মোদির ১০০ লাখ কোটি রুপির ‘গতিশক্তি মাস্টার প্ল্যান’

মোদির ১০০ লাখ কোটি রুপির ‘গতিশক্তি মাস্টার প্ল্যান’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফাইল ছবি

‘আধুনিকতার পাশাপাশি দেশকে পরিকাঠামো উন্নয়নেও জোর দিতে হবে। পরিবহন ক্ষেত্রে যে সামঞ্জস্য নেই, তা দূর করবে এই প্রকল্প। দেশের উৎপাদনক্ষমতা আরও বাড়বে, গতিশক্তি প্রকল্পের মাধ্যমে আমাদের স্থানীয় কারিগরদের আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।’

দেশের অর্থনীতিকে চাঙা করতে স্বাধীনতা দিবসের দিন ১০০ লাখ কোটি রুপির ‘গতিশক্তি মাস্টার প্ল্যান’-এর ঘোষণা করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

আগামী দিনে কোন পথে দেশ এগিয়ে যাবে, লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ থেকে তারই রূপরেখা জানান প্রধানমন্ত্রী।

এই পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে কেন্দ্র পিএম গতিশক্তি প্ল্যানের সূচনা হবে। এটি ১০০ লাখ কোটির একটি জাতীয় পরিকাঠামো প্রকল্প, যা দেশের সামগ্রিক পরিকাঠামোর ভিত্তি স্থাপন করবে এবং দেশের অর্থনীতিকে পথ দেখাবে। ভারতের উন্নয়ের জন্য নির্মাণ ও রপ্তানিতে গুরুত্ব আরোপ করতে হবে।’

মোদির কথায় স্বাধীনতা দিবসের সংকল্প হওয়া উচিত, ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস ও সবকা প্রয়াস।’

এটিই নয়া ভারতের স্বপ্ন পূরণের অঙ্গীকার বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

৭৫তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এদিন প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে একাধিক প্রকল্পে দেশের উন্নয়নের গতিধারা কীভাবে ত্বরান্বিত হয়েছে, তা জানানোর পাশাপাশি নতুন প্রকল্প ও একাধিক সিদ্ধান্তের ঘোষণাও করেন।

‘প্রধানমন্ত্রী গতিশক্তি যোজনা’ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আধুনিকতার পাশাপাশি দেশকে পরিকাঠামো উন্নয়নেও জোর দিতে হবে। পরিবহন ক্ষেত্রে যে সামঞ্জস্য নেই, তা দূর করবে এই প্রকল্প। দেশের উৎপাদনক্ষমতা আরও বাড়বে, গতিশক্তি প্রকল্পের মাধ্যমে আমাদের স্থানীয় কারিগরদের আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।’

আগামী দুই বছরে কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যতম বড় পরিকল্পনা হতে চলেছে এই গতিশক্তি যোজনা। মোদি বলেন, ‘এই প্রকল্পের মাধ্যমে অর্থনীতির নতুন অধ্যায় শুরু হবে। বিকাশের পথে এগোতে গেলে ভারতকে উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়াতে হবে।

‘কয়েক দিন আগেই আপনারা দেখেছেন যে, ভারতের স্বদেশি রণতরী আইএনএস বিক্রান্তকে পরীক্ষামূলক ট্রায়ালের জন্য জলে নামানো হয়েছে। ভারত আজ নিজেদের যুদ্ধবিমান, সাবমেরিনও তৈরি করছে। এমনকি মহাকাশযানও তৈরি করা হচ্ছে।’

করোনা-পরবর্তী সময়ে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’কে প্রতিষ্ঠিত করতে দেশে উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ভাতার ঘোষণাও করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
১৪ আগস্ট ‘দেশভাগের ভয়াবহতা স্মরণ দিবস’ ঘোষণা মোদির
মোদিকে ম্যাডাম সম্বোধন করে চিঠি
দেশকে পিছিয়ে দিচ্ছে স্বার্থপর বিরোধীরা: মোদি
ভারতের ইতিহাসে ‘কনিষ্ঠতম’ মন্ত্রিসভা গড়লেন মোদি
সন্ধ্যায় মোদির মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মেয়েদের জন্য দ্রুতই খুলছে স্কুলের দরজা: তালেবান

মেয়েদের জন্য দ্রুতই খুলছে স্কুলের দরজা: তালেবান

১৫ আগস্ট তালেবানের ক্ষমতা দখলের দুদিন পর হেরাত শহরের একটি স্কুলে আফগান শিক্ষার্থীরা। ছবি: এএফপি

ইউনিসেফের কর্মকর্তা আবদি জানান, তালেবানের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষামন্ত্রী নুরুল্লাহ মুনির তাকে বলেছেন, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুরু করে মাধ্যমিক পর্যন্ত সব মেয়ে যাতে স্কুলে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে, এ নিয়ে পরিকল্পনা করছে আফগান সরকার। আগামী দুই-এক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

আফগানিস্তানে মাধ্যমিক স্কুলে সব মেয়েকে পড়ার অনুমতি দেয়া হবে বলে জাতিসংঘের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তাকে জানিয়েছে তালেবান। আর এ বিষয়ে শিগগিরই পরিকল্পনা ঘোষণা করতে যাচ্ছে তালেবান সরকার।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে স্থানীয় সময় শুক্রবার সাংবাদিকদের ওই কর্মকর্তা এসব তথ্য জানান।

বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে যান জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক জরুরি তহবিল সংস্থা ইউনিসেফের উপনির্বাহী পরিচালক ওমর আবদি।

সাংবাদিকদের আবদি জানান, আফগানিস্তানের ৩৪টি প্রদেশের পাঁচটিতে এরই মধ্যে মাধ্যমিকের মেয়ে শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাওয়া শুরু করেছে। এ প্রদেশগুলো হলো আফগানিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বালখ, জাওজান ও সামানগান, উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় কুন্দুজ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় উরজগান।

ইউনিসেফের কর্মকর্তা আবদি জানান, তালেবানের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষামন্ত্রী নুরুল্লাহ মুনির তাকে বলেছেন, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুরু করে মাধ্যমিক পর্যন্ত সব মেয়ে যাতে স্কুলে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে, এ নিয়ে পরিকল্পনা করছে আফগান সরকার। আগামী দু-এক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

তিনি বলেন, ‘আফগানিস্তানের মাধ্যমিক স্কুলের লাখ লাখ মেয়ে শিক্ষার্থী প্রায় এক মাস ধরে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত।

‘আমরা তালেবান সরকারকে অনুরোধ করেছি, দ্রুত ওই শিক্ষার্থীদের যেন স্কুলে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়।’

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালেবানের প্রথম শাসনামলে আফগান মেয়ে ও নারীদের শিক্ষার অধিকার খর্ব করা হয়। এ ছাড়া চাকরি করা বা জনসমাগমস্থলে যাওয়ারও অনুমতি ছিল না নারীদের।

১৫ আগস্ট কাবুল পতনের পর আফগানিস্তানের ক্ষমতা ২০ বছর পর ফিরে পায় তালেবান।

আগের শাসনামলের মতো এবারও যাতে নারীদের শিক্ষা ও চাকরি করার সুযোগ থেকে দূরে ঠেলে দেয়া না হয়, এটি নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় প্রায় দুই মাস ধরে তালেবানের নতুন অন্তর্বর্তী সরকারকে চাপ দিয়ে যাচ্ছে।

ইউনিসেফের উপনির্বাহী পরিচালক আবদি বলেন, ‘২০০১ সালে আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেয়ার অভিযোগ এনে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান চালিয়ে তালেবানকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করে। ওই সময় মাত্র ১০ লাখ আফগান শিশু স্কুলে পড়াশোনা করত।

‘গত ২০ বছরে এ সংখ্যা প্রায় এক কোটিতে পৌঁছায়। এ শিশুদের মধ্যে ৪০ লাখ মেয়ে শিক্ষার্থী। আর গত দশকে আফগানিস্তানে স্কুলের সংখ্যা ছয় হাজার থেকে বেড়ে ১৮ হাজার হয়।’

তিনি বলেন, ‘আফগানিস্তানে শিক্ষা খাতে গত দুই দশকের অর্জন ধরে রাখা জরুরি। পেছনে ফেরা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

আরও পড়ুন:
১৪ আগস্ট ‘দেশভাগের ভয়াবহতা স্মরণ দিবস’ ঘোষণা মোদির
মোদিকে ম্যাডাম সম্বোধন করে চিঠি
দেশকে পিছিয়ে দিচ্ছে স্বার্থপর বিরোধীরা: মোদি
ভারতের ইতিহাসে ‘কনিষ্ঠতম’ মন্ত্রিসভা গড়লেন মোদি
সন্ধ্যায় মোদির মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল

শেয়ার করুন

এস্কোবারের জলহস্তীগুলোকে ‘খোজা’ করা হচ্ছে

এস্কোবারের জলহস্তীগুলোকে ‘খোজা’ করা হচ্ছে

এস্কোবারের জলহস্তির বংশধররা। ছবি: বিবিসি

পাবলো নিহত হওয়ার পরও তার জলহস্তীরা এখনও টিকে আছে। শুধু টিকে থাকাই নয়, এরা বংশবৃদ্ধি করে এখন অনেক হয়ে গেছে। এদের কাছ থেকে দেশের জলাভূমিগুলোকে নিরাপদ রাখাই এখন কলম্বিয়ার সরকারের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।

মাদক সাম্রাজ্যের বাদশা বলা হয় কলোম্বিয়ার পাবলো এস্কোবারকে। ১৯৯৩ সালে তাকে ধরার জন্য গঠিত বিশেষ বাহিনী সার্চ ব্লকের এক অভিযানে নিহত হয়েছিলেন পাবলো।

মৃত্যুর আগে কোকেন ব্যবসার মধ্য দিয়ে বিপুল অর্থ সম্পদের পাহাড় গড়েছিলেন। অনেকেই দাবি করেন, সেই সময়ে পাবলোই ছিলেন পৃথিবীর সবচেয়ে ধনি ব্যক্তি। কলম্বিয়ায় বসে আমেরিকায় কোকেন চালানের নেতৃত্ব দিতেন তিনি। চলতেন নিজের খেয়ালখুশি মতো।

এমনই এক খেয়াল থেকে নিজ মালিকানাধীন অন্তত ৭ হাজার একরের একটি বিশাল এলাকায় কতগুলো জলহস্তী পালতে শুরু করেন পাবলো। কারণ ওই এলাকাটিতে বেশ কিছু লেকও ছিল।

পাবলো নিহত হওয়ার পরও তার জলহস্তীরা এখনও টিকে আছে। শুধু টিকে থাকাই নয়, এরা বংশবৃদ্ধি করে এখন অনেক হয়ে গেছে। এদের কাছ থেকে দেশের জলাভূমিগুলোকে নিরাপদ রাখাই এখন কলম্বিয়ার সরকারের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।

পাবলোর মৃত্যুর পর তার সেই এলাকাটি সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল। পরে তিনটি মাদি জলহস্তী ওই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছিল। কলম্বিয়ায় জলহস্তীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে ওই তিনটি জলহস্তীকেও দায়ী করা হয়। কারণ এগুলো ছিল উচ্চ উৎপাদনশীল।

গবেষকরা আশঙ্কা করছেন, এখনই জন্ম নিয়ন্ত্রণ না করলে ২০২৪ সালের মধ্যে দেশটিতে জলহস্তীর সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়ে যাবে।

শনিবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এস্কোবারের এলাকাটিতে থাকা ৮০টি জলহস্তীর মধ্যেই ২৪টিকে ওষুধ প্রয়োগ করে খোজা করা হয়েছে।

এস্কোবারের নিজস্ব সে সাফারি পার্কে শুধু জলহস্তীই নয়, জেব্রা, হাতি, উটপাখি, উট ও জিরাফও ছিল।

আরও পড়ুন:
১৪ আগস্ট ‘দেশভাগের ভয়াবহতা স্মরণ দিবস’ ঘোষণা মোদির
মোদিকে ম্যাডাম সম্বোধন করে চিঠি
দেশকে পিছিয়ে দিচ্ছে স্বার্থপর বিরোধীরা: মোদি
ভারতের ইতিহাসে ‘কনিষ্ঠতম’ মন্ত্রিসভা গড়লেন মোদি
সন্ধ্যায় মোদির মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল

শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে স্টেডিয়ামের বাইরে গুলিতে নিহত ৪

যুক্তরাষ্ট্রে স্টেডিয়ামের বাইরে গুলিতে নিহত ৪

গোলাগুলির ঘটনায় ফুটবল ম্যাচটি পণ্ড হয়ে যায়। তবে স্টেডিয়ামের ভেতরে গুলির কোনো ঘটনা ঘটেনি। ছবি: সংগৃহীত

ধারণা করা হচ্ছে, দুই ব্যক্তি এ ঘটনায় জড়িত। তবে গুলি চালিয়েছেন একজন। ঘটনার পর দুই ব্যক্তিকে সাদা একটি গাড়িতে করে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে। একে বিচ্ছিন্ন ঘটনা উল্লেখ করে পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এতে জননিরাপত্তায় কোনো হুমকি দেখা যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্যে স্কুল ফুটবল ম্যাচ চলার সময় স্টেডিয়ামের বাইরে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত হয়েছে চারজন।

সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে স্টেডিয়াম থেকে বের হওয়ার পথে এক বন্দুকধারী নির্বিচারে গুলি চালায়। মোবাইল নামের শহরের লাড-পিবলস স্পোর্টস অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট কমপ্লেক্সের (স্টেডিয়াম) পশ্চিমদিক দিয়ে বের হবার পথে গুলির ঘটনা ঘটে।

স্টেডিয়ামের বাইরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মোবাইল পুলিশ প্রধান পল প্রিন বলেন, ‘শুক্রবার রাতের গুলির ঘটনায় নিহত চারজনের মধ্যে দুইজন কিশোর। আরও এক কিশোরের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

পল প্রিন আরও বলেন, ‘আহত তিন ব্যক্তি ও এক নারীকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে তার লিঙ্গপরিচয় বা বয়স সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।’

গুলির ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্তে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।

পল প্রিন বলেন, ‘উইলিয়ামসন হাইস্কুল ও ভিগর হাইস্কুলের মধ্যকার ফুটবল ম্যাচটি ঘটনার পর পণ্ড হয়ে যায়। তবে স্টেডিয়ামের ভেতরে কোনো গোলাগুলির ঘটনা ঘটেনি।’

গোলাগুলির কারণ সম্পর্কে এখনও কিছুই বলতে পারেননি তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, দুই ব্যক্তি এ ঘটনায় জড়িত। তবে গুলি চালিয়েছেন একজন। ঘটনার পর দুই ব্যক্তিকে সাদা একটি গাড়িতে করে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে।

একে বিচ্ছিন্ন ঘটনা উল্লেখ করে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘এতে জননিরাপত্তায় কোনো হুমকি দেখা যায়নি। এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।’

আরও পড়ুন:
১৪ আগস্ট ‘দেশভাগের ভয়াবহতা স্মরণ দিবস’ ঘোষণা মোদির
মোদিকে ম্যাডাম সম্বোধন করে চিঠি
দেশকে পিছিয়ে দিচ্ছে স্বার্থপর বিরোধীরা: মোদি
ভারতের ইতিহাসে ‘কনিষ্ঠতম’ মন্ত্রিসভা গড়লেন মোদি
সন্ধ্যায় মোদির মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল

শেয়ার করুন

নিজেকে কংগ্রেসের ‘স্থায়ী’ সভাপতি ঘোষণা সোনিয়া গান্ধীর

নিজেকে কংগ্রেসের ‘স্থায়ী’ সভাপতি ঘোষণা সোনিয়া গান্ধীর

কংগ্রেসের সভাপতি সোনিয়া গান্ধী। ছবি: এএফপি

কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আগামী এক বছরের মধ্যে দলের সাংগঠনিক নির্বাচন হবে। অর্থাৎ, দলীয় নির্বাচন ছাড়াই আরও এক বছর কংগ্রেস সভাপতি থাকবেন সোনিয়া গান্ধী।

দলের সাংগঠনিক নির্বাচন হয়নি বহুদিন। ২০১৯ সালে সভাপতির পদ থেকে রাহুল গান্ধী সরে দাঁড়ানোর পর ‘অস্থায়ী’ সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন মা সোনিয়া গান্ধী। শনিবার সেই ‘অস্থায়ী’ পদকে কার্যত স্থায়ী বলেই ঘোষণা করলেন তিনি।

কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির (সিডব্লিউসি) সভায় বিক্ষুব্ধ নেতাদের প্রশ্নের জবাবে সোনিয়া গান্ধী ঘোষণা করেন, ‘আমি কংগ্রেসের পূর্ণ সময়ের সভাপতি।’

তবে এই ঘোষণা দিতে গিয়ে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ফিরিস্তিও তুলে ধরেন সোনিয়া।

ভারতের সাম্প্রতিক ইস্যুগুলো উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি দেশের জ্বলন্ত সমস্যাগুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছি। যেমনটা করেছেন মনমোহন সিং এবং রাহুল গান্ধী। অন্য দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছি। জাতীয় ইস্যুতে সম্মিলিতভাবে বিবৃতি প্রকাশ করেছি এবং সংসদে বিরোধী দলগুলোর কৌশলে সমন্বয় স্থাপন করা হয়েছে।’

দলের নেতাদের সোনিয়া বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, তার নেতৃত্বে কংগ্রেস কখনও গতিহীন হয়ে পড়েনি।

তিনি বলেন, ‘৩০ জুনের মধ্যে সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে করোনা মহামারির কারণে ওই প্রক্রিয়া স্থগিত করতে হয়েছিল। এখন নতুন সূচি তৈরি করা হবে।

এদিন কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আগামী এক বছরের মধ্যে দলের সাংগঠনিক নির্বাচন হবে। অর্থাৎ, দলীয় নির্বাচন ছাড়াই আরও এক বছর কংগ্রেস সভাপতি থাকবেন সোনিয়া গান্ধী।

তিনি বলেন, ‘দলের পুনরুজ্জীবন হওয়া উচিত। তবে এর জন্য শৃঙ্খলা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।’

বেশ কিছু দিন ধরেই দলের বিরুদ্ধেই সরব হতে দেখা গেছে কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন নেতাকে। জি-২৩ বা ওই ২৩ জন নেতাকেও এদিন পরোক্ষভাবে কড়া বার্তা দেন সোনিয়া।

২৩ নেতার মধ্যে রয়েছেন কপিল সিব্বল, গুলাম নবী আজাদের মতো বর্ষীয়ান নেতারা। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন তারা। দলের ভেতরে ওই কাঁদা ছোঁড়াছুড়ি নিয়ে এদিন সরব হন সোনিয়া।

তিনি বলেন, ‘আমি সবসময়ই দলের ভেতরে খোলাখুলিভাবে কথা বলায় বিশ্বাসী। তাই মিডিয়ার মাধ্যমে কথা বলার কোনো প্রয়োজন নেই।’

কংগ্রেস হাইকমান্ড কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সেটি সংবাদমাধ্যমের কাছে যেন প্রকাশ না করা হয়, সে বিষয়েও নেতাদের সতর্ক করেছেন সোনিয়া।

কিছুদিন আগেই দলের স্থায়ী সভাপতি নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বল।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিক্ষুব্ধ জি-২৩ নেতাদের নির্দেশেই তিনি এই দাবি প্রকাশ্যে তুলেছেন। এরপরই আজাদ চিঠি লেখেন সোনিয়াকে। এদিনের বৈঠকে দলের সাংগঠনিক নির্বাচন নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয় কি না, সেদিকেও নজর থাকবে।

চলতি বছরের মে-জুনের মধ্যেই কংগ্রেসের সাংগঠনিক নির্বাচন সেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। তবে করোনা পরিস্থিতিতে সেটি স্থগিত হয়ে যায়।

আগামী নির্বাচন নিয়ে সোনিয়া গান্ধী বলেন, ‘আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ আসবে। আমরা যদি একজোট থাকি, অনুশাসন মেনে চলি এবং শুধুমাত্র দলের ভালোর জন্য কাজ করি তাহলে সাফল্য পাবোই। আমাদের এখনই উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, গোয়া এবং মণিপুরের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।’

আরও পড়ুন:
১৪ আগস্ট ‘দেশভাগের ভয়াবহতা স্মরণ দিবস’ ঘোষণা মোদির
মোদিকে ম্যাডাম সম্বোধন করে চিঠি
দেশকে পিছিয়ে দিচ্ছে স্বার্থপর বিরোধীরা: মোদি
ভারতের ইতিহাসে ‘কনিষ্ঠতম’ মন্ত্রিসভা গড়লেন মোদি
সন্ধ্যায় মোদির মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল

শেয়ার করুন

উৎসবের জোয়ারে সংক্রমণ বাড়ার ভয় পশ্চিমবঙ্গে

উৎসবের জোয়ারে সংক্রমণ বাড়ার ভয় পশ্চিমবঙ্গে

কলকাতার রাস্তায় পূজা দেখতে জনজোয়ার। ছবি: সংগৃহীত

উৎসবের জনজোয়ারেই পশ্চিমবঙ্গে করোনার তৃতীয় ঢেউ ঢুকে পড়বে বলে যে আশঙ্কা ছিল, তা জোরালো হয়েছে এমন পরিস্থিতিতে। দিন পনেরোর মধ্যে প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তেমন পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়েও ভাবছেন তারা।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে কমছে করোনা সংক্রমণ, কমছে মৃত্যুর সংখ্যাও। তবু কমছে না আতঙ্ক, শঙ্কা। দুর্গোৎসবে ব্যাপক হারে বিধিভঙ্গের পর জোরালো হচ্ছে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা।

দুর্গোৎসবের পর করোনা সংক্রমণ বাড়বে, এমন আশঙ্কায় কলকাতা হাইকোর্ট বিধিনিষেধ বাড়িয়ে নির্দেশিকা দিয়েছিল। তাতে সায় ছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। তবে প্রশাসনের কঠোরতার মাঝেও টেকেনি করোনার সতর্কতা। উৎসবপাগল মানুষ নিষেধের তোয়াক্কা না করে জমিয়েছেন ভিড়, মানেননি স্বাস্থ্যবিধি। এতেই শঙ্কিত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

উৎসবের জনজোয়ারেই পশ্চিমবঙ্গে করোনার তৃতীয় ঢেউ ঢুকে পড়বে বলে যে আশঙ্কা ছিল, তা জোরালো হয়েছে এমন পরিস্থিতিতে। দিন পনেরোর মধ্যে প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তেমন পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়েও ভাবছেন তারা।

চিকিৎসকরা বলছেন, মৃদু উপসর্গ নিয়ে অনেক মানুষ ঘুরে বেড়িয়েছেন ভিড়ের মধ্যে। তারা পরীক্ষাও করাচ্ছেন না। পূজার ছুটিতে করোনার পরীক্ষা হয়েছে কম, তাই সংক্রমণের মাত্রা বুঝতে এ সময়টাকে তেমন বিবেচনায় নেয়া হচ্ছে না।

স্বাস্থ্য দপ্তরের শুক্রবারের বুলেটিন অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪৫১ জনের। তাদের মধ্যে কলকাতার ১২৭ জন। এ সময়ে রাজ্যে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের। শুধু উত্তর চব্বিশ পরগনায় এক দিনে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, আক্রান্ত হয়েছে ৮৪ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, পশ্চিমবঙ্গে সর্বশেষ করোনা শনাক্তের হার ২ দশমিক ১৩ শতাংশ। রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লাখ ৭৯ হাজার ৪৬৩ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছে ১৮ হাজার ৯৫৩ জন। সুস্থতার হার ৯৮ দশমিক ৩২ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
১৪ আগস্ট ‘দেশভাগের ভয়াবহতা স্মরণ দিবস’ ঘোষণা মোদির
মোদিকে ম্যাডাম সম্বোধন করে চিঠি
দেশকে পিছিয়ে দিচ্ছে স্বার্থপর বিরোধীরা: মোদি
ভারতের ইতিহাসে ‘কনিষ্ঠতম’ মন্ত্রিসভা গড়লেন মোদি
সন্ধ্যায় মোদির মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল

শেয়ার করুন

পাকিস্তানে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ার রেকর্ড

পাকিস্তানে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ার রেকর্ড

পাকিস্তানে পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্য রেকর্ড পরিমাণে বেড়েছে। ছবি: জি নিউজ

পাকিস্তানে গ্রাহক পর্যায়ে এক লিটারের পেট্রোলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩৭ দশমিক ৭৯ রুপি। প্রতি লিটার হাইস্পিড ডিজেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩৪ দশমিক ৪৮ রুপি এবং প্রতি লিটার কেরোসিনের দাম ধরা হয়েছে ১১০ দশমিক ২৬ রুপি।

পেট্রোলিয়াম জাতীয় পণ্যের মূল্য এক লাফে রেকর্ড ১০ রুপির বেশি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান সরকার। শনিবার থেকেই কার্যকর হয়েছে জ্বালানিপণ্যের পুননির্ধারিত দাম।

জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানে গ্রাহক পর্যায়ে এক লিটারের পেট্রোলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩৭ দশমিক ৭৯ রুপি। প্রতি লিটার হাইস্পিড ডিজেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩৪ দশমিক ৪৮ রুপি এবং প্রতি লিটার কেরোসিনের দাম ধরা হয়েছে ১১০ দশমিক ২৬ রুপি।

পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলের মূল্য এখন প্রায় ৮৫ ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৮ সালের অক্টোবরের পর এটাই সর্বোচ্চ বৃদ্ধি।

জ্বালানির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় এবং সরবরাহ পর্যাপ্ত না থাকায় গত কয়েক মাসে পাকিস্তানের পুরো জ্বালানি খাতেই ব্যাপক দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ভোক্তাদের স্বস্তি দিতে সরকার পেট্রোলিয়ামজাতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক ও বিক্রয় কর সর্বনিম্ন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তাতেও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না।

পেট্রোলিয়ামজাতীয় সব পণ্যের নতুন মূল্য শনিবার থেকে কার্যকরের কথা জানিয়েছে পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয়।

এসব পণ্যের মূল্য না বাড়াতে পাকিস্তান সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) নেতা ও সিনেটের সাবেক চেয়ারম্যান মিঞা রেজা রাব্বানি।

তিনি বলেন, ‘চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রতি লিটার পেট্রোলের মূল্য ৯ রুপি বাড়ানো হয়। নিত্য প্রয়োজনীয় সব দ্রব্যের দাম এখন সর্বোচ্চ। পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত সরকারকে দ্রুত বাতিল করতে হবে।’

রাব্বানি বলেন, ‘পেট্রোলিয়ামজাতীয় পণ্যের বর্ধিত মূল্য জনসাধারণ পরিশোধ করতে হিমশিম খাবে। সরকারে থাকা অভিজাত শ্রেণি জনগণকে আত্মহত্যা বা বিদ্রোহের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

‘আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দাবি মেনে সরকার বিদ্যুৎ শুল্ক প্রতি ইউনিটে ১.৩৯ রুপি বাড়িয়েছে। বিদ্যুতের ওপর ৭৭ বিলিয়ন রুপি ভর্তুকি বাতিলের পর ওই শুল্ক এ পরিমাণে বাড়ানো হয়। সরকারের এই পদক্ষেপের নিন্দা জানাচ্ছে পিপিপি।’

পিপিপির এই নেতা জানান, রান্নার তেল ও ঘি ৪০ শতাংশ বাড়িয়েছে সরকার। এখন প্রতি কেজি রান্নার তেল ও ঘিয়ের মূল্য যথাক্রমে ৩৯৯ ও ৪০৯ রুপি। টমেটো, আলু, খাসির মাংস, এলপিজিসহ ২২টি নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য সম্প্রতি অনেক বেড়েছে।

রাব্বানি দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, ‘গত কয়েকদিন মার্কিন ডলারের মান রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। আইএমএফের ঋণ পরিশোধের বিনিময়ে পণ্যের ওপর আরও কর বসাতে সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছে সংস্থাটি।’

পেট্রোলিয়াম জাতীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির নিন্দা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ইমরানের পদত্যাগ দাবি করেছেন বিরোধী দল পাকিস্তান মুসলিম লিগের (পিএমএল-এন) প্রেসিডেন্ট শেহবাজ শরীফ। তিনি বলেন, “বিদ্যুৎ শুল্ক ১৪ শতাংশ বৃদ্ধির পর জনগণের ওপর ‘পেট্রোল বোমা’ ‘মিনি বাজেটের’ ধারাবাহিকতা।

প্রধানমন্ত্রী ইমরানের ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকার নেই। তার পদত্যাগ জাতিকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে। ‘মিনি বাজেট’ বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক ব্যর্থতার প্রমাণ।”

আরও পড়ুন:
১৪ আগস্ট ‘দেশভাগের ভয়াবহতা স্মরণ দিবস’ ঘোষণা মোদির
মোদিকে ম্যাডাম সম্বোধন করে চিঠি
দেশকে পিছিয়ে দিচ্ছে স্বার্থপর বিরোধীরা: মোদি
ভারতের ইতিহাসে ‘কনিষ্ঠতম’ মন্ত্রিসভা গড়লেন মোদি
সন্ধ্যায় মোদির মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল

শেয়ার করুন

কাবুলে ভুলবশত হামলা: নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেবে যুক্তরাষ্ট্র

কাবুলে ভুলবশত হামলা: নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেবে যুক্তরাষ্ট্র

কাবুলে ড্রোন হামলায় নিহত সাত শিশুর মধ্যে এই শিশুরাও ছিল। ছবি: সংগৃহীত

পেন্টাগনের বিবৃতিতে বলা হয়, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা নীতিবিষয়ক সহকারী সচিব কলিন কাহল এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা পুষ্টি ও শিক্ষার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট স্টিভেন কেওয়নের মধ্যে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে কাবুলে ড্রোন হামলায় নিহতদের স্বজনদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার প্রস্তাব ওঠে।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে জঙ্গি সন্দেহে ভুলবশত ড্রোন হামলা চালানো স্বীকারের পর এবার নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার।

পেন্টাগনের বিবৃতিতে বলা হয়, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা নীতিবিষয়ক সহকারী সচিব কলিন কাহল এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা পুষ্টি ও শিক্ষার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট স্টিভেন কেওয়নের মধ্যে বৈঠক হয়।

ওই বৈঠকে কাবুলে ড্রোন হামলায় নিহতদের স্বজনদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার প্রস্তাব ওঠে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সরকার ওই প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে হামলায় নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়।

পেন্টাগনের পক্ষ থেকে বলা হয়, নিহতদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে যারা হামলায় বেঁচে গেছেন, তাদের যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

চলতি বছরের আগস্টের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো তাদের সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। সেনা প্রত্যাহারের শেষ কয়েক মাসে আফগানিস্তানের বিশাল এলাকা তালেবান নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার একপর্যায়ে ১৫ আগস্ট কাবুল দখল করে।

তালেবানের আগের কঠোর শাসনামল পুনরাবৃত্তির ভয়ে ওই সময় লাখ লাখ আফগানসহ বিদেশি নাগরিক আফগানিস্তান ছাড়তে কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভিড় করে।

নাগরিকদের উদ্ধার তৎপরতার শেষ সময়ে ২৬ আগস্ট কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ১৩ সেনাসহ ১৭০ আফগান বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়।

নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) আফগান শাখা আইএস-খোরাসান (আইএস-কে) ওই হামলার দায় নেয়।

ওই ঘটনার তিন দিন পর ২৯ আগস্ট কাবুলে আবাসিক এলাকায় আইএস-কের সন্দেহভাজন যোদ্ধা বহনকারী গাড়ি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা করে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী।

ওই হামলায় এক ত্রাণ সহায়তাকর্মী ও তার পরিবারের সাত শিশুসহ ৯ সদস্য নিহত হয়।

যুক্তরাষ্ট্র পরে জানায়, হামলা করা গাড়িতে আইএস-কের সদস্য থাকার ভুল তথ্য তাদের হাতে ছিল। গোয়েন্দা সংস্থা তাদের বলে, ওই গাড়িতে চড়ে আইএস-কের বেশ কয়েকজন আত্মঘাতী সদস্য হামলার লক্ষ্যে কাবুল বিমানবন্দরের দিকে যাচ্ছে।

গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তা জেনারেল কেনেথ ম্যাকেঞ্জি জানান, আইএস-কে সংশ্লিষ্ট এক জায়গায় ত্রাণ সহায়তাকর্মী জামাইরি আহমাদির গাড়িটি দেখতে পাওয়া যায়।

২৯ আগস্ট আট ঘণ্টা ধরে আহমাদির গাড়ির ওপর নজর রাখা হয়।

একপর্যায়ে ড্রোনের সাহায্যে দেখা যায়, ওই গাড়ির পেছনে লোকজন বিস্ফোরকের মতো দেখতে কিছু জিনিস বোঝাই করছে। পরে অবশ্য জানা যায়, সেগুলো পানির কন্টেইনার ছিল।

ওই ঘটনাকে ‘দুঃখজনক ভুল’ হিসেবে উল্লেখ করেন ম্যাকেঞ্জি। তালেবানের সঙ্গে ওই হামলার কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
১৪ আগস্ট ‘দেশভাগের ভয়াবহতা স্মরণ দিবস’ ঘোষণা মোদির
মোদিকে ম্যাডাম সম্বোধন করে চিঠি
দেশকে পিছিয়ে দিচ্ছে স্বার্থপর বিরোধীরা: মোদি
ভারতের ইতিহাসে ‘কনিষ্ঠতম’ মন্ত্রিসভা গড়লেন মোদি
সন্ধ্যায় মোদির মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল

শেয়ার করুন