বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অ্যাপল ডেইলি

বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অ্যাপল ডেইলি

কয়েক দিনের মধ্যে বন্ধ হয়ে যেতে পারে হংকংয়ের জনপ্রিয় ট্যাবলয়েড অ্যাপল ডেইলি। ছবি: এএফপি

পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা জিমি লাইয়ের উপদেষ্টা মার্ক সাইমন বলেন, ‘পত্রিকার দোকানে এখনও অ্যাপল ডেইলি পাওয়া যাচ্ছে। তবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ওপর স্থগিতাদেশ না তোলা হলে কয়েক দিন পর ওই সব দোকানে অ্যাপল ডেইলি পাওয়া যাবে না।’

আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বন্ধ হয়ে যেতে পারে হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থিদের কাছে জনপ্রিয় ট্যাবলয়েড পত্রিকা অ্যাপল ডেইলি।

পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ‘মিডিয়া মোগল’ জিমি লাইয়ের এক উপদেষ্টা সোমবার এমনটাই বলেছেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

গত সপ্তাহে অ্যাপল ডেইলির সঙ্গে যুক্ত তিনটি প্রতিষ্ঠানের ২৩ লাখ ডলার মূল্যের সম্পদ স্থগিত করে হংকং কর্তৃপক্ষ।

কারাবন্দি জিমি লাইয়ের উপদেষ্টা মার্ক সাইমন বিবিসিকে বলেন, কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সক্রিয় নেই। এ অবস্থায় পত্রিকাটি কিছুই করতে পারছে না।

সাইমন বলেন, ‘হাতে টাকা না থাকলে কোনো কিছু করা দুরূহ হয়ে পড়ে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, অর্থ সংকটের সময় কর্মীদের বেতন দেয়ার অঙ্গীকার করা যায় না। হংকংয়ে এটি বেআইনি।’

তিনি বলেন, ‘পত্রিকার দোকানে এখনও অ্যাপল ডেইলি পাওয়া যাচ্ছে। তবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ওপর স্থগিতাদেশ না তোলা হলে কয়েক দিন পর ওই সব দোকানে অ্যাপল ডেইলি পাওয়া যাবে না।’

পত্রিকার ভবিষ্যৎ নিয়ে সোমবার বোর্ড মিটিংয়ে বসছে এটির প্রকাশক নেক্সট ডিজিটাল।

জনপ্রিয় পত্রিকা অ্যাপল ডেইলি প্রায়ই হংকং ও চীনের নেতৃত্বের সমালোচনমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

গত বৃহস্পতিবার হংকংয়ে অ্যাপল ডেইলির অফিসে অভিযান চালায় প্রায় ৫০০ পুলিশ। তাদের ভাষ্য ছিল, পত্রিকার প্রতিবেদনগুলো জাতীয় নিরাপত্তা আইন ভঙ্গ করেছে।

ওই সময় পত্রিকার সম্পাদকসহ পাঁচ নির্বাহীকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই সঙ্গে অ্যাপল ডেইলি লিমিটেড, অ্যাপল ডেইলি প্রিন্টিং লিমিটেড ও এডি ইন্টারনেট লিমিটেড নামে অ্যাপল ডেইলি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত তিন প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ফ্রিজ করা হয়।

অনলাইনে অ্যাপল ডেইলির প্রকাশ করা ছবিতে দেখা যায়, পত্রিকা অফিসে প্রতিবেদকদের ব্যবহার করা কম্পিউটার ঘাঁটাঘাঁটি করছে পুলিশ।

পুলিশের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়, তল্লাশি ও সাংবাদিকতা-সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা ওয়ারেন্টে উল্লেখ রয়েছে।

পরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ জানায়, ২০১৯ সাল থেকে বিভিন্ন দেশের প্রতি হংকং ও চীনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান-সংক্রান্ত ৩০টির বেশি নিবন্ধ ছাপিয়েছে অ্যাপল ডেইলি।

পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা জিমি লাই সরকারবিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশে যোগদানসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগে এ মুহূর্তে জেল খাটছেন।

আরও পড়ুন:
হংকংয়ের মিডিয়া টাইকুন লাইয়ের ফের কারাদণ্ড
হংকংয়ে ‘দেশপ্রেম আইন’ পাস
হংকংয়ে গণতন্ত্রকামীদের ধরপাকড়, যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা
হংকংয়ের আইনপ্রণেতাদের গণপদত্যাগ
চীনের প্রস্তাবে অযোগ্য ঘোষিত হংকংয়ের ৪ আইনপ্রণেতা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বিশ্বের সবচেয়ে ‘মেধাবীদের’ ১ জন নাতাশা

বিশ্বের সবচেয়ে ‘মেধাবীদের’ ১ জন নাতাশা

প্রতীকী ছবি

ভারতীয়-আমেরিকান নাতাশা পেরি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির থেলমা এল স্যান্ডমায়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। পেরি তার দক্ষতার মাধ্যমে এই অসামান্য সম্মান অর্জন করেছে।

নাতাশা পেরি, ১১ বছরের এই শিশু ভারতীয়-আমেরিকান। এখন সে বিশ্বের সবচেয়ে ‘মেধাবীদের’ একজন।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় দুটি মানের পরীক্ষা এসএটি ও এসিটি নেয়ার পর এই ঘোষণা দিয়েছে।

স্কলাসটিক অ্যাসেসমেন্ট টেস্ট (এসএটি) এবং আমেরিকান কলেজ টেস্টিং (এসিটি) হচ্ছে এমন একটি স্ট্যান্ডার্ড বা মান যা নিয়ে যাচাই করা হয়, কোনো কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে কিনা।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে কিছু কোম্পানি ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এই পরীক্ষার নম্বরের ওপর ভিত্তি করে বৃত্তিও প্রদান করে।

দেশটিতে সব কলেজে এসএটি এবং এসিটি পরীক্ষা নিতে হয়, পরীক্ষায় পাওয়া নম্বর জমা দিতে হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে।

নাতাশা পেরি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির থেলমা এল স্যান্ডমায়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। পেরি তার দক্ষতার মাধ্যমে এই অসামান্য সম্মান অর্জন করেছে।

এক বিবৃতিতে সোমবার জানানো হয়, জন হপকিনস সেন্টার ফর ট্যালেন্টেড ইয়ুথ ট্যালেন্ট (সিটিওয়াই) ব্যতিক্রমী দক্ষতার এমন শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করতে এসএটি, এসিটি অথবা সমমানের পরীক্ষা নেয়।

সিটিওয়াই-এর ২০২০-২১ সালের সেরা ‘মেধাবী’ খুঁজে বের করার সেই পরীক্ষায় ৮৪ দেশের ১৯ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে পেরি একজন।

সিটিওয়াই বিশ্বব্যাপী ‘মেধাবী’ শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করতে এবং তাদের প্রকৃত একাডেমিক দক্ষতার একটি পরিষ্কার চিত্র তুলে ধরতে উচ্চ স্তরের এই পরীক্ষা নেয়।

পেরি জন হপকিনসের এই মেধাবীদের খুঁজে বের করা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় বসন্ত ২০২১ সেশনে। এটা ছিল পঞ্চম স্তরের পরীক্ষা। সেখানে পেরি মৌখিক ও কোয়ান্টিটিভ সেকশনে ৯০ শতাংশ নম্বর পেয়েছে, যা আরও উন্নত বা অষ্টম লেভেলের সমান।

এরপর পেরি জন হপকিনসের সিটিওয়াই-এর ‘হাই অনার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করে।

পেরি বলে, ‘এটি আমাকে আরও বেশি কিছু করতে অনুপ্রাণিত করবে।’

ডুডলিং ও জে আর আর টোলকিনের উপন্যাস পড়া তার জন্যে এমন কাজে আরও বেশি ফল দিয়েছে বলেও যুক্ত করে পেরি।

সিটিওয়াই মেধাবী খোঁজার সেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ২০ শতাংশের কম উত্তীর্ণ হয়ে ‘হাই অনার অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে।

আরও পড়ুন:
হংকংয়ের মিডিয়া টাইকুন লাইয়ের ফের কারাদণ্ড
হংকংয়ে ‘দেশপ্রেম আইন’ পাস
হংকংয়ে গণতন্ত্রকামীদের ধরপাকড়, যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা
হংকংয়ের আইনপ্রণেতাদের গণপদত্যাগ
চীনের প্রস্তাবে অযোগ্য ঘোষিত হংকংয়ের ৪ আইনপ্রণেতা

শেয়ার করুন

বিজেপি-আরএসএসের বিরুদ্ধে ঐক্য চান রাহুল

বিজেপি-আরএসএসের বিরুদ্ধে ঐক্য চান রাহুল

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। ছবি: সংগৃহীত

বিরোধী ঐক্যের বার্তা দিয়ে বৈঠকে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘বিজেপি-আরএসএসের বিরুদ্ধে লড়াই সংগঠিত করতে হবে। প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর রোধ করতে পারবে না যদি বিরোধীরা সংঘবদ্ধ থাকে।’

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বিরোধী ঐক্য এখন সময়ের আহ্বান। বিরোধী দলগুলো যত বেশি ঐক্যবদ্ধ হবে, ততই প্রতিরোধী কণ্ঠকে দমন করা কঠিন হবে।

দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে মঙ্গলবার সকালে বিরোধী দলের সাংসদদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ বৈঠক করেন রাহুল গান্ধী। সেই বৈঠকেই তিনি বিরোধী ঐক্যের আহ্বান জানান।

বিজেপির উপর চাপ বাড়াতে মক বা নকল পার্লামেন্টের রণকৌশল সাজাচ্ছে বিরোধীরা। এদিন রাহুল গান্ধীর আমন্ত্রণে প্রাতঃরাশ বৈঠকে ছিলেন ১৭টি বিরোধী দলের সংসদীয় নেতারা।

তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বৈঠকে ছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্ররা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আরজেডি, সমাজবাদী পার্টি, এনসিপি, শিবসেনা, সিপিআইএম, সিপিআই, আইইউএমএল, আরএসপি, ন্যাশনাল কনফারেন্স ও কেরালা কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা।

বিরোধী ঐক্যের বার্তা দিয়ে বৈঠকে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘বিজেপি-আরএসএসের বিরুদ্ধে লড়াই সংগঠিত করতে হবে। প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর রোধ করতে পারবে না যদি বিরোধীরা সংঘবদ্ধ থাকে।’

এই মুহূর্তে বিরোধী ঐক্য সবচেয়ে ‘জরুরি’ বলে বৈঠকে বার্তা দেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল।

বৈঠকে পেগাসাস কেলেঙ্কারি, পেট্রোপণ্যের দামবৃদ্ধি থেকে শুরু করে কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আরও সরব হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধীরা।

বিরোধীদলগুলোর বৈঠক শেষে পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী সাংসদরা সাইকেল চালিয়ে সংসদ ভবনে যান।

এদিকে, পেগাসাস কেলেঙ্কারিতে কড়া অবস্থান নিয়েছে তৃণমূল। লোকসভা ও রাজ্যসভায় মুলতবি প্রস্তাবের নোটিস জমা দিয়েছে তৃণমূল। রাজ্যসভায় মুলতবি প্রস্তাব জমা দেন তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়। লোকসভায় প্রস্তাব জমা দেন তৃণমূলের দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন:
হংকংয়ের মিডিয়া টাইকুন লাইয়ের ফের কারাদণ্ড
হংকংয়ে ‘দেশপ্রেম আইন’ পাস
হংকংয়ে গণতন্ত্রকামীদের ধরপাকড়, যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা
হংকংয়ের আইনপ্রণেতাদের গণপদত্যাগ
চীনের প্রস্তাবে অযোগ্য ঘোষিত হংকংয়ের ৪ আইনপ্রণেতা

শেয়ার করুন

সিকিউরিটি গার্ড থেকে ব্যাংক কর্মকর্তা যেভাবে

সিকিউরিটি গার্ড থেকে ব্যাংক কর্মকর্তা যেভাবে

নাইজেরিয়ায় ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মী থেকে কর্মকর্তা হওয়া ইদ্রিসের সঙ্গে আরেক কর্মকর্তা বাবালোলা। ছবি: ফেসবুক

ব্যাংক কর্মকর্তা বাবালোলা লেখেন, ‘আমি দুটি ছবি দিয়েছি, এর একটি ইদ্রিসের ব্যাংকে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে ছিল শেষ দিন। দিনটি ছিল শুক্রবার। পরের আরেকটি ছবি, যেটি সোমবার তোলা; সেদিন ইদ্রিস কর্মকর্তা হিসেবে ওই একই শাখায় যোগ দিয়েছেন।’

কয়েক দিন থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, টুইটারসহ আরও কিছু মাধ্যমে একটি খবর শেয়ার হতে দেখা যাচ্ছে।

নাইজেরিয়ার এক ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মী সেই ব্যাংকের কর্মকর্তা হয়েছেন। বিষয়টিকে খুব ইতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা নানা ধরনের অনুপ্রেরণামূলক কথা লিখছেন।

দেশে বিষয়টি হঠাৎ করেই ভাইরাল হয়েছে। মাধ্যমগুলোতে বিষয়টি শেয়ার করা ব্যক্তিরা ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মীর ভাগ্য কীভাবে মুহূর্তেই পরিবর্তন হয়েছে কঠোর পরিশ্রম আর অধ্যবসায়ে সেটি বলতেও ভুলছেন না।

ভাইরাল হওয়া ছবি ও কনটেন্টের সত্যতা জানার চেষ্টা করে নিউজবাংলা। ইন্টারনেটের সহায়তায় বেশ কিছু নিউজ লিংক পাওয়া যায় ঘটনাটির।

আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ার সেই ঘটনা বর্ণনা করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের আরেক কর্মকর্তা। আইয়োমাইড বাবালোলা মি নামের ওই কর্মকর্তা ফেসবুকে ঘটনাটি জানান।

নাইজেরিয়ার নিউজপোর্টাল নেপচুনপ্রাইম ডটকমে ২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর বিষয়টি নিয়ে একটি খবর প্রকাশ হয়।

সেখানে বাবলোলা লেখেন, নিরাপত্তাকর্মী ইদ্রিস তাকে বলেছিলেন তার ওএনডি সার্টিফিকেট রয়েছে।

বাবলোলা বলেন, ‘নিরাপত্তাকর্মী তার চাকরির নিশ্চয়তা চাচ্ছিলেন। সে জন্য ব্যাংকের কর্মকর্তার খালি পদে নিয়োগের ব্যাপারে তাকে আমি সহায়তা করার কথা জানাই। এরপর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নেয়া হয়।‘

পরের এক সপ্তাহের ঘটনা বর্ণনা করেন বাবালোলা। তিনি লেখেন, ‘এক সপ্তাহের ঘটনা পুরোটাই অলৌকিক মনে হবে।’

এরপর এক সপ্তাহের ঘটনা তিনি শেয়ার করেন।

‘২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে আমি এক্সওয়াইজেড শাখায় কাজ শুরু করি। আমি সেদিন থেকেই ইদ্রিসকে লক্ষ্য করে আসছি।

‘আপনি কখনোই তার স্মার্টনেসকে এবং তার সেনাসদস্যের মতো গ্রাহক ও কমকর্তাদের স্যালুট দেয়াকে হেলা করতে পারবেন না।’

কয়েক মাস পরে ইদ্রিস আমাকে অনুরোধ করেন তার কিছু কথা শোনার। তিনি বলেন, ‘আমার ওএনডি সার্টিফিকেট রয়েছে এবং আমি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিগ্রি নেয়ার জন্য পার্টটাইম পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছি।

‘আমি তার কথা শুনে খুব অভিভূত হই এবং তাকে উৎসাহিত করি।’

‘২০১৯ সালের ডিসেম্বরে আমাদের এক কর্মকর্তার পদন্নোতি হয় এবং অন্য স্থানে বদলি হন। এরপর সেই পদ খালি হলে ইদ্রিস আমাকে এসে তার আগ্রহের কথা জানান। সেই পদের জন্য তিনি যোগ্য বলেও জানান। আমার অন্যতম লক্ষ্য ছিল একটি ভালো দল তৈরি করা।

‘এরপর থেকে আমি এই শাখার সব নিরাপত্তাকর্মীর সেশন নেয়া শুরু করি। তাদের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানাই। এতে তারা আরও স্মার্ট হয়ে ওঠেন এবং আমরা আমাদের কেপিআই পূরণ করতে সক্ষম হই।’

বাবালোলা বলেন, ‘এরপর আমাদের শাখায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়, সেখানে ইদ্রিস আবেদন করেন। প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষাও নেয়া হয়। তারপর মৌখিক পরীক্ষা। সবই করা হয় এক সপ্তাহের মধ্যে। সেখানে ইদ্রিস প্রথম স্থান লাভ করেন।

‘আমি দুটি ছবি দিয়েছি, এর একটি ইদ্রিসের ব্যাংকে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে ছিল শেষ দিন। দিনটি ছিল শুক্রবার। পরের আরেকটি ছবি, যেটি সোমবার তোলা; সেদিন ইদ্রিস কর্মকর্তা হিসেবে ওই একই শাখায় যোগ দিয়েছেন।’

এই ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২০ সালের জানুয়ারিতে। এর কিছুদিন পর বাবালোলাকে সেই ব্যাংক থেকে অন্য আরেক শাখায় বদলি করা হয়।

বাবালোলা লেখেন, ‘ইদ্রিস, আপনি কোথায় ছিলেন সেটি বড় কথা নয়, আপনি এখন কোথায় সেটি দেখুন।

‘আমি সব সময় বলি, সফলতা হচ্ছে যেখানে আপনার প্রস্তুতি এবং সুযোগ এক হয়ে যায়।

‘আশা করছি আমাদের দেখা হবে আরও শীর্ষ অবস্থানে।’

আরও পড়ুন:
হংকংয়ের মিডিয়া টাইকুন লাইয়ের ফের কারাদণ্ড
হংকংয়ে ‘দেশপ্রেম আইন’ পাস
হংকংয়ে গণতন্ত্রকামীদের ধরপাকড়, যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা
হংকংয়ের আইনপ্রণেতাদের গণপদত্যাগ
চীনের প্রস্তাবে অযোগ্য ঘোষিত হংকংয়ের ৪ আইনপ্রণেতা

শেয়ার করুন

আফগান সরকারে হতাশ পাকিস্তান, আলোচনা বাতিল

আফগান সরকারে হতাশ পাকিস্তান, আলোচনা বাতিল

প্রতিবেশী রাষ্ট্রের শীর্ষ রাজনীতিকদের নিয়ে শান্তি আলোচনা আয়োজনের পরিকল্পনা করেছিল ইসলামাবাদ। ১৭ থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত এ আলোচনা হওয়ার কথা ছিল।

আফগানিস্তান সংকটের রাজনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে দেশটির শীর্ষ রাজনীতিকদের আলোচনার টেবিলে বসাতে চেয়েছিল পাকিস্তান। তবে আফগান সরকারের আচরণে হতাশ হয়ে সে পরিকল্পনা বাতিল করেছে ইসলামাবাদ।

নীরবেই এ উদ্যোগ থেকে সরে দাঁড়ানোর খবর পাকিস্তানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সোমবার নিশ্চিত করেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ডন।

ডনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের শীর্ষ রাজনীতিকদের নিয়ে শান্তি আলোচনা আয়োজনের পরিকল্পনা করেছিল ইসলামাবাদ। ১৭ থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত এ আলোচনা হওয়ার কথা ছিল।

আফগানিস্তানের সাবেক প্রধান নির্বাহী আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহসহ ২১ জন শীর্ষ নেতাকে আলোচনায় অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানায় পাকিস্তান সরকার। আমন্ত্রণ গ্রহণও করেন অনেকে।

তবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি সশস্ত্র গোষ্ঠী তালেবানকে।

শেষ মুহূর্তে অনেকের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করা এবং আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির সমালোচনার কারণে পরিকল্পনা স্থগিত হয়। উজবেকিস্তানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে এক বৈঠকে আফগান প্রেসিডেন্ট আলোচনাটি বাতিলের অনুরোধ করেন বলেও জানিয়েছে ডন।

প্রাথমিকভাবে আলোচনা স্থগিতের কথা জানিয়েছিল প্রশাসন। কারণ হিসেবে একই সময়ে কাতারের রাজধানী দোহায় তালেবানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আফগান নেতাদের বৈঠকের কথা বলা হয়েছিল। একই সঙ্গে আফগানিস্তানের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সমঝোতা গড়ে তুলতে সহযোগিতার জন্য আফগান নেতাদের প্রত্যাশার কথাও শুনতে চেয়েছিল ইসলামাবাদ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাকিস্তানি এক কর্মকর্তা ডনকে বলেন, ‘পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেছেন অনেক আফগান নেতা। তাদের একেকজনের দাবি একেক রকম। আমরা ভেবেছিলাম যে তাদের সাধারণ চাওয়াগুলোকে এক করে একটি লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়ক হতে পারে এ সম্মেলন।’

কিন্তু সে প্রচেষ্টা ভেস্তে যাওয়ার পর আফগানিস্তান ইস্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে একটি আঞ্চলিক সম্মেলনের বিষয়ে ভাবছে ইসলামাবাদ।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জাহিদ হাফিজ চৌধুরী বলেন, ‘আফগানিস্তানে কারও প্রতি আমাদের পক্ষপাতিত্ব নেই। সংঘাতকবলিত আফগানদের নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত বলে আমরা মনে করি। এ জন্য শান্তি আলোচনায় বসতে তাদের গঠনমূলক সহযোগিতা করতে চাই আমরা।’

তালেবানকে মদদ দেয়ার অভিযোগে পাকিস্তানের সঙ্গে অনেক আগে থেকেই কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব রয়েছে আফগান সরকারের। তবে সে অভিযোগ বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে এসেছে পাকিস্তান।

আরও পড়ুন:
হংকংয়ের মিডিয়া টাইকুন লাইয়ের ফের কারাদণ্ড
হংকংয়ে ‘দেশপ্রেম আইন’ পাস
হংকংয়ে গণতন্ত্রকামীদের ধরপাকড়, যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা
হংকংয়ের আইনপ্রণেতাদের গণপদত্যাগ
চীনের প্রস্তাবে অযোগ্য ঘোষিত হংকংয়ের ৪ আইনপ্রণেতা

শেয়ার করুন

তালেবানের বিরুদ্ধে নির্বিচার হত্যার অভিযোগ

তালেবানের বিরুদ্ধে নির্বিচার হত্যার অভিযোগ

আফগানিস্তানে চলমান সহিংসতার বলি হয়েছেন বিপুলসংখ্যক বেসামরিক মানুষ। ফাইল ছবি

স্পিন বোলদাক এলাকায় তালেবানের প্রতিহিংসাপরায়ণ হত্যাযজ্ঞের খবর জানায় আফগানিস্তানের স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন। অঞ্চলটিতে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৪০ জন বেসামরিক আফগানকে হত্যার খবর জানিয়েছে সংগঠনটি।

আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশের স্পিন বোলদাক শহরে তালেবানের সহিংসতায় অর্ধশত বেসামরিক আফগান নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।

পাকিস্তান সীমান্তবর্তী সশস্ত্র গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে ‘বেসামরিক গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের’ অভিযোগও তুলেছে পশ্চিমা দেশগুলো।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, আফগানিস্তানের দক্ষিণের এ শহরের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে লড়াই করছে দেশটির সেনাবাহিনী। কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত শহরটি সম্প্রতি দখল করে তালেবান।

স্পিন বোলদাক এলাকায় তালেবানের প্রতিহিংসাপরায়ণ হত্যাযজ্ঞের খবর জানায় আফগানিস্তানের স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন। স্পিন বোলদাকে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৪০ জন বেসামরিক আফগানকে হত্যার খবর জানিয়েছে সংগঠনটি।

এরপরই বিষয়টির নিন্দা জানিয়ে টুইট করা হয় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে।

স্পিন বোলদাকের পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে সোমবার আলাদা বিবৃতিতে ওয়াশিংটন ও লন্ডনের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রতিহিংসাবশত বিপুলসংখ্যক বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছে তালেবান। যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে গড়িয়েছে তাদের এসব হত্যাকাণ্ড।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, তালেবান যোদ্ধাদের এসব অপরাধের জন্য সংগঠনটির নেতাদের অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। যদি তারা এখনই তাদের যোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তাহলে পরবর্তী সময়ে শাসনব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ার কোনো অধিকার তাদের নেই।

এর প্রতিক্রিয়ায় কাতারের রাজধানী দোহায় চলমান শান্তি আলোচনায় তালেবান প্রতিনিধি দলের সদস্য সুহাইল শাহীন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘ভিত্তিহীন অভিযোগ’ করা হয়েছে এসব টুইটে।

যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক জোটের পূর্ণাঙ্গ সেনা প্রত্যাহারের মুখে আফগানিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। আফগানিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে আগ্রাসী হয়ে উঠছে তালেবান। মে থেকে কয়েক মাসে দখলে নিয়েছে দেশটির ৪১৯ জেলার অর্ধেকের বেশি।

ইরান, তাজিকিস্তান, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আফগানিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সীমান্ত নিরাপত্তা চৌকি, বর্ডার ক্রসিংও নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে তালেবান।

আরও পড়ুন:
হংকংয়ের মিডিয়া টাইকুন লাইয়ের ফের কারাদণ্ড
হংকংয়ে ‘দেশপ্রেম আইন’ পাস
হংকংয়ে গণতন্ত্রকামীদের ধরপাকড়, যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা
হংকংয়ের আইনপ্রণেতাদের গণপদত্যাগ
চীনের প্রস্তাবে অযোগ্য ঘোষিত হংকংয়ের ৪ আইনপ্রণেতা

শেয়ার করুন

বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রী দীপিকার লড়াই

বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রী দীপিকার লড়াই

সমাজ বদলের সৈনিক দীপিকাকে সম্প্রতি পুরস্কৃত করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

দীপিকার স্কুলে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল। বাল্যবিবাহের কুফল নিয়ে এ আলোচনা দীপিকার মনে গেঁথে যায়। তারপর থেকে বাল্যবিবাহের সংবাদ শুনলেই তা রুখে দিতে ছুটে যায় এই কিশোরী।

সমাজ সংস্কারে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্রী। সচেতনতা বাড়াতে ছুটছে গ্রাম থেকে গ্রামে। অন্যদের সহযোগিতা নিয়ে বন্ধ করছে বাল্যবিবাহ। অথচ সে নিজেই এক কিশোরী।

পশ্চিমবঙ্গের একটি স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী দীপিকা সাহু। সাতটি বাল্যবিবাহ রুখে দিয়ে এখন সে আলোচনায়। সমাজ বদলের সৈনিক দীপিকাকে সম্প্রতি পুরস্কৃত করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার নামখানার শিবরামপুর গ্রামের বাসিন্দা দীপিকা। শারীরিক ব্যাধি নয়, সামাজিক ব্যাধিও যে কতটা ভয়ংকর তা অল্প বয়সে বুঝে গিয়েছে দীপিকা। কিশোরী ও নারীদের বেঁচে থাকার লড়াই তাকে বিচলিত করেছে। আর তাই অষ্টম শ্রেণীতে উঠেই যোগ দেয় কন্যাশ্রী ক্লাবে।

দীপিকার স্কুলে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে অবহিত করতে। সামাজিক এ ব্যাধি নিয়ে আলোচনা দীপিকার মনে গেঁথে যায়। তারপর থেকে বাল্যবিবাহের সংবাদ শুনলেই তা রুখে দিতে ছুটে যায় এই কিশোরী। তাকে সহযোগিতা করছে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।

দীপিকা সাহু জানায়, ২৮ এপ্রিল একটি বাল্যবিবাহের খবর পেয়েছিল। খোঁজ নিতে গিয়ে জানতে পারে, তারই এক বান্ধবীকে জোর করে বিয়ে দেয়া হচ্ছে। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাহায্য নিয়ে দীপিকা আলাপ করে বান্ধবীর অভিভাবকদের সঙ্গে। দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পর সুফল মেলে। স্কুল পড়ুয়া বান্ধবীর বিয়ে আটকাতে পেরে খুশি দীপিকা।

দীপিকার কথায়, ‘রাজ্য সরকার কন্যাশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে যে টাকা দেয়, তা দিয়ে ১৮ বছর পর্যন্ত পড়াশোনা করা যায়। তাই মেয়েদের শিক্ষা বন্ধ না করার জন্য বলছি অন্যদের। অভিভাবকদের সঙ্গে আলাপ করেই বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হচ্ছে।’

মেয়ের কীর্তিতে গর্বিত মা শিবানী সাহু। তিনি বলেন, ‘বাল্যবিবাহ কতটা খারাপ, সেটা আমার মেয়ে বুঝতে পেরেছে। অন্যদেরও বোঝাচ্ছে সে, তাতে আমি গর্বিত।’

সমাজসচেতনতা বাড়াতে স্কুলছাত্রী দীপিকার অবদানকে স্বীকৃতি দিয়েছে ডায়মন্ডহারবার স্বাস্থ্য জেলা। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ভবন ও জেলা প্রশাসনের তরফে তার হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
হংকংয়ের মিডিয়া টাইকুন লাইয়ের ফের কারাদণ্ড
হংকংয়ে ‘দেশপ্রেম আইন’ পাস
হংকংয়ে গণতন্ত্রকামীদের ধরপাকড়, যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা
হংকংয়ের আইনপ্রণেতাদের গণপদত্যাগ
চীনের প্রস্তাবে অযোগ্য ঘোষিত হংকংয়ের ৪ আইনপ্রণেতা

শেয়ার করুন

গুরুত্বপূর্ণ শহর দখলে মরিয়া তালেবান, সংঘর্ষ চরমে

গুরুত্বপূর্ণ শহর দখলে মরিয়া তালেবান, সংঘর্ষ চরমে

হেরাতের ইঞ্জিলে আফগান কমান্ডো বাহিনীর প্রহরা। ছবি: এএফপি

লস্কর গাহ ২০১৬ সালের পর প্রথম প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে তালেবানের দখলে যেতে পারে বলে শঙ্কা জোরালো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও আফগান বাহিনীর অব্যাহত বিমান হামলা সত্ত্বেও শহরের বড় অংশ দখলে তালেবান অনেকটা এগিয়েছে।

আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হেলমান্দ প্রদেশের রাজধানী লস্কর গাহ দখলে অভিযান শুরু করেছে দেশটির সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী তালেবান। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহরটির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে মরিয়া আফগান বাহিনীও। দুই পক্ষের সংঘর্ষ চরমে পৌঁছেছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, লস্কর গাহ ২০১৬ সালের পর প্রথম প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে তালেবানের দখলে যেতে পারে বলে শঙ্কা জোরালো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও আফগান বাহিনীর অব্যাহত বিমান হামলা সত্ত্বেও শহরের বড় অংশ দখলে তালেবান অনেকটা এগিয়েছে।

লস্কর গাহ, কান্দাহার ও হেরাতের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তালেবান ও আফগান বাহিনীর মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে।

আফগানিস্তানে আন্তর্জাতিক জোটের ২০ বছর অবস্থানকালে হেলমান্দ প্রদেশ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সামরিক ঘাঁটির কেন্দ্র। হেলমান্দ তালেবানের দখলে গেলে তা হবে আফগান সরকারের জন্য বড় ধাক্কা।

তালেবান যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মাঠে নেমেছে হাজারো সেনা। লস্কর গাহ তালেবানের দখলে গেলে ‘বিশ্ব নিরাপত্তায় বিপর্যয় নেমে আসবে’ বলে সতর্ক করেছেন আফগান সেনাবাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল সামি সাদাত।

তিনি বলেন, ‘এ লড়াই শুধু আফগানিস্তানের নয়। এটা স্বাধীনতা ও একচ্ছত্র আধিপত্যবাদের মধ্যকার লড়াই।’

আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের শুরু থেকে কয়েক মাসে দেশটির বড় অংশ দখল করে নিয়েছে তালেবান। তারা চেষ্টা করছে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার।

তালেবান হেলমান্দের একটি টেলিভিশন স্টেশনের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আফগানিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় সোমবার জানায়, প্রদেশটির ১১টি রেডিও ও চারটি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক থেকে সম্প্রচার বন্ধ হয়ে গেছে। কারণ হিসেবে তালেবানের ‘হামলা ও হুমকির’ কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হংকংয়ের মিডিয়া টাইকুন লাইয়ের ফের কারাদণ্ড
হংকংয়ে ‘দেশপ্রেম আইন’ পাস
হংকংয়ে গণতন্ত্রকামীদের ধরপাকড়, যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা
হংকংয়ের আইনপ্রণেতাদের গণপদত্যাগ
চীনের প্রস্তাবে অযোগ্য ঘোষিত হংকংয়ের ৪ আইনপ্রণেতা

শেয়ার করুন