একসঙ্গে ১০ সন্তানের জন্ম দিলেন তিনি

একসঙ্গে ১০টি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এক নারী। ছবি: সংগৃহীত

একসঙ্গে ১০ সন্তানের জন্ম দিলেন তিনি

৭ জুন প্রিটোরিয়ার একটি হাসপাতালে সিজারের মাধ্যমে ১০ সন্তানের জন্ম দেন গোসিআমে। হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১০টি শিশুই বেঁচে আছে এবং তারা আগামী কয়েক মাস ইনকিউবেটরের মধ্যে থাকবে।

একসঙ্গে ১০টি সন্তানের জন্ম দিয়ে নতুন রেকর্ড গড়ার দাবি করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এক নারী।

যদি ৩৭ বছর বয়সী গোসিআমে থামারা শিথলের দাবি চিকিৎসকরা সত্য বলে স্বীকৃতি দেন তবে তিনি গিনিস ওয়ার্ল্ড বুকে নিজের নাম লেখাতে যাচ্ছেন।

এখন পর্যন্ত একসঙ্গে সবচেয়ে বেশি ৯ সন্তান জন্ম দেয়ার রেকর্ডের অধিকারী হলেন মরক্কোর নারী হালিমা সিসে।

সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউ নিউজের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

৭ জুন প্রিটোরিয়ার একটি হাসপাতালে সিজারের মাধ্যমে ১০টি শিশুর জন্ম দেন গোসিআমে।

এর আগে, পরীক্ষায় দেখা গিয়েছিল এই নারীর গর্ভে ৮টি শিশু রয়েছে। সংবাদমাধ্যম আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অপর দুটি শিশু অন্য টিউবে অবস্থান করায় পরীক্ষায় শনাক্ত হয়নি।

সংবাদমাধ্যম মেইল অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিথলে নামের ওই নারী দাবি করেন তার এমন গর্ভধারণ স্বাভাবিক নিয়মেই হয়েছে।

তবে অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালে খুব সহজ ছিল না। পায়ের ব্যথা ও বুক জ্বলা তাকে ভীষণ ভুগিয়েছে। এ সময় তিনি ঝুঁকিপূর্ণ এমন গর্ভের সন্তানদের সুস্থতার বিষয়ে খুবই শঙ্কিত হয়ে পড়েন।

হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১০টি শিশুই বেঁচে আছে এবং তারা আগামী কয়েক মাস ইনকিউবেটরের ভেতরে থাকবে।

এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে শিথলের স্বামী টেবোহো টিসোটেটসি বলেন, ‘আমি একই সঙ্গে খুবই আনন্দিত ও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছি।

‘জন্ম নেয়া শিশুদের সাতটি ছেলে ও তিনটি মেয়ে। গর্ভধারণের সময়কাল ছিল সাত মাস সাত দিন। আমি আবেগের কারণে আর কথা বলতে পারছি না। আমাদের ছয় বছর বয়সী দুটি যমজ সন্তান রয়েছে।’

এর আগে, হালিমা সিসের জন্ম দেয়া ৯ সন্তানের সবাই জীবিত হয়েছিল। হালিমার আগে, একসঙ্গে সবচেয়ে বেশি সন্তান জন্ম দেয়ার রেকর্ডের অধিকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের এক নারী। তিনি একসঙ্গে ৮টি জীবিত সন্তান জন্ম দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন:
একসঙ্গে ৩ কন্যাসন্তানের জন্ম
১০ হাজার টাকা ও থ্রি-পিসে সন্তান বিক্রি
ট্রেনে সন্তান প্রসব: মিতালী ট্রেনের নামে নবজাতকের নাম

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জলে ভাসতে যাচ্ছে ভারতে তৈরি প্রথম যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী

জলে ভাসতে যাচ্ছে ভারতে তৈরি প্রথম যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী

এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার ‘আইএনএস বিক্রান্ত’।

নৌবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত ভারতে যত রণতরী তৈরি হয়েছে এর মধ্যে এটির ডিজাইন সবচেয়ে জটিল। এটি দৈর্ঘ্যে ২৮২ মিটার, প্রস্থে ৬২ মিটার। রণতরীতে একসঙ্গে ২৫-৪০টি এয়ারক্রাফট থাকতে পারবে।

পরিকল্পনা শুরু হয়েছিল ৩০ বছর আগে। অবশেষে সব বাধা পেরিয়ে জলে নামতে চলেছে ভারতে তৈরি প্রথম এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার ‘আইএনএস বিক্রান্ত’।

রণতরীটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল ১৯৯৯ এ। এরপর নানা কারণে পিছিয়ে যেতে থাকে কয়েক হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প। এর মধ্যে কোভিডের দাপাদাপিতে নতুন করে ধাক্কা খায় প্রকল্পের অগ্রগতি। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং শুক্রবার জানিয়েছেন, আগামী বছরই শত্রু মোকাবিলায় সমুদ্রে নামবে রণতরীটি।

‘আইএনএস বিক্রান্ত’ ইন্ডিজেনাস এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার ১ বা আইএসি-১ নামেও পরিচিত। কেরলের কোচি শিপইয়ার্ড লিমিটেডে নির্মিত হয়েছে এই যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী। কোচিতে ওই এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করে রাজনাথ সিং বলেন, ‘আগামী বছরই জলে নামবে এই রণতরী। আগামী বছর ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্ণ হবে। এ উপলক্ষে দেশের নৌবাহিনীতে বড় একটি সাফল্যের ঘোষণা হতে চলেছে।’

২৪ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প শেষ করার লক্ষ্য ছিল ২০১৮ এ। তবে নানা কারণে সেটি পিছিয়ে যায়। নৌবাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, ২০২০ সালের নভেম্বরে রণতরীটির ট্রায়াল শেষ হয়েছে। এই রণতরীর ৪০ হাজার টন ওজন বহন করার ক্ষমতা থাকবে বলে জানা গেছে।

১৯৯৯ সালে তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জর্জ ফার্নান্ডেজের তত্ত্বাবধানে প্রথম এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ২০১১ সালে এর নির্মাণকাজ মোটামুটিভাবে শেষ হয়। ২০১৩-র ১২ আগস্ট প্রথম জলে নামানো হয় রণতরীটিকে।

নৌবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত ভারতে যত রণতরী তৈরি হয়েছে এর মধ্যে এটির ডিজাইন সবচেয়ে জটিল। এটি দৈর্ঘ্যে ২৮২ মিটার, প্রস্থে ৬২ মিটার। রণতরীতে একসঙ্গে ২৫-৪০টি এয়ারক্রাফট থাকতে পারবে।

এই রণতরীতে যে যুদ্ধাস্ত্র আছে সেটি যে কোনো ধরনের রণকৌশলের সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারবে। এতে রয়েছে দুটি ৩২ সেল যুক্ত ভার্টিকাল লঞ্চ সিস্টেম, যেখান থেকে ৬২টি মিসাইল ছোড়া সম্ভব। ইজরায়েলের তৈরি বারাক ওয়ান মিসাইল সিস্টেমও থাকবে আইএনএস বিক্রান্তে।

আরও পড়ুন:
একসঙ্গে ৩ কন্যাসন্তানের জন্ম
১০ হাজার টাকা ও থ্রি-পিসে সন্তান বিক্রি
ট্রেনে সন্তান প্রসব: মিতালী ট্রেনের নামে নবজাতকের নাম

শেয়ার করুন

মোবাইলে ৫ মিনিটের বেশি কথা বললে কর

মোবাইলে ৫ মিনিটের বেশি কথা বললে কর

পাঁচ মিনিটেরও বেশি সময় মোবাইল ফোনে টানা কথা বললে তার ওপর কর আরোপ করবে পাকিস্তান সরকার। ছবি: সংগৃহীত

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মোবাইলে পাঁচ মিনিটের বেশি কথা বললে ৭৫ পয়সা বেশি হারে সম্পূরক শুল্ক দিতে হবে। তবে এসএমএস এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর কোনো শুল্ক থাকছে না।’

পাঁচ মিনিটেরও বেশি সময় মোবাইল ফোনে টানা কথা বললে তার ওপর কর আরোপ করবে পাকিস্তান সরকার।

জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটের ওপর বিতর্ক শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী শওকত তারিন এই ঘোষণা দেন।

ডেপুটি স্পিকার কাসিম সুরির সভাপতিত্বে এই অধিবেশনে রাজস্ব আদায়ের বিষয়ে সিনেটর ও বিরোধী দলের আইনপ্রণেতাদের সুপারিশের জবাবে এ ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী ।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মোবাইলে পাঁচ মিনিটের বেশি কথা বললে ৭৫ পয়সা বেশি হারে সম্পূরক শুল্ক দিতে হবে। তবে এসএমএস এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর কোনো শুল্ক থাকছে না।’

দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও মন্ত্রিসভা মোবাইলে কথা বলার ওপর বাড়তি সারচার্জ আরোপের বিপক্ষে থাকলেও অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে হঠাৎই এমন ঘোষণা এসেছে।

দেশটির সরকার তার উচ্চাভিলাষী রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৫ হাজার ৮০০ বিলিয়ন রুপি নির্ধারণ করেছে এবং মন্ত্রী জানান তাদের নেয়া সুপারিশ কার্যকর হলে ১২ ধরনের বকেয়া কর থেকে মুক্তি পাবে সরকার।

মোবাইলে ৫ মিনিটের বেশি কথা বললে কর

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে বাজেটের ওপর আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন অর্থমন্ত্রী শওকত তারিন। ছবি: সংগৃহীত

তিনি আরও জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হেনস্তার কারণে অনেক করদাতা তাদের রিটার্ন জমা দেয়া থেকে বিরত থাকেন। এক্ষেত্রে তিনি একটি নিরপেক্ষ তৃতীয় পক্ষের কাছে কর আদায়ের দায়িত্ব স্থানান্তরের কথা জানান।

আরও পড়ুন:
একসঙ্গে ৩ কন্যাসন্তানের জন্ম
১০ হাজার টাকা ও থ্রি-পিসে সন্তান বিক্রি
ট্রেনে সন্তান প্রসব: মিতালী ট্রেনের নামে নবজাতকের নাম

শেয়ার করুন

করোনার নয়, হামের টিকা নিয়েছিলেন মিমি

করোনার নয়, হামের টিকা নিয়েছিলেন মিমি

করোনার বদলে হামের টিকা নিয়ে প্রতারণার শিকার হন পশ্চিমবঙ্গের সাংসদ ও অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। ছবি: সংগৃহীত

টিকাকরণে উৎসাহ দিতে ওই শিবির থেকে টিকা নেন যাদবপুরের সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। কিন্তু টিকা নেয়ার মেসেজ তার ফোনে না আসায় সন্দেহ হয়। মিমি পুলিশকে জানালে ভুয়া টিকাকরণের বিষয়টি সামনে চলে আসে।

কলকাতা পুরসভার নামে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভুয়া প্রতিষেধক শিবির চালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার ভুয়া আইএএস কর্মকর্তা দেবাঞ্জন দেবকে জেরা করে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা। করোনার বদলে হাম বা বিসিজির টিকা নিয়ে প্রতারণার শিকার হন পশ্চিমবঙ্গের সাংসদ ও অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীসহ অনেকে।

এ নিয়ে দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের একসঙ্গে উপস্থিতির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে এ ঘটনায় তৃণমূল যোগের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে বিজেপি।

ভুয়া টিকা শিবিরে কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিন নয়, তার বদলে বিসিজি বা হামের টিকা দেয়া হয়েছে বলে তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে অনুমান করছেন।

এ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, 'এ রাজ্যে সবকিছু বেআইনিভাবে চলে, তা থেকে টাকা কামানোও হয় । এসবের মধ্যে তৃণমূলের নেতারাও যুক্ত। একজন সাংসদ কীভাবে এসব খোঁজখবর না নিয়ে গেলেন?'

কলকাতায় টিকা জালিয়াতি নিয়ে রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘কলকাতাসহ সারা রাজ্যে টিকা দেয়ার কাজ সন্তোষজনক। একজন অপরাধ করেছে। পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।

‘নেতাদের সঙ্গে ছবি কিছু প্রমাণ করে না। তাহলে সামাজিক অনুষ্ঠানে গিয়ে সবার পরিচয় যাচাই করতে হয়।’

টানা ১০ দিন কলকাতা পুরসভার নামে কসবায় বিনা মূল্যে করোনার টিকাকরণের শিবির চালাচ্ছিলেন দেবাঞ্জন।

টিকাকরণে উৎসাহ দিতে ওই শিবির থেকে টিকা নেন যাদবপুরের সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। কিন্তু টিকা নেয়ার মেসেজ তার ফোনে না আসায় সন্দেহ হয়।

মিমি পুলিশকে জানালে ভুয়া টিকাকরণের বিষয়টি সামনে চলে আসে।

তদন্তে নেমে দেবাঞ্জনকে জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, শুধু কসবা নয়, আমহার্স্ট স্ট্রিট সিটি কলেজেও দেবাঞ্জন একই রকম ভুয়া টিকাকরণের শিবির করেছিলেন।

কলকাতা পুরসভার নামে বেআইনি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন দেবাঞ্জন। ভারত সরকারের স্টিকার, নীল বাতি লাগানো সাদা টয়োটা গাড়ি চড়ে ঘুরে বেড়াতেন দেবাঞ্জন। এলাকায় প্রভাবশালী পরিচিত ছিলেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

দেবাঞ্জনের কাছ থেকে কলকাতা পুরসভার সিলমোহর, প্যাড, অন্যান্য কাগজপত্র এবং তার কসবার নিউমার্কেটের অফিস থেকে ভুয়া টিকা বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা।

প্রায় ২৫ লাখ টাকা মূল্যের মাস্ক, স্যানিটাইজার, হ্যান্ডওয়াশ ও অক্সিমিটার দেবাঞ্জন মজুত করেছিলেন পরে চড়া দামে বিক্রি করবেন বলে।

যে ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থার কাছ থেকে পুরসভার নাম ভাঙিয়ে ঋণ নিয়েছিলেন দেবাঞ্জন, সে সংস্থা তালতলা থানায় অভিযোগ করেছে।

টিকা দেয়ার জন্য ১৩ জনের একটি দল গঠন করেছিলেন দেবাঞ্জন। এ দলে কারা ছিলেন, তারা ডাক্তার নাকি নার্স, এসব জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

শুক্রবার লালবাজারের তদন্তকারী কর্মকর্তা দেবাঞ্জনের কাছ থেকে জানতে চেষ্টা করবেন এ প্রতারণা চক্রের সঙ্গে আর কারা, কীভাবে যুক্ত। টিকার ভায়াল এল কোথা থেকে এবং আর কোথাও এমন ভুয়া শিবির চলছে কি না।

বাগরি মার্কেট থেকে কিনে এনে নকল স্টিকার লাগানো টিকার ভায়ালে কী ছিল, তা জানতে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে, কলকাতা পুলিশ ও পুরসভার নজর এড়িয়ে ভুয়া টিকাকরণের এমন শিবির এতদিন ধরে চলল কী করে।

এদিকে ভুয়া টিকা নেয়া ব্যক্তিদের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া জানতে কলকাতা পুরসভা তাদের শারীরিক পরীক্ষা করছে।

ভুয়া টিকা নেয়া মিমি চক্রবর্তী শুক্রবার পরীক্ষা করাবেন বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন:
একসঙ্গে ৩ কন্যাসন্তানের জন্ম
১০ হাজার টাকা ও থ্রি-পিসে সন্তান বিক্রি
ট্রেনে সন্তান প্রসব: মিতালী ট্রেনের নামে নবজাতকের নাম

শেয়ার করুন

চড়া দামে জাল টিকা বিক্রির অভিযোগ

চড়া দামে জাল টিকা বিক্রির অভিযোগ

কলকাতায় দেবাঞ্জন দেবের বিরুদ্ধে ভুয়া টিকা বিক্রির অভিযোগ ওঠে। ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস

কলকাতা পুরসভার হাতে আসা এক নথিতে দেখা যায়, সরলা ডেভেলপমেন্ট মাইক্রোফিন্যান্স প্রাইভেট লিমিটেড নামের আর্থিক সংস্থাকে ১৭১টি করোনার টিকা বিক্রি করেছিলেন দেবাঞ্জন, যার দাম বাবদ ১.১১ লাখ টাকা দেবাঞ্জনকে দিয়েছিল সংস্থাটি।

কলকাতার কসবায় ভুয়া টিকাকরণ কেন্দ্র চালানোয় অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবের বিরুদ্ধে ভুয়া টিকা বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

একটি আর্থিক সংস্থাকে চড়া মূল্যে ১৭১টি করোনার টিকা বিক্রি করেছিলেন দেবাঞ্জন। সেই টিকা আসল না নকল, তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে শুক্রবার এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

কলকাতা পুরসভার হাতে আসা এক নথিতে দেখা যায়, সরলা ডেভেলপমেন্ট মাইক্রোফিন্যান্স প্রাইভেট লিমিটেড নামের আর্থিক সংস্থাকে ১৭১টি করোনার টিকা বিক্রি করেছিলেন দেবাঞ্জন, যার দাম বাবদ ১.১১ লাখ টাকা দেবাঞ্জনকে দিয়েছিল সংস্থাটি।

সেই টিকা জাল বলেই অনুমান তদন্তকারীদের। সঙ্গে আর কোনো সংস্থাকে দেবাঞ্জন এভাবে টিকা বিক্রি করেছিল কি না তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

এই চক্রে রাজ্য সরকার বা কলকাতা পুরসভার কোনো আধিকারিক যুক্ত কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সপ্তাহ কয়েক আগে কসবায় নিজের অফিসের কর্মীদের টিকা দেন দেবাঞ্জন। তাদের স্পুতনিক ভি টিকা দেয়া হয় বলে দাবি।

তবে গোয়েন্দাদের প্রশ্ন, স্পুতনিক ভি টিকা দেবাঞ্জন পেলেন কোথা থেকে? কারণ কয়েক সপ্তাহ ধরে কলকাতায় পরীক্ষামূলকভাবে ওই টিকা দেয়া হচ্ছে। শহরে পৌঁছেছে অল্প কিছু টিকা। সেই টিকাও জাল বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা।

টিকা নেয়ার পর কর্মীদের কাছে কোনো এসএমএস পৌঁছায়নি বলে দাবি করেছেন তারা।

আরও পড়ুন:
একসঙ্গে ৩ কন্যাসন্তানের জন্ম
১০ হাজার টাকা ও থ্রি-পিসে সন্তান বিক্রি
ট্রেনে সন্তান প্রসব: মিতালী ট্রেনের নামে নবজাতকের নাম

শেয়ার করুন

চীনে করোনা সংক্রমণ শুরু হতে পারে উনিশের অক্টোবরে

চীনে করোনা সংক্রমণ শুরু হতে পারে উনিশের অক্টোবরে

২০১৯ সালের অক্টোবরে চীনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হতে পারে নতুন এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ছবি: এএফপি

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অফ কেন্টের বিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা যায়, ২০১৯ সালের অক্টোবরের শুরুর দিকে থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে সার্স-কোভ-২ এর আবির্ভাব হয়।

২০১৯ সালের অক্টোবরে চীনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হতে পারে। এর দুই মাস পর ডিসেম্বরে দেশটির উহান শহরে মানবদেহে ভাইরাসটির অস্তিত্ব প্রথম শনাক্ত হয়।

চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকী পিএলওএস প্যাথোজেন্সে শুক্রবার প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অফ কেন্টের বিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা যায়, ২০১৯ সালের অক্টোবরের শুরুর দিকে থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে সার্স-কোভ-২ এর আবির্ভাব হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভাইরাসের আবির্ভাবের সম্ভাব্য তারিখ ২০১৯ সালের ১৭ নভেম্বর। পরের বছর ২০২০ সালের জানুয়ারির দিকে এটি সম্ভবত বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম করোনা শনাক্তের কথা বিশ্বকে জানায় চীন। উহান শহরের হুয়ানান সিফুড মার্কেট থেকে এটির সংক্রমণ হতে পারে বলে সে সময় ধারণা করা হয়।

ডিসেম্বরের আগে চীনে করোনার উপস্থিতির সঙ্গে হুয়ানান সিফুড মার্কেটের যোগসূত্র জানা যায়নি। এর অর্থ হলো মার্কেটটি থেকে ছড়ানোর আগেই সার্স-কোভ-২ এর সংক্রমণ শুরু হয়।

চলতি বছরে মার্চের শেষের দিকে চীন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) যৌথ গবেষণা প্রতিবেদনে অবশ্য স্বীকার করা হয়, উহানে প্রাদুর্ভাবের আগেই করোনায় বিছিন্নভাবে মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।

চলতি সপ্তাহে চীনে করোনা সংক্রমণের শুরুর দিকের ডিলিট করা সিকোয়েন্সিং ডাটা উদ্ধার করে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল শহরের ফ্রেড হাচিনসন ক্যান্সার রিসার্চ সেন্টারের বিজ্ঞানী ড. জেস ব্লুম।

ডাটায় দেখা যায়, হুয়ানান সিফুড মার্কেট থেকে সংগ্রহ করা নমুনা সামগ্রিকভাবে সার্স-কোভ-২কে প্রতিনিধিত্ব করে না; বরং হুয়ানান থেকে ছড়ানোর আগে এটির উপস্থিতি ডাটায় পাওয়া যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অফ হেলথ রয়টার্সকে জানায়, গত বছরের মার্চে গবেষণায় ব্যবহৃত নমুনা সিকোয়েন্স রিড আর্কাইভে জমা দেয়া হয়। পরে চীনের অনুসন্ধানকারীদের অনুরোধে সেসব ডিলিট করা হয়।

চীনা অনুসন্ধানকারীদের ভাষ্য ছিল, নমুনা হালনাগাদ করে অন্য আরেকটি আর্কাইভে জমা দেয়া হবে।

সমালোচকদের ভাষ্য, ডিলিট করায় এটাই প্রমাণ হয় যে, করোনার উৎস ঢাকার চেষ্টা করেছিল চীন।

হার্ভার্ডের ব্রড ইনস্টিটিউটের গবেষক অ্যালিনা চ্যান টুইটবার্তায় বলেন, ‘উহানে করোনা কীভাবে ছড়ায় এ তথ্য সংবলিত গুরুত্বপূর্ণ ডাটা ডিলিট করতে আন্তর্জাতিক ডাটাবেজকে বিজ্ঞানীরা কেন বলবেন?’

আরও পড়ুন:
একসঙ্গে ৩ কন্যাসন্তানের জন্ম
১০ হাজার টাকা ও থ্রি-পিসে সন্তান বিক্রি
ট্রেনে সন্তান প্রসব: মিতালী ট্রেনের নামে নবজাতকের নাম

শেয়ার করুন

অরুণাচলের গা ঘেঁষে ছুটছে চীনের বুলেট ট্রেন

অরুণাচলের গা ঘেঁষে ছুটছে চীনের বুলেট ট্রেন

বেইজিং ভারত সীমান্ত এলাকায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে অনেক দিন থেকেই জোর দিয়েছে। যার মধ্যে অরুণাচল সীমান্ত ঘেঁষে এই বুলেট ট্রেন অন্যতম।

চীন শাসিত তিব্বত থেকে প্রথম ইলেকট্রিকচালিত বুলেট ট্রেন চলাচল শুরু করেছে। পরীক্ষামূলক চললেও পুরোদমে ট্রেন চলাচল শুরু হবে আগামী ১ জুলাই।

ভারতের অরুণাচল রাজ্যে একেবারে সীমান্ত ঘেঁষে এই ট্রেন চলাচলে কিছুটা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে ভারত।

হঠাৎ করে কয়েক বছর থেকে অরুণাচলের আশপাশে প্রযুক্তির ব্যাপকতা বাড়িয়েছে চীন। ট্রেন চলাচল শুরুর ঘটনায় সীমান্ত এলাকার প্রত্যন্ত বসতির ওপর অতিরিক্ত নজরদারি শুরু করেছে ভারত।

বেইজিং ভারত সীমান্ত এলাকায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে অনেক দিন থেকেই জোর দিয়েছে। যার মধ্যে অরুণাচল সীমান্ত ঘেঁষে এই বুলেট ট্রেন অন্যতম।

এই ট্রেন ছুটবে অরুণাচল প্রদেশ সীমান্তে বেইজিং থেকে তিব্বতের লাসা পর্যন্ত। আর এই পরিস্থিতির জন্য সীমান্তে সামরিক ব্যবস্থাকে কঠোর করছে ভারত।

অরুণাচলের গা ঘেঁষে ছুটছে চীনের বুলেট ট্রেন
চীনের একটি বুলেট ট্রেন স্টেশন। ছবি: এএফপি

তিব্বতের লাসার নিংচি সেকশনে ৪৩৫ দশমিক ৫ কিলোমিটার পথে বুলেট ট্রেন চালাবে চীন। তিব্বতের এই প্রত্যন্ত এলাকায় এটাই প্রথম বুলেট ট্রেন।

১ জুলাই চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ১০০ বছর পূর্তি। আর সে উপলক্ষ্যেই বিরাট কর্মযজ্ঞ।

অরুণাচলের গা ঘেঁষে ছুটছে চীনের বুলেট ট্রেন
অরুণাচলের গা ঘেঁষে ছুটে চলতে প্রস্তুত চীনের বুলেট ট্রেন। ছবি: এএফপি

চীন বলছে, বুলেট ট্রেনের পরিকল্পনা দীর্ঘদিনের। ২০১৪ সাল থেকে কাজ শুরু হয়।

অরুণাচলের গা ঘেঁষে ছুটছে চীনের বুলেট ট্রেন
১ জুলাই থেকে চলাচল শুরুর আগে জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে ট্রেন। ছবি: এএফপি

চীন নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর বিভিন্ন স্থাপত্য ও উন্নয়ন দিয়ে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখার কথা বলছে।

আরও পড়ুন:
একসঙ্গে ৩ কন্যাসন্তানের জন্ম
১০ হাজার টাকা ও থ্রি-পিসে সন্তান বিক্রি
ট্রেনে সন্তান প্রসব: মিতালী ট্রেনের নামে নবজাতকের নাম

শেয়ার করুন

ডাবের পানি লবণের মিশ্রণে করোনা সারে না

ডাবের পানি লবণের মিশ্রণে করোনা সারে না

ইউনিভার্সিটি অফ ইন্দোনেশিয়ার মেডিক্যাল স্কুলের ডিন অধ্যাপক আরি ফাহরিয়াল সিয়াম জানান, করোনাভাইরাসের ওষুধ হিসেবে কথিত এ পথ্যের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তিনি বলেন, ‘এই পথ্য নিছক গুজব; মিথ্যা খবর। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তিকে সুস্থ করে তুলতে সক্ষম কোনো সুনির্দিষ্ট ওষুধই এখন পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি; না আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে, না ভেষজ পথ্য হিসেবে।’

ডাব বা নারিকেলের পানির সঙ্গে লবণ, মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে খেলে করোনাভাইরাস সেরে যায় বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে।

তবে বার্তা সংস্থা এএফপির ফ্যাক্ট চেক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দাবিটি সত্য নয়।

চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সেরে ওঠার সঙ্গে এ মিশ্রণ পান করার কোনো সম্পর্ক নেই।

ফেসবুকে করোনার প্রাকৃতিক বা ঘরোয়া ওষুধটির দাবি সংক্রান্ত পোস্টটি প্রথম প্রকাশ হয় গত ২৫ মে।

পোস্টে ইন্দোনেশিয়ার ভাষায় লেখা কথাটি অনুবাদ করলে দাঁড়ায়, ‘মহান আল্লাহ তায়ালার নামে শুরু করছি। করোনাভাইরাস থেকে আরোগ্য লাভের একটি প্রাকৃতিক পথ্য বা ওষুধ এটি। উপকরণ: ডাবের পানি, একটি লেবুর রস, আধা চা-চামচ লবণ ও দুই টেবিল চামচ মধু।

‘সব মিশিয়ে পান করে ফেলুন। আল্লাহ আপনার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করবেন। আমিন।’

পরে আরও বেশ কয়েকজন একই পোস্ট প্রকাশ করেছেন ফেসবুকে। কিন্তু এ দাবি মিথ্যা।

ইউনিভার্সিটি অফ ইন্দোনেশিয়ার মেডিক্যাল স্কুলের ডিন অধ্যাপক আরি ফাহরিয়াল সিয়াম জানান, করোনাভাইরাসের ওষুধ হিসেবে কথিত এ পথ্যের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

তিনি বলেন, ‘এই পথ্য নিছক গুজব; মিথ্যা খবর। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তিকে সুস্থ করে তুলতে সক্ষম কোনো সুনির্দিষ্ট ওষুধই এখন পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি; না আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে, না ভেষজ পথ্য হিসেবে।’

ইন্দোনেশিয়ার ইয়োগিজাকার্তা শহরের গাদজাহ মাদা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক জুলিয়ার ইকাবতি বলেন, ‘ফেসবুকের এসব পোস্ট ভিত্তিহীন। এসব দাবির পক্ষে কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ উপস্থাপন করেনি কেউ।’

করোনাভাইরাস প্রতিরোধ, প্রতিকার ও চিকিৎসাবিষয়ক এমন বেশ কয়েকটি তথ্য ভুয়া বলেও আগেও বের হয়ে এসেছে এএফপির ফ্যাক্ট চেকে।

এর আগে লবণ খাওয়া, লেবুর রস পান করা, অ্যাসপিরিন ওষুধ, লেবুর রস ও মধুর মিশ্রণ করোনার ঘরোয়া ওষুধ হিসেবে কার্যকর বলে ভিত্তিহীন দাবি করেছিলেন অনেকেই।

আরও পড়ুন:
একসঙ্গে ৩ কন্যাসন্তানের জন্ম
১০ হাজার টাকা ও থ্রি-পিসে সন্তান বিক্রি
ট্রেনে সন্তান প্রসব: মিতালী ট্রেনের নামে নবজাতকের নাম

শেয়ার করুন