× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
তালেবানের হাতে ২২ আফগান কমান্ডো নিহতের দাবি
google_news print-icon

নিরস্ত্র ২২ আফগান কমান্ডোকে হত্যা করল তালেবান

নিরস্ত্র-২২-আফগান-কমান্ডোকে-হত্যা-করল-তালেবান
আফগানিস্তানের মিহতারলাম এলাকায় তালেবানের সঙ্গে লড়াইয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। ছবি: এএফপি
১৬ জুন ধারণ করা ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, দওলাত আবাদের দখল নিয়ে তালেবান ও আফগান স্পেশাল ফোর্সেস ইউনিটের মধ্যে তুমুল লড়াই শেষে বেশ কিছু আফগান সেনার মরদেহ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে।

আফগানিস্তানের ফারিয়াব প্রদেশের দওলাত আবাদ এলাকায় তালেবান বাহিনী অন্তত ২২ জন নিরস্ত্র আফগান কমান্ডোকে হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে সিএনএন।

সংগ্রহকৃত কয়েকটি ভিডিওর ফুটেজ বিশ্লেষণ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সত্যতা যাচাই করেছে সিএনএন।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৬ জুন ধারণ করা ভিডিওগুলোতে দেখা যায় দওলাত আবাদের দখল নিয়ে তালেবান ও আফগান স্পেশাল ফোর্সেস ইউনিটের মধ্যে তুমুল লড়াই শেষে বেশ কিছু আফগান সেনার মরদেহ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে।

আরেক ভিডিওতে দেখা যায়, এক পথচারী পশতু ভাষায় তালেবান সদস্যদের অনুরোধ করছেন, ‘ওদেরকে গুলি করো না, গুলি করো না। আমি অনুরোধ করছি গুলি করো না। তোমরা পশতুন হয়ে কেন আফগানদের মারছো?’

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে সিএনএন জানায়, তালেবানের বিপক্ষে লড়াইয়ে আফগান বাহিনীর গোলাবারুদ শেষ হয়ে যায়। এরপর তালেবান সদস্যরা আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ঘিরে ফেলে।

একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক তালেবান যোদ্ধা আফগান সেনার গা থেকে যুদ্ধাস্ত্রগুলো খুলে ফেলেছে। রেড ক্রস ২২টি মরদেহ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে সিএনএনকে।

আফগান সেনাদের সাহায্য করার দাবির পর তালেবানের এমন ভিডিও প্রকাশ পেল। তালেবানের দাবি ছিল তারা আগেরবারের মতো নেই এবং সরকারি বাহিনী সদস্যদের ক্ষেত্রে অনেকটাই সহনশীল। অনেককে তারা বাড়ি ফিরে যাওয়ার টাকাও দিয়েছে।

ওই ঘটনার তিন দিন পর তালেবানের পক্ষ থেকে একটি ভিডিও ছাড়া হয় যেখানে দেখা যায় আটককৃত ট্রাক ও অস্ত্র।

ভিডিওতে তালেবানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ‘সিআইএর বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ওয়াশিংটনের রক্ষীদের (যারা ফারিয়াবের দওলাত আবাদে তালেবানের পেছনে লেগে ছিল) তালেবান সদস্যরা জীবিত আটক করার পর নিরস্ত্র করে হ্যান্ডকাফ পরিয়েছে।’

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত কঠোর হাতে আফগানিস্তান শাসন করে তালেবান।

যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো ২০০১ সালে তালেবানকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির ক্ষমতা থেকে সরায়।

এরপর থেকে গত ২০ বছর ধরে পশ্চিমা দেশ-সমর্থিত আফগানিস্তান সরকারকে পতনের মাধ্যমে দেশটিতে ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠার লড়াই করছে তালেবান।

সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুরোপুরি প্রত্যাহারের লক্ষ্য নিয়ে মাসখানেক ধরে বিদেশি সেনা আফগানিস্তান ছাড়তে শুরু করেছে। এমন পরিস্থিতিতে আফগানিস্তানের বেশ কয়েকটি অঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে তালেবান।

শুক্রবার তালেবান দাবি করে, দেশটির ৮৫ শতাংশ এলাকা তাদের দখলে চলে গেছে।

আরও পড়ুন:
আফগানিস্তানে কঠোর শাসন কায়েম করছে তালেবান
তালেবানের কবজায় যুক্তরাষ্ট্রের সমরাস্ত্র
তালেবান শাসন চলা এলাকায় ৫ দিন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Train movement stopped for two days on Kolkata Khulna railway

কলকাতা-খুলনা রেলপথে দুদিন ট্রেন চলাচল বন্ধ

কলকাতা-খুলনা রেলপথে দুদিন ট্রেন চলাচল বন্ধ
রোববার (১৬ জুন) এবং বৃহস্পতিবার (২০ জুন) ট্রেনটি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এই রেলপথে ট্রেনটি সপ্তাহের ওই দুদিনই চলাচল করে।

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কলকাতা-খুলনা রেলপথে চলাচল করা যাত্রীবাহী ‘বন্ধন-এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি দুদিন বন্ধ থাকবে। রোববার (১৬ জুন) এবং বৃহস্পতিবার (২০ জুন) ট্রেনটি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এই রেলপথে ট্রেনটি সপ্তাহের ওই দুদিনই চলাচল করে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, রেললাইন ও কর্মীদের ওপর চাপ কমানো এবং ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রতি বছরই এ সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ রেল কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে গত ১৩ মে ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষকে একটি চিঠি দিয়ে জানায়। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাতে সম্মতি জানিয়ে ফিরতি চিঠি পাঠায়।

এ বিষয়ে বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাইদুজ্জামান জানান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চলাচল করা বন্ধন এক্সপ্রেস দুই দিন বন্ধ থাকবে। ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ওসি আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আগামী ১৬ ও ২০ জুন বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে একটি চিঠি আমার দপ্তরে এসেছে। তবে সড়কপথে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। এমনকি ঈদের দিনও চালু থাকবে পাসপোর্ট যাত্রীদের চলাচল।’

আরও পড়ুন:
ম্যাংগো ট্রেনের সঙ্গে ক্যাটেল ট্রেনেরও যাত্রা শুরু
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনের যাত্রা শুরু
এক সপ্তাহ পর চালু মোহনগঞ্জ লোকাল ট্রেন
ভাঙা লাইনে ছিপি দিয়ে চলল ট্রেন
মোহনগঞ্জ লোকাল ট্রেন বন্ধে দুর্ভোগে যাত্রীরা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
One and a half million mobile handsets in one IMEI number

এক আইএমইআই নম্বরে দেড় লাখ মোবাইল হ্যান্ডসেট!

এক আইএমইআই নম্বরে দেড় লাখ মোবাইল হ্যান্ডসেট! বৃহস্পতিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সেমিনারে আমন্ত্রিরা। ছবি: সংগৃহীত
টেলিকম বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন টিআরএনবির সভাপতি রাশেদ মেহেদী বলেন, ‘ভার্চুয়াল দুনিয়ায় আমাদের অস্তিত্ব কেবল একটি ডিভাইস। এটা নিজের পরিচিতি ও আবাস। অপারেটর ও ম্যানুফ্যাকচারের মধ্যে পারস্পরিক ব্যবসায়িক সমঝোতা হলে আমরা অনেক দামি সেটও কম দামে পেতে পারি। এ সমন্বয় না থাকায় দেশে গ্রে মার্কেট বাড়ছে।’

মোবাইল ফোনের পরিচয় বহন করে ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টি তথা আইএমইআই নম্বর। একটি মোবাইল হ্যান্ডসেটে একটি আইএমইআই নম্বর এবং দুটি সিম সংযুক্ত হয়- এমন মোবাইলে দুটি আইএমইআই নম্বর থাকে। তবে বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশে শুধু একটি আইএমইআই নম্বরের নিবন্ধন দিয়ে অন্তত দেড় লাখ মোবাইল ফোন ব্যবহৃত হচ্ছে। নামিদামি ব্র্যান্ডের মোড়কে গ্রাহকের হাতে চলে গেছে এসব অবৈধ মোবাইল ফোন। এমন অভিযোগ করেছেন দেশের মোবাইল উৎপাদকরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সেমিনারে মোবাইল ডেটাবেজের উপাত্ত তুলে ধরে এ তথ্য জানান টেলিকম অপারেটর রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার শাহেদ আলম।

টেলিকম বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন টিআরএনবির আয়োজনে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এ সময় শাহেদ আলম বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রিতে এখন পাঁচটি ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয়। এ ফোনগুলোর বিপরীতে একটি আইএমইআই নম্বরে রেজিস্ট্রেশন করা আছে ১ লাখ ৫০ হাজারের ওপরে হ্যান্ডসেট। দেড় লাখ হ্যান্ডসেটে আছে একটিমাত্র আইএমইআই নম্বর; সব কপি।

‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যকর না হওয়া এবং গ্রে-মার্কেটের কারণে আমাদের জন্য একটি মোবাইল ডিভাইস লকিং গাইডলাইন দেয়া হয়েছে, কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই গাইডলাইন কোনো কাজে আসছে না; কেননা এর শর্তগুলো অনেক ক্ষেত্রেই সাংঘর্ষিক। সেটে থাকা দুটি সিম স্লটের মধ্যে একটি বন্ধ রেখে আরেকটা চালু রাখার ক্ষেত্রে এটা কাজ করছে না।’

এ তথ্য জেনে চমকে ওঠেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, ‘কী বলেন! এটা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না।’

এ সময় সেমিনারে উপস্থিত পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হারুন অর রশিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন প্রতিমন্ত্রী।

জবাবে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে যখন অভিযান করি, তখন দেখি আপনাদের মতো এমন অফিস বানিয়ে তারা ব্যবসা করছে এবং হ্যান্ডসেট বানাচ্ছে। এক অভিযানে ৭০০ মোবাইল জব্দ করি। চীনসহ বিভিন্ন স্থান থেকে নিম্নমানের যন্ত্রাংশ এনে তারা এ মোবাইলগুলো বানাচ্ছে; দুই-তিন মাস চালানোর পর তা নষ্ট হয়ে যায়। শুধু মোবাইল নয়, গাড়ির ক্ষেত্রেও এমনটা দেখেছি। এক নম্বর দিয়ে ২৯টা গাড়ি চলছে।’

সেমিনারে বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদ, ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেট প্রস্তুতকারক কারখানাগুলোর নতুন সংগঠন মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (এমআইওবি) সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ, সহ-সভাপতি রেজওয়ানুল হক, এমটব মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জুলফিকার (অব.) প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এনইআইআর বাস্তবায়ন করে উজবেকিস্তানে ৭০০ শতাংশ রাজস্ব বেড়েছে। আজারবাইজানের ৯৮ শতাংশ হ্যান্ডসেট এখন নিবন্ধিত হয়েছে। নিবন্ধন জটিলতার কারণে বাংলাদেশে এনইআইআর বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না। অথচ মোবাইল অ্যাডাপশন ৪০ শতাংশ বাড়লে জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি হয় ৪.৮ শতাংশ। ৬৭ শতাংশ মোবাইল ব্রডব্যান্ড অ্যাডাপশন হলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ১২ শতাংশ।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন টিআরএনবি সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রবিন।

সংগঠনের সভাপতি রাশেদ মেহেদী বলেন, ‘ভার্চুয়াল দুনিয়ায় আমাদের অস্তিত্ব কেবল একটি ডিভাইস। এটা নিজের পরিচিতি ও আবাস। অপারেটর ও ম্যানুফ্যাকচারের মধ্যে পারস্পরিক ব্যবসায়িক সমঝোতা হলে আমরা অনেক দামি সেটও কম দামে পেতে পারি। এ সমন্বয় না থাকায় দেশে গ্রে মার্কেট বাড়ছে।’

সেমিনারে মোবাইল উৎপাদকরা দাবি করেন, লাগেজে আনা কর ফাঁকি দেয়া মোবাইল ফোন দেশের মার্কেটগুলোতে বাজারজাত বন্ধে সরকারের মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নজরদারি বাড়াতে হবে।

তারা বলেন, এসব অবৈধ ফোন বাজারজাতকরণ বন্ধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলো ব্যবস্থা না নিলে ফোন কারখানাগুলো থেকে কর্মী ছাঁটাইয়ে বাধ্য হবেন হ্যান্ডসেট উৎপাদকরা।

হ্যান্ডসেট উৎপাদকরা জানান, হ্যান্ডসেট সংযোজনে বর্তমানে ২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে ১৭টি প্রতিষ্ঠান। ১৬ হাজার কোটি টাকার হ্যান্ডসেটের বাজারের প্রায় ৪০ শতাংশ লাগেজ-ব্যাগেজে আনা অবৈধ মোবাইল ফোনের দখলে। এতে বছরে ১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। টিকতে না পেরে স্মার্ট ও ফিচারফোন মিলিয়ে ৪০ লাখ উৎপাদন সক্ষমতার ৩০ শতাংশ অব্যবহৃত থাকছে।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান জোরদারের কথা জানান প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

আরও পড়ুন:
প্রাইভেটকারের ভেতর ২৯৭টি স্মার্টফোন
দেশের বাজারে এন্ট্রি লেভেলের স্মার্টফোন রিয়েলমি সি৩০

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Sunamganj SA transports Indian illegal goods worth crores of rupees

সুনামগঞ্জ এসএ পরিবহনে কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য

সুনামগঞ্জ এসএ পরিবহনে কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য সুনামগঞ্জে এসএ পরিবহনের অফিসে থাকা অবৈধ ভারতীয় পণ্য বুধবার রাতে জব্দ করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
জব্দ পণ্যের মধ্যে রয়েছে- ১২৪ বস্তা ফুসকা, ৩০ বস্তা কসমেটিকস সামগ্রী, ১৬ বস্তা কাজু বাদাম, আট বস্তা বিস্কুট, চার বস্তা পলিথিন, তিন বস্তা কিসমিস,  দুই বস্তা চকলেট ও চশমা।

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সহায়তায় সুনামগঞ্জে এসএ পরিবহন পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিসে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে ভারত থেকে আনা ১৮৭ বস্তা বিভিন্ন ধরনের পণ্য জব্দ করেছে টাস্কফোর্স।

আদালতের নিলাম কাগজ জালিয়াতি করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাঠানোর সময় বুধবার রাত ১১টায় সুনামগঞ্জ পৌর শহরের পুরাতন বাস স্টেশন এলাকায় অবস্থিত এসএ পরিবহনের কাভার্ড ভ্যান ও কুরিয়ার কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।

জব্দ পণ্যের মধ্যে রয়েছে- ১২৪ বস্তা ফুসকা, ৩০ বস্তা কসমেটিকস সামগ্রী, ১৬ বস্তা কাজু বাদাম, আট বস্তা বিস্কুট, চার বস্তা পলিথিন, তিন বস্তা কিসমিস, দুই বস্তা চকলেট ও চশমা। অবৈধ পথে আসা এসব পণ্য জব্দ করে তিনটি বড় কার্গো ট্রাকে ভরে বিজিবির ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। জব্দকৃত পণ্যের আনুমানিক মূল্য কোটি টাকা।

অবৈধ পণ্য পরিবহনের দায়ে এসএ পরিবহন সুনামগঞ্জ শাখার ম্যানেজারকে এর আগেও দুবার সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছিলো ভ্রাম্যমাণ আদালত।

টাস্কফোর্সের নেতৃত্বে থাকা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এমদাদ শরীফ বলেন, ‘ভারত থেকে অবৈধভাবে নিয়ে আসা পণ্য পাচারের খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ১৪৭ বস্তা বিভিন্ন ধরনের পণ্য জব্দ করেছি। যারা এই পণ্যগুলো পাঠানোর চেষ্টা করছিলেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

অবশ্য এসব অবৈধ পণ্য পরিবহনের জন্য কাউকে আটক করা হয়েছে কী না সে তথ্য দেননি তিনি।

অভিযানে অংশ নেন এনএসআইয়ের উপ-পরিচালক আরিফুর রহমান, সহকারী পরিচালক কৌশিক আহমদ কনকসহ পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা।

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহে ২৮০ বস্তা ভারতীয় চিনিসহ একজন গ্রেপ্তার
বাজারের ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের অর্ধেকই নকল ও অনুমোদনহীন
শেরপুরে পৌনে এক কোটি টাকার ভারতীয় চিনি জব্দ
প্রথমবারের মতো ভারত থেকে পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে নারী ট্রাকচালক
‘চোরাই পণ্যবাহী’ গাড়ির কারণে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক এখন মরণফাঁদ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Eid has no effect waiting for garment holidays in Sadarghat

ঈদযাত্রার প্রভাব নেই সদরঘাটে, গার্মেন্টস ছুটির অপেক্ষা

ঈদযাত্রার প্রভাব নেই সদরঘাটে, গার্মেন্টস ছুটির অপেক্ষা পদ্মা সেতুর কারণে সদরঘাটে যাত্রী কমেছে বলে ধারণা লঞ্চ কর্তৃপক্ষের। ছবি: নিউজবাংলা
ঢাকা-ঝালকাঠি রুটের এমভি ফারহান-৫ লঞ্চের স্টাফ মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘পদ্মা সেতু হওয়ার আগে ঈদে যেরকম ভিড় বা যাত্রী হতো, এখন আর সেই পরিস্থিতি নেই। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এদিন যাত্রী কিছু বেশি ছিল, তবে শুক্রবার যাত্রীসংখ্যা বেশি হবে।’

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট টার্মিনালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এরই মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ, জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা দায়িত্ব পালন করছেন। এদিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে যাত্রীদের সেবা দিতে চালু করা হয়েছে বিশেষ লঞ্চ।

বৃহস্পতিবার সরেজমিন দেখা যায়, যাত্রীদের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বসানো হয়েছে হেল্প ডেস্ক। আনসার ও পুলিশ সদস্যরা সন্দেহভাজনদের তল্লাশি করছেন। এছাড়া ভিড় এড়াতে যাত্রীদের নিজ নিজ গন্তব্যের পন্টুন দিয়ে প্রবেশের নির্দেশনা দিচ্ছেন সদরঘাটের ট্রাফিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তবে এদিন ঘরমুখো মানুষের চাপ লক্ষ করা যায়নি।

বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের আর মাত্র চার দিন বাকি থাকলেও টার্মিনাল এলাকায় অনেকটা জনশূন্যতা বিরাজ করছে। লঞ্চগুলো ছাড়ার জন্য প্রস্তুত করে রাখা হলেও যাত্রীদের তেমন আনাগোনা নেই। দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি লঞ্চের ডেকে কিছু যাত্রী হলেও কেবিনে তেমন যাত্রীই নেই। আগে এ সময়ে যাত্রীদের চাহিদামতো টিকিট সরবরাহ করতে না পারলেও এখন পাল্টেছে সেই চিত্র। অনেক হাঁকডাক করেও যাত্রী মিলছে না। যাত্রী টানতে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কম ভাড়া রাখা হলেও যাত্রীরা আগ্রহী হচ্ছেন না।

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের নিচতলায় রয়েছে সদরঘাট নৌ-থানার কার্যালয়। আনসার ক্যাম্পের পাশে রয়েছে লঞ্চ মালিক সমিতির কার্যালয়। এ ছাড়াও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) একটি নৌ-ফাঁড়িও রয়েছে সেখানে। এগুলোর পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে অস্থায়ীভাবে ডেস্ক বসিয়ে ডিউটি করছেন র‌্যাব ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। নদীতে নৌ-পুলিশের পাশাপাশি কোস্টগার্ডের সদস্যদেরও টহল দিতে দেখা গেছে।

সদরঘাটের কয়েকটি লঞ্চের সুপারভাইজার, টিকিট বিক্রেতা ও কর্মচারীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদকেন্দ্রিক লঞ্চে যাত্রী এখনও বাড়েনি। কিছু কিছু লঞ্চে কিছু সংখ্যক অগ্রিম টিকিট বিক্রি হয়েছে। তবে ঈদের ২/৩ দিন আগে যাত্রীদের চাপ বাড়বে বলে জানিয়েছেন তারা।

লঞ্চ-সংশ্লিষ্টরা জানান, নিয়মিত দক্ষিণাঞ্চলের ৪১টি রুটে চলাচল করলেও প্রায় ১০টি রুট ইতোমধ্যে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ঈদ মৌসুমেও সেসব রুটে লঞ্চ চলাচলের তেমন সম্ভাবনা নেই। লঞ্চ ব্যবসায় মন্দার কারণে ইতোমধ্যে ২০টিরও বেশি লঞ্চ বিক্রি করে দিয়েছেন মালিকরা।

টার্মিনাল থেকে কথা হয় ভোলাগামী লঞ্চযাত্রী লিটন তালুকদারের সঙ্গে। পরিবার নিয়ে তিনি থাকেন ডেমরায়। পেশায় আইনজীবী লিটন গ্রামে বাবা-মাস স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘লঞ্চ ছাড়বে রাত ১০টায়। ভিড় হবে ভেবে বাসা থেকে আগেভাগেই রওনা দেই। বিকেল ৫টায় টার্মিনালে পৌঁছে গেছি। রাস্তায় কোনো ঝামেলা হয়নি। এখন তো দেখি তেমন ভিড় নেই।’

ঢাকা-ঝালকাঠি রুটের এমভি ফারহান-৫ লঞ্চের স্টাফ মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘পদ্মা সেতু হওয়ার আগে ঈদে যেরকম ভিড় বা যাত্রী হতো, এখন আর সেই পরিস্থিতি নেই। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এদিন যাত্রী কিছু বেশি ছিল, তবে শুক্রবার যাত্রীসংখ্যা বেশি হবে।’

লঞ্চ মালিক সমিতির পরিচালক গাজী সালাউদ্দিন বাবু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঈদযাত্রা সামাল দিতে আমাদের পর্যাপ্ত লঞ্চ রয়েছে। যেসব রুটে যাত্রী বেশি থাকবে প্রয়োজনে সেই রুটে লঞ্চের সংখ্যা বাড়ানো হবে।’

ভাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ঈদের সময় আমরা সরকার নির্ধারিত ভাড়ায় লঞ্চ চালাই। অন্য সময় সরকার নির্ধারিত ভাড়ার নিচে আমরা ভাড়া নিয়ে থাকি।’

তিনি জানান, পদ্মা সেতুর ফলে সদরঘাটের যাত্রীসংখ্যা অনেকটাই সড়কমুখী হয়েছেন। এতে সদরঘাটে আগের মতো ভিড় ও যাত্রীর চাপ নেই।

এদিন দুপুরে সদরঘাট টার্মিনালে কথা হয় র‌্যাব-১০ এর এসপি সাইফুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সাধারণ ডিউটির পাশাপাশি চুরি, ছিনতাইরোধে র‌্যাবের ইন্টেলিজেন্ট ইউনিটও কাজ করছে।’

এ বিষয়ে সদরঘাট টার্মিনালের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সদরঘাট টার্মিনালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি অসংখ্য সিসি ক্যামেরা রয়েছে। এগুলো দিয়ে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘চলাচলকারী লঞ্চগুলোর স্টাফদের প্রশিক্ষণ, লঞ্চে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে আমরা সচেষ্ট আছি।’

অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাপ) সংস্থার ঢাকা নদীবন্দরের আহ্বায়ক মামুন অর রশিদ বলেন, ‘এখন যাত্রীদের তেমন চাহিদা নেই। আমরা গার্মেন্টস ছুটির অপেক্ষায় আছি। যেদিন গার্মেন্টস ছুটি হবে, সেদিন থেকে বিশেষ লঞ্চ চলাচল শুরু করবে। এ ব্যাপারে আমাদের প্রস্তুতিও রয়েছে।’

যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের ঢাকা নদীবন্দরের পরিচালক জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘যাত্রীবাহী নৌযানের নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত চলাচল নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলাবাহিনী কাজ করছে। যেহেতু ঝড়ের সময়, সে বিষয়েও নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তায় প্রস্তুত ফায়ার সার্ভিস
ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Big Boss King Tiger Bullet and Rock are coming to shake the market

বাজার কাঁপাতে আসছে বিগবস, বাদশা, টাইগার, বুলেট ও রক

বাজার কাঁপাতে আসছে বিগবস, বাদশা, টাইগার, বুলেট ও রক ব্যতিক্রমী পাঁচটি গরুর আচরণকে কেন্দ্র করে নানা বাহারি নামে ডাকা হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফুল আলম খান জানান, চাহিদামতো জেলায় ৯৬ হাজার ৭২৮টি গবাদিপশু লালনপালন করে প্রস্তত করা হয়েছে। এ বছর বাইরের দেশ থেকে কোনো পশু না ঢুকলে খামারিরা ভালো দামে গবাদিপশু বিক্রি করতে পারবেন।

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে বাজার ধরতে নানা বাহারি নামে গরু মোটাতাজা করে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করছেন মৌলভীবাজারের খামারিরা। এরই মধ্যে অনেক খামারে শুরু হয়ে গেছে আগাম বেচাবিক্রি। খামারিরা জানিয়েছেন, এবার অন্য বছরের তুলনায় কিছুটা ভালো দামে গরু বিক্রির আশা করছেন তারা।

লাভজনক হওয়ায় দেশে এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে গরুর খামার। প্রতি বছরই নতুন নতুন মানুষ যুক্ত হচ্ছে খামার ব্যবসায়। সফলতাও পাচ্ছেন অনেকে। এমনই এক সফল খামারি হচ্ছেন জুড়ী উপজেলার মেসার্স সিয়াম অ্যাগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী সাইফুল ইসলাম ছেনু।

বাবা মৃত বজলু মিয়ার হাতে গড়া খামারটির বয়স এখন শত বছরের ওপরে। ছেনুর বাবার মৃত্যুর পর ছেলেরা খামারের হাল ধরেন। এ খামারে বর্তমানে ছোটবড় মিলিয়ে মোট ৬৫টি গরু রয়েছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশীয় পদ্ধতিতে ক্রেতাদের মন জয় করতে এ খামারে গড়ে তোলা হয়েছে বিগবস, বাদশা, টাইগার, বুলেট ও রক নামের পাঁচটি গরু। এসব গরু দেখতে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন।

সাইফুল ইসলাম ছেনু জানান, মূলত কোরবানির বাজার ধরতে অনেক আগে থেকেই দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন তিনি। ভারতীয় গরু অনুপ্রবেশ না করলে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারের ঈদে ভালো মুনাফা পাবেন বলে আশা করছেন।

তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত ছোটবড় মিলিয়ে ৬৫টি গরু মোটাতাজা করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ব্যতিক্রমী পাঁচটি গরুর আচরণকে কেন্দ্র করে নানা বাহারি নামে ডাকা হচ্ছে। এগুলো দাম ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা করে চাচ্ছি আমরা।’

জুড়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রমাপদ দে জানান, প্রবাসী অধ্যুষিত এ উপজেলায় দিনকে দিন বাড়ছে কোরবানির পশুর চাহিদা। সেইসঙ্গে বেড়েছে খামারের সংখ্যা। উপজেলায় ছোটবড় মিলিয়ে প্রায় শতাধিক খামার রয়েছে।

ঈদের আগে খামারগুলোতে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কেউ যাতে অসৎ উপায়ে গরু মোটাতাজা না করতে পারে, সেজন্যই এ ব্যবস্থা।’

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফুল আলম খান জানান, চাহিদামতো জেলায় ৯৬ হাজার ৭২৮টি গবাদিপশু লালনপালন করে প্রস্তত করা হয়েছে। এ বছর বাইরের দেশ থেকে কোনো পশু না ঢুকলে খামারিরা ভালো দামে গবাদিপশু বিক্রি করতে পারবেন।

আরও পড়ুন:
ডিএনসিসির পশুর হাটে নিরাপদ ‘ক্যাশলেস’ লেনদেনের আশা মেয়রের
নেত্রকোণায় ‘ঘাস খেয়ে’ এক খামারের ২৬ গরুর মৃত্যু
‘রাজা বাবু’র দাম হাঁকা হচ্ছে ৬ লাখ টাকা
ঢাকায় কোরবানির পশুর হাট বসছে বৃহস্পতিবার থেকে
‘সাদা পাহাড়ের’ ওজন ৩৮ মণ, দাম ১৬ লাখ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
He was hacked to death on his way to appear in a case in Teknaf

টেকনাফে মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে কুপিয়ে হত্যা

টেকনাফে মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে কুপিয়ে হত্যা রেজাউল করিম। ছবি: সংগৃহীত
নিহতের মা বলেন, ‘সকালে আমার ছেলে কক্সবাজার আদালতে মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় পেঠানের ছেলে ফরহাদসহ কয়েকজন তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। আমি খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

কক্সবাজার টেকনাফে সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নামিয়ে এলোতাপাড়ি কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাতে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ কোনারপাড়া কবরস্থানের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহত যুবক টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রীপাড়া গ্রামের মৃত হামিদ হোসেনের ছেলে রেজাউল করিম।

খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ সময় হত্যাকাণ্ডের হোতা মো. ফরহাদ ওই এলাকায় আত্মগোপন করে আছেন জেনে পুলিশ তার বাড়িতে অভিযান চালায়। তাকে না পেয়ে তার মা এবং বাড়ির পাশ থেকে দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, রেজাউল করিম বৃহস্পতিবার সকালে একটি মামলায় হাজিরা দেয়ার জন্য সিএনজিচালিত অটোরিকশায় কক্সবাজারের আদালতে যাচ্ছিলেন। পথে ওই মামলার বাদী পক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে অটোরিকশার গতিরোধ করে প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেজাউলের হাতে কোপ দেয়। এ সময় রেজাউল অটোরিকশা থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করেন। এরপর হামলাকারীরা তাকে ধরে এলোতাপাড়ি ছুরিকাঘাত করে চলে যায়।

স্থানীয় লোকজন রেজাউলকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক নওশাদ আলম তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘নিহতের দুই হাতে ধারালো অস্ত্রের কোপ এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র বা লোহার রড ধরনের কিছুর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।’

এ ব্যাপারে নিহতের মা সাজিদা বলেন, ‘সকালে আমার ছেলে কক্সবাজার আদালতে মামলার হাজিরা দিতে যাচ্ছে এমন সময় পেঠানের ছেলে ফরহাদসহ কয়েকজন তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। আমি খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার ওসি ওসমান গণি বলেন, ‘পূর্বশত্রুত থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানা গেছে। হত্যা মামলা রুজু করার পর তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
BGB has increased surveillance at Benapole and Sharsha border

বেনাপোলসহ শার্শা সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি

বেনাপোলসহ শার্শা সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি যশোরের শার্শা সীমান্তে বিজিবি টহল দলের নজরদারি। ছবি: নিউজবাংলা
যশোর ৪৯ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার আহমেদ হাসান জামিল বলেন, ‘ঈদ সামনে রেখে কোনো চোরাকারবারি যাতে ওপার সীমান্তে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য আমরা সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের কাছে সতর্ক বার্তা পাঠিয়েছি। চোরাকারবারিরা যাতে সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য আমরা নজরদারি বাড়িয়েছি।’

যশোর সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যেন অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম বা বিনা কারণে সীমান্ত এলাকায় না যায় সেজন্য সতর্ক করা হচ্ছে। তবে কৃষকদের মাঠে কাজ করতে যেতে কোনো বাধা নেই।

বৃহস্পতিবার ৪৯ বিজিবির কোম্পানি সদর থেকে দেয়া নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন।

মহেশপুর সীমান্তের বিপরীতে বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তের নিকটবর্তী বাংলাদেশি অসামরিক ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে পারে- এমনটা উল্লেখ করে বুধবার সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিজিবির পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়। এ সময় বাংলাদেশি জনসাধারণকে সীমান্ত এলাকায় না যাওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়।

বেনাপোলসহ শার্শা সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি

জানা গেছে, সোমবার (১০ জুন) গভীর রাতে মহেশপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের অভ্যন্তরে বিএসএফের এক সদস্যকে কুপিয়ে জখম করে দুষ্কৃতকারীরা। বিএসএফের ধারণা, এটা বাংলাদেশের দুষ্কৃতকারীরা করেছে। এজন্য প্রতিশোধ নিতে বিএসএফ গুলি চালাতে পারে এমনটা আশঙ্কা করে বিজিবি সদস্যরা সীমান্তের সাধারণ মানুষদের সতর্ক থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছেন।

যশোর ৪৯ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার আহমেদ হাসান জামিল বলেন, ‘ঈদ সামনে রেখে কোনো চোরাকারবারি যাতে ওপার সীমান্তে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য আমরা সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষের কাছে সতর্ক বার্তা পাঠিয়েছি।

‘ঈদ এলেই চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্য কিছুটা বৃদ্ধি পায়। চোরাকারবারিরা যাতে সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য আমরা নজরদারি বাড়িয়েছি।’

সীমান্ত এলাকায় ফসলের ক্ষেতে কাজ করার জন্য কৃষকরা যেতে পারবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কৃষকদের মাঠে কাজ করতে বা ফসলাদি দেখাশোনা করতে কোনো বাধা নেই। এ সময়ে সীমান্ত এলাকায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আমাদের সীমান্ত এলাকায় তেমন কোনো সমস্যা নেই। আশা করি কোনো সমস্যা হবে না।’

আরও পড়ুন:
বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৫ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
বিএসএফ এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে: বিজিবির সতর্কতামূলক মাইকিং

মন্তব্য

p
উপরে