কানাডায় দাবানলে পুড়ে ছাই আস্ত গ্রাম

কানাডায় দাবানলে পুড়ে ছাই আস্ত গ্রাম

২৪ ঘণ্টায় ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় অন্তত ৬২টি জায়গায় নতুন করে আগুন লেগেছে। ছবি: এএফপি

মাত্র ১৫ মিনিটে পুরো গ্রাম গ্রাস করে নেয় আগুন। লাইটনের মেয়র জ্যান পোল্ডারম্যান বলেন, ‘নিজের জীবন নিয়ে বের হতে পেরেছি, এই অনেক। লাইটনের প্রায় কিছুই অক্ষত নেই। সবটা আগুনে পুড়েছে।’

দাবানলে পুড়ছে কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৬২টি জায়গায় নতুন করে আগুন লেগেছে।

ঘণ্টায় ৭১ কিলোমিটার বাতাস আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে আগুন। ক্রমে তা ছড়িয়ে পড়ছে উত্তরাঞ্চলে।

পুড়ে গেছে লাইটন গ্রামের ৯০ শতাংশ। এর আগে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয় গ্রামটিতে।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মাত্র ১৫ মিনিটে পুরো গ্রাম গ্রাস করে নেয় আগুন।

লাইটনের মেয়র জ্যান পোল্ডারম্যান বলেন, ‘নিজের জীবন নিয়ে বের হতে পেরেছি, এই অনেক। লাইটনের প্রায় কিছুই অক্ষত নেই। সবটা আগুনে পুড়েছে।’

টানা তৃতীয় দিনের মতো গত মঙ্গলবার রেকর্ড সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সাক্ষী হয় কানাডা। ভ্যানকুভার থেকে ২৫০ কিলোমিটার পূর্বের লাইটনে তাপমাত্রা সেদিন সর্বোচ্চ ১২১ দশমিক ২৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৪৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়।

দাবানলের আশঙ্কায় স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় গ্রামটি থেকে ২৫০ বাসিন্দাকে সরিয়ে নেয় প্রশাসন।

শীতল আবহাওয়ার কানাডায় শেষবার তাপমাত্রার পারদ ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছিল ৮৪ বছর আগে, ১৯৩৭ সালে সাসকাচোয়ান প্রদেশে।

অস্বাভাবিক গরমে গত শুক্রবার থেকে পাঁচ দিনে ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় প্রাণ গেছে ৪৮৬ জনের, যা স্বাভাবিক সময়ের প্রায় তিন গুণ।

বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে ফ্রান্স টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার পাশাপাশি ওন্টারিওর উত্তরাঞ্চল, অ্যালবার্টা, সাসকাচোয়ান, মানিটোবা ও উত্তর-পশ্চিমের অঞ্চলগুলোতে জরুরি সতর্কাবস্থা জারি করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রতিবেশী যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ও অরিগন রাজ্য আর সীমান্ত এলাকায় চলতি সপ্তাহে তীব্র দাবদাহ চলছে। প্রাণ গেছে অর্ধশতাধিক মানুষের।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডায় দাবদাহে ৫ দিনে ৫৪৯ মৃত্যু
কানাডায় দাবদাহে ৫ দিনে ১৩৪ মৃত্যু
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডায় দাবদাহ

শেয়ার করুন

মন্তব্য