× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
63 schoolchildren abducted in Nigeria
hear-news
player
print-icon

স্কুল থেকে ৭৩ শিক্ষার্থীকে নিয়ে গেল বন্দুকধারীরা

স্কুল-থেকে-৭৩-শিক্ষার্থীকে-নিয়ে-গেল-বন্দুকধারীরা
নাইজেরিয়ায় আট মাসে এক হাজারের বেশি স্কুলশিক্ষার্থী অপহরণ হয়েছে। ছবি: এএফপি
নাইজেরিয়ায় প্রায়ই বিপুলসংখ্যক স্কুলশিক্ষার্থীকে অপহরণের পর অভিভাবকদের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে সন্ত্রাসীরা। চলমান পরিস্থিতিতে জামফারাসহ দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় বেশ কয়েকটি প্রদেশে বাসিন্দাদের চলাফেরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে প্রশাসন।

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ৭৩ জনের বেশি স্কুলশিক্ষার্থীকে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা অপহরণ করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, এ নিয়ে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে আট মাসে এক হাজারের বেশি স্কুলশিক্ষার্থী অপহরণের শিকার হয়েছে।

জামফারা প্রাদেশিক পুলিশের মুখপাত্র মোহাম্মদ শিহু এক বিবৃতিতে জানান, প্রত্যন্ত কায়া গ্রামে স্থানীয় সময় বুধবার সকালে একটি সরকারি স্কুলে হামলা চালায় দুর্বৃত্তদের বড় একটি দল।

তিনি বলেন, ‘হামলার পরপরই স্কুলের ভেতরে ঢুকে শিক্ষার্থীদের তুলে নিয়ে যায় সশস্ত্র ডাকাতরা।’

শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে সেনাবাহিনীর সঙ্গে যৌথ অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।

নাইজেরিয়ায় বিভিন্ন অপরাধী চক্র স্থানীয়ভাবে ‘ডাকাত’ হিসেবে পরিচিত। অনেক বছর ধরে স্থানীয়দের মধ্যে ভীতি তৈরি করে চলেছে সন্ত্রাসীরা। সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে বেশ হিমশিম খাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনীগুলো।

প্রায়ই বিপুলসংখ্যক স্কুলশিক্ষার্থীকে অপহরণের পর অভিভাবকদের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে সন্ত্রাসীরা। বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দেয়া হলেও হত্যার শিকারও হয়েছে অনেকে।

চলমান পরিস্থিতিতে জামফারাসহ নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় বেশ কয়েকটি প্রদেশে বাসিন্দাদের চলাফেরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে প্রশাসন। গণঅপহরণ ও অন্যান্য সহিংসতা ঠেকাতে নেয়া হয়েছে এ পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন:
নাইজেরিয়ায় ফের দস্যুদের গুলিতে ৩৫ গ্রামবাসী নিহত
নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের গুলিতে অর্ধশতাধিক গ্রামবাসী নিহত
বোকো হারামের প্রধান আত্মহত্যা করেছেন: আইএস
নাইজেরিয়ায় ইসলামি স্কুল থেকে ২০০ শিশুকে অপহরণ
নৌকা দ্বিখণ্ডিত, নিখোঁজ ১৪০ যাত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
The two pilots who fell asleep in the cockpit were fired

ককপিটে ঘুমিয়ে পড়া সেই দুই পাইলট বরখাস্ত

ককপিটে ঘুমিয়ে পড়া সেই দুই পাইলট বরখাস্ত প্রতীকী ছবি
ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস শনিবার জানিয়েছে, পরবর্তী তদন্ত শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে পাইলটদ্বয়কে। তদন্ত শেষে দুজনের বিষয়ে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

৩৭ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়োজাহাজের ককপিটে ঘুমিয়ে পড়া ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের দুই পাইলটকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

গত সোমবারের ঘটনায় দুজনের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেয়া হয় বলে এবিসি নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

আকাশযান সংক্রান্ত সংবাদমাধ্যম দ্য এভিয়েশন হেরাল্ডের খবরে বলা হয়, ঘটনার দিন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের মাধ্যমে ঘুমন্ত ওই দুই পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না, তবে অটোপাইলট ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর অ্যালার্মে ঘুম ভাঙে তাদের।

সজাগ হওয়ার পর পরিস্থিতি সামলে নিতে সক্ষম হন পাইলটদ্বয়। পরে ২৫ মিনিট দেরিতে ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় নিরাপদে উড়োজাহাজটি অবতরণে সক্ষম হন তারা।

আরও পড়ুন: ৩৭ হাজার ফুট ওপরে ঘুমাচ্ছিলেন পাইলটরা

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজটি সুদানের রাজধানী খার্তুম থেকে সঠিক পথ ধরেই আদ্দিস আব্বার দিকে যাচ্ছিল, কিন্তু অবতরণ না করে এটি ৩৭ হাজার ফুট উঁচুতে ঝুলে থাকে।

ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস শনিবার জানিয়েছে, পরবর্তী তদন্ত শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে পাইলটদ্বয়কে।

এয়ারলাইনসটি আরও জানায়, তদন্ত শেষে দুজনের বিষয়ে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
৩৭ হাজার ফুট ওপরে ঘুমাচ্ছিলেন পাইলটরা
পুলিশ এভিয়েশনে পাইলট চার এএসপি
পদ্মাপাড়ে পাইলটের ‘নোঙর’
পাইলট নওশাদকে নিয়ে ৩ বন্ধুর আবেগময় স্মৃতিচারণা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Pilots were sleeping at 37000 feet

৩৭ হাজার ফুট ওপরে ঘুমাচ্ছিলেন পাইলটরা

৩৭ হাজার ফুট ওপরে ঘুমাচ্ছিলেন পাইলটরা প্রতীকী ছবি
এভিয়েশন বিশ্লেষক অ্যালেক্স মাচেরাস এ ঘটনাকে ‘গভীর উদ্বেগজনক’ বলছেন। পাইলটের ক্লান্তিকে এর জন্য দায়ী করেছেন তিনি।

সুদানের খার্তুম থেকে ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায় যাচ্ছিল ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের বিমানটি। তবে আদ্দিস আবাবায় নামার চেষ্টা করলেও ৩৭ হাজার ফুট ওপরে বিমানটি ঝুলে থাকে। এতে চিন্তায় পড়ে যান এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) কর্মকর্তারা। তারা কয়েক দফা পাইলটদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। তবে তা ব্যর্থ হয়।

পরে জানা যায়, দুই পাইলটই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন বিমানের অটোপাইলট সিস্টেম চালু করে। যে রানওয়েতে বিমানটি নামার কথা ছিল, সেটির ওপরে আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় অটোপাইলট সিস্টেম সংযোগ। বিমানে বেজে ওঠে সাইরেন। আর এতেই ঘুম ভাঙে পাইলটদের।

এভিয়েশন হেরাল্ড বলছে, ইটি৩৪৩ ফ্লাইটের দুই পাইলটই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। তখন বোয়িং ৭৩৭-এর অটোপাইলট সিস্টেম বিমানটিকে ৩৭ হাজার ফুট ওপরে রেখেছিল। ২৫ মিনিট পর রানওয়েতে অবতরণের চেষ্টা করেন পাইলটরা।

৩৭ হাজার ফুট ওপরে ঘুমাচ্ছিলেন পাইলটরা

ভাগ্যক্রমে এ ঘটনায় কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। বিমানটিকে নিরাপদেই অবতরণ করেন পাইলটরা। ফ্লাইটটিতে যাত্রী কতজন ছিল তা জানা যায়নি।

এভিয়েশন সার্ভিল্যান্স সিস্টেম এডিএস-বি জানায়, সোমবার এ ঘটনা ঘটে। তারা বিমানের যাত্রাপথের একটি ছবিও শেয়ার করেছে।

৩৭ হাজার ফুট ওপরে ঘুমাচ্ছিলেন পাইলটরা

এভিয়েশন বিশ্লেষক অ্যালেক্স মাচেরাস এ ঘটনাকে ‘গভীর উদ্বেগজনক’ বলছেন। পাইলটের ক্লান্তিকে এর জন্য দায়ী করেছেন তিনি।

একই ধরনের ঘটনা মে মাসেও ঘটেছিল। নিউ ইয়র্ক থেকে রোমের ফ্লাইটে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন দুই পাইলট। তখন বিমানটি ৩৮ হাজার ফুট ওপর দিয়ে যাচ্ছিল।

এভিয়েশন রেগুলেটর ঘটনাটি তদন্ত করে। তারা জানায়, আইটিএ এয়ারওয়েজের এয়ারবাস-৩৩০ ফ্লাইটি ফ্রান্সের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় ঘুমাচ্ছিলেন পাইলটরা।

আরও পড়ুন:
পুলিশ এভিয়েশনে পাইলট চার এএসপি
পদ্মাপাড়ে পাইলটের ‘নোঙর’
পাইলট নওশাদকে নিয়ে ৩ বন্ধুর আবেগময় স্মৃতিচারণা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
275 million people in the world will need humanitarian assistance

বিশ্বে সাড়ে ২৭ কোটি মানুষের মানবিক সহায়তা লাগবে

বিশ্বে সাড়ে ২৭ কোটি মানুষের মানবিক সহায়তা লাগবে সহিংসতা ও সংঘাতের কারণে চলতি বছর আফগানিস্তানের কান্দাহারে এই তিনবোনসহ তাদের পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়। ছবি: ওসিএইচএ
২০২১ সালে বিশ্বে সাড়ে ২৩ কোটি মানুষের এমন সুরক্ষার প্রয়োজন ছিল। চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণেই মূলত এই বছর আরও সাড়ে চার কোটি মানুষের এমন সহায়তা নিতে হতে পারে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে। এই তালিকায় বাংলাদেশের নাম নেই।

চলতি বছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ২৭ কোটি ৪০ লাখ মানুষের মানবিক সহায়তা এবং সুরক্ষার প্রয়োজন হবে। বিশ্ব মানবতা দিবসের এক দিন আগে বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ এ তথ্য দিয়েছে।

গ্লোবাল হিউম্যানিটেরিয়ান ওভারভিউ-২০২২ শিরোনামের একটি প্রতিবেদনে বিশ্বসংস্থাটির মানবিকবিষয়ক সমন্বয় কার্যালয় (ওসিএইচএ) বলেছে, ‘২০২২ সালে ২৭ কোটি ৪০ লাখ মানুষের মানবিক সহায়তা এবং সুরক্ষা প্রয়োজন হতে পারে।’

ওসিএইচএ জানিয়েছে, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক কঙ্গোর (ডিআরসি) সবচেয়ে বেশি ২ কোটি ৭০ লাখ বাসিন্দার এমন সহায়তা লাগবে। কঙ্গো থেকে ১০ লাখ কম এমন সহায়তাপ্রত্যাশী নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আফ্রিকার আরেকটি দেশ ইথিওপিয়া।

আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা নেয়া এক বছর পর অর্থনৈতিক ও মানবিক সংকটে পড়ে যায় দেশটির বাসিন্দারা। এতে করে চলতি বছর প্রায় আড়াই কোটি মানুষের এমন জরুরি সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে।

চতুর্থ অবস্থানে থাকা ইয়েমেনের দুই কোটির বেশি মানুষের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে।

মিয়ানমারের প্রায় দেড় কোটি মানুষ মানবিক বিপর্যয়ে পড়ে যেতে পারে।

সুদান ও সিরিয়ার প্রায় তিন কোটি মানুষের এমন সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে।

এই তালিকায় বাংলাদেশের নাম নেই। তবে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর হামলা, নিপীড়ন ও হত্যার শিকার হয়ে প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া প্রায় ১৪ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জরুরি মানবিক সহায়তার এ তালিকায় রয়েছে।

২০২১ সালে বিশ্বে সাড়ে ২৩ কোটি মানুষের এমন সুরক্ষার প্রয়োজন ছিল। চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণেই মূলত এই বছর আরও সাড়ে চার কোটি মানুষের এমন সহায়তা নিতে হতে পারে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

গত বছরের সংখ্যাটিই কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল।

জাতিসংঘের সংস্থাটি গত বছরের প্রতিবেদনেও উল্লেখ করেছে, সারা বিশ্বে প্রতি ৩৩ জনের মধ্যে একজনের মানবিক সহায়তার প্রয়োজন হয়েছে।

২০১৯ সালে বিশ্বব্যাপী মানবিক সহায়তার প্রয়োজন এমন মানুষের সংখ্যা ছিল ১৩ কোটি ২০ লাখ। কেবল তিন বছরের ব্যবধানে এই বছর প্রায় সাড়ে ২৭ কোটি হয়ে যেতে পারে বলে শঙ্কা জানিয়েছে সংস্থাটি।

২০০৩ সালের ১৯ আগস্ট ইরাকের রাজধানী বাগদাদে দেশটিতে জাতিসংঘের কার্যালয়ে চালানো বোমা হামলায় ২২ আন্তর্জাতিক সহায়তা কর্মী নিহতের পঞ্চম বছরে ২০০৮ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ নিন্দা প্রস্তাব গৃহীত হয়। এর পর প্রতি বছর ওই সহায়তা কর্মীদের আত্মদানের স্মরণে ওই দিনটিতে বিশ্ব মানবতা দিবস পালিত হয়ে আসছে।

ওসিএইচএর আরেকটি প্রতিবেদনে গেল বছর হামলার শিকার হওয়া জরুরি সহায়তা ও ত্রাণকর্মীর সংখ্যা প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে ২০২১ সালে কমপক্ষে ৪৬০ জনেরও বেশি মানবিক সহায়তা কর্মী হামলার শিকার হন। এদের মধ্যে ১৪০ জন নিহত হন।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
26 were killed in a terrible fire in Algeria

আলজেরিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ২৬ মৃত্যু

আলজেরিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ২৬ মৃত্যু গত বছরে আলজেরিয়ার দাবানলে ১ লাখ হেক্টর বনভূমি পুড়ে গিয়েছিল। ছবি: সংগৃহীত
উত্তর আলজেরিয়ায় প্রায় প্রতি বছরই দাবানলের ঘটনা ঘটছে। গত বছরও দেশটিতে দাবানলে ৯০ জন মারা যান এবং ১ লাখ হেক্টর বনভূমি পুড়ে যায়। এ বছরের দাবানল ভয়াবহ রূপ লাভ করেছে দেশটির উত্তরাঞ্চলে তিউনিসিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায়।

উত্তর আলজেরিয়ার বনাঞ্চলে দাবানলে অন্তত ২৬ জন মারা গেছেন এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামেল বেল্ডজৌদ বলেছেন, দাবানলে তিউনিসিয়ার সীমান্তবর্তী এল তারফে ২৪ জন এবং সেতিফে মা ও মেয়ে মারা গেছেন।

ফায়ার ফাইটারদের হেলিকপ্টারের সহায়তা নিয়ে বুধবার সন্ধ্যাতেও বেশ কয়েকটি স্থানে দাবানল নেভানোর চেষ্টা করতে দেখা গেছে।

বিভিন্ন প্রদেশের ৩৫০ জন বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

আলজেরিয়ার সিভিল প্রোটেকশন এজেন্সি জানিয়েছে, এল তারফের অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ। এই এলাকার ১৬টি স্থানে আগুন লেগেছে।

সেতিফে মারা যাওয়া ৫৮ বছর বয়সী মা ও ৩৬ বছর বয়সী মেয়ের নাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবে সেখানকার কর্মকর্তারা বলেছেন, দাবানল গ্রামে পৌঁছে গেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর আলজেরিয়ায় প্রায় প্রতি বছরই দাবানলের ঘটনা ঘটছে। গত বছরও দেশটিতে দাবানলে ৯০ জন মারা যান এবং ১ লাখ হেক্টর বনভূমি পুড়ে যায়।

যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামেল বেল্ডজৌদ গত বছরের দাবানলকে পরিকল্পিত বলে দাবি করেছিলেন।

এ বছর বিশ্বের অনেক দেশেই উচ্চ তাপমাত্রা ও দাবানলের ঘটনা ঘটছে। ইউরোপের ফ্রান্স, গ্রীস, পর্তুগাল, স্পেন ও ইতালি দাবানলের মতো ঘটনার বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রতেও বেশ কয়েকটি দাবানলের ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন:
বিশ্ব ফুটছে দাবদাহে
আগ্রাসী হচ্ছে দাবানল
ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে ফ্রান্স স্পেন পর্তুগাল
ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানল: হুমকিতে ৩ হাজার বছর বয়সী গাছ
আগুন থেকে বাঁচতে কম্বল গায়ে বিশ্বের বৃহত্তম গাছ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
US airstrike 13 killed in Somalia

আমেরিকার বিমান হামলা: সোমালিয়ায় নিহত ১৩

আমেরিকার বিমান হামলা: সোমালিয়ায় নিহত ১৩ চলতি মাসে আল-শাবাবের ওপর দুই দফা বিমান হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। ছবি: সংগৃহীত
আফ্রিকার সেন্ট্রাল কমান্ড ৯ আগস্ট আল শাবাবের ওপর হামলার বিষয়টি বিবৃতি দিয়ে জানালেও সাম্প্রতিক হামলার বিষয়ে কিছু বলেনি। তবে সোমালিয়ার রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশন বলছে, আল শাবাবের ওপর আকাশ পথে আবারও চড়াও হয়েছে আমেরিকা।

মধ্য সোমালিয়ায় আমেরিকার বিমান হামলায় ১৩ আল-শাবাব জঙ্গি নিহত হয়েছেন।

তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার সোমালিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভশনে দেশটির কর্মকর্তারাই এমনটা জানিয়েছেন।

সোমালি ন্যাশনাল টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, সোমালি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

সোমালিয়ার সামরিক কর্মকর্তাদের গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার অনুমোদন নেই, তাই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সেনা কর্মকর্তা আনাদোলুকে জানিয়েছেন, আমেরিকা বিমান হামলা চালিয়ে সন্ত্রাসীদের আস্তানা ধ্বংস করেছে।

যদিও আমেরিকার সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে বিমান হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি।

এর আগে আমেরিকার সশস্ত্র বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছিল, ৯ আগস্ট সোমালিয়ার প্রদেশ হিরানের রাজধানী বেলেডওয়েনের লাচজে সোমালি ন্যাশনাল আর্মির ওপর যারা আক্রমণ করেছিল, সেই আল শাবাব গোষ্ঠীর ওপর তিনটি বিমান হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এই হামলাগুলোতে আল-শাবাবের ৯ সদস্য নিহত হন।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন সোমালি প্রেসিডেন্ট
সোমালিয়ায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ৮
সোমালিয়ায় আত্মঘাতী গাড়িবোমায় নিহত ২০

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Church fire in Giza kills at least 41 including children

গিজায় চার্চে আগুন, শিশুসহ কমপক্ষে ৪১ মৃত্যু

গিজায় চার্চে আগুন, শিশুসহ কমপক্ষে ৪১ মৃত্যু
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, গিজার কপটিক আবু সিফিন গির্জায় বৈদ্যুতিক তার থেকে আগুন লাগে। এ সময় গির্জায় ৫ হাজারের বেশি মানুষ উপস্থিত ছিল। আগুনের কারণে বের হওয়ার পথটি বন্ধ হয়ে গেলে বিকল্প পথে সবাই এক সঙ্গে নামার চেষ্টা করেছিল। এতে পদদলিত হয়ে অনেক মৃত্যু হয়।  

মিসরের একটি চার্চে আগুনের ঘটনায় শিশুসহ কমপক্ষে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাড়াহুড়ো করে পালাতে গিয়ে পিষ্ট হয়ে মারা গেছেন অনেকে। স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে আগুন লাগে চার্চটিতে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, গিজার কপটিক আবু সিফিন চার্চে বৈদ্যুতিক তার থেকে আগুন লাগে। এ সময় চার্চে ৫ হাজারের বেশি মানুষ উপস্থিত ছিলেন। আগুনের কারণে বের হওয়ার পথটি বন্ধ হয়ে গেলে বিকল্প পথে সবাই এক সঙ্গে নামার চেষ্টা করেছিল। এতে পদদলিত হয়ে অনেক মৃত্যু হয়।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।

পাশের একটি গির্জার ফাদার ফরিদ ফাহমি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লেগেছিল।

তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ বন্ধ ছিল। তারা একটি জেনারেটর ব্যবহার করছিল। বিদ্যুৎ ফিরে এলে, ওভারলোডের কারণে আগুন ধরে যায়।’

আগুন লাগার পর থেকে উপাসকরা তাদের মুহূর্তগুলো ব্যাখ্যা করছেন।

ইয়াসির মুনির নামে এক উপাসকবলেন, ‘তৃতীয় এবং চতুর্থ তলায় লোকজন জড়ো হচ্ছিল। আমরা দ্বিতীয় তলা থেকে ধোঁয়া আসতে দেখেছি। তখন লোকজন সিঁড়ি দিয়ে নামার চেষ্টা করে।’

‘তারপর আমরা একটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনি। আমি এবং তার মেয়ে নিচতলায় ছিলাম। তাই পালাতে পেরেছি।

এ ঘটনায় শোক জানিয়েছেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি বলেন, ‘নিরাপরাধ এসব মানুষের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।’

প্রসিকিউটরের কার্যালয় বলছে, আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে একটি দল পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
১৩ বছর পর মিসর সফরে ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মিসরে ফারাও সাম্রাজ্যের চেয়েও পুরোনো সমাধি
মিসরে তিন হাজার বছর আগের শহর আবিষ্কার
রাজপথে ফারাও সম্রাটদের ‘মমিযাত্রা’ শনিবার
মিসরে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৩২

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Organized rape of 8 young women arrested 84

৮ তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৮৪

৮ তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৮৪ সোমবার গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে আনা হলে সেখানে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ করেন নারীর অধিকার নিয়ে কাজ করে একটি সংগঠনের সদস্যরা। ছবি: আল জাজিরা
পুলিশ জানায়, ক্রজারেসডর্প অঞ্চলে একটি খনির কাছাকাছি বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। শুটিংয়ের জন্যে ৮ তরুণীসহ আরও কয়েকজন গিয়েছিলেন সেখানে। সেট তৈরির জন্য গাড়ি থেকে মালামাল নামানোর সময় তাদের ঘিরে ফেলে সংঘবদ্ধ একটি দলের প্রায় শতাধিক সদস্য। তারা সেখানে ওই আট তরুণীকে পালা করে ধর্ষণ করে।

সাউথ আফ্রিকায় একসঙ্গে আট তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮৪ জনকে। দেশটির প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, দেশের মাটিতে ধর্ষকের কোনো স্থান নেই।

পুলিশ জানায়, ক্রজারেসডর্প অঞ্চলে একটি খনির কাছাকাছি বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। শুটিংয়ের জন্যে ৮ তরুণীসহ আরও কয়েকজন গিয়েছিলেন সেখানে। সেট তৈরির জন্য গাড়ি থেকে মালামাল নামানোর সময় তাদের ঘিরে ফেলে সংঘবদ্ধ একটি দলের প্রায় শতাধিক সদস্য। তারা সেখানে ওই আট তরুণীকে পালা করে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় সেখানে বিভিন্ন খনিতে কাজ করা অবৈধ অভিবাসী শ্রমিকদের দায়ী করছে পুলিশ। স্থানীয়দের কাছে এই শ্রমিকরা ‘জামা জামা’ নামে পরিচিত। সেখানে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন ৮৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দেশটির পুলিশপ্রধান ফাননি মোজেমোলা আরও বলেন, ‘অভিযানকালে তাদের সদস্যদের সঙ্গে গোলাগুলিতে নিহত হন দুজন শ্রমিক। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন আরও একজন। তৃতীয় ওই ব্যক্তি স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সোমবার গ্রেপ্তার ৮৪ জনকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। প্রাথমিকভাবে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ ও চোরাই পণ্য সঙ্গে রাখার অপরাধে তাদের অভিযুক্ত করা হয়।

পুলিশপ্রধান আরও বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে তাদের কেউ জড়িত থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেলে আরও গভীরভাবে তদন্তে নামবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। এখন পর্যন্ত তাদের কারও বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি বা ধর্ষণের মামলা করা হয়নি।’

সোমবার গ্রেপ্তারদের আদালতে আনা হলে, সেখানে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ করেন নারীর অধিকার নিয়ে কাজ করে একটি সংগঠনের সদস্যরা।

ধর্ষকদের জামিন না দিয়ে দ্রুত বিচারের দাবি জানান তারা। এ সময় তাদের হাতে প্লেকার্ডে লেখা ছিল, ‘ধর্ষকের জামিন নয়’, ‘আমি কী পরবর্তী শিকার’, ‘আমার শরীর অপরাধস্থল নয়’।

এই ঘটনায় গোটা দেশে প্রতিবাদ ও ঘৃণা ছড়িয়ে পড়েছে। ধর্ষককে রাসায়নিক প্রয়োগ করে নপুংসক করা নিয়ে দেশটিতে চলা বিতর্ক আবারও জোরালো হয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভেকি চেলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ঘৃণ্য এই বর্বরতা নারীর অধিকার ও স্বাধীনতার পুরোপুরি পরিপন্থি। ধর্ষকের কোনো স্থান নেই এ দেশে।’

স্থানীয় সময় সোমবার সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভেকি চেলে বলেন, ‌'ভয়ানক ঘৃণ্য নৃশংসতার এই ঘটনাটি জাতির জন্য লজ্জা।'

আরও পড়ুন:
ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন
ধর্ষণ মামলার বিচার বিলম্বে উষ্মা হাইকোর্টের
কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ২
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার আসামি কারাগারে
শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ৩ জনের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

p
উপরে