পশ্চিমবঙ্গের ভোট সহিংসতার তদন্ত গড়াল সুপ্রিম কোর্টে

পশ্চিমবঙ্গের ভোট সহিংসতার তদন্ত গড়াল সুপ্রিম কোর্টে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পর সহিংসতার অভিযোগ তদন্তে কলকাতা হাইকোর্ট দায়িত্ব দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে (সিবিআই)। হাইকোর্টের এ নির্দেশের বিরোধিতা করে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন জমা দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

ভোট-পরবর্তী সহিংসতার তদন্তে কলকাতা হাইকোর্টের দেয়া রায়ে সন্তুষ্ট নয় পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (সিবিআই) ভূমিকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে রাজ্য সরকার অবশেষে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে।

হাইকোর্টের নির্দেশের বিরোধিতা করে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন জমা দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পর সহিংসতার অভিযোগ তদন্তে কলকাতা হাইকোর্ট দায়িত্ব দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে (সিবিআই)।

রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে করা আবেদনে জানায়, তদন্তভার সিবিআই'র হাতে গেলে প্রতিহিংসার রাজনীতি হতে পারে। ন্যায় থেকে বঞ্চিত হতে পারে রাজ্য। কারণ কেন্দ্রের নির্দেশে তৃণমূল কর্মীদের মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছে সিবিআই। সিবিআই’র কাছ থেকে নিরপেক্ষ তদন্ত আশা করা যায় না।

হাইকোর্টের দেয়া সিবিআই তদন্তের নির্দেশের পর রাজ্য সরকারের আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে তারা সুপ্রিম কোর্টে যাবেন।

হাইকোর্টের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গে ভোট-পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগ তদন্ত করছে সিবিআই। কিন্তু এ তদন্ত নিয়ে সংশয় প্রকাশ ও বিরোধিতা করছে রাজ্য সরকার। এ অবস্থায় বুধবার হাইকোর্টের রায়ের স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে রাজ্য সরকার।

তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ এ বিষয়ে বলেন, ‘সিবিআই তদন্তের ব্যাপারে সরকারের তরফে আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদনের আধারে যে পদ্ধতিতে এই তদন্ত চলছে, তাতে বহু ফাঁক রয়েছে। রাজ্যের বক্তব্য সঠিকভাবে বিবেচিত হয়নি বলে মনে করছে রাজ্য সরকার। তাই সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দেয়া হয়েছে।’

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার ঘটনায় খুন, ধর্ষণের মতো বড় ঘটনাগুলোর অভিযোগের তদন্তভার কলকাতা হাইকোর্ট গত ১৯ আগস্ট তুলে দেয় সিবিআই’র হাতে। সেই অনুযায়ী কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে নিয়ে রাজ্যের জেলায় জেলায় ঘুরে সিবিআই যাচাই করছে অভিযোগ।

এর আগে হাইকোর্টের নির্দেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন রাজ্যে ভোট-পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিল। এ অবস্থায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে।

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ইতিমধ্যে জমা পড়া বিভিন্ন অভিযোগ তদন্ত করে ৩০টি এফআইআর দায়ের করেছে। বর্তমানে উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গে তিনটি ক্যাম্প অফিস খুলে তারা তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন:
নির্বাচনি সহিংসতা: সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে

লেক্সি লুনা নামের পর্নোস্টারকে নির্বাচিত করা হয়েছে মহাকাশে বিশেষ ভিডিওটির জন্য। ছবি: সংগৃহীত

মহাকাশে সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা যখন চলছে তখন পর্নোগ্রাফি ইন্ড্রাস্ট্রিও সেখানে বিশেষ দৃশ্যধারণের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রচুর দর্শক টানতে এবং বিপুল ভিউ পেতে এডাল্ট কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্ল্যাটফর্ম এ উদ্যোগ নেয়। এর জন্য মহাকাশ ভ্রমণ সংস্থা স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের রকেটের সাহায্য নেয়া হবে। লেক্সি লুনা নামের একজন পর্নোস্টারকে নির্বাচিত করা হয়েছে বিশেষ এই ভিডিওটির জন্য।

মহাকাশ এক বিষ্ময়। এখানে কী আছে, তা নিয়ে গবেষণা করে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। সেখানে গবেষণার জন্য কিছু মানুষ যান, থাকেন। তবে সেই জীবন নির্ভর করে গাণিতিক সমীকরণের ওপর। বিশ্ববাসীর তাই জায়গাটি নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই।

মহাকাশের নানা দৃশ্য দর্শকরা দেখেছেন বিদেশি সিনেমায়। তবে তার সবটুকুই গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশনে করা বা সেট তৈরি করে নির্মিত। স্পেসে গিয়ে দৃশ্যধারণের ঘটনা এখনও ঘটেনি মানব ইতিহাসে। আর এমন প্রতিকূল পরিবেশে দৃশ্যধারণ সম্ভব কী না তা নিয়েও ছিল না কোনো ধারণা।

তা ছাড়া যেখানে মহাকাশ নিয়ে প্রয়োজনীয় গবেষণাই অনেক সময় ও অর্থের ব্যাপার সেখানে মহাকাশে সিনেমার দৃশ্যধারণ তো অকল্পনীয়।

তবে দীর্ঘদিনের গবেষণার ফলে কিছু অগ্রগতি এসেছে মহাকাশে নানা রকম কাজের ব্যাপারে। তাই এখন বিপুল অর্থের বিনিময়ে হলেও দর্শকদের আরও রোমাঞ্চিত করতে ও নতুন দৃশ্য দেখানোর কথা ভাবছেন কেউ কেউ।

এই যেমন টম ক্রুজকে নিয়ে মহাকাশে সিনেমার দৃশ্যধারণের ঘোষণা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ২০২০ সালের মে মাসে এমন কাজ করার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করে নাসা। স্পেস স্টেশনের বাইরে সেই শুটিং করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। তবে সেটি বাস্তবায়ন হয়েছে কী না তা এখনও নিশ্চিত করেনি নাসা বা আন্তর্জাতিক কোনো গণমাধ্যম।

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে
পর্নোগ্রাফি ইন্ড্রাস্ট্রি মহাকাশে বিশেষ দৃশ্যধারণের উদ্যোগ নিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

চলতি মাসেই মহাকাশে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, অক্টোবর মাসেই মহাকাশে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমার দৃশ্যধারণ করবে দেশটি। এর জন্য একজন পরিচালক ও অভিনেত্রী যাবেন মহাকাশে। সিনেমার নাম ‘দ্য চ্যালেঞ্জার।’

সিনেমার জন্য এসব পরিকল্পনা যখন চলছে তখন পর্নোগ্রাফি ইন্ড্রাস্ট্রিও মহাকাশে পর্নোগ্রাফি দৃশ্যধারণের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রচুর দর্শক টানতে এবং বিপুল ভিউ পেতে এডাল্ট কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্ল্যাটফর্ম এর এ উদ্যোগ। এর জন্য মহাকাশ ভ্রমণ সংস্থা স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের রকেটের সাহায্য নেয়া হবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট।

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে
স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। ছবি: সংগৃহীত

লেক্সি লুনা নামের একজন পর্নোস্টারকে নির্বাচিত করা হয়েছে বিশেষ এই ভিডিওটির জন্য। এরইমধ্যে লেক্সির জন্য টিকিটের তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে।

যে সংস্থাটি লেক্সিকে পাঠাচ্ছে সেই সংস্থার রব কেমিনোফি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘সাধারণ মানুষের কাছে যখন মহাকাশে যাওয়ার বিকল্প রাস্তা তৈরি হয়েছে। আমরাও চাই মহাকাশে যেতে। এর জন্য আমরা লেক্সি লুনাকে সেখানে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
নির্বাচনি সহিংসতা: সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

শেয়ার করুন

মমতার ইতালি সফর আটকে দিল বিজেপি সরকার

মমতার ইতালি সফর আটকে দিল বিজেপি সরকার

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি

তৃণমূল নেতা সৌগত রায় বলেন, ‘অত্যন্ত লজ্জার ব্যাপার। নেতিবাচক সিদ্ধান্ত। কেন্দ্রের অনুমতি নেয়া শুধুমাত্র ফর্মালিটি। এই কাজের নিন্দা করছি। জয়শংকর আগে পররাষ্ট্র সচিব ছিলেন। এখন বিজেপির পার্টি লাইন ফলো করছেন।’

ইতালির রোমে ধর্মগুরুদের বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফরে অনুমতি দেয়নি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এক চিঠিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘মুখ্যমন্ত্রী পদের অংশগ্রহণের জন্য অনুষ্ঠানটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’

নিয়ম অনুযায়ী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ওই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি প্রয়োজন হয়।

কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ভয় পেয়ে মমতার বিদেশ যাওয়া নিয়ে রাজনীতি করছে বলে মনে করেন তৃণমূলের একাংশ।

বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা সৌগত রায় বলেন, ‘অত্যন্ত লজ্জার ব্যাপার। নেতিবাচক সিদ্ধান্ত। কেন্দ্রের অনুমতি নেয়া শুধুমাত্র ফর্মালিটি। এই কাজের নিন্দা করছি। জয়শংকর আগে পররাষ্ট্র সচিব ছিলেন। এখন বিজেপির পার্টি লাইন ফলো করছেন।’

এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘এটি স্পর্শকাতর বিষয়। শান্তির আড়ালে বহু জায়গায় বহু কিছু ঘটে। একজন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য রাখা হয় তো যথেষ্ট নয়, বিদেশ মন্ত্রক এমনটা মনে করে থাকতে পারে। সেজন্য অনুমতি দেয়নি।’

বিশ্বশান্তি নিয়ে সারা বিশ্বে কাজ করে ইতালির রোমের বেসরকারি সংস্থা কমিউনিটি অফ সন্ত এগিডিও। সামাজিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৬ ও ৭ অক্টোবর নিজেদের সম্মেলনে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল তারা।

ওই অনুযায়ী বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে উপস্থিত থাকার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। হঠাৎ শুক্রবার গভীর রাতে সফরে সম্মতি না দিয়ে নবান্নে চিঠি পাঠায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মমতা ছাড়াও সম্মেলনে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ পেয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস, জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল ও মিশরের ইমাম।

আরও পড়ুন:
নির্বাচনি সহিংসতা: সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

শেয়ার করুন

সত্যিকারের ‘জেমস বন্ড’ হলেন ডেনিয়েল ক্রেগ

সত্যিকারের ‘জেমস বন্ড’ হলেন ডেনিয়েল ক্রেগ

ডেনিয়েল ক্রেগ

যুক্তরাজ্যের রাজকীয় নৌবাহিনীর প্রধান র‌্যাডাকিন জানান, সত্যিকারের বন্ডের মতই দেশকে নিরাপদ রাখতে রাজকীয় বাহিনীর নৌ কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত নানা ধরনের অভিযানে অংশ নেন। প্রযুক্তি আর দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তারা বন্ডের মতোই অপ্রতিরোধ্য।

জেমস বন্ড হয়ে রূপালী পর্দা কাঁপাচ্ছেন ডেনিয়েল ক্রেগ। এবার যুক্তরাজ্যের রাজকীয় নৌবাহিনীর কর্মকর্তা হয়ে সত্যিকারের বন্ডের বেশে আবির্ভূত হলেন জিরো জিরো সেভেন খ্যাত এই তারকা।

সিনেমার পর্দায় বিশ্বখ্যাত ‘জেমস বন্ড’ চরিত্রটিও একজন ব্রিটিশ নৌবাহিনী কমান্ডরের। বিশ্বজুড়ে একের পর এক অভিযানের মধ্য দিয়ে ব্রিটেনকে নিরাপদ রাখাই তার লক্ষ্য।

গত ১৫ বছর ধরে পর্দার জেমস বন্ড হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ডেনিয়েল ক্রেগও রাজকীয় নৌবাহিনীতে কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এক বিবৃতিতে ক্রেগের নিয়োগ প্রসঙ্গে রাজকীয় বাহিনীর প্রধান এডমিরাল স্যার টনি র‌্যাডাকিন বলেছেন, ‘সম্মানিত কমান্ডার ডেনিয়েল ক্রেগকে স্বাগত জানিয়ে আমি আনন্দিত।’

র‌্যাডাকিন জানান, সত্যিকারের বন্ডের মতই দেশকে নিরাপদ রাখতে রাজকীয় বাহিনীর নৌ কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত নানা ধরনের অভিযানে অংশ নেন। প্রযুক্তি আর দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তারা বন্ডের মতোই অপ্রতিরোধ্য।

বিবৃতিতে জানানো হয়, কমান্ডার পদবি গ্রহণের মধ্য দিয়ে সম্মানের দিক থেকে রাজকীয় নৌবাহিনী পরিবারে ডেনিয়েল ক্রেগ এখন সপ্তম সর্বোচ্চ ব্যাক্তিত্ব।

সম্প্রতি জেমস বন্ড সিরিজের ‘নো টাইম টু ডাই’ সিজনে অংশ নিয়ে রূপালী পর্দায় পঞ্চমবারের মত বন্ড হলেন ডেনিয়েল ক্রেগ। এই সিনেমাটিতে ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর নতুন কিছু প্রযুক্তিকে হাজির করা হয়েছে পৃথিবীর সামনে।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘নো টাইম টু ডাই’ সিনেমাটিতে তাদের ৪৫ এয়ার ডিফেন্সের এইচএমএস ড্রাগন নামে একটি নতুন ডেস্ট্রয়ারকে হাজির করা হয়েছে। ৮ হাজার টন ওজন এবং ১৫২ মিটার দীর্ঘ এই যুদ্ধজাহাজটিতে বিশ্বের আধুনিকতম বিভিন্ন প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হয়েছে। গত জুলাইয়ে স্কটল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সামরিক মহড়ায় অগ্রসরমান একটি মিসাইলকে লাখ লাখ টুকরোয় ছিন্ন ভিন্ন করে দিয়েছে এই জাহাজের নিরাপত্তা প্রযুক্তি।

নতুন নিয়োগের মধ্য দিয়ে অবৈতনিক কর্মকর্তা হলেও ডেনিয়েল ক্রেগ নানা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।

রাজকীয় নৌ বাহিনীর প্রধান র‌্যাডাকিন বলেন, ‘আমাদের সম্মিানিত অবৈতনিক কর্মকর্তারা বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূতের ভূমিকা পালন ছাড়াও এই বাহিনীর শক্তিমত্তাকে সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরেন।’

আরও পড়ুন:
নির্বাচনি সহিংসতা: সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

শেয়ার করুন

নিজেদের অবস্থান তালেবানকে জানাল যুক্তরাষ্ট্র-ভারত

নিজেদের অবস্থান তালেবানকে জানাল যুক্তরাষ্ট্র-ভারত

হোয়াইট হাউজে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: পিটিআই

যুক্তরাষ্ট্র-ভারতের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘কাবুল পতনের পর তালেবান যেসব অঙ্গীকার করেছিল, তা তাদের মানতে হবে। আফগানিস্তান থেকে দেশি-বিদেশি সব নাগরিককে নিরাপদে দেশত্যাগের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া নারী, শিশু ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সবাইকে প্রাপ্য মর্যাদা দিতে হবে।’

অঙ্গীকার অনুযায়ী কাজ করতে এবং নারী, শিশু, জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ সব আফগান নাগরিকের অধিকারের প্রতি সম্মান জানাতে তালেবান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র।

হোয়াইট হাউসে স্থানীয় সময় শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রথম সরাসরি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়।

এর পরই যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের পক্ষ থেকে যৌথ এক বিবৃতিতে তালেবান সরকারের প্রতি ওই আহ্বান জানানো হয় বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত তালেবানকে অবশ্যই মানতে হবে বলে বৈঠকে একমত পোষণ করেন বাইডেন ও মোদি।

গত মাসে তালেবানের হাতে কাবুল পতনের দুই সপ্তাহ পর ৩০ আগস্ট জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে রেজল্যুশন ২৫৯৩ (২০২১) গৃহীত হয়।

এতে বলা হয়, অন্য দেশে হামলা চালাতে আফগানিস্তানের মাটি ফের কোনো গোষ্ঠীকে ব্যবহার করতে দেয়া যাবে না।

একই সঙ্গে আফগান ভূখণ্ডে সন্ত্রাসীদের আশ্রয় বা প্রশিক্ষণ কর্মকাণ্ড চালানোর অনুমতি না দেয়া এবং কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা বা অর্থায়ন না করার কথাও ওই রেজল্যুশনে বলা হয়।

যুক্তরাষ্ট্র-ভারতের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘কাবুল পতনের পর তালেবান যেসব অঙ্গীকার করেছিল, তা তাদের মানতে হবে।

‘আফগানিস্তান থেকে দেশি-বিদেশি সব নাগরিককে নিরাপদে দেশত্যাগের ব্যবস্থা করতে হবে।

‘এ ছাড়া নারী, শিশু ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সবাইকে প্রাপ্য মর্যাদা দিতে হবে।’

১৫ আগস্ট কাবুল পতনের মাধ্যমে আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ তালেবানের হাতে চলে যায়। চলতি মাসের শুরুতে নিজেদের ৩৩ নেতা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করে তালেবান।

আরও পড়ুন:
নির্বাচনি সহিংসতা: সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

শেয়ার করুন

জাতিসংঘে কথা বলতে মিয়ানমারের প্রতিনিধি নেই

জাতিসংঘে কথা বলতে মিয়ানমারের প্রতিনিধি নেই

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এবারের অধিবেশনে মিয়ানমারের কেউ থাকছেন না। ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘে মিয়ানমারের বর্তমান রাষ্ট্রদূত কিয়াও মোয়ে তুন বলেন, ‘জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তাদের তালিকা থেকে নিজের নাম সরিয়ে নিয়েছি। আমি এবারের সাধারণ বিতর্কে অংশ নেব না।’

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এবারের অধিবেশনে মিয়ানমার থেকে কেউ প্রতিনিধিত্ব করছেন না।

সংস্থাটির এক মুখপাত্র স্থানীয় সময় শুক্রবার এ তথ্য জানান বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

জাতিসংঘের মুখপাত্র স্তেফান দুজারিক বলেন, ‘এবারের অধিবেশনে মিয়ানমার থেকে কেউ কথা বলছেন না।’

জাতিসংঘে মিয়ানমারের বর্তমান রাষ্ট্রদূত কিয়াও মোয়ে তুন। দেশটির নির্বাচিত সাবেক স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি তাকে নিয়োগ দিয়েছিলেন।

সোমবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের শেষ দিনে সংস্থাটির ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের সামনে মোয়ে তুনের বক্তৃতা দেয়ার কথা ছিল।

তবে কূটনীতিকরা জানিয়েছেন, চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র মোয়ে তুনের বিষয়ে এক ধরনের ঐকমত্যে পৌঁছেছে।

রাশিয়া ও চীনের ভাষ্য, জাতিসংঘে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের পদে মোয়ে তুন থাকতে পারবেন যদি তিনি সংস্থাটির উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ না নেন।

মোয়ে তুন রয়টার্সকে বলেন, ‘জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তাদের তালিকা থেকে নিজের নাম সরিয়ে নিয়েছি।

‘আমি এবারের সাধারণ বিতর্কে অংশ নেব না।’

তিনি বলেন, ‘আমাকে নিয়ে রাশিয়া, চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ জাতিসংঘের কয়েকটি সদস্য রাষ্ট্রের ঐকমত্যের বিষয়ে অবগত রয়েছি।’

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারের জান্তা সরকার জাতিসংঘে তাদের রাষ্ট্রদূত হিসেবে সামরিক কর্মকর্তা অং থুরেইনের নাম প্রস্তাব করে।

একই সঙ্গে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত হিসেবে মোয়ে তুনকে জাতিসংঘের স্বীকৃতি নবায়ন করতে বলা হয়।

সামরিক অভ্যুত্থানের বিরোধিতা করায় মোয়ে তুনকে হত্যা বা জখমের পরিকল্পনা মিয়ানমারের জান্তা সরকার করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে গত মাসে আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ তালেবানের হাতে যাওয়ার পর জাতিসংঘে দেশটির প্রতিনিধিত্ব নিয়েও আলোচনা উঠেছে।

জাতিসংঘের মুখপাত্র দুজারিক বলেন, ‘সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে আফগানিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করবেন গোলাম এম ইসাকজাই।’

জাতিসংঘে আফগানিস্তানের রাষ্ট্রদূত হিসেবে তালেবানের হাতে ক্ষমতাচ্যুত পশ্চিমা সমর্থিত দেশটির সাবেক সরকারের নিয়োগ পেয়েছিলেন ইসাকজাই।

নবগঠিত তালেবানের অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়েছিলেন।

এ জন্য জাতিসংঘে আফগানিস্তানের রাষ্ট্রদূত হিসেবে তালেবানের মুখপাত্র সুহেইল শাহীনকে মনোনয়নও দেন মুত্তাকি।

সাধারণত বছরের অক্টোবর বা নভেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়াসহ জাতিসংঘের ৯ সদস্যের এক কমিটি সংস্থাটির স্বীকৃতি নিয়ে আলোচনায় বসে।

তাই তালেবান মনোনীত প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি ওই কমিটি।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের নিয়ম অনুযায়ী, সংস্থাটির ৯ সদস্যের ওই কমিটি সিদ্ধান্ত না নেয়া পর্যন্ত মোয়ে তুন ও ইসাকজাই উভয়ই সংস্থাটিতে নিজ নিজ দেশকে প্রতিনিধিত্ব করবেন।

আরও পড়ুন:
নির্বাচনি সহিংসতা: সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

শেয়ার করুন

কংগ্রেস পচা ডোবা, তৃণমূলই সমুদ্র

কংগ্রেস পচা ডোবা, তৃণমূলই সমুদ্র

কংগ্রেসনেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি

শনিবার তৃণমূলের মুখপত্র জাগো বাংলার সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, ‘এখনকার কংগ্রেস ব্যর্থ, দিশাহীন। তৃণমূলকে হারাতে এরা সিপিএমের সঙ্গে জোট করে বিজেপিকে সুবিধা করে দেয়ার চেষ্টা করছে। কংগ্রেসের ঐতিহ্যের পতাকা তো তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে। এটাই সমুদ্র। পচা ডোবা আজ অপ্রাসঙ্গিক।’

‘কংগ্রেসের ঐতিহ্যের পতাকা তো তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে। এটাই সমুদ্র। পচা ডোবা আজ অপ্রাসঙ্গিক।’ কংগ্রেসকে পচা ডোবার সঙ্গে তুলনা করে তৃণমূলের মুখপত্র জাগো বাংলার সম্পাদকীয়তে এমন মন্তব্য করা হয়েছে।

শনিবার দলের মুখপত্রে প্রকাশিত হয়েছে, ‘এখনকার কংগ্রেস ব্যর্থ, দিশাহীন। তৃণমূলকে হারাতে এরা সিপিএমের সঙ্গে জোট করে বিজেপিকে সুবিধা করে দেয়ার চেষ্টা করছে। কংগ্রেসের ঐতিহ্যের পতাকা তো তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে। এটাই সমুদ্র। পচা ডোবা আজ অপ্রাসঙ্গিক।’

শুক্রবার ভবানীপুরে ভোটের প্রচারে গিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন তৃণমূল নেত্রীও।

তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতাসীন বিজেপির প্রতিহিংসার রাজনীতির পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই, ইডি দিয়ে নারদা ঘুষ কেলেঙ্কারি, চিটফান্ড কেলেঙ্কারি, কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গে অভিযোগ করে বলেন, ‘সিপিএম বাংলায় কত বছর রাজনীতি করেছে? ৩৪ বছর। কত অন্যায় করেছে? ওদের বিরুদ্ধে সিবিআই মামলা করেছে? কিছু বলেনি। শুধু চিদাম্বরমের গায়ে হাত দিয়েছে। কিন্তু কংগ্রেসের মাথায়, গায়ে হাত দেয় নি।’

‘আমাদের দলের কে বাদ আছে? যে পার্টিটা সব থেকে সৎ, সবার চেয়ে নির্ভীকভাবে লড়াই করে। তাদের সবাইকে ডেকে পাঠাচ্ছে। সৌগত রায়ের মত মানুষকে ডেকে পাঠাচ্ছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠাচ্ছে। ছেলে, মেয়ে বাড়ির কাজের লোকেদের পর্যন্ত ডাকছে।’

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণে গিয়ে বলেছেন, ‘কংগ্রেসের মতো দল ঘরে বসে গেলেও তৃণমূল আরও শক্তি বাড়িয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়বে।’

সম্প্রতি নারদা ঘুষ কেলেঙ্কারি, চিটফান্ড কেলেঙ্কারি, কয়লা পাচার ইত্যাদি মামলায় তৃণমূলের একাধিক নেতাকর্মীকে ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডি, সিবিআই। আর কেন্দ্রে মোদিবিরোধী জোটের নেতৃত্বের প্রশ্ন তৃণমূলের সামনে ঝুলিয়ে রেখে নীরব অবস্থানে রয়েছে কংগ্রেস। আর বিজেপি নানাভাবে তৃণমূলকে কোনঠাসা করার চেষ্টা করছে।

কংগ্রেসের এই অবস্থানকে ধাক্কা দিয়ে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে বিজেপিবিরোধী জোটের নেতৃত্ব তৃণমূল কংগ্রেস দিতে চায় বলে নানাভাবে কংগ্রেসকে বার্তা দেয়া হচ্ছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মত।

তৃণমূলের এই অবস্থানে কেন্দ্রে বিজেপিবিরোধী জোট প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, ‘বিরোধী ঐক্য যখন জমাট বাঁধছে, তাতে নরেন্দ্র মোদির আতঙ্ক বাড়ছে। সেই আতঙ্ক কাটানোর দায়িত্ব নিয়েছেন দিদি। সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বিরোধী শিবিরের বৈঠক করেছেন, আবার তাদের অপরাধী বানাচ্ছেন। বিরোধী ঐক্যে ফাটল ধরলে বিজেপিরই লাভ হবে।’

আরও পড়ুন:
নির্বাচনি সহিংসতা: সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

শেয়ার করুন

নারী অধিকারকর্মী কমলা ভাসিনের প্রয়াণ

নারী অধিকারকর্মী কমলা ভাসিনের প্রয়াণ

ভারতীয় নারী অধিকারকর্মী ও লেখক কমলা ভাসিন আর নেই। ছবি: সংগৃহীত

কমলা ভাসিনের মৃত্যুর খবর জানিয়ে ভারতীয় নারী অধিকারকর্মী কবিতা শ্রীবাস্তব টুইটবার্তায় বলেন, ‘বৈচিত্র্যের মধ্যে কাজ করতে ভালোবাসতেন কমলা। কমলা, আপনি চিরদিন আমাদের হৃদয়ে থাকবেন। নারীসমাজ কমলার অন্তিম যাত্রায় গভীরভাবে শোকাহত।’

ভারতের প্রখ্যাত নারী অধিকারকর্মী ও লেখক কমলা ভাসিন আর নেই।

শুক্রবার দিবাগত রাতে তার মৃত্যু হয় বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

কমলা ভাসিনের মৃত্যুর খবর জানিয়ে ভারতীয় আরেক নারী অধিকারকর্মী কবিতা শ্রীবাস্তব টুইটবার্তায় বলেন, ‘শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে আমাদের প্রাণপ্রিয় বন্ধু কমলা ভাসিন চলে গেছেন। কমলার প্রয়াণ ভারতসহ পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় নারী আন্দোলনে বড় ধরনের আঘাত।’

তিনি বলেন, ‘বৈচিত্র্যের মধ্যে কাজ করতে ভালোবাসতেন কমলা। কমলা, আপনি চিরদিন আমাদের হৃদয়ে থাকবেন। নারীসমাজ কমলার অন্তিম যাত্রায় গভীরভাবে শোকাহত।’

৭০-এর দশকে ভারতের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ায় নারী আন্দোলনে আলোচিত ব্যক্তিত্বে পরিণত হন কমলা।

গ্রামীণ ও আদিবাসী সুবিধাবঞ্চিত নারীদের নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যে ২০০২ সালে ‘সঙ্গত’ নামে নারীবাদী নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।

মঞ্চনাটক, গান ও অন্যান্য শিল্পকলার মাধ্যমে নারীদের বঞ্চনার কথা তুলে ধরে সঙ্গত।

নারীবাদ ও জেন্ডার তত্ত্ব নিয়ে বেশ কয়েকটি বই লেখেন কমলা, যেগুলো ৩০টির বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

কয়েক দশক ধরে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে ‘আজাদি’ স্লোগান দেয়া হয়ে আসছে।

পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে কমলাই প্রথম ওই স্লোগানকে হাজির করেন, যা পরে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

আরও পড়ুন:
নির্বাচনি সহিংসতা: সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

শেয়ার করুন