কাবুল বিমানবন্দরে যাবেন না, নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র

কাবুল বিমানবন্দরে যাবেন না, নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র

দেশ ছাড়তে কাবুল বিমানবন্দরে বিমানের ওপর উঠে পড়ে আফগানরা। ছবি: এএফপি

আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মকর্তারা বলেন, ‘কাবুল বিমানবন্দরের গেটের বাইরে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের বিমানবন্দরে না যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।’

আফগানিস্তানে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কাবুল বিমানবন্দরে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর দেশটি ছাড়তে গত কয়েক দিন ধরে হাজার হাজার মানুষ কাবুল বিমানবন্দরে জড়ো হচ্ছে।

এতে বিমানবন্দরে চলমান বিশৃঙ্খলা শনিবার তীব্র আকার ধারণ করলে যুক্তরাষ্ট্র এ আহ্বান জানায় বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মকর্তারা বলেন, ‘কাবুল বিমানবন্দরের গেটের বাইরে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের বিমানবন্দরে না যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।

‘শুধু তা-ই নয়, বিমানবন্দরের গেট এলাকাও এ মুহূর্তে এড়ানো উচিত। যুক্তরাষ্ট্র সরকার এ বিষয়ে নির্দেশনা দিলে পরে বিমানবন্দরে যাওয়া ঠিক হবে।’

আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘তালেবান কাবুল বিমানবন্দরে চরম বিশৃঙ্খলার জন্য দায়ী নয়।

‘নিজেদের নাগরিকদের আফগানিস্তান থেকে দেশে ফেরাতে পশ্চিমা দেশগুলোর যথোপযুক্ত পরিকল্পনার দরকার ছিল।’

এদিকে বিশৃঙ্খলার কারণে কাবুল থেকে একটি চার্টার ফ্লাইট স্থগিত করেছে সুইজারল্যান্ড।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত কয়েক ঘণ্টায় কাবুল বিমানবন্দরে নিরাপত্তা পরিস্থিতির আশঙ্কাজনক অবনতি ঘটেছে।

বিমানবন্দরের সামনে বিপুলসংখ্যক মানুষ দাঁড়িয়ে রয়েছে। কখনো কখনো তারা মারামারিতে জড়িয়ে পড়ছে। এতে বিমানবন্দরে ঢোকা কঠিন হয়ে পড়েছে।

কাবুল বিমানবন্দরে যাবেন না, নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র

ফ্রান্সের সামরিক বিমানের জন্য কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে অপেক্ষা করছে ফরাসি ও আফগানরা। ছবি: এএফপি

আফগানিস্তানে নতুন সরকার গঠনে ভিন্ন মতাদর্শের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের লক্ষ্যে এদিন কাবুলে পৌঁছান তালেবানের সহপ্রতিষ্ঠাতা মোল্লা আব্দুল গনি বারাদর।

মোল্লা বারাদরকে আফগানিস্তানের আগামী দিনের সম্ভাব্য নেতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রাজধানী শহরে বারাদর পৌঁছার পরপরই নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে ওই পরামর্শ দিল যুক্তরাষ্ট্র।

চলতি সপ্তাহে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের সি-১৭ সামরিক বিমানের পেছন পেছন ছুটছে শত শত আফগান। তাদের কয়েকজনকে বিমানের দুই পাশে ঝুলে থাকতেও দেখা যায়।

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবে বিমান ভ্রমণ করায় কয়েকজনের মৃত্যুও হয়। এদের একজন আফগানিস্তানের জাতীয় যুবদলের ফুটবলার জাকি আনওয়ারি।

ন্যাটো ও তালেবান কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রোববার থেকে এখন পর্যন্ত কাবুল বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির কারণে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তালেবানের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আফগানিস্তান শাসনের নতুন মডেল হাজির করা হবে।

আফগানিস্তানের সাবেক সরকারের বিশেষজ্ঞদেরও চলমান দুর্যোগ মোকাবিলায় আলোচনার জন্য ডাকা হয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ‘আফগানিস্তানের নতুন সরকারকাঠামো পশ্চিমা গণতন্ত্রের আদলে হবে না। তবে এটি সবার অধিকার রক্ষা করবে।’

আরও পড়ুন:
বিমানবন্দর থেকে ভারতীয়সহ ৭২ জনকে ‘বন্দি করেছে’ তালেবান
আফগান শরণার্থী ঠেকাতে তুরস্ক সীমান্তে প্রাচীর গ্রিসের
সরকার গঠনে কাবুলে তালেবান নেতা মোল্লা বারাদর
আফিম না বেচে চলতে পারবে তালেবান?
চরম বিশৃঙ্খলা কাবুল বিমানবন্দরে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

২০ দেশে পালন হবে ঢাকা-দিল্লি মৈত্রী দিবস

২০ দেশে পালন হবে ঢাকা-দিল্লি মৈত্রী দিবস

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য চলতি বছর মার্চ মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে আসেন। সে সময় ৬ ডিসেম্বরকে মৈত্রী দিবস (বন্ধুত্ব দিবস) হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

বাংলাদেশ ও ভারত ৬ ডিসেম্বর মৈত্রী দিবস পালন করতে যাচ্ছে । মজবুত সম্পর্ক ও বন্ধুত্বের নির্দশন হিসেবে দিনটিকে স্মরণ করতে চায় দুই দেশ।

ঢাকা ও দিল্লি ছাড়া আরও ১৮ দেশে দিবসটি পালিত হবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য চলতি বছর মার্চ মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে আসেন। সে সময় ৬ ডিসেম্বরকে মৈত্রী দিবস (বন্ধুত্ব দিবস) হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার দশ দিন আগে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত স্বীকৃতি দেয় বাংলাদেশকে। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী প্রথম দেশগুলোর মধ্যে একটি।

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকা ও দিল্লি ছাড়াও বিশ্বের ১৮টি দেশে মৈত্রী দিবস পালন করা হবে। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বেলজিয়াম, কানাডা, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, রাশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জাপান, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, সুইজারল্যান্ড, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

মৈত্রী দিবসের এ আয়োজন ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গভীর ও চিরস্থায়ী বন্ধুত্বের প্রতিফলন, একই সঙ্গে রক্ত ও ত্যাগ স্বীকারের ইতিহাস বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন:
বিমানবন্দর থেকে ভারতীয়সহ ৭২ জনকে ‘বন্দি করেছে’ তালেবান
আফগান শরণার্থী ঠেকাতে তুরস্ক সীমান্তে প্রাচীর গ্রিসের
সরকার গঠনে কাবুলে তালেবান নেতা মোল্লা বারাদর
আফিম না বেচে চলতে পারবে তালেবান?
চরম বিশৃঙ্খলা কাবুল বিমানবন্দরে

শেয়ার করুন

ক্ষুব্ধ রূপা গাঙ্গুলী বেরিয়ে গেলেন বিজেপির বৈঠক থেকে

ক্ষুব্ধ রূপা গাঙ্গুলী বেরিয়ে গেলেন বিজেপির বৈঠক থেকে

রূপা গাঙ্গুলী । ফাইল ছবি

বিজেপির ভার্চুয়াল বৈঠকের সময় এমন ঘটনা ঘটে। বৈঠকের এক পর্যায়ে রূপা বলে ওঠেন, 'এ রকম বৈঠকে আমাকে আর ডাকবেন না।’ এরপর তিনি তার ভার্চুয়াল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় পৌর নির্বাচনে বিজেপির প্রকাশিত প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিরোধ চরমে উঠেছে। প্রার্থী তালিকা নিয়ে ক্ষোভ দেখিয়ে দলের সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে চলা নির্বাচনি বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন বিজেপি নেত্রী ও অভিনেত্রী রূপা গাঙ্গুলী।

মঙ্গলবার রাতে বিজেপির ভার্চুয়াল বৈঠকের সময় এমন ঘটনা ঘটে। বৈঠকের এক পর্যায়ে রূপা বলে ওঠেন, 'এ রকম বৈঠকে আমাকে আর ডাকবেন না।’ এরপর তিনি তার ভার্চুয়াল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

নির্বাচনি এই বৈঠকে দিল্লি থেকে অংশ নেন দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদার। এছাড়া অমিতাভ চক্রবর্তীসহ নির্বাচনি কমিটি অন্যান্য সদস্যরাও এতে উপস্থিত ছিলেন।

ক্ষোভের কারণ স্পষ্ট না হলেও রূপার একটি ফেসবুক পোস্ট নিয়ে গুঞ্জন চলছে। ওই পোস্টে রূপা জানান, বিজেপি নেত্রী তিস্তা বিশ্বাসের মৃত্যুর পেছনে অন্তর্ঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি এবং বিষয়টিকে ছোট করে দেখিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে না বিজেপি।

বিদায়ী কাউন্সিলর তিস্তা বিশ্বাসের ৮৬ নম্বর ওয়ার্ডে রাজর্ষী লাহিড়ীকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। অন্যদিকে তিস্তা বিশ্বাসের স্বামী গৌরব বিশ্বাস স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। বিজেপির একাংশ মনে করছে, তিস্তা বিশ্বাসের স্বামী গৌরব বিশ্বাসকে মনোনয়ন না দেয়ায় ক্ষুব্ধ রূপা গাঙ্গুলী।

কিছুদিন আগে দীঘা থেকে ফেরার সময় গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় পুর প্রতিনিধি ও দক্ষিণ কলকাতার লড়াকু বিজেপি নেত্রী তিস্তা বিশ্বাসের। আগেই রূপা তিস্তার মৃত্যুতে অন্তর্ঘাতের অভিযোগ তুলেছিলেন। যা নিয়ে দলের সঙ্গে তার দূরত্ব বাড়ে।

৮৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী বিজেপি কাউন্সিলর তিস্তার স্বামী গৌরবকে প্রার্থী করার কথা থাকলেও তাকে প্রার্থী না করায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন।

ক্ষুব্ধ গৌরব বলেন, 'কাকে সুবিধা করে দিতে আমাকে ওই ওয়ার্ডের প্রার্থী করা হল না। ১৫ বছর ধরে দলটা করে আসছি।'

বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য এ প্রসঙ্গে বলেন, 'গৌরবের পারিবারিক জীবনে বিপর্যয় ঘটেছে। দলের সবাই ওর সমব্যথী। সমস্যা মিটে যাবে। কোন কিছু নিয়ে বিরোধ থাকলে তা জানানোর নির্দিষ্ট ফোরামও আছে।'

৮৬ নম্বর ওয়ার্ড ছাড়া ৮৭ এবং ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে বিজেপির ভেতরে। প্রার্থী হতে না পেরে অনেকেই ক্ষুব্ধ। দলের রাজ্য দপ্তরে গিয়ে বিক্ষোভও দেখিছেন কেউ কেউ।

আরও পড়ুন:
বিমানবন্দর থেকে ভারতীয়সহ ৭২ জনকে ‘বন্দি করেছে’ তালেবান
আফগান শরণার্থী ঠেকাতে তুরস্ক সীমান্তে প্রাচীর গ্রিসের
সরকার গঠনে কাবুলে তালেবান নেতা মোল্লা বারাদর
আফিম না বেচে চলতে পারবে তালেবান?
চরম বিশৃঙ্খলা কাবুল বিমানবন্দরে

শেয়ার করুন

এবার সু চির বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা

এবার সু চির বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চি। ফাইল ছবি/এএফপি

একটি নতুন হেলিকপ্টার কেনা ও তা ভাড়া নিয়ে এই অভিযোগ আনা হয়েছে। এটি দুর্নীতিবিরোধী আইনের অধীনে পড়ে এবং তা ভঙ্গ করায় ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চির বিরুদ্ধে এবার দুর্নীতির নতুন একটি মামলা করেছে জান্তা সরকার।

মামলায় তার সঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তকেও আসামি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এমআরটিভি।

সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি নতুন হেলিকপ্টার কেনা ও তা ভাড়া নিয়ে এই অভিযোগ আনা হয়েছে। এটি দুর্নীতিবিরোধী আইনের অধীনে পড়ে এবং তা ভঙ্গ করায় ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

৭৬ বছর বয়সী সু চির বিরুদ্ধে ডজনের বেশি মামলা হয়েছে। এসব মামলার মধ্যে রয়েছে কোভিড-১৯ প্রোটোকল ভাঙার মামলাও।

একটি মামলায় মঙ্গলবার রায় ঘোষণার কথা থাকলেও তা হয়নি। তার বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোতে দোষী সাব্যস্ত হলে কারাগারেই বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে হতে পারে এই নেত্রীকে।

নতুন করে অভিযোগ আনা দুর্নীতির মামলা সম্পর্কে জান্তা সরকারের কেউ কোনো মন্তব্য করেননি।

সংবাদমাধ্যম সিএনএন সু চির আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তিনি কিছু বলতে চাননি।

চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির সেনাবাহিনী; আটক করে শান্তিতে নোবেলজয়ী সু চি, প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তসহ অনেককে।

এরপর থেকেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে নজিরবিহীন বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে মিয়ানমার। বিক্ষোভ দমনে কঠোর হয় সেনাবাহিনী।

এ পর্যন্ত ১২ শর বেশি মানুষকে হত্যা ও ১০ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স।

বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব সু চি। তাই দেশটিতে সামরিক শাসন অব্যাহত রাখতে সু চিকে সারা জীবনের জন্য রাজনীতি থেকে উৎখাত করতে চায় সেনাবাহিনী। ফলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই এসব মামলা।

আরও পড়ুন:
বিমানবন্দর থেকে ভারতীয়সহ ৭২ জনকে ‘বন্দি করেছে’ তালেবান
আফগান শরণার্থী ঠেকাতে তুরস্ক সীমান্তে প্রাচীর গ্রিসের
সরকার গঠনে কাবুলে তালেবান নেতা মোল্লা বারাদর
আফিম না বেচে চলতে পারবে তালেবান?
চরম বিশৃঙ্খলা কাবুল বিমানবন্দরে

শেয়ার করুন

ডিসেম্বরে জেলা সফরে যাচ্ছেন মমতা

ডিসেম্বরে জেলা সফরে যাচ্ছেন মমতা

সফরের প্রথম দিন উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: হিন্দুস্থান টাইমস

ভারতের উত্তরের জেলাগুলোতে সফরকালে জেলাশাসক, বিডিও ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারের জনমুখী প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন খতিয়ে দেখে বৈঠকে সরাসরি সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

ফের ভারতের উত্তরের পাঁচ জেলা সফরে যাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ডিসেম্বরের ৭ তারিখে সফরের প্রথম দিনে তিনি উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন।

পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক কার্যালয় নবান্ন সূত্রে এ খবর জানা গেছে।

রাজ্যে তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর উত্তরের জেলা দিয়ে মমতা প্রশাসনিক বৈঠক শুরু করেন। গত অক্টোবরে উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে তিনি এ ধরনের বৈঠক করেছিলেন।

তবে এবার সফরকালে উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে প্রথমে গঙ্গারামপুরে ও পরে রায়গঞ্জে বৈঠক করবেন। মুর্শিদাবাদ ও নদিয়াতেও বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।

সরকার প্রকল্পের আদর্শ মেনে নাগরিকদের আর সরকারের কাছে আসতে হবে না। সরকারই পৌঁছে যাবে জনগণের কাছে। এ সময় জেলাশাসক, বিডিও ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলবেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারের জনমুখী প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন খতিয়ে দেখে বৈঠকে সরাসরি সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

এদিকে আগামী বছর এপ্রিল মাসে রাজ্যের বাকি পৌরসভাগুলোতে ভোট গ্রহণের কথা রাজ্য সরকার আদালতে জানিয়েছে। তাই মুখ্যমন্ত্রীর এই সফরে পৌর ভোটের বিষয়টিও থাকছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুন:
বিমানবন্দর থেকে ভারতীয়সহ ৭২ জনকে ‘বন্দি করেছে’ তালেবান
আফগান শরণার্থী ঠেকাতে তুরস্ক সীমান্তে প্রাচীর গ্রিসের
সরকার গঠনে কাবুলে তালেবান নেতা মোল্লা বারাদর
আফিম না বেচে চলতে পারবে তালেবান?
চরম বিশৃঙ্খলা কাবুল বিমানবন্দরে

শেয়ার করুন

বিজেপিকে রুখতে তৃণমূলে সংবিধান বদলের সিদ্ধান্ত

বিজেপিকে রুখতে তৃণমূলে সংবিধান বদলের সিদ্ধান্ত

কালীঘাটের বাড়িতে ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত

বৈঠক শেষে তৃণমূল নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, ‘দল বড় হচ্ছে। ২০২৪ সালে সমগ্র দেশকে পথ দেখাবে তৃণমূল। সর্বভারতীয় স্তরে শক্তি বাড়ানোর কাজ এখন থেকেই শুরু হবে। বর্তমানে ওয়ার্কিং কমিটির ২১ জন সদস্য রয়েছেন। বাংলার বাইরের বেশ কয়েকজন নেতাকে এই কমিটিতে নেয়া হবে। মেঘালয়, হরিয়ানাসহ অন্যান্য রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো হবে। এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’

২০২৪ সালে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে টক্কর দিতে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সংবিধান বদলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরোধিতায় একলা চলো নীতিতেই আস্থা রাখছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে কংগ্রেস তৃণমূলের সঙ্গে আসতে চাইলে স্বাগত জানাবে দল।

সোমবার সন্ধ্যায় নেত্রীর কালীঘাটের বাড়িতে ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিজেপি-বিরোধিতায় নিজেদের শক্তি বাড়ানোর ওপর জোর দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে তৃণমূল নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, ‘দল বড় হচ্ছে। ২০২৪ সালে সমগ্র দেশকে পথ দেখাবে তৃণমূল। সর্বভারতীয় স্তরে শক্তি বাড়ানোর কাজ এখন থেকেই শুরু হবে।’

তৃণমূল কংগ্রেসের সংবিধানে কিছু পরিবর্তন হবে জানিয়ে ডেরেক বলেন, ‘বর্তমানে ওয়ার্কিং কমিটির ২১ জন সদস্য রয়েছেন। বাংলার বাইরের বেশ কয়েকজন নেতাকে এই কমিটিতে নেয়া হবে। মেঘালয়, হরিয়ানাসহ অন্যান্য রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো হবে। আর সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’

তিনি বলেন, ‘মমতাদির লড়াই, ‘কর্মীদের মৃত্যু গোটা দেশে পৌঁছে যাচ্ছে। তবে তৃণমূলের ডিএনএ পরিবর্তন হচ্ছে না, শুধু দলের সংবিধান পরিবর্তন করা হচ্ছে।’

জেডিইউ ছেড়ে সদ্য তৃণমূলে আসা পবন বর্মা বলেন, ‘আজ দেশের যে অবস্থা তাতে এটা স্পষ্ট যে সারা দেশে বিজেপির বিরুদ্ধে সবাইকে আন্দোলনে নামতে হবে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই দায়িত্ব নিতে হবে।’

বৈঠকে ওয়ার্কিং কমিটির সদস্যরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা, মেঘালয়, উত্তরপ্রদেশের তৃণমূল নেতারা। ছিলেন অটল বিহারি বাজপেয়ি মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী, তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য যশবন্ত সিনহা। তৃণমূলের পরবর্তী ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক বসবে দিল্লিতে।

আরও পড়ুন:
বিমানবন্দর থেকে ভারতীয়সহ ৭২ জনকে ‘বন্দি করেছে’ তালেবান
আফগান শরণার্থী ঠেকাতে তুরস্ক সীমান্তে প্রাচীর গ্রিসের
সরকার গঠনে কাবুলে তালেবান নেতা মোল্লা বারাদর
আফিম না বেচে চলতে পারবে তালেবান?
চরম বিশৃঙ্খলা কাবুল বিমানবন্দরে

শেয়ার করুন

ভারতেও বাস ভাড়ায় ছাত্রদের ছাড় আছে

ভারতেও বাস ভাড়ায় ছাত্রদের ছাড় আছে

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বাসে শিক্ষার্থীদের ভাড়ায় ছাড় দেয়া হয়। ফাইল ছবি

ভারতের রাজ্যগুলোতে বাসভাড়ায় ছাত্রদের ছাড় দেয়া একটা সাধারণ নীতি বা রীতি, বিশেষ করে সরকারচালিত বা নিয়ন্ত্রিত বাসের ক্ষেত্রে। তবে কতটা ছাড় দেয়া হবে রাজ্য ভেদে তার নিয়ম ভিন্ন।

রেল ও বিমান ছাড়া ভারতের সড়ক পরিবহনে যাত্রীভাড়া নির্ধারণে কোনো জাতীয় নীতি নেই। সড়ক পরিবহনে যাত্রীভাড়া নির্ধারণ করে রাজ্য সরকার। আর বাস ভাড়ায় কনসেশন দেয়া হয় বেশির ভাগ রাজ্যেই।

সড়ক পরিবহনের যাত্রীভাড়ায় কাদের কতটা ছাড় দেয়া হবে, অথবা আদৌ ছাড় দেয়া হবে কি না, সেসব সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের এক্তিয়ারভুক্ত। হঠাৎ মাথাচাড়া দেয়া সমস্যার সমাধানে কখনও কখনও জেলা প্রশাসনও স্থানীয়ভাবে উদ্যোগী হয়ে কিছু সিদ্ধান্ত নিতে পারে। যেমন বাস ভাড়ায় ছাত্রদের জন্য ছাড়।

ভারতের রাজ্যগুলোতে বাসভাড়ায় ছাত্রদের ছাড় দেয়া একটা সাধারণ নীতি বা রীতি, বিশেষ করে সরকারচালিত বা নিয়ন্ত্রিত বাসের ক্ষেত্রে। তবে কতটা ছাড় দেয়া হবে রাজ্য ভেদে তার নিয়ম ভিন্ন।

যেমন নয়া দিল্লি। ভারতের রাজধানী শহরে বাস চলে পুরোপুরি দিল্লি ট্রান্সপোর্ট করপোরেশনের (ডিটিসি) নিয়ন্ত্রণে। ডিটিসির সাধারণ বাসে ছাত্রদের জন্য একটি মাসিক কার্ড পাওয়া যায় ১০০ টাকায়। ওই কার্ডে দিল্লির মধ্যে যেকোনো রুটে যাতায়াত করা যায়। বিশেষ বাসের জন্য ওই কার্ডের দাম ১৫০ টাকা। তবে শীততাপনিয়ন্ত্রিত বাসে ওই কার্ড প্রযোজ্য নয়।

আবার জম্মু-কাশ্মীরে পরিবহন নিয়ন্ত্রণ বিভাগ গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্দেশ দিয়েছে সরকারি, বেসরকারি সব বাসে যাত্রীভাড়ায় ৫০ শতাংশ ছাড় দিতে হবে। তবে এই ছাড় শুধুমাত্র বাসস্থান থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়া এবং ফিরে আসার জন্য। বাসে দেখাতে হবে ছাত্রের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র। কোনো বাস যদি সরকারি নির্দেশ না মানে তবে ছাত্ররা অভিযোগ জানাতে পারে নির্দিষ্ট হেল্পলাইন নম্বরে।

মহারাষ্ট্রের মুম্বাই শহরে বৃহৎ মুম্বাই বৈদ্যুতিক সরবরাহ এবং পরিবহন (বেস্ট) পরিচালিত বাসগুলোতেও শিক্ষার্থীদের একই ধরনের ছাড় দেয়া হয়।

তাদের একটি মাসিক ফর্ম আছে। এটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্ট্যাম্পসহ যেকোনো ডিপোতে জমা দিতে হয়। তারা শিক্ষার্থীদের এটিএম কার্ডের মতো একটি কার্ড প্রদান করে। এটি শুধু বাড়ি থেকে স্কুল-কলেজে নন এসি বাসে যাওয়া-আসার জন্য কার্যকর।

মহারাষ্ট্রের নাসিক শহরে বাস নিয়ন্ত্রণ করে সেখানকার পৌর সংস্থা। নাসিক মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের অধীন নাসিক মহানগর পরিবহন মহামন্ডল লিমিটেডের বাসে শিক্ষার্থীরা এক মাসের জন্য নির্দিষ্ট রুটে ৫০ শতাংশ এবং তিন মাসের জন্য ৬৬ শতাংশ ছাড় পায়। একমাসের মাসিক টিকিটের মূল্য ১ হাজার ৫০০ রুপি । ছাত্রদের দিতে হয় ৭৫০ রুপি।

শিক্ষার্থীদের বাসভাড়া ছাড় দেয়ায় দক্ষিণ ভারতের রাজ্য তামিলনাড়ু অন্যদের থেকে অনেকটাই আলাদা। ওই রাজ্যে বাস চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে সরকার নিয়ন্ত্রিত সাতটি পরিবহন করপোরেশন।

২০১৫ সালে রাজ্য সরকার কমিউনিটি কলেজ, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বেসরকারি আইটিআই, সঙ্গীত কলেজ এবং চেন্নাই করপোরেশন আইটিআইগুলোর ছাত্রদের জন্য বিনামূল্যে ভ্রমণ সুবিধা প্রসারিত করেছিল। সুবিধা পেয়েছিলেন ৩২ লাখের বেশি ছাত্র।

এ ছাড়া ওই রাজ্যে বেসরকারি আর্টস অ্যান্ড সায়েন্স কলেজ, পলিটেকনিক ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের সরকারি বাসে ৫০ শতাংশ ফি ছাড় দেয়া হয়।

২০১৩ সাল পর্যন্ত শুধু স্কুল ও সরকারি কলেজ, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং আইটিআই-এর ছাত্রদের জন্য বিনামূল্যে ভ্রমণের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। ২০১৩-১৪ সাল পর্যন্ত বিনামূল্যে ভ্রমণের মাধ্যমে পরিবহন করপোরেশনগুলোর ব্যয় প্রতি বছর ৪৪০-৪৫০ কোটি রুপি ছিল। পরবর্তী কয়েক বছরে তা বেড়ে ৭৩০ কোটি রুপি হয়।

দক্ষিণ ভারতের আর একটি রাজ্য কেরালা। বামজোটশাসিত এই রাজ্যেও বাসভাড়ায় ছাত্রদের জন্য ছাড় আছে। ২০১২ সালে সেখানে শেষবার বাসভাড়ায় পরিবর্তন হয়েছিল। তখন ছাত্রদের জন্য নূন্যতম ভাড়া ছিল ১ রুপি।

সম্প্রতি সেখানে বেসরকারি বাস মালিকরা ভাড়া বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে। এ নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এখন পর্যন্ত যা খবর তাতে নূন্যতম সাধারণ যাত্রীভাড়া হতে পারে ১০ রুপি। ছাত্রদের ক্ষেত্রে নূন্যতম ভাড়া ৫ রুপি করার প্রস্তাব আছে। বাস মালিকরা চাইছে ৬ টাকা করতে। অর্থাৎ ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ছাড় পাবে ছাত্ররা।

বাস ভাড়ায় শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে খুবই করুন অবস্থা পশ্চিমবঙ্গে। এ বিষয়ে সেখানকার এক ছাত্র ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি আশা করি, অধিকাংশ ছাত্রই জানে না যে ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রান্সপোর্ট করপোরেশনের বাসে ছাত্রদের জন্য বিশেষ ভাড়া রয়েছে। আপনি যদি কন্ডাক্টরকে একজন ছাত্র ভাড়া টেন্ডার করতে বলেন তাহলে আপনি মূল ভাড়ার উপর ফ্ল্যাট ২৫ শতাংশ ছাড় পাবেন। হ্যাঁ, অনেক কন্ডাক্টর ডিসকাউন্ট রেট দিতে অস্বীকার করতে পারে, তবে আপনি তাকে নিচের উল্লিখিত পদ্ধতিতে গাইড করতে পারেন।’

অর্থাৎ ছাত্র, বাসের কন্ডাক্টর কেউই জানেন না বাস ভাড়ায় শিক্ষার্থীদের ছাড়ের বিষয়টি।

এই প্রতিবেদনটা লেখার সময় পশ্চিমবঙ্গের অন্তত পাঁচজনের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক।

একজন বলেছেন, ‘এ বিষয়ে সরকারের কোনো নিয়মের কথা জানি না। তবে আসানসোল, বরাকর, বার্নপুর, রানীগঞ্জ অঞ্চলে মিনি বাসে ছাত্র কনসেশন আছে বাস মালিকদের সংগঠনের সৌজন্যে।’

আবার মেদিনীপুরের একজন বলেছেন, ‘পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ছাত্রদের বাস ভাড়ায় এক-তৃতীয়াংশ ছাড় দেয়া হয়।’

দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার এক শিক্ষক বলেছেন, ‘এ ব্যাপারে তার কিছু জানা নেই।’

অর্থাৎ বাস ভাড়ায় ছাত্রদের ছাড় দেবার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গে আছে বিশৃঙ্খলা।

আরও পড়ুন:
বিমানবন্দর থেকে ভারতীয়সহ ৭২ জনকে ‘বন্দি করেছে’ তালেবান
আফগান শরণার্থী ঠেকাতে তুরস্ক সীমান্তে প্রাচীর গ্রিসের
সরকার গঠনে কাবুলে তালেবান নেতা মোল্লা বারাদর
আফিম না বেচে চলতে পারবে তালেবান?
চরম বিশৃঙ্খলা কাবুল বিমানবন্দরে

শেয়ার করুন

সৎকারে যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৮

সৎকারে যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৮

ম্যাটাডোর ট্রাকে পাথরবোঝাই লরির ধাক্কায় ঘটে এ দুর্ঘটনা। ছবি: সংগৃহীত

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নদীয়ার ফুলবাড়ি এলাকায় একটি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল ম্যাটাডোরটি। হঠাৎ সেটি চলতে শুরু করে এবং লরির ধাক্কা লাগে। ঘটনাস্থলেই ১৮ জন নিহত হয়।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে কমপক্ষে ১৮ জনের। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও পাঁচজন।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, মৃত এক ব্যক্তির সৎকারের জন্য মরদেহ নিয়ে যাওয়ার সময় প্রাণঘাতী এ দুর্ঘটনার কবলে পড়েন স্বজনরা।

রাজ্যের নদীয়া জেলার ফুলবাড়ি এলাকায় স্থানীয় সময় শনিবার মধ্যরাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

হাঁসখালি থানার পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, মরদেহ নিয়ে একটি ম্যাটাডোর ট্রাক উত্তর ২৪ পরগনার বাগড়া এলাকা থেকে নবদীপ শ্মশানে যাচ্ছিল।

পথিমধ্যে ম্যাটাডোর ট্রাকটিকে পাথরবোঝাই একটি লরি ধাক্কা দিলে ঘটে এ দুর্ঘটনা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নদীয়ার ফুলবাড়ি এলাকায় একটি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল ম্যাটাডোরটি। হঠাৎ সেটি চলতে শুরু করে এবং লরির ধাক্কা লাগে।

ঘটনাস্থলেই ১৮ জন নিহত হয়। আহতদের শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, ঘন কুয়াশা আর গাড়ির গতি বেশি থাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে এ ঘটনায় শোক জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের গভর্নর জগদীপ ধনখড়। জোর দিয়েছেন সড়ক নিরাপত্তা জোরদারের ওপর।

হতাহতদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন ধনখড়।

আরও পড়ুন:
বিমানবন্দর থেকে ভারতীয়সহ ৭২ জনকে ‘বন্দি করেছে’ তালেবান
আফগান শরণার্থী ঠেকাতে তুরস্ক সীমান্তে প্রাচীর গ্রিসের
সরকার গঠনে কাবুলে তালেবান নেতা মোল্লা বারাদর
আফিম না বেচে চলতে পারবে তালেবান?
চরম বিশৃঙ্খলা কাবুল বিমানবন্দরে

শেয়ার করুন