বসে। এটি খুবই নান্দনিক। এই বিলে জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির যে সংগঠন রয়েছে তাদের নিয়ে প্রশাসন সবসময় পাখি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা কাজ করছে; পাখি শিকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

বিরল প্রজাতির মদনটাক পাখিটি উদ্ধারের জন্য স্থানীয় কৃষকদের তিনি ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি পাখি রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় পরিবেশকর্মী শারফুল ইসলাম খোকন, আবু বকর সিদ্দিক ও জুয়েল রানাসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Guinness book by eating rice on chopsticks Barisals Nipa got the certificate

চপস্টিকে ভাত খেয়ে গিনেস বুকে: সনদ পেলেন বরিশালের নিপা

চপস্টিকে ভাত খেয়ে গিনেস বুকে: সনদ পেলেন বরিশালের নিপা চপস্টিক দিয়ে মিনিটে ২৭টি ভাত খেয়ে গত বছর রেকর্ড গড়েছিলেন বরিশালের নুসরাত জাহান নিপা। একই বছরের ডিসেম্বরে সনদ হাতে পান তিনি। কোলাজ: নিউজবাংলা
একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত নিপা বলেন, ‘প্রথম রেকর্ড করার পর মানুষ নানাভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাজে মন্তব্য করত, তবে সেসব কিছু পাত্তা না দিয়ে আমি আমার কাজ চালিয়ে গেছি।’

চপস্টিক দিয়ে একটি একটি করে মিনিটে ২৭টি ভাত খেয়ে গত বছর রেকর্ড গড়েছিলেন বরিশালের নুসরাত জাহান নিপা। তার এ কীর্তি জায়গা করে নেয় গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে।

ওই রেকর্ডের পর গত বছরের ডিসেম্বরে সনদ হাতে পান এ তরুণী। বিষয়টি জানাজানি হয় সম্প্রতি।

দুটি রেকর্ড করে গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছেন নিপা। প্রথমবার এক মিনিটে ৭১টি কয়েন দিয়ে টাওয়ার তৈরি করার রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। পরে চপস্টিক দিয়ে ভাত খেয়ে গড়েন রেকর্ড।

নিপার রেকর্ডগুলো সংরক্ষিত আছে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সাইটে।

এ বিষয়ে নিপা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘২০২২ সালে এক মিনিটে ৭১টি কয়েন দিয়ে টাওয়ার তৈরি করে বিশ্বরেকর্ড করেছিলাম। তখনও ইতালিকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ এবং এবারও ইতালির রেকর্ড ভাঙা হয়েছে।

‘এক মিনিটে ২৫টি ভাত খেয়ে ইতালির এক নাগরিক গিনেস ওয়ার্ল্ড বুকে রেকর্ড করেছিলেন। আর সেই রেকর্ডটি ভেঙেছি আমি। কয়েন দিয়ে বিশ্বরেকর্ডের থেকে চপস্টিক দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করাটা বেশ কঠিন ছিল।

‘অনেক প্র্যাকটিসও করতে হয়েছে, তবে এবার যাচাই-বাছাই শেষে সার্টিফিকেট পেতে অনেকটা সময় লেগেছে।’

একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত নিপা বলেন, ‘প্রথম রেকর্ড করার পর মানুষ নানাভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাজে মন্তব্য করত, তবে সেসব কিছু পাত্তা না দিয়ে আমি আমার কাজ চালিয়ে গেছি।

‘মূলত ইউটিউব দেখেই এসব ধারণা পেয়েছি। সামনে নতুন কিছু করার চেষ্টা করব। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইচ্ছা থাকলে সব হয়। যেমন: আমার খেলাধুলার বেশ শখ, তবে বরিশালে মেয়েদের জন্য তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই ঘরে বসেই বিশ্বে বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করার চেষ্টা করেছি। আমার শহরকে আমি রিপ্রেজেন্টে করার চেষ্টা করেছি।

‘দুইবার বিশ্বরেকর্ড গড়েছি। এতে করে বাংলাদেশ ও বরিশালের নাম উজ্জ্বল করেছি। অনেক ধরনের বাধা আসবে, তবে সেসব দিকে খেয়াল না দেয়াই ভালো। নারীরা কাজ করতে গেলে সমস্যাটা বেশিই থাকে।’

নিপা জানান, একটি রেকর্ড ২০২২ এবং অপরটি ২০২৩ সালের মার্চের দিকে করলেও সনদ পান গত বছরের ডিসেম্বরে।

বরিশাল নগরের কলেজ রোড এলাকার বাসিন্দা নুসরাত জাহান নিপা বরিশালের এআরএস স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও সরকারি মহিলা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। তিনি সরকারি ব্রজমোহন কলেজ থেকে রসায়নে অনার্স ও মাস্টার্স করেন।

আরও পড়ুন:
‘সন্তানকে বিষপান করিয়ে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা’
বরিশালে জামানত হারালেন ২৫ প্রার্থী
পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পর সাবেক এমপি আবুলসহ ৭ জন আটক
লুসির কণ্ঠে গান শুনলেন শেখ রেহানা
‘সন্ত্রাসী দল ছেড়ে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরেছে’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
It was very helpful to get this blanket for 5 hours

‘৫ টাহা দিয়া এডা কম্বল পাইয়া খুব উপকার হইল’

‘৫ টাহা দিয়া এডা কম্বল পাইয়া খুব উপকার হইল’ পাঁচ টাকার শীতবস্ত্রের বাজার থেকে কম্বল সংগ্রহ করছেন এক নারী। ছবি: নিউজবাংলা
আজকের তারুণ্য ‘পাঁচ টাকার শীতবস্ত্রের বাজার’ চালু করার কারণে উপকৃত হয়েছেন শেরপুরের দেড় শতাধিক মানুষ। হতদরিদ্ররা যাতে নামমাত্র মূল্যে শীতবস্ত্র কিনতে পারে, সে লক্ষ্যে এ বাজার চালুর উদ্যোগ নেন সংগঠনটির কর্মীরা।

‘৫ টাহা দিয়া এডা কম্বল পাইয়া খুব উপকার হইল। শেরেপুরে মেলা শীত পড়ছে কয়দিন থাইক্কা। এহন আরামে থাকতে পারমু।’

কথাগুলো বলছিলেন শেরপুর জেলা শহরের বাগরাকশার মোছা. রহিমা। অর্থাভাবে শীতের কষ্ট করছিলেন তিনি। তবে জেলার আজকের তারুণ্য নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগে শীত নিবারণের সুযোগ হয়েছে তার।

শুধু রহিমা নন, সদর উপজেলার দেড় শতাধিক মানুষ এ সুবিধা নিয়েছেন। আজকের তারুণ্য ‘পাঁচ টাকার শীতবস্ত্রের বাজার’ চালু করার কারণে উপকৃত হয়েছেন তারা। হতদরিদ্ররা যাতে নামমাত্র মূল্যে শীতবস্ত্র কিনতে পারেন, সে লক্ষ্যে এ বাজার চালুর উদ্যোগ নেন সংগঠনটির কর্মীরা।

শুক্রবার বিকেলে শেরপুর সরকারি কলেজ মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বাজার চালু হয়।

বাজারের আয়োজক আজকের তারুণ্যের সভাপতি রবিউল ইসলাম রতনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ এই বাজারের উদ্বোধন করেন শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেজাবে রহমত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেরপুর সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোবারক আলী, শেরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মেরাজ উদ্দিন, উত্তরা হাসপাতালের পরিচালক জাকির হোসেন, সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম হীরাসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

‘৫ টাহা দিয়া এডা কম্বল পাইয়া খুব উপকার হইল’

উদ্বোধনী দিনে ৫ টাকা করে জমা দিয়ে দেড় শতাধিক পঙ্গু, ভিক্ষুক ও হতদরিদ্র মানুষ একটি করে কম্বল সংগ্র‍হ করেন। ৫ টাকার বিনিময়ে অন্তত দুই শ’ টাকার কম্বল পেয়ে সবাই খুশি।

গৌরীপুরের হাফিজ মিয়া বলেন, ‘সারাদিন হাত পেতে যা পাই, তা-ই খাই। মানুষের কাছে হুনলাম ৫ টাহা দিয়া কম্বল দিতাছে; পরে নিবার আইলাম। ৫ টাহা দিয়া ২ শ’ টাহার কম্বল পাইলাম। খুব বালাভাবে রাইত কাটবো এহন।’

খাইরন বলেন, ‘আমি খুব খুশি অইছি। এ বাজার গরীব মাইনসের জন্যে আশীর্বাদ। শীতে কয়দিন মেলা কষ্ট করলাম।’

আজকের তারুণ্যের সভাপতি রবিউল ইসলাম রতন বলেন, ‘হতদরিদ্ররা যেন আমাদের কাছ থেকে কিছু নিয়ে লজ্জিত না হন, এজন্য আমরা ৫টি করে টাকা নিয়েছি। শীতের সময় জেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান এ বাজার চালু থাকবে। শীতবস্ত্রের বাজারের পরে আমরা আসন্ন রমজান মাসে দুই টাকার পণ্যের বাজার চালু করব। এ ধরনের উদ্যোগ বিভিন্ন সময়ে অব্যহত রাখব।’

ইউএনও মেজাবে রহমত বলেন, ‘আজকের তারুণ্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের এ মহতি উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। আমাদের পক্ষ থেকে এ ধরনের উদ্যোগে সব ধরনের সহায়তা থাকবে। আমি শুনলাম, তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। যুবকদের পাশাপাশি যাদের অর্থ সম্পদ আছে তারাও যেন এসব উদ্যোগ হাতে নেন।’

আরও পড়ুন:
ফরিদপুরে কভারসহ লেপ পেল চরাঞ্চলের ৫ শতাধিক পরিবার
এতিম শিশুদের মাঝে বিওএইচএস-এর শীতবস্ত্র বিতরণ
নওগাঁয় শীতার্তদের মাঝে সেনাবাহিনীর কম্বল বিতরণ
খাগড়াছড়িতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
A 40 kg turtle was trapped in the protected forest

সংরক্ষিত বনে আটকে ছিল ৪০ কেজির কচ্ছপ

সংরক্ষিত বনে আটকে ছিল ৪০ কেজির কচ্ছপ ভোলার মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের পঁচা কোড়ালিয়া বিটের আওতায় সংরক্ষিত বনাঞ্চল চরপাতালিয়া থেকে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কচ্ছপটি উদ্ধার করা হয়। ছবি: ইউএনবি
ইউএনবির প্রতিবেদনে জানানো হয়, এ নিয়ে ১৮ দিনের ব্যবধানে একই প্রজাতির ৪০ কেজি ওজনের দুটি সামুদ্রিক কচ্ছপ উদ্ধার করে মেঘনায় অবমুক্ত করে বন বিভাগ।

ভোলার মনপুরায় সংরক্ষিত বনাঞ্চলে আটকে থাকা অবস্থায় ৪০ কেজি ওজনের একটি জীবন্ত অলিভ রেডলে প্রজাতির সামুদ্রিক কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়েছে।

উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের পঁচা কোড়ালিয়া বিটের আওতায় সংরক্ষিত বনাঞ্চল চরপাতালিয়া থেকে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কচ্ছপটি উদ্ধার করা হয়।

পরে বিকাল ৪টায় মনপুরা দখিনা হাওয়া সৈকতসংলগ্ন মেঘনা নদীতে কচ্ছপটিকে অবমুক্ত করা হয়।

বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদনে জানানো হয়, এ নিয়ে ১৮ দিনের ব্যবধানে একই প্রজাতির ৪০ কেজি ওজনের দুটি সামুদ্রিক কচ্ছপ উদ্ধার করে মেঘনায় অবমুক্ত করে বন বিভাগ।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটির মনপুরা পঁচা কোড়ালিয়া বিট কর্মকর্তা আব্বাস আলী ইউএনবিকে জানান, মেঘনায় মাছ শিকারের সময় জেলেরা সংরক্ষিত বনাঞ্চলে কচ্ছপটি আটকে থাকতে দেখে বন বিভাগকে জানান। তখন মেঘনায় টহলে থাকা বন বিভাগের টিম নিয়ে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে আটকে থাকা কচ্ছপটি উদ্ধার করে পঁচা কোড়ালিয়া বন বিভাগের বিট কার্যালয়ে নেয়া হয়। পরে দখিনা হাওয়া সৈকতসংলগ্ন মেঘনায় অবমুক্ত করা হয় প্রাণীটিকে।

এ বিষয়ে মনপুরা বন বিভাগের দায়িত্বে থাকা রেঞ্জ কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম জানান, মনপুরায় ১৮ দিনের ব্যবধানে পরপর দুটি ৪০ কেজি ওজনের অলিভ রেডলে প্রজাতির সামুদ্রিক কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত কচ্ছপটি মেঘনায় অবমুক্ত করা হয়।

আরও পড়ুন:
দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে ভোলার গ্যাস ব্যবহারের দাবিতে মানববন্ধন
ভোলার গ্যাস রক্ষায় গণস্বাক্ষর সংগ্রহ শুরু
প্রকৃতিতে ফিরছে বিলুপ্তপ্রায় ‘বাটাগুর বাসকা’
যুবলীগ নেতাকে ডেকে নিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয়ার অভিযোগ
ছাত্রদল নেতা হত্যায় ৪৬ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
South Korea passes bill to ban dog meat

কুকুরের মাংস খাওয়া বন্ধে দক্ষিণ কোরিয়ায় বিল পাস

কুকুরের মাংস খাওয়া বন্ধে দক্ষিণ কোরিয়ায় বিল পাস কুকুরের মাংস খাওয়া ও বিক্রি বন্ধ করতে সংসদে বিল পাস করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। ছবি: রয়টার্স
শতবছর ধরে কোরিয়ানদের মধ্যে এমন একটি ধারণা আছে যে, কুকুরের মাংস খেলে মনোবল ও দেহের সহনশক্তি বৃদ্ধি পায়। হত্যার উদ্দেশ্যে দেশটিতে প্রতি বছর কয়েক লাখ কুকুর পালন করা হয়।

কুকুরের মাংস খাওয়া ও বিক্রি বন্ধ করার জন্য বিল পাস করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্ট।

দেশটির শতাব্দী পুরোনো এ কুকুরের মাংসের শিল্প নিষিদ্ধ করতে মঙ্গলবার বিলটি পাস করা হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

বিলটি ২০২৭ সাল থেকে মানুষের খাওয়ার জন্য কুকুরের মাংস জবাই, প্রজনন, ব্যবসা এবং বিক্রয়কে বেআইনি করে তুলবে এবং এ ধরনের কাজের জন্য ব্যক্তিকে দুই থেকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, শতবছর ধরে কোরিয়ানদের মধ্যে এমন একটি ধারণা আছে যে, কুকুরের মাংস খেলে মনোবল ও দেহের সহনশক্তি বৃদ্ধি পায়। দেশটিতে প্রতি বছর কয়েক লাখ কুকুর পালন করা হয় ও হত্যা করা হয়, তবে সাম্প্রতিক সময়ে এ ধারণা পরিবর্তিত হয়েছে।

বর্তমানে বেশিরভাগ কোরিয়ানরা কুকুরকে পোষা প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করেন। তাই কুকুর হত্যা করে মাংস খাওয়া নিয়ে সমালোচনা বেড়েছে।

হিউম্যান সোসাইটি ইন্টারন্যাশনালের কোরিয়ার নির্বাহী পরিচালক জুংআহ চে বলেন, ‘এটি একটি ইতিহাস তৈরি করতে যাচ্ছে। আমি কখনোই ভাবিনি, আমার জীবদ্দশায় দক্ষিণ কোরিয়ায় কুকুরের মাংস শিল্পের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেখতে পাব।’

তবে এ বিল পাসের পর কুকুরের মাংসের কিছু ব্যবসায়ীরা এর প্রতিবাদে সমাবেশ শুরু করার পরিকল্পনা করছেন।

আরও পড়ুন:
দক্ষিণ কোরিয়ায় বন্যায় ভূমি ধসে ২১ জনের প্রাণহানি
এক বছর বয়স কমলো দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষের
বিএসএফের দায়িত্বে অবহেলা: ল্যালসির গর্ভধারণ  
কুকুরের আক্রমণে মরল ১৭৫ ভেড়া
শিশুকে ঘাড়ে কামড় দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল কুকুর

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The teachers halkhata to borrow money

ধারের টাকা তুলতে শিক্ষকের হালখাতা!

ধারের টাকা তুলতে শিক্ষকের হালখাতা! শিক্ষকের হালখাতার চিঠি। ছবি: সংগৃহীত
হালখাতার আয়োজক শিক্ষক আব্দুল আউয়াল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তিন বছর ধরে বন্ধুবান্ধব ও নিকটজনরা বিভিন্ন সময়ে আমার কাছ থেকে টাকা হাওলাত নিয়েছেন। তাদের সঙ্গে প্রতিদিন একসঙ্গে উঠাবসা রয়েছে আমার। তাই লজ্জায় তাদের কাছে টাকা ফেরতও চাইতে পারি না, তারাও দেয়ার নাম করে না। পরে টাকা ফেরত পেতে হালখাতা করার বিষয়টি মাথায় আসে।’

পুরাতন হিসাব শেষ করে নতুন বছরে নতুন করে দেনাদারদের লেনদেনে উৎসাহী করতে আবহমান বাংলার ব্যবসায়ীদের ঐতিহ্য হালখাতা। সারা বছর বেচাকেনার পর বছর শেষে বাকি টাকা তুলতে হালখাতার আয়োজন করে থাকে ছোট-বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি এই হালখাতায় এখন যুক্ত হয়েছে অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে নদ-নদীর ঘাটও। প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের হালখাতার আমন্ত্রণপত্র দিয়ে অনুষ্ঠানের দিন তারিখ জানিয়ে দেয়া হয়।

এসব ঐতিহ্য ছাড়িয়ে হালখাতায় এবার যুক্ত হয়েছে ব্যক্তিগত ধার বা হাওলাত দেয়া টাকা উত্তলোন প্রক্রিয়া। হালখাতার মাধ্যমে ধারের টাকা তোলার এই নতুন ধারণা সামনে এনে আলোচনায় এসেছেন কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আন্ধারীঝাড় এমএএম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল আউয়াল।

ইতোমধ্যে দেনাদারদের কাছে হালখাতার চিঠি পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। আগামী ১২ জানুয়ারি তার হাওলাতি হালখাতা অনুষ্ঠিত হবে। ওই হালখাতার একটি চিঠি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে দেশের নানা প্রান্তে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

চিঠিতে দেনাদারদের নুতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ওই শিক্ষক। লিখেছেন, ‘আপনাকে টাকা হাওলাত দিতে পারায় আমি আনন্দিত। সেমতে উক্ত হাওলাতি টাকা উত্তোলনের লক্ষে আগামী ১২ জানুয়ারি ২০২৪, শুক্রবার শুভ হালখাতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

‘উক্ত হালখাতা অনুষ্ঠানে আপনি উপস্থিত হয়ে ঋণ পরিশোধ করে ঋণমুক্ত থাকুন।’

জানা গেছে, এই ঋণ পরিশোধের হালখাতায় ৩৫ জন দেনাদারকে চিঠি দিয়েছেন ওই শিক্ষক। এসব মানুষের মাঝে বেশিরভাগই তার বন্ধুবান্ধব, আত্বীয়-স্বজনসহ কাছের মানুষ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চিঠি পাওয়া কয়েকজন বলেন, ‘আমরা হালখাতার চিঠি পেয়ে প্রথমে হতভম্ব হলেও পরে বুঝতে পেরেছি, ধারের টাকা ফেরত দিতে দেরি হয়েছে। আশা করছি, হালখাতায় তার টাকা পরিশোধ করে দেব।’

হালখাতার আয়োজক শিক্ষক আব্দুল আউয়াল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তিন বছর ধরে বন্ধুবান্ধব ও নিকটজনরা বিভিন্ন সময়ে আমার কাছ থেকে টাকা হাওলাত নিয়েছেন। তাদের সঙ্গে প্রতিদিন একসঙ্গে উঠাবসা রয়েছে আমার। তাই লজ্জায় তাদের কাছে টাকা ফেরতও চাইতে পারি না, তারাও দেয়ার নাম করে না। পরে টাকা ফেরত পেতে হালখাতা করার বিষয়টি মাথায় আসে। এতে তাদের সঙ্গে মনোমালিন্যও হলো না, আবার টাকা ওঠার সম্ভাবনাও শতভাগ রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ৩৫ জনকে চিঠি দিয়েছি। এদের মধ্যে কেউ তিন বছর আগে টাকা নিয়েছে। সব মিলিয়ে ৩ লাখ টাকার মতো ধার দেয়া রয়েছে আমার। চিঠি পেয়ে অনেকে টাকা পরিশোধ করতে উদ্যোগী হয়েছেন বলে শুনেছি।’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
On January 1 the worlds population will exceed 8 billion

বছরের প্রথম দিনে বিশ্বের জনসংখ্যা ছাড়াবে ৮০০ কোটি

বছরের প্রথম দিনে বিশ্বের জনসংখ্যা ছাড়াবে ৮০০ কোটি প্রতীকী ছবি
২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে জনসংখ্যা বেড়েছে ৭ কোটি ৫১ লাখ ৬২ হাজার ৫৪১ জন এবং বছরজুড়ে বিশ্বে প্রতি সেকেন্ডে জন্ম নিয়েছে ৪ দশমিক ৩ শিশু এবং মারা গেছে ২ জন।

নতুন বছরের শুরুতে, অর্থাৎ ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০১ কোটি ৯৮ লাখ ৭৬ হাজার ১৮৯ জনে পৌঁছবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি পরিসংখ্যান দপ্তর ইউএস সেনসাস ব্যুরো আজ শনিবার বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর- এনডিটিভি ওয়ার্ল্ডের।

সেনসাস ব্যুরোর বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে জনসংখ্যা বেড়েছে ৭ কোটি ৫১ লাখ ৬২ হাজার ৫৪১ জন এবং বছরজুড়ে বিশ্বে প্রতি সেকেন্ডে জন্ম নিয়েছে ৪ দশমিক ৩ শিশু এবং মারা গেছে ২ জন। ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে জনসংখ্যা বাড়লেও পূর্ববর্তী বছর ২০২২ সালের তুলনায় এ বৃদ্ধির হার ১ শতাংশ কম বলে জানিয়েছে ইউএস সেনসাস ব্যুরো। ২০১১ সালে ৭০০ কোটির মাইলফলক স্পর্শ করেছিল বৈশ্বিক জনসংখ্যা। তার ১১ বছর পর ২০২২ সালের নভেম্বরে ৮০০ কোটিতে পৌঁছেছিল জনসংখ্যা। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস সে সময় এ সম্পর্কিত প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছিল।

তবে জনসংখ্যা ৭০০ কোটি থেকে ৮০০ কোটিতে পৌঁছতে ১১ বছর সময় লাগলেও ৮০০ কোটি থেকে ৯০০ কোটিতে পৌঁছতে ১৪ বছর সময় লাগবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ মার্কিন পরিসংখ্যান দপ্তর। উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর নিম্ন জন্মহার এবং তরুণ ও সন্তান জন্মদানে সক্ষম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা কমতে থাকাই এর সবচেয়ে বড় কারণ। করোনাভাইরাস মহামারি বিশ্বের জনসংখ্যা বৃদ্ধির গতিতে বেশ প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন মার্কিন সমাজবিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, এ মহামারির প্রভাবে বৈশ্বিক গড় আয়ু ৭৫ বছর থেকে ৭১ বছরে নেমে এসেছে।

মন্তব্য

p
উপরে