রাজ্যপালকে ‘বাচ্চা ছেলে’ বললেন মমতা

রাজ্যপালকে ‘বাচ্চা ছেলে’ বললেন মমতা

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: পিটিআই

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন, ‘রাজ্যপাল যখন করা হয়েছিল, তখন আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়নি। নিয়ম হচ্ছে, রাজ্যের সঙ্গে পরামর্শ করে রাজ্যপাল পাঠানো। উনি কাদের সঙ্গে দেখা করবেন, তার ব্যাপার। উনি তো বিজেপির লোক।’

পশ্চিমবঙ্গের ভোট-পরবর্তী সহিংসতা নিয়ে অতি সক্রিয় রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের দিল্লি সফরকে কটাক্ষ করে বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘তাকে সরানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে দু-তিনবার চিঠি লিখেছি। বাচ্চা ছেলে তো নয়, যে বকাঝকা করে চুপ করিয়ে দেব।’

মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘রাজ্যপাল যখন করা হয়েছিল, তখন আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়নি। নিয়ম হচ্ছে, রাজ্যের সঙ্গে পরামর্শ করে রাজ্যপাল পাঠানো। উনি কাদের সঙ্গে দেখা করবেন, তার ব্যাপার। উনি তো বিজেপির লোক।’

বিধানসভা নির্বাচনের এক মাস পরও রাজ্যের ভোট-পরবর্তী সহিংসতা নিয়ে রাজ্যপাল ও রাজ্য সরকারের সংঘাত সমানে চলছে।

বিরামহীন টুইটযুদ্ধে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বারবার সোচ্চার হয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।

এর ফলে রাজ্যপাল ও রাজ্য সরকারের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যপালের দিল্লি গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে রাজ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে নোট দেয়া খুবই ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ভোট-পরবর্তী সহিংসতায় রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি নিয়ে সোচ্চার বিজেপির দুই রাজ্য নেতা।

সোমবার বিজেপির ৫০ বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে বৈঠক করেন রাজ্যপাল। তারপর দিল্লি যান তিনি।

বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন, ‘বাংলায় কোনো রাজনৈতিক সহিংসতা হচ্ছে না। বিজেপির গিমিক ভায়োলেন্স চলছে। বঙ্গভঙ্গ হতে দেব না। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মানে কী?

‘জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ির জমি বিক্রি করে দেব নাকি? আমাদের এখানে কোনো গণ্ডগোল নেই । দিল্লি পুলিশের থেকে আমাদের পুলিশ ভালো কাজ করছে।’

আরও পড়ুন:
রাজ্যপাল-রাজ্য সরকারের টুইট-যুদ্ধ
পশ্চিমবঙ্গে করোনা বিধিনিষেধে কিছুটা ছাড়
বঙ্গ রাজনীতিতে মুকুল অ্যাফেক্ট
বিজেপিতে বড় ভাঙন, তৃণমূলে পুত্রসহ মুকুল
ভুয়া পোস্ট দিয়ে আটক বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম সফল ফুসফুস প্রতিস্থাপন

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম সফল ফুসফুস প্রতিস্থাপন

কলকাতার মেডিক্যা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল।

চিকিৎসকদের বক্তব্য, ফুসফুস প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু জটিলতা রয়েছে। কারণ অঙ্গ প্রতিস্থাপনের মধ্যে ফুসফুস প্রতিস্থাপন অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হয়। পাশাপাশি রোগী সম্প্রতি করোনা মুক্ত হয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো ৬ ঘণ্টা অস্ত্রোপচারের পর সফলভাবে ফুসফুস প্রতিস্থাপন করেছে কলকাতার মেডিকা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। রোগীকে রাখা হয়েছে ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে।

সোমবার কলকাতা থেকে একদল চিকিৎসক গুজরাটের সুরাটে গিয়ে সেখানে ব্রেইন স্ট্রোকে মৃত ৫২ বছর বয়সী এক ব্যক্তির শরীর থেকে ফুসফুস সংগ্রহ করেন। পরে গুজরাট থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে কলকাতায় আনা হয় ওই ফুসফুস। মৃত ব্যক্তি মরণোত্তর ফুসফুস দান করেছিলেন।

কলকাতা বিমানবন্দর থেকে রাত ৯টায় গ্রিন করিডর অর্থাৎ সব সিগন্যাল সবুজ করে দিয়ে ওই ফুসফুসবাহী অ্যাম্বুলেন্স বাইপাসের কাছে মেডিকা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পৌঁছায়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, যে রোগীর দেহে সোমবার রাতে ফুসফুস প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, তিনি সম্প্রতি করোনা মুক্ত হয়েছেন। টানা ১০৩ একমো সাপোর্টে ছিলেন। কিন্তু তাতেও কাজ হচ্ছিল না। ৪৬ বছরের ওই রোগীর ফুসফুস সম্পূর্ণ বিকল হয়ে যাওয়ায় চিকিৎসকরা ফুসফুস প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দিয়েছিলেন।

ফুসফুসের খোঁজ শুরু করে রোগীর পরিবার। অবশেষে গুজরাটের সুরাটে মেলে ফুসফুসের দাতা। দুই রাজ্যের চিকিৎসকদের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে ফুসফুস পৌঁছায় কলকাতায়।

চিকিৎসকদের বক্তব্য, ফুসফুস প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু জটিলতা রয়েছে। কারণ অঙ্গ প্রতিস্থাপনের মধ্যে ফুসফুস প্রতিস্থাপন অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হয়। পাশাপাশি রোগী সম্প্রতি করোনা মুক্ত হয়েছেন।

প্রখ্যাত চিকিৎসক কুনাল সরকারের নেতৃত্বে পাঁচজনের চিকিৎসক দল ফুসফুস প্রতিস্থাপনে অস্ত্রোপচার করে সফল হন।

আরও পড়ুন:
রাজ্যপাল-রাজ্য সরকারের টুইট-যুদ্ধ
পশ্চিমবঙ্গে করোনা বিধিনিষেধে কিছুটা ছাড়
বঙ্গ রাজনীতিতে মুকুল অ্যাফেক্ট
বিজেপিতে বড় ভাঙন, তৃণমূলে পুত্রসহ মুকুল
ভুয়া পোস্ট দিয়ে আটক বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা

শেয়ার করুন

গুজরাটে জব্দ আফগানিস্তান থেকে আসা হেরোইনের বিশাল চালান

গুজরাটে জব্দ আফগানিস্তান থেকে আসা হেরোইনের বিশাল চালান

ভারতের গুজরাট রাজ্যের মুন্দ্রা বন্দর। ছবি: সংগৃহীত

হেরোইনের এ চালান রোববার জব্দ করা হয়। কর্মকর্তাদের দাবি, এই চালানে যে পরিমাণ হোরোইন, তার আর্থিক মূল্য ১৯ হাজার কোটি টাকা, যা ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মাদক চালান। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক ভারতীয় দম্পতিকে গ্রেপ্তার এবং কয়েকজন আফগান নাগরিককে আটক করা হয়েছে।

ভারতের গুজরাটের মুন্দ্রা বন্দর থেকে ৩ হাজার কেজির এক হেরোইনের চালান জব্দ করেছে রাজস্ব দপ্তরের কর্মকর্তারা। এসব হেরোইন আফগানিস্তান থেকে ইরানের বন্দর আব্বাস হয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছেন তারা।

হেরোইনের এ চালান রোববার জব্দ করা হয়। কর্মকর্তাদের দাবি, এই চালানে যে পরিমাণ হোরোইন, তার আর্থিক মূল্য ১৯ হাজার কোটি টাকা, যা ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মাদক চালান।

এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক ভারতীয় দম্পতিকে গ্রেপ্তার এবং কয়েকজন আফগান নাগরিককে আটক করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, গুজরাটে উদ্ধারকৃত হেরোইন পাচারের পেছনে কোনো আফগান নাগরিক জড়িত কি না, সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

রাজস্ব দপ্তর সূত্রে জানা যায়, আফগানিস্তানে উৎপাদিত হেরোইন ট্যালকম পাউডার হিসেবে ইরানের বন্দর আব্বাসের মাধ্যমে গুজরাটে পাঠানো হয়। অন্ধ্র প্রদেশের বিজয়ওয়ারা জেলার ‘আসি ট্রেডিং’ প্রতিষ্ঠানের নামে চালানটি ভারতে ঢোকে। আফগানিস্তানের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘হাসান হুসেন লিমিটেড’ চালানটি পাঠায়।

রাজস্ব দপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানান, দুটি কন্টেইনারে করে হেরোইনগুলো আনা হয়। একটিতে ছিল দুই হাজার কেজি ও অন্যটিতে প্রায় এক হাজার কেজি। উদ্ধারকৃত হেরোইনের বাজারমূল্য ১৯ হাজার কোটি টাকা।

এ ঘটনার পর ভারতের অন্য বন্দরগুলোতেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আহমেদাবাদ, দিল্লি, চেন্নাই, গান্ধীধাম ও মাণ্ডবীতেও কড়া নজর রাখা হয়েছে। এসব এলাকা দিয়েই ভারতে মাদক পাচারের চেষ্টা হতে পারে বলে ধারণা রাজস্ব কর্মকর্তাদের।

তিনি আরও বলেন, আফগানিস্তান বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বেশির ভাগ হেরোইন সরবরাহ করে। তা ছাড়া বর্তমান সময়ের তালেবান সরকার তাদের অর্থনীতি সচল রাখতে মাদক পাচারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

রাজস্ব দপ্তরের আরেকজন কর্মকর্তা জানান, যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানে জীবন ধারণে অনেকেই মাদক পাচারের কাজ বেছে নিয়েছে। হেরোইন তৈরিতে বাধা দিতে গত কয়েক বছরে দেশটিতে কোটি কোটি টাকা খরচ করেছে আমেরিকা। মাদকদ্রব্য তৈরির আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েও খুব একটা লাভ হয়নি।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি, পাকিস্তান ও তালেবানের ভারতবিরোধী অংশ একসঙ্গে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য অর্থের জোগান দিতে বিপুল পরিমাণ আফগান হেরোইনকে ভারতে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন:
রাজ্যপাল-রাজ্য সরকারের টুইট-যুদ্ধ
পশ্চিমবঙ্গে করোনা বিধিনিষেধে কিছুটা ছাড়
বঙ্গ রাজনীতিতে মুকুল অ্যাফেক্ট
বিজেপিতে বড় ভাঙন, তৃণমূলে পুত্রসহ মুকুল
ভুয়া পোস্ট দিয়ে আটক বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা

শেয়ার করুন

রাতভর বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতা

রাতভর বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতা

পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের অনেক এলাকা।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের খবরে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ধাপায় ১২৭, উল্টোডাঙ্গায় ১০৯, কালীঘাটে ১০৭, মানিকতলায় ৮১, বেলগাছিয়ায় ৮৩, পাতিপুকুরে ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হয়েছে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনায়।

জলমগ্ন হয়ে পড়েছে কলকাতা শহরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলসহ রাজ্যের দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলা।

রোববার রাত থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় আলিপুরে বৃষ্টি হয়েছে ১০০ দশমিক ২ মিলিমিটার। কলকাতার বেশ কয়েকটা জায়গায় ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়েছে। এতেই পানিতে থইথই শহর, গ্রাম।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের খবরে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ধাপায় ১২৭, উল্টোডাঙ্গায় ১০৯, কালীঘাটে ১০৭, মানিকতলায় ৮১, বেলগাছিয়ায় ৮৩, পাতিপুকুর ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হয়েছে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনায়।

আবহাওয়া দপ্তরের খবর, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। সেটি উত্তর ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশসংলগ্ন উপকূলে অবস্থান করছে। ঘূর্ণাবর্তের জেরে প্রচুর জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে। তৈরি হচ্ছে মেঘ; আর তাতেই হচ্ছে তুমুল বৃষ্টিপাত।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের খবর অনুযায়ী, সোমবার সারা দিন আকাশ মেঘলাই থাকবে। দফায় দফায় চলবে বৃষ্টি। উপকূলের জেলাগুলোতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। মঙ্গলবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। কমতে পারে বৃষ্টির পরিমাণ।

বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৯ শতাংশ, ফলে তাপমাত্রা কমলেও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকবে।

বৃষ্টির জেরে নাকাল মানুষ

দমদম থেকে সোনারপুর বিস্তীর্ণ অঞ্চল বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা।

শিয়ালদা ও হাওড়া রেল কারশেডে পানি জমায় দেরিতে ট্রেন চলাচল করছে। বাতিল হতে পারে কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেনও। পাতিপুকুর আন্ডারপাসে পানি জমায় বন্ধ চক্র রেল। কলকাতা বিমানবন্দর টারমাক পানিমগ্ন হওয়ায় বিমান ওঠানামা করছে দেরিতে।

প্রশাসনিক তৎপরতা

কলকাতার জমা পানি সরাতে সাড়ে সাত শ পাম্পিং স্টেশন খোলা হয়েছে। এ ছাড়া বেলা ৩টা পর্যন্ত লকগেট বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন কলকাতা পৌরসভার নিকাশি বিভাগের সদস্য তারক সিং।

আরও পড়ুন:
রাজ্যপাল-রাজ্য সরকারের টুইট-যুদ্ধ
পশ্চিমবঙ্গে করোনা বিধিনিষেধে কিছুটা ছাড়
বঙ্গ রাজনীতিতে মুকুল অ্যাফেক্ট
বিজেপিতে বড় ভাঙন, তৃণমূলে পুত্রসহ মুকুল
ভুয়া পোস্ট দিয়ে আটক বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা

শেয়ার করুন

হাওড়ায় ভারতের গভীরতম মেট্রো স্টেশন

হাওড়ায় ভারতের গভীরতম মেট্রো স্টেশন

ভৃপৃষ্ঠ থেকে হাওড়া মেট্রো স্টেশনের গভীরতা ৩২ দশমিক ৪ মিটার। ছবি: সংগৃহীত

ভূমি থেকে ১০৫ ফুট নিচে এ স্টেশনে যেতে চারটি লেভেল, পাঁচটি স্ল্যাব পার হতে হবে। সিঁড়ি দিয়ে চলতে যাদের অসুবিধা, তাদের জন্য রয়েছে ১২টি চলন্ত সিঁড়ি বা অ্যাসকেলেটর। তা ছাড়া থাকছে ছয়টি লিফট।

ভারতে এত দিন সবচেয়ে গভীর মেট্রোরেল স্টেশন ছিল দিল্লির হাউস খাস। ভূপৃষ্ঠ থেকে স্টেশনটির গভীরতা ৩০ মিটার।

পশ্চিমবঙ্গে নির্মাণাধীন হাওড়া মেট্রো স্টেশন গভীরতায় দিল্লির স্টেশনটিকে ছাড়িয়ে গেছে। ভারতের সবচেয়ে গভীর এ মেট্রোরেল স্টেশনে চড়তে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩২ দশমিক ৪ মিটার নিচে নামতে হবে যাত্রীদের।

এক মিনিটে হাওড়া থেকে ধর্মতলা

হুগলি নদীর ৩০ মিটার গভীরে ৫২০ মিটারের দুটি টানেল দিয়ে চলবে হাওড়া মেট্রো। টানেলের এক প্রান্তে হাওড়া, অন্য প্রান্তে মহাকরণ।

ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে নদীর তলা দিয়ে ছুটবে এ ট্রেন। হাওড়া থেকে ধর্মতলা পৌঁছতে সময় লাগবে ১ মিনিট।

হাওড়া মেট্রো স্টেশনকে ‘দ্য ডিপেস্ট সাবওয়ে স্টেশন’ (গভীরতম পাতাল রেল) বলেছে ভারতের রেল বোর্ড। এ স্টেশনে ট্রেন চালু হওয়ার সম্ভাবনা ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ে। জোর কদমে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

রেলওয়ে সূত্রের খবর, হাওড়া মেট্রো স্টেশন গঠনের কাজ শেষ হয়েছে। চলছে ফিনিশিং টাচ।

কী আছে স্টেশনে

ভূমি থেকে ১০৫ ফুট নিচে এ স্টেশনে যেতে চারটি লেভেল, পাঁচটি স্ল্যাব পার হতে হবে। সিঁড়ি দিয়ে চলতে যাদের অসুবিধা, তাদের জন্য রয়েছে ১২টি চলন্ত সিঁড়ি বা অ্যাসকেলেটর। তা ছাড়া থাকছে ছয়টি লিফট।

হাওড়ায় ভারতের গভীরতম মেট্রো স্টেশন

স্টেশনে থাকছে তিনটি প্ল্যাটফর্ম। হাওড়া ময়দান স্টেশন বা মহাকরণ, যেদিক দিয়ে ট্রেন আসুক না কেন, হাওড়া মেট্রো স্টেশনে রেকের দুই দিকের দরজা খুলে যাবে। যাত্রী চাপ সামলাতে এ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

দেশের ব্যস্ততম হওয়ায় কলকাতা মেট্রোর ইস্ট-ওয়েস্টে হাওড়া স্টেশনকে ‘কী স্টেশন’ বলা হয়েছে।

‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’

ভারতে প্রথম নদীর তল দিয়ে মেট্রো চলার পদক্ষেপকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়েছিলেন দেশটির রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। সে উদ্যোগের বাস্তবায়ন দেখতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

আরও পড়ুন:
রাজ্যপাল-রাজ্য সরকারের টুইট-যুদ্ধ
পশ্চিমবঙ্গে করোনা বিধিনিষেধে কিছুটা ছাড়
বঙ্গ রাজনীতিতে মুকুল অ্যাফেক্ট
বিজেপিতে বড় ভাঙন, তৃণমূলে পুত্রসহ মুকুল
ভুয়া পোস্ট দিয়ে আটক বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা

শেয়ার করুন

পশ্চিমবঙ্গে গরুর পরিচয়পত্র, কানে ঝুলবে হলুদ ট্যাগ

পশ্চিমবঙ্গে গরুর পরিচয়পত্র, কানে ঝুলবে হলুদ ট্যাগ

পশ্চিমবঙ্গে গরুর আধার কার্ড দেয়া হবে, কানে ঝুলবে হলুদ ট্যাগ। ছবি: নিউজবাংলা

পরিচয়পত্র দেয়ার পর গবাদিপশুটির কানে একটি হলুদ ট্যাগ লাগানো থাকবে। হলুদ রঙের সেই ট্যাগে একটি চিপের মাধ্যমে ১২ সংখ্যার ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর দেয়া থাকবে।

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যজুড়ে ব্রুসেল্লোসিস রোগের টিকাকরণের জন্য গরুর পরিচয়পত্র দেয়ার কাজ শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ প্রাণিসম্পদ বিকাশ মন্ত্রণালয়।

পরিচয়পত্র দেয়ার পর গবাদিপশুটির কানে একটি হলুদ ট্যাগ লাগানো থাকবে। হলুদ রঙের সেই ট্যাগে একটি চিপের মাধ্যমে ১২ সংখ্যার ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর দেয়া থাকবে।

এটি করা হলে চিপের মাধ্যমে ওই প্রাণী এবং তার মালিক সম্পর্কে প্রশাসনের হাতে যাবতীয় তথ্য চলে আসবে।

প্রথম দফায় ৫ হাজার ২৮০টি গরুকে টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

যেসব গরুর ট্যাগ লাগানো হচ্ছে, সেসব গরু এবং তাদের মালিক-সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন করে রাখা হচ্ছে।

ব্রুসেল্লোসিস একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত গবাদিপশুর রোগ। এই রোগের মূল সমস্যা হলো, তিন থেকে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা গরুর গর্ভপাত হয়ে যায়।

গবাদিপশুর মাধ্যমে এই রোগের জীবাণু ছড়ায় মানুষের দেহে।

ব্রুসেল্লোসিস জীবাণুর সংক্রমণ হলে জ্বর, গাঁটে ব্যথা ইত্যাদি হয়।

পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রাণিসম্পদ বিকাশ বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর সোমনাথ মাইতি জানান, পুরোদমে হলুদ ট্যাগ লাগানোর কাজ চলছে।

ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যটিতে গত বছর থেকে গরু ও মহিষকে আধার কার্ড দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

ভাতার ব্লকের প্রাণী বিকাশ দপ্তরের আধিকারিক শঙ্খ ঘোষ বলেন, ‘২০ সেপ্টেম্বর থেকে গরুর ব্রুসেল্লোসিস রোগের টিকাকরণের কাজ শুরু হচ্ছে। এই টিকা মূলত দেয়া হয় চার থেকে আট মাস বয়সী বকনা বাছুরদের। ওই নির্দিষ্ট বয়সের বাছুরদের চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে। গরুগুলোকে চিহ্নিত করতে হলুদ ট্যাগ পরানো হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
রাজ্যপাল-রাজ্য সরকারের টুইট-যুদ্ধ
পশ্চিমবঙ্গে করোনা বিধিনিষেধে কিছুটা ছাড়
বঙ্গ রাজনীতিতে মুকুল অ্যাফেক্ট
বিজেপিতে বড় ভাঙন, তৃণমূলে পুত্রসহ মুকুল
ভুয়া পোস্ট দিয়ে আটক বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা

শেয়ার করুন

‘মোদিবিরোধিতায় মমতাই যোগ্য মুখ’

‘মোদিবিরোধিতায় মমতাই যোগ্য মুখ’

মোদির বিকল্প মুখ মমতাই, রাহুল নয়- সুদীপ। ছবি: সংগৃহীত

‘মোদির বিকল্প হিসেবে জবরদস্ত, বিশ্বাসযোগ্য মুখ সামনে রেখে প্রচারে যেতে হবে। আর তা হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’

জোটের রাস্তা খোলা রেখে মোদিবিরোধিতায় মমতাই যোগ্য মুখ বলে কংগ্রেসকে খোলাখুলি বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা সুদীপের কর্মীসভায় দেয়া একটি বক্তব্যের অংশ ছেপে শুক্রবার তার ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে ‘জাগো বাংলা’ মুখপত্রটিতে।

সেখানে সুদীপ বলেছেন, ‘রাহুল গান্ধীকে আমি বহুদিন চিনি। বলতে বাধ্য হচ্ছি, তিনি এখনও নরেন্দ্র মোদির বিকল্প মুখ হয়ে উঠতে পারেননি।

‘আমরা সব বিরোধীদলের সঙ্গে কথা বলেই মমতাকে বিকল্প মুখ হিসেবে সামনে রেখে প্রচারে যাব। তবে কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে আমরা কখনই বিকল্প জোটের কথা বলছি না।’

তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, ‘রাহুল সুযোগ পেয়েছেন, কিন্তু পারেননি। বারবার নির্বাচনি ব্যর্থতায় সুযোগ ও সময় নষ্ট করা যাবে না।

‘মোদির বিকল্প হিসেবে জবরদস্ত, বিশ্বাসযোগ্য মুখ সামনে রেখে প্রচারে যেতে হবে। আর তা হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’

তৃণমূলের তরফে মোদিবিরোধী জোটের নেতৃত্ব দেয়ার বার্তা প্রকাশের পরই কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী তার প্রতিক্রিয়া জানান।

তিনি বলেন ‘তৃণমূলের এই বার্তায় সবচেয়ে খুশি হবেন নরেন্দ্র মোদি। কারণ, প্রধানমন্ত্রী চান আঞ্চলিক দলগুলো যেন ঐক্যবদ্ধ হতে না পারে।’

অধীর আরও বলেন, ‘বিজেপি পাঞ্জাবকে সাহায্য করছে। বাংলায় হয়তো তৃণমূলকে সাহায্য করবে। বিজেপি বলে, রাহুল পারবেন না। একথা তৃণমূল বললে বিজেপির সঙ্গে তাদের পার্থক্য কমবে।’

মোদিবিরোধী জোটের নেতৃত্ব প্রসঙ্গে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি বলেন, ‘১৯টি দল সংসদের ভেতরে-বাইরে বিজেপির বিরোধিতা করছে। এ আন্দোলন চলবে। কিন্তু কোনো ফ্রন্ট এখনো তৈরি হয়নি। ভোটের অনেক দেরি। এর মধ্যে অনেক রকম প্রস্তাব আসতে থাকবে।’

আরও পড়ুন:
রাজ্যপাল-রাজ্য সরকারের টুইট-যুদ্ধ
পশ্চিমবঙ্গে করোনা বিধিনিষেধে কিছুটা ছাড়
বঙ্গ রাজনীতিতে মুকুল অ্যাফেক্ট
বিজেপিতে বড় ভাঙন, তৃণমূলে পুত্রসহ মুকুল
ভুয়া পোস্ট দিয়ে আটক বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা

শেয়ার করুন

কাবুলে বেসামরিক নাগরিক হত্যার কথা স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের

কাবুলে বেসামরিক নাগরিক হত্যার কথা স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে গাড়িতে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় নিহত হয় এক পরিবারের ১০ সদস্য। ছবি: এএফপি

গত ২৯ আগস্টের ওই হামলায় এক ত্রাণকর্মী ও তার পরিবারের অন্য ৯ সদস্য নিহত হয়। নিহত ১০ জনের মধ্যে সাত শিশু রয়েছে। সবচেয়ে ছোট শিশুটির বয়স দুই বছর।

আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের আগে দেশটির রাজধানী কাবুলে ড্রোন হামলায় ১০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের তদন্তে উঠে এসেছে, জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) সংশ্লিষ্ট ভেবে গাড়িতে ড্রোন হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র, যার বলি হয় একটি পরিবারের সদস্যরা।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৯ আগস্টের ওই হামলায় এক ত্রাণকর্মী ও তার পরিবারের অন্য ৯ সদস্য নিহত হয়।

নিহত ১০ জনের মধ্যে সাত শিশু রয়েছে। সবচেয়ে ছোট শিশুটির বয়স দুই বছর।

গত ১৫ আগস্ট আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল দখলের মধ্য দিয়ে দেশটিতে ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান। পরে ‘অজেয়’ উপত্যকা পাঞ্জশিরও দখলে নেয় সংগঠনটি।

তালেবানের হাতে ক্ষমতা যাওয়ার পরই কাবুল থেকে সামরিক-বেসামরিক নাগরিকদের প্রত্যাহারে তোড়জোড় শুরু করে বিভিন্ন দেশ। এ পরিস্থিতির মধ্যেই কাবুল বিমানবন্দরে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। সে হামলার কয়েক দিন পর ড্রোন হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

ড্রোন হামলার বিষয়ে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের কর্মকর্তা জেনারেল কেনেথ ম্যাকেঞ্জি বলেন, ত্রাণকর্মীর গাড়িটি আটঘণ্টা ধরে ট্র্যাক করা হচ্ছিল। ধারণা ছিল, গাড়িটি আইএসের স্থানীয় শাখা আইএস-কে সংশ্লিষ্ট।

ম্যাকেঞ্জির মতে, হামলাটি ছিল ‘বেদনাদায়ক ভুল’।

যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত অনুযায়ী, জামাইরি আহমাদি নামের ত্রাণকর্মী

কাবুল বিমানবন্দর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে নিজ বাড়িতে গাড়িতে চড়ার পরপরই হামলা চালানো হয়।

বোমা হামলার পর আরেকটি বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়, যাতে যুক্তরাষ্ট্র মনে করেছিল, গাড়িতে বিস্ফোরক ছিল। তবে অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সিলিন্ডার থেকে দ্বিতীয় বিস্ফোরণ হতে পারে।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে কাজ করা এক অনুবাদকও রয়েছেন, যার নাম আহমদ নাসের।

তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেন, ‘আমরা এ পর্যায়ে এসে জানতে পেরেছি, আহমাদির সঙ্গে আইএস-খোরাসানের কোনো যোগসূত্র ছিল না। ওই দিন (হামলার সময়) তার কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ অহিংস ছিল এবং সেটি ছিল আমাদের মনে করা আসন্ন হুমকির একেবারে উল্টো।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এ ঘটনায় ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি ভয়াবহ এ ভুল থেকে শিক্ষা নিতে সচেষ্ট হব।’

আরও পড়ুন:
রাজ্যপাল-রাজ্য সরকারের টুইট-যুদ্ধ
পশ্চিমবঙ্গে করোনা বিধিনিষেধে কিছুটা ছাড়
বঙ্গ রাজনীতিতে মুকুল অ্যাফেক্ট
বিজেপিতে বড় ভাঙন, তৃণমূলে পুত্রসহ মুকুল
ভুয়া পোস্ট দিয়ে আটক বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা

শেয়ার করুন