বোকো হারামের প্রধান আত্মহত্যা করেছেন: আইএস

নাইজেরিয়ায় বোকো হারামের নেতা আবুবকর শেকাউয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে আইএস। ছবি: এএফপি

বোকো হারামের প্রধান আত্মহত্যা করেছেন: আইএস

আইএসের অডিও বার্তায় বলা হয়, ‘দুনিয়ায় অপদস্থ হওয়ার চেয়ে পরকালে অপদস্থ হওয়াটাই ঠিক মনে করেছেন শেকাউ। বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিজের জীবন নিয়েছেন তিনি।’

নাইজেরিয়ায় বিরোধীদের সঙ্গে লড়াইয়ের একপর্যায়ে দেশটির সশস্ত্র সংগঠন বোকো হারামের প্রধান আবুবকর শেকাউ আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেছে ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

স্থানীয় সময় রোববার আইএসের পশ্চিম আফ্রিকা প্রাদেশিক শাখার (আইএসডব্লিউএপি) কাছ থেকে পাওয়া অডিও বার্তায় এ দাবি করা হয় বলে বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

দুই সপ্তাহ আগে বোকো হারাম নেতা শেকাউয়ের মৃত্যুর খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে প্রকাশ হয়েছিল।

অডিও বার্তাটিতে কানুরি ভাষায় যে গলা ভেসে আসে, তার সঙ্গে আইএসডব্লিউএপির নেতা আবু মুসাব আল-বারনাউয়ির গলার মিল পাওয়া যায়।

বার্তায় বলা হয়, ‘দুনিয়ায় অপদস্থ হওয়ার চেয়ে পরকালে অপদস্থ হওয়াটাই ঠিক মনে করেছেন শেকাউ। বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিজের জীবন নিয়েছেন তিনি।’

নিজেদের নেতার মৃত্যুর বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি বোকো হারাম। এক দশকের বেশি সময় ধরে নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বে বিদ্রোহ করে আসছে সংগঠনটি।

নাইজেরিয়ার সামবিসা বনে বোকো হারামের ঘাঁটিতে কীভাবে নিজেদের যোদ্ধারা প্রবেশ করেছিল, তা অডিও বার্তায় বর্ণনা করে আইএসডব্লিউএপি। ওই সময় শেকাউ তার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

অডিও বার্তায় বক্তা বলেন, ‘সেখান থেকে শেকাউ পিছু হটে পালিয়ে যায়। পাঁচ দিন তিনি বনে-জঙ্গলে ঘুরে বেড়ান। আইএস যোদ্ধারা তার অবস্থান জানার আগ পর্যন্ত তন্নতন্ন করে তাকে খুঁজে বেড়ায়।’

একপর্যায়ে বনে খোঁজ পাওয়ার পর শেকাউ ও তার অনুসারীদের আত্মসমর্পণের অনুরোধ জানায় আইএসডব্লিউএপি যোদ্ধারা। তবে যোদ্ধাদের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে নিজের জীবন নেন শেকাউ।

বার্তায় বক্তা বলেন, ‘আমরা অনেক আনন্দিত। শেকাউ এমন এক ব্যক্তি যিনি অকল্পনীয় সন্ত্রাস ও নৃশংসতা চালিয়েছেন।’

গত মাসে সংঘর্ষে শেকাউয়ের মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন ওঠার পর নাইজেরিয়ার সেনাবাহিনী বিষয়টি তদন্ত করবে বলে জানিয়েছিল।

নাইজেরিয়ার সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইয়েরিমা বিবিসিকে বলেন, কী ঘটেছে সেনাবাহিনী তা খতিয়ে দেখছে। নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়ার আগে কোনো বিবৃতি দেয়া হবে না।

দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা এক সাংবাদিক বলেন, নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বে সামবিসা বনে বোকো হারামের ঘাঁটিতে আইএসডব্লিউএপির যোদ্ধারা হামলা চালায়। সেখানেই একপর্যায়ে সংগঠনের নেতা শেকাউয়ের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
নাইজেরিয়ায় ইসলামি স্কুল থেকে ২০০ শিশুকে অপহরণ
নৌকা দ্বিখণ্ডিত, নিখোঁজ ১৪০ যাত্রী
নাইজেরিয়ায় অপহৃত ২৭৯ স্কুলছাত্রী মুক্ত

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ভুল করে প্রধানমন্ত্রীর আসনে নেতানিয়াহু

ভুল করে প্রধানমন্ত্রীর আসনে নেতানিয়াহু

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে এক আইনপ্রণেতা বিনীতভাবে মনে করিয়ে দেন যে, এটি এখন আর তার আসন নয়। এর পরপরই প্রধানমন্ত্রীর আসন ছেড়ে উঠে যান নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

নেতানিয়াহুকে এক আইনপ্রণেতা এসে বিনীতভাবে মনে করিয়ে দেন যে, এটি এখন আর তার আসন নয়। তাকে আসনটি ছেড়ে দিতে হবে এবং এখন থেকে তাকে পার্লামেন্টের বিরোধীদলীয় প্রধানের আসনেই বসতে হবে। এর পরপরই আসন ছেড়ে উঠে যান নেতানিয়াহু।

পার্লামেন্টে চূড়ান্ত পর্যায়ে পরাজিত হওয়ার পর বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ভুল করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত আসনে বসে পড়েন। সম্ভবত টানা এক যুগের অভ্যাসের কারণেই তিনি সেই সংরক্ষিত আসনে বসে যান।

এসময় নেতানিয়াহুকে এক আইনপ্রণেতা এসে বিনীতভাবে মনে করিয়ে দেন যে, এটি এখন আর তার আসন নয়। তাকে আসনটি ছেড়ে দিতে হবে এবং এখন থেকে তাকে পার্লামেন্টের বিরোধীদলীয় প্রধানের আসনেই বসতে হবে। এর পরপরই আসন ছেড়ে উঠে যান নেতানিয়াহু।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন এমনটি উঠে আসে।

রোববার রাতে নেতানিয়াহুকে বাদ দিয়ে নতুন জোট সরকার গঠনের পক্ষে ভোটাভুটি হয়েছে দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটে। দেশটির ১২০ আসনের পার্লামেন্টে জোটের পক্ষে ভোট পড়ে ৬০টি। বিপক্ষে পড়ে ৫৯টি ভোট। এই সংখ্যাগরিষ্ঠতার মধ্য দিয়ে পাকাপোক্ত হয়ে যায় টানা এক যুগ ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিদায়।

নেতানিয়াহু উঠে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর সেই সংরক্ষিত আসনে বসার জন্য হাজির হন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট।

এসময় দুই বছরে চারবার নির্বাচনে সৃষ্ট রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার অঙ্গীকার করেন বেনেট।

আরও পড়ুন:
নাইজেরিয়ায় ইসলামি স্কুল থেকে ২০০ শিশুকে অপহরণ
নৌকা দ্বিখণ্ডিত, নিখোঁজ ১৪০ যাত্রী
নাইজেরিয়ায় অপহৃত ২৭৯ স্কুলছাত্রী মুক্ত

শেয়ার করুন

পশ্চিমবঙ্গে করোনা বিধিনিষেধে কিছুটা ছাড়

পশ্চিমবঙ্গে করোনা বিধিনিষেধে কিছুটা ছাড়

কলকাতা রেলওয়ে স্টেশন।

রাজ্যের মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদী বলেন, ‘এখনই বাস, লোকাল ট্রেন, মেট্রো পরিষেবা চালু হচ্ছে না। কিছু ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ শিথিল করা হলেও পুরোপুরি বিধিনিষেধ তুলে দেয়া হচ্ছে না।’

পশ্চিমবঙ্গে লকডাউনের মতো কড়া বিধিনিষেধ জারি থাকছে আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত। বাস, লোকাল ট্রেন, মেট্রোর মতো গণপরিবহন সবই বন্ধ থাকছে। তবে শর্তসাপেক্ষে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেয়া হয়েছে।

রাজ্য সরকারের আগে আরোপ করা কড়া বিধিনিষেধ শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় রাজ্য প্রশাসনের জারি করা কড়া বিধিনিষেধের ফলে সংক্রমণ কিছুটা কমেছে। তবে এখনই পুরোপুরি বিধিনিষেধ তুলে দেয়ার পক্ষে নয় রাজ্য সরকার।

সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিতিতে রাজ্যের মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদী বলেন, ‘এখনই বাস, লোকাল ট্রেন, মেট্রো পরিষেবা চালু হচ্ছে না। কিছু ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ শিথিল করা হলেও পুরোপুরি বিধিনিষেধ তুলে দেয়া হচ্ছে না।’

রাজ্য সরকারের জারি করা নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘গণপরিবহন পুরোপুরি বন্ধ থাকছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় খুচরা দোকানপাট সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। অন্য সমস্ত দোকান ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।’

টিকা নেয়া থাকলে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পার্কে প্রবেশ বা প্রাতঃভ্রমণের অনুমতি মিলবে। স্বাস্থ্য পরিষেবায় অটোরিকশা যাতায়াতে ছাড় দেয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের সংকটে মানুষের রোজগারের কথা মাথায় রেখে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫০ শতাংশ বসার জায়গা নিয়ে পানশালা, রেস্তোরাঁ খোলা যাবে। শুটিং ইউনিটে ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ করা যাবে। শপিংমলে ঢুকতে পারবেন ৩০ শতাংশ ক্রেতা।

এছাড়া সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা থাকবে। সরকারি অফিস চলবে ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে। বন্ধ থাকবে জিম, স্পা, সিনেমা, থিয়েটার হল। জরুরি পরিষেবা ছাড়া বাড়ির বাইরে না বের হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের ওই নির্দেশিকায়।

আরও পড়ুন:
নাইজেরিয়ায় ইসলামি স্কুল থেকে ২০০ শিশুকে অপহরণ
নৌকা দ্বিখণ্ডিত, নিখোঁজ ১৪০ যাত্রী
নাইজেরিয়ায় অপহৃত ২৭৯ স্কুলছাত্রী মুক্ত

শেয়ার করুন

উইঘুর নিয়ে বলায় জি-সেভেন নেতাদের নিন্দা চীনের

উইঘুর নিয়ে বলায় জি-সেভেন নেতাদের নিন্দা চীনের

জি-সেভেন সম্মেলনে শিনজিয়াং ও হংকংয়ে চীনের কার্যকলাপের সমালোচনা করেন জোটের নেতারা। ছবি: এএফপি

শুক্রবার শুরু হওয়া ৩ দিনের সম্মেলন শেষে জি-সেভেনের প্রজ্ঞাপনে শিনজিয়াংয়ে জাতিগত সংখ্যালঘু মুসলমান সম্প্রদায় ও হংকংয়ে গণতন্ত্রপন্থি অধিকারকর্মীদের ওপর চীনের নির্যাতনের সমালোচনা করা হয়।

বিশ্বের ধনী দেশের জোট জি-সেভেনের সম্মেলনে উইঘুরসহ অন্যান্য মুসলমান সম্প্রদায় ও হংকংয়ে গণতন্ত্রপন্থিদের ওপর চীনের নির্যাতনের সমালোচনা করে জোটটির নেতারা। এতে চটেছে চীন; দিয়েছে কড়া বিবৃতি।

যুক্তরাজ্যে চীনের দূতাবাস সোমবার ওই বিবৃতি দেয় বলে বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

শুক্রবার শুরু হওয়া ৩ দিনের সম্মেলন শেষে জি-সেভেনের প্রজ্ঞাপনে শিনজিয়াংয়ে জাতিগত সংখ্যালঘু মুসলমান সম্প্রদায় ও হংকংয়ে গণতন্ত্রপন্থি অধিকারকর্মীদের ওপর চীনের নির্যাতনের সমালোচনা করা হয়।

জি-সেভেনের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘আমরা আমাদের মূল্যবোধ প্রচারে আগ্রহী। এরই অংশ হিসেবে মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি সম্মান জানাতে চীনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।’

সম্মেলনে মানবাধিকার বিষয়ে আন্তর্জাতিক নীতি মেনে আরও দায়িত্বশীল আচরণ করতে চীনের প্রতি আহ্বান জানান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

চীনের দূতাবাসের এক মুখপাত্র বিবৃতিতে বলেন, ‘শিনজিয়াং সংশ্লিষ্ট বিষয়কে ঘিরে রাজনৈতিক রং দেয়ার চেষ্টা করছে জি-সেভেন। পাশাপাশি চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপেরও সুযোগ নিতে চাইছে তারা। আমরা এর তীব্র বিরোধিতা করি।’

বিশ্বের মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিভিন্ন সময় বলে আসছে, শিনজিয়াংয়ের বন্দিশিবিরে প্রায় ১০ লাখ উইঘুরসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে আটকে রেখেছে চীন।

উইঘুর নিয়ে বলায় জি-সেভেন নেতাদের নিন্দা চীনের

নিউ ইয়র্কে উইঘুরদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ। ছবি: এএফপি

অন্যদিকে চীনের ভাষ্য, সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদবিরোধী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে বন্দিশিবিরগুলোকে মূলত কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কর্নওয়াল কাউন্টিতে শুক্রবার থেকে টানা তিন দিনব্যাপী সম্মেলনে বসেন জি-সেভেনভুক্ত সাত দেশ কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতারা। সেখানে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবাধিকার ও বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা হয়।

সম্মেলনে চীনে করোনার উৎস নতুন করে অনুসন্ধানেরও আহ্বান জানান জি-সেভেনের নেতারা। এ নিয়েও প্রতিক্রিয়া জানায় চীনের দূতাবাস।

দূতাবাসের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সাম্প্রতিক মহামারি এখনও বিশ্বব্যাপী দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। বৈশ্বিক বিজ্ঞানীদের অংশগ্রহণেই করোনার উৎস সংক্রান্ত অনুসন্ধান শুরু করা উচিত। এ নিয়ে রাজনীতি করা ঠিক হবে না।’

২০১৯ সালের শেষের দিকে চীনের উহান শহরে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ভাইরাসটির উৎস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ নিয়ে গঠিত দল উহানে পাঠায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

তবে মার্চে প্রকাশিত বিশেষজ্ঞ দলটির অনুসন্ধানের প্রতিবেদন সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। প্রতিবেদনটিতে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে বলে বিশ্বব্যাপী এ নিয়ে সমালোচনাও হয়।

আরও পড়ুন:
নাইজেরিয়ায় ইসলামি স্কুল থেকে ২০০ শিশুকে অপহরণ
নৌকা দ্বিখণ্ডিত, নিখোঁজ ১৪০ যাত্রী
নাইজেরিয়ায় অপহৃত ২৭৯ স্কুলছাত্রী মুক্ত

শেয়ার করুন

দরিদ্র দেশে ১০০ কোটি টিকার অঙ্গীকার জি-সেভেনের: জনসন

দরিদ্র দেশে ১০০ কোটি টিকার অঙ্গীকার জি-সেভেনের: জনসন

দরিদ্র দেশে ১০০ কোটি টিকা দিতে জি-সেভেন নেতাদের অঙ্গীকারের কথা জানান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ছবি: এএফপি

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জনসন বলেন, ‘করোনা মহামারি মোকাবিলায় বৈশ্বিক প্রাথমিক উদ্যোগ কিছু স্বার্থপর ও জাতীয়তাবাদী প্রস্তাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

দরিদ্র দেশগুলোকে ১০০ কোটি টিকা দিতে বিশ্বের সাত ধনী দেশের জোট জি-সেভেনের নেতারা অঙ্গীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

জি-সেভেনের সম্মেলন শেষে স্থানীয় সময় রোববার সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কর্নওয়াল কাউন্টিতে শুক্রবার থেকে টানা তিন দিনব্যাপী সম্মেলনে বসেন জি-সেভেনের নেতারা।

করোনাভাইরাস সৃষ্ট বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় করণীয় পদক্ষেপ নিয়ে জি-সেভেনভুক্ত সাত দেশ কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের মধ্যে আলোচনা হয়।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জনসন বলেন, ‘করোনা মহামারি মোকাবিলায় বৈশ্বিক প্রাথমিক উদ্যোগ কিছু স্বার্থপর ও জাতীয়তাবাদী প্রস্তাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

‘করোনাকে চিরতরে বিদায় জানাতে আমাদের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও বৈজ্ঞানিক সামর্থ্যও এসবের কারণে বাধাগ্রস্ত হয়। বিশ্ব চায় আমরা যেন এসব সংকীর্ণ চিন্তাভাবনা থেকে মুক্ত হই।’

জনসন বলেন, সরাসরি বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) উদ্যোগে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে দরিদ্র দেশগুলোতে ১০০ কোটি করোনার টিকা সরবরাহে অঙ্গীকার করেছেন জি-সেভেনের নেতারা। এগুলোর মধ্যে ১০ কোটি টিকা যুক্তরাজ্য দেবে।

জি-সেভেন সম্মেলনের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিশ্ববাসীকে দ্রুত নিরাপদ টিকা দেয়ার মধ্য দিয়ে করোনা মহামারির ইতি টানতে এবং জোরালো আন্তর্জাতিক উদ্যোগের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ নির্মাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে জি-সেভেন।

জি-সেভেন সম্মেলনে বিশ্বের শিল্পোন্নত সাত দেশের নেতাদের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হয়। এবারও ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণের হার শূন্যের ঘরে এবং কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধে ফের অঙ্গীকার করেন জি-সেভেনের নেতারা।

আরও পড়ুন:
নাইজেরিয়ায় ইসলামি স্কুল থেকে ২০০ শিশুকে অপহরণ
নৌকা দ্বিখণ্ডিত, নিখোঁজ ১৪০ যাত্রী
নাইজেরিয়ায় অপহৃত ২৭৯ স্কুলছাত্রী মুক্ত

শেয়ার করুন

পুরুষ ছাড়াই হজের নিবন্ধন করতে পারবেন সৌদি নারীরা

পুরুষ ছাড়াই হজের নিবন্ধন করতে পারবেন সৌদি নারীরা

সৌদি আরবে হজের নিবন্ধন শুরু হয় রোববার দুপুর ১টার দিকে। ২৩ জুন রাত ১০টা পর্যন্ত নিবন্ধন করা যাবে। আগাম আবেদনকারীরা অগ্রাধিকার পাবেন না।

পুরুষ অভিভাবক ছাড়াই এবারের হজে অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারবেন সৌদি আরবের নারীরা।

আরব নিউজের সোমবারের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে গত বছরের মতো এবারও সৌদি আরবের বাইরে কাউকে হজ করার অনুমতি দেয়া হয়নি। শনিবার দেশটির স্বাস্থ্য ও হজ মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা দেয়।

নির্দেশনায় বলা হয়, এ বছর কেবল ৬০ হাজার সৌদি মুসল্লি হজ করতে পারবেন।

৬০ হাজার মুসল্লি বেছে নিতে কিছু শর্ত বেঁধে দেয় সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ। হজে অংশগ্রহণকারীদের দীর্ঘমেয়াদি কোনো রোগ থাকা যাবে না।

বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে। হজের আগে করোনা প্রতিরোধী টিকা নেয়া লাগবে।

নির্দেশনার পরদিন রোববার দুপুর ১টার দিকে সৌদি আরবে হজের নিবন্ধন শুরু হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৩ জুন রাত ১০টা পর্যন্ত নিবন্ধন করা যাবে। আগাম আবেদনকারীরা কোনো অগ্রাধিকার পাবেন না।

সৌদি সরকার ৩ হাজার ২৩০ ডলার থেকে শুরু করে ৪ হাজার ৪২৬ ডলার মূল্যের তিনটি প্যাকেজের অনুমোদন দিয়েছে।

দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে বলা হয়, হজের সময় পবিত্র স্থানে মুসল্লিদের পরিবহনে বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতি বাসে সর্বোচ্চ ২০ জন থাকতে পারবেন।

মিনায় মুসল্লিদের প্রতিদিন তিন বেলা এবং আরাফাতে সকাল ও দুপুরের খাবার দেয়া হবে। মুজদালিফায় মুসল্লিরা রাতের খাবার পাবেন। পানীয়সহ অন্যান্য খাবার পাওয়া যাবে। তবে মক্কার বাইরে থেকে মুসল্লিরা খাবার আনতে পারবেন না।

আরও পড়ুন:
নাইজেরিয়ায় ইসলামি স্কুল থেকে ২০০ শিশুকে অপহরণ
নৌকা দ্বিখণ্ডিত, নিখোঁজ ১৪০ যাত্রী
নাইজেরিয়ায় অপহৃত ২৭৯ স্কুলছাত্রী মুক্ত

শেয়ার করুন

করোনা টিকার প্রতিক্রিয়া নিয়ে অদ্ভুত দাবি

করোনা টিকার প্রতিক্রিয়া নিয়ে অদ্ভুত  দাবি

করোনা টিকা নেয়ার পর শরীর চুম্বকক্ষেত্র হচ্ছে বলে দাবি করেছেন কলকাতার বেশ কয়েকজন।

ভারতের মহারাষ্ট্রের পর এবার পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় তেমন ম্যাগনেট ম্যানের সন্ধান মিলেছে। করোনার টিকা নেয়ার পর শরীরে আটকে যাচ্ছে হাতা, খুন্তি, চামচ, যেকোনো লোহার বস্তু, এমনই চাঞ্চল্যকর তাদের দাবি।

করোনাভাইরাসের টিকা নেয়ার পর ভারতের বেশ কিছু মানুষের শরীর চুম্বকের মতো হয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে বেশ কিছু ছবিও ছড়িয়ে পড়েছে শরীরে লোহার বিভিন্ন সরঞ্জাম আটকে থাকার।

ভারতের মহারাষ্ট্রের পর এবার পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় তেমন ম্যাগনেট ম্যানের সন্ধান মিলেছে। করোনার টিকা নেয়ার পর শরীরে আটকে যাচ্ছে হাতা, খুন্তি, চামচ, যেকোনো লোহার বস্তু, এমনই চাঞ্চল্যকর তাদের দাবি।

সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের নাসিকে এক ব্যক্তি দাবি করেন, করোনা টিকা নিয়ে তার শরীর চুম্বক হয়ে গেছে। বাড়িতে বসে সেই খবর দেখছিলেন শিলিগুড়ির বাসিন্দা নেপাল চক্রবর্তী। খবর দেখে, কৌতূহলবশত ৭ জুন করোনা টিকা নেয়া নেপাল নিজের বুকে একটা চামচ ঠেকাতেই দেখেন, তা শরীরে আটকে যাচ্ছে। এরপর হাতা, খুন্তি, খুচরা পয়সা, যেকোনো লোহার বস্তু শরীরে ঠেকালেই তা আটকে যাচ্ছে তার।

বিস্মিত নেপাল সেই দৃশ্য ভিডিও করে আত্মীয়দের পাঠাতেই শোরগোল পড়ে যায়।

নেপাল জানিয়েছেন, টিকা নেয়ার পর তার জ্বর, গা-হাত-পা ব্যথা কিছু হয়নি। সব আগের মতো স্বাভাবিক। শুধু শরীর হয়ে গেছে চুম্বক।

পরে নেপালকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

করোনা টিকার প্রতিক্রিয়া নিয়ে অদ্ভুত  দাবি
ভারতের মহারাষ্ট্রের পর পশ্চিমবঙ্গেও বেশ কয়ে ব্যক্তির শরীর চুম্বকক্ষেত্র হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

একই রকম ঘটনা ঘটেছে আসানসোল, বসিরহাট, পলাশীপাড়ায়। আসানসোল পৌরসভার কর্মী, সুকান্তপল্লির বাসিন্দা ২৭ বছরের অঙ্কুশের দাবি, ৮ জুন করোনার টিকা নেয়ার পর নাসিকের ঘটনা পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখেন, তার শরীরেও আটকে যাচ্ছে হাতা, খুন্তি, খুচরা পয়সা, গাড়ির চাবি যেকোনো লোহার জিনিস।

বসিরহাটের ম্যাগনেট ম্যানের নাম শংকর প্রামানিক। হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের মামুদপুর এলাকার বাসিন্দা, দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী শঙ্করেরও টিকা নেয়ার পর শরীর চুম্বকে পরিণত হয়েছে বলে দাবি। শরীরে আটকে যাচ্ছে যেকোনো লোহার বস্তু।

ম্যাগনেট ম্যানের খোঁজ মিলেছে নদীয়ার পলাশীপাড়া থানা এলাকায়। সেখানেও আশ্চর্যজনকভাবে শরীর চৌম্বকীয় শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে। শরীরে আটকে যাচ্ছে যেকোনো লোহার জিনিস।

আজব এই খবরে স্বাভাবিকভাবে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। যদিও চিকিৎসকদের একাংশের দাবি, কোনোভাবেই এটা সম্ভব নয়। টিকার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

আবার কিছু চিকিৎসক এটা টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিনা, সে ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

কেউ আবার দাবি করেছেন, টিকা নেয়ার পর একেকজনের শরীরে একেক রকম সমস্যা হতে পারে। পরীক্ষা করে নিশ্চিত না হয়ে কিছু বলা যায় না।

করোনা রুখতে টিকার কোনো বিকল্প নেই বলেও জানান চিকিৎসকরা।

দেশের কোটি কোটি মানুষ টিকা নিয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। টিকা নেয়াতে ভয়ের কিছু নেই বলেও আশ্বস্ত করেন চিকিৎসকরা।

আরও পড়ুন:
নাইজেরিয়ায় ইসলামি স্কুল থেকে ২০০ শিশুকে অপহরণ
নৌকা দ্বিখণ্ডিত, নিখোঁজ ১৪০ যাত্রী
নাইজেরিয়ায় অপহৃত ২৭৯ স্কুলছাত্রী মুক্ত

শেয়ার করুন

শুরু হচ্ছে সু চির বিচার

শুরু হচ্ছে সু চির বিচার

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেতা অং সান সু চির বিচার সোমবার শুরু হচ্ছে। ছবি: এএফপি

মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে শুনানি শুরুর আগে সু চির আইনজীবী খিন মং জো বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমরা ভালো কিছু আশা করছি। তবে আমাদের প্রস্তুতি ভালো নয়।’

মিয়ানমারের সামরিক জান্তার হাতে ক্ষমতাচ্যুত অং সান সু চির বিচার শুরু হতে যাচ্ছে।

দেশটিতে চার মাসের বেশি সময় ধরে চলা সামরিক শাসনের অধীনে সোমবার সু চির বিচার শুরু হচ্ছে বলে দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত নেতা সু চিকে গৃহবন্দি করে ক্ষমতায় বসে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এরপর থেকেই তার মুক্তি ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে প্রায় প্রতিদিনই বিক্ষোভ দেখছে মিয়ানমার।

বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে প্রাণ হারিয়েছে সাড়ে আট শতাধিক মানুষ।

শান্তিতে নোবেলজয়ী সু চির বিরুদ্ধে দুর্নীতিসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ আনে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। ১১ কেজি সোনা বেআইনিভাবে নেয়া থেকে শুরু করে ঔপনিবেশিক আমলের অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট লঙ্ঘনের অভিযোগ অন্যতম।

বেআইনিভাবে ওয়াকিটকি আমদানি ও গত বছরের নির্বাচনের সময় করোনাভাইরাসের বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের অভিযোগে সোমবার শুরু হতে যাওয়া বিচারে সু চির আইনজীবী দল সাক্ষীদের জেরা করবে।

সু চির আইনজীবীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, আগামী ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে বিচার শেষ হবে বলে ধারণা তাদের। প্রতি সোমবার আদালতে সু চির বিরুদ্ধে করা অভিযোগের শুনানি হবে।

সু চির বিরুদ্ধে সামরিক সরকারের সব অভিযোগ আদালতে প্রমাণ হলে এক দশকের বেশি সময় কারাদণ্ড হতে পারে ৭৫ বছর বয়সী নেতার।

অভিযোগের বিষয়ে কেবল দুইবার সু চির সঙ্গে দেখা করার অনুমতি পান তার আইনজীবীরা।

মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে শুনানি শুরুর আগে সু চির আইনজীবী খিন মং জো বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমরা ভালো কিছু আশা করছি। তবে আমাদের প্রস্তুতি ভালো নয়।’

মঙ্গলবার সু চি ও তার দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতা এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টের বিরুদ্ধে করা রাষ্ট্রদ্রোহ অভিযোগের বিচার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

২০১০ সালে মুক্তির আগে তৎকালীন সেনা সরকারের আমলে ১৫ বছরের বেশি সময় গৃহবন্দি ছিলেন দেশটির গণতন্ত্রকামী নেতা সু চি।

আরও পড়ুন:
নাইজেরিয়ায় ইসলামি স্কুল থেকে ২০০ শিশুকে অপহরণ
নৌকা দ্বিখণ্ডিত, নিখোঁজ ১৪০ যাত্রী
নাইজেরিয়ায় অপহৃত ২৭৯ স্কুলছাত্রী মুক্ত

শেয়ার করুন