মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচনের ফল বাতিল জান্তা সরকারের

player
মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচনের ফল বাতিল জান্তা সরকারের

গত বছরের নভেম্বরে জাতীয় নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর বিজয় উদযাপন করেন এনএলডির সমর্থকরা। ছবি: এএফপি

মিয়ানমারের নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান থাইন সো বলেন, ‘করোনাবিষয়ক বিধিনিষেধ অপব্যবহার করে প্রতিদ্বন্দ্বী দল ও প্রার্থীদের কাছ থেকে রাষ্ট্রক্ষমতা কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করে এনএলডি। ওই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না। এ কারণে নির্বাচনের ফল বাতিল করা হয়েছে।’

মিয়ানমারের গত বছরের জাতীয় নির্বাচন ‘অবাধ ও সুষ্ঠু’ না হওয়ায় এর ফল বাতিল করেছে দেশটির ক্ষমতাসীন সামরিক জান্তা সরকার।

গণতন্ত্রপন্থি নেতা নোবেলজয়ী অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি (এনএলডি) ওই নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় পেয়ে পরাজিত করে সেনাবাহিনী সমর্থিত বিরোধী দলকে।

অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের ক্ষমতা দখলের প্রায় ছয় মাস পর জান্তা সরকার সোমবার নির্বাচনের ফল বাতিল করে বলে বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

২০২০ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়ে তদন্ত চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা গ্রহণের পরই শুরু করে জান্তা সরকার।

মিয়ানমারের জান্তা সরকারের নির্বাচন কমিশন সোমবার জানায়, তদন্তে ১ কোটি ১০ লাখের বেশি নির্বাচনকেন্দ্রিক কারচুপির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান থাইন সো বলেন, ‘করোনাবিষয়ক বিধিনিষেধ অপব্যবহার করে প্রতিদ্বন্দ্বী দল ও প্রার্থীদের কাছ থেকে রাষ্ট্রক্ষমতা কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করে এনএলডি।’

তিনি বলেন, ‘ওই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না। এ কারণে নির্বাচনের ফল বাতিল করা হয়েছে।’

৫ কোটি ৪০ লাখ জনগোষ্ঠীর দেশ মিয়ানমারে ফের জাতীয় নির্বাচন হবে কি না, এ বিষয়ে কিছু জানাননি কমিশন চেয়ারম্যান থাইন সো।

এর আগে নির্বাচনের বিষয়ে জান্তা সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, আগামী দুই বছরের মধ্যে মিয়ানমারে আবার জাতীয় নির্বাচন হবে।

তবে মাসখানেক আগে সু চির নেতৃত্বাধীন এনএলডি বিলুপ্ত করার হুমকি দেয় জান্তা সরকার।

মিয়ানমারের গত বছরের নির্বাচন নিয়ে থাইল্যান্ডভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, এ নির্বাচনে মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে।

১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের দিন সু চিসহ মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট, এনএলডির বেশ কয়েকজন নেতাকে গ্রেপ্তার করে দেশটির সেনাবাহিনী।

পরে গৃহবন্দি সু চির বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ আনে জান্তা সরকার।

অবৈধ উপায়ে ওয়াকিটকি আমদানি, ১ কেজি সোনা ঘুষ নেয়া থেকে শুরু করে ঔপনিবেশিক আমলের অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট লঙ্ঘনও এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে।

মিয়ানমারের সেনা আদালতে ১৪ জুন সু চির বিচার শুরু হয়।

সু চির বিরুদ্ধে সামরিক সরকারের অভিযোগ আদালতে প্রমাণ হলে এক দশকের বেশি সময় কারাদণ্ড হতে পারে ৭৫ বছর বয়সী নেতার।

সু চির মুক্তি ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে গত প্রায় ছয় মাস ধরে বিক্ষোভ চলছে মিয়ানমারে।

বিক্ষোভ দমনে দেশটির জান্তা সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

স্থানীয় তদারকি সংস্থা অ্যাসিসটেন্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্সের (এএপিপি) তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভ শুরুর পর মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছেন ৯০০-এর বেশি মানুষ।

এ ছাড়া কারাবন্দি রয়েছেন হাজারখানেকের মতো বিক্ষোভকারী।

২০১০ সালে মুক্তির আগে তৎকালীন সেনা সরকারের আমলে ১৫ বছরের বেশি সময় গৃহবন্দি ছিলেন দেশটির গণতন্ত্রকামী নেতা সু চি।

আরও পড়ুন:
করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যে মিয়ানমারে চিকিৎসক গ্রেপ্তার
মিয়ানমারে ৫ মাসে ৭৫ শিশু হত্যা, আটক ১০০০: জাতিসংঘ
ভিক্ষু থেকে অস্ত্র হাতে জান্তার বিরুদ্ধে লড়াই
সু চির নামে আরও ৪ ফৌজদারি মামলা
সু চি ভ্যাকসিনেটেড

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মোমেনকে নববর্ষের শুভেচ্ছা বাইডেনের

মোমেনকে নববর্ষের শুভেচ্ছা বাইডেনের

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন ও তার স্ত্রী সেলিনা মোমেনকে পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনকে খ্রিষ্টীয় নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউস থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন ও তার স্ত্রী সেলিনা মোমেনকে পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এর আগে বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার স্ত্রীকে শুভেচ্ছা পত্র পাঠান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন।

আরও পড়ুন:
করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যে মিয়ানমারে চিকিৎসক গ্রেপ্তার
মিয়ানমারে ৫ মাসে ৭৫ শিশু হত্যা, আটক ১০০০: জাতিসংঘ
ভিক্ষু থেকে অস্ত্র হাতে জান্তার বিরুদ্ধে লড়াই
সু চির নামে আরও ৪ ফৌজদারি মামলা
সু চি ভ্যাকসিনেটেড

শেয়ার করুন

ইউনিক আইডি নিয়ে ৪ নির্দেশনা

ইউনিক আইডি নিয়ে ৪ নির্দেশনা

ইউনিক আইডির ডাটা এন্ট্রি চলবে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ফাইল ছবি

বৃহস্পতিবার ইউনিক আইডির ডাটা এন্ট্রি নিয়ে চার দফা নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুারো (ব্যানবেইস)।

দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর জন্য একটি ‘ইউনিক আইডি’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত সব তথ্য থাকবে। ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে ইউনিক আইডির ডাটা এন্ট্রি। যা চলবে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার ইউনিক আইডির ডাটা এন্ট্রি নিয়ে চার দফা নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুারো (ব্যানবেইস)।

নির্দেশনাগুলো হলো:

১. ২০২২ সালে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের তথ্যফরম পুরণ কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।

২. মুদ্রিত শিক্ষার্থী তথ্যছকে শিক্ষার্থীর শ্রেণি অনুযায়ী Data Entry করতে হবে। অর্থাৎ ফরমে শিক্ষার্থীদের যে শ্রেণি উল্লেখ রয়েছে সেই শ্রেণি হিসেবেই Data Entry দিতে হবে। অর্থাৎ সকল শিক্ষার্থীর তথ্য ২০২১ সাল বিবেচনা করে Entry করতে হবে।

৩. শিক্ষার্থীর পিতা/মাতা/অভিভাবকের জন্ম নিবন্ধন থাকলে অবশ্যই ১৭ ডিজিটে দিতে হবে। অর্থাৎ ১৩ ডিজিটের নম্বরের শুরুতে জন্ম সাল দিতে হবে।

৪. শিক্ষার্থীর BRN এবং জন্ম তারিখ এন্টির পর শিক্ষার্থীর নাম প্রদর্শিত না হলে অন্যান্য তথ্য Entry দেয়া যাবে না। এবং প্রথম Page Save হবে না।

ইউনিক আইডি কেন

প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য এক জায়গায় রাখার জন্য তৈরি করা হচ্ছে ইউনিক আইডি। শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে এই আইডি জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) রূপান্তরিত হবে।

ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি তৈরির দায়িত্বে আছে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)। আর প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি তৈরি করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

কেন শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিক আইডি তৈরি করা হচ্ছে, এমন প্রশ্নে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, ‘কোনো শিশু জন্মগ্রহণ করলেই স্থানীয় সরকার বিভাগের অফিস অফ রেজিস্ট্রার জেনারেলের আওতায় তার জন্ম নিবন্ধন হয়। আর ১৮ বছর পূর্ণ হওয়া সবার জন্য আছে জাতীয় পরিচয়পত্র। কিন্তু যারা প্রাইমারি, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী, অর্থাৎ যাদের বয়স ১৮-এর নিচে তারা এই সিস্টেমের বাইরে। এ জন্য তাদের সিস্টেমের মধ্যে আনতেই ইউনিক আইডি তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

ফরমে যেসব তথ্য দিতে হয়

স্ট্যাবলিশমেন্ট অফ ইন্টিগ্রেটেড এডুকেশনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইইআইএমএস) প্রকল্পের আওতায় তৈরি করা চার পৃষ্ঠার ফরমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

ফরমে শিক্ষার্থীর নাম, জন্মনিবন্ধন নম্বর, জন্মস্থান, জেন্ডার, জাতীয়তা, ধর্ম, অধ্যয়নরত শ্রেণি, রোল নম্বর, বৈবাহিক অবস্থা, প্রতিবন্ধিতা (ডিজ-অ্যাবিলিটি), রক্তের গ্রুপ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কি না, মা-বাবার নামসহ বেশ কিছু তথ্যের ঘর রয়েছে।

বৈবাহিক অবস্থার অপশন হিসেবে অবিবাহিত, বিবাহিত, বিধবা, বিপত্নীক ছাড়াও স্বামী-স্ত্রী পৃথক বসবাস, তালাকপ্রাপ্ত, বিয়েবিচ্ছেদের ঘরও রয়েছে ফরমে।

আরও পড়ুন:
করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যে মিয়ানমারে চিকিৎসক গ্রেপ্তার
মিয়ানমারে ৫ মাসে ৭৫ শিশু হত্যা, আটক ১০০০: জাতিসংঘ
ভিক্ষু থেকে অস্ত্র হাতে জান্তার বিরুদ্ধে লড়াই
সু চির নামে আরও ৪ ফৌজদারি মামলা
সু চি ভ্যাকসিনেটেড

শেয়ার করুন

রাজধানীতে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় আবার মৃত্যু

রাজধানীতে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় আবার মৃত্যু

দুর্ঘটনায় পড়া বাসটিকে রেকারে করে সরিয়ে নিচ্ছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘দুটি বাসই পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছিল। সিগন্যাল ছাড়ার পর বাস দুটো সামনে এগিয়ে যেতে টান দেয়। তখনই রাকিব নিচে পড়ে।’

রাজধানীর মগবাজারে আজমেরী গ্লোরি পরিবহনের দুটি বাসের প্রতিযোগিতায় এক বাসের চাপায় এক কিশোরের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। দুর্ঘটনার পর বাস ফেলে পালিয়ে গেছেন দুই চালক ও তাদের সহকারীরা।

বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে মৌচাক থেকে মগবাজার আসার পথে ঘরোয়া হোটেলের পাশে প্রিমিয়ার ব্যাংকের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর সদরঘাট থেকে গাজীপুরের চন্দ্রা রুটে যাত্রী বহন করা বাস দুটি মৌচাক থেকে মগবাজারের দিকে আসছিল।

রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘দুটি বাসই পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছিল। সিগন্যাল ছাড়ার পর বাস দুটো সামনে এগিয়ে যেতে টান দেয়। তখনই রাকিব নিচে পড়ে।’

রাজধানীতে একই রুটে চলা দুই বাসের যাত্রী তোলার প্রতিযোগিতায় মৃত্যু এর আগেও ঘটেছে নানা সময়। পুলিশ ও পরিবহন মালিকরা এই সমস্যার সমাধানে দৃশ্যত কিছুট করতে পারছে না।

রাকিবকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা এক মুদি দোকানদার মো. হারুন ঢাকা মেডিক্যালে বলেন, এই শিশু রাস্তায় মাস্ক, চিপস বিক্রি করে। আজমেরী পরিবহনের ২ টি বাসের প্রতিযোগিতায় চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয় রাকিব। পরে আমি তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মগবাজারে নিহত কিশোর রাকিব বাসে বাসে নানা পণ্য বিক্রি করত। সে আজমেরীর একটি বাসে উঠেছিল। সেই বাস থেকে নেমে অন্য বাসে ওঠার চেষ্টায় ছিল। এ সময় যাত্রী তোলার চেষ্টায় পেছনে থাকা একই পরিবহনের আরেকটি বাসের ধাক্কায় আহত হয়।

দুর্ঘটনার পর দুটি বাস রমনা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্রাফিক রমনা জোনের সহকারী কমিশনার রেফাতুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাকিব ওই এলাকাতে ফেরি করত। আজমেরী গ্লোরী পরিবহনের একটি বাসের পেছনের চাকায় আঘাত পায়। আশপাশের লোকজন আদদ্বীন হাসপাতালে নিয়ে গেলে তারা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।’

রাকিবকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা এক মুদি দোকানদার মো. হারুন ঢাকা মেডিক্যালে বলেন, ‘এই শিশু রাস্তায় মাস্ক, চিপস বিক্রি করে। আজমেরী পরিবহনের ২ টি বাসের প্রতিযোগিতায় চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয় রাকিব। পরে আমি তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

নিহতের মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া। তিনি বলেন, ‘মগবাজার থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় এক শিশুকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসা হয়েছিল। আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

আরও পড়ুন:
করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যে মিয়ানমারে চিকিৎসক গ্রেপ্তার
মিয়ানমারে ৫ মাসে ৭৫ শিশু হত্যা, আটক ১০০০: জাতিসংঘ
ভিক্ষু থেকে অস্ত্র হাতে জান্তার বিরুদ্ধে লড়াই
সু চির নামে আরও ৪ ফৌজদারি মামলা
সু চি ভ্যাকসিনেটেড

শেয়ার করুন

‘মাসুদ রানা’ উপন্যাসের বাকি অংশ শেষ করবেন কাজীদার ছেলে

‘মাসুদ রানা’ উপন্যাসের বাকি অংশ শেষ করবেন কাজীদার ছেলে

তুমুল পাঠকপ্রিয় থ্রিলার সিরিজ মাসুদ রানা চরিত্র নিয়ে চলছে উপন্যাস লেখার কাজ।

মাসুদ রানা চরিত্রটির কী হবে? বুধবার কাজী আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর এ প্রশ্ন এখন অনেকের। প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন তার বড় ছেলে।

তুমুল পাঠকপ্রিয় থ্রিলার সিরিজ মাসুদ রানা চরিত্র নিয়ে উপন্যাস লেখার কাজ শুরু হয়েছে; এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কাজী আনোয়ার হোসেন। তবে কাজটি শেষ করে যেতে পারলেন না তিনি।

মাসুদ রানা ও কুয়াশা সিরিজের স্রষ্টা এবং সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার কাজী আনোয়ার হোসেনের এই উপন্যাসের বাকি অংশ শেষ করবেন তার ছোট ছেলে কাজী মায়মুর হোসেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে বনানী কবরস্তানে কাজী আনোয়ার হোসেনের দাফন শেষে নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানান তার বড় ছেলে কাজী শাহনূর হোসেন।

শাহনূর বলেন, ‘মাসুদ রানা চরিত্রটি নিয়ে একটি উপন্যাস লেখার কাজ চলছে। এ উপন্যাস লেখায় বাবা যুক্ত ছিলেন। এখন এটা আমার ছোট ভাই কাজী মায়মুর হোসেন শেষ করবেন।’

মাসুদ রানা চরিত্রটির কী হবে? বুধবার কাজী আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর এ প্রশ্ন এখন অনেকের।

এ ব্যাপারে কাজী আনোয়ার হোসেনের চাচাতো ভাই কাজী রওনাক হোসেন, ছেলে শাহনূর হোসেন এবং পুত্রবধূ মাসুমা মায়মুর হাসান নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন যে, মাসুদ রানা চরিত্রটির ‘ট্রেড মার্ক’ করা আছে।

কাজী রওনাক হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চরিত্রটির ট্রেডমার্ক করা আছে। তাই চাইলেই চরিত্রটি নিয়ে কাজী আনোয়ার হোসেনের দুই ছেলে ছাড়া অন্য কারও লেখার সুযোগ নেই।

‘হ্যাঁ, অন্য কেউ মাসুদ রানা চরিত্রটি নিয়ে লিখতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে নিতে হবে পরিবারের অনুমতি। একই সঙ্গে কেউ যদি মাসুদ রানা চরিত্রটি নিয়ে সিনেমা বানাতে চান, অনুমতি লাগবে সেক্ষেত্রেও।’

কাজী রওনাক হোসেন বলেন, ‘অনুমতি নেয়ার বিষয়টি তো এতদিন প্রয়োজন হয়নি। যদি কেউ আবেদন করেন, সেক্ষেত্রে পরিবার বিষয়টি ভেবে দেখবে।’

এদিকে বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের কপিরাইট অফিসার জাফর রাজা চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মাসুদ রানা চরিত্রটির কপিরাইট করা নেই। মাসুদ রানা চরিত্রটি নিয়ে ১১টি পর্ব কাজী আনোয়ার হোসেনের লেখা। সেক্ষেত্রে তিনি চরিত্রটির স্রষ্টা, তিনি যেহেতু আবেদন করেননি, এখন চাইলে তার ছেলেরা সেটা করতে পারবেন।’

জাফর রাজা চৌধুরী জানান, চরিত্রটির ‘ট্রেড মার্ক’ করা থাকতে পারে। তবে মাসুদ রানা ও কুয়াশা সিরিজের উপন্যাস নিয়ে কপিরাইট ইস্যু নিয়ে যে ঝামেলা তৈরি হয়েছিল, সে সময় কাজী আনোয়ার হোসেন বিষয়টি উল্লেখ করেননি।

কাজী আনোয়ার হোসেন প্রোস্টেট ক্যানসারে ভুগছিলেন। বুধবার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে বারডেম হাসপাতালে মারা যান তিনি।

সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসেবে কাজী আনোয়ার হোসেন ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামের স্পাই চরিত্র সৃষ্টি করেন। মাসুদ রানার চরিত্রটি মূলত ইয়ান ফ্লেমিংয়ের সৃষ্ট জেমস বন্ড চরিত্রের বাঙালি সংস্করণ হিসেবে গণ্য করা হয়।

মাসুদ রানা সৃষ্টির কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নেয়। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র ও শামসুদ্দীন নওয়াব নাম দুটি ব্যবহার করতেন। তবে সেবা প্রকাশনীর ভক্ত পাঠকের কাছে তিনি কাজীদা নামেই বেশি পরিচিতি পান।

কাজী আনোয়ার হোসেনের জন্ম ১৯৩৬ সালের ১৯ জুলাই ঢাকায়। পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম ‘নবাব’। তার বাবা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মা সাজেদা খাতুন।

বেশ কয়েক বছর রেডিওতে নিয়মিত গান গাইতেন কাজী আনোয়ার হোসেন। ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বেতারের সংগীতশিল্পী ছিলেন। ১৯৬২ সালে বিয়ে করেন কণ্ঠশিল্পী ফরিদা ইয়াসমিনকে।

আরও পড়ুন:
করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যে মিয়ানমারে চিকিৎসক গ্রেপ্তার
মিয়ানমারে ৫ মাসে ৭৫ শিশু হত্যা, আটক ১০০০: জাতিসংঘ
ভিক্ষু থেকে অস্ত্র হাতে জান্তার বিরুদ্ধে লড়াই
সু চির নামে আরও ৪ ফৌজদারি মামলা
সু চি ভ্যাকসিনেটেড

শেয়ার করুন

আবৃত্তিশিল্পী হাসান আরিফকে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা

আবৃত্তিশিল্পী হাসান আরিফকে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা

আবৃত্তিশিল্পী হাসান আরিফকে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা। ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসার জন্য হাসান আরিফকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানান গোলাম কুদ্দুছ।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক ও আবৃত্তিশিল্পী হাসান আরিফ। গত ৮ জানুয়ারি লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থাতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি।

রাজধানীর স্পেশালাইজড হসপিটালে প্রায় দুই মাস ধরে ভর্তি আছেন হাসান আরিফ।

হাসান আরিফের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া আর্থিক সহায়তার চেক হাসান আরিফের বোন তুলির হাতে তুলে দেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, নাট্যজন নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, আবৃত্তিকার আহকাম উল্লাহ ও সাদিকুর রহমান পরাগ।

ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘সকলের প্রিয় হাসান আরিফ শিগগিরই সুস্থ হয়ে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।’

হাসান আরিফের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হাসান আরিফ এখনও লাইফ সাপোর্টে আছেন। অক্সিজেনের ওপর নির্ভরশীলতা অনেকটা কমে এসেছে। চিকিৎসকরা চেষ্টা করছেন এটা আরও কমিয়ে এনে লাইফ সাপোর্ট থেকে তাকে বের করে আনতে।’

চিকিৎসার জন্য হাসান আরিফকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানান গোলাম কুদ্দুছ।

হাসান আরিফ বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও দেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন:
করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যে মিয়ানমারে চিকিৎসক গ্রেপ্তার
মিয়ানমারে ৫ মাসে ৭৫ শিশু হত্যা, আটক ১০০০: জাতিসংঘ
ভিক্ষু থেকে অস্ত্র হাতে জান্তার বিরুদ্ধে লড়াই
সু চির নামে আরও ৪ ফৌজদারি মামলা
সু চি ভ্যাকসিনেটেড

শেয়ার করুন

আমলা আইন সংশোধন ঠেকাতে মোদিকে ফের মমতার চিঠি

আমলা আইন সংশোধন ঠেকাতে মোদিকে ফের মমতার চিঠি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মোদিকে লেখা দ্বিতীয় চিঠিতে মমতা বলেন, ‘আপত্তি সত্ত্বেও আমলা আইন সংশোধনে অনড় কেন্দ্র। আইনের খসড়া প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। আইন সংশোধনের নতুন খসড়া যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর চরম পরিপন্থি। এই প্রস্তাবিত সংশোধনী দেশের গণতন্ত্র ধংস করে দেবে।’

ভারত সরকারের আমলা আইন সংশোধনের প্রস্তাব বাতিলের দাবি জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজ্যের ক্ষমতায় কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনে আইন সংশোধন না করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আবারও চিঠি দিয়েছেন মমতা।

চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত সংশোধনী বাস্তবায়ন হলে দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে যাবে।

মোদিকে লেখা দ্বিতীয় চিঠিতে মমতা বলেন, ‘আপত্তি সত্ত্বেও আমলা আইন সংশোধনে অনড় কেন্দ্র। আইনের খসড়া প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। আইন সংশোধনের নতুন খসড়া যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর চরম পরিপন্থি। এই প্রস্তাবিত সংশোধনী দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করে দেবে।’

প্রথম চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছিলেন, ‘কেন্দ্র-রাজ্য সহমতের ভিত্তিতে আইএএস, আইপিএস অফিসারদের নিয়োগ করা হয়। প্রস্তাবিত সংশোধিত আইনে দীর্ঘদিনের সেই প্রক্রিয়া নষ্ট হয়ে যাবে। কেন্দ্রীয় ডেপুটেশন রিজার্ভে ডেপুটেশনের ক্ষেত্রে রাজ্যগুলোয় কেন্দ্রের ক্ষমতা চাপিয়ে দেয়া হবে।’

১৯৫৪ সালের আইএএস ক্যাডার রুল সংশোধনের প্রস্তাব আনে ভারত সরকার। এই আইনের মাধ্যমে আইএএস, আইপিএস আমলাদের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র-রাজ্য পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে স্থির করা হয়।

রাজ্যের অভিযোগ, আইন সংশোধন করে আমলাদের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে চাইছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। আইন সংশোধন হলে রাজ্যে আমলাদের কোথায় নিয়োগ হবে, দায়িত্ব কী হবে, সব ঠিক করে দেবে কেন্দ্র। সেখানে রাজ্যের কোনো ভূমিকা থাকবে না।

সংশোধিত এই আইনে রাজ্যের ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে বলে অভিযোগ মমতার। এর প্রতিবাদ জানিয়ে ১৩ জানুয়ারি মোদিকে প্রথম চিঠি দেন মমতা।

ওই চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘এমনিতে দেশে আইএএস, আইপিএস কম। রাজ্যকে অনেক কম অফিসার দিয়ে কাজ চালাতে হয়। তারাই রাজ্যের প্রশাসনিক কাজ, নীতিনির্ধারণ ও প্রাকৃতিক সম্পদের দেখভালের ব্যবস্থা করেন। যত দিন যাচ্ছে, কাজের পরিধি বাড়ছে।

‘কেন্দ্রীয় সরকার নিজের মতো করে আমলাদের ডেপুটেশনে নিলে তা রাজ্যের কাজে মারাত্মক ক্ষতি হবে। কোনো কাজের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে কেন্দ্র ডেপুটেশনে চাইলে, রাজ্য যে পরিকল্পনা করে তা আটকে যাবে। এতে কর্মকর্তার মানসিক উদ্দীপনা ও আত্মবিশ্বাসে নেতাবাচক প্রভাব পড়বে।’

নরেন্দ্র মোদি নিজে দীর্ঘদিন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তিনি বিষয়টি বুঝবেন আশা করে প্রস্তাবিত সংশোধিত আমলা আইন বাতিলের জন্য মোদিকে দ্বিতীয় দফা চিঠি পাঠিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যে মিয়ানমারে চিকিৎসক গ্রেপ্তার
মিয়ানমারে ৫ মাসে ৭৫ শিশু হত্যা, আটক ১০০০: জাতিসংঘ
ভিক্ষু থেকে অস্ত্র হাতে জান্তার বিরুদ্ধে লড়াই
সু চির নামে আরও ৪ ফৌজদারি মামলা
সু চি ভ্যাকসিনেটেড

শেয়ার করুন

দূরপাল্লার যানে বিকল্প চালকের প্রস্তাব ডিসিদের

দূরপাল্লার যানে বিকল্প চালকের প্রস্তাব ডিসিদের

দূরপাল্লার গাড়িতে দুই জন চালক রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন জেলা প্রশাসকরা। ফাইল ছবি

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কতিপয় বৃহৎ প্রকল্পের আওতায় সড়ক ও মহাসড়ক ঘেঁষা হাটবাজারে ফ্লাইওভার, ওভারপাস ও আন্ডারপাস নির্মাণ করার কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।

দুর্ঘটনা রোধে মহাসড়কে নিয়মিত চলাচলকারী দূরপাল্লার গাড়িতে দুই জন চালক রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন জেলা প্রশাসকরা (ডিসি)। রাজধানীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনে এ প্রস্তাব আনা হয়।

পরে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কতিপয় বৃহৎ প্রকল্পের আওতায় সড়ক ও মহাসড়ক ঘেঁষা হাটবাজারে ফ্লাইওভার, ওভারপাস ও আন্ডারপাস নির্মাণ করার কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।

বিআরটিএর লাইসেন্স ফি ইউডিসিতে জমা দেয়ার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সিএনজি ও ইজিবাইক উৎপাদন, বিক্রয় ও বিপণন সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন করার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে বলে জানায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সৈয়দপুর ও চট্টগ্রামে রেল ইঞ্জিন তৈরির উদ্যোগ

সৈয়দপুর ও চট্টগ্রামের রেল ওয়ার্কসপে ট্রেনের ইঞ্জিন ও বগি তৈরির উদ্যোগ নিতে ডিসি সম্মেলনে আলোচনা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রেলপথ সংক্রান্ত অধিবেশনে সৈয়দপুর ও চট্টগ্রামে রেল ইঞ্জিন ও রেলবগি তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

পৌর মার্কেট সংলগ্ন স্থানে রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণ করার বিষয়ে সভায় আলোচনা করা হয়।

রেলওয়ে আইন, ১৮৯০ এর প্রয়োজনীয় সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যে মিয়ানমারে চিকিৎসক গ্রেপ্তার
মিয়ানমারে ৫ মাসে ৭৫ শিশু হত্যা, আটক ১০০০: জাতিসংঘ
ভিক্ষু থেকে অস্ত্র হাতে জান্তার বিরুদ্ধে লড়াই
সু চির নামে আরও ৪ ফৌজদারি মামলা
সু চি ভ্যাকসিনেটেড

শেয়ার করুন