টিকটকের চীনা সংস্করণে শিশুদের জন্য সময় দিনে ৪০ মিনিট

টিকটকের চীনা সংস্করণে শিশুদের জন্য সময় দিনে ৪০ মিনিট

প্রতীকী ছবি

বাইটড্যান্স জানিয়েছে, আপাতত শিশু-কিশোরদের জন্য দুইনে ব্যবহারের নিয়ম কঠোর করা হচ্ছে। পরে শিশু-কিশোরদের শেখার মতো গুণগত মানসম্পন্ন কনটেন্ট প্রচারেও কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি।

জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মের চীনা সংস্করণ দুইনে দিনে সর্বোচ্চ ৪০ মিনিট সময় কাটাতে পারবে চীনের শিশুরা। ১৪ বছরের কমবয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে এ নিয়ম।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনে প্রতিদিন স্থানীয় সময় সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে যে কোনো সময় সর্বোচ্চ ৪০ মিনিট অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবে শিশুরা।

বেইজিংভিত্তিক ইন্টারনেট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স নিয়ন্ত্রণ করে দুইনে অ্যাপ। এক ব্লগ পোস্টে প্রতিষ্ঠানটি অ্যাপটির ইয়ুথ মোড চালু করার কথা জানিয়েছে।

স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে এরকম নিষেধাজ্ঞা এটাই প্রথম।

জানা গেছে, নতুন নিয়মে কেবল আসল নাম ব্যবহারকারীরাই দুইনে অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবে। এটি ব্যবহারে কোনো ন্যূনতম বয়স বেঁধে দেয়া নেই। তবে ১৮ বছরের কমবয়সীদের বৈধ অভিভাবকের অনুমতি নিয়ে অ্যাপটি ব্যবহার করতে হয়।

টিকটক ব্যবহারের ন্যূনতম বয়স ১৩ বছর।

দুইনের ইয়ুথ মোডে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, জাদুঘরের প্রদর্শনী বা ঐতিহাসিক ব্যাখ্যাসহ শিক্ষাবিষয়ক কোনো কনটেন্ট নেই।

বাইটড্যান্স জানিয়েছে, আপাতত শিশু-কিশোরদের জন্য দুইনে ব্যবহারের নিয়ম কঠোর করা হচ্ছে। পরে শিশু-কিশোরদের শেখার মতো গুণগত মানসম্পন্ন কনটেন্ট প্রচারেও কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি।

গত মাসে অনলাইন ভিডিও গেমসেও শিশুদের দৈনিক সময়সীমা বেঁধে দেয় চীনা সরকার। ১৮ বছরের কমবয়সীদের জন্য সাপ্তাহিক কর্মদিবস, অর্থাৎ স্কুল খোলা থাকার দিনগুলোতে ভিডিও গেমসে সময় দেয়া নিষিদ্ধ করেছে বেইজিং। শুধু শুক্রবার আর সাপ্তাহিক ও অন্য ছুটির দিনগুলোতে সর্বোচ্চ এক ঘণ্টা করে ভিডিও গেমস খেলতে পারবে শিশুরা।

এর আগে ফেব্রুয়ারিতে স্কুলে মোবাইল ফোন নেয়া নিষিদ্ধ করে বেইজিং।

ইন্টারনেটে চীনের শিশু, কিশোর ও তরুণ প্রজন্ম প্রচুর বাড়তি সময় কাটাচ্ছে বলে গত তিন বছর ধরে সতর্ক করে আসছিল দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। বলা হচ্ছিল, বিষয়টি পরবর্তী প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

আরও পড়ুন:
দেশে সেফটি সেন্টার চালু করল টিকটক
জাতীয় সংগীতের অবমাননা করে টিকটক, আটক ৫
ফেসবুককে ছাড়িয়ে গেল টিকটক
টিকটকে কিশোরীর ছবি, দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০
বিপজ্জনক টিকটক চ্যালেঞ্জে শিশুর মৃত্যু

শেয়ার করুন

মন্তব্য

টেলিটক দিয়ে চালু হচ্ছে ফাইভজি: মোস্তাফা জব্বার

টেলিটক দিয়ে চালু হচ্ছে ফাইভজি: মোস্তাফা জব্বার

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘ফাইভজির জন্য যে প্রস্তুতি, সেটি নেয়া হয়েছে। আমাদের টেলিটক এরই মধ্যে কমপক্ষে পাঁচটি সাইট চালু করেছে, এটা বাড়তেও পারে। ২০২২ সালে আমরা সম্প্রসারণ করব। প্রথম কোয়ার্টারে আমরা একটি স্পেকট্রাম অকশন করব। আশা করব, আমাদের সব অপারেটর ২০২২ সাল থেকেই এই ফাইভজি প্রযুক্তির বিকাশ ঘটাতে থাকবে।’

মোবাইল সেবার সবশেষ প্রযুক্তি ফাইভজি পরীক্ষামূলকভাবে এ বছর থেকেই চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

সচিবালয়ে বুধবার বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের সংলাপে তিনি এ কথা জানান।

এ সময় মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমরা এতদিন প্রযুক্তিতে শুধু পিছিয়েই ছিলাম না, সবাই শেষ করে ফেলার পর আমরা শুরু করেছি। সেখান থেকে আমরা বড় একটি জাম্প করতে চাই। সেটি হচ্ছে, পৃথিবীতে এখন মোবাইল ফোনের পঞ্চম পর্যায়ের প্রযুক্তি চলে এসেছে, এটাকে আমরা ফাইভজি বলি। ২০২১ সালের মধ্যে আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষেই আমরা ফাইভজি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করব।

‘এর জন্য যে প্রস্তুতি, সেটি নেয়া হয়েছে। আমাদের টেলিটক এরই মধ্যে কমপক্ষে পাঁচটি সাইট, এটা বাড়তেও পারে। ২০২২ সালে আমরা সম্প্রসারণ করব। প্রথম কোয়ার্টারে আমরা একটি স্পেকট্রাম অকশন করব। আশা করব, আমাদের সব অপারেটর ২০২২ সাল থেকেই এই ফাইভজি প্রযুক্তির বিকাশ ঘটাতে থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘ফাইভজি কোনো সাধারণ প্রযুক্তি না। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ও তার সঙ্গে যে প্রযুক্তিগুলো রয়েছে এর মহাসড়ক ফাইভজি। আমরা এটি অনুধাবন করেছি, ফোরজির যে নেটওয়ার্ক রয়েছে এটি সাধারণ মানুষের ভয়েস কল এবং ইন্টারনেটের সাধারণ চাহিদা পূরন করবে। কিন্তু আমরা কল-কারখানা শিল্পে যদি ফাইভজি দিতে পারি, তাহলে সেটি হবে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।’

মন্ত্রী জানান, দেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাইটেক পার্কগুলোয় ফাইভজি সম্প্রসারণ করা হতে পারে। বিটিসিএল এই অঞ্চলগুলোতে ফাইভজি নেটওয়ার্ক তৈরি করছে।

কল ড্রপ বা নেটওয়ার্ক সমস্যার সমাধান করতে কাজ চলছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘অনেকেরই অনেক অভিযোগ আছে। নেটওয়ার্কে সমস্যা হয়, কল কেটে যায়, কল ড্রপ হয়, কিছু সমস্যা আছে। ভেবে দেখবেন, আমরা যে সম্প্রসারণ কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করছি, সেগুলোতে রাতারাতি বিপ্লব কঠিন কাজ।’

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘১৯৯৭ সালে আমরা টুজি যুগে প্রবেশ করি। ২০১৩ সালে থ্রিজির যুগে, আর ২০১৮ সালে ফোরজি যুগে। এরপর আমরা মাত্র বছর খানেক সময় পেয়েছি কাজ করার। আমরা যদি মোবাইলের ন্যুনতম সেবা পেতে চাই, ভয়েস কল এখন আর কেবল চাহিদা নয়। হোয়াটসঅ্যাপ থেকে শুরু করে স্যোসাল মিডিয়া– সব কিছুর ক্ষেত্রেই ৯৫ ভাগ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এখন মোবাইল নির্ভর।

‘এর জন্য সবচেয়ে বড় যে প্রযুক্তিটি প্রয়োজন, সেটি হচ্ছে অন্তত ফোরজি থাকতে হবে। করোনার মধ্যেও ২০২০ সালে সবগুলো অপারেটরের টাওয়ারে আমরা ফোরজি সম্প্রসারণ করতে পেরেছি। যান্ত্রিক কিছু অসুবিধা এখনও রয়ে গেছে। এ কারণে কলড্রপ বা নেটওয়ার্ক না পাওয়া যাওয়ার সমস্যাগুলো রয়ে গেছে। আরেকটু সময় পেলে এই সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারব।’

আরও পড়ুন:
দেশে সেফটি সেন্টার চালু করল টিকটক
জাতীয় সংগীতের অবমাননা করে টিকটক, আটক ৫
ফেসবুককে ছাড়িয়ে গেল টিকটক
টিকটকে কিশোরীর ছবি, দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০
বিপজ্জনক টিকটক চ্যালেঞ্জে শিশুর মৃত্যু

শেয়ার করুন

শাওমির রেডমি ১০, ক্যামেরা ফোন

শাওমির রেডমি ১০, ক্যামেরা ফোন

ফোনটির ৪+৬৪ জিবি সংস্করণের দাম ১৮ হাজার ৯৯৯ টাকা এবং ৬ হাজার ১২৮ জিবি সংস্করণের দাম ২০ হাজার ৯৯৯ টাকা।

শাওমি বাংলাদেশের বাজারে সম্প্রতি উন্মোচন করেছে নতুন রেডমি ১০ স্মার্টফোন। স্মার্টফোনটিতে প্রত্যাশিত পারফরমেন্স পেতে দেয়া হয়েছে ফ্ল্যাগশিপ লেভেলের প্রসেসর ও ফিচার। চলুন দেখে নেয়া যাক ফোনটির কয়েকটি দিক।

ডিসপ্লে

রেডমি ১০ ফোনটি এসেছে বড় ধরনের ৬.৫ ইঞ্চির ডটড্রপ এফএইচডিপ্লাস রেজ্যুলেশনের ডিসপ্লেতে। ডিসেপ্ল রেজ্যুলেশন ১০৪০*২৪০০ পিক্সেল; আর রেশিও ২০:৯। ডিভাইসটিতে রয়েছে ৯০ হার্জের রিফ্রেশ রেট, যা দ্রুত স্ক্রলিং এবং সুইপ করতে দেয়।

পেয়ার অ্যাডাপ্টিং সিঙ্ক প্রযুক্তিতে রেডমি ১০ স্বয়ংক্রিয়ভাবে যখন প্রয়োজন তখন রিফ্রেশ রেট বাড়িয়ে নেয়। সে সঙ্গে রেডমি ১০ ডিভাইসে থাকা রিডিং মোড ৩.০ আপনার প্রিয় কনটেন্ট দেখার ক্ষেত্রে চোখকে দেয় প্রশান্তি। তাই দীর্ঘ ব্যবহারেও চোখের ওপর চাপ পড়ে না।

ক্যামেরা

রেডমি ১০ স্মার্টফোনে দেয়া হয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-হাই-রেজ্যুলেশনের কোয়াড রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ। এটি দিয়ে নেয়া যায় বিশদ ডিটেইলের ছবি। প্রাইমারি ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার সঙ্গে রয়েছে একটি ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্র-ওয়াইড ক্যামেরা, ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো ক্যামেরা এবং একটি ২ মেগাপিক্সেলের ডেফথ ক্যামেরা।

রেডমি ১০ দিয়ে দুর্দান্ত সব মুহূর্ত বন্দি করা যাবে। সেই সঙ্গে স্টাইলিশ ফিল্টার যোগ করে শট নিতে দেয় রেডমি ১০।

এ ছাড়া ফোনটির ক্যামেরায় বড় গ্রুপ বা বন্ধুদের সঙ্গে প্যানারোমা শট নেয়া যায় সহজেই।

পাশাপাশি ১৩ মেগাপিক্সেলের সামনের ক্যামেরায় নেয়া যাবে সেলফি; যাতে ব্যবহার করা যায় টাইম ব্রাস্ট, এআই বিউটিফিকেশনসহ বেশ কয়েকটি মোড।

প্রসেসর

ফোনটিতে দেয়া হয়েছে ২.০ গিগাহার্জের অক্টা-কোর মিডিয়াটেক হেলিও জি৮৮ প্রসেসর। রেডমি ১০ ডিজাইন করা হয়েছে গ্রাউন্ড পারফর্ম করার জন্যই। হ্যান্ডসেটটিতে রয়েছে মিইউআই ১২.৫ নির্ভর অ্যান্ড্রয়েড ১১।

হালকা তবে দ্রুততর জিপিইউ ব্যবহার করে রেডমি ১০ মোবাইলের শক্তিশালী হার্ডওয়্যার ও পরবর্তী পর্যায়ের ফিচার নিয়ে পারফরম্যান্স দেবে নতুন এক উচ্চতায়।

ব্যাটারি

স্মার্টফোনে স্মুথ পারফরম্যান্স দিতে প্রয়োজন বিশাল ব্যাটারি। সে দিকটা মাথায় রেখে ডিভাইসটিতে দেয়া হয়েছে ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, সঙ্গে ১৮ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং। এ ছাড়া বক্সে রয়েছে ২২.৫ ওয়াটের চার্জার। রেডমি ১০ তাই কোনো ধরনের চিন্তা ছাড়াই আপনার কাজ করতে দেবে স্মুথলি।

ডিজাইন

রেডমি ১০ হ্যান্ডসেটটিতে রয়েছে স্লিক এবং স্টাইলিশ ডিজাইন। এটি পাওয়া যাবে দুটি আকর্ষণীয় রঙে; ম্যাট কার্বন গ্রে এবং সুন্দর টেক্সটচারড গ্লসি সি ব্লু। ডিভাইসটির মাপ ১৬১.৯৫ x ৭৫.৫৩ x ৮.৯২ মিমি ডাইমেনশন। এর ওজন মাত্র ১৮১ গ্রাম।

অন্যান্য

রেডমি ১০ ডিভাইসে রয়েছে ডুয়েল স্ট্যান্ডবাই সিম এবং একটি ডেডিকেটেড মাইক্রো এসডি স্লট। ওয়াইফাই, ব্লুটুথের উন্নত সংস্করণ, এফএম রেডিও এবং টাইপ-সি চার্জিং পোর্ট। সাইড মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্টের সঙ্গে ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক।

দাম

রেডমি ১০ হ্যান্ডসেটটি শাওমি অথোরাইজড স্টোর, পার্টনার স্টোর এবং রিটেইল চ্যানেলে পাওয়া যাচ্ছে। ফোনটির ৪+৬৪ জিবি সংস্করণের দাম ১৮ হাজার ৯৯৯ টাকা এবং ৬ হাজার ১২৮ জিবি সংস্করণের দাম ২০ হাজার ৯৯৯ টাকা।

আরও পড়ুন:
দেশে সেফটি সেন্টার চালু করল টিকটক
জাতীয় সংগীতের অবমাননা করে টিকটক, আটক ৫
ফেসবুককে ছাড়িয়ে গেল টিকটক
টিকটকে কিশোরীর ছবি, দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০
বিপজ্জনক টিকটক চ্যালেঞ্জে শিশুর মৃত্যু

শেয়ার করুন

ঢাকায় বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তি সম্মেলন নভেম্বরে

ঢাকায় বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তি সম্মেলন নভেম্বরে

ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অন ইনফরমেশন টেকনোলজি আয়োজনের সংবাদ সম্মেলনে অতিথিরা। ছবি: নিউজবাংলা

প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ‘প্রধান হাত ধরে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের আর্কিটেক্ট সজীব ওয়াজেদ জয়ের সুদক্ষ নেতৃত্বে ১২ বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত করা সম্ভব হয়েছে। ১৯ মাসে করোনাভাইরাস মহামারিতে আমরা কিছুই চলমান রাখতে পারতাম না, যদি না দেশ ডিজিটাল হত।’

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রযুক্তি খাতের বিশ্ব সম্মেলন ‘ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অন ইনফরমেশন টেকনোলজি’-এর ২৫তম আসর ‘ডব্লিউসিআইটি-২০২১’।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ সম্মেলন আগামী ১১-১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে অনলাইনেও যুক্ত হওয়া যাবে।

এ উপলক্ষ্য মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এনএম জিয়াউল আলম, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক ড. মো. আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি- বিসিএসের সভাপতি শাহিদ-উল-মুনীর। ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিসেস অ্যালায়েন্সর (উইটসা) সেক্রেটারি জেনারেল জেমস এইচ পয়সান্ট অনলাইনে অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন।

প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ‘প্রধান হাত ধরে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের আর্কিটেক্ট সজীব ওয়াজেদ জয়ের সুদক্ষ নেতৃত্বে ১২ বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত করা সম্ভব হয়েছে। ১৯ মাসে করোনাভাইরাস মহামারিতে আমরা কিছুই চলমান রাখতে পারতাম না, যদি না দেশ ডিজিটাল হত। এ সময় আইসিটির কল্যাণেই শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, বাণিজ্য, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং বিচারিক কাজ চলমান ছিল। বাংলাদেশকে শ্রমনির্ভর অর্থনীতির দেশ থেকে একটি প্রযুক্তি ও মেধানির্ভর ডিজিটাল অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে আইসিটিকে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছি।’

প্রযুক্তির অলিম্পিক খ্যাত ডব্লিউসিআইটি এবার বাংলাদেশ আয়োজন করছে। যার প্রতিপাদ্য ‘আইসিটি দ্য গ্রেট ইকুলাইজার’ বা প্রযুক্তির মাধ্যমেই সব খাতে সমতা আনা।

পলক বলেন, ‘সরকার তথ্যপ্রযুক্তি সেবা গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে দিয়েছে। যাতে কেউ পিছিয়ে না থাকে। এতে ১২ বছর আগে যেখানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ৫৬ লাখ তা এখন ১২ কোটি ছাড়িয়ে গেছে।’

উইটসার উদ্যোগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি যৌথভাবে এ সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছে। এ আয়োজনের সহযোগী হিসেবে রয়েছে বেসিস, বাক্কো, ই-ক্যাব এবং আইএসপিএবি।

এবারের ‘ডব্লিউসিআইটি-২০২১’ সম্মেলনের সমান্তরালে একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়া এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের আন্তর্জাতিক সম্মেলন অ্যাসোসিও ‘ডিজিটাল সামিট ২০২১’। এগুলো সরাসরি ও ভার্চুয়ালি হবে।

যা থাকছে চার দিনের আয়োজনে

৪ দিনব্যাপী সম্মেলনে থাকছে ২৩টি সেমিনার, মিনিস্টেরিয়াল কনফারেন্স, বিটুবি সেশন।

অনলাইনে নিবন্ধিন করে সেমিনারগুলোতে অংশ নেয়া যাবে। ১১ নভেম্বর মিনিস্টেরিয়াল কনফারেন্সে কি-নোট স্পিকার হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন।

আয়োজনের প্রথম দিন থাকবে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ নাইট’। ডিজিটাল বাংলাদেশ নাইটে বাংলাদেশের বিগত ১২ বছরের তথ্য-প্রযুক্তিতে অগ্রগতির সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।

১২ নভেম্বর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে স্বাধীন সর্বোভৌম রাষ্ট্র ও তথ্যপ্রযুক্তিতে দেশকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর গৃহিত উদ্যোগগুলো উপস্থাপন করা হবে।

এ দিন ‘অ্যাসোসিও অ্যাওয়ার্ড নাইট’ অনুষ্ঠানে এশিয়া-ওশেনিয়া অঞ্চলে তথ্যপ্রযুক্তিতে বিশেষ অবদানের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করা হবে।

১৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অগ্রগতি, অর্জন-গৌরবের বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে। এ দিন ‘উইটজা আইসিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড নাইট’ অনুষ্ঠানে সারা বিশ্বে তথ্যপ্রযুক্তিতে বিশেষ অবদানের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি এবং সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করা হবে।

১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে ডব্লিউসিআইটির রজতজয়ন্তী উদযাপিত হবে।

৪ দিনব্যাপী এ বিশ্ব সম্মেলনের বিভিন্ন সেমিনারে অংশগ্রহণ করবেন বিশ্বের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুন:
দেশে সেফটি সেন্টার চালু করল টিকটক
জাতীয় সংগীতের অবমাননা করে টিকটক, আটক ৫
ফেসবুককে ছাড়িয়ে গেল টিকটক
টিকটকে কিশোরীর ছবি, দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০
বিপজ্জনক টিকটক চ্যালেঞ্জে শিশুর মৃত্যু

শেয়ার করুন

দেশের বাজারে ‘হট ১১এস’ স্মার্টফোন আনল ইনফিনিক্স

দেশের বাজারে ‘হট ১১এস’ স্মার্টফোন আনল ইনফিনিক্স

দেশে নতুন ফোন এনেছে ইনফিনিক্স।

৪ জিবি র‌্যাম ভার্সনটির দাম ১৪ হাজার ৯৯০ টাকা ও ৬ জিবি র‌্যাম ভার্সনটির দাম ১৫ হাজার ৯৯০ টাকা।

স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স তাদের হট সিরিজের সবশেষ সংস্করণ ‘ইনফিনিক্স হট ১১এস’ দেশের বাজারে উন্মোচন করেছে। এর আগে ফোনটির প্রি-অর্ডার নিয়েছিল ইনফিনিক্স।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, সর্বাধুনিক প্রযুক্তির শক্তিশালী ডিভাইসটি এখন খুচরা দোকান ও ব্র্যান্ড স্টোরসহ দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে সহজেই কিনতে পারবেন গেমিংভক্তরা।

ইনফিনিক্স ‘হট ১১এস’ ফোনে রয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও জি৮৮ ডুয়েল-চিপ গেমিং প্রসেসর, ৯০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট সম্বলিত ৬ দশমিক ৭৮ ইঞ্চির এফএইচডি+ ডিসপ্লে।

৯০ হার্জ আলট্রা স্মুথ ডিসপ্লেতে ল্যাগ ছাড়াই গেম খেলতে দেবে বলে দাবি করেছে স্মার্টফোন ব্র্যান্ডটি।

‘হট ১১এস’ এ আরো রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেল ট্রিপল এআই নাইটস্কেপ ক্যামেরা। প্রাইমারি ক্যামেরায় রয়েছে এফ ১.৬ ওয়াইড-অ্যাপারচার।

ফোনটিকে আরও আছে ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি। যা দিয়ে টানা ১৩ ঘণ্টা গেম খেলা যাবে। থাকবে ৬০ দিন পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই।

ব্যাটারির ‘পাওয়ার ম্যারাথন টেকনোলজি’র কারণে মাত্র ৫ শতাংশ চার্জেও মোবাইলটিতে কথা বলা যাবে অতিরিক্ত দুই ঘণ্টা।

ডিভাইসটিতে রয়েছে ৪ ও ৬ জিবি র‌্যামের দুটি ভার্সন। আর রয়েছে ১২৮ জিবি রম।

৪ জিবি র‌্যাম ভার্সনটির দাম ১৪ হাজার ৯৯০ টাকা ও ৬ জিবি র‌্যাম ভার্সনটির দাম ১৫ হাজার ৯৯০ টাকা।

আরও পড়ুন:
দেশে সেফটি সেন্টার চালু করল টিকটক
জাতীয় সংগীতের অবমাননা করে টিকটক, আটক ৫
ফেসবুককে ছাড়িয়ে গেল টিকটক
টিকটকে কিশোরীর ছবি, দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০
বিপজ্জনক টিকটক চ্যালেঞ্জে শিশুর মৃত্যু

শেয়ার করুন

পরীক্ষামূলক ফাইভ-জি কি ডিসেম্বরে সম্ভব

পরীক্ষামূলক ফাইভ-জি কি ডিসেম্বরে সম্ভব

প্রতীকী ছবি

আগে থেকে অভিজ্ঞতা না থাকা নতুন একটি প্রযুক্তি চালু করার জন্য হাতে সময় রয়েছে মাত্র দুই মাস। এই সময়ে কীভাবে সম্ভব ফাইভ-জি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা?

আগামী বছরের মধ্যেই সরকার দেশে ফাইভ-জি সেবা চালু করতে চায়। তার আগে এই ডিসেম্বরেই উচ্চ গতির এ ইন্টারনেট সীমিত পরিসরে বা পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করার কথা জোরেশোরে বলছেন সরকারের কর্তাব্যক্তিরা।

আগে থেকে অভিজ্ঞতা না থাকা নতুন একটি প্রযুক্তি চালু করার জন্য হাতে সময় রয়েছে মাত্র দুই মাস। এই সময়ে কীভাবে সম্ভব ফাইভ-জি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা?

গত ২৫ সেপ্টেম্বর ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘ডিসেম্বরেই বাংলাদেশ ফাইভ-জি প্রযুক্তির যুগে প্রবেশ করবে। ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো থেকে কোনোভাবেই পিছিয়ে থাকবে না। গত তিন বছরে ফাইভ-জি প্রযুক্তির নীতিমালা প্রণয়ন ও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্যান্য প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বহুপাক্ষিক আলোচনা ও বিচার-বিশ্লেষণ করেই ফাইভ-জি যুগে আমরা প্রবেশের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেছি।’

কীভাবে শুরু হবে ফাইভজির যাত্রা

রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটকের হাত ধরে পঞ্চম প্রজন্মের এই টেলিযোগাযোগসেবা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করতে চায় সরকার। প্রথম পর্যায়ে ঢাকায় ২০০ স্থানে ফাইভ-জি ইন্টারনেট সুবিধা দেয়া হবে। এ জন্য আড়াইশ কোটি টাকার একটি প্রকল্পও অনুমোদনের চেষ্টায় রয়েছে টেলিটক।

এ প্রকল্পের প্রস্তাবনায় টেলিটক বলছে, গণভবন, বঙ্গভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সচিবালয়, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, ঢাকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ থানা ও বেশকিছু বাণিজ্যিক ও আবাসিক গ্রাহক ফাইভ-জির আওতায় আসবে। এতে ১০০ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেটের স্বাদ পাবে গ্রাহকরা।

প্রকল্পের কী অবস্থা

প্রকল্পটির পুরো নাম ‘ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় টেলিটকের নেটওয়ার্কে বাণিজ্যিকভাবে পরীক্ষামূলক ফাইভ-জি প্রযুক্তি চালুকরণ’। পরিকল্পনা কমিশন বলছে, এ প্রকল্পের প্রস্তাবনা নিয়ে গত ২৭ সেপ্টেম্বর মূল্যায়ন কমিটির বৈঠক হয়। এতে প্রকল্পটির বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

এসব বিষয়সহ প্রস্তাবনাটি (ডিপিপি) পরিবর্তনের জন্য টেলিটকের কাছে পাঠানো হয়েছে। টেলিটক তা এখনও পরিকল্পনা কমিশনে ফেরত পাঠায়নি। টেলিটক প্রকল্প প্রস্তাবনা সংশোধন করে পাঠালে তা নিয়ে আবারও মূল্যায়ন কমিটির বৈঠক হবে। প্রস্তাবনায় সব কিছু সন্তোষজনক থাকলে তবেই তা অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় তোলা হবে।

তবে এসব প্রক্রিয়া শেষ হতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। এই প্রকল্পে খরচ হবে ২৫৪ কোটি ৮ লাখ টাকা।

বিষয়টি নিয়ে কমিশনের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমার ডিপিপি পুনর্গঠনের জন্য পাঠিয়েছি, কিন্তু তা এখনও আসেনি। পুনর্গঠিত প্রস্তাবনা এলে তার ওপর বৈঠক শেষে বেশ কয়েকটি ধাপ পার হয়ে তবে তা অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। তবে প্রস্তাবনায় কোনো অসংগতি পেলে তা আবার সংশোধনের জন্য টেলিটকে ফেরত পাঠানো হতে পারে। এসব প্রক্রিয়া শেষ করে অনুমোদন পেতে দুই মাস বা এমনকি তিন মাসও লাগতে পারে।’

কমিশন বলছে, একনেকে অনুমোদন পেলেই প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যায় না। প্রকল্প অনুমোদন পেলেও তাকে আরও কিছু ধাপ পার হতে হয়। দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে পণ্য কেনাকাটা করা হবে, যার মধ্যে থাকবে ফাইভ-জির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি। তা ছাড়া এ প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দও থাকতে হবে। তার জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির সংশোধনী (সংশোধিত এডিপি) পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এডিপি সংশোধন হবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চে। যন্ত্রপাতি কেনার পর তা স্থাপন করতে হবে।

দেশে ফাইভ-জির কোনো সরঞ্জাম নেই বলে জানিয়েছে টেলিটক।

কীভাবে ডিসেম্বরেই ফাইভ-জি?

টেলিটক বলছে, সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকারের একটি ছিল ২০২১ সালের মধ্যে দেশে ফাইভ-জি চালু হবে। তাই সরকার চায় যেকোনো মূল্যে দু-একটি হলেও ফাইভ-জি স্টেশন চালু করতে। এ জন্য নির্দেশনা দেয়া রয়েছে, যাতে নির্বাচনি অঙ্গীকার কিছুটা হলেও রাখা যায়।

এ জন্য প্রকল্প অনুমোদনের আগেই টেলিটক নিজেদের অর্থে কিছু ফাইভ-জি যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করে সীমিত আকারে এটি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে, যদিও এসব এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এখনও কোনো যন্ত্রপাতি কেনা হয়নি। তবে এ মাসেই তা চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে টেলিটকের জেনারেল ম্যানেজার (পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন) মো. আনোয়ার হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী আমরা দেশে ভাইভ-জি চালু করতে একটি প্রকল্প হাতে নিচ্ছি। সেটি এখন অনুমোদন পর্যায়ে রয়েছে। এ প্রকল্পের মেয়াদ ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। তখন ঢাকায় ২০০ স্থানে ফাইভ-জি মোবাইল বিটিএস (বেইজ ট্রান্সসিভার স্টেশন) স্থাপন করা হবে।

‘ঢাকায় টেলিটকের ১ হাজারের বেশি সাইট রয়েছে, সেখান থেকে বাছাই করে ২০০ স্পটে বিটিএস বসবে। তখন বাণিজ্যিকভাবে সীমিত পরিসরে ফাইভ-জি সেবা চালু হবে। এরই মধ্যে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভার নির্দেশনা শেষে ডিপিপি পুনর্গঠন করা হচ্ছে। এটি পাস হতে নভেম্বর ডিসেম্বর হয়ে যাবে। তবে তার আগেই এই ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে আমরা ঢাকায় ছয় থেকে ১০টি ফাইভ-জি বিটিএস অন এয়ারে দিতে পারব।’

কারা পাবে পরীক্ষামূলক ফাইভ-জির সুবিধা

আনোয়ার হোসেন বলেন, শেরে বাংলানগর, সচিবালয়, বিটিসিএল ও টেলিফোন ভবন, রমনা, উত্তরা, গুলশান এসব এলাকায় এ সাইট নির্বাচন করা হতে পারে। এটা শুধুই পরীক্ষামূলক, জাস্ট ফাইভ-জি লঞ্চ করল– এই একটা বার্তা দেয়া হবে, ফাইভ-জির স্পিডটা দেখা হবে। এটা বাণিজ্যিকভাবে যাবে না।

‘এখনই এ ফাইভ-জির সুবিধা কেউ পাবে না। শুধু আমরা যারা এর সঙ্গে কাজ করব, তারাই এটা পাব। কিছু সিম দিয়ে এটার বিভিন্ন দিক যাচাই করে দেখা হবে। আমাদেরও সবাই এটা পাবে না। এখানে দেখা হবে ফাইভ-জি পুরো চালু করতে কী কী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। এখানে আমরা দেখব, একই স্থানে ফোর-জি কেমন স্পিড পাচ্ছে, ফাইভ-জি কেমন স্পিড পাচ্ছে, আমাদের সামনে কী কী কাজ করতে হবে ইত্যাদি। তবে এখান থেকে বিভিন্ন তথ্য নিয়ে যাচাই-বাছাই করে আগামী বছর ফাইভ-জির কার্যক্রম শুরু হবে। আর কমার্শিয়ালি যাবে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে।’

তিনি জানান, ছোট আকারে এটি চালু করতে খুব বেশি যন্ত্রপাতি বা প্রস্তুতি লাগবে না। তবে যেসব সাইট রয়েছে, সেখানে ফাইভ-জি বিটিএস বসাতে গেলে ব্যাটারির সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এন্টেনাগুলো বেশ ভারী। এ জন্য টাওয়ারগুলো আরও মজবুত করতে হবে। এ ছাড়া আর কোনো পরিবর্তন প্রয়োজন হবে না।

যন্ত্রপাতি সংগ্রহ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ডিসেম্বরের মধ্যে যে কয়েকটি সাইটে ফাইভ-জি বিটিএস বসানো হবে, তা হবে দেশের প্রথম ফাইভ-জি উপযোগাী যন্ত্রপাতি। তবে সেগুলো প্রকল্পের আওতায় নয়। টেলিটকের নিজস্ব টাকায় সেগুলো কেনা হবে। সেগুলো এখনও আনা হয়নি। হুয়াওয়ে টেকনোলজি থেকে আমরা এ ফাইভ-জি বিটিএসগুলো কিনব। এ বিষয়ে চুক্তিও হয়ে গেছে। তাড়াতাড়িই সেগুলো টেলিটকের হাতে আসবে।

আরও পড়ুন:
দেশে সেফটি সেন্টার চালু করল টিকটক
জাতীয় সংগীতের অবমাননা করে টিকটক, আটক ৫
ফেসবুককে ছাড়িয়ে গেল টিকটক
টিকটকে কিশোরীর ছবি, দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০
বিপজ্জনক টিকটক চ্যালেঞ্জে শিশুর মৃত্যু

শেয়ার করুন

দেশে টিকটকের সেফটি অ্যাম্বাসেডর তাহসান ও পূর্ণিমা

দেশে টিকটকের সেফটি অ্যাম্বাসেডর তাহসান ও পূর্ণিমা

টিকটকের সেফটি অ্যাম্বাসেডর হয়েছেন তাহসান ও পূর্ণিমা।

সেফটি প্রোগ্রামে তাহসান খান ও পূর্ণিমা ইন-অ্যাপ ক্যাম্পেইনের জন্য টিকটকের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। তারা দ্বি-মাসিক ভিত্তিতে প্ল্যাটফর্মটিতে অ্যাম্বাসেডররা ভিডিও ক্যাম্পেইন পরিচালনা করবেন।

বাংলাদেশে টিকটকের সেফটি অ্যাম্বাসেডর হয়েছেন সঙ্গীতশিল্প ও অভিনেতা তাহসান এবং অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা।

টিকটক জানায়, নিরাপদ, সুরক্ষিত ও বহুমুখী কমিউনিটি তৈরির লক্ষ্যে প্লাটফর্মটি দেশে এই সেফটি অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে টিকটক বেশ কিছু সেফটি এবং প্রাইভেসি কন্ট্রোল এর সুবিধা নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করছে যাতে ব্যবহারকারী আরও বেশি ব্যক্তিগত তথ্যে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে এবং কিশোর-কিশোরীদের সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে।

সেফটি প্রোগ্রামের মধ্যে রয়েছে, যাদের বয়স ১৬ বছরের নিচে তাদের অ্যাকাউন্টগুলো স্বয়ংক্রিভাবে প্রাইভেট করা থাকবে, ১৬ বা তার বেশি বয়সীদের কাছে সরাসরি বার্তা পাঠানোকে সীমিত রাখা এবং ফ্যামিলি পেয়ারিংয়ের মাধ্যমে বাবা-মা তাদের ছেলে-মেয়েদের টিকটকে নজরদারি রাখার ব্যবস্থা।

সেফটি প্রোগ্রামে তাহসান খান ও পূর্ণিমা ইন-অ্যাপ ক্যাম্পেইনের জন্য টিকটকের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। তারা দ্বি-মাসিক ভিত্তিতে প্ল্যাটফর্মটিতে অ্যাম্বাসেডররা ভিডিও ক্যাম্পেইন পরিচালনা করবেন।

ভিডিও ক্যাম্পেইনে বড় পরিসরে সব বিষয় থাকবে, যার মধ্যে শিক্ষামূলক বিষয়, ডিজিটাল ওয়েলবিং বা ডিজিটাল সুস্থতা, বিশ্বাস এবং সেফটি।

এ ছাড়া কিছু প্রধান ফিচার ফ্যামিলি পেয়ারিং মোড থাকবে, যেটি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে পিতামাতা ও কিশোর-কিশোরীদের নিজেদের মতো করে সেফটি সেটিংস করতে দেবে বলে জানানো হয়।

এই ক্যাম্পেইনের প্রথম প্রোগ্রাম হিসেবে তাহসান ও পূর্ণিমা উন্মোচন করেছেন ফ্যামিলি পেয়ারিং মোড। প্রোগ্রামটি লাইভ করা হয় #tiktokfamily নামে। এই ফিচারের মূল লক্ষ্য, সন্তানদের টিকটক কার্যক্রম এর ওপর পিতা-মাতাদের আরও পর্যবেক্ষণ সুযোগ। এর মাধ্যমে তারা টিকটকে ছেলে-মেয়েদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকবেন এবং তাদের সঙ্গে বাবা-মায়েরা আরও বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতে পারেন।

ফ্যামিলি পেয়ারিং ফিচারের মাধ্যমে বাবা-মা সন্তানদের টিকটক অ্যাকাউন্টে প্রবেশাধিকার পাবে নিজেদের অ্যাকাউন্ট সংযোগের মাধ্যমে। এর মধ্যে দিয়ে তারা জানতে পারবেন সন্তানরা কার সঙ্গে কথা বলছে, তারা কোন ধরনের কনটেন্ট দেখছে এবং অ্যাপে কতটা সময় ব্যয় করছে।

সন্তানরা কার সঙ্গে কথা বলতে পারে সেটা নজরদারির পাশাপাশি বাবা-মায়েরা নির্দিষ্ট করে দিতে পারবেন কারা সওই সংযুক্ত অ্যাকাউন্টে সরাসরি ম্যাসেজ পাঠাতে পারবেন; কিংবা পুরোদমে বন্ধ রাখতে পারবেন ডিরেক্ট ম্যাসেজ অপশনও।

তাহসান খান বলেন, ‘ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আচরণে কেমন হওয়া উচিত– এ নিয়ে টিকটক যে পরিবারের মধ্যে কথোপকথনের সুযোগ করে দিচ্ছে, তা দেখে আমি সত্যিই অভিভূত। অনলাইন নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল সুস্বাস্থ্য রক্ষায় আমাদের সবারই অগ্রনী ভূমিকা রাখতে হবে। সেজন্য প্রত্যেকের জায়গা থেকে আমাদের সচেতন হতে হবে।’

পূর্ণিমা বলেন, ‘আজকের বিশ্বকে ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন ছাড়া কল্পনা করা যায় না। তেমনটাই আমাদের প্রযুক্তিকেন্দ্রীক শিশু-কিশোরদেরও এসব ছাড়া চলে না। কিন্তু তারা যতই ডিজিটালভাবে শিক্ষিত হোক না কেনো, প্রাপ্তবয়স্ক এবং বাবা-মা হিসেবে তাদের সুস্থতার দেখাশোনা করা আমাদের দায়িত্ব। তরুণদের জন্য একটি নিরাপদ ও সুন্দর প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার জন্য এমন ক্যাম্পেইনে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত।’

এক বিজ্ঞপ্তিতে টিকটক জানায়, সৃজনশীল কর্মকাণ্ড ও বিনোদনের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহারকারীদের সেফটি ও প্রাইভেসি দিতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অনলাইনে ছেলে-মেয়েরা কী করছে সেটা জানতে এবং ফ্যামিলি পেয়ারিং ফিচারের একটা অংশ হিসেবে মা-বাবাদের আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ দিতেই টিকটকের এই প্রচেষ্টা।

এ ছাড়া টিকটকের অনেকগুলো ব্যবস্থা রয়েছে যেমন, বর্ধিত প্রাইভেসি সেটিংস, ফিল্টার, ইন-অ্যাপ রিপোর্টিং, শক্তিশালী কমিউনিটি গাইডলাইন এবং লোকাল ল্যাঙ্গুয়েজ মডারেশন ইত্যাদি।

সম্প্রতি টিকটক বাংলাদেশে তাদের সেফটি সেন্টার চালু করেছে। এটি একটি ওয়ান স্টপ ডেসটিনেশন যা সেফটি পলিসি এবং রিসোর্স এনেছে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায়।

আরও পড়ুন:
দেশে সেফটি সেন্টার চালু করল টিকটক
জাতীয় সংগীতের অবমাননা করে টিকটক, আটক ৫
ফেসবুককে ছাড়িয়ে গেল টিকটক
টিকটকে কিশোরীর ছবি, দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০
বিপজ্জনক টিকটক চ্যালেঞ্জে শিশুর মৃত্যু

শেয়ার করুন

জেনেশুনে ঘৃণাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে ফেসবুক

জেনেশুনে ঘৃণাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে ফেসবুক

ঘৃণা ছড়ানো নিয়ন্ত্রণ না করার অভিযোগ রয়েছে ফেসবুকের বিরুদ্ধে। ছবি: সংগৃহীত

নতুন করে শুক্রবার ফেসবুকের এমন সব কর্মকাণ্ড ফাঁস করেছেন মাধ্যমটির সাবেক এক কর্তা। ফেসবুক কীভাবে ঘৃণামূলক বক্তব্য ছড়াচ্ছে এবং অবৈধ কাজ করছে সেসব বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি।

কিছুদিন আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের সাবেক এক কর্মকর্তা দাবি করেন, মাধ্যমটির মূল লক্ষ্য মুনাফা করা। সে জন্য মাধ্যমটি ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তাকেও খুব বেশি আমলে নেয় না।

নতুন করে শুক্রবার ফেসবুকের এমন সব কর্মকাণ্ড ফাঁস করেছেন মাধ্যমটির সাবেক এক কর্মকর্তা। ফেসবুক কীভাবে ঘৃণামূলক বক্তব্য ছড়াচ্ছে এবং অবৈধ কাজ করছে সেসব বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি।

নির্বাচনের সময় ভুয়া তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে ফেসবুক। এমনকি নতুন কিছু নথি ফাঁসের পর ফেসবুক বেশ চাপে পড়েছে বলেও জানান তিনি।

নতুন করে ফেসবুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা ওই ব্যক্তি কথা বলেছেন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের সঙ্গে।

তিনি জানান, ফেসবুকের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিস অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি সংস্থা যারা পাবলিক ট্রেড কোম্পানিতে বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণ করে তাদের কাছেও অভিযোগ করা হয়েছে।

সাবেক ওই কর্মকর্তা সেখানে বলেছেন, ফেসবুক কীভাবে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও তার মতো রাগান্বিত ব্যক্তি ও কোম্পানিকে খুশি রাখতে নিরাপত্তা বিধি প্রয়োগে অস্বীকার করেছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর হামলাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতেও বিভিন্ন ধরনের ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে মাধ্যমটির বিরুদ্ধে। সেসব নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকার কথা জানা যায়নি মাধ্যমটির পক্ষ থেকে।

অবশ্য ফেসবুকের যোগাযোগ কর্মকর্তা ট্র্যাকার বাউন্ড ২০১৬ সালের নির্বাচনে প্ল্যাটফর্মটির ভূমিকা নিয়ে যে উদ্বেগ তা উড়িয়ে দিয়েছেন।

বাউন্ড বলেন, ‘সেটি তো শেষ হয়ে গেছে।’

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘এসব অভিযোগের কিছু ধরার মধ্যেই ছিল না। তারা কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বিষয়টি ভুলে অন্যদিকে চলে যায়। আমরা টাকা আয় করছি এবং আমরা ভালো আছি।’

ফেসবুকের সাবেক প্রোডাক্ট ম্যানেজার ফ্রান্সেস হাউজেন বলেন, ফেসবুক জননিরাপত্তার বিষয়ে মাথা না ঘামিয়ে ক্রমাগত মুনাফার দিকে ঝুঁকছে।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, হাউজেন সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ফেসবুকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সামনেই যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে সাক্ষ্য দেবেন তিনি। এ বিষয়কে ঘিরে তৈরি হয়েছে সংকট। তাই ব্র্যান্ডটি নিজেদের নাম পরিবর্তন করার মতো বিষয় নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে ফেসবুক।

একই দিনে নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট এবং এনবিসি একটি গোপন নথি ফাঁসের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখানো হয়েছে, ২০২০ সালের নির্বাচনেও মাধ্যমটি কীভাবে ভুয়া তথ্য ছড়িয়েছে।

নির্বাচনে হেরে গিয়ে ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ফেসবুক জো বাইডেনের হয়ে কাজ করেছে।

অবশ্য একটি তথ্য বিশ্লেষণ করে নিউইয়র্ক টাইমস দেখিয়েছে, বাইডেনের পক্ষে প্রচারে ফেসবুকে যেসব তথ্য ছড়ানো হয়েছে তার অন্তত ১০ শতাংশ ছিল ভুয়া।

এটা শুধু মুনাফা লাভের আশাতেই করেছে বলে দাবি করেছেন ফেসবুকের সাবেক কর্মকর্তা ও তথ্য ফাঁসকারী।

মানবাধিকার সংস্থা ফ্রি প্রেস অ্যাকশনের কো-সিইও জেসিকা জে গোলন্দাজ বলেন, ‘এখন কংগ্রেসের উচিত হবে ফেসবুকের ব্যবসার মডেলটি খতিয়ে দেয়া। কেননা তাদের বিরুদ্ধে খুব বেশি পরিমাণে ঘৃণা ও ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
দেশে সেফটি সেন্টার চালু করল টিকটক
জাতীয় সংগীতের অবমাননা করে টিকটক, আটক ৫
ফেসবুককে ছাড়িয়ে গেল টিকটক
টিকটকে কিশোরীর ছবি, দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০
বিপজ্জনক টিকটক চ্যালেঞ্জে শিশুর মৃত্যু

শেয়ার করুন