× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

আন্তর্জাতিক
ভূমধ্যসাগরে বাংলাদেশিসহ ৪৩ অভিবাসনপ্রত্যাশীর নৌকাডুবি
hear-news
player
print-icon

ইতালির পথে নৌকাডুবি: বাংলাদেশিসহ নিখোঁজ ৪৩

ইতালির-পথে-নৌকাডুবি-বাংলাদেশিসহ-নিখোঁজ-৪৩
ভূমধ্যসাগরে বাংলাদেশিসহ ৪৩ অভিবাসনপ্রত্যাশী শনিবার নিখোঁজ হয়।
লিবিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জুওয়ারা শহর থেকে রওনা হওয়া নৌকাটিতে বাংলাদেশ ছাড়াও মিসর, সুদান ও ইরিত্রিয়ার নাগরিক ছিল।

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে যাওয়ার সময় এক নৌকাডুবিতে বাংলাদেশিসহ ৪৩ জন অভিবাসীপ্রত্যাশীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

লিবিয়া থেকে ছেড়ে আসা নৌকাটি তিউনিসিয়ার উপকূল হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেয়ার চেষ্টা করছিল। ডুবে যাওয়া নৌকা থেকে ৮৪ জনকে উদ্ধার করা হয়।

তিউনিসিয়ার মানবিক সহায়তাকারী সংস্থা রেড ক্রিসেন্ট শনিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এসব তথ্য জানায়।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, লিবিয়া থেকে ইতালির দিকে যাওয়ার উদ্দেশে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিচ্ছিল অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নৌকাটি। একপর্যায়ে এটি ডুবে যায়।

লিবিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জুওয়ারা শহর থেকে রওনা হওয়া নৌকাটিতে বাংলাদেশ ছাড়াও মিসর, সুদান ও ইরিত্রিয়ার নাগরিক ছিল।

গত রোববার নৌকায় করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেয়ার সময় বাংলাদেশিসহ ১৭৮ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করে তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী। এ সময় দুই অভিবাসনপ্রত্যাশীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরের দিন সোমবার তিউনিসিয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, শুক্রবার রাতে লিবিয়ার জুওয়ারা বন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়া নৌকাটিতে বাংলাদেশ, মিসর, ইরিত্রিয়া, আইভরি কোস্ট, নাইজেরিয়া, সিরিয়া ও তিউনিসিয়ার নাগরিক ছিল।

২৪ জুন আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছিল, লিবিয়া থেকে ইতালির উদ্দেশে রওনা হওয়া ২৬৭ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করে তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বেশির ভাগই বাংলাদেশি ছিল।

রেড ক্রিসেন্টের কর্মকর্তা মঙ্গি স্লিম বৃহস্পতিবার সতর্ক করে বলেন, দক্ষিণ তিউনিসিয়ার আশ্রয়কেন্দ্র অভিবাসনপ্রত্যাশীতে ভরে গেছে।

আইওএমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এক হাজারের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী ইউরোপে যাওয়ার আশায় লিবিয়া থেকে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু তিউনিসিয়ায় তাদের থামতে হয়।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) তথ্যমতে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ১১ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী লিবিয়া ছেড়ে যায়। গত বছরের প্রথম চার মাসের চেয়ে যা ৭০ শতাংশ বেশি ছিল।

জাতিসংঘের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মের মধ্যে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে অন্তত ৭৬০ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
ভূমধ্যসাগরে বাংলাদেশিসহ ১৭৮ জন উদ্ধার
বাঁচানো গেল না জোসেফকে
ভূমধ্যসাগরে ‘উসকানি’ নিয়ে তুরস্ককে সতর্কবার্তা ইইউর

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Why the miserable situation in load shedding Rizvi

লোডশেডিংয়ে দুর্বিষহ পরিস্থিতি কেন: রিজভী

লোডশেডিংয়ে দুর্বিষহ পরিস্থিতি কেন: রিজভী বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
‘বিদ্যুতের সীমাহীন ব্যর্থতার মূল কারণ ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর আত্মীয়স্বজনের বেপরোয়া লুণ্ঠন। এরা স্বদেশ ও সমাজকে এড়িয়ে আত্মীয় তোষণ করতে গিয়েই বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি দিয়ে জনগণকে শোষণ করার পথ উন্মুক্ত করেছে।’

বিদ্যুৎ খাতে গত এক যুগে উন্নয়ন হলে হঠাৎ লোডশেডিং কেন- এই প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বিএনপি নেতার অভিযোগ, ‘বিদ্যুৎ নিয়ে নানা রংচংয়ের কথা বলা হয়েছে। জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে ১৫২টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, যার বেশিরভাগই এখন অচল। ফলে লোডশেডিংয়ের ভয়াবহ ছোবলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ রাজধানীও বিপন্ন হয়ে পড়েছে।’

মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

রিজভী বলেন ‘উন্নয়নের এত যে ঢাকঢোল বাজানো হলো, তাহলে সারা দেশে লোডশেডিংয়ে দুর্বিষহ পরিস্থিতি কেন?’

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি শাসনামলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ছিল নাজুক। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ও তার জোটের বড় পরাজয়ের পেছনে যেসব কারণ কাজ করেছে, তার মধ্যে অন্যতম ছিল বিদ্যুৎ খাত নিয়ে ব্যর্থতা।

এই পাঁচ বছরে বিএনপি সরকার একটিও নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র করতে পারেনি, উল্টো এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন কার্যাদেশ বাতিল করেছে। বিদ্যুতের দাবিতে এখানে সেখানে বিক্ষোভ সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছে সেই সরকার। এমনকি বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলিও হয়েছে।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে স্বল্পমেয়াদি, দীর্ঘমেয়াদি নানা পদক্ষেপ নেয়। বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা এই সময়ে কয়েক গুণ বেড়েছে এবং এটাকে সরকার সাফল্য হিসেবে প্রচার করে আসছে।

তবে হঠাৎ করেই বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতির কারণে লোডশেডিং বেড়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ গত কয়েক বছরে লোডশেডিং শব্দটা ব্যবহার করত না। তারাই এখন লোডশেডিংয়ের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে। দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আর না কেনার কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এ জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হবে জানিয়ে তিনি দুঃখও প্রকাশ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ পরিস্থিতির এই কারণ ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ আমরা সবার ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলাম এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সবাই পাচ্ছিল। কিন্তু এখন আন্তর্জাতিক বাজারে বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে উপকরণগুলো সেগুলোর দাম অত্যধিক বৃদ্ধি পেয়ে গেছে। যেমন ডিজেলের দাম বেড়েছে, তেলের দাম বেড়েছে, এলএনজির দামসহ সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে। কয়লা এখন প্রায় পাওয়াই যায় না।’

আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে কুইকরেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র দিয়ে। বিএনপি এখনও তার সমালোচনা করে যাচ্ছে।

রিজভী বলেন, ‘বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র কুইক রেন্টাল স্থাপন করতে ভর্তুকি দিতে হয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা। এই টাকা কীভাবে খরচ হচ্ছে, সেটি নিয়ে কেউ যাতে প্রশ্ন তুলতে না পারে সে জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছে।

‘বিদ্যুতের সীমাহীন ব্যর্থতার মূল কারণ ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর আত্মীয়স্বজনের বেপরোয়া লুণ্ঠন। এরা স্বদেশ ও সমাজকে এড়িয়ে আত্মীয় তোষণ করতে গিয়েই বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি দিয়ে জনগণকে শোষণ করার পথ উন্মুক্ত করেছে।’

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার উন্নয়নের হাতির ভেতরে দাঁত যে নেই, সেটি এখন স্পষ্ট। তার উন্নয়ন যে একটা ভোজবাজি, তা এখন দৃশ্যমান। ফাঁপা উন্নয়নের তাস দিয়ে যে মানুষের মন জেতা যাবে না, সেটি তিনি বোঝার চেষ্টা করেননি। বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখন এমনই যে, যে জনপদের মধ্য দিয়ে হেঁটে যাওয়া হয় সেটিকেই মনে হয় অন্ধকার গোরস্থান।’

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন আলিফ লায়লার কাহিনিকে হার মানাবে

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের সঙ্গে আরবের রূপকথার তুলনাও করেন বিএনপি নেতা। বলেন, ‘পদ্মা সেতু উদ্বোধন নিয়ে যে কাণ্ড করা হলো তা আরব্য রজনীর আলিফ লায়লার কাহিনিকেও হার মানাবে।

‘অধিকাংশ প্রিন্ট মিডিয়ার প্রথম পাতা জুড়ে শেখ হাসিনার গুণকীর্তনের কাহিনি ছাপা হয়েছে। ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় হরদম প্রচার করা হয়েছে শেখ হাসিনার উচ্ছ্বাস।’

রিজভী বলেন, ‘পদ্মা সেতুর জাঁকজমক উদ্বোধনে শুধুমাত্র টয়লেট নির্মাণ করতেই শত শত কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। সম্প্রতি গণমাধ্যমের খবর— প্রবল বন্যায় বানভাসি মানুষের জন্য জনপ্রতি মাত্র ১৮ টাকা ও দেড় কেজি চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। এ যেন কর্মহীন অর্ধাহার-অনাহারক্লিষ্ট মানুষের প্রতি নির্মম পরিহাস।

‘এই পরিস্থিতি সরকারের অসৎ অনাচারের একটি সুনিশ্চিত ভঙ্গি। সরকারের এমন আচরণ দুঃস্বপ্নের অতীত এক অভিঘাত। সরকারের কারণেই এই বন্যা মানবতার অস্তিত্বকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।’

সারা দেশে বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের সর্বস্ব নিয়ে বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বলেও দাবি করেন বিএনপি নেতা।

আরও পড়ুন:
একজনকে বাঁচাতে গিয়ে ঝরল ২ প্রাণ
বন্ধ বিদ্যুৎকেন্দ্র, রাতে ঘুম নেই চাঁদপুরবাসীর
প্রচণ্ড লোডশেডিং হচ্ছে, এটা ভয়াবহ: ফখরুল
এত লোডশেডিং কেন, জানালেন প্রধানমন্ত্রী
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কেবল অপারেটরের মৃত্যু

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Negligence in duty 14 police members dismissed

দায়িত্বে গাফিলতি: ১৪ পুলিশ সদস‌্য বরখাস্ত

দায়িত্বে গাফিলতি: ১৪ পুলিশ সদস‌্য বরখাস্ত
‘গত ২জুন রাত ৩টা ২০ মিনিটের দিকে বিভাগীয় সদরদপ্তরের মধ্যে গ্যারেজ থেকে ইয়ামাহা এফজেড মডেলের একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় চোর খালি পায়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে ঢাকা-বরিশাল হাইওয়ে হয়ে উজিরপুর, গৌরনদী ও ভাঙা থানা অতিক্রম করেন। এখানে যাদের দায়িত্ব পালন করার কথা তারা ডিউটি পালন না করায় নির্বিঘ্নে চোরটি সব স্থান অতিক্রম করতে সক্ষম হয়।’

রাতের বেলায় দায়িত্ব পালনে গাফলতির অভিযোগে বরিশালের গৌরনদী ও উজিরপুর থানার ১৪ পুলিশ সদস‌্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

৩ জুলাই তাদের সাময়িক বরখাস্ত করে বিভাগীয় মামলার নির্দেশ দেয়া হলেও মঙ্গলবার বিষয়টি জানা যায়।

সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামান।

বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন, গৌরনদী থানার এসআই আব্দুল গাফফার হোসেন, এসআই ছগির মিয়া, এএসআই সোহরাব হোসেন, কনস্টেবল ইকবাল, কনস্টেবল কামাল, কনস্টেবল আবদুল হক রানা, কনস্টেবল মুরছালিন, কনস্টেবল নয়ন, কনস্টেবল অমৃত, কনস্টেবল মেহেদী, উজিরপুর থানার এসআই মো. জিয়াউল হায়দার, কনস্টেবল রবিউল ইসলাম, কনস্টেবল সোহেল রানা ও কনস্টেবল ইমরান হোসেন।

ডিআইজি আকতারুজ্জামান বলেন, ‘গত ২জুন রাত ৩টা ২০ মিনিটের দিকে বিভাগীয় সদরদপ্তরের মধ্যে গ্যারেজ থেকে ইয়ামাহা এফজেড মডেলের একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় চোর খালি পায়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে ঢাকা-বরিশাল হাইওয়ে হয়ে উজিরপুর, গৌরনদী ও ভাঙা থানা অতিক্রম করেন।

‘এখানে যাদের দায়িত্ব পালন করার কথা তারা ডিউটি পালন না করায় নির্বিঘ্নে চোরটি সব স্থান অতিক্রম করতে সক্ষম হয়। আমরা মনে করি এখানে যাদের ডিউটি পালন করার কথা তাদের গাফলতির কারণেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এই কারণে চুরির জন্য কর্তব্য পালনে গাফলতি থাকায় তাদের সাময়িক বরখাস্ত ও বিভাগীয় মামলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
পুলিশের সঙ্গে ‘গোলাগুলি’, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৪
মহানগরে কমিশনারসহ পুলিশের ৩১ পদে রদবদল
মাদকবিরোধী অভিযানে হামলায় কনস্টেবল আহত
চাকরি গেল প্রাথমিকের ঢাকার উপপরিচালকের
এসআই পদে নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
DNCC will remove the waste of sacrifice in 12 hours

১২ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য সরাবে ডিএনসিসি

১২ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য সরাবে ডিএনসিসি কোরবানির বর্জ্য ১২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কর্মীরা প্রতিদিনের বর্জ্য প্রতিদিন অপসারণ করছে। তাই কোরবানির বর্জ্য সরাতে ২৪ ঘণ্টা নয়, ১২ ঘণ্টার বেশি সময় লাগবে না। আমাদের পর্যাপ্ত লোকবল আছে। বর্জ্য অপসারণে যুক্ত সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন এলাকায় কোরবানির বর্জ্য ১২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

রাজধানীর গুলশানস্থ নগরভবনে মঙ্গলবার দুপুরে ডিএনসিসির ১৪তম সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, ‘আমাদের কর্মীরা প্রতিদিনের বর্জ্য প্রতিদিন অপসারণ করছে। তাই কোরবানির বর্জ্য সরাতে ২৪ ঘণ্টা নয়, ১২ ঘণ্টার বেশি সময় লাগবে না। আমাদের পর্যাপ্ত লোকবল আছে। বর্জ্য অপসারণে যুক্ত সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। বেশ কিছু ওয়ার্ডে কোরবানির জায়গাও নির্ধারণ করা আছে।’

কোরবানির পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে কাউন্সিলর এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগকে কঠোর নির্দেশনা দেন মেয়র আতিক।

তিনি বলেন, ‘পশুর হাটে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঢুকতে হবে। মাস্ক ছাড়া কেউ হাটে ঢুকতে পারবে না। ছয়টি পশুর হাটে ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ স্থাপন করা হয়েছে। ডিজিটাল পেমেন্টের সুযোগ থাকায় ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা খুব খুশি।

‘নিরপাদ ও সহজ লেনদেন, তাৎক্ষনিক ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুযোগ, ২৪ ঘণ্টা ব্যাংকিং সুবিধা এবং ছিনতাই, মলম পার্টির খপ্পর থেকে রক্ষায় স্মার্ট হাট চমৎকার উদ্যোগ।’

ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিকের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল হামিদ মিয়া, বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
এবার স্মার্ট পশুর হাট, রিকশায় ডিজিটাল নম্বর প্লেট
এডিসের লার্ভা পেলেই ব্যবস্থা: আতিক

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
While trying to save one person two lives were electrocuted

একজনকে বাঁচাতে গিয়ে ঝরল ২ প্রাণ

একজনকে বাঁচাতে গিয়ে ঝরল ২ প্রাণ প্রতীকী ছবি
দুপুরের গোসল শেষে কাপড় শুকাতে গিয়ে পাশে ঝুলে থাকা বৈদ্যুতিক আউট লাইনের তারে হাত লাগলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন শামীম। তাকে ছাড়াতে যান ঘেরের বাসায় থাকা কর্মচারী আলম গাজী। শামীমের গায়ে হাত দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।

ভেজা কাপড় শুকাতে দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই ঘের কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে।

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার মাড়িয়ালা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সাতক্ষীরা সদরের মোফাজ্জল হোসেনের ঘেরের বাসায় মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ৩৫ বছরের শামীম বয়স, তিনি আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের বৈকরঝটি গ্রামের বাসিন্দা। ২৫ বছরের আলম গাজী, তিনি আশাশুনি সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরের গোসল শেষে কাপড় শুকাতে গিয়ে পাশে ঝুলে থাকা বৈদ্যুতিক আউট লাইনের তারে হাত লাগলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন শামীম। তাকে ছাড়াতে যান ঘেরের বাসায় থাকা কর্মচারী আলম গাজী। শামীমের গায়ে হাত দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।

ঘেরের বাসায় থাকা অন্য একজন কর্মচারী স্থানীয়দের সহযোগিতায় ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিউজ বাংলাকে নিশ্চিত করে জানান, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করেছে। পুলিশ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন:
মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
সাইনবোর্ড সরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ মৃত্যু
বাড়িতে জলাবদ্ধতা, বিদ্যুতায়িত হয়ে দুজনের মৃত্যু
একজনকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুজনের মৃত্যু
দোকানের আগুন নেভাতে গিয়ে প্রাণ গেল চালকের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Five tickets from Kamalapur were seized by the black market

কমলাপুর থেকে পাঁচ টিকিট কালোবাজারি আটক

কমলাপুর থেকে পাঁচ টিকিট কালোবাজারি আটক ট্রেনের টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে আটক পাঁচ জন। ছবি: সংগৃহীত
বীনা রানী জানান, ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিটের বিপুল চাহিদা থাকে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আটকরা দীর্ঘদিন যাবৎ ঈদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আগে অল্প দামে টিকিট কিনতেন। এরপর টিকিট প্রত্যাশীদের কাছে সেগুলো বেশি দামে বিক্রি করতেন।

রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে পাঁচ জনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৩)।

আটকেরা হলেন- লিটন মিয়া, মো. শাহ আলম, মো. ইরান, মো. আবু তাহের ও জাহিদুর রহমান শাকিব।

বেশি দামে ট্রেনের টিকিট বিক্রির সময় সোমবার রাতে তাদের কমলাপুর স্টেশন থেকে আটক করা হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে পাঁচ জনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৩ এর সহকারী পরিচালক বীনা রানী দাস।

তিনি জানান, আটকদের কাছ থেকে চারটি ট্রেনের টিকিট, পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৬ হাজার ৯২৭ টাকা জব্দ করা হয়।

বীনা রানী জানান, তারা সংঘবদ্ধ টিকিট কালোবাজারি চক্রের সদস্য। ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিটের বিপুল চাহিদা থাকে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তারা দীর্ঘদিন যাবৎ ঈদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আগে অল্প দামে টিকিট কিনতেন। এরপর টিকিট প্রত্যাশীদের কাছে সেগুলো বেশি দামে বিক্রি করতেন।

আরও পড়ুন:
অনলাইনে টিকিট না পেয়ে কাউন্টারে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
10 years after the murder of Taiz 3 people were sentenced to life imprisonment

তাইজ হত্যার ১০ বছর পর ৩ জনের যাবজ্জীবন

তাইজ হত্যার ১০ বছর পর ৩ জনের যাবজ্জীবন
দণ্ডিতরা হলেন, অহিদ মিয়া, মোবারক হোসেন ও মজনু মিয়া। তারা ত্রিশাল উপজেলার কোনাবাড়ী ও সাখুয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিন জনের মধ্যে মোবারক পলাতক রয়েছেন।

১০ বছর পর ময়মনসিংহের ত্রিশালের তাইজ উদ্দিন হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

ময়মনসিংহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হেলাল উদ্দিন মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় দেন।

দণ্ডিতরা হলেন, অহিদ মিয়া, মোবারক হোসেন ও মজনু মিয়া। তারা ত্রিশাল উপজেলার কোনাবাড়ী ও সাখুয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিন জনের মধ্যে মোবারক পলাতক রয়েছেন।

নিউজবাংলাকে এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এপিপি মো. কবির উদ্দিন ভূইয়া।

তিনি জানান, ২০১২ সালের ১১ আগস্ট ত্রিশাল উপজেলার কোনাবাড়ী নদীরপাড় এলাকা থেকে তাইজ উদ্দিন নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে তাইজের বাবা নূরুল ইসলাম ত্রিশাল থানায় হত্যা মামলা করেন।

অ্যাডভোকেট কবির বলেন, ওই মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দশ হাজার টাকা করে অর্থ দণ্ড দেয়। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বিচারকের নির্দেশে অহিদ মিয়া ও মজনু মিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
কৃষক হত্যায় যাবজ্জীবন
স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
গৃহবধূ হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন, সতিন খালাস
ছিনতাই মামলায় তিন আসামির বিভিন্ন মেয়াদে সাজা
শ্রমিক হত্যায় একজনের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The people of Chandpur do not sleep at night when the power plant is closed

বন্ধ বিদ্যুৎকেন্দ্র, রাতে ঘুম নেই চাঁদপুরবাসীর

বন্ধ বিদ্যুৎকেন্দ্র, রাতে ঘুম নেই চাঁদপুরবাসীর ১৫০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে বর্তমানে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
গ্যাসের সমস্যা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত এমন অবস্থা থাকবে বলে জানান চাঁদপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান।

বেড়েছে গরম। এর মধ্যেই দফায় দফায় লোডশেডিং। এ অবস্থায় রাতের বেলায় ঘুমানোই কঠিন হয়ে পড়েছে চাঁদপুরবাসীর। চাঁদপুর শহর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় খোঁজ নিয়ে এমন পরিস্থিতির কথা জানা গেছে।

গত কয়েক দিনের লোডশেডিংয়ে চাঁদপুরের জনজীবন অতিষ্ঠ হওয়া ছাড়াও ব্যাহত হচ্ছে অফিস, ব্যাংক-বীমা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম। পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে শিক্ষার্থীদের।

চাঁদপুর শহরের মাদ্রসা রোড এলাকার শিক্ষার্থী শারমিন আক্তার ও মাহিম বলেন, ‘দুদিন ধরে ঘন ঘন বিদ্যুৎ যাচ্ছে। এতে আমরা পড়াশোনা করতে পারছি না। প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় ঘরেও বসে থাকা যাচ্ছে না। বিশেষ করে, রাতে লোডশেডিং বেশি হওয়ায় ঘুমানোই যাচ্ছে না। আমরা এই সমস্যার নিরসন চাই।’

শহরের নাজির পাড়া এলাকার ব্যবসায়ী মামুন তালুকদার বলেন, ‘একবার বিদ্যুৎ গেলে ২-৩ ঘণ্টার মধ্যেও আসে না। কিন্তু আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বিদ্যুৎ ছাড়া চালানো সম্ভব না। লোকজন এসে ফিরে যাচ্ছে।’

মামুন জানান, লোডশেডিংয়ে বাসা বাড়িতে বয়স্ক ও ছোট শিশুদেরই বেশি সমস্যা হচ্ছে। একবার বিদ্যুৎ গেলে তাদেরকে ঘরে আটকে রাখা কষ্ট হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, চাঁদপুর শহরে অবস্থিত ১৫০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ থাকাই এই অঞ্চলে লোডশেডিং বাড়ার অন্যতম কারণ। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে এটি। যদিও ডাকাতিয়ার অপর প্রান্তে ইচলী এলাকার ‘চাঁদপুর পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড’ নামে একটি প্রাইভেট বিদ্যুৎকেন্দ্রে অল্প পরিসরে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। তবে তা সীমিত।

পর্যবেক্ষণ বলছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদ্যুৎ সংকট এত প্রকট ছিল না চাঁদপুরে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড চাহিদার ৬০-৭০ ভাগ সরবরাহ পেলেও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি পাচ্ছে অর্ধেকের মতো। তাই গত তিন দিন ধরে বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়া লক্ষ্য করা গেলেও সহসা এই সমস্যা থেকে উত্তরণের কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারেনি স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগ।

চাঁদপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, ‘উৎপাদন সমস্যার কারণে সারা দেশেই বিদ্যুৎ সল্পতা আছে। চাঁদপুরে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন এলাকায় প্রতিদিন দিনের বেলায় ১৮ মেগাওয়াট ও রাতে ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা। জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ কম পাওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে লোডশেডিং হচ্ছে। বর্তমানে দিনে ১২ মেগাওয়াট আর রাতে ১৪ মেগাওয়াট দেয়া হচ্ছে।’

গ্যাসের সমস্যা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত এমন অবস্থা থাকবে বলে জানান মিজানুর রহমান।

আরও পড়ুন:
প্রচণ্ড লোডশেডিং হচ্ছে, এটা ভয়াবহ: ফখরুল
এত লোডশেডিং কেন, জানালেন প্রধানমন্ত্রী
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কেবল অপারেটরের মৃত্যু
বিদ্যুৎ আসার অপেক্ষা আর যাওয়ার আতঙ্ক রাজশাহীতে
চাহিদার অর্ধেক সরবরাহে বারবার বিদ্যুৎ যাচ্ছে বগুড়ায়

মন্তব্য

p
উপরে