উপনির্বাচনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে তৃণমূল

উপনির্বাচনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে তৃণমূল

পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচন দ্রুত করার দাবি নিয়ে নির্বাচন কমিশন দপ্তরে যাচ্ছে তৃণমূল। ছবি: এনডিটিভি

মুখ্যমন্ত্রী মমতার ভবানীপুর কেন্দ্র যেখানে তিনি উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, এরই মধ্যে ওই কেন্দ্রে তৃণমূলের বিজয়ী প্রার্থী কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচন দ্রুত করার দাবি জানাতে বৃহস্পতিবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে প্রতিনিধিদল পাঠাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।

রাজ্যের সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের বকেয়া ভোট দ্রুত শেষ করার তৃণমূলের তাগিদ রয়েছে। কেননা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটে নির্বাচিত না হয়েও মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন।

মমতাকে ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচিত হয়ে আসার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

রাজ্যের করোনাভাইরাস সংক্রমণ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে।

এ পরিস্থিতিতে মমতাও চাইছেন উপনির্বাচন করে ফেলতে।

মুখ্যমন্ত্রীর ভবানীপুর কেন্দ্র যেখানে তিনি উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, এরই মধ্যে ওই কেন্দ্রে তৃণমূলের বিজয়ী প্রার্থী কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।

তৃণমূল কংগ্রেস উপনির্বাচনের জন্য প্রস্তুত।

তবে বিজেপি উপনির্বাচনের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের ওপর ছেড়ে দিলেও তৃণমূলের একাংশের অভিযোগ উপনির্বাচন নিয়ে অহেতুক জটিলতা তৈরি করা হচ্ছে।

জঙ্গিপুর, শামশেরগঞ্জের সাধারণ নির্বাচনসহ খড়দহ, শান্তিপুর, গোসাবা, দিনহাটা ও ভবানীপুরের উপনির্বাচনের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন।

তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ বলেন, ‘আমরা নির্দিষ্ট করে বলে আসছি, উপনির্বাচন করানো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়ে।

‘বিরাট কোনো প্রচারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। এখন মানুষ সব জানে। এখন আর নতুন করে প্রচার করে কী হবে?

‘সাত দিনের প্রচারই যথেষ্ট। সেখানে মানুষের কাছাকাছি যাওয়ার প্রশ্ন নেই। যা হবে সব রকমের কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনে হবে।

‘তাই আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলব, আপনাদের বেশি সময় দিতে হবে না।’

তৃণমূল দ্রুত নির্বাচন চাইলেও বিজেপি নির্বাচন কমিশনের ওপর ছেড়ে দিয়েছে
উপনির্বাচনের বিষয়টি।

তবে তারা পুরভোট দ্রুত করার বিষয়ে বেশি আগ্রহী।

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘কমিশন যদি মনে করে সাত দিনের প্রস্তুতিতে রাজ্যে উপনির্বাচন সম্ভব, তাহলে তাই হবে।

‘কিন্তু রাজ্যে এ মুহূর্তে যে আইনশৃঙ্খলা রয়েছে, তাতে উপনির্বাচন করার মতো পরিবেশ রয়েছে বলে আমরা মনে করি না।

‘কারণ কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ সর্বত্র আমাদের কর্মীরা ঘরছাড়া। বিজেপিকর্মীদের টিকা, রেশন দেয়া হচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক হলেই যেন উপনির্বাচন করা হয়।’

আরও পড়ুন:
সিএএ নিয়ে মমতার সাহায্য চাইলেন দিলীপ
গায়ের রং কালো বলে হেনস্তার শিকার শ্রুতি
পশ্চিমবঙ্গে বিধিনিষেধ: অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চালু হলো বাস
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিপর্যয়: ব্যর্থতার দায় রাজ্য নেতাদের ঘাড়ে
ভোট পরবর্তী সহিংসতা: মানবাধিকার কমিশনে আক্রান্তরা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

প্রতিরক্ষায় ৭ নতুন সংস্থার ঘোষণা মোদির

প্রতিরক্ষায় ৭ নতুন সংস্থার ঘোষণা মোদির

নরেন্দ্র মোদি বলেন, সংস্থাগুলো তৈরির সিদ্ধান্ত দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল। এই নতুন সাতটি সংস্থা আগামী দিনে দেশের সামরিক শক্তির ক্ষেত্রে এক শক্তিশালী ভিত তৈরি করবে।

প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির ক্ষেত্রে বেসরকারি পুঁজি বিনিয়োগের পথ প্রশস্ত করতে এক লাফে অনেকটাই এগিয়ে গেল ভারত সরকার। ৩০০ বছরের পুরোনো ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরি বোর্ডের পরিবর্তে সাতটি নতুন কোম্পানি তৈরির ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

চলতি মাসের শুরুতেই সরকার ভেঙে দেয় অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরি বোর্ড (ওএফবি)। কলকাতায় ১৭১২ সালে তৈরি ওএফবি ভারতের ৪১টি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির সরকারি ফ্যাক্টরি নিয়ন্ত্রণ করত। ওএফবিকে ১ অক্টোবর নিষ্ক্রিয় ঘোষণা করে সরকার।

এর পরিবর্তে শুক্রবার সাতটি নতুন প্রতিরক্ষা সংস্থার ঘোষণা করেন মোদি। দেশের ৪১টি অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরিকে এদিন সরকার পরিচালিত সাতটি করপোরেট সংস্থায় রূপান্তরিত করা হয়। ভারতকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তিতে রূপান্তরিত করাই হবে এর লক্ষ্য।

মোদি বলেন, ‘গত সাত বছরে দেশ মেক ইন ইন্ডিয়া মন্ত্রের সঙ্গে নিজেদের সংকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করেছে। আজ দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে যে স্বচ্ছতা, যে বিশ্বাস রয়েছে, যে তথ্য-প্রযুক্তি নিয়ে কাজের সুবিধা রয়েছে তা আগে কোনো দিন ছিল না। স্বাধীনতার পর প্রথমবার আমাদের প্রতিরক্ষা বিভাগে এত সংস্কার হচ্ছে। এতে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে।’

যে সাতটি নতুন প্রতিরক্ষা সংস্থা হবে, সেগুলো হলো মিউনিশন ইন্ডিয়া লিমিটেড (এমআইএল), আরমার্ড ভেহিকেলস নিগম লিমিটেড (অবনি), অ্যাডভান্স উইপনস অ্যান্ড ইক্যুইপমেন্ট ইন্ডিয়া লিমিটেড (এডব্লুই ইন্ডিয়া), ট্রুপ কমফোর্টস লিমিটেড (টিসিএল), যন্ত্র ইন্ডিয়া লিমিটেড (ওয়াইআইএল), ইন্ডিয়া অপটেল লিমিটেড (আইওএল) ও গ্লিডার্স ইন্ডিয়া লিমিটেড (জিআইএল)।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংস্থাগুলো তৈরির সিদ্ধান্ত দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল। এই নতুন সাতটি সংস্থা আগামী দিনে দেশের সামরিক শক্তির ক্ষেত্রে এক শক্তিশালী ভিত তৈরি করবে।

ভারতীয় অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরিগুলোর গৌরবময় অতীতের কথা উল্লেখ করে মোদি জানান, এই সাতটি প্রতিরক্ষা সংস্থা পরিস্থিতি পরিবর্তনে প্রধান ভূমিকা পালন করবে। ইতিমধ্যে ৬৫ হাজার কোটি টাকার বেশি সংস্থাগুলোকে দেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে এই সংস্থাগুলোর প্রতি দেশের ক্রমবর্ধমান আস্থা প্রতিফলিত হয়েছে।

গত পাঁচ বছরে ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
সিএএ নিয়ে মমতার সাহায্য চাইলেন দিলীপ
গায়ের রং কালো বলে হেনস্তার শিকার শ্রুতি
পশ্চিমবঙ্গে বিধিনিষেধ: অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চালু হলো বাস
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিপর্যয়: ব্যর্থতার দায় রাজ্য নেতাদের ঘাড়ে
ভোট পরবর্তী সহিংসতা: মানবাধিকার কমিশনে আক্রান্তরা

শেয়ার করুন

আদালতের নির্দেশ ছাড়া প্রকাশ্যে ফাঁসি নয়: তালেবান

আদালতের নির্দেশ ছাড়া প্রকাশ্যে ফাঁসি নয়: তালেবান

আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ ছাড়া প্রকাশ্যে শাস্তি দেয়া যাবে না বলে জানান তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ। ছবি: এএফপি

তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, ‘দেশের সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দিলে জনসমক্ষে মৃত্যুদণ্ড ও লাশ ঝুলিয়ে রাখা যাবে, অন্যথায় নয়।’

অপরাধীদের প্রকাশ্যে শাস্তি না দিতে স্থানীয় কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে তালেবান সরকার। আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দিলেই কেবল জনসমক্ষে শাস্তি দেয়া যাবে।

তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বৃহস্পতিবার টুইটারে এসব বার্তা দেন বলে ডনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

মুজাহিদ বলেন, ‘দেশের মন্ত্রিপরিষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কোনো ধরনের শাস্তি প্রকাশ্যে দেয়া যাবে না। অপরাধীদের শাস্তি কার্যক্রম প্রকাশ্যে প্রচারের কিছু নেই। তবে আদালত যদি অপরাধীদের প্রকাশ্যে শাস্তি দিতে বলে, সে ক্ষেত্রে সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দিলে জনসমক্ষে মৃত্যুদণ্ড ও লাশ ঝুলিয়ে রাখা যাবে, অন্যথায় নয়।’

তালেবান মুখপাত্র বলেন, ‘অপরাধীকে দণ্ডিত করা হলে তার শাস্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে হবে। তাহলে মানুষ তার অপরাধ সম্পর্কে জানতে পারবে।’

১৫ আগস্ট কাবুল পতনের পর আফগানিস্তানের ক্ষমতা তালেবানের হাতে যায়। সেপ্টেম্বরের শুরুতে নিজেদের শীর্ষস্থানীয় ৩৩ নেতাকে নিয়ে ইসলামিক আমিরাত গঠন করে তালেবান। ইসলামিক আমিরাতের মন্ত্রিসভার নাম দেয়া হয়েছে মন্ত্রিপরিষদ।

গত মাসে আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত শহরে কথিত চার অপহরণকারীকে হত্যা করে প্রকাশ্যে তাদের লাশ ঝুলিয়ে দেন তালেবান যোদ্ধারা।

ওই ঘটনায় বিশ্বব্যাপী সমালোচনার ঝড় ওঠে। তালেবান তাদের আগের শাসনামলে ফিরে যাচ্ছে দেখে অধিকার সংগঠনসহ অনেকে উদ্বেগ জানায়।

গত মাসে তালেবানের জ্যেষ্ঠ নেতা মোল্লা নুরুদ্দিন তুরাবি বার্তা সংস্থা এপিকে জানান, তালেবান সরকার ফের অপরাধীদের অঙ্গচ্ছেদ করতে পারে। প্রকাশ্যে এ শাস্তি কার্যকর নাও হতে পারে।

তুরাবির ওই বক্তব্যের পর অবশ্য আফগানিস্তানের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে প্রকাশ্যেই লোকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

তালেবানের নব্বই দশকের শাসনামলে তুরাবি আফগানিস্তানের বিচারমন্ত্রী ছিলেন।

এদিকে শুক্রবার সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি হিসেবে শেখ আব্দুল হাকিমকে নিয়োগ দিয়েছে তালেবান সরকার।

তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার বিশ্বস্ত সহযোগী ও পশতুন ধর্মীয় নেতা হাকিম এর আগে কাতারে গোষ্ঠীটির সমঝোতা দলের নেতৃত্বে ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সিএএ নিয়ে মমতার সাহায্য চাইলেন দিলীপ
গায়ের রং কালো বলে হেনস্তার শিকার শ্রুতি
পশ্চিমবঙ্গে বিধিনিষেধ: অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চালু হলো বাস
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিপর্যয়: ব্যর্থতার দায় রাজ্য নেতাদের ঘাড়ে
ভোট পরবর্তী সহিংসতা: মানবাধিকার কমিশনে আক্রান্তরা

শেয়ার করুন

গঙ্গাদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশবান্ধব উপায়ে প্রতিমা বিসর্জন

গঙ্গাদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশবান্ধব উপায়ে প্রতিমা বিসর্জন

প্রতিমা বিসর্জনে পানি দূষণ ঠেকাতে ঘাটে ক্রেনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘গঙ্গার জলে যেন কোনোভাবে দূষণ না ছড়ায় তা নিশ্চিত করতে আমরা যাবতীয় ব্যবস্থা রেখেছি। এ জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ, পুরকর্মী ও কাঠামোগত ব্যবস্থা থাকছে।’

ন্যাশনাল মিশন ফর ক্লিন গঙ্গার নির্দেশনা মেনে গঙ্গার পানি দূষণ ঠেকাতে পরিবেশবান্ধব উপায়ে প্রতিমা বিসর্জনসহ বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ।

গত বছর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে পরিবেশবান্ধব প্রতিমা বিসর্জন শুরু করে সংগঠনটি। তবে এ বছর আরও বড় পরিসরে এ ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে কলকাতার মুখ্য প্রশাসক পশ্চিমবঙ্গের পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘গঙ্গার জলে যেন কোনোভাবে দূষণ না ছড়ায় তা নিশ্চিত করতে আমরা যাবতীয় ব্যবস্থা রেখেছি। এ জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ, পুরকর্মী ও কাঠামোগত ব্যবস্থা থাকছে।’

পর্ষদ সূত্রে জানা যায়, কোভিড বিধিনিষেধ মেনে এ বছর গঙ্গার ১৭টি নির্দিষ্ট ঘাটে দুর্গা বিসর্জন দেয়া হবে। জাজেস ঘাট, নিমতলা ও কদমতলা ঘাটে মূলত বেশি বিসর্জন হয়। তাই এই তিন ঘাটে চারটি ক্রেন থাকবে। জলে প্রতিমা পড়লে ক্রেন দিয়ে কাঠামো তুলে নেয়া হবে যেন বেশিক্ষণ জলে পড়ে না থাকে।

এমনকি গঙ্গার ধারে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ফুলমালাসহ পূজার অন্যান্য সামগ্রী ফেলতে হবে বলে জানানো হয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ থেকে।

এদিকে রাজ্যের লর্ড হেস্টিংসের দুই ঘাটে এ বছর থেকেই পরীক্ষামূলক বিসর্জনের ব্যবস্থা নিয়েছে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। এ বিষয়ে রাজ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘বিসর্জনে দূষণ নিয়ে অভিযোগ কাটাতেই হেস্টিংসের দুই ঘাটে জল দিয়ে প্রতিমা গলানোর জন্য হোসপাইপ ব্যবহারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

এ ছাড়া পরিবেশবান্ধব উপায়ে বিসর্জনের জন্য দক্ষিণ দমদম এলাকারও বেশ কয়েকটি পুকুর চিহ্নিত করেছে পর্ষদ। দক্ষিণ দমদম, সল্টলেক, বাগুইআটি, কেষ্টপুর এলাকার দুর্গা প্রতিমা ওই সব পুকুরে বিসর্জন দেয়া হবে। এ জন্য পুকুরের জলের নিচে একটি সিনথেটিক লাইনার লাগানো থাকবে, যেন পূজার ফুল ও মালার মতো সামগ্রী জল থেকে দ্রুত তুলে অন্যত্র সরিয়ে ফেলা যায়। এতেই দূষণ অনেকটা কমানো যাবে বলে মনে করেন দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের কর্তারা।

পশ্চিমবঙ্গের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের চেয়ারম্যান কল্যাণ রুদ্র জানিয়েছেন, ‘জল দূষণ ঠেকাতেই এই ব্যবস্থা।'

তিনি আরও জানান, দুপুর ১২টার পর বিসর্জন শুরু হওয়ার কথা। এ সময় নিরাপত্তায় থাকছে ৩ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য। নিরঞ্জনে সাহায্য করতে ২ হাজার পুরকর্মী থাকছেন। গঙ্গায় স্পিড বোটে চলবে নজরদারি।

এ ছাড়া রিভার ট্রাফিক গার্ড ও বিপর্যয় মোকাবিলা দল মজুত থাকছে। থাকছে ওয়াচ টাওয়ার। বিসর্জনে ডিজে ও মাইক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

শুক্রবার বাড়ির ও ছোট বারোয়ারি পূজার বিসর্জন হবে। ১৮ অক্টোবর বিসর্জনের শেষ দিন। প্রথম দিনে প্রায় দেড় হাজার প্রতিমা বিসর্জনের কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
সিএএ নিয়ে মমতার সাহায্য চাইলেন দিলীপ
গায়ের রং কালো বলে হেনস্তার শিকার শ্রুতি
পশ্চিমবঙ্গে বিধিনিষেধ: অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চালু হলো বাস
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিপর্যয়: ব্যর্থতার দায় রাজ্য নেতাদের ঘাড়ে
ভোট পরবর্তী সহিংসতা: মানবাধিকার কমিশনে আক্রান্তরা

শেয়ার করুন

তালেবানকে সহায়তায় প্রস্তুত, স্বীকৃতি দিতে নয়: তুরস্ক

তালেবানকে সহায়তায় প্রস্তুত, স্বীকৃতি দিতে নয়: তুরস্ক

আঙ্কারায় বৃহস্পতিবার তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলুর সঙ্গে দেখা করেন তালেবানের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি। ছবি: এএফপি

আঙ্কারায় মুত্তাকির সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাভুসোগলু বলেন, ‘তালেবানের বর্তমান প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের গুরুত্ব আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আমাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। স্বীকৃতি দেয়া ও সম্পর্ক স্থাপন সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।’

আফগানিস্তানে চলমান মানবিক সংকট নিরসনে তালেবানকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তুরস্ক। তবে ক্ষমতাসীন তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দিতে রাজি নয় দেশটি।

তালেবানের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকিকে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার এসব বার্তা দিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষমতা দখলের পর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেতে মরিয়া তালেবান। সম্প্রতি কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠকও করে তালেবানের প্রতিনিধিদল।

এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার তুরস্কে পৌঁছান তালেবান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুত্তাকি।

তালেবানের ওপর পশ্চিমা দেশের নিষেধাজ্ঞা আফগান পরিস্থিতি আরও নাজুক করতে পারে বলে বৈঠকে সতর্ক করেন মুত্তাকি।

আঙ্কারায় মুত্তাকির সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাভুসোগলু বলেন, ‘তালেবানের বর্তমান প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের গুরুত্ব আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আমাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

‘স্বীকৃতি দেয়া ও সম্পর্ক স্থাপন সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।’

তিনি বলেন, ‘আফগান অর্থনীতি ভেঙে পড়তে দেয়া যাবে না। বাইরের দেশে থাকা আফগানিস্তানের অ্যাকাউন্ট যেসব পশ্চিমা দেশ জব্দ করেছে, তাদের আরও নমনীয় হতে হবে, যাতে করে আফগান জনগণ তাদের বেতন ঠিকমতো পায়।’

১৫ আগস্ট কাবুল পতনের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের ক্ষমতা তালেবানের হাতে যায়। এরপরই দেশটিতে তহবিল প্রকল্প স্থগিত করে বিশ্বব্যাংক।

ন্যাটোভুক্ত দেশের মধ্যে একমাত্র মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ তুরস্ক। চলতি বছরে আগস্টের শেষে আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনা চলে যাওয়ার পর দেশটি পুনর্গঠনে বিভিন্নভাবে সহায়তা করার উদ্যোগ নেয় আঙ্কারা।

যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানে মানবিক সহায়তা আসার প্রধান পথ কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার প্রস্তাবও দিয়েছিল তুরস্ক। তবে ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন তালেবান নেতারা।

এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত উভয় পক্ষ কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি।

বৃহস্পতিবারের বৈঠকে আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুত্তাকিকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফের জানান, নিয়মিত ফ্লাইট শুরু হওয়ার আগে কাবুল বিমানবন্দরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাভুসোগলু বলেন, ‘আজকে আমরা আরেকবার তালেবান সরকারকে বুঝিয়েছি, শুধু আমাদের জন্য নয়, আন্তর্জাতিক সংস্থার জন্যও কাবুল বিমানবন্দরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কতটা জরুরি।’

কাভুসোগলু জানান, আফগান মেয়েদের স্কুলে ও নারীদের কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার অনুমতি দিতে তালেবানের প্রতি বৈঠকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা তালেবান সরকারকে বলেছি, আমাদের এই আহ্বানকে পূর্বশর্ত বা দাবি হিসেবে না দেখতে। এটি শুধু আমাদের নয়, বিশ্বের অন্যান্য মুসলমানপ্রধান দেশেরও চাওয়া।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেননি তালেবানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুত্তাকি।

আরও পড়ুন:
সিএএ নিয়ে মমতার সাহায্য চাইলেন দিলীপ
গায়ের রং কালো বলে হেনস্তার শিকার শ্রুতি
পশ্চিমবঙ্গে বিধিনিষেধ: অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চালু হলো বাস
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিপর্যয়: ব্যর্থতার দায় রাজ্য নেতাদের ঘাড়ে
ভোট পরবর্তী সহিংসতা: মানবাধিকার কমিশনে আক্রান্তরা

শেয়ার করুন

আফগানিস্তানে জড়ো হচ্ছে উগ্রবাদীরা: পুতিন

আফগানিস্তানে জড়ো হচ্ছে উগ্রবাদীরা: পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: সংগৃহীত

মস্কোর উদ্যোগে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন সামনে রেখে এসব মন্তব্য করলেন পুতিন। ওই সম্মেলনে তালেবানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আগামী ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে সম্মেলনটি।

তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার সুযোগে ইরাক, সিরিয়ার উগ্রবাদীরা সক্রিয় হয়ে উঠছে এবং আফগান ভূখণ্ডে প্রবেশ করছে বলে সতর্ক করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা প্রধানদের সঙ্গে বুধবার এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে অংশ নেন পুতিন। ওই সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

পুতিন বলেন, আফগানিস্তানের পরিস্থিতি সহজ নয়। চতুর্দিক থেকে দেশটিতে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা প্রবেশ করছে।

আফগান বার্তা সংস্থা খামা প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, রুশ রাষ্ট্রপ্রধান আপাতদৃষ্টিতে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সদস্যরা আবার তৎপর হচ্ছে বলে আভাস দিয়েছেন।

কট্টরপন্থি মতাদর্শে মিল থাকলেও তালেবান ও আইএস একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর নতুন শাসকদল হিসেবে আইএসকে খুব একটা গুরুত্বের সঙ্গে নেয়নি তালেবান।

তালেবান শাসকদলের জন্য আইএসকে বড় হুমকি বলে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করলেও আইএসের আফগান শাখা আইসিস-কে আন্তর্জাতিক বা আঞ্চলিক মদদপুষ্ট নয় বলে তাদের গুরুত্ব দিতে নারাজ তালেবান।

পুতিন জানান, আফগানিস্তানে সক্রিয় হয়ে ওঠার মাধ্যমে উগ্রবাদীরা প্রতিবেশী দেশগুলোতেও অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। এমনকি আশপাশের দেশগুলোতে নিজেদের সাংগঠনিক সম্প্রসারণও করতে পারে।

কাবুলের নেতৃত্বে থাকা তালেবানকে নিয়ে আশাবাদী হলেও এশিয়ার দেশগুলোতে নতুন করে জঙ্গিবাদ ছড়িয়ে পড়ার বিষয়েও উদ্বিগ্ন মস্কো।

এদিকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে উগ্রবাদ ছড়াতে তালেবান শাসকদল আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না বলেও বারবার আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছে বিশ্ব সম্প্রদায়কে।

মস্কোর উদ্যোগে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন সামনে রেখে এসব মন্তব্য করলেন পুতিন। ওই সম্মেলনে তালেবানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

আগামী ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে সম্মেলনটি।

আরও পড়ুন:
সিএএ নিয়ে মমতার সাহায্য চাইলেন দিলীপ
গায়ের রং কালো বলে হেনস্তার শিকার শ্রুতি
পশ্চিমবঙ্গে বিধিনিষেধ: অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চালু হলো বাস
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিপর্যয়: ব্যর্থতার দায় রাজ্য নেতাদের ঘাড়ে
ভোট পরবর্তী সহিংসতা: মানবাধিকার কমিশনে আক্রান্তরা

শেয়ার করুন

জ্বর নিয়ে হাসপাতালে মনমোহন সিং, মোদির টুইট

জ্বর নিয়ে হাসপাতালে মনমোহন সিং, মোদির টুইট

ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং। ফাইল ছবি

সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির মুখপাত্র প্রণব ঝা জানান, মনমোহন সিং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার স্বাস্থ্য নিয়ে অস্পষ্ট গুঞ্জন ছড়ানো হচ্ছে, যা সত্য নয়।

জ্বর ও দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং। রাজধানী নয়াদিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেসে (এআইআইএমএস) চিকিৎসাধীন তিনি।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের এপ্রিলে করোনাভাইরাস পজিটিভ হওয়ায় একবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন মনমোহন। সে সময় একই হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি।

কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা ও ভারতীয় পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার এই আইনপ্রণেতার বয়স বর্তমানে ৮৯ বছর।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে জ্বরে ভুগছিলেন মনমোহন। বুধবার রাতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল।

সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির মুখপাত্র প্রণব ঝা জানান, মনমোহন সিং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার স্বাস্থ্য নিয়ে অস্পষ্ট গুঞ্জন ছড়ানো হচ্ছে, যা সত্য নয়।

পূর্বসূরির সুস্থতা কামনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বৃহস্পতিবার সকালে করা টুইটে তিনি লেখেন, ‘ড. মনমোহন সিংয়ের দ্রুত সুস্থতা ও সুস্বাস্থ্য কামনায় প্রার্থনা করছি।’

মনমোহন সিংয়ের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবরে টুইটারে তার সুস্থতা কামনা করে বার্তা দিয়েছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরঞ্জিত সিং চান্নি, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট, মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানসহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের অনেকে।

ভারতে টানা দুই মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মনমোহন সিং; প্রথমবার ২০০৪ সালে এবং তারপর ২০০৯ সালে। দেশটির প্রথম শিখ প্রধানমন্ত্রী তিনি।

আরও পড়ুন:
সিএএ নিয়ে মমতার সাহায্য চাইলেন দিলীপ
গায়ের রং কালো বলে হেনস্তার শিকার শ্রুতি
পশ্চিমবঙ্গে বিধিনিষেধ: অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চালু হলো বাস
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিপর্যয়: ব্যর্থতার দায় রাজ্য নেতাদের ঘাড়ে
ভোট পরবর্তী সহিংসতা: মানবাধিকার কমিশনে আক্রান্তরা

শেয়ার করুন

কাবুলের বুশ বাজারের নাম বদলে হলো মুজাহিদিন বাজার

কাবুলের বুশ বাজারের নাম বদলে হলো মুজাহিদিন বাজার

কাবুলে বুশ বাজারের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০৭ সালে। ছবি: টোলো নিউজ

বাজারটির নাম রাখা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের নামে। বুশের শাসনামলেই ২০০১ সালে আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান চালিয়ে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী তালেবানকে ক্ষমতাচ্যুত করে আন্তর্জাতিক জোট। ২০ বছরের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় এসেই তাই বাজারটির নাম বদলে দিল তালেবান।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের অন্যতম পরিচিত একটি জায়গা বুশ বাজার। কুয়াই মারকাজ এলাকায় অবস্থিত বাজারটির নাম বদলে দিয়ে শাসকদল তালেবান।

স্থানীয় টোলো নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি সপ্তাহে বাজারটির নাম পাল্টে ‘মুজাহিদিন বাজার’ করার ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বাজারটিতে কয়েক শ দোকানপাট ও স্টল রয়েছে। খেলাধুলার জিনিস, বিদ্যুৎ সামগ্রী ও বৈদ্যুতিক পণ্য, কাপড়চোপড়, পোশাক, ডিটারজেন্ট, নানা রকম পানীয় থেকে শুরু করে বাজারটিতে রয়েছে নানা রকম পণ্যের সমাহার।

আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোটের অভিযান শুরুর পর থেকে বাজারটিতে অনেক সামরিক সরঞ্জামও বিক্রি হতো। যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ঘাঁটি থেকে বাজারটিতে আনা হতো এসব সরঞ্জাম।

তাই বাজারটির নাম রাখা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের নামে। বুশের শাসনামলেই ২০০১ সালে আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান চালিয়ে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী তালেবানকে ক্ষমতাচ্যুত করে আন্তর্জাতিক জোট।

২০ বছরের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় এসেই তাই বাজারটির নাম বদলে দিল তালেবান।

বিদেশি সেনারা সদলবলে আফগানিস্তান ত্যাগ করার পর বাজারটিতে এখন কেবল সাধারণ বিক্রয়যোগ্য পণ্য বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দোকানদাররা।

বাজারের প্রধান মোহাম্মদ কাশিম বারহাক বলেন, ‘আমাদের বলা হয়েছিল যে কাবুল পৌরসভায় এই বাজারটির নিবন্ধন রয়েছে আরিয়া রোজ বাজার নামে। বাজারের নিবন্ধনপত্রেও এই নামটিই রয়েছে। কিন্তু তালেবান এর নাম রেখেছে মুজাহিদিন বাজার।’

স্থানীয় বিক্রেতারা জানান, বাজারটিতে কেনাবেচা এখন আগের চেয়ে অনেক কম।

সৈয়দ জাবেদ নামের এক দোকানদার বলেন, ‘খুব বেশি ক্রেতা নেই। ব্যবসা খুব খারাপ চলছে।’

কাবুলের বাসিন্দারা জানান, আগে বাজারটিতে উচ্চ মানসম্পন্ন জিনিসপত্র পাওয়া যেত। এখন আর তেমনটা দেখা যাচ্ছে না।

নাকিবুল্লাহ নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘বুশ বাজারে খুব ভালো ভালো জিনিস পাওয়া যেত। এখন আগের মতো আর বিদেশি জিনিসপত্র এখানে বিক্রি হচ্ছে না।’

কাবুলে বাজারটির যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৪ বছর আগে। এখন বাজারটিতে দোকানপাট ও স্টলের সংখ্যা সবমিলিয়ে প্রায় পাঁচ শ।

আরও পড়ুন:
সিএএ নিয়ে মমতার সাহায্য চাইলেন দিলীপ
গায়ের রং কালো বলে হেনস্তার শিকার শ্রুতি
পশ্চিমবঙ্গে বিধিনিষেধ: অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চালু হলো বাস
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিপর্যয়: ব্যর্থতার দায় রাজ্য নেতাদের ঘাড়ে
ভোট পরবর্তী সহিংসতা: মানবাধিকার কমিশনে আক্রান্তরা

শেয়ার করুন