অবশেষে বিচ্ছিন্ন বিল-মেলিন্ডা

অবশেষে বিচ্ছিন্ন বিল-মেলিন্ডা

বিল ও মেলিন্ডা গেটসের বিচ্ছেদ সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়। ছবি: ব্লুমবার্গ

গেটস দম্পতি জানান, নিজেদের বৈবাহিক সম্পদ কীভাবে ভাগ হবে, সে বিষয়ে তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছেছেন। অবশ্য ওই চুক্তির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল শহরের কিং কাউন্টি সুপিরিয়র কোর্টের বিচ্ছেদের চূড়ান্ত আদেশে কিছু বলা হয়নি।

মাইক্রোসফট করপোরেশনের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ও তার স্ত্রী মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটসের বিচ্ছেদ আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এক আদালতের নথিতে স্থানীয় সময় সোমবার এমনটাই বলা হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

৬৫ বছর বয়সী বিল গেটস বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ ধনী। অন্যদিকে মাইক্রোসফটের সাবেক ব্যবস্থাপক ৫৬ বছর বয়সী মেলিন্ডা বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ইস্যু ও নারীদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার।

২৭ বছর বৈবাহিক জীবন কাটিয়ে চলতি বছরের ৩ মে বিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন বিল ও মেলিন্ডা।

বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিলেও নিজেদের জনহিতৈষীমূলক কর্মকাণ্ডে এর কোনো প্রভাব পড়বে না বলে সে সময়ই অঙ্গীকার করেন এই দম্পতি।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ব্যক্তিগত দাতব্য সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের কাজ আগের মতোই একসঙ্গে করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তারা।

গেটস দম্পতি জানান, নিজেদের বৈবাহিক সম্পদ কীভাবে ভাগ হবে, সে বিষয়ে তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছেছেন।

অবশ্য ওই চুক্তির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল শহরের কিং কাউন্টি সুপিরিয়র কোর্টের বিচ্ছেদের চূড়ান্ত আদেশে কিছু বলা হয়নি।

কোর্টের আদেশে বলা হয়, বিচ্ছেদ চুক্তির শর্ত অবশ্যই বিল-মেলিন্ডা দম্পতিকে মেনে চলতে হবে।

২০০০ সালে পথ চলতে শুরু করা সিয়াটলভিত্তিক বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য খাতে অল্প সময়ে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ও প্রভাবশালী দাতব্য সংস্থায় পরিণত হয়।

বিল ও মেলিন্ডার ম্যালেরিয়া ও পোলিও নির্মূল, শিশু পুষ্টি ও টিকাদান কর্মসূচি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক প্রশংসা পায়।

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও নারী অধিকার প্রচারে বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন ৫ হাজার কোটি ডলারের বেশি অর্থ দান করে।

বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর যৌথ এক বিবৃতিতে এই দম্পতি বলেছিলেন, ‘অনেক ভেবে-চিন্তে এবং সম্পর্কের অনেক খুঁটিনাটি বিষয় খতিয়ে দেখে আমরা বৈবাহিক জীবনের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘গত ২৭ বছরে আমরা দুর্দান্ত তিন সন্তানকে বড় করেছি এবং একটি ফাউন্ডেশন গড়ে তুলেছি, যা বিশ্বব্যাপী সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে স্বাস্থ্যকর, কর্মক্ষম জীবনযাপনে সক্ষম করে তুলতে কাজ করছে।’

গেটস দম্পতির বিচ্ছেদ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ধনীদের বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানার দ্বিতীয় ঘটনা।

ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার ইনডেক্স অনুযায়ী বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ ধনী জেফ বেজোস ও ম্যাকেঞ্জি স্কট ২০১৯ সালে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

এ দম্পতির বিচ্ছেদে সম্পদের ভাগাভাগিতে রাতারাতি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী বনে যান ম্যাকেঞ্জি।

আরও পড়ুন:
বিল গেটসের টয়লেটে মল পরিণত হবে ‘সম্পদে’
বিল গেটসের হাতে নতুন ‘বিয়ের’ আংটি
বিচ্ছেদের নেপথ্যে বিল গেটসের এপস্টেইন ঘনিষ্ঠতা?
বিল-মেলিন্ডার আগে ব্যয়বহুল ৫ বিচ্ছেদ
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ: কী বললেন বড় মেয়ে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ইউপি নির্বাচন: কক্সবাজারে সহিংসতায় নিহত বেড়ে ২

ইউপি নির্বাচন: কক্সবাজারে সহিংসতায় নিহত বেড়ে ২

কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় নির্বাচনি সহিংসতায় ২ জন নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুই কেন্দ্রে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন সাতজন। দুই কেন্দ্রেই সংঘর্ষের পর বন্ধ রাখা হয়েছে ভোটগ্রহণ।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট চলাকালীন কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুই কেন্দ্রে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন সাতজন। দুই কেন্দ্রেই সংঘর্ষের পর বন্ধ রাখা হয়েছে ভোটগ্রহণ।

এর মধ্যে কুতুবদিয়ার বড় ঘোপ ইউনিয়নের পিলটকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন আব্দুল হালিম। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন চারজন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জামশেদুল ইসলাম সিকদার।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুইপক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ হয়েছে তিন নারী।

কুতুবজোম ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া এলাকায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম। তিনি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থক বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, ভোট চলাকালীন ওই কেন্দ্রে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামালের সমর্থকদের সঙ্গে চশমার প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। সে সময় গুলিবিদ্ধ হন চারজন। তাদের হাসপাতালে নেয়ার সময় পথেই মৃত্যু হয় কালামের।

গুলিবিদ্ধ তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে রিটার্নিং কর্মকর্তা জালাল উদ্দীন ইসলামাবাদী জানান, সংঘর্ষে ঘটনায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা ও কুতুবজোম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটগ্রহণ বন্ধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বিল গেটসের টয়লেটে মল পরিণত হবে ‘সম্পদে’
বিল গেটসের হাতে নতুন ‘বিয়ের’ আংটি
বিচ্ছেদের নেপথ্যে বিল গেটসের এপস্টেইন ঘনিষ্ঠতা?
বিল-মেলিন্ডার আগে ব্যয়বহুল ৫ বিচ্ছেদ
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ: কী বললেন বড় মেয়ে

শেয়ার করুন

‘জুয়ার আসরে’ অভিযান, ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৬

‘জুয়ার আসরে’ অভিযান, ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৬

ওসি আবু হাসান কবির বলেন, ‘আমরা জুয়া খেলার বিভিন্ন সরঞ্জাম, ৩ লাখ ৯৪ হাজার টাকা, ৩টি মোটরসাইকেল ও ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করেছি।'

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে অভিযান চালিয়ে ‘জুয়ার আসর’ থেকে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের একটি বাড়ী থেকে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাদের আটক করা হয়।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হাসান কবির।

তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। সেই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলা হবে।

যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা হলেন গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার ১ নম্বর কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রিন্টু, ঘোড়াঘাট শামীম মিয়া, রাইনুর ইসলাম রানু সরকার, বকুল সরকার, হুমায়ুন কবীর এবং শহিদুল ইসলাম।

ওসি আবু হাসান কবির বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে আমরা জুয়া খেলার বিভিন্ন সরঞ্জাম, ৩লাখ ৯৪ হাজার টাকা, ৩টি মোটরসাইকেল ও ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করেছি।'

আরও পড়ুন:
বিল গেটসের টয়লেটে মল পরিণত হবে ‘সম্পদে’
বিল গেটসের হাতে নতুন ‘বিয়ের’ আংটি
বিচ্ছেদের নেপথ্যে বিল গেটসের এপস্টেইন ঘনিষ্ঠতা?
বিল-মেলিন্ডার আগে ব্যয়বহুল ৫ বিচ্ছেদ
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ: কী বললেন বড় মেয়ে

শেয়ার করুন

কিশোরী ধর্ষণ মামলায় জাপা নেতা গ্রেপ্তার

কিশোরী ধর্ষণ মামলায় জাপা নেতা গ্রেপ্তার

মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন বলেন, ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ওই কিশোরীকে টানা পাঁচ মাস ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে ঘটনাটি কিশোরী তার মাকে জানালে মান-সম্মানের ভয়ে তারা ভাড়া বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। কিন্তু হোসেন আলী সেখানেও সন্ত্রাসীদের নিয়ে মহড়া দেন। পরে কিশোরীকে অপহরণ করে হত‍্যার হুমকি দেন।

ময়মনসিংহে কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় জাতীয় পার্টির এক নেতাকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হোসেন আলী জাতীয় পার্টির সহযোগী সংগঠন ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সভাপতি।

রোববার রাত ১২টার দিকে নগরীর কৃষ্টপুর এলাকা থেকে র‍্যাব-১৪ এর একটি দল তাকে আটক করে। পরে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে র‍্যাবের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ওই কিশোরীর বাবা।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ধর্ষণ মামলা করেছেন। ওই মামলায় হোসেন আলী ও তার তৃতীয়

স্ত্রী তামান্না বেগমকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মামলার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, নগরীর কৃষ্টপুর এলাকায় হোসেন আলীর বাড়ি। তার বাড়ির পাশে ভাড়া থাকত কিশোরীর পরিবার। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে হোসেন প্রায়ই কিশোরীর বাসায় আসা-যাওয়া করতেন। এ সময় কিশোরীর সঙ্গে তার কথাবার্তা হতো। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি সকালে হোসেনের তৃতীয় স্ত্রী তামান্না বেগম কিশোরীকে তাদের ঘরে ডেকে নেন। পরে পরিকল্পিতভাবে কোমল পানীয়র সঙ্গে নেশাজাতীয় ওষুধ সেবন করান। পরে তাকে ধর্ষণ করে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন হোসেন।

তিনি আরও বলেন, ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ওই কিশোরীকে টানা পাঁচ মাস ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে ঘটনাটি কিশোরী তার মাকে জানালে মান-সম্মানের ভয়ে তারা ভাড়া বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। কিন্তু হোসেন আলী সেখানেও সন্ত্রাসীদের নিয়ে মহড়া দেন। পরে কিশোরীকে অপহরণ করে হত‍্যার হুমকি দেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ কামাল আকন্দ বলেন, গ্রেপ্তার হোসেন আলীকে ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। মামলার অন্য আসামিকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
বিল গেটসের টয়লেটে মল পরিণত হবে ‘সম্পদে’
বিল গেটসের হাতে নতুন ‘বিয়ের’ আংটি
বিচ্ছেদের নেপথ্যে বিল গেটসের এপস্টেইন ঘনিষ্ঠতা?
বিল-মেলিন্ডার আগে ব্যয়বহুল ৫ বিচ্ছেদ
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ: কী বললেন বড় মেয়ে

শেয়ার করুন

কৃষক লীগ নেতাকে বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা

কৃষক লীগ নেতাকে বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা

ফাইল ছবি

স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, সোমবার ভোরে বাসা বের হলে সরওয়ারকে গুলি করে আগে থেকে ওত পেতে থাকা কয়েক যুবক। স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় স্থানীয় কৃষক লীগ নেতা সরওয়ার কামালকে নিজ বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ঘোনাপাড়া এলাকায় সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত সরওয়ার ছিলেন ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের মোহাম্মদ জুবায়ের।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, সোমবার ভোরে বাসা বের হলে সরওয়ারকে লক্ষ্য করে দুই থেকে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে আগে থেকে ওত পেতে থাকা কয়েক যুবক। স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তাকে হত্যার কারণ বা এর সঙ্গে কারা জড়িত তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

ওসি শাকের বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
বিল গেটসের টয়লেটে মল পরিণত হবে ‘সম্পদে’
বিল গেটসের হাতে নতুন ‘বিয়ের’ আংটি
বিচ্ছেদের নেপথ্যে বিল গেটসের এপস্টেইন ঘনিষ্ঠতা?
বিল-মেলিন্ডার আগে ব্যয়বহুল ৫ বিচ্ছেদ
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ: কী বললেন বড় মেয়ে

শেয়ার করুন

এক দশক পর পলাতক তিন আসামি গ্রেপ্তার

এক দশক পর পলাতক তিন আসামি গ্রেপ্তার

পুলিশের অভিযানে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার তিন আসামি। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি রাশেদুজ্জামান জানান, ২০১১ সালে ফিরোজ ঢালীর বিরুদ্ধে দুইটি হত্যা মামলা হয়। আর তার ভাই ফজলু ঢালী বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা হওয়ার পর দুইভাই পালিয়ে যান। একই বছর পারিবারিক বিরোধের জেরে মারামারির ঘটনায় করা মামলায় পলাতক ছিলেন সোহাগ মিয়া।

ময়মনসিংহে হত্যা, ডাকাতিসহ একাধিক মামলায় পলাতক থাকার এক দশক পর তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোমবার ভোর রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার দুপুরে আসামিদের ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে তোলা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুজ্জামান।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন, ফজলু ঢালী, ফিরোজ ঢালী ও সোহাগ মিয়া। তাদের মধ্যে ফজলু ও ফিরোজ আপন দুই ভাই। তাদের বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বেলদিয়া গামে। আর সোহাগ একই উপজেলার পাল্টীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

ওসি রাশেদুজ্জামান জানান, ২০১১ সালে ফিরোজ ঢালীর বিরুদ্ধে দুইটি হত্যা মামলা হয়। আর তার ভাই ফজলু ঢালী ডাকাত ছিলেন। তার বিরুদ্ধেও বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা হওয়ার পর দুইভাই পালিয়ে যান।

ওই বছর পাল্টীপাড়া গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে মারামারির ঘটনায় প্রতিপক্ষ সোহাগের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপর তিনিও পালিয়ে যান।

ওসি আরও বলেন, ‘রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় তারা তিনজন গাজীপুরের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছে। পরে অভিযান চালিয়ে ভোররাতে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

আরও পড়ুন:
বিল গেটসের টয়লেটে মল পরিণত হবে ‘সম্পদে’
বিল গেটসের হাতে নতুন ‘বিয়ের’ আংটি
বিচ্ছেদের নেপথ্যে বিল গেটসের এপস্টেইন ঘনিষ্ঠতা?
বিল-মেলিন্ডার আগে ব্যয়বহুল ৫ বিচ্ছেদ
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ: কী বললেন বড় মেয়ে

শেয়ার করুন

জাহাজ রাখার সক্ষমতা বাড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরের

জাহাজ রাখার সক্ষমতা বাড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরের

বন্দর সচিব ওমর ফারুক নিউজাবাংলাকে বলেন, ‘কর্ণফুলী নদীতে অস্থায়ী স্থাপনার কারণে কিছু বয়া অপসারণ করতে হয়েছে। ৮টি বয়া তুলে ফেলার বিপরীতে আমরা ৪৮ বয়া স্থাপন শুরু করেছি। এর মাধ্যমে অন্তত ১০০টি জাহাজ বাড়তি নোঙরের সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আমরা চাই কর্ণফুলী সেতুর উজান থেকে কালুঘাট পর্যন্ত লাইটার জাহাজগুলো নিরাপদে নোঙর করে রাখুক।

কর্ণফুলী নদীর শাহ আমানত সেতু থেকে কালুরঘাট অংশ পর্যন্ত অন্তত আরও ১০০টি লাইটার জাহাজ নোঙর করার সুবিধা দিতে নতুন ৪৮টি বয়া বসাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। জায়গায়টি দুটি ব্লকে ভাগ করে এসব বয়া বসানো হবে, যার মধ্যে ১৬টি বয়া বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। বাকিগুলোও পর্যায়ক্রমে বসবে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, নতুন বয়া বসানোর ফলে ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে জাহাজগুলোকে নিরাপদে রাখা সম্ভব হবে। এ ছাড়াও বিদেশি জাহাজের সঙ্গে লাইটার জাহাজের সংঘর্ষের মতো দুর্ঘটনা রোধ করা যাবে।

এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীতে বঙ্গবন্ধু টানেল, কোস্টগার্ডের নতুন স্থাপনা, নৌবাহিনীর নতুন বেইস স্টেশনের কারণে বেশ কটি বয়া কর্ণফুলী নদী থেকে তুলে ফেলতে হয়েছে। এতে করে নদীতে জাহাজ রাখার স্থান কমেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে শাহ আমানত সেতু থেকে কর্ণফুলী সেতু হয়ে কালুরঘাট পর্যন্ত মোট ৪৮টি বয়া স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়। শাহ আমানত সেতুর উজান থেকে ইতোমধ্যে ১৬টি বয়া বসানো শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে অন্তত ১০০টি ছোট জাহাজ নিরাপদে নোঙর করা যাবে।

এ প্রসঙ্গে বন্দর সচিব ওমর ফারুক নিউজাবাংলাকে বলেন, ‘কর্ণফুলী নদীতে অস্থায়ী স্থাপনার কারণে কিছু বয়া অপসারণ করতে হয়েছে। ৮টি বয়া তুলে ফেলার বিপরীতে আমরা ৪৮ বয়া স্থাপন শুরু করেছি। এর মাধ্যমে অন্তত ১০০টি জাহাজ বাড়তি নোঙরের সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আমরা চাই কর্ণফুলী সেতুর উজান থেকে কালুঘাট পর্যন্ত লাইটার জাহাজগুলো নিরাপদে নোঙর করে রাখুক।

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রবেশপথ বা চ্যানেল থেকে শাহ আমানত সেতুর উজান পর্যন্ত ছোট বা লাইটার জাহাজগুলো কর্ণফুলী নদীতে নোঙর করা থাকে। সম্প্রতি নৌ বাণিজ্য দপ্তর, চট্টগ্রাম বন্দর, জাহাজ মালিকদের সংগঠন যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নেয় গুপ্তবাঁক থেকে চ্যানেল পর্যন্ত কোনো জাহাজ নোঙর করতে পারবে না। মূলত জাহাজ চলাচলের পথ নির্বিঘ্নে রাখতেই এই উদ্যোগ। আর একারণেই নতুন ৪৮ বয়া বসিয়ে বিকল্প স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বিল গেটসের টয়লেটে মল পরিণত হবে ‘সম্পদে’
বিল গেটসের হাতে নতুন ‘বিয়ের’ আংটি
বিচ্ছেদের নেপথ্যে বিল গেটসের এপস্টেইন ঘনিষ্ঠতা?
বিল-মেলিন্ডার আগে ব্যয়বহুল ৫ বিচ্ছেদ
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ: কী বললেন বড় মেয়ে

শেয়ার করুন

অস্ত্র মামলায় স্বাস্থ্যের মালেকের ৩০ বছর কারাদণ্ড

অস্ত্র মামলায় স্বাস্থ্যের মালেকের ৩০ বছর কারাদণ্ড

অস্ত্র আইনে মামলার দুটি ধারায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়িচালক আব্দুল মালেককে ১৫ বছর করে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

অস্ত্র আইনের দুটি ধারার মধ্যে অস্ত্র রাখার জন্য ১৫ বছর এবং গুলি রাখার জন্য ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। তবে দুটি সাজার মেয়াদ একসঙ্গে শেষ হবে বলে রায়ে উল্লেখ করেন বিচারক।

অস্ত্র আইনের মামলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আলোচিত গাড়িচালক আব্দুল মালেককে পৃথক দুটি ধারায় ১৫ বছর করে ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। দুটি সাজাই চলবে একসঙ্গে। ফলে ১৫ বছরের সাজা খাটলেই চলবে তার।

ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক রবিউল আলম সোমবার দুপুর ১২টায় এ রায় ঘোষণা করেন। অস্ত্র আইনের দুটি ধারার মধ্যে অস্ত্র রাখার জন্য মালেককে ১৫ বছর এবং গুলি রাখার জন্য ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। দুটি সাজার মেয়াদ একসঙ্গে শেষ হবে বলে রায়ে উল্লেখ করেন বিচারক।

মালেককে সাজার পরোয়ানাসহ কারাগারে পাঠানোর আদেশও দেন বিচারক। মাত্র পাঁচ মিনিটেই রায় পড়া শেষ করা হয়।

রায় শোনানোর পর মালেক তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমাকে মিথ্যাভাবে অস্ত্র ও গুলি দিয়ে ধরা হয়েছে। আমি নির্দোষ, আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। র‌্যাব যখন বাসায় আসে তখন আমার বাসায় কিছুই পাই নাই। পরে এসব অস্ত্র-গুলি কোথা থেকে এলো?’

মালেকের রায় শুনে আদালতের সামনে সঙ্গা হারিয়ে ফেলেন তার স্ত্রী। আর মালেকের বোন চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘মিথ্যা মামলায় আমার ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে। আমি আমার ভাইকে না নিয়ে বাসায় যাব না…।’

মালেকের ছেলে চিৎকার করে বলেন, ‘আমার বাপের এত টাকা, কোথায় গেল এসব টাকা? ১০০-২০০ কোটি টাকা আমার বাপের, কোথায় গেলো?

এরপর কর্তব্যরত পুলিশের হস্তক্ষেপে তাদেরকে মহানগর আদালতের দ্বিতীয় তলা থেকে নিচে নামিয়ে নেয়া হয়।

রায়ে আসামি মালেকের আরও বেশি সাজা প্রত্যাশা করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মাদ সালাহউদ্দিন হাওলাদার বলেন, ‘আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণ করতে আমরা রাষ্ট্র পক্ষ সক্ষম হয়েছি।’

তবে মালেকের আইনজীবী শাহীনুর ইসলাম অনি রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা এই রায়ের মধ্যে দিয়ে ন্যায় থেকে বঞ্চিত হয়েছি। আসামি মালেকের কাছ থেকে অস্ত্র গুলি কিছুই উদ্ধার ছিল না। এ রায়ের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে যাব। আসামি কোনোভাবেই ন্যায় বিচার পায়নি।’

তার দাবি, এই মামলার অভিযোগপত্রের অন্তর্ভুক্ত ১৩ জন সাক্ষীর সবাই আদালতে সাক্ষ্য দিলেও সে সাক্ষ্য ১৩ রকমের হয়েছে। কোনো সাক্ষী গুছিয়ে কিছু বলতে পারেনি। জেরাতে সবাই বিতর্কিত হয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘এসব কারণে আমাদের জন্য খালাস পাওয়া সহজ ছিল, কিন্তু আদালত তাকে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড দিয়েছে। এই মামলায় সাজা হওয়ার মতো কোনো উপাদান ছিল না। এরপরও আসামি ন্যায় থেকে বঞ্চিত হয়েছে।’

গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত ২০ সেপ্টেম্বর রায়ের তারিখ ধার্য করে।

গত ৯ সেপ্টেম্বর আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান আব্দুল মালেক।

এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর মামলাটিতে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। মামলাটিতে ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনেরই সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে আদালত।

ঢাকার এক নম্বর মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। গত ৬ সেপ্টেম্বর মামলার অবশিষ্ট অংশ বিচারের জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হয়।

মালেকের বিরুদ্ধে গত ১১ মার্চ চার্জ গঠন করে আদালত। এর আগে গত ১১ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর এসআই মেহেদী হাসান চৌধুরী মালেকের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন।

অবৈধ অস্ত্র, জাল নোট ব্যবসা ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গত বছর ২০ সেপ্টেম্বর ভোরে রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে গাড়িচালক মালেককে গ্রেপ্তার করে র‌্যাবের একটি দল। এসময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচ রাউন্ড গুলি, দেড় লাখ বাংলাদেশি জাল নোট, একটি ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় র‌্যাব-১ এর পরিদর্শক (শহর ও যান) আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে তুরাগ থানায় অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দুটি মামলা দায়ের করেন।

আরও পড়ুন:
বিল গেটসের টয়লেটে মল পরিণত হবে ‘সম্পদে’
বিল গেটসের হাতে নতুন ‘বিয়ের’ আংটি
বিচ্ছেদের নেপথ্যে বিল গেটসের এপস্টেইন ঘনিষ্ঠতা?
বিল-মেলিন্ডার আগে ব্যয়বহুল ৫ বিচ্ছেদ
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ: কী বললেন বড় মেয়ে

শেয়ার করুন