নাইজারে ৭ মাসে ৪২০ জনকে হত্যা

নাইজারে ৭ মাসে ৪২০ জনকে হত্যা

নাইজারে চলতি বছর ৪২০ বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছে বন্দুকধারীরা। ছবি: সংগৃহীত

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের চলতি মাসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছর এই দুটি এলাকায় ৪২০ জনকে হত্যা করা হয়েছে, হাজার হাজার মানুষ তাদের বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।

আফ্রিকার দেশ নাইজারে চার দিনের ব্যবধানে আরও ১৬ বেসামরিক মানুষকে গুলি করে হত্যা করেছে বন্দুকধারীরা।

দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমের একটি গ্রামে শুক্রবার এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও নিরাপত্তা বাহিনী বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা দেশটিতে গত সোমবার আরেকটি হামলায় আরও ৩৭ জনকে হত্যা করে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের চলতি মাসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছর প্রথম ৭ মাসে নাইজারে ৪২০ জনকে হত্যা করা হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ তাদের বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।

চলতি বছর নাইজারে এভাবে বেসামরিক মানুষ হত্যা করাকে গণহত্যা বলছে বিভিন্ন সংগঠন।

অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা শুক্রবার নামাজের সময় টিলাবেরি অঞ্চলের তেয়িম গ্রামে প্রকাশ্যে গুলি চালাতে থাকে। শনিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে স্থানীয় মেয়র হালিদো জিবো বলেন, হামলায় ১৬ জন নিহত হয়েছেন।

নিরাপত্তা বাহিনী বলছে, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭ হতে পারে।

চার দিন আগে সোমবারের হামলায় একই এলাকায় ১৪ মিশুসহ ৩৭ জনকে হত্যা করে বন্দুকধারীরা।

থিয়েম গ্রামটি সম্প্রতি হামলা চালানো অন্য তিন গ্রাম থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে। সেখানে ইসলামিক স্টেট জঙ্গিরা গত মে মাসে হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে হত্যার পাশাপাশি অঞ্চলটি থেকে ১১ হাজার মানুষকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করেছিল।

টিলাবেরি ও তাহওয়া অঞ্চলটির সঙ্গে মালির সীমান্ত রয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের চলতি মাসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছর এই দুটি এলাকায় ৪২০ জনকে হত্যা করা হয়েছে, হাজার হাজার মানুষ তাদের বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।

আরও পড়ুন:
নাইজারে ৭৯ গ্রামবাসীকে হত্যা করল ‘জঙ্গিরা’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সব পৌরসভায় সিইও নিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর সায়

সব পৌরসভায় সিইও নিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর সায়

ফরিদপুর পৌরসভা। ফাইল ছবি

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘পৌরসভাতে প্রধান নির্বাহী দেয়ার জন্য আমি শক্ত করে… (বলেছিলাম)। অনেকে এটা মানতে চায় না, কিন্তু আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, তিনি রাজি হয়েছেন। প্রধান নির্বাহী দেয়া হলে, হবে কী.. মিনিস্ট্রির (মন্ত্রণালয়) সঙ্গে পৌরসভার সরাসরি একটি কানেক্টিভিটি থাকবে।’

দেশের সব পৌরসভায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগের বিষয়ে সায় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার সকালে সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) সংলাপে অংশ নিয়ে এ কথা জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

মন্ত্রী এ সময় বলেন, ‘পৌরসভাতে প্রধান নির্বাহী দেয়ার জন্য আমি শক্ত করে… (বলেছিলাম)। অনেকে এটা মানতে চায় না, কিন্তু আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, তিনি রাজি হয়েছেন। প্রধান নির্বাহী দেয়া হলে, হবে কী.. মিনিস্ট্রির (মন্ত্রণালয়) সঙ্গে পৌরসভার সরাসরি একটি কানেক্টিভিটি থাকবে।’

‘এতে তারা কি করছে, মানুষকে সেবাটা দিচ্ছে কিনা সেটা আমরা বুঝতে পারবো। এতে মানুষ লাভবান হবে। তারা যখন লাভবান হবে তখন তারা ট্যাক্সও দিতে চাইবে। যদি কারো লাভ হয় তাহলে সে কেন দেবে না? অবশ্যই দেবে। এ জায়গায় আমরা কাজ করার চেষ্টা করছি।’

একই সঙ্গে জেলা পরিষদ ও পৌরসভাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে সেখানে নিরীক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে বলেও জানান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা যেখানে অডিটর নিয়োগ করছি। এটি নিয়োগ করা মানে কাউকে অসম্মান করা না। এতে কাজে স্বচ্ছতা আসবে।

বিস্তারিত আসছে....

আরও পড়ুন:
নাইজারে ৭৯ গ্রামবাসীকে হত্যা করল ‘জঙ্গিরা’

শেয়ার করুন

সৌদিগামী যাত্রীর ব্যাগে ৬ হাজার ইয়াবা

সৌদিগামী যাত্রীর ব্যাগে ৬ হাজার ইয়াবা

বিমানবন্দরে ইয়াবার চালানসহ আটক যাত্রী কাজী নয়ন। ছবি: নিউজবাংলা

সৌদি আরবের দাম্মামগামী ফ্লাইটের যাত্রী ছিলেন কাজী নয়ন। সোমবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে তাকে আটক করে বিমানবন্দরের এভিয়েশন সিকিউরিটি ফোর্স (এভসেক)।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ছয় হাজার ৩৬ পিস ইয়াবাসহ কাজী নয়ন নামের এক যাত্রীকে আটক করা হয়েছে।

সৌদি আরবের দাম্মামগামী ফ্লাইট বিজি-৪০৪৯ এর যাত্রী ছিলেন নয়ন। সোমবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে তাকে আটক করে বিমানবন্দরের এভিয়েশন সিকিউরিটি ফোর্স (এভসেক)।

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক তৌহিদ-উল আহসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, যাত্রী নয়নের হোল্ড লাগেজ ছিল ডি নম্বর সারিতে। সেখানে স্ক্যানিং করার সময় ব্যাটেলিয়ান আনসার রনি মিয়া ও সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরী সাহারা বানু সন্দেহজনক বস্তু দেখতে পান।

যাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশির পর পাওয়া যায় ছয় হাজার ৩৬ পিস ইয়াবা। নয়নের বাড়ি বগুড়া সদরে। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন:
নাইজারে ৭৯ গ্রামবাসীকে হত্যা করল ‘জঙ্গিরা’

শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি, ৭ বছর জেল বিএনপি নেতার

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি, ৭ বছর জেল বিএনপি নেতার

দণ্ডিত আক্তার হোসেন নাটোরের সিংড়া উপজেলার রাণীনগর শেরকোল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি শেরকোল ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি করার অপরাধে নাটোরের এক বিএনপি নেতাকে সাত বছর কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক জিয়াউর রহমান সোমবার বেলা ১১টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত আক্তার হোসেন নাটোরের সিংড়া উপজেলার রাণীনগর শেরকোল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি শেরকোল ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

আদালত তাকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা জরিমানাও করেছেন। অনাদায়ে আরও তিন মাস জেল খাটতে হবে তাকে।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা জানান, ২০১৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর রাতে আক্তার হোসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন। এতে তিনি আপত্তিকর কথাবার্তা লেখেন।

এ ঘটনায় পরদিন শেরকোল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোখলেসুর রহমান বাদী হয়ে সিংড়া থানায় ২০০৬ সালের তথ্য-প্রযুক্তি আইনের (সংশোধন-২০১৩) ৫৭ ধারায় একটি মামলা করেন।

২০১৬ সালের ৮ মার্চ সিংড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দেবব্রত দাস আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। এরপর আদালতে এ মামলার বিচার শুরু হয়।

বিচার চলাকালে আদালত ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেয়। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে রাজশাহী কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
নাইজারে ৭৯ গ্রামবাসীকে হত্যা করল ‘জঙ্গিরা’

শেয়ার করুন

২০ দিনে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে সাড়ে ৫ হাজার, মৃত্যু ১৩

২০ দিনে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে সাড়ে ৫ হাজার, মৃত্যু ১৩

করোনার মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ে হাতপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে এক শিশু। ছবি: সাইফুল ইসলাম

চলতি বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৫ হাজার ৯৭৬ জনের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছে ১৪ হাজার ৮৪৫ জন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছে ১ হাজার ৭২ জন। এদের মধ্যে ঢাকার ৪১ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৮৫৭ ডেঙ্গু রোগী।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ২৭৫ জন। এ নিয়ে মাসের ২০ দিনে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন ৫ হাজার ৬২০ রোগী। এদের মধ্যে মারা গেছে ১৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে সোমবার বিকেলে এ তথ্য জানানো হয়।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ২৭৫ জনের মধ্যে শুধু ঢাকা বিভাগেই ভর্তি হয়েছে ২১১ জন। অন্য বিভাগের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছে ৬৪ জন।

চলতি বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৫ হাজার ৯৭৬ জনের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছে ১৪ হাজার ৮৪৫ জন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছে ১ হাজার ৭২ জন। এদের মধ্যে ঢাকার ৪১ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৮৫৭ ডেঙ্গু রোগী।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, ডেঙ্গু উপসর্গ নিয়ে চলতি বছর ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গত সাত মাসে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগস্টে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়। চলতি মাসের ২০ দিনে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

২১ বছর ধরে দেশে ডেঙ্গুর সার্বিক বিষয় নিয়ে তথ্য জানাচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ২০১৯ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করে। সেই বছর ১ লাখের বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। মারা যায় ১৪৮ জন। ডেঙ্গুতে এত মৃত্যু আর কখনও দেখেনি দেশ।

তার আগে ডেঙ্গুতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয় ২০০২ সালে, সেবার ৫৮ জনের মৃত্যুর সংবাদ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ ছাড়া ২০০১ সালে ৪৪ জন মারা যায়। ২০১৯ সালে ডেঙ্গু ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করলেও করোনা মহামারির মধ্যে ২০২০ সালে ডেঙ্গু তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। তবে এবার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী ও মৃত্যুর হার।

আরও পড়ুন:
নাইজারে ৭৯ গ্রামবাসীকে হত্যা করল ‘জঙ্গিরা’

শেয়ার করুন

সরকার পদক্ষেপ নেয় গ্রাহক নিঃস্ব হওয়ার পর: হাইকোর্ট

সরকার পদক্ষেপ নেয় গ্রাহক নিঃস্ব হওয়ার পর: হাইকোর্ট

এক রিটের ওপর শুনানির একপর্যায়ে ই-ভ্যালি, এহসান গ্রুপের মতো প্রতিষ্ঠানের প্রতারণা নিয়ে বিচারক বলেন, ‘সরকারতো ব্যবস্থা নিচ্ছেন, কিন্তু সেটা কখন? যখন আমি নিঃস্ব হয়ে গেলাম, আমার রেমিডিটা কোথায়।’

ই-ভ্যালি, এহসান গ্রুপের মতো প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করে গ্রাহক নিঃস্ব হওয়ার পর সরকারের পদক্ষেপ দেখা যায় বলে মন্তব্য করেছে হাইকোর্ট।

দেশের গ্রাম পর্যায়ে সুদ কারবারিদের তালিকা প্রণয়নে নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিটের ওপর শুনানির সময় বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের বেঞ্চ এসব কথা বলে।

এক পর্যায়ে বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক সাইফুর রহমান বলেন, ‘আমার বাড়ি কেন অরক্ষিত। আমার বাড়ি মানে বাংলাদেশ। দেশের মানুষ দরজা জানালা বন্ধ করে শান্তিতে ঘুমাবে, কিন্তু আমার ঘর কেন অরক্ষিত। মানুষের টাকা কেন লুট করে নিয়ে যাচ্ছে দেশের বাইরে। এগুলো বন্ধ করা কাদের দায়িত্ব? এটা আমরা দেখতে চাই। আমরা এটা পরীক্ষা করতে চাই।’

তখন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নুর উস সাদিক বলেন, ‘মাই লর্ড, সরকার যে ব্যবস্থা নিচ্ছে না তা কিন্তু নয়। এহসান গ্রুপের তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছ; ই-ভ্যালির তাদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

তখন বিচারক সাইফুর রহমান বলেন, ‘সরকারতো ব্যবস্থা নিচ্ছে কিন্তু সেটা কখন? যখন আমি নিঃস্ব হয়ে গেলাম, আমার রেমিডিটা কোথায়। আমার টাকাটা নিয়ে গেল আমি দ্বারে দ্বারে ঘুরতেছি। সে থানায় যাবে, জেলে যাবে যাক, কিন্তু আমার টাকাটা যে নিয়ে গেল সেটা কোথায়। আমরা মামলার করার পর চোর ধরা পড়ছে। চুরিতো ঠেকানো যাচ্ছে না।’

এই বিচারক আরও বলেন, ‘সরকারের কাজ কি? এদেশের মানুষের মৌলিক অধিকার, তাদের আইনের শাসন সমস্ত কিছু…। সেখানে সরকার ঠিক মত কাজ করছে কি না আমরা দেখব।’

এই রিটের ওপর আরও শুনানির জন্য আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর দিন রাখে বেঞ্চ।

গ্রাম পর্যায়ে ছড়িয়ে থাকা সুদ কারবারিদের তালিকা করার নির্দেশনা চেয়ে গত ৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন।

রিটে ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে বিবাদী করা হয়। ওই রিটের শুনানিতে আদালত এসব কথা বলে।

আরও পড়ুন:
নাইজারে ৭৯ গ্রামবাসীকে হত্যা করল ‘জঙ্গিরা’

শেয়ার করুন

প্রাণহানি-সংঘর্ষে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

প্রাণহানি-সংঘর্ষে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

ভোট শেষে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চরভাটা আর জি উচ্চ বিদ্যালয়ে চলছে গণনা। ছবি: নিউজবাংলা

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভোটের আগেই ৪৪টি ইউপির চেয়ারম্যান পদে ও তিনটি পৌরসভার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় একক প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। সেখানে ভোট হয়েছে অন্য পদগুলোতে। সব পৌরসভায় ভোট হয়েছে ইভিএমে। ইউনিয়ন পরিষদগুলোর মধ্যে ১১টিতে ইভিএমে ভোট হয়।

বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, দুজনের প্রাণহানি ও কিছু প্রার্থীর ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ১৬০টি ইউনিয়ন পরিষদ ও ৯টি পৌরসভার নির্বাচন। ভোট শেষে চলছে গণনা।

কেন্দ্রগুলোতে সোমবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। এর মধ্যে সহিংসতার জেরে কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়।

সহিংসতায় কক্সবাজারে প্রাণ হারিয়েছেন দুইজন। বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, ভোটের আগেই ৪৪টি ইউপির চেয়ারম্যান পদে ও ৩টি পৌরসভার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় একক প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। সেখানে ভোট হয়েছে অন্য পদগুলোতে।

সব পৌরসভায় ভোট হয়েছে ইভিএমে। ইউনিয়ন পরিষদগুলোর মধ্যে ১১টিতে ইভিএমে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা।

প্রাণহানি-সংঘর্ষে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

কক্সবাজার

জেলার মহেশখালী ও চকরিয়া পৌরসভা এবং মহেশখালী, টেকনাফ ও কুতুবদিয়ার ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হয়েছে।

এর মধ্যে মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুই কেন্দ্রে সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছে। দুই কেন্দ্রেই সংঘর্ষের পর বন্ধ করা হয়েছে ভোট গ্রহণ।

কুতুবদিয়ার বড় ঘোপ ইউনিয়নের পিলটকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ব্যালট ছিনতাইচেষ্টার সময় দুর্বৃত্তদের ওপর গুলি ছোড়ে পুলিশ। সে সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান আব্দুল হালিম। তিনি ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন পাঁচজন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জামশেদুল ইসলাম সিকদার।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে একজন নিহত হন। গুলিবিদ্ধ হন তিন নারী।

প্রাণহানি-সংঘর্ষে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া এলাকায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম। তিনি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থক বলে খবর পাওয়া গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ভোট চলাকালীন ওই কেন্দ্রে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামালের সমর্থকদের সঙ্গে চশমার প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। সে সময় গুলিবিদ্ধ হন চারজন। হাসপাতালে নেয়ার পথেই মৃত্যু হয় কালামের।

এ ছাড়া অন্য কেন্দ্রগুলোতে ভোট হয়েছে স্বাভাবিকভাবেই।

বাগেরহাট

জেলার ৬৫টি ইউনিয়নে ভোট হয়েছে। এর মধ্যে মোরেলগঞ্জ উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদে দুপুর ১২টার দিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন আহত হন।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী রিপন চন্দ্র দাশ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের সমর্থকরা আমার ভাইয়ের ওপর হামলা চালিয়েছে।’

এ অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল জব্বার মোল্লা বলেন, ‘আমার জয় নিশ্চিত জেনে তারা নিজেদের মধ্যে গণ্ডগোল করে দোষ চাপাচ্ছে।’

এই অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগের মধ্যে কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদ রানা লালন ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।


ফকিরহাট উপজেলার শুভদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল প্রকাশ্যে ব্যালট পেপারে সিল দেয়া, ব্যালট পেপার ছিড়ে ফেলাসহ এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছেন।

এ ছাড়া চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্রে সদস্য প্রার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা যায়। কয়েক জায়গায় হাতাহাতিও হয়।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বাগেরহাটের ৯ উপজেলার ৬৬টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও কচুয়ার রাঢ়ীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যের ১৩টি পদের সব কয়টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন প্রার্থীরা। তাই ভোট হয়েছে ৬৫টি ইউনিয়নে।

সাতক্ষীরা

জেলার কলারোয়া ও তালা উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হয়েছে। সকালে বৃষ্টি হওয়ায় ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম ছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার দেখা গেছে প্রায় সব কেন্দ্রেই।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, অনিয়মের অভিযোগ তুলে কলারোয়ার কয়লা ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ভোট বর্জন করেন।

অনিয়ম হওয়ায় কেড়াগাছি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করে উপজেলা প্রশাসন।

তালা উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর মক্তব কেন্দ্রে ককটেল ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

প্রাণহানি-সংঘর্ষে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

আটক ব্যক্তির নাম আজহার হোসেন। তিনি নৌকা প্রতীকের কর্মী বলে জানা গেছে।

এর আগে সকালে শ্রীমন্তকাটি কেন্দ্রের পাশে নৌকার কর্মী-সমর্থকরা স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজমুল কবির জানান, ২১টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টিতে ইভিএমে ভোট হয়েছে।

নোয়াখালী

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখলসহ নানা অভিযোগ তুলে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট বর্জন করেছেন পাঁচ চেয়ারম্যান প্রার্থী।

ভোট শুরুর ঘণ্টাখানেক পর নিজ নিজ বাড়ি থেকে সংবাদ সম্মেলন করে তারা ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।

তারা হলেন বুড়িরচর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জিয়া আলী মোবারক কল্লোল, জাহাজমারা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের প্রার্থী এটিএম সিরাজ উদ্দিন, চরঈশ্বর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল হালিম আজাদ, সোনাদিয়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম মালয়েশিয়া ও নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেরাজ উদ্দিন।

এ উপজেলায় সাতটি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হয়। এর মধ্যে পাঁচটিতে প্রার্থীরা ভোট বর্জন করায় সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের জয় প্রায় নিশ্চিতই।

হাতিয়ার পাশাপাশি ইউপি নির্বাচনের ভোট হয় সুবর্ণচরেও। সেখানে ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট দেন ভোটাররা। ভোটার উপস্থিতি হাতিয়ার চেয়ে সুবর্ণচরেই বেশি দেখা যায়।

কবিরহাট পৌরসভাতেও হয়েছে ভোট। তবে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জহিরুল হক রায়হান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ায় সেখানে কাউন্সিল পদের জন্য ভোট হয়েছে।

ফেনী

জেলার সোনাগাজী পৌরসভায় কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেয়া, প্রার্থীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ভোট।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী আবু নাসের অভিযোগ করেন, বাইরে নিরাপত্তা জোরদার থাকলেও কেন্দ্রের ভেতরে একজনের ভোট অন্যজন দিয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর বহিরাগত সমর্থকরা ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দিয়েছে। একই অভিযোগ ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ইমাম উদ্দিন ভূঁইয়ার।

ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী হিজবুল্লাহ অভিযোগ করেন, তিনি সকালে ২ নম্বর ওয়ার্ডে কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে সরকারদলীয় সমর্থকরা তাকে লাঞ্ছিত করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেন।

প্রাণহানি-সংঘর্ষে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

এ ছাড়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী অভিযোগ করেন, নির্বাচনি কেন্দ্রের ভেতর পরিবেশ ভালো থাকলেও বাইরে সরকারদলীয় সমর্থকরা তার সমর্থকদের ঢুকতে দেয়নি।

এসব অভিযোগ সত্য নয় জানিয়ে সোনাগাজী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। যাদের কোনো ভোটার নেই তারা এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।’

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোনাগাজী পৌরসভার ৯টি কেন্দ্রের ৪৯টি বুথে ভোটাররা ভোট দিয়েছেন।

প্রতিবেদন তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন কক্সবাজারের সাকিবুর রহমান, বাগেরহাটের মামুন আহমেদ, সাতক্ষীরার রফিকুল ইসিলাম শাওন, নোয়াখালীর মোহাম্মদ সোহেল, ফেনীর আরিফুর রহমান ও কুমিল্লার মাহফুজ নান্টু।

আরও পড়ুন:
নাইজারে ৭৯ গ্রামবাসীকে হত্যা করল ‘জঙ্গিরা’

শেয়ার করুন

শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড: বাঁচল না শিশুটি

শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড: বাঁচল না শিশুটি

শিশুটির বাবা-মা জানান, জন্মের পরই দেখতে পান নবজাতক কন্যার হৃৎপিণ্ড শরীরের বাইরে। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শে মেয়েকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে নেয়া হয় ঢাকায়। তবে চিকিৎসাব্যয় শুনে শিশুটিকে ফিরিয়ে আনেন বরিশালে।

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্ম নেয়া শিশুকে বাঁচানো গেল না।

স্থানীয় নিউ ডিজিটাল ডায়গনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেল ৪টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

এই ক্লিনিকে বৃহস্পতিবার অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম হয় শিশুটির। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেয়া হয়।

চিকিৎসকরা জানান, হৃৎপিণ্ড শিশুর শরীরের ভেতরে স্থাপন করা সম্ভব। তবে এ চিকিৎসা ব্যয়বহুল। প্রয়োজন হবে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা।

অর্থের অভাবে এই চিকিৎসা শুরু করতে পারেননি রমেন-অপু দম্পতি। সন্তানকে বাঁচাতে সবার সহযোগিতা চেয়েছিলেন তারা।

শিশুটির বাবা-মা জানান, জন্মের পরই দেখতে পান নবজাতক কন্যার হৃৎপিণ্ড শরীরের বাইরে। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শে মেয়েকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

সেখানকার চিকিৎসকরা শিশুটিকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। শিশু হাসপাতাল থেকে তাদের পাঠানো হয় রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে।

বারডেমের চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, শিশুটিকে আইসিইউতে ভর্তিসহ অপারেশনের জন্য খরচ হবে প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা।

চিকিৎসার জন্য এত টাকা না থাকায় পুনরায় শিশুটিকে রোববার ঢাকা থেকে বাড়িতে এনে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

আরও পড়ুন:
নাইজারে ৭৯ গ্রামবাসীকে হত্যা করল ‘জঙ্গিরা’

শেয়ার করুন