× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
The parents of the second child are the Boris Carey couple
hear-news
player
print-icon

করোনার মধ্যে বরিসের ঘরে আসছে দ্বিতীয় সন্তান

করোনার-মধ্যে-বরিসের-ঘরে-আসছে-দ্বিতীয়-সন্তান
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও তার স্ত্রী ক্যারি জনসন। ছবি এএফপি
ক্যারি জনসন লেখেন, ‘চলতি বছরের শুরুতে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাত আমাকে হৃদয়গ্রাহী করে তোলে। আমি গর্ভধারণ করে সৌভাগ্য মনে করছি, কিন্তু আমার ভয় হচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে আমি খুব চাপও অনুভব করছি।’

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেই যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও তার স্ত্রী ক্যারি জনসন দ্বিতীয় সন্তানের বাবা-মা হতে চলেছেন। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাতের হৃদয়বিদারক ঘটনায় কয়েক মাস পরে এমন সুসংবাদ দিয়েছেন ওই দম্পতি।

ইনস্টাগ্রামে খবরটি শেয়ার করে বরিস জনসনের স্ত্রী ক্যারি জানান, তিনি এই ক্রিসমাসে সন্তান (রেইনবো বেবি) জন্মদানের প্রত্যাশা করছেন।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, ৩৩ বছর বয়সী ক্যারি জনসন লেখেন, তিনি গর্ভধারণের বিষয়টিকে খুবই সৌভাগ্য হিসেবে দেখছেন। সেই সঙ্গে তিনি এমন বিষয়কে তার জন্য মানসিক চাপের হিসেবেও দেখছেন।

২০২০ সালের এপ্রিলে ক্যারি তাদের প্রথম সন্তান ইউলফ্রেডের জন্ম দেন।

‘রেইনবো বেবি’ নামের যে শব্দ ব্যবহার করেছেন ক্যারি, এর অর্থ অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাতের পর বা নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর পর যে বাচ্চা জন্ম নেয় তাকেই বোঝায়।

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ক্যারি জনসন লেখেন, ‘চলতি বছরের শুরুতে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাত আমাকে হৃদয়গ্রাহী করে তোলে।

‘আমি গর্ভধারণ করে সৌভাগ্য মনে করছি, কিন্তু আমার ভয় হচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে আমি খুব চাপও অনুভব করছি।’

তিনি লেখেন, ‘অনেকের জন্য সন্তান জন্মদান বিষয়টি খুব কঠিন। কিন্তু ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্ম দেখে মনে হতে পারে সবই স্বাভাবিক ও সুন্দরভাবে চলছে।

‘আমি ইনস্টাগ্রামে অনেকের কাছ থেকেই ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। তাদের একই ধরনের কষ্টের কথা আমার সঙ্গে শেয়ার করেছেন। আমি আশাবাদী হয়ে উঠেছি।’

পাশাপাশি তিনি একটি ছবিও শেয়ার করেছেন যেখানে নীল ক্রিসমাসের সাজ দেখা যাচ্ছে।

চলতি বছরের মে মাসে ওয়েস্টমিনস্টার ক্যাথেড্রালে সীমিত পরিসরে বিয়ে করেন বরিস জনসন ও ক্যারি সিমন্ডস।

আরও পড়ুন:
সীমিত পরিসরে বিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর
আইসোলেশনে বরিস জনসন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Irani 2 sisters heartwarming moments in freedom of dress

পোশাকের স্বাধীনতায় ইরানি ২ বোনের হৃদয়ছোঁয়া ‘বেলা চাও’

পোশাকের স্বাধীনতায় ইরানি ২ বোনের হৃদয়ছোঁয়া ‘বেলা চাও’ ‘বেলা চাও’-এর ফার্সি সংস্করণ গাইছেন বেহিন ও সামিন বোলোরি। ছবি: সংগৃহীত
ইরানি দুই বোনের গাওয়া একটি গান ঝড় তুলেছে নেট দুনিয়ায়। উনিশ শতকের ইতালীয় ভাষায় রচিত বিপ্লবী লোকগান ‘বেলা চাও’- এর ফার্সি সংস্করণ ছুঁয়ে যাচ্ছে হাজারো মানুষকে। মাহসা যেদিন মারা যান, সেই ১৬ সেপ্টেম্বরেই ইনস্টাগ্রামে গানটি আপলোড করেন ইরানি তরুণী বেহিন বোলোরি ও তার ছোট বোন সামিন বোলোরি।

পুলিশি হেফাজতে কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুর ঘটনায় ইরানজুড়ে চলছে অভূতপূর্ব বিক্ষোভ। ইসলামি শাসনব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছেন ইরানের মেয়েরা। তাদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভে শামিল হচ্ছেন পুরুষরাও।

যে পোশাক বিধি অমান্যের অভিযোগে ২২ বছরের আমিনিকে ১৩ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়, তার প্রতিবাদে এখন প্রকাশ্যে হিজাব পুড়িয়ে দিচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা। অনেকে কেটে ফেলছেন নিজের চুল। কট্টর শাসনের অধীন ইরানে এমন বিক্ষোভ নাড়া দিয়েছে গোটা বিশ্বকে।

দেশের বাইরে থেকে ইরানের নারীদের প্রতি সংহতি জানিয়েও বিক্ষোভ চলছে। এথেন্স, বার্লিন, ব্রাসেলস, ইস্তাম্বুল, মাদ্রিদ, নিউ ইয়র্ক, প্যারিস, সান্তিয়াগো, স্টকহোম, হেগ, টরন্টো, ওয়াশিংটনসহ পশ্চিমা বিভিন্ন শহরে চলছে প্রতিবাদ।

এর মধ্যেই ইরানি দুই বোনের গাওয়া একটি গান ঝড় তুলেছে নেট দুনিয়ায়। উনিশ শতকে ইতালীয় ভাষায় রচিত বিপ্লবী লোকগান ‘বেলা চাও’- এর ফার্সি সংস্করণ ছুঁয়ে যাচ্ছে হাজারো মানুষকে। মাহসা যেদিন মারা যান, সেই ১৬ সেপ্টেম্বরেই ইনস্টাগ্রামে গানটি আপলোড করেন ইরানি তরুণী বেহিন বোলোরি ও তার ছোট বোন সামিন বোলোরি।

গানটিতে স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের কথা রয়েছে। প্রবল দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ একজন বিপ্লবীদের প্রতি তাকে সঙ্গী করার আহ্বান জানান। তার আকাঙ্ক্ষা দখলবাজ শাসকের বিরুদ্ধে লড়াইয়েই মৃত্যু হবে, এরপর সহযোদ্ধারা তাকে শায়িত করবেন ফুলে ঢাকা কোনো পাহাড়ে।

ভাইরাল গানের ভিডিওটি ইরানি শিল্পী বেহিন বোলোরি #bellaciao হ্যাশট্যাগে নিজের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন। শিরোনামে প্রতিবাদে শামিল না হওয়া ইরানিদের প্রতি বিদ্রূপাত্মক ভাষায় তিনি লেখেন, ‘ইউ আর নট অ্যাওয়েক আনটিল টুমরো... (ভোর না হওয়া পর্যন্ত তোমরা জাগবে না)।’

ভিডিওতে কালো ব্যাকগ্রাউন্ডে ২৮ বছরের বেহিন বোলোরি ও ২১ বছরের বোন সামিন বোলোরিকে ফার্সি ভাষায় ‘বেলা চাও’ গানটি গাইতে দেখা যায়। সোমবার পর্যন্ত ৪২ লাখের বেশিবার দেখা হয়েছে ভিডিওটি। মন্তব্যে ইরানি নারীর পোশাকের পক্ষে অবস্থান জানিয়েছেন অসংখ্য মানুষ।

ইরানের রাশত শহরে বেহিন বোলোরির জন্ম ১৯৯৪ সালের ২৬ জুলাই। থিয়েটার কস্টিউম ডিজাইনে ডিগ্রিধারী বেহিন একজন পেশাদার পপ গায়িকা। পাঁচ বছর ধরে ছোট বোন সামিন বোলোরির সঙ্গে ডুয়েট গাইছেন তিনি।

নিউজবাংলার পাঠকের জন্য গানটির ইংরেজি সংস্করণের বাংলা অনুবাদ দেয়া হলো

একদিন ভোরে ঘুম ভেঙে দেখি,

ওহ বেলা চাও, বেলা চাও, বেলা চাও, চাও, চাও! (বিদায় হে সুন্দর)

একদিন ভোরে ঘুম ভেঙে দেখি

দখলবাজেরা আসছে ছুটে।

হে দেশপ্রেমী আমাকেও নিয়ে যাও,

ওহ বেলা চাও, বেলা চাও, বেলা চাও, চাও, চাও

হে দেশপ্রেমী আমাকেও নিয়ে যাও,

ওদিকে মৃত্যু আসছে ধেয়ে।

যদি মরে যাই দেশপ্রেমী হয়ে,

ওহ বেলা চাও, বেলা চাও, বেলা চাও, চাও, চাও

যদি মরে যাই দেশপ্রেমী হয়ে,

তবে তোমারি হাতে হবে আমার সমাধি।

আমাকে শুইয়ে দিও পাহাড়ে,

ওহ বেলা চাও, বেলা চাও, বেলা চাও, চাও, চাও

আমাকে শুইয়ে দিও পাহাড়ে,

দারুণ সুন্দর কোনো ফুলেল ছায়ায়।

পাশ দিয়ে যাওয়া পথিক তাকাবে,

ওহ বেলা চাও, বেলা চাও, বেলা চাও, চাও, চাও

পাশ দিয়ে যাওয়া পথিক তাকাবে,

বলবে, ‘কী দারুণ ফুল।‘

এই ফুল দেশপ্রেমিকের,

ওহ বেলা চাও, বেলা চাও, বেলা চাও, চাও, চাও

এই ফুল দেশপ্রেমিকের,

স্বাধীনতার জন্য যারা দিয়েছে প্রাণ।

আরও পড়ুন:
উত্তাল ইরানের এক শহর নিরাপত্তা বাহিনীর হাতছাড়া
ইরানে পোশাকের স্বাধীনতার বিক্ষোভে মৃত্যু বেড়ে ৫০
ইরানের রাস্তায় এবার হিজাবপন্থিরা
ইরানে পোশাকের স্বাধীনতার বিক্ষোভে মৃত বেড়ে ২৬
হিজাবে রাজি হননি সিএনএনের আমানপোর, ইরানি প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎকার বাতিল

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
2 crore more phone subscribers than the population

জনসংখ্যার চেয়ে ফোনের গ্রাহক বেশি ২ কোটি

জনসংখ্যার চেয়ে ফোনের গ্রাহক বেশি ২ কোটি জনসংখ্যার চেয়ে মোবাইল ফোনের গ্রাহক প্রায় দুই কোটি বেশি। ছবি: সংগৃহীত
জুলাইয়ের শেষে সদ্যসমাপ্ত আদমশুমারির প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশের জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। এই হিসাবে জনসংখ্যার চেয়ে মোবাইল গ্রাহক বেশি ১ কোটি ৮৮ লাখ ৪২ হাজার ৩৮৪ জন।

সর্বশেষ আদমশুমারির প্রতিবেদনে দেশে জনসংখ্যা যত এসেছে, মোবাইল ফোনের গ্রাহক তার চেয়ে প্রায় দুই কোটি বেশি বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

বুধবার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য কাজিম উদ্দিন আহম্মেদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, দেশে চারটি মোবাইল ফোন কোম্পানির গ্রাহক সংখ্যা ১৮ কোটি ৪০ লাখ ১ হাজার।

অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন বলে ঘোষণা দেন।

গ্রাহক সংখ্যা বলতে বায়োমেট্রিক ভেরিফাইড সাবস্ক্রিপশনকে বোঝানো হয়েছে। যারা গত তিন মাসে অন্তত একবার সেই মোবাইল নেটওয়ার্কে সক্রিয় ছিলেন, তাদেরকেই গ্রাহক ধরা হয়েছে।

জুলাইয়ের শেষে সদ্যসমাপ্ত আদমশুমারির প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশের জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন।

অর্থাৎ জনসংখ্যার চেয়ে মোবাইল গ্রাহক বেশি ১ কোটি ৮৮ লাখ ৪২ হাজার ৩৮৪ জন। মন্ত্রী জানান, গ্রাহকের তুলনায় সিমের সংখ্যা আরও বেশি।

মন্ত্রীর সংসদে দেওয়া তথ্যানুযায়ী গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ৮ কোটি ৪০ লাখ জন আর সিমের সংখ্যা ১১ কোটি ১৪ লাখ।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা রবি আজিয়াটার গ্রাহক সংখ্যা ৫ কোটি ৪৮ লাখ, সিমের সংখ্যা ১০ কোটি ২৬ লাখ।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা বাংলালিংকের গ্রাহক সংখ্যা ৩ কোটি ৮৫ লাখ, সিমের সংখ্যা ৮ কোটি ২৬ লাখ।

রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি টেলিটকের বাংলাদেশ লিমিটেডের গ্রাহক সংখ্যা ৬৭ লাখ ১ হাজার, সিমের সংখ্যা ১ কোটি ৩৩ লাখ।

মোবাইল ফোনের কলরেট আপাতত পুনর্নির্ধারণের পরিকল্পনা নেই বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, মোবাইল কোম্পানিগুলোতে যে কলরেট প্রচলিত রয়েছে তা ২০১৮ সালের মার্কেট পর্যালোচনা, আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট প্রভৃতি বিশ্লেষণ করে নির্ধারণ করা।

আরও পড়ুন:
মোবাইল থেকে ব্যাংকে লেনদেন এখনই নয়
মোবাইলে লেনদেনে মাশুল কত জানাতে হবে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
56 percent of children and teenagers have mobile phones

৫৬ শতাংশ শিশু-কিশোরের হাতে মোবাইল

৫৬ শতাংশ শিশু-কিশোরের হাতে মোবাইল  দেশে ৫ থেকে ১৮ বছর বয়সসীমায় মোবাইল ব্যবহারকারীর হার ৫৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। ফাইল ছবি
শিশু-কিশোরদের প্রযুক্তিতে আসক্তি করোনাকালীন সময় ঘরবন্দি জীবনে তা আরও তীব্র হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের প্রতি ঘরে শিশুদের আরও সময় দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

সাম্প্রতিক সময়ে শিশু-কিশোরদের প্রযুক্তিতে আসক্তি আশঙ্কাজনকহারে বেড়ে গেছে। দেশে ৫ থেকে ১৮ বছর বয়সসীমায় মোবাইল ব্যবহারকারীর হার ৫৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো আয়োজিত জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২-এর প্রাথমিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বুধবার জনশুমারি ও গৃহগণনার প্রাথমিক এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

১৮ বছর ও তার চেয়ে বেশি বয়সীদের মধ্যে ৭২ দশমিক ৩১ শতাংশ মানুষের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন রয়েছে।

মোবাইল ব্যবহারে লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ পুরুষ ও ৪৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ নারী রয়েছে।

১৮ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীদের মধ্যে ৮৬ দশমিক ৭২ শতাংশ পুরুষের ও ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ নারীর ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন রয়েছে।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দুই শ্রেণির বয়সীদের মধ্যে নিজের ব্যবহারের মোবাইল ফোন রয়েছে এমন জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে এবং সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে।

শিশু-কিশোরদের প্রযুক্তিতে আসক্তি করোনাকালীন সময় ঘরবন্দি জীবনে তা আরও তীব্র হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের প্রতি ঘরে শিশুদের আরও সময় দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা শিশুদের পূর্ণ বিকাশে মোবাইল ফোন ও কম্পিউটারের প্রতি ঝোঁক কমিয়ে আনার কথা বলে আসছেন সব সময়ই। তবে এখন এসব পরামর্শ মেনে চলতে পারছেন না বেশির ভাগ অভিভাবকই।

এ ব্যাপারে জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক তারেক আজাদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শিশু-কিশোরদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার যতটা সম্ভব দূরে রাখাই ভালো। এগুলো তাদের কল্পনাশক্তিকে সীমিত করে ফেলে। এ ছাড়া চোখ ও মস্তিষ্কেরও ক্ষতি করে।

‘এখন তো ক্লাসও হচ্ছে অনলাইনে। ফলে পুরোপুরি প্রযুক্তি সামগ্রী থেকে দূরে রাখা যাবে না। তবে যতটা সম্ভব যাতে কম ব্যবহার করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’

ইন্টারনেট ব্যবহার

২০২২ সালের গত তিন মাসে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের মধ্যে মোট ৩০ দশমিক ৬৮ শতাংশ। এবং ১৮ বছর থেকে বেশি বয়সীদের মধ্যে ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ জনসংখ্যা ইন্টারনেট ব্যবহার করেছে।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে পরিলক্ষিত হয়, গত তিন মাসে ইন্টারনেট ব্যবহার করেছে এমন জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে এবং সবচেয়ে কম রংপুর বিভাগে।

আরও পড়ুন:
দেশে পুরুষ কম, নারী বেশি
সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬%, এগিয়ে পুরুষ
দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি সাড়ে ৫১ লাখ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Bangladesh is the seventh most bitter country in the world

সবচেয়ে তিক্ত জীবনের দেশের তালিকায় বাংলাদেশ সপ্তম

সবচেয়ে তিক্ত জীবনের দেশের তালিকায় বাংলাদেশ সপ্তম গ্যালাপের ‘নেতিবাচক অভিজ্ঞতার ইনডেক্স’-এ সপ্তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। গ্রাফিক্স: নিউজবাংলা
গ্যালাপের চালানো জরিপে একাকিত্বের নতুন এক মহামারির চিত্রও ফুটে উঠেছে। সংস্থার প্রতিবেদন বলছে, বর্তমান সময়ে নিঃসঙ্গতা ব্যাপক বেড়েছে। বিশ্বের ৩৩ কোটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ টানা ২ সপ্তাহও কোনো বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা না বলে কাটিয়ে দিচ্ছেন।

শারীরিক ও মানসিক নানান চাপে বেশ নাজুক অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশের মানুষ। করোনা মহামারি সংকটকে আরও জটিল করেছে। বিশ্বের ১২২টি দেশের ওপর জরিপ চালিয়ে আমেরিকাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গ্যালাপ দিয়েছে দুঃসংবাদ।

দৈবচয়নের ভিত্তিতে বিশ্বের ১ লাখ ২৭ হাজার মানুষের জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে, ক্ষোভ, দুঃখ, শারীরিক যন্ত্রণা, দুশ্চিন্তা ও অবসাদগ্রস্ত মানুষের দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম।

২০২১ থেকে ২০২২-এর শুরু পর্যন্ত চালানো এই জরিপে গোটা বিশ্বেই মানুষের জীবন যন্ত্রণা বৃদ্ধির তথ্য পাওয়া গেছে। বিশ্বে দারিদ্র্য, ক্ষুধা, অপরাধ, একাকিত্ব, ভালো কাজের অভাবের মতো নেতিবাচক বিভিন্ন দিক মানুষকে অসুখী করে তুলছে।

গ্যালাপ বলছে, বিশ্ব এখন যুদ্ধ, মহামারি, মুদ্রাস্ফীতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা পরিস্থিতি আরও খারাপ করে তুলতে পারে।

জরিপকে দুটি অংশে ভাগ করেছে গ্যালাপ। এর মধ্যে ‘ইতিবাচক অভিজ্ঞতার ইনডেক্স’ তৈরিতে করা হয়েছে পাঁচটি প্রশ্ন।

এই প্রশ্নগুলো ছিল- আপনি কি গতকাল ভালো বিশ্রাম নিয়েছেন, আপনি কি গতকাল সম্মানের সঙ্গে মূল্যায়িত হয়েছেন, আপনি কি গতকাল ইন্টারেস্টিং কিছু শিখেছেন, আপনি কি গত আনন্দদায়ক কিছু করেছেন?

অন্যদিকে ‘নেতিবাচক অভিজ্ঞতার ইনডেক্স’ও করেছে গ্যালাপ। এতে প্রশ্নগুলো ছিল- আপনি কি গতকাল শারীরিক কোনো ব্যথা অনুভব করেছেন, গতকাল কি দুশ্চিন্তায় ভুগেছেন, গতকাল কি বিষণ্ন ছিলেন, গতকাল কি কোনো চাপ অনুভব করেছেন, গতকাল কি কোনো বিষয়ে রাগ করেছেন?

দুই সেটের প্রশ্নেরই স্কোর ছিল ০ থেকে ১০০ পর্যন্ত।

এসব প্রশ্নের আলোকে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ নেতিবাচক অভিজ্ঞতার মানুষের দেশের তালিকায় সপ্তম অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের চেয়েও খারাপ অবস্থায় আছে তুর্কিয়ে, জর্ডান, সিয়েরা লিওন, ইরাক, লেবানন ও আফগানিস্তান। এই তালিকায় সবার প্রথমে থাকা দেশ আফগানিস্তানের পয়েন্ট ৫৯।

আফগানিস্তানে সম্প্রতি তালেবানরা ক্ষমতায় এসেছে, লেবাননে দেখা দিয়েছে নিয়ন্ত্রণহীন মুদ্রাস্ফীতি, আফ্রিকার দেশ সিয়েরালিওনে আঞ্চলিক গোলযোগ চলছে। ইরাক সম্প্রতি আইএসের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করেছে। তুর্কিয়েতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও দেশটির মুদ্রা লিরার মানপতনে সামাজিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

১২২ দেশের মধ্যে ‘ইতিবাচক অভিজ্ঞতার ইনডেক্স’-এ বাংলাদেশের অবস্থান অবশ্য এক ধাপ ওপরে, অর্থাৎ নিচের দিক থেকে অষ্টম। ওপরের দিক থেকে হিসেব করলে এই অবস্থান ১১৫তম। আর এ তালিকায় বাংলাদেশের পরে রয়েছে জর্ডান, তিউনিশিয়া, নেপাল, তুর্কিয়ে, লেবানন ও আফগানিস্তান।

ইতিবাচক অভিজ্ঞতার মানুষের দেশের তালিকায় প্রথম স্থানে আছে পানামা। প্রথম দশের মধ্যে থাকা বাকি দেশগুলো হলো- ইন্দোনেশিয়া, প্যারাগুয়ে, এল সালভাদর, হন্ডুরাস, নিকারাগুয়া, আইসল্যান্ড, ফিলিপাইন, ডেনমার্ক, সাউথ আফ্রকা।

গ্যালাপের চালানো জরিপে একাকিত্বের নতুন এক মহামারির চিত্রও ফুটে উঠেছে। সংস্থার প্রতিবেদন বলছে, বর্তমান সময়ে নিঃসঙ্গতা ব্যাপক বেড়েছে। বিশ্বের ৩৩ কোটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ টানা ২ সপ্তাহও কোনো বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা না বলে কাটিয়ে দিচ্ছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কিছু মানুষের বন্ধু থাকা মানেই এই নয় যে তাদের ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ আছে। বিশ্বের প্রতি পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্কর মধ্যে একজনের এমন কোনো বন্ধু নেই, যার সঙ্গে প্রাণ খুলে কথা বলা যায় বা সাহায্য চাওয়া যায়।

আরও পড়ুন:
মস্তিষ্কে ডিভাইস বসিয়ে বিষণ্নতা দূর
ভূমি জরিপের ভোগান্তি কমাতে উদ্যোগ
তারুণ্যের ৬১ শতাংশই ভুগছে বিষণ্নতায়
বৃদ্ধ দম্পতির সামনে শুধু হতাশা
বিষণ্নতা কমাতে এক ঘণ্টা আগে উঠুন

মন্তব্য

‘চুরা কে দিল মেরা’

‘চুরা কে দিল মেরা’ ‘চুরা কে দিল মেরা’ গানটিতে পারফর্ম করে ভাইরাল নরওয়ের একটি নাচের দল। ছবি: সংগৃহীত
শিল্পা শেঠি ক্লিপটি নিয়ে মন্তব্য করা ব্যক্তিদের মধ্যে প্রথম৷ তিনি লেখেন, ‘ওএমজি। আপনারা গানটিকে হনন করেছেন। এটি সত্যিই আমার হৃদয় চুরি করেছে।’

নেট দুনিয়ায় হালের আলোচিত ভিডিও ৯০ দশকের মাঝামাঝিতে বলিউডে মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘ম্যায় খিলারি তু আনারি’। অক্ষয় কুমার আর শিল্পা শেঠির অভিনীত ‘চুরা কে দিল মেরা’ গানটির জনপ্রিয়তা আজও কমেনি। তাই তো ভারত থেকে ৬ হাজার ৯৫৭ কিলোমিটার দূরের দেশ নরওয়ের এক বিয়েতে গানটিতে নেচে ভাইরাল হয়েছেন একদল তরুণ

ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা ক্লিপে ব্যাকগ্রাউন্ডে সিগনেচার টিউন বাজলে নাচের দলটিকে ক্যামেরার উল্টো দিকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর শুরু হয় দুর্দান্ত এক পারফরম্যান্স। ভিডিওটি নজর কেড়েছে বলিউড সেলিব্রিটিদেরও।

শিল্পা শেঠি ক্লিপটি নিয়ে মন্তব্য করা ব্যক্তিদের মধ্যে প্রথম৷ তিনি লেখেন, ‘ওএমজি। আপনারা গানটিকে হনন করেছেন। এটি সত্যিই আমার হৃদয় চুরি করেছে।’

গায়িকা সোফি চৌধুরী লেখেন, ‘তোমরা অসাধারণ। আমার পরবর্তী ভিডিওতে তোমাদের চাই।’

একজন সাধারণ ব্যবহারকারী লেখেন, ‘আমি যদি কখনও বিয়ে করি, তখন এমন একটি পারফরম্যান্স চাই।’

কয়েকজন তো লিখেছেন, ‘আমরা পুরো পারফরম্যান্স দেখতে চাই।’

ভিডিওটি এখন পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় ২৬ লাখের বেশিবার দেখা হয়েছে। ক্যাপশনে লেখা, ‘চিন্তা করবেন না, এড শেরিন তোমাকে পেয়ে গেছেন।’

ধারণা করা হচ্ছে, কুইক স্টাইল গায়ক এড শেরিনের কথা এখানে বলা হয়েছে।

View this post on Instagram

A post shared by Quick Style (@thequickstyle)

কুইক স্টাইল বলিউড ট্র্যাকে পারফর্ম করতে পছন্দ করে। এর আগে একটি ভিডিওতে গ্রুপটি শাহরুখ খানের ‘ম্যায় হুন না’ সিনেমা থেকে ‘তুমসে মিলকে দিলকা জো হাল’-এর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল। মন্তব্য বিভাগে আগুনের পাশাপাশি লাল হার্ট-আই ইমোজিতে প্লাবিত হয়েছিল ক্লিপটি।

‘বার বার দেখো’ সিনেমায় ‘কালা চশমা’ গানের সুরে নাচের সময় অল-মেন গ্রুপটির পারফরম্যান্স অনেকেরই মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছিল।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The magic of the form of Alvi Al Beruni hit the ticket

টিকটকে হিট আলভি আল বেরুনীর ‘রূপের জাদু’

টিকটকে হিট আলভি আল বেরুনীর ‘রূপের জাদু’ ‘রূপের জাদু’ গান দিয়ে টিকটকে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন আলভি আল বেরুনী। ছবি: সংগৃহীত
আলভি বলেন, ‘আমি সবসময়ই আমার ভক্তদের জন্য নতুন কাজ উপহার দিতে চাই। আমার রূপের জাদু গানটি পছন্দ করার জন্য সমস্ত ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।’

সংগীত প্রযোজক ও সুরকার আলভি আল বেরুনী ঈদ উপলক্ষে শিল্পী শিমা ও রিজানকে নিয়ে তার নতুন গান ‘রূপের জাদু’ প্রকাশ করেছিলেন। অনামিকা ঐশি ফিচারিং মিউজিক ভিডিওটি নেটিজেনদের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে হিট হয়েছে।

‘রূপের জাদু’ অল্প সময়ের মধ্যেই আলভি আল বেরুনীকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জনে সাহায্য করেছে। গানটি প্রকাশের কয়েক সপ্তাহ পর টিকটকে লাখ ভিউ অর্জন করেছে। গানটি প্রায় ১২ লাখ টিকটকে ভিডিওতে ব্যবহার করা হয়েছে এবং গানটি কনটেন্ট নির্মাতাদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে চলে এসেছে।

নিজের এমন অর্জন সম্পর্কে আলভি বলেন, ‘আমি সবসময়ই আমার ভক্তদের জন্য নতুন কাজ উপহার দিতে চাই। আমার রূপের জাদু গানটি পছন্দ করার জন্য সমস্ত ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।

‘মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে, রূপের জাদু ১ লাখেরও বেশি শেয়ার করা হয়েছে, যা অভাবনীয় ছিল! টিকটকের মাধ্যমে আমি ব্যাপকভাবে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছি। আমি আনন্দিত যে টিকটকে মানুষ গানটি দিয়ে বানানো তাদের নিজেদের ভার্সন উপভোগ করছে।’

তিনি বলেন, ‘টিকটক অংশগ্রহণ উদ্যোগের মাধ্যমে সংগীত শিল্পে বিপ্লব ঘটাতে সাহায্য করছে এবং আমার মতো তরুণ এবং নবীন শিল্পীদের প্ল্যাটফর্মে ইউনিক কনটেন্ট তৈরি করতে উৎসাহিত করছে।’

‘রূপের জাদু’ রিলিজ হওয়ার পরে, এটি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। গানের সব উপাদান সুরেলাভাবে মিশ্রিত হয়েছে বলে অনেক ব্যবহারকারী একে অনন্য গানও বলছেন।

আরও পড়ুন:
টিকটকে কত সময় কাটাবেন সে নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতেই
‘টিকটক করায়’ শিক্ষার্থী বহিষ্কার, স্কুল ভাঙচুর
পদ্মা সেতু নিয়ে টিকটক, গ্রেপ্তার যুবক
ভারতে তরুণীকে নির্যাতন: ‘টিকটক’ হৃদয়সহ ৭ বাংলাদেশির যাবজ্জীবন
টিকটকের রমজান ক্যাম্পেইনে ১৭০ কোটি ভিউ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Monthly offer on Lifestyle gadgets

 লাইফস্টাইল গ্যাজেটে মাসব্যাপী অফার

 লাইফস্টাইল গ্যাজেটে মাসব্যাপী অফার
লাইফস্টাই পণ্যের মধ্যে রয়েছে হেডফোন, স্পিকারসহ আরও পণ্য। হেডফোনের মধ্যে রয়েছে মটোরোলা ভার্ভ বাডস ১০০, মটোরোলা এসকেপ ২২০ ও মটোরোলা পেস ১১৫ ও ১৪৫, এয়াবাডস স্পোর্টস, এয়ারবাডস ৩ ও পালস ১২০ আর স্পিকারের মধ্যে রয়েছে মটোরোলার সনিক বুস্ট ২২০ ইত্যাদি।

বাংলাদেশে মটোরোলার ন্যাশনাল পার্টনার সেলেক্সট্রায় মটোরোলার বিভিন্ন লাইফস্টাইল পণ্যের উপরে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড় অফার চলছে। মটো টেক লাইফ ফেস্ট নামে ক্যাম্পেইনটি চলবে পুরো জুন মাস।

লাইফস্টাই পণ্যের মধ্যে রয়েছে হেডফোন, স্পিকারসহ আরও পণ্য। হেডফোনের মধ্যে রয়েছে মটোরোলা ভার্ভ বাডস ১০০, মটোরোলা এসকেপ ২২০ ও মটোরোলা পেস ১১৫ ও ১৪৫, এয়াবাডস স্পোর্টস, এয়ারবাডস ৩ ও পালস ১২০ আর স্পিকারের মধ্যে রয়েছে মটোরোলার সনিক বুস্ট ২২০ ইত্যাদি।

অফার সম্পর্কে সেলেক্সট্রার ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাকিব আরাফাত বলেন, মটোরোলার অরিজিনাল লাইফস্টাইল প্রোডাক্টের একমাত্র পরিবেশক হিসেবে সেলেক্সট্রা লিমিটেড চেষ্টা করে যাচ্ছে অরিজিনাল প্রোডাক্ট ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসতে। সে লক্ষে টেক লাইফ ফেস্ট থেকে ক্রেতারা অভাবনীয় মূল্যে সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ পর্যন্ত মুল্যছাড়ে এসব লাইফস্টাইল প্রোডাক্ট কিনতে পারবেন।’

সবগুলো পণ্যে সর্বোচ্চ ৬ মাসের অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, তারা আগামী দিনে সাশ্রয়ী মূল্যে নানা ধরনের পণ্য ক্রেতাদের হাতে তুলে দিতে কাজ করবেন।

মটোরোলার এই অফার ছাড়াও যারা নগদের মাধ্যমে এসব পণ্যের মূল্য পরিশোধ করবেন তারা পাবেন দশ শতাংশ ক্যাশব্যাক অফার।

এই অফারে একজন ক্রেতা নগদ থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশ ব্যাক পেতে পারেন।

আরও পড়ুন:
গ্যাজেট বেচতে সেলেক্সট্রা

মন্তব্য

p
উপরে