৫ থেকে ১১ বছর বয়সীদের ওপর কার্যকর ফাইজারের টিকা

৫ থেকে ১১ বছর বয়সীদের ওপর কার্যকর ফাইজারের টিকা

শিশুদের দেহে টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগে প্রাক-প্রাথমিক স্কুলশিক্ষার্থীদের খুব অল্প পরিমাণে ডোজ দিয়েছে ফাইজার। প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি ডোজের এক-তৃতীয়াংশ দিয়ে এক ডোজ দিয়েছে শিশুদের। তাও দ্বিতীয় ডোজ নেয়ার পর শিশুদের দেহে কিশোর ও তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের সমপরিমাণই করোনাবিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

পাঁচ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের ওপর কার্যকর ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে শিশুদের দেহে টিকাটি নিরাপদ ও কার্যকর বলে প্রমাণ মিলেছে।

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান ফাইজার ও জার্মানির জৈবপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেক যৌথ ঘোষণায় জানায় এ খবর। বলা হয়, শিগগিরই পাঁচ থেকে ১১ বছর বয়সীদের টিকাটি প্রয়োগে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর অনুমোদন চাইবে ফাইজার।

বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে বলা হয়, ১২ বছর ও এর বেশি বয়সীদের টিকাটি প্রয়োগে আগেই অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কিন্তু এখন সববয়সী শিশুরা স্কুলে ফিরেছে। এমন সময়ে করোনাভাইরাসের অধিক সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার বাড়ছে বলে উদ্বিগ্ন শিশুবিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও অভিভাবকরা। তারা শিশুদের টিকার জন্য উদগ্রীব।

শিশুদের দেহে টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগে প্রাক-প্রাথমিক স্কুলশিক্ষার্থীদের খুব অল্প পরিমাণে ডোজ দিয়েছে ফাইজার। প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি ডোজের এক-তৃতীয়াংশ দিয়ে এক ডোজ দিয়েছে শিশুদের।

তাও দ্বিতীয় ডোজ নেয়ার পর শিশুদের দেহে কিশোর ও তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের সমপরিমাণই করোনাবিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

ফাইজারের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. বিল গ্রুবার বলেন, ‘শিশুদের জন্য নির্ধারিত স্বল্প পরিমাণের ডোজ নিরাপদ। টিকাগ্রহণে প্রাপ্তবয়স্করা যেমন কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভুগতে পারেন, তেমনই জ্বর, চুলকানি, হাতে ব্যথার মতো সাধারণ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া শিশুদের দেহেও দেখা যেতে পারে।

পাঁচ থেকে ১১ বছর বয়সীদের টিকাদানে জরুরি অনুমোদনের জন্য এ মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (এফডিএ) কাছে আবেদন করবে ফাইজার। পরে যুক্তরাজ্য আর ইউরোপের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কাছেও আবেদন করবে।

পশ্চিমা দেশগুলোর বেশিরভাগই ১২ বছরের কমবয়সীদের করোনা প্রতিরোধী টিকা এখনও দিচ্ছে না। এই বয়সী শিশুদের জন্য সঠিক ডোজের মাত্রা জানার অপেক্ষায় রয়েছে দেশগুলো।

তবে ক্যারিবীয় দেশ কিউবায় দুই বছরের বেশি বয়সী শিশুদেরও নিজস্ব গবেষণায় আবিষ্কৃত টিকা দেয়া হচ্ছে। তিন বছরের বেশি বয়সীদের জন্য চীনও নিজস্ব টিকাদানে অনুমতি দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
চীনের টিকা ফিরিয়ে দিল উত্তর কোরিয়া
টিকার অপচয় কমাবে যান্ত্রিক হাত
হিসাব মিলবে কীভাবে?
এশিয়ায় প্রথম বুস্টার ডোজের প্রস্তুতি জাপানের
যেভাবে করোনা ঠেকাবে প্রথম সুচবিহীন ডিএনএ টিকা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কাঁচা পেঁয়াজ থেকে প্রাণঘাতী স্যালমোনেলা

কাঁচা পেঁয়াজ থেকে প্রাণঘাতী স্যালমোনেলা

প্রতীকী ছবি।

চিহুয়াহুয়া থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সিডিসি। যেসব পেঁয়াজ বা পেঁয়াজের প্যাকেটে তথ্যসংবলিত স্টিকার নেই, সেগুলো ফেলে দিতে বলেছে। একই সঙ্গে পেঁয়াজের ছোঁয়া লেগেছে এমন জায়গা ও বাসনকোসন সাবান-পানি দিয়ে ধুতে বলেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে স্যালমোনেলা ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপে অসুস্থ হয়ে পড়েছে ৩৭টি অঙ্গরাজ্যের হাজারো বাসিন্দা। কাঁচা পেঁয়াজ থেকে প্রাণঘাতী ব্যাকটেরিয়াটি ছড়িয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিস্থিতির ব্যাপকতায় সারা দেশের মানুষকে পেঁয়াজ খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছে প্রশাসন। উৎস অজানা ও তথ্যসংবলিত চিহ্ন ছাড়া লাল, সাদা ও হলুদ পেঁয়াজ ফেলে দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) জানিয়েছে, স্যালমোনেলা সংক্রমণের একটি সম্ভাব্য উৎস চিহ্নিত করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রতিবেশী দেশ মেক্সিকোর চিহুয়াহুয়া থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ থেকে ছড়িয়েছে ব্যাকটেরিয়াটি।

ইদাহো অঙ্গরাজ্যের হেইলেভিত্তিক প্রতিষ্ঠান প্রোসোর্স আমদানি করেছে ওই পেঁয়াজ।

সিডিসি জানিয়েছে, ৩১ মে থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্যালমোনেলায় ৬৫২ জনের অসুস্থতার খবর পেয়েছে সংস্থাটি। এদের মধ্যে ১২৯ জন গুরুতর অসুস্থ এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অসুস্থ রোগীর প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি কারণ বেশির ভাগ মানুষই মৃদু অসুস্থতা হলে সে খবর প্রশাসনের কাছে পৌঁছায় না।

এক বিবৃতিতে সিডিসি জানিয়েছে, অসুস্থ ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশই কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়ার পর রোগাক্রান্ত হন বলে জানা গেছে। অসুস্থ ব্যক্তিদের অনেকেই একই রেস্তোরাঁর খাবার খেয়েছেন।

এ অবস্থায় চিহুয়াহুয়া থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সিডিসি। যেসব পেঁয়াজ বা পেঁয়াজের প্যাকেটে তথ্যসংবলিত স্টিকার নেই, সেগুলো ফেলে দিতে বলেছে। একই সঙ্গে পেঁয়াজের ছোঁয়া লেগেছে এমন জায়গা ও বাসনকোসন সাবান-পানি দিয়ে ধুতে বলেছে।

স্যালমোনেলা ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম উপসর্গ হলো ডায়রিয়া, জ্বর ও পেট ব্যথা। দূষিত খাবার খাওয়ার পরবর্তী ছয় ঘণ্টা থেকে ছয় দিনের মধ্যে উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

প্রোসোর্স জানিয়েছে, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত চিহুয়াহুয়া থেকে আমদানি ও বিক্রয়কৃত সব পেঁয়াজ স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে নেবে তারা। যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (এফডিএ) অনুরোধে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

স্যালমোনেলা সংক্রমণের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্থানীয় প্রশাসন ও সিডিসির সঙ্গে এফডিএ সমন্বিত অনুসন্ধান শুরু করেছে বলে জানিয়েছে প্রোসোর্স।

আরও পড়ুন:
চীনের টিকা ফিরিয়ে দিল উত্তর কোরিয়া
টিকার অপচয় কমাবে যান্ত্রিক হাত
হিসাব মিলবে কীভাবে?
এশিয়ায় প্রথম বুস্টার ডোজের প্রস্তুতি জাপানের
যেভাবে করোনা ঠেকাবে প্রথম সুচবিহীন ডিএনএ টিকা

শেয়ার করুন

শনাক্ত ও মৃত্যু দেড় বছরে সর্বনিম্ন

শনাক্ত ও মৃত্যু দেড় বছরে সর্বনিম্ন

দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় আগের মতোই জমে উঠেছে কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত। ছবি: নিউজবাংলা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশে এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ১২৯ জনের দেহে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৮০৫ জনের।

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। গত দেড় বছরের মধ্যে যা সর্বনিম্ন। এর চেয়ে কম মৃত্যু হয়েছিল গত বছরের ৬ মে। সেদিন ৩ জনের মৃত্যুর সংবাদ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ ধরা পড়েছে ২৩২ জনের শরীরে। এই হিসাবটিও গত দেড় বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম।

এর আগে গত বছরের ১৪ এপ্রিল এর চেয়ে কম শনাক্ত ছিল। সেদিন ২০৯ জনের দেহে করোনা ধরা পড়ার তথ্য দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে শুক্রবার বিকেলে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ১২৯ জনের দেহে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৮০৫ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ৮৩২টি ল্যাবে করোনার ১৭ হাজার ১০০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। শনাক্তের হার ১ দশমিক ৫১ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো দেশে পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে সেই দেশে মহামারি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে ধরা হয়। সেই অনুযায়ী বাংলাদেশেও করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এখন নিয়ন্ত্রণে। সরকারের লক্ষ্য এই হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা। এ জন্য সাবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী মার্চে আরও একটি ঢেউ আসতে পারে। এটি প্রতিরোধে এখন থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

গত বছরের মার্চে ছড়ানো করোনা বছরের শেষে নিয়ন্ত্রণে আসার পর চলতি বছর এপ্রিলের আগে থেকে আবার বাড়তে থাকে। এর মধ্যে প্রাণঘাতী ভারতীয় ধরন ছড়িয়ে পড়লে এপ্রিলের শুরুতে লকডাউন এবং ১ জুলাই থেকে শাটডাউন দেয় সরকার।

তবে সংক্রমণ কমে আসার পর আগস্টের মাঝামাঝি থেকে ধীরে ধীরে সব বিধিনিষেধ তুলে নেয়া শুরু হয়। এর অংশ হিসেবে ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত এক দিনে মৃতদের মধ্যে পুরুষ ২ জন, নারী ২ জন। এর মধ্যে পঞ্চাশোর্ধ্ব ৩ ও ষাটোর্ধ্ব ১ জন।

বিভাগ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ২ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়। এর পরই চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে ১ জন করে মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

গত এক দিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছে ৫৬৪ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হলো ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৬৪৭ জন। সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
চীনের টিকা ফিরিয়ে দিল উত্তর কোরিয়া
টিকার অপচয় কমাবে যান্ত্রিক হাত
হিসাব মিলবে কীভাবে?
এশিয়ায় প্রথম বুস্টার ডোজের প্রস্তুতি জাপানের
যেভাবে করোনা ঠেকাবে প্রথম সুচবিহীন ডিএনএ টিকা

শেয়ার করুন

ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১২৩ জন

ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১২৩ জন

ফাইল ছবি

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ২২ হাজার ১৩০ জনের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২১ হাজার ২৬৬ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৭৮০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১২৩ জন। এই নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ১৩০ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৮৪ জন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টা ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১১৬ জন। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭ জন।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের শুরুর ছয় মাসে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ২৭০ জন। এ বছরের জুলাইয়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকে। ওই মাসে রোগী শনাক্ত হয়েছিলেন ২ হাজার ২৮৬ জন। এই মাসে মারা যান ১২ জন।

আগস্টে ডেঙ্গু রোগী ছিলেন ৭ হাজার ৬৯৮ জন। এই মাসে মারা যান ৩৪ জন। সেপ্টেম্বরে রোগীর সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৮৪১ জন। এই মাসে মৃত্যু হয় ২৩ জনের। চলতি মাসের ৩ হাজার ৯৩৩ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর মারা গেছেন ১৫ জন।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ২২ হাজার ১৩০ জনের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২১ হাজার ২৬৬ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৭৮০ জন। এদের মধ্যে ঢাকার ৪৬টি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৬২৫ রোগী।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, ডেঙ্গু উপসর্গ নিয়ে চলতি বছর ৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন:
চীনের টিকা ফিরিয়ে দিল উত্তর কোরিয়া
টিকার অপচয় কমাবে যান্ত্রিক হাত
হিসাব মিলবে কীভাবে?
এশিয়ায় প্রথম বুস্টার ডোজের প্রস্তুতি জাপানের
যেভাবে করোনা ঠেকাবে প্রথম সুচবিহীন ডিএনএ টিকা

শেয়ার করুন

ঢাবির ৯৫ শতাংশ শিক্ষার্থী টিকার আওতায়

ঢাবির ৯৫ শতাংশ শিক্ষার্থী টিকার আওতায়

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ ভবনে ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ঢাবি উপাচার্য। ছবি: নিউজবাংলা

উপাচার্য বলেন, ‘সাত-আট দিন আগের হিসাব অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯২ শতাংশ শিক্ষার্থী করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার আওতায় এসেছে। এখন এ হার ৯৫ থেকে ৯৬ শতাংশ হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৯৫ থেকে ৯৬ শতাংশ শিক্ষার্থী করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার আওতায় এসেছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ ভবনে ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

উপাচার্য বলেন, ‘সাত-আট দিন আগের হিসাব অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯২ শতাংশ শিক্ষার্থী করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার আওতায় এসেছে। এখন এ হার ৯৫ থেকে ৯৬ শতাংশ হবে।’

ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘বিগত সময়ের ধারাবাহিকতায় খুব সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ জন্য আমি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।’

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান জানিয়ে আখতারুজ্জামান বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মানা সবার জন্য খুবই জরুরি। কয়েকটি জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে আরও সতর্ক ও তৎপর হতে হবে।

‘শুধু করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা ঢাকার বাইরে পরীক্ষা নিইনি। আমাদের মূল উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের কষ্ট লাঘব করা।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হয় শুক্রবার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সাত বিভাগের আরও সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বেলা ১১টা থেকে একযোগে শুরু হয় পরীক্ষা। চলে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিস জানায়, ‘গ’ ইউনিটে ১ হাজার ২৫০ আসনের বিপরীতে ২৭ হাজার ৩৭৪ জন আবেদন করেছেন। এই হিসাবে ইউনিটটিতে আসনপ্রতি লড়েছেন ২২ শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন:
চীনের টিকা ফিরিয়ে দিল উত্তর কোরিয়া
টিকার অপচয় কমাবে যান্ত্রিক হাত
হিসাব মিলবে কীভাবে?
এশিয়ায় প্রথম বুস্টার ডোজের প্রস্তুতি জাপানের
যেভাবে করোনা ঠেকাবে প্রথম সুচবিহীন ডিএনএ টিকা

শেয়ার করুন

ডেঙ্গু রোগী ২২ হাজার ছাড়াল

ডেঙ্গু রোগী ২২ হাজার ছাড়াল

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে এক শিশু। ফাইল ছবি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৩৯ জন। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৭০ জন। এই নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২২ হাজার ৭ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ৮৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে বৃহস্পতিবার পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৩৯ জন। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩১ জন।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ২২ হাজার ০৭ জন। এর মধ্যে শুরুর ছয় মাস ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ২৭০ জন। এ বছরের জুলাইয়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকে। ওই মাসে রোগী শনাক্ত হয়েছিল ২ হাজার ২৮৬ জন। এই মাসে মারা যায় ১২ জন।

আগস্টে ডেঙ্গু রোগী ছিল ৭ হাজার ৬৯৮ জন। এই মাসে মারা যায় ৩৪ জন। সেপ্টেম্বরে রোগীর সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৮৪১ জন।

এই মাসে মৃত্যু হয় ২৩ জনের। চলতি মাসে ৩ হাজার ৮১০ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছে ১৫ জন।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ২২ হাজার ৭ জনের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২১ হাজার ১৩১ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি ৭৯২ জন। এদের মধ্যে ঢাকার ৪৬টি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৬২৪ ডেঙ্গু রোগী। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, ডেঙ্গু উপসর্গ নিয়ে চলতি বছর ৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন:
চীনের টিকা ফিরিয়ে দিল উত্তর কোরিয়া
টিকার অপচয় কমাবে যান্ত্রিক হাত
হিসাব মিলবে কীভাবে?
এশিয়ায় প্রথম বুস্টার ডোজের প্রস্তুতি জাপানের
যেভাবে করোনা ঠেকাবে প্রথম সুচবিহীন ডিএনএ টিকা

শেয়ার করুন

চলতি মাসেই স্কুলশিক্ষার্থীদের টিকা

চলতি মাসেই স্কুলশিক্ষার্থীদের টিকা

১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীর সংখ্যা দেশে দেড় কোটি।

শিক্ষার্থীদের মাঝে যুক্তরাষ্ট্রের ফাইজারের টিকা দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এই টিকার ৬০ লাখ ডোজ সরকারের হাতে রয়েছে। এখান থেকে ৩০ লাখ শিক্ষার্থীকে দুই ডোজ টিকা দেয়ার কাজ সম্পন্ন হবে।

করোনার সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে এ মাসের মধ্যে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশানের একটি হোটেলে জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার মানিকগঞ্জের দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষামূলক টিকা দেয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের মাঝে যুক্তরাষ্ট্রের ফাইজারের টিকা দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এই টিকার ৬০ লাখ ডোজ সরকারের হাতে রয়েছে। এখান থেকে ৩০ লাখ শিক্ষার্থীকে দুই ডোজ টিকা দেয়ার কাজ সম্পন্ন হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের তালিকা আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। তালিকা পেলে চলতি মাসেই তাদের টিকা দেয়া শুরু হবে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমাদের স্কুলশিক্ষার্থীর সংখ্যা দেড় কোটির মতো। তাদের টিকা দেয়ার প্রস্তুতি আমাদের আছে। আমাদের হাতে ফাইজারের টিকাও আছে। নতুন করে ৭২ ও ৯০ লাখ টিকার দুটি চালান শিগগিরই আসবে।’

জাহিদ মালেক জানান, দেশের মানুষকে করোনার সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দিতে ইতোমধ্যেই ২১ কোটি ডোজ টিকা কেনা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সব মিলিয়ে আমাদের কাছে পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে এ মাসে প্রায় তিন কোটি টিকা দিতে পারব। টিকাদান কর্মসূচি চলমান থাকলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ৫০ শতাংশ মানুষ টিকার আওতায় আসবে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘কিছুদিন আগেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তারা বলেছে, আমরা টিকা কর্মসূচিতে ভালো করছি। আমরা বলেছিলাম আমাদের টিকা বাড়িয়ে দেয়ার জন্য। তারাও সম্মতি দিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
চীনের টিকা ফিরিয়ে দিল উত্তর কোরিয়া
টিকার অপচয় কমাবে যান্ত্রিক হাত
হিসাব মিলবে কীভাবে?
এশিয়ায় প্রথম বুস্টার ডোজের প্রস্তুতি জাপানের
যেভাবে করোনা ঠেকাবে প্রথম সুচবিহীন ডিএনএ টিকা

শেয়ার করুন

রাজশাহীতে করোনায় চিকিৎসকের মৃত্যু

রাজশাহীতে করোনায় চিকিৎসকের মৃত্যু

চিকিৎসক মামুন-উর-রশীদ রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। ছবি: নিউজবাংলা

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ নওশাদ আলী বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে চিকিৎসক মামুনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। প্রথম থেকেই তিনি রাজশাহী মেডিক্যালে ভর্তি ছিলেন। হঠাৎ করেই বৃহস্পতিবার তার মৃত্যুর সংবাদ পেলাম।’

রাজশাহীতে করোনাভাইরাসে এক চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে তিনি মারা যান।

চিকিৎসক মামুন-উর-রশীদ রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। অবসরের পর থেকে রাজশাহীতে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসাসেবা দিতেন।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ নওশাদ আলী বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে মামুন-উর-রশীদের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। প্রথম থেকেই তিনি রাজশাহী মেডিক্যালে ভর্তি ছিলেন। হঠাৎ করেই বৃহস্পতিবার তার মৃত্যুর সংবাদ পেলাম।’

নগরীর শালবাগান এলাকায় বাস করতেন চিকিৎসক মামুন। তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁয়। তার স্ত্রী রোখসান আরা রাজশাহী মেডিক্যালের প্যাথলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। তিনি দুই ছেলের বাবা।

বৃহস্পতিবার বাদ জোহর রামেক চত্বরে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর নগরীর টিকাপাড়া কবরস্থানে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে টিকাপাড়া কবরস্থানেই মরদেহ দাফন করা হয়।

এর আগে চলতি বছরের ২৭ মার্চ রাতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল হান্নান করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

আরও পড়ুন:
চীনের টিকা ফিরিয়ে দিল উত্তর কোরিয়া
টিকার অপচয় কমাবে যান্ত্রিক হাত
হিসাব মিলবে কীভাবে?
এশিয়ায় প্রথম বুস্টার ডোজের প্রস্তুতি জাপানের
যেভাবে করোনা ঠেকাবে প্রথম সুচবিহীন ডিএনএ টিকা

শেয়ার করুন