পাইলটের ভুলেই কেরালায় বিমান দুর্ঘটনা: প্রতিবেদন

পাইলটের ভুলেই কেরালায় বিমান দুর্ঘটনা: প্রতিবেদন

এক বছর আগে ভারতের কেরালায় দুর্ঘটনার শিকার এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের বিমান। ছবি: রয়টার্স

ভারতের বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘অবতরণের আগে অপারেশন পদ্ধতিতে বেশ কিছু লঙ্ঘন করেছে পাইলট।’

ভারতে গত বছরের আগস্টে ১৯০ জন আরোহী নিয়ে দক্ষিণ কেরালার কালিকট বিমানবন্দরে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস বিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে প্রাণ হারান ২১ জন যাত্রী। সেই দুর্ঘটনায় দুজন পাইলটও নিহত হন। সঙ্গে গুরুতর আহত হন ৭৫ যাত্রী।

পাইলটের ত্রুটি এবং নিরাপত্তা নির্দেশিকা অনুসরণ করতে না পারায় বিমানটি দুর্ঘটনার শিকার হয় বলে এক তদন্ত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

দুবাই থেকে উড্ডয়ন করা বোয়িং-৭৩৭ মডেলের বিমানটি বৃষ্টির মধ্যে রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। অবতরণের পর তা দুই ভাগ হয়ে যায়।

বিবিসির খবরে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংকটে আটকে পড়া ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনা হচ্ছিল ফ্লাইটটিতে।

প্রবল বর্ষা-মৌসুমে বৃষ্টিপাতের কারণে পাইলটরা অবতরণের প্রথম প্রচেষ্টা বাতিল করে দিলেও দ্বিতীয় প্রচেষ্টার সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

ভারতের বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘অবতরণের আগে অপারেশন পদ্ধতিতে বেশ কিছু লঙ্ঘন করেছে পাইলট।’

আরও বলা হয়, বিমানটি অবতরণের সময় সঠিকভাবে তথ্য না দিতে পারা, টেল উইন্ডে পরিষ্কারভাবে দেখতে না পাওয়া এবং প্রতিকূল আবহাওয়ায় সঠিক তথ্য ক্যালকুলেট করতে না পারায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

২৫৭ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘একটি অকার্যকর উইন্ডশিল্ড উইপারও দৃশ্যমানতা হ্রাস করেছে।’

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রথম অবতরণের সময় কেবিন ক্রুদের বাধ্যতামূলক বসার যে ব্যবস্থা, সেটি ঘোষণা করেননি পাইলট।

বিষয়টিকে বিমান দুর্ঘটনা ও ক্ষয়ক্ষতির গুরুতর কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।

ভারতে বর্ষা মৌসুমে এর আগে বিমান দুর্ঘটনার নজির আছে। বিশেষ করে জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই মৌসুম স্থায়ী হয়।

২০১০ সালের মে মাসে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একটি ফ্লাইট ম্যাঙ্গালোর বিমানবন্দরের রানওয়েতে ওভারশট হয়ে বিধ্বস্ত হয়। এতে ১৫ জন নিহত হন।

আরও পড়ুন:
রাশিয়ায় ২৮ আরোহী নিয়ে নিখোঁজ বিমান
ফিলিপাইনে ৯২ আরোহী নিয়ে বিধ্বস্ত সামরিক বিমান
নেপাল দুর্ঘটনার পর কতটা সুরক্ষিত আকাশভ্রমণ
নেপালে সেই বিমান দুর্ঘটনা এখনও দুঃসহ স্মৃতি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

রাতভর বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতা

রাতভর বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতা

পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের অনেক এলাকা।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের খবরে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ধাপায় ১২৭, উল্টোডাঙ্গায় ১০৯, কালীঘাটে ১০৭, মানিকতলায় ৮১, বেলগাছিয়ায় ৮৩, পাতিপুকুরে ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হয়েছে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনায়।

জলমগ্ন হয়ে পড়েছে কলকাতা শহরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলসহ রাজ্যের দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলা।

রোববার রাত থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় আলিপুরে বৃষ্টি হয়েছে ১০০ দশমিক ২ মিলিমিটার। কলকাতার বেশ কয়েকটা জায়গায় ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়েছে। এতেই পানিতে থইথই শহর, গ্রাম।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের খবরে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ধাপায় ১২৭, উল্টোডাঙ্গায় ১০৯, কালীঘাটে ১০৭, মানিকতলায় ৮১, বেলগাছিয়ায় ৮৩, পাতিপুকুর ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হয়েছে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনায়।

আবহাওয়া দপ্তরের খবর, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। সেটি উত্তর ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশসংলগ্ন উপকূলে অবস্থান করছে। ঘূর্ণাবর্তের জেরে প্রচুর জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে। তৈরি হচ্ছে মেঘ; আর তাতেই হচ্ছে তুমুল বৃষ্টিপাত।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের খবর অনুযায়ী, সোমবার সারা দিন আকাশ মেঘলাই থাকবে। দফায় দফায় চলবে বৃষ্টি। উপকূলের জেলাগুলোতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। মঙ্গলবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। কমতে পারে বৃষ্টির পরিমাণ।

বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৯ শতাংশ, ফলে তাপমাত্রা কমলেও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকবে।

বৃষ্টির জেরে নাকাল মানুষ

দমদম থেকে সোনারপুর বিস্তীর্ণ অঞ্চল বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা।

শিয়ালদা ও হাওড়া রেল কারশেডে পানি জমায় দেরিতে ট্রেন চলাচল করছে। বাতিল হতে পারে কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেনও। পাতিপুকুর আন্ডারপাসে পানি জমায় বন্ধ চক্র রেল। কলকাতা বিমানবন্দর টারমাক পানিমগ্ন হওয়ায় বিমান ওঠানামা করছে দেরিতে।

প্রশাসনিক তৎপরতা

কলকাতার জমা পানি সরাতে সাড়ে সাত শ পাম্পিং স্টেশন খোলা হয়েছে। এ ছাড়া বেলা ৩টা পর্যন্ত লকগেট বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন কলকাতা পৌরসভার নিকাশি বিভাগের সদস্য তারক সিং।

আরও পড়ুন:
রাশিয়ায় ২৮ আরোহী নিয়ে নিখোঁজ বিমান
ফিলিপাইনে ৯২ আরোহী নিয়ে বিধ্বস্ত সামরিক বিমান
নেপাল দুর্ঘটনার পর কতটা সুরক্ষিত আকাশভ্রমণ
নেপালে সেই বিমান দুর্ঘটনা এখনও দুঃসহ স্মৃতি

শেয়ার করুন

হাওড়ায় ভারতের গভীরতম মেট্রো স্টেশন

হাওড়ায় ভারতের গভীরতম মেট্রো স্টেশন

ভৃপৃষ্ঠ থেকে হাওড়া মেট্রো স্টেশনের গভীরতা ৩২ দশমিক ৪ মিটার। ছবি: সংগৃহীত

ভূমি থেকে ১০৫ ফুট নিচে এ স্টেশনে যেতে চারটি লেভেল, পাঁচটি স্ল্যাব পার হতে হবে। সিঁড়ি দিয়ে চলতে যাদের অসুবিধা, তাদের জন্য রয়েছে ১২টি চলন্ত সিঁড়ি বা অ্যাসকেলেটর। তা ছাড়া থাকছে ছয়টি লিফট।

ভারতে এত দিন সবচেয়ে গভীর মেট্রোরেল স্টেশন ছিল দিল্লির হাউস খাস। ভূপৃষ্ঠ থেকে স্টেশনটির গভীরতা ৩০ মিটার।

পশ্চিমবঙ্গে নির্মাণাধীন হাওড়া মেট্রো স্টেশন গভীরতায় দিল্লির স্টেশনটিকে ছাড়িয়ে গেছে। ভারতের সবচেয়ে গভীর এ মেট্রোরেল স্টেশনে চড়তে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩২ দশমিক ৪ মিটার নিচে নামতে হবে যাত্রীদের।

এক মিনিটে হাওড়া থেকে ধর্মতলা

হুগলি নদীর ৩০ মিটার গভীরে ৫২০ মিটারের দুটি টানেল দিয়ে চলবে হাওড়া মেট্রো। টানেলের এক প্রান্তে হাওড়া, অন্য প্রান্তে মহাকরণ।

ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে নদীর তলা দিয়ে ছুটবে এ ট্রেন। হাওড়া থেকে ধর্মতলা পৌঁছতে সময় লাগবে ১ মিনিট।

হাওড়া মেট্রো স্টেশনকে ‘দ্য ডিপেস্ট সাবওয়ে স্টেশন’ (গভীরতম পাতাল রেল) বলেছে ভারতের রেল বোর্ড। এ স্টেশনে ট্রেন চালু হওয়ার সম্ভাবনা ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ে। জোর কদমে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

রেলওয়ে সূত্রের খবর, হাওড়া মেট্রো স্টেশন গঠনের কাজ শেষ হয়েছে। চলছে ফিনিশিং টাচ।

কী আছে স্টেশনে

ভূমি থেকে ১০৫ ফুট নিচে এ স্টেশনে যেতে চারটি লেভেল, পাঁচটি স্ল্যাব পার হতে হবে। সিঁড়ি দিয়ে চলতে যাদের অসুবিধা, তাদের জন্য রয়েছে ১২টি চলন্ত সিঁড়ি বা অ্যাসকেলেটর। তা ছাড়া থাকছে ছয়টি লিফট।

হাওড়ায় ভারতের গভীরতম মেট্রো স্টেশন

স্টেশনে থাকছে তিনটি প্ল্যাটফর্ম। হাওড়া ময়দান স্টেশন বা মহাকরণ, যেদিক দিয়ে ট্রেন আসুক না কেন, হাওড়া মেট্রো স্টেশনে রেকের দুই দিকের দরজা খুলে যাবে। যাত্রী চাপ সামলাতে এ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

দেশের ব্যস্ততম হওয়ায় কলকাতা মেট্রোর ইস্ট-ওয়েস্টে হাওড়া স্টেশনকে ‘কী স্টেশন’ বলা হয়েছে।

‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’

ভারতে প্রথম নদীর তল দিয়ে মেট্রো চলার পদক্ষেপকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়েছিলেন দেশটির রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। সে উদ্যোগের বাস্তবায়ন দেখতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

আরও পড়ুন:
রাশিয়ায় ২৮ আরোহী নিয়ে নিখোঁজ বিমান
ফিলিপাইনে ৯২ আরোহী নিয়ে বিধ্বস্ত সামরিক বিমান
নেপাল দুর্ঘটনার পর কতটা সুরক্ষিত আকাশভ্রমণ
নেপালে সেই বিমান দুর্ঘটনা এখনও দুঃসহ স্মৃতি

শেয়ার করুন

পশ্চিমবঙ্গে গরুর পরিচয়পত্র, কানে ঝুলবে হলুদ ট্যাগ

পশ্চিমবঙ্গে গরুর পরিচয়পত্র, কানে ঝুলবে হলুদ ট্যাগ

পশ্চিমবঙ্গে গরুর আধার কার্ড দেয়া হবে, কানে ঝুলবে হলুদ ট্যাগ। ছবি: নিউজবাংলা

পরিচয়পত্র দেয়ার পর গবাদিপশুটির কানে একটি হলুদ ট্যাগ লাগানো থাকবে। হলুদ রঙের সেই ট্যাগে একটি চিপের মাধ্যমে ১২ সংখ্যার ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর দেয়া থাকবে।

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যজুড়ে ব্রুসেল্লোসিস রোগের টিকাকরণের জন্য গরুর পরিচয়পত্র দেয়ার কাজ শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ প্রাণিসম্পদ বিকাশ মন্ত্রণালয়।

পরিচয়পত্র দেয়ার পর গবাদিপশুটির কানে একটি হলুদ ট্যাগ লাগানো থাকবে। হলুদ রঙের সেই ট্যাগে একটি চিপের মাধ্যমে ১২ সংখ্যার ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর দেয়া থাকবে।

এটি করা হলে চিপের মাধ্যমে ওই প্রাণী এবং তার মালিক সম্পর্কে প্রশাসনের হাতে যাবতীয় তথ্য চলে আসবে।

প্রথম দফায় ৫ হাজার ২৮০টি গরুকে টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

যেসব গরুর ট্যাগ লাগানো হচ্ছে, সেসব গরু এবং তাদের মালিক-সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন করে রাখা হচ্ছে।

ব্রুসেল্লোসিস একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত গবাদিপশুর রোগ। এই রোগের মূল সমস্যা হলো, তিন থেকে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা গরুর গর্ভপাত হয়ে যায়।

গবাদিপশুর মাধ্যমে এই রোগের জীবাণু ছড়ায় মানুষের দেহে।

ব্রুসেল্লোসিস জীবাণুর সংক্রমণ হলে জ্বর, গাঁটে ব্যথা ইত্যাদি হয়।

পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রাণিসম্পদ বিকাশ বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর সোমনাথ মাইতি জানান, পুরোদমে হলুদ ট্যাগ লাগানোর কাজ চলছে।

ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যটিতে গত বছর থেকে গরু ও মহিষকে আধার কার্ড দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

ভাতার ব্লকের প্রাণী বিকাশ দপ্তরের আধিকারিক শঙ্খ ঘোষ বলেন, ‘২০ সেপ্টেম্বর থেকে গরুর ব্রুসেল্লোসিস রোগের টিকাকরণের কাজ শুরু হচ্ছে। এই টিকা মূলত দেয়া হয় চার থেকে আট মাস বয়সী বকনা বাছুরদের। ওই নির্দিষ্ট বয়সের বাছুরদের চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে। গরুগুলোকে চিহ্নিত করতে হলুদ ট্যাগ পরানো হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
রাশিয়ায় ২৮ আরোহী নিয়ে নিখোঁজ বিমান
ফিলিপাইনে ৯২ আরোহী নিয়ে বিধ্বস্ত সামরিক বিমান
নেপাল দুর্ঘটনার পর কতটা সুরক্ষিত আকাশভ্রমণ
নেপালে সেই বিমান দুর্ঘটনা এখনও দুঃসহ স্মৃতি

শেয়ার করুন

‘মোদিবিরোধিতায় মমতাই যোগ্য মুখ’

‘মোদিবিরোধিতায় মমতাই যোগ্য মুখ’

মোদির বিকল্প মুখ মমতাই, রাহুল নয়- সুদীপ। ছবি: সংগৃহীত

‘মোদির বিকল্প হিসেবে জবরদস্ত, বিশ্বাসযোগ্য মুখ সামনে রেখে প্রচারে যেতে হবে। আর তা হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’

জোটের রাস্তা খোলা রেখে মোদিবিরোধিতায় মমতাই যোগ্য মুখ বলে কংগ্রেসকে খোলাখুলি বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা সুদীপের কর্মীসভায় দেয়া একটি বক্তব্যের অংশ ছেপে শুক্রবার তার ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে ‘জাগো বাংলা’ মুখপত্রটিতে।

সেখানে সুদীপ বলেছেন, ‘রাহুল গান্ধীকে আমি বহুদিন চিনি। বলতে বাধ্য হচ্ছি, তিনি এখনও নরেন্দ্র মোদির বিকল্প মুখ হয়ে উঠতে পারেননি।

‘আমরা সব বিরোধীদলের সঙ্গে কথা বলেই মমতাকে বিকল্প মুখ হিসেবে সামনে রেখে প্রচারে যাব। তবে কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে আমরা কখনই বিকল্প জোটের কথা বলছি না।’

তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, ‘রাহুল সুযোগ পেয়েছেন, কিন্তু পারেননি। বারবার নির্বাচনি ব্যর্থতায় সুযোগ ও সময় নষ্ট করা যাবে না।

‘মোদির বিকল্প হিসেবে জবরদস্ত, বিশ্বাসযোগ্য মুখ সামনে রেখে প্রচারে যেতে হবে। আর তা হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’

তৃণমূলের তরফে মোদিবিরোধী জোটের নেতৃত্ব দেয়ার বার্তা প্রকাশের পরই কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী তার প্রতিক্রিয়া জানান।

তিনি বলেন ‘তৃণমূলের এই বার্তায় সবচেয়ে খুশি হবেন নরেন্দ্র মোদি। কারণ, প্রধানমন্ত্রী চান আঞ্চলিক দলগুলো যেন ঐক্যবদ্ধ হতে না পারে।’

অধীর আরও বলেন, ‘বিজেপি পাঞ্জাবকে সাহায্য করছে। বাংলায় হয়তো তৃণমূলকে সাহায্য করবে। বিজেপি বলে, রাহুল পারবেন না। একথা তৃণমূল বললে বিজেপির সঙ্গে তাদের পার্থক্য কমবে।’

মোদিবিরোধী জোটের নেতৃত্ব প্রসঙ্গে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি বলেন, ‘১৯টি দল সংসদের ভেতরে-বাইরে বিজেপির বিরোধিতা করছে। এ আন্দোলন চলবে। কিন্তু কোনো ফ্রন্ট এখনো তৈরি হয়নি। ভোটের অনেক দেরি। এর মধ্যে অনেক রকম প্রস্তাব আসতে থাকবে।’

আরও পড়ুন:
রাশিয়ায় ২৮ আরোহী নিয়ে নিখোঁজ বিমান
ফিলিপাইনে ৯২ আরোহী নিয়ে বিধ্বস্ত সামরিক বিমান
নেপাল দুর্ঘটনার পর কতটা সুরক্ষিত আকাশভ্রমণ
নেপালে সেই বিমান দুর্ঘটনা এখনও দুঃসহ স্মৃতি

শেয়ার করুন

কাবুলে বেসামরিক নাগরিক হত্যার কথা স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের

কাবুলে বেসামরিক নাগরিক হত্যার কথা স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে গাড়িতে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় নিহত হয় এক পরিবারের ১০ সদস্য। ছবি: এএফপি

গত ২৯ আগস্টের ওই হামলায় এক ত্রাণকর্মী ও তার পরিবারের অন্য ৯ সদস্য নিহত হয়। নিহত ১০ জনের মধ্যে সাত শিশু রয়েছে। সবচেয়ে ছোট শিশুটির বয়স দুই বছর।

আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের আগে দেশটির রাজধানী কাবুলে ড্রোন হামলায় ১০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের তদন্তে উঠে এসেছে, জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) সংশ্লিষ্ট ভেবে গাড়িতে ড্রোন হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র, যার বলি হয় একটি পরিবারের সদস্যরা।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৯ আগস্টের ওই হামলায় এক ত্রাণকর্মী ও তার পরিবারের অন্য ৯ সদস্য নিহত হয়।

নিহত ১০ জনের মধ্যে সাত শিশু রয়েছে। সবচেয়ে ছোট শিশুটির বয়স দুই বছর।

গত ১৫ আগস্ট আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল দখলের মধ্য দিয়ে দেশটিতে ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান। পরে ‘অজেয়’ উপত্যকা পাঞ্জশিরও দখলে নেয় সংগঠনটি।

তালেবানের হাতে ক্ষমতা যাওয়ার পরই কাবুল থেকে সামরিক-বেসামরিক নাগরিকদের প্রত্যাহারে তোড়জোড় শুরু করে বিভিন্ন দেশ। এ পরিস্থিতির মধ্যেই কাবুল বিমানবন্দরে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। সে হামলার কয়েক দিন পর ড্রোন হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

ড্রোন হামলার বিষয়ে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের কর্মকর্তা জেনারেল কেনেথ ম্যাকেঞ্জি বলেন, ত্রাণকর্মীর গাড়িটি আটঘণ্টা ধরে ট্র্যাক করা হচ্ছিল। ধারণা ছিল, গাড়িটি আইএসের স্থানীয় শাখা আইএস-কে সংশ্লিষ্ট।

ম্যাকেঞ্জির মতে, হামলাটি ছিল ‘বেদনাদায়ক ভুল’।

যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত অনুযায়ী, জামাইরি আহমাদি নামের ত্রাণকর্মী

কাবুল বিমানবন্দর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে নিজ বাড়িতে গাড়িতে চড়ার পরপরই হামলা চালানো হয়।

বোমা হামলার পর আরেকটি বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়, যাতে যুক্তরাষ্ট্র মনে করেছিল, গাড়িতে বিস্ফোরক ছিল। তবে অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সিলিন্ডার থেকে দ্বিতীয় বিস্ফোরণ হতে পারে।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে কাজ করা এক অনুবাদকও রয়েছেন, যার নাম আহমদ নাসের।

তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেন, ‘আমরা এ পর্যায়ে এসে জানতে পেরেছি, আহমাদির সঙ্গে আইএস-খোরাসানের কোনো যোগসূত্র ছিল না। ওই দিন (হামলার সময়) তার কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ অহিংস ছিল এবং সেটি ছিল আমাদের মনে করা আসন্ন হুমকির একেবারে উল্টো।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এ ঘটনায় ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি ভয়াবহ এ ভুল থেকে শিক্ষা নিতে সচেষ্ট হব।’

আরও পড়ুন:
রাশিয়ায় ২৮ আরোহী নিয়ে নিখোঁজ বিমান
ফিলিপাইনে ৯২ আরোহী নিয়ে বিধ্বস্ত সামরিক বিমান
নেপাল দুর্ঘটনার পর কতটা সুরক্ষিত আকাশভ্রমণ
নেপালে সেই বিমান দুর্ঘটনা এখনও দুঃসহ স্মৃতি

শেয়ার করুন

ভারত-চীন সম্পর্ক তৃতীয় দেশের চোখে দেখা নয়: জয়শঙ্কর 

ভারত-চীন সম্পর্ক তৃতীয় দেশের চোখে দেখা নয়: জয়শঙ্কর 

ভারত-চীন নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহারে একমত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বৈঠকে বসেন। তবে আলোচনায় আফগানিস্তান নয়, স্থান পেয়েছে চীন-ভারত। বৈঠকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা নিয়েই আলোচনা হয়েছে দেশ দুটির মধ্যে।

তালেবানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর আফগানিস্তানের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে মুখোমুখি হলো ভারত-চীন।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বৈঠকে বসেন। তবে আলোচনায় আফগানিস্তান নয়, স্থান পেয়েছে চীন-ভারত। বৈঠকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা নিয়েই আলোচনা হয়েছে দেশ দুটির মধ্যে।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, ‘ভারত-চীন সম্পর্ক তৃতীয় কোনো পক্ষের চোখ দিয়ে না দেখাই শ্রেয়।’

তাজিকিস্তানের রাজধানীতে সাংহাই করপোরেশন অর্গানাইজেশনের যে বৈঠক সম্মেলন শুরু হয়েছে, তাতেই যোগ দিয়েছে ভারত ও চীন।

সদস্য দেশগুলোর প্রধানমন্ত্রীদের পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও বৈঠকে যোগ দেন। সেখানেই ভার্চুয়াল আলোচনায় এস জয়শঙ্কর পূর্ব লাদাখ থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রসঙ্গ তোলেন।

সীমান্তে শান্তি ফেরাতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় আটকে থাকা সেনা প্রত্যাহারের কাজ দ্রুত শেষ করা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

বৈঠকে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে দুই পক্ষেরই সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরের শীর্ষ নেতাদের দ্রুতই বৈঠকে বসা নিয়ে সহমত জানান।

এস জয়শঙ্কর চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেন, ‘ভারত কখনোই সংঘর্ষের তত্ত্ব মেনে চলেনি এবং ভারত-চীনের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপরই গোটা এশিয়ার ঐক্য নির্ভর করছে।’

একই সঙ্গে তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতেই সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত। আর এই সম্পর্ককে মজবুত করতেই চীনের উচিত ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে অন্য কোনো বা তৃতীয় দেশের চোখ দিয়ে না দেখা।

বৈঠক শেষে টুইটেও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি উল্লেখ করেন। তবে জয়শঙ্কর বৈঠকে ‘তৃতীয় দেশ’ বলে উল্লেখ করলেও, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে ‘তৃতীয় দেশগুলো’ বলা হয়েছে, যা তাৎপর্যপূর্ণ।

বিবৃতিতে কেবল প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের কথা উল্লেখ করা হলেও সূত্রের খবর, দুই দেশের মধ্যে আফগানিস্তান প্রসঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। তালেবানের ক্ষমতা দখল ও সরকার গঠন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত।

তবে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় কীভাবে শান্তি ফেরানো যায়, তা নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।

জয়শঙ্কর জানান, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নত করার লক্ষ্যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা ও বাকি সীমান্ত অঞ্চলগুলোয় শান্তি স্থাপন করা জরুরি।

দ্রুত দুই দেশের সামরিক ও কূটনৈতিক নেতৃত্ব বিষয়টিতে আলোচনায় বসবে।

গত বছরের এপ্রিলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তার জেরে দুই দেশের জন্য ভালো কিছু নয় এবং এর জেরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কেও খারাপ প্রভাব পড়েছে, তা স্বীকার করে নেয়া হয় বৈঠকে।

গত ১৪ জুলাইয়ের বৈঠকের পর দুই পক্ষই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে সেনা প্রত্যাহার ও শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে যে ভালো কাজ করেছে, তার স্বীকৃতি দেয়া হয়।

তবে এখনও পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখাজুড়ে একাধিক সংঘর্ষস্থলে কাজ করা বাকি, সে কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
রাশিয়ায় ২৮ আরোহী নিয়ে নিখোঁজ বিমান
ফিলিপাইনে ৯২ আরোহী নিয়ে বিধ্বস্ত সামরিক বিমান
নেপাল দুর্ঘটনার পর কতটা সুরক্ষিত আকাশভ্রমণ
নেপালে সেই বিমান দুর্ঘটনা এখনও দুঃসহ স্মৃতি

শেয়ার করুন

একাত্তরে মোদি, টিকায় রেকর্ডের কর্মসূচি

একাত্তরে মোদি, টিকায় রেকর্ডের কর্মসূচি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফাইল ছবি

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনকে সামনে রেখে জনগণকে টিকা নিতে উৎসাহ জোগাতে নেতাদের প্রতি তাগিদ দিয়েছে বিজেপি। আর রোজ দেয়া টিকার ডোজ দ্বিগুণ করতে রাজ্যের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

একাত্তরে পা রেখেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদারদাস মোদি। বিশেষ দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে টিকাদানে রেকর্ড গড়তে চাইছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।

১৯৫০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বর্তমান গুজরাটের বড়নগরে জন্মগ্রহণ করেন নরেন্দ্র মোদি।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, সরকারি দপ্তরে মোদির ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘সেবা ও সমর্পণ অভিযান’ নামে ২০ দিনের বিশাল কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বিজেপি।

মোদির জন্মদিনের আগে বৃহস্পতিবার ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুখ মান্দাবিয়া টিকা নিতে জনগণকে উৎসাহ দিয়ে বলেন, ‘আসুন #ভ্যাকসিনসেবা করি এবং এখন পর্যন্ত টিকা না নেয়া লোকজনকে টিকাদানের মাধ্যমে তাকে জন্মদিনের উপহার দিই।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনকে সামনে রেখে জনগণকে টিকা নিতে উৎসাহ জোগাতে নেতাদের প্রতি তাগিদ দিয়েছে বিজেপি। আর রোজ দেয়া টিকার ডোজ দ্বিগুণ করতে রাজ্যের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

বিজেপি শুক্রবার ২ কোটি ডোজ টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে। দলটির এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে প্রায় আট লাখ স্বেচ্ছাসেবী।

বিজেপির ২০ দিনের কর্মসূচি চলবে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত। ২০০১ সালের ওই দিন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে অভিষেক হয়েছিল মোদির।

বৃহত্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবে বড় ধরনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও রক্তদান ক্যাম্পেইনে নামবে বিজেপি। মোদিকে অভিনন্দন জানানোর অংশ হিসেবে দলটি ৫ কোটি পোস্টকার্ডও বিলি করবে।

আরও পড়ুন:
রাশিয়ায় ২৮ আরোহী নিয়ে নিখোঁজ বিমান
ফিলিপাইনে ৯২ আরোহী নিয়ে বিধ্বস্ত সামরিক বিমান
নেপাল দুর্ঘটনার পর কতটা সুরক্ষিত আকাশভ্রমণ
নেপালে সেই বিমান দুর্ঘটনা এখনও দুঃসহ স্মৃতি

শেয়ার করুন