বিজেপি রুখতে মমতার কাছে টিকায়েত

বিজেপি রুখতে মমতার কাছে টিকায়েত

মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি জানান, ‘কেন্দ্র কৃষকদের দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা তাদের সঙ্গে আছি। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার জোর করে কৃষি আইন পাস করিয়েছে। এই আইন বাতিল করতে হবে এবং ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করে, নতুন কৃষি আইন প্রণয়ন করতে হবে।’

অসিত পুরকায়স্থ, কলকাতা

দিল্লির কৃষক আন্দোলনের প্রধান মুখ, কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েতের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বুধবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সাংবাদিকদের বলেন, ‘কেন্দ্র কৃষকদের দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা তাদের সঙ্গে আছি। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার জোর করে কৃষি আইন পাস করিয়েছে। এই আইন বাতিল করতে হবে এবং ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করে নতুন কৃষি আইন প্রণয়ন করতে হবে।’

বৈঠকে কৃষক নেতা রাকেশ বলেন, ‘পুঁজিবাদী শক্তিকে জবাব দিয়েছে বাংলা। দেশে বছরের পর বছর উন্নয়নকাজ থমকে আছে। বিজেপিকে কড়া জবাব দিয়েছেন মমতা। বাংলা যে পথে হাঁটবে, সে পথে হাঁটবে দেশ।’

মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের আরও বলেন, ‘কৃষক নেতারা চাইছেন, বিরোধী সব মুখ্যমন্ত্রীকে একত্র করে, একটি ভার্চুয়াল সভা করা হোক। সব রাজ্যকে একত্র করে আন্দোলন হোক।’

এ বিষয়ে মমতা একমত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। কোভিড পরিস্থিতি অনুকূল হলে বিজেপিবিরোধী সব মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।

মমতা বলেন, ‘এমন সব আইন পাস করিয়েছে কেন্দ্র, যাতে কৃষি-শিল্প সব সমস্যায়। কৃষি আইন বাতিল করুক কেন্দ্র। আইন পাস করানোর সময় কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা করেনি সরকার। জোর করে আইন পাস করিয়েছে। এটা সাত মাসের আন্দোলন। কেবল পাঞ্জাব, হরিয়ানা বিষয় নয়; এটা কোনো দেশের বিষয়। সব রাজ্যকে একত্র করে আন্দোলন করতে হবে। আমি মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলব।’

মমতা ব্যানার্জির প্রশ্ন, যে হারে পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ছে, কৃষকরা চাষবাস কী করে করবে?

কৃষক নেতা টিকায়েত বলেন, ‘বিজেপিকে ভোট দেবেন না। বিজেপি দেশের ক্ষতি করছে। মমতা দিদি বাংলাকে বাঁচিয়ে নিয়েছেন। বিজেপি থাকলে দেশ থাকবে না। বিজেপি না থাকলে দেশ বাঁচবে।’

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে রুখতে দিল্লির কৃষক নেতারা তৃণমূলের হয়ে বাংলায় প্রচার করেছেন। মোদি-শাহ জুটিকে বাংলায় ধরাশায়ী করে মমতা এখন দেশে বিজেপিবিরোধী মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন।

মমতাকে আগামী সময়ে প্রধানমন্ত্রী দেখতে চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার শুরু হয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে মমতা-টিকায়েতের এই বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুন:
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী চেয়ে টুইটারে হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মোদির বৈঠকে থাকবেন কাশ্মীর ও কংগ্রেস নেতারাও

মোদির বৈঠকে থাকবেন কাশ্মীর ও কংগ্রেস নেতারাও

২০১৮ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক শেষে জম্মু-কাশ্মীরের ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ফারুক আব্দুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সামনে নিজেদের দাবি তুলে ধরতে বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কাশ্মীরের গুপকর জোটের প্রতিনিধিরা। জোটের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, মোদির ডাকা বৈঠকে থাকবেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আব্দুল্লাহ, পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির মেহবুবা মুফতি ও সিপিএমের মহম্মদ তারিগামি।

জম্মু ও কাশ্মীরের প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হবে বৃহস্পতিবার। আর সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে কাশ্মীরের গুপকর জোটের সদস্যরা।

কেন্দ্রীয় সরকারের আমন্ত্রণ পাওয়ার পর ফারুক আব্দুল্লাহর নেতৃত্বাধীন এই জোট পরপর দুটি বৈঠকে বসে। মোদির বৈঠকের আগে বিশেষ আলোচনা হয়েছিল তাদের। আর সেই বৈঠকেই মোদির আমন্ত্রণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সামনে নিজেদের দাবি তুলে ধরতে বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন গুপকর জোটের প্রতিনিধিরা। জোটের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, মোদির ডাকা বৈঠকে থাকবেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আব্দুল্লাহ, পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির মেহবুবা মুফতি ও সিপিএমের মহম্মদ তারিগামি।

কাশ্মীরের মোট সাতটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল মিলে তৈরি এই গুপকর জোট। কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা ফেরানোর দাবিতেই এই জোট গঠন করা হয়।

অন্যদিকে, ওই বৈঠকে কংগ্রেসের বক্তব্য কী হবে তা ঠিক করতে মঙ্গলবার জরুরি বৈঠকে বসছেন দলের নেতারা। কিন্তু তার আগেই কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা ও জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী গোলাম নবী আজাদ একটি সর্বভারতীয় পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে ‘রাজ্যের পূর্ণমর্যাদা পুনরুদ্ধারই থাকবে এজেন্ডার শীর্ষে।’

তবে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ২৪ জুনের বৈঠকে, জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সম্পর্কিত সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ ফিরিয়ে দেবার দাবি জানানো হবে কিনা সে সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চাননি আজাদ।

উল্লেখ্য, ৫ অগাস্ট ২০১৯-এ সংসদে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল এবং জম্মু-কাশ্মীরকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। তারপরে এই প্রথম কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জম্মু-কাশ্মীরের রাজনৈতিক নেতাদের বৈঠক ডাকা হল। বৈঠকের এজেন্ডা সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে গুলাম নবী আজাদ বলেন , ‘সবসে উঁচি দাবি স্টেটহুড ( পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ) কি হোগি। এই দাবিকেই এজেন্ডার শীর্ষে রাখতে হবে। এবং সংসদেও এই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। লেফটেন্যান্ট গভর্নরের অধীন রাজ্য নয় ... পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দিতে হবে।’

সংবিধানের অধুনালুপ্ত অনুচ্ছেদ ৩৭০ সম্পর্কে জানতে চাইলে কংগ্রেস নেতা বলেন, যে তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের দলীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন এবং এখনই এ সম্পর্কে মন্তব্য করা খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, ‘আমি জম্মু ও কাশ্মীর উভয়ের কংগ্রেস নেতাদের সাথে পরামর্শ করছি। এর পরে, আমি আমাদের দলের নেতৃত্ব- কংগ্রেস সভাপতি এবং সাবেব প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং যে সব সহকর্মী প্রত্যক্ষ বা অপ্রত্যক্ষভাবে এই বিষয়ের সঙ্গে জড়িত ছিল তাদের কাছ থেকে দিকনির্দেশনা চাইব।

সুতরাং এত তাড়াতাড়ি সব কিছু বলা উচিত হবেনা। হ্যাঁ, আমি বলতে পারি যে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পাওয়া এজেন্ডার শীর্ষে থাকবে । আমরা পরামর্শ এবং আলোচনা করার পরে ... আমাদের অবস্থান ... নীতিমালা প্রণয়ন করব।’

কংগ্রেসের এক শীর্ষ সূত্র জানিয়েছে, সর্বদলীয় বৈঠকে দলের অবস্থানকে চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার জন্য মঙ্গলবার কংগ্রেসের জম্মু-কাশ্মীর সংক্রান্ত নীতি পরিকল্পনা গ্রুপের সভা হবে। আজাদ ছাড়াও প্যানেলটিতে মনমোহন সিং, করণ সিং, পি চিদাম্বরম, এআইসিসির ইনচার্জ রজনী পাতিল, তারিক হামিদ কররা এবং গোলাম আহমেদ মীর রয়েছেন।

আরও পড়ুন:
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী চেয়ে টুইটারে হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড

শেয়ার করুন

‘ঘরে ফেরা এভারেস্ট জয়ের চেয়ে কঠিন’

‘ঘরে ফেরা এভারেস্ট জয়ের চেয়ে কঠিন’

ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে নেপালে আটকা পড়েছেন বিভিন্ন দেশের পর্বতারোহীরা। ছবি: এএফপি

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর এক হোটেলে অবস্থান করছেন সাং। তিনি বলেন, ‘বাড়ি ফেরা মনে হচ্ছে এভারেস্টের ৮ হাজার ৮৪৮ মিটার উঁচু চূড়ায় ওঠার চেয়ে কঠিন।’

করোনাভাইরাসের ভারতীয় ধরন মোকাবিলায় সম্প্রতি নতুন করে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে চীন, হংকংসহ বেশ কয়েকটি দেশ। এর ফলে দেশগুলোর বাইরে থাকা নাগরিকেরা বাড়ি ফিরতে পারছেন না।

এই নাগরিকদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টজয়ী হংকংয়ের বাসিন্দা সাং ইন-হুং।

এভারেস্ট জয় করতে গিয়ে সাং আটকে পড়েছেন নেপালে। শুধু তিনিই নন, তার সঙ্গে রয়েছেন আরও কয়েকজন চীনা পর্বতারোহী।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের মঙ্গলবারের প্রতিবেদনে বলা হয়, নেপালে মাসখানেক ধরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপক হারে বেড়েছে। ভাইরাসটির আঘাত থেকে বাদ পড়েনি এভারেস্টের বেজ ক্যাম্পও।

নেপালে করোনার দৈনিক সংক্রমণের হার এখন ২৪ শতাংশের বেশি। এমন পরিস্থিতিতে এভারেস্টে আরোহণ মৌসুম শুরুর পরপরই দেশটির ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা শুরু হয়।

গত মাসে ২৫ ঘণ্টা ৫০ মিনিটের মধ্যে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছতে সক্ষম হন ৪৪ বছর বয়সী সাং। দ্রুততম সময়ের ভেতর এভারেস্টের শিখরে ওঠা নারী আরোহণকারীদের মধ্যে রেকর্ড করেন তিনি।

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর এক হোটেলে অবস্থান করছেন সাং। রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘বাড়ি ফেরা মনে হচ্ছে এভারেস্টের ৮ হাজার ৮৪৮ মিটার উঁচু চূড়ায় ওঠার চেয়ে কঠিন।’

তিনি বলেন, ‘এভারেস্ট জয় সম্ভব। তবে বাড়ি ফেরা অসম্ভব ঠেকছে। নেপাল থেকে চীন বা হংকংয়ে যাওয়ার কোনো ফ্লাইটই নেই।’

‘ঘরে ফেরা এভারেস্ট জয়ের চেয়ে কঠিন’

নেপালের কর্মকর্তারা জানান, চীন থেকে প্রতি সপ্তাহে দুটি ফ্লাইট আসে। তবে এগুলো এখন বন্ধ রয়েছে।

নেপালে চীনের দূতাবাস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

নেপালে থাকা বিশ্বের অন্যান্য দেশের আরোহীরা মূলত চার্টার্ড ফ্লাইটে (ভাড়া করা বিমান) বাড়ি ফিরছেন।

চীনা পর্বতারোহী ৩৪ বছর বয়সী সান ই কুয়ান এরই মধ্যে তিনবার এভারেস্ট জয় করেছেন। তবে চলতি বছরের মে মাসে এভারেস্টের বেজ ক্যাম্পে করোনার সংক্রমণ দেখা দিলে পর্বতশৃঙ্গটি চতুর্থবারের মতো জয় করা হয়ে ওঠেনি তার।

সান জানান, তিনিসহ তার দলের ১৩ আরোহী ফ্লাইট বন্ধ থাকায় বাড়ি ফিরতে পারছেন না।

এভারেস্টে উঠতে সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান সেভেন সামিট ট্র্যাকস কোম্পানির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তাশি লাকপা শেরপা বলেন, কাঠমান্ডুতে এই মুহূর্তে ৩০ জনের বেশি চীনা পর্বতারোহী আটকা পড়েছেন।

আরও পড়ুন:
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী চেয়ে টুইটারে হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড

শেয়ার করুন

প্রতিহিংসামূলক আচরণ করছে বিজেপি সরকার: তৃণমূল

প্রতিহিংসামূলক আচরণ করছে বিজেপি সরকার: তৃণমূল

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নির্বাচনি প্রচার সভায় দলটির প্রতীকে সজ্জিত এক কর্মী। ফাইল ছবি

তৃণমূলের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে বারবার চিঠি দিয়ে হেনস্তা করে বাংলায় হারের প্রতিশোধ নিচ্ছে বিজেপি। বিজেপির এই রাজনীতি ন্যাক্কারজনক। আসলে বাংলায় হার মেনে নিতে পারছে না দলটি। তাই বারবার রাজ্য সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছে।’

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যসচিব বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেয়া চার্জশিট ইস্যুতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় ও সাংসদ সৌগত রায়।

সেখানে আলাপন ইস্যুতে সৌগত রায় বলেন, ‘রাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক আচরণ করা হচ্ছে। যা হচ্ছে সবটা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই।’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডাকা কলাইকুন্ডায় ইয়াস ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনা মিটিংয়ে আলাপনের উপস্থিত না থাকা নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত ।

প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে ফিরে গেলে আলাপনকে দিল্লিতে তলব করা হয়। আলাপন সেখানে না গিয়ে অবসর নেন। কেননা ওই দিনই তার অবসরের দিন ছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি আলাপনকে তার মুখ্য উপদেষ্টা করে নেন।

কিন্তু এরপর বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে আলাপনকে শোকজ করে তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়। আলাপনের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে না সেই জবাব পাওয়ার এক মাস পর কেন্দ্রের পক্ষ থেকে আবার চিঠি।

সোমবার কেন্দ্রীয় কর্মীবর্গ দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অল ইন্ডিয়া সার্ভিস রুলসের ৬ ও ৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী আলাপনকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

ছয় নম্বর রুল অনুযায়ী গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেয়া হলে ওই ব্যক্তি মরে গেলে তার পরিবার সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে চিঠিতে বা সশরীরে জবাব দিতে হবে।

আলাপনের জবাব না পেলে এক তরফাভাবে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে ওই চিঠিতে হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে।

তৃণমূলের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে বারবার চিঠি দিয়ে হেনস্তা করে বাংলায় হারের প্রতিশোধ নিচ্ছে বিজেপি। বিজেপির এই রাজনীতি ন্যাক্কারজনক। আসলে বাংলায় হার মেনে নিতে পারছে না দলটি। তাই বারবার রাজ্য সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছে।’

আলাপন ইস্যুতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, ‘তাদের কথা না শুনলে দেখে নেয়ার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে কেন্দ্র। ক্ষমতার অপব্যবহার করছে সরকার।’

আরও পড়ুন:
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী চেয়ে টুইটারে হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড

শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিষয়ে বলবেন চমস্কি

বাংলাদেশ বিষয়ে বলবেন চমস্কি

বিশ্বরাজনীতির বিশ্লেষক নোয়াম চমস্কি। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামভিত্তিক একজন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক রিপন বলেন, ‘২০১৮ সালে নোয়াম চমস্কিকে পাঠানো আমার একটি ই-মেইলের জবাব দেন তিনি নিজেই। রাজনীতি, সাংবাদিকতা ও জীবন সম্পর্কীয় আমার বিভিন্ন অভিমত তার ভালো লাগে। এর পরই তিনি আমাকে সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হন।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী, দার্শনিক ও বিশ্বরাজনীতির বিশ্লেষক নোয়াম চমস্কি প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের একটি ফেসবুক লাইভে যুক্ত হতে যাচ্ছেন।

বুধবার সকাল ১০টায় টি-কাপ নামের বাংলাদেশের একটি সাক্ষাৎকারভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের ফেসবুক লাইভে যুক্ত হবেন তিনি।

সরাসরি যুক্ত হয়ে চমস্কি কথা বলবেন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের রাজনীতি এবং সম্ভাবনা ও শরণার্থী ইস্যুতে। এ সময় দক্ষিণ এশিয়ার সমসাময়িক রাজনীতিও গুরুত্ব পাবে তার আলোচনায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টি-কাপের প্রতিষ্ঠাতা ও অনুষ্ঠানটির উপস্থাপক তানবিরুল মিরাজ রিপন।

চট্টগ্রামভিত্তিক একজন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক রিপন বলেন, ‘২০১৮ সালে নোয়াম চমস্কিকে পাঠানো আমার একটি ই-মেইলের জবাব দেন তিনি নিজেই। রাজনীতি, সাংবাদিকতা ও জীবন সম্পর্কীয় আমার বিভিন্ন অভিমত তার ভালো লাগে। এর পরই তিনি আমাকে সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হন।’

টি-কাপ একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশের সম্ভাবনাসহ দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক বিষয়ে সাক্ষাৎকারের আয়োজন করে থাকে।

প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ইস্যুতে বিশ্বের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের আয়োজন করে থাকে।

এবারের অনুষ্ঠানটির প্রযোজনা করেছে টি-কাপের আরেকটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান মোহর ফ্যাশন হাউস।

নোয়াম চমস্কির সাক্ষাৎকারটি সরাসরি দেখা যাবে টি-কাপের ফেসবুক পেজে। যার লিংক হচ্ছে https://www.facebook.com/tcupinterview/।

নোয়াম চমস্কি বিশ্বরাজনীতি ও সামাজিক ইস্যুতে একজন গঠনমূলক সমালোচক হিসেবে খ্যাতি পেয়েছেন।

আরও পড়ুন:
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী চেয়ে টুইটারে হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড

শেয়ার করুন

‘বাংলাকে টুকরো করতে চাইছে বিজেপি’

‘বাংলাকে টুকরো করতে চাইছে বিজেপি’

সাংসদ অধীর চৌধুরী বলেন, ‘আরএসএসের নীতি মেনে পরিকল্পিতভাবে বাংলা ভাগের দাবি তুলছে বিজেপি। কারণ তারা বুঝে গেছে ২০২৪ সালে মোদি চমক আর কাজ করবে না। তাই ছলেবলে নির্বাচনে জেতার পরিকল্পনা করছে।’

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠনের স্বপ্ন চুরমার করে দিয়ে তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দল তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটে হেরে গিয়ে বিজেপি এখন বাংলাকে টুকরো করার ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের।

মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপিকে আক্রমণ করে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, ‘ভোটে হেরে গিয়ে নানাভাবে রাজ্যকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছে বিজেপি।’

বিজেপির দুই সাংসদ জন বার্লা ও সৌমিত্র খাঁ বাংলা ভাগের দাবি তোলায় তাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও হয়েছে।

এর আগে বিজেপির জন বার্লা উত্তরবঙ্গের সাত জেলা নিয়ে আলাদা রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণার দাবি তোলেন।

সোমবার বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ‘জঙ্গলমহল একই দাবি করতে পারে, কেননা রাঢ়বঙ্গও উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত’ এমন মন্তব্য করে বিতর্ক উস্কে দেন।

আর এই উস্কানিমূলক মন্তব্যের জন্য আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে বলে অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারের জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি বাবুল কর থানায় এফআইআর করেন।

তৃণমূলের যুব সভাপতি বাবুল কর বলেন, ‘আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জন বার্লা এবং বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ নিজেরাই ক্রিমিনাল ।এদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা হোক।’

আলিপুরদুয়ার থানার আইসি এস প্রধান বলেন, ‘অভিযোগ নেয়া হয়েছে। তদন্ত শুরু হবে। সেই মতো ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এদিন থানার বাইরে তৃণমূলকর্মীরা উত্তরবঙ্গ ভাগের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ দেখান। অন্যদিকে জন বার্লার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় সাতটি অভিযোগ হয়েছে।

এদিকে জন বার্লার দাবিকে সমর্থন জানিয়েছেন বিজেপির উত্তরের দুই বিধায়ক আনন্দময় বর্মন এবং নীরজ জিম্বা। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সাফাই, ‘বঞ্চনা হয়েছে। তাই তার কথা বলছেন সকলে। একে বঙ্গভঙ্গের দাবি হিসেবে দেখা অনুচিত।’

শুধু তৃণমূল নয়। সিপিএম এবং কংগ্রেসও বিজেপির বাংলা ভাগের দাবিকে চক্রান্ত বলে মনে করে। তারা বাংলার মানুষকে সজাগ থাকতে বলেছেন।

বিজেপি নেতাদের বাংলা ভাগ করার দাবি আসলে রাষ্ট্রীয় সেবক সংঘের (আরএসএস) পরিকল্পনার অংশ বলে মনে করেন বহরমপুর সাংসদ অধীর চৌধুরী।

মঙ্গলবার তিনি বহরমপুরে বলেন, ‘আরএসএসের নীতি মেনে পরিকল্পিতভাবে বাংলা ভাগের দাবি তুলছে বিজেপি। কারণ তারা বুঝে গেছে ২০২৪ সালে মোদি চমক আর কাজ করবে না। তাই ছলেবলে নির্বাচনে জেতার পরিকল্পনা করছে।’

সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘বিজেপির বাংলা ভাগের চক্রান্তে মানুষকে সজাগ থাকতে হবে।’

বিশিষ্ট সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে নতুন করে বঙ্গভঙ্গ রোধ করতে হবে।’

মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সাফকথা, ‘প্রাণ থাকতে বাংলাকে ভাগ হতে দেব না।’

বাংলা ভাগের দাবি তুলে রাজ্যজুড়ে বিতর্কের মুখে পড়ে বিজেপির শীর্ষ নেতারা বলছেন, ‘বিজেপি বাংলা ভাগ চায় না । কেউ যদি বলে থাকে, সেটি তাদের ব্যক্তিগত মত।’

আরও পড়ুন:
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী চেয়ে টুইটারে হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড

শেয়ার করুন

আফগানিস্তানে সেনা প্রত্যাহার ধীরগতিতে হতে পারে: পেন্টাগন

আফগানিস্তানে সেনা প্রত্যাহার ধীরগতিতে হতে পারে: পেন্টাগন

আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের গতি ধীর হতে পারে বলে জানায় পেন্টাগন। ছবি: এএফপি

পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, ‘তালেবান হামলা বৃদ্ধি অব্যাহত রাখায় আফগানিস্তানের পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। সহিংসতার পাশাপাশি জেলা শহরে হানা দিচ্ছে ওই সংগঠন।’

আফগানিস্তানের কয়েকটি অঞ্চল তালেবানের দখলে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে দেশটি থেকে সেনা প্রত্যাহারের গতি ধীর হতে পারে বলে মন্তব্য করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি মঙ্গলবার এ মন্তব্য করেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

কিরবি বলেন, চলতি বছরের ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সব সেনা প্রত্যাহারের সময়সীমা আগের মতোই রয়েছে। তবে প্রত্যাহারের গতিতে পরিবর্তন আসতে পারে।

গত সপ্তাহে পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, আফগানিস্তানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার-প্রক্রিয়া প্রায় অর্ধেক শেষ হয়েছে।

চলতি বছরের ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে নিজেদের সব সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা এপ্রিলে দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

বিশ্বের সামরিক জোট ন্যাটো সদস্যভুক্ত অন্যান্য দেশও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সুর মিলিয়ে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়।

সেনা প্রত্যাহারে ন্যাটোর ঘোষণার পরপরই আফগানিস্তানে সহিংসতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

গত মাসে আফগানিস্তানজুড়ে হামলা বাড়িয়ে দেয় তালেবান। দেশটির ৩০টির বেশি জেলা দখলে নিয়েছে বলে দাবি সংগঠনটির।

তালেবানের ভাষ্য, আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় কুনদুজ প্রদেশের প্রায় পুরোটাই এখন সংগঠনের নিয়ন্ত্রণে। শুধু প্রদেশটির রাজধানী আফগান সরকারের দখলে রয়েছে।

আফগান পুলিশ বার্তা সংস্থা এপিকে জানায়, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কুনদুজ প্রদেশের রাজধানী কুনদুজের চারদিক ঘিরে রয়েছে তালেবান।

২০১৫ সালে অল্প সময়ের জন্য ওই রাজধানী দখল করেছিল তালেবান। পরে এটি ন্যাটো-সমর্থিত আফগান সরকারের বাহিনী নিয়ন্ত্রণে নেয়।

পেন্টাগনের মুখপাত্র কিরবি বলেন, ‘তালেবান হামলা বৃদ্ধি অব্যাহত রাখায় আফগানিস্তানের পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। সহিংসতার পাশাপাশি জেলা শহরে হানা দিচ্ছে ওই সংগঠন।’

তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়ার গতিতে পরিবর্তনের দরকার হলে আমরা বিষয়টি বিবেচনা করব।

‘আফগানিস্তানের সার্বিক পরিস্থিতি আমরা প্রতিদিন লক্ষ করছি। সেখানে আমাদের সক্ষমতা ও সেনা প্রত্যাহারে বাড়তি রসদের প্রয়োজনীয়তার দিকেও নজর দেয়া হচ্ছে। যথাযথ সময়ে এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

২০০১ সালে তালেবানকে আফগানিস্তানের ক্ষমতা থেকে হটায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনী। নিউ ইয়র্কে ৯/১১ হামলায় জড়িত আল-কায়েদার প্রধান ওসামা বিন লাদেনসহ সংগঠনের অন্য নেতাদের আশ্রয় দিয়েছিল তালেবান।

আরও পড়ুন:
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী চেয়ে টুইটারে হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড

শেয়ার করুন

ছত্তিশগড়ে ৮০০ কেজি গোবর চুরি

ছত্তিশগড়ে ৮০০ কেজি গোবর চুরি

ভারতের ছত্তিশগড়ে সম্প্রতি ৮০০ কেজি গোবর চুরির ঘটনা ঘটে। ছবি: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

দিপকা থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক সুরেশ কুমা নিশ্চিত করে বলেন, ‘১ হাজার ৬০০ রুপি মূল্যের গোবর চুরির ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।’

ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যের এক গ্রাম থেকে ৮০০ কেজি গোবর চুরি হয়েছে।

রোববার স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তা বিষয়টি জানান বলে দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেন, ছত্তিশগড়ের কোরবা জেলার ধুরেনা গ্রামের দিপকা থানাধীন এলাকা থেকে ১ হাজার ৬০০ রুপি মূল্যের ৮০০ কেজি গোবর চুরি হয়। ৮ ও ৯ জুনের মধ্যে এ গোবর চুরির ঘটনা ঘটে।

দিপকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হরিশ টেনডেকার সাংবাদিকদের বলেন, ‘গোবর চুরির ঘটনায় ১৫ জুন গ্রামের এক সমিতির প্রধান কামহান সিং কানওয়ার মামলা করেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।’

দিপকা থানার সহকারী উপপরিদর্শক সুরেশ কুমার নিশ্চিত করে বলেন, ‘১ হাজার ৬০০ রুপি মূল্যের গোবর চুরির ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।’

সম্প্রতি ছত্তিশগড় রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, গোথানে ভারমিকমপোস্ট উৎপাদনের লক্ষ্যে ‘গোধন ন্যায় যোজনা’ কর্মসূচির আওতায় এক কেজি গোবর ২ রুপিতে কেনা হবে।

রাজ্য সরকারের ওই ঘোষণার পরপরই ছত্তিশগড়ে গোবর মূল্যবান পণ্যে পরিণত হয়।

ধুরেনা গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে বলা হয়, কর্মসূচি ঘোষণার পর অল্প কিছু অর্থের বিনিময়ে গোবর সংগ্রহ করছে তারা।

আরও পড়ুন:
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী চেয়ে টুইটারে হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড

শেয়ার করুন