সীমিত পরিসরে বিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর

স্বল্প আয়োজনে শনিবার বিয়ে করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ছবি: এএফপি

সীমিত পরিসরে বিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর

স্বল্প সময়ের প্রস্তুতির বিয়েতে ৩০ জন অতিথি নিমন্ত্রিত ছিলেন। অতিথিদের সবাইকে করোনাভাইরাস-সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিয়েতে যেতে হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন তার বাগদত্তা ক্যারি সিমন্ডসকে বিয়ে করেছেন।

ওয়েস্টমিনস্টার ক্যাথেড্রালে শনিবার অনেকটা গোপনে এই বিয়ে হয়।

বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসি বলছে, বিয়ের সীমিত আয়োজনে বরিস জনসন ও সিমন্ডসের কাছের বন্ধু ও পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়টি নিয়ে ডাউনিং স্ট্রিট কোনো মন্তব্য করতে চায়নি।

যুক্তরাজ্যের ওয়ার্ক অ্যান্ড পেনশন সেক্রেটারি টেরিজা কফি এক টুইটবার্তায় বরিস জনসন ও ক্যারি সিমন্ডসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

উত্তর আয়ারল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার আরলেন ফস্টারও এক টুইটে এই দম্পতিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য মেইল রোববার এক প্রতিবেদনে বলেছে, স্বল্প সময়ের প্রস্তুতির বিয়েতে ৩০ জন অতিথি নিমন্ত্রিত ছিলেন। অতিথিদের সবাইকে করোনাভাইরাস-সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিয়েতে যেতে হয়েছে।

গির্জায় আনুষ্ঠানিকতার জন্য অল্প কিছু কর্মকর্তা ছিলেন। আনুষ্ঠানিকতার দায়িত্ব পালন করেছেন ফাদার ড্যানিয়েল হামফ্রেস।

দ্য সান বলছে, ডাউনিং স্ট্রিটের জ্যেষ্ঠ অনেক কর্মকর্তা বিয়ের বিষয়টি জানেন না। ক্যাথেড্রালে স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টায় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হয়।

৩০ বছর বয়সী ক্যারি সিমন্ডস বিয়েতে পরেছিলেন সাদা পোশাক। তিনি নির্ধারিত সময়ের আধা ঘণ্টা পরে সেখানে পৌঁছান।

২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো ৫৬ বছর বয়সী বরিস জনসন ও ক্যারি সিমন্ডস প্রেম শুরু করেন।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাদের বাগদান হয়। সে সময় সিমন্ডস অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘোষণাও দেন। সে বছরের এপ্রিলে তাদের ঘরে জন্ম নেয় প্রথম সন্তান উইলফ্রেডের।

আরও পড়ুন:
আইসোলেশনে বরিস জনসন
ড্যাশবোর্ডের মতো জ্বলজ্বল করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা: জনসন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কারাগারে আত্মহত্যা অ্যান্টিভাইরাস স্রষ্টা ম্যাকাফির?

কারাগারে আত্মহত্যা অ্যান্টিভাইরাস স্রষ্টা ম্যাকাফির?

জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার উদ্ভাবক জন ম্যাকাফির মরদেহ পাওয়া গেছে কারাগারে। ছবি: এএফপি

ম্যাকাফি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে মনে করছেন তাকে উদ্ধারের পর চেতনা ফেরানোর চেষ্টাকারী কারা কর্মকর্তারা।

স্পেনে কারাগারের কক্ষ থেকে বুধবার উদ্ধার করা হয়েছে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ম্যাকাফির উদ্ভাবক জন ম্যাকাফির মরদেহ।

ম্যাকাফি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে মনে করছেন তার চেতনা ফেরানোর চেষ্টাকারী কারা কর্মকর্তারা।

ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে জানানো হয়, করফাঁকির অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে ম্যাকাফিকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণের পক্ষে রায় দিয়েছিল স্পেনের একটি আদালত।

গত বছরের অক্টোবরে ইস্তাম্বুলগামী একটি ফ্লাইটে ওঠার আগে স্পেনের বার্সেলোনা বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার হন ম্যাকাফি। এর পর থেকে যুক্তরাজ্যে জন্ম নেয়া এ কম্পিউটার প্রোগ্রামার বন্দি ছিলেন স্পেনের কাতালোনিয়ার ব্রায়ানস-২ কারাগারে।

সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর ম্যাকাফির আইনজীবী হাভিয়ের ভিয়ালবা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, এটি নিষ্ঠুর ব্যবস্থার ফল। ম্যাকাফিকে এত দীর্ঘসময় ধরে কারাগারে রাখার কোনো কারণই ছিল না।

এর আগে স্পেনের আদালত বুধবার জানিয়েছিল, প্রযুক্তিবিষয়ক উদ্যোক্তাকে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা উচিত।

চলতি মাসের শুরুতে ভিডিওলিংকের মাধ্যমে শুনানিতে ম্যাকাফি বলেছিলেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করা হলে তাকে বাকি জীবন কারাগারে কাটাতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, ৭৫ বছর বয়সী ম্যাকাফি পরামর্শ, বক্তৃতা ও ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে লাখ লাখ ডলার আয় করলেও গত চার বছরে জমা দেননি আয়কর রিটার্ন।

করফাঁকির অভিযোগ প্রমাণ হলে ম্যাকাফিকে ৩০ বছর পর্যন্ত কারাভোগ করতে হতো।

আশির দশক থেকে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আয় করেন ম্যাকাফি। এরপর তিনি নিজেকে বিটকয়েন গুরু হিসেবে জাহির করেন।

আরও পড়ুন:
আইসোলেশনে বরিস জনসন
ড্যাশবোর্ডের মতো জ্বলজ্বল করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা: জনসন

শেয়ার করুন

কানাডার স্কুলে আদিবাসীদের আরও কয়েক শ কবরের সন্ধান

কানাডার স্কুলে আদিবাসীদের আরও কয়েক শ কবরের সন্ধান

কানাডার সাসকাচোয়ান প্রদেশে ১৮৯৯ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত পরিচালিত মেরিভ্যাল ইন্ডিয়ান রেসিডেন্সিয়াল স্কুল। ছবি: সংগৃহীত

যে স্কুল প্রাঙ্গণে এসব কবর শনাক্ত হয়েছে, সেটির নাম মেরিভ্যাল ইন্ডিয়ান রেসিডেন্সিয়াল স্কুল। আবাসিক স্কুল হিসেবে সেখানে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা হয়েছে ১৮৯৯ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত। একসময় স্কুলটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিল রোমান ক্যাথলিক চার্চ।

২১৫ আদিবাসী শিশুর গণকবর আবিষ্কারের কয়েক সপ্তাহের মাথায় নতুন করে কয়েক শ অচিহ্নিত কবরের সন্ধান মিলেছে কানাডায়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী সাসকাচোয়ানে আবিষ্কৃত হয়েছে এসব কবর। প্রদেশটিতে এ ধরনের কবর শনাক্তের ঘটনা এটাই প্রথম।

দেশটির একটি আদিবাসী গোষ্ঠী বুধবার জানায়, অনেক আগে আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবহৃত একটি এলাকায় কবরগুলো আবিষ্কার হয়েছে। বিষয়টিকে ‘ভয়াবহ ও বেদনাদায়ক’ আখ্যা দিয়েছে গোষ্ঠীটি।

ফেডারেশন অফ সভরেইন ইনডিজেনাস নেশন্সের (এফএসআইএন) বিবৃতিতে বলা হয়, কানাডার সাম্প্রতিক ইতিহাসে একসঙ্গে এত বেশি অচিহ্নিত কবর শনাক্তের ঘটনা এটাই প্রথম। তবে কতগুলো কবরের সন্ধান মিলেছে, সে সংখ্যা স্পষ্ট করা হয়নি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম লিডারপোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, সদ্য আবিষ্কৃত এসব কবরের সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আদিবাসী গোষ্ঠী কাওয়েসেস ফার্স্ট নেশন।

যে স্কুল প্রাঙ্গণে এসব কবর শনাক্ত হয়েছে, সেটির নাম মেরিভ্যাল ইন্ডিয়ান রেসিডেন্সিয়াল স্কুল। আবাসিক স্কুল হিসেবে সেখানে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা হয় ১৮৯৯ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত।

একসময় স্কুলটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিল রোমান ক্যাথলিক চার্চ।

নানা বিতর্কের মুখে ১৯৯৯ সালে স্কুলটি ভেঙে দিয়ে সেখানে অনাবাসিক একটি স্কুল চালু করা হয়। যদিও রয়ে গেছে গির্জা, ধর্মযাজক আর সমাধিস্থল।

এফএসআইএনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিদার বিয়ারও সত্তরের দশকে স্কুলটির শিক্ষার্থী ছিলেন। সে সময় সেখানে আদিবাসী শিশুদের ওপর ভয়াবহতার মাত্রা নিয়ে কিছু জানা ছিল না বলে জানান তিনি।

এখন নিমর্মতার খবরে স্তম্ভিত হিদার বিয়ার বলেন, ‘কে জানে কত শিশু নিখোঁজ হয়েছে, বাড়ি ফিরতে পারেনি। কোন ভাষায় এই নির্মমতার প্রতিক্রিয়া জানানো সম্ভব, জানি না।’

এর আগে মে মাসে কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশের কামলুপসে আদিবাসী শিশুদের একটি আবাসিক স্কুলপ্রাঙ্গণে অপ্রাপ্তবয়স্ক ২১৫ জনের দেহাবশেষের সন্ধান মেলে।

এরপরই কানাডায় আদিবাসীদের ওপর একসময়ের ঔপনিবেশিক বর্বরতার বিষয়টি নতুন করে সামনে আসে।

১৮৩১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত কানাডার আবাসিক শিক্ষাব্যবস্থার আওতায় পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছিল দেড় লাখ আদিবাসী শিশুকে। তাদের খেতে দেয়া হতো না; করা হতো শারীরিক ও যৌন নির্যাতন।

বিষয়টিকে ২০১৫ সালে ‘সাংস্কৃতিক জেনোসাইড’ আখ্যা দেয় কানাডার ট্রুথ অ্যান্ড রিকন্সিলিয়েশন কমিশন।

আদিবাসীদের নিয়ন্ত্রণে এমন ব্যবস্থার জন্য ২০০৮ সালে ক্ষমা চেয়েছিল কানাডার কেন্দ্রীয় সরকার।

কিন্তু এ ধরনের স্কুল পরিচালনা করত যে রোমান ক্যাথলিক চার্চ, তারা এখনও ক্ষমা চায়নি।

চলতি মাসের শুরুতে পোপ ফ্রান্সিস দুঃখ প্রকাশ করলেও তাতে মন গলেনি কানাডার ভুক্তভোগী আদিবাসীদের।

আরও পড়ুন:
আইসোলেশনে বরিস জনসন
ড্যাশবোর্ডের মতো জ্বলজ্বল করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা: জনসন

শেয়ার করুন

বিজেপি একটা রোগ: মমতা  

বিজেপি একটা রোগ: মমতা  

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এবং সাবেক মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি

‘বিজেপি আসলে একটা রোগ। এরা নিজেদের হার মানতে জানে না। জনতার রায় মানতে জানে না। মানুষের চাহিদা বোঝে না। এরা আইন মানে না। এখন কেউ যদি ভাবে, সেলফিশ জায়ান্ট হবে তবে কিছু করার নেই।’

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের আচরণকে রোগের সঙ্গে তুলনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্যুতে রাজ্য সরকার পূর্ণ সমর্থন দেবে জানিয়ে বুধবার নবান্নে প্রেস ব্রিফিংয়ে মমতা বন্দোপাধ্যায় আলাপনের প্রতি কেন্দ্রের আচরণ প্রসঙ্গে বলেন, ‘বিজেপি আসলে একটা রোগ। এরা নিজেদের হার মানতে জানে না। জনতার রায় মানতে জানে না। মানুষের চাহিদা বোঝে না। এরা আইন মানে না। এখন কেউ যদি ভাবে, সেলফিশ জায়ান্ট হবে তবে কিছু করার নেই।’

সেলফিশ জায়ান্ট, অস্কার ওয়াইল্ডের এক হিংসুটে দৈত্যের গল্প। ওই দৈত্য তার বাগানে বাচ্চাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার ফলে তার সাধের বাগান শুকিয়ে গিয়েছিল। বিজেপি সরকারকে সেই নিষ্ঠুর দৈত্যর সঙ্গে তুলনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় আলাপনকে দেয়া কেন্দ্রের চিঠি প্রসঙ্গে বলেন, ‘আপনারা আলাপনের মতো একজন অফিসার দেখান তো আমাকে। আলাপন একজন অত্যন্ত যোগ্য অফিসার, সৎ অফিসার। ও সারা জীবন অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছে। ওকে ওর ভাইয়ের মৃত্যুর কয়েক দিনের মধ্যে কেন্দ্র যেভাবে হেনস্তা করেছে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। দেশের জন্য সারা জীবন কাজ করলো, আর দেশ এখন এই প্রতিদান দিচ্ছে ওকে।’

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এটা শুধু ওর লড়াই নয়, দেশের সমস্ত আইএএস এবং আইপিএস অফিসাররা আলাপনের সঙ্গে আছে। ও ওর মতো সিদ্ধান্ত নেবে, তবে যাই করুক আমাদের সরকার ওকে পূর্ণ সমর্থন দেবে।’

মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডাকা ইয়াস ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতির পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত না থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দীঘার অন্য একটি বৈঠকে যোগ দেয়ায়, সাবেক মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে বদলি করা হয়। আলাপন

দিল্লিতে কর্মীসভার দপ্তরে যোগ না দিয়ে ওই দিনই অবসর নিয়ে নেন। প্রসঙ্গত এই দিনই আলাপনের অবসর নেয়ার দিন ছিল।

করোনায় বিপর্যস্ত রাজ্যের জন্য কেন্দ্রের কাছে মুখ্যসচিবের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে কেন্দ্র তিন মাসের জন্য চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি করে। এর মধ্যে ঘটে যায় প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার বিতর্কের বিষয়টি।

আরও পড়ুন:
আইসোলেশনে বরিস জনসন
ড্যাশবোর্ডের মতো জ্বলজ্বল করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা: জনসন

শেয়ার করুন

পশ্চিমবঙ্গে টিকায় অগ্রাধিকার মায়েদের

পশ্চিমবঙ্গে টিকায় অগ্রাধিকার মায়েদের

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘১২ বছর বয়সী শিশুরা মায়েদের সঙ্গে থাকে। মায়েরা তাদের দেখভাল করেন। যাতে মায়েদের থেকে শিশুদের করোনা সংক্রমণ না হয়, তাই এবার গুরুত্ব দিয়ে মায়েদের টিকাকরণ করা হবে।’

করোনাভাইরাস মহামারির তৃতীয় ঢেউয়ে শিশু ও অন্তঃসত্ত্বাদের মধ্যে সংক্রমণ রুখতে মায়েদের টিকা দেয়ায় অগ্রাধিকার দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

উদ্বিগ্ন রাজ্য সরকার করোনার তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলায় আগেই কিছু সতর্কতামূলক পরিকল্পনা নিয়েছে। টিকা প্রয়োগের বিষয়ে জোর দেয়া হচ্ছে শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ওপর। সদ্যোজাত শিশু থেকে ১২ বছর বয়সী পর্যন্ত শিশুদের সংক্রমণ ঠেকাতে মায়েদের টিকা দিতে চাইছে রাজ্য সরকার।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘১২ বছর বয়সী শিশুরা মায়েদের সঙ্গে থাকে। মায়েরা তাদের দেখভাল করেন। যাতে মায়েদের থেকে শিশুদের করোনা সংক্রমণ না হয়, তাই এবার গুরুত্ব দিয়ে মায়েদের টিকাকরণ করা হবে।’

লকডাউনের মতো কড়া বিধিনিষেধের ফলে করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাজ্যে। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা করোনাভাইরাস সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ বয়ে আনবে মারাত্মক শক্তিশালী করোনার ‘ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট’।

করোনার এই নতুন স্ট্রেইনের উপস্থিতি ইতোমধ্যে ভারতের ৪০ জনের দেহে মিলেছে।

বুধবার নবান্নে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে রিভিউ বৈঠক করেন তিনি। এছাড়া বিভিন্ন রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যসচিব এদিন সাংবাদিকদের জানান, ‘সংক্রমণ অনেকটা কমেছে, কোথাও কোথাও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা একশোর নিচে। পজিটিভিটি রেট হয়েছে ৩ দশমিক ৬১ শতাংশ। সংক্রমণে লাগাম পরাতে রাজ্যে ২৫০ এর বেশি কনটেইনমেন্ট জোন করা হয়েছে।’

এছাড়াও করোনাভাইরাস সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে যে সমস্ত পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে পেডিয়াট্রিক শয্যা বাড়ানো, প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মেডিক্যাল কলেজে পেডিয়াট্রিক কেয়ার বৃদ্ধি, জুলাইয়ের মধ্যে ১৩০০টি পেডিয়াট্রিক আইসিইউ তৈরি করা এবং ৩৫০টি এসএনসিইউ তৈরি করা এবং সরকারি হাসপাতাল ১০ হাজার শয্যা বাড়ানো।

আরও পড়ুন:
আইসোলেশনে বরিস জনসন
ড্যাশবোর্ডের মতো জ্বলজ্বল করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা: জনসন

শেয়ার করুন

ভারতে ব্যাংক প্রতারণায় অভিযুক্তদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত

ভারতে ব্যাংক প্রতারণায় অভিযুক্তদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত

বিজয় মালিয়া, মেহুল চোকসি ও নীরব মোদি। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে ব্যাংক প্রতারণায় অভিযুক্ত বিজয় মালিয়া, মেহুল চোকসি ও নীরব মোদির ৯ হাজার ৩৭১ কোটি টাকার সম্পত্তি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যঙ্কের জমা দিয়েছে আর্থিক দুর্নীতি নিয়ন্ত্রক সংস্থা এনফর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

ভারতে ব্যাংক প্রতারণায় অভিযুক্ত বিজয় মালিয়া, মেহুল চোকসি ও নীরব মোদির ৯ হাজার ৩৭১ কোটি টাকার সম্পত্তি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যঙ্কের জমা দিয়েছে আর্থিক দুর্নীতি নিয়ন্ত্রক সংস্থা এনফর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

এখন ওই সম্পত্তির বিনিময়ে ব্যাংকগুলি অনাদায়ী টাকা ফিরিয়ে আনতে পারবে। এই তিনজনের মোট ব্যাংক প্রতারণার অঙ্ক ২২ হাজার ৫৮৫ কোটিরও বেশি। এ যাবৎ ইডি ১৮ হাজার ১৭০ কোটির সামান্য বেশি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পেরেছে। যা মোট প্রতারণার ৮০.৪৫ শতাংশ।

ইডির এই পদক্ষেপের উদ্ধৃতি দিয়ে ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ একটি টুইট করে বলেছেন, ‘পলাতক ও অর্থনৈতিক অপরাধীদের সক্রিয়ভাবে অনুসরণ করা হবে; তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে পাওনা আদায় করা হবে।’

সিবিআইর এফআইআরের ভিত্তিতে ইডি তদন্তে নেমে দেখেছে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে মিথ্যে মালিকের নামে সম্পত্তি ছিল এই ৩ জনের। অনেক ভুয়ো কোম্পানির নামেও সম্পত্তি ছিল যা আসলে বিজয়, মেহুল, নীরবের সম্পত্তি।

দেশে-বিদেশে সেই সম্পত্তিগুলি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বাজেয়াপ্ত করা ১৮ হাজার ১৭০ কোটি টাকার মধ্যে ৯৬৯ কোটি টাকাই বিদেশের সম্পত্তি।

ইডি জানিয়েছে, একাধিক ভুয়া ট্রাস্ট, সংস্থা ও তৃতীয় ব্যক্তিদের নামে সম্পত্তি ছিল অভিযুক্তদের। সম্প্রতি, ইডি মুম্বাইয়ের স্পেশাল কোর্টের আদেশ অনুসারে, এসবিআই-নেতৃত্বাধীন কনসোর্টিয়ামের কাছে ৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকার শেয়ার হস্তান্তর করেছে। বিভিন্ন সংস্থার ওই শেয়ারগুলি অভিযুক্ত তিনজনের জিম্মায় ছিল। ব্যাংকগুলির ঋণ আদায় সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনাল ওই শেয়ারগুলি ৫হাজার ৮০০ কোটি টাকার কিছু বেশি দামে বিক্রি করতে পেরেছে ।

পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকে ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন নীরব মোদি। একাধিক ব্যাংকে ঋণ বাকি রেখেই দেশ ছেড়ে ইংল্যান্ডে চলে গিয়েছেন বিজয় মাল্য। অন্যদিকে মেহুল চোকসি এখন ডমিনিকায় বন্দি। তাঁদের দেশে ফেরানোর জন্য যথাসম্ভব চেষ্টা করছে কেন্দ্র। একাধিকবার প্রত্যর্পণের আর্জি পৌঁছেছে ব্রিটেনে। সেই দেশগুলিতে প্রত্যর্পণ এখন বিচারাধীন।

দেশে লকডাউনের সময় ১০০ শতাংশ ঋণ ফিরিয়ে দেয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়কে আর্জি জানিয়েছিলেন বিজয় মাল্য।

অন্যদিকে কয়েকদিন আগেই অ্যান্টিয়াগো থেকে জলপথে কিউবা পালিয়ে যাওয়ার সময় ডমিনিকায় ধরা পড়েন মেহুল চোসকি। তাঁর প্রত্যর্পণের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। সমস্ত নথিপত্র পৌঁছেছে ডমিনিকায়।

আরও পড়ুন:
আইসোলেশনে বরিস জনসন
ড্যাশবোর্ডের মতো জ্বলজ্বল করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা: জনসন

শেয়ার করুন

টিকা নিয়ে বিজেপি-কংগ্রেস টুইট লড়াই

টিকা নিয়ে বিজেপি-কংগ্রেস টুইট লড়াই

যোগ দিবসের দিন টিকা দেয় প্রায় ৮৮ লাখ মানুষ। সেই রেকর্ডের পর টুইট করে সাধুবাদও জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু পরের দিনই টিকা দেয়ার সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রেকর্ড টিকা কি শুধুই চমক? প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

করোনা টিকাকরণ নিয়ে ফের ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে ভারতে।

সোমবার ৮৮ লাখ মানুষের টিকা দেয়ার পর মঙ্গলবার তা এক ধাক্কায় ৫৩ লাখে নেমে আসে।

যোগ দিবসের দিন টিকা দেয় প্রায় ৮৮ লাখ মানুষ। সেই রেকর্ডের পর টুইট করে সাধুবাদও জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

কিন্তু পরের দিনই টিকা দেয়ার সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রেকর্ড টিকা কি শুধুই চমক? প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

টিকার এই নিম্নগতি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষ করেছেন সাবেক কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরম। টুইটে পি চিদাম্বরম জানিয়েছেন, একদিনে টিকার ‘বিশ্ব রেকর্ডের’ রহস্য ধরে ফেলেছেন তিনি।

টুইটে সাবেক কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী লিখেছেন, ‘রোববারে জমা করো, সোমবারে টিকা দাও। এরপর মঙ্গলবারে ফের খোঁড়াতে শুরু করো। এটাই একদিনে টিকার বিশ্ব রেকর্ডের গোপন রহস্য।’

এখানেই শেষ নয়, কেন্দ্রকে খোঁচা দিয়ে পি চিদাম্বরম আশা প্রকাশ করেন, ‘আমি নিশ্চিত এই বিষয়টি গিনিস বুক অফ রেকর্ডসে জায়গা করে নেবে।’ এমনকী মোদি সরকার মেডিসিনে নোবেল পুরস্কারও পেতে পারে বলে মনে করেন সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

অন্য একটি টুইটে চিদাম্বরম লিখেছেন, ‘কে জানে, হয়তো মেডিসিনের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়ে যেতে পারে মোদি সরকার। আগে বলা হত মোদি হ্যায়, মুমকিন হ্যায়। এখন মোদি হ্যায়, মিরাকল হ্যায় হয়ে গিয়েছে।’

চিদাম্বরমের খোঁচার পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। দলের আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যের অভিযোগ, কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলোতে টিকা দেয়ার প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছে। এই রাজ্যগুলোই ভারতকে টেনে পিছিয়ে দিচ্ছে।

টুইটে মালব্য লিখেছেন, ‘সোমবার টিকা দেয়ার রেকর্ড গড়ার পর মঙ্গলবার ভারতে ৫৪ লাখ লোক টিকা দিয়েছে। কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলিতেই টিকা দেয়ার প্রক্রিয়া খোঁড়াচ্ছে। দেশকে পিছনে টানছে। চিদাম্বরম বরং কংগ্রেস ও তাদের জোট সরকার শাসিত পাঞ্জাব, রাজস্থান, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড় ও মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যগুলির টিকাকরণ নিয়ে মাথা ঘামাক। আমাদের রেহাই দিন।’

আরও পড়ুন:
আইসোলেশনে বরিস জনসন
ড্যাশবোর্ডের মতো জ্বলজ্বল করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা: জনসন

শেয়ার করুন

সপ্তাহে ৩ দিন ছুটির প্রস্তাব জাপানে

সপ্তাহে ৩ দিন ছুটির প্রস্তাব জাপানে

বার্ষিক অর্থনৈতিক নীতিমালা নির্দেশিকা প্রকাশের সময় এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে জাপান সরকার। এতে সব প্রতিষ্ঠানকে কর্মীদের সপ্তাহে ৩ দিন ছুটি দেয়ার সুপারিশ করা হয়, যা আগে ছিল ২ দিন।

জাপানে নাগরিকদের ব্যক্তিগত ও কর্মজীবনের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় সাপ্তাহিক কর্মদিবস পাঁচ দিন থেকে কমিয়ে ৪ দিনে আনার প্রস্তাব দিয়েছে দেশটির সরকার।

এটি কার্যকর হলে টানা ৩ দিন সাপ্তাহিক ছুটির সুবিধা পাবেন জাপানের মানুষ।

ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে জানানো হয়, বার্ষিক অর্থনৈতিক নীতিমালা নির্দেশিকা প্রকাশের সময় এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে জাপান সরকার। এতে সব প্রতিষ্ঠানকে কর্মীদের সপ্তাহে ৩ দিন ছুটি দেয়ার সুপারিশ করা হয়, যা আগে ছিল ২ দিন।

জাপানে বেতনভুক্ত নারী ও পুরুষ কর্মীরা ভীষণ পরিশ্রমী হিসেবে সারা বিশ্বে সুপরিচিত। এ অবস্থায় জাতীয় জীবনে ভারসাম্য আনতে কাজের সময় কমানোর ওপর জোর দিচ্ছে দেশটির সরকার।

পরিকল্পনায় বলা হয়, কর্মঘণ্টা কমলে একই সঙ্গে স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের বয়স্ক সদস্যদের বাড়তি সময় দিতে পারেন কর্মীরা। এতে মানসিকভাবে স্বাচ্ছন্দ্যে থাকেন তারা।

এতে আরও বলা হয়, বাড়তি অবসর সময় পাওয়ায় শিক্ষা ও অন্যান্য দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন তারা। সব মিলিয়ে সপ্তাহে ৪ দিনের কর্মদিবসের ফলে কর্মীদের উৎপাদনশীলতাও বাড়ে।

বাড়তি ছুটির ফলে প্রতি সপ্তাহে লোকজন বাইরে বেড়াতে যাওয়ার বিষয়ে উৎসাহ পেলে সরকারের পর্যটনকেন্দ্রিক আয় বাড়বে বলেও আশাবাদী টোকিও।

এর মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের একে অপরকে জানার সময় পাওয়ার পাশাপাশি বিয়ে, সন্তান নিয়েও আগ্রহ পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

জাপানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে কর্মীদের অতিরিক্ত কাজের ফলে অসুস্থতা ও মানসিক অবসাদের কারণে আত্মহত্যার খবর প্রায় নিয়মিত।

অতিরিক্ত কাজের চাপে মৃত্যুর ঘটনা অনুসন্ধান করে দেখা যায়, বেশিরভাগ কর্মীই মাসের পর মাস নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টার চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে অফিসে কাজ করেছেন।

এ ধরনের ঘটনাও কমিয়ে আনতে চায় টোকিও।

আরও পড়ুন:
আইসোলেশনে বরিস জনসন
ড্যাশবোর্ডের মতো জ্বলজ্বল করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা: জনসন

শেয়ার করুন